।। শংকরাচার্য ।।
---- স্বামী হরিময়ানন্দ
© ধারাবাহিক রচনা
"এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ
শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্
আলয়ং করুণালয়ম্।
নমামি ভগবদপাদং শংকরম্
লোকশংকরম্।।
====================পর্ব-৫==================
সনন্দন ও আরও কিছু শিষ্যদের নিয়ে আচার্য কাশী থেকে
গঙ্গাতীর ধরে নানা প্রাচীন রাজধানী প্রভৃতি দেখতে দেখতে প্রয়াগ, কান্যকুব্জ, হস্তিনাপুর
এর ভেতর দিয়ে হরিদ্বারে এসে উপস্থিত হন। এরপর আচার্য হৃষিকেশে আসেন। এখানে তিনি যজ্ঞেশ্বর
বিষ্ণু বিগ্রহ উদ্ধার করেন।
আচার্য
পবিত্র গঙ্গাতে স্নান করে, পরমেশ্বর ভগবানকে হৃদয়ে ধ্যান করে বেদান্ত বিচার
করতে লাগলেন। গুরুর কৃপায় সর্বশক্তি ও সর্বজ্ঞত্ব প্রতিভা স্বয়ং তাঁর হৃদয়ে প্রকাশিত হল। সেই দিন তিনি বদরী-কাননে
যাত্রা করলেন। সে স্থানে উপস্থিত হয়ে ব্রহ্মর্ষি ও মুনিদের সংগে সমস্ত শাস্ত্র বিচার
করে তিনি আকর গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। এই ভাবে দশটি প্রধান উপনিষদের ভাষ্য, গীতা ভাষ্য,
বিষ্ণু সহস্র নাম ও সনৎসুজাতীয় ভাষ্য রচনা করেন। বেদান্তের গভীর সব গ্রন্থ রচনা করলেন।
পরবর্তী সময়ে তিনি বহু
দেবদেবীর স্তোত্র রচনা করেছেন। সে সব কথা যথা সময়ে বলা হবে।
শুধু
একটি বিষয় পাঠককে এখানে জানিয়ে রাখি। তখন শংকর ছাত্র। গুরু গৃহে থেকে পড়াশোনা করেন।
ছাত্রদের আবার ভিক্ষাতেও যেতে হত। এক ব্রাহ্মণের বাড়িতে গিয়ে ‘ভিক্ষাং
দেহি’ বলে দাঁড়িয়েছেন। তখন ব্রাহ্মণ পত্নী বাইরে এলেন। বললেন এই জগতে সেই
ভাগ্যবান ও তাদের জীবন ধন্য যে তোমাদের মতো বালককে ভোজন দান করতে পারে। কিন্তু আমরা
ভাগ্যহীন, বড়ই দরিদ্র। এই কথা বলে তিনি বাড়ির ভেতরে গেলেন। অন্য কিছু না পেয়ে একটি
আমলকি নিয়ে এলেন ও ভিক্ষা দিলেন। বালক শংকরের মন করুণায় পূর্ণ হয়ে উঠল। দয়াদ্র চিত্তে
তিনি তখনই দেবী কমলাকে স্তুতি করেন। হরিপ্রিয়া দেবী লক্ষ্মী স্তবে সন্তুষ্ট হয়ে সেই
স্থানেই আবির্ভূত হন। শংকরকে বললেন – তোমার মঙ্গল
হোক, বর গ্রহণ কর। শংকর দেবীকে সামনে দেখে আবার স্তুতি করতে লাগলেন। দেবী বললেন তুমি
যে কারণে স্তুতি করছ তা অবিলম্বে গ্রহণ কর। আমি প্রসন্ন হয়েছি। দেবী যদি তুমি প্রসন্ন
হয়ে থাকো তবে এই ব্রাহ্মণের গৃহে তুমি অবস্থান কর। ও ব্রাহ্মণকে অর্থ সম্পদে পূর্ণ
কর। দেবী ব্রাহ্মণের গৃহে প্রবেশ করে সোনা দানাতে পূর্ণ করে দিলেন। ব্রাহ্মণ প্রভূত
ধনশালী হয়ে গেলেন। এই স্তোত্রটি বিখ্যাত কনকধারাস্তোত্রম্ নামে।
একবার আচার্য গঙ্গাতীরে
বসে রয়েছেন। নদীর অপর পারে রয়েছেন শিষ্য সনন্দন।
আচার্য শিষ্যকে ডাকলেন। সনন্দন গুরুর আদেশে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। হঠাৎ
শিষ্যের মনে হল যিনি এই সংসার সমুদ্র থেকে শিষ্য ও ভক্তদের উদ্ধার করে চলেছেন, তিনি
এই সামান্য স্রোত নদী থেকে কি আমাকে উদ্ধার করবেন না? এই কথা ভেবে ও ভক্তি ভরে গঙ্গার
জলে নেমে পড়লেন। গুরুর আদেশ একদিকে। অন্যদিকে নদীর অন্যপারে গুরু। হেঁটে যেতে অনেক
সময় লাগবে। তাই তিনি দৃঢ় ভক্তিকে আশ্রয় করে এই সিদ্ধান্ত নিলেন। জলের মধ্যে তিনি যত
এগিয়ে গেলেন, তিনি ডুবে গেলেন না। বরং এক একটি পদ্মফুল জলের উপরে ভেসে উঠল, যার উপর
তিনি অনায়াসে পা দিয়ে চলে যেতে পারেন। যেখানে যেখানে তিনি পা রাখছেন একটি করে পদ্মফুল
সেখানে ফুটে উঠছে। আশ্চর্য ব্যাপার এই ভাবে তিনি নদী পেরিয়ে গুরুর কাছে উপস্থিত হলেন।
শিষ্যের এমন অদ্ভুত ব্যাপার দেখে গুরু সনন্দকে নাম দিলেন 'পদ্মপাদ' বলে। আজ থেকে তিনি
বিখ্যাত হলেন পদ্মপাদ নামে। গুরুর মহিমাও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
শৈবদের সঙ্গে
এক সময় আচার্যদেব শিষ্যদের নিয়ে বেদ পাঠ করছিলেন। বহু শিষ্য
সমবেত হয়ে এক মনে আচার্যের পাঠ শুনছিলেন। হঠাৎ কিছু লোক সেখানে উপস্থিত হলেন। তারা
বেদান্তের কিছু জানেন না। তারা শিবের উপাসক। তবুও তারা আচার্যের সংগে তর্ক করতে চায়। আচার্য বেদান্তের প্রখর যুক্তিতে তাদের সমস্ত প্রশ্নের
উত্তর দিলেন ও তাদের মতকে খন্ডন করলেন। আচার্য বললেন আপনারা বলেন জীব ও ঈশ্বরের মধ্যে
ভেদ আছে। তা হলে মুক্তি কি করে হয়? যদি বলেন ধ্যানের দ্বারা মুক্তি হয়। তা হতে পারে
না। কেননা যা ধ্যান রূপ কর্মের দ্বারা প্রাপ্ত হয়, তা নিশ্চয় নিত্য হবে না। ফলে এর
দ্বারা মুক্তি হতে পারে না। শংকর এই ভাবে বেদান্তের দ্বারা জীব ও ঈশ্বরের অভিন্নতা
দেখিয়ে দিলেন। এরপর ওই শিব ভক্তগণ আচার্যের যুক্তিতে এতটাই মুগ্ধ হলেন যে তারা তাঁর
শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন।
শংকরাচার্য মহাদেবের
আদেশে শারীরক সূত্র বা ব্রহ্মসূত্রের ভাষ্য রচনা করেন। এই সূত্রে তিনি সমন্বয়, অবিরোধ,
সাধন, ও ফল এই চারটি লক্ষণযুক্ত চার অধ্যায়ে বিভক্ত করেন। প্রতি অধ্যায় চার পাদে ভাগ
করেন। মোট ষোলটি পাদে বিভক্ত এই ভাষ্য এক অসাধারণ সৃষ্টি। মানুষের যুক্তি বিচার যে
কত দূর বিস্তৃত হতে পারে তা এই ভাষ্য পাঠ করতে বোঝা যায়। তাই স্বামী বিবেকানন্দ আচার্য
শংকরের বুদ্ধির এত প্রশংসা করতেন। পাঠকের কৌতূহল থাকতে পারে ভেবে যদি সম্ভব হয় ব্রহ্মসূত্র
ভাষ্য সহ পরে দেখতে পারেন। এখানে সে বিষয়ে
বিশেষ কিছু দেওয়া হল না।
বেদব্যাসের আগমন
যতীশ্বর
আচার্য বারাণসীতে গঙ্গাতীরে শিষ্যদের নিয়ে নিজ রচিত ভাষ্য আলোচনা করছিলেন। বেশ কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন তা করে আসছেন। একদিন
প্রায় দুপুর হলো, তিনি পাঠ শেষ করে একটু বসেছেন। এমন সময় একজন বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ সেখানে
আসেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কে? কোন শাস্ত্র পাঠ হচ্ছে? তখন শিষ্যেরা বললেন, আমাদের গুরু অদ্বৈতবাদী। তিনি শারীরক সূত্রের ভাষ্য
রচনা করেছেন। তাতে তিনি বেদান্তের অদ্বৈত মতের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন। আমরা গুরুদেবের
কাছে তা-ই অধ্যয়ন করছি। ব্রাহ্মণ তখন শংকরকে বললেন, তোমার শিষ্যেরা তোমাকে ভাষ্যকার বলছেন। আচ্ছা তুমি
বেদব্যাসের যথার্থ তাৎপর্য যে সূত্র বর্ণিত হয়েছে এমন একটি সূত্র বল। আচার্য ব্রাহ্মণকে
করজোড়ে বললেন, আমার সূত্র জানা নেই। তবে আপনি যা ইচ্ছা জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আমি যথাশক্তি উত্তর দেবো।
ঐ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ তখন সূত্রের তৃতীয় অধ্যায়ের প্রথম সূত্র - তদন্তর প্রতিপত্তৌ রংহতি সংপরিষ্বক্তঃ – এর উল্লেখ
করলেন। জিজ্ঞাসা করলেন এই সূত্রের বিষয়ে তার কি অভিমত। আচার্য তাঁর ভাষ্যে যে ভাবে
বর্ণনা করেছেন তা বিস্তারে আলোচনা করলেন। ব্রাহ্মণ নানা প্রকারে পূর্বপক্ষ করতে লাগলেন।
বৃদ্ধ শত শত যুক্তি দেখিয়ে তা খণ্ডন করলেন। এই ভাবে দিনের পর দিন বিচার চলতে লাগল। এই
ভাবে আট দিনেও কোনো মীমাংসা হল না। তখন উপস্থিত শিষয়দের মধ্য থেকে পদ্মপাদ উঠে দাঁড়িয়ে
বললেন প্রভু, ইনি পরম গুরু ভগবান ব্যাসদেব।পদ্মপাদ নিজে মুখে মুখে শ্লোক রচনা করে বলতে লাগলেন
-
শংকরঃ শঙ্করঃ সাক্ষাৎ
ব্যাসো নারায়ণোহরিঃ।
তয়োর্বিবাদ সংবৃত্তে কিঙ্করা কিঙ্করোবাণীতি।।
অর্থাৎ শংকর সাক্ষাৎ শংকর (মহাদেব), ব্যাস
স্বয়ং নারায়ণ হরি, উভয়ের মধ্যে বিবাদ হলে কিঙ্করেরা কি করবে?
পদ্মপাদের এই কথা শুনে
আচার্য ব্যাসদেবের উদ্দেশ্যে প্রণাম জানালেন। ঐ ব্রাহ্মণকে তাঁর নিজের রূপ প্রকাশ করতে
অনুরোধ জানালেন। তখন মুহূর্তে সেই বৃদ্ধ দিব্যপিঙ্গল জটাধারীতে রূপান্তরিত হলেন। গায়ের
রঙ কালো। চোখ দুটি পদ্মের মতো বিকশিত। হাত দুটি জানু পর্যন্ত ঝুলছে। কৃষ্ণবর্ণ বাঘের
ছাল পরে আছেন। গলায় যজ্ঞোপবীত। মুখে প্রসন্ন হাসি। আচার্য এই রূপে তাঁকে দর্শন করলেন।
শংকর তখন উৎফুল্ল মনে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন শ্রীচরণে।
গুরুদেব আজ আপনার কৃপায় আমার এই পুণ্য দর্শন হল। সশিষ্য আচার্য শংকর তখন ব্যাসদেবের
শ্রীচরণ বন্দনা করলেন।
আচার্য শংকর ব্যাসদেবকে
করজোড়ে জানালেন আপনি নিজের বুদ্ধিতে আঠারো পুরাণ ইতিহাস প্রভৃতি প্রণয়ন করেছেন। বেদ
এর চার প্রকার বিন্যাস করেছেন। মহাভারত রচনা করেছেন। কার সাধ্য এমন কাজ করতে পারে?
আপনি কেবল মানব কল্যাণের জন্য ভূতলে অবতীর্ণ হয়েছেন। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মাদি দেব যা
থেকে উদ্ভব হন তিনি আপনি ভগবান ব্যাসদেব, এতে কোন সংশয় নেই।
ভাষ্যকারের দ্বারা এমন
স্তুতি শ্রবণ করে ব্যাসদেব আনন্দিত হলেন। শংকরকে বললেন – শংকর ,
তুমি ধন্য তুমি কৃতার্থ। অদ্বৈতজ্ঞান প্রকাশ করার জন্য তুমি জন্ম গ্রহণ করেছ। মহাদেবের
সভাতে তোমার ভাষ্যের প্রশংসা শুনে তোমার কাছে এসেছি তোমার নিজ মুখে শুনবো বলে। আচার্য
অতি বিনীত ভাবে বললেন আপনার সূত্র সূর্যের মতো বিশাল তার তুলনায় আমার ভাষ্য অতি ক্ষুদ্র
প্রদীপের মতো। তবুও আপনি কৃপা করে এর প্রশংসা
করছেন।
ব্যাসদেব রচিত সূত্রের ভাষ্যে যে ভাব প্রকট হয়েছে
তার প্রশংসা তো করলেন আরও বললেন এই ভাষ্য ব্রহ্মা,
বিষ্ণু ও মহাদেবের সম্মত হয়েছে। এই কথা বলে ব্যাসদেব বিদায় নিতে প্রস্তুত হলেন।
এমন সময় শংকর বললেন হে গুরুদেব, আপনি আমার লেখা
ভাষ্য শুনেছেন। এতে আমি ধন্য। এখন আর আমার কোনো কাজ এই জগতে বাকি নেই। আপনি একটু অপেক্ষা
করুন আমার আয়ু শেষ হবে ও আমি মণিকর্ণিকাতে আপনার সামনে এই দেহ ত্যাগ করতে চাই। এই কথা
শুনে ব্যাস দেব বললেন। না, শংকর এটা তোমার কর্তব্য নয়। তোমার কাজ বাকি আছে। যারা বেদ
মত মানে না তাদের মতকে খন্ডন করার জন্য তোমাকে পৃথিবীতে থাকতে হবে। তুমি পৃথিবী ত্যাগ
করলে বেদান্ত আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। তোমার আয়ু ১৬ বছর ছিল, এখন ঈশ্বরের কৃপায় আরও ১৬ বছর
বৃদ্ধি পাবে। ব্যাসদেবের চরণ বন্দনা করলেন শংকর। তথাস্তু বলে ব্যাসদেব অন্তর্হিত হলেন।
========()=========
খুব ভালো পড়লাম আচার্য্যদেব
ReplyDeletePronum Maharaj Khub bhalo laglo Acharjya Sankarer jibanir 6 no parbati porre kata ajana katha jante parchhi apnar sannidhhe ese .
DeleteSubhrasree Daw
Rishra.
অপূর্ব সুন্দর খুব ভালো লাগলো, প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
মহারাজ আচার্য শংকর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারছি
Deleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
Leena Brahmachari south city
খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর লাগলো আচার্য শংকর জীবনী বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি আপনার সান্নিধ্যে এসে আমরা এত আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করছি আমরা নিজেদের ধন্য মনে করি জয়তু আচার্য গুরুদেব শিখা মন্ডল বজ বজ।
ReplyDeleteবিস্তারিত ভাবে আচার্য্য শঙ্করের জীবনী
ReplyDeleteপরে ভীষণ ভালো লাগলো মহারাজজী। আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, এই ভাবেই আপনি আমাদের জ্ঞান দান করুন,
শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম নেবেন 🌻🙏🌻জয়া চৌধুরী
শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়ে খুব ভাল লাগলো।
Deleteতাপস দে, মালদা।
খুব ভালো লাগলো মহারাজ, অনেকদিন পরে এই লেখা পেলাম। এত সব ঘটনা বিস্তারিত জানতে পেরে খুব আনন্দ পাই। আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব। শুভ্রা লালা। দমদম
ReplyDeleteখুব সুন্দর অপুর্ব লাগছে পড়তে । প্রনাম নেবেন আমার I রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া I
ReplyDeleteAchariyo Sankarachayo r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌼 🙏🏼 . Jai Thakur 🌷 ♥️ 🙏🏼 Sovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌷 🙏🏼. Osadharon uposthapona, porey khubei mugdho holam Guruji 🌷🙏🏼.
ReplyDeleteParbati Banerjee Siliguri
Khub valo laglo Pronam Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏 আরো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🙏🙏
ReplyDeleteদেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷🙏
Khub valo laglo pore . Swabhakti p4onam naben pujonio Maharaj. 🙏🏻🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব অনুধ্যান। কত অজানা তথা জানা সম্ভব হোল। প্রনাম আপনাকে
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হলাম গুরু শিষ্যের সংবাদ পড়ে ।
ReplyDeleteসীমা আচার্য , বারাণসী।
প্রণাম মহারাজ। অনেক কিছু জানতে পারলাম। রীতা নাগ দক্ষিণেশ্বর
ReplyDeleteকি যে ভালো লাগছে ভাষায় বর্ণনা করা যায় না, ভক্তিপূর্ণ প্রনাম মহারাজ জী🙏
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Khub bhalo laglo pore. Aro janta
ReplyDeleteIccha korccha. Pranam Maharaj.
Pulakesh Sinha Roy.
Khub sundar khub valo laglo Maharaj apnar kalame ayee lekhani 🙏🙏🙏🙏🙏🙏 Shampa Dhar 🙏🌹
ReplyDeleteখুব ভালো লগলো। আচার্য শঙ্কর এবং
ReplyDeleteভগবান ব্যাসদেবের কথোপকথন আরো
ভালো লাগলো। প্রনাম মহারাজ।
পুলকেশ সিনহা রায়।
This comment has been removed by the author.
ReplyDeleteঅনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম, আপনার আশীর্বাদে আচার্য শঙ্করের জীবনী এতো সুন্দর ভাবে জানতে পারছি মহারাজ। খুব ভালো লাগলো🙏 আপনি সুস্থ্য থাকুন মায়ের কাছে এই প্রার্থনা করি🙏 আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeleteমাধুরী ঘোষাল নাগের বাজার অপূর্ব সুন্দর ব্যাস দেব ও শঙ্করাআচারয্যজীবনজানতে পারছি। ভীষণ ভালো লাগলো প্রণাম আচার্য দেব।
Deleteআলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteঅনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম মহারাজ🙏 আচার্য শঙ্করের জীবনী পড়তে খুব ভালো লাগে। আপনার আশীর্বাদে অনেক কিছু জানতে পারছি। আপনি সুস্থ্য থাকুন মায়ের কাছে এই প্রার্থনা করি মহারাজ🙏 আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhub valo laglo ati pora. Pronam maharajji aparna roychowdhry berhampur
ReplyDeleteKhub bhalo laglo
ReplyDeleteAnek natun bishoy janlam
Pronam neben maharaj
খুব ভালো লাগছে মহারাজ।কতো অজানা তথ্য জানতে পারছি।প্রনাম শঙ্করাচার্য 🙏🙏 প্রনাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteসুজাতা দাস(হাওড়া)
💐🙏🙏
ReplyDeleteKhub. bhalo lagchhe maharaj
ReplyDeleteApni amar pronam grahan korben
Sonali bhattacharyya
Khub bhalo laglo notun notun katha jene
ReplyDeleteআমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজা
ReplyDeleteআপনার অনুধ্যানটি খুবই ভাল লাগল।
লেখাটি অনেক তথ্যপূর্ণ। ভগবান শঙ্করাচার্য
সম্বন্ধে অনেক অজানা কথা জানলাম।
পরের অনুধ্যানটির অপেক্ষাক্ষায় রইলাম।
প্রণত
সুব্র
সুব্রত মুখার্জী
ব্যাঙ্গালোর
১২/১২/২০২৪
ভ্রম সংশোধন:-
ReplyDeleteওপরে আমার commentএ তারিখ টা ভুলক্রমে ১২/১২/২০২৪ লেখা হয়েছে।
ওটা ১২/১১/২০২৪ হবে।
সুব্রত মুখার্জী
আচার্য শঙ্করাচার্যের জীবনী আপনার লেখায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।লেখাটি বড়ো আগ্রহ নিয়ে পড়ছি।আপনার নিরলস পরিশ্রমের ফল স্বরূপ এই অপূর্ব অমূল্য লেখাটি থেকে অনেক অনেক তথ্য জানতে পারছি।শ্রদ্ধাসহ প্রণাম জানাই। 🙏💐
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
১২/১১/২৪
Khub valo laglo ,anek samridha halam ,valo thakben maharaj ,amar shashrdha pranam grahan kar ben .
ReplyDeleteখুব ভালো পড়লাম
ReplyDeleteঅপূর্ব মহারাজ।কত অজানা তথ্য আপনার সহজ সরল লেখায় জানতে পারলাম।আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারছি। খুবই সমৃদ্ধ হচ্ছি।প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর।
ReplyDeletePronam Maharaj. Khubi sundor. Onak kichu jante parchi apnar kripay.
ReplyDeleteKhub Valo lagche Pronam Maharaj🙏🙏 Debjani Bhattacharjee
ReplyDelete🙏🙏 আমার ভক্তিপূর্ন প্রণাম নেবেন,খুবই ভালো লাগছে এই সব অজানা তথ্য জেনে। ভালো থাকবেন।
ReplyDelete🙏 maharaj, khub sommriddho hochchi eto read kore....
ReplyDeleteযতই পড়ছি ততই সমৃদ্ধ হচ্ছি, আচার্যের কথা জানতে পারছি। আর্শীবাদ করুন যেন এ গুলো অনুসরন করে নিজেকে আদর্শ ভাবে গড়ে তুলতে পারি। আমার ভক্তিপুর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ জী। তপন সিংহ ধানবাদ।
ReplyDeleteকী অপূর্ব লাগল.. যেন সাক্ষা্ৎ মহাদেবরূপী আচার্য শংকর কে জানতে শুরু করেছি। বদরী কাননে ব্রহ্মর্ষি ও মুনিদের সঙ্গে সমস্ত শাস্ত্র বিচার করে তিনি “আকর“ গ্রন্থ প্রণয়ন করেন অথচ তখনও তিনি ছাত্র এবং ভিক্ষাং দেহি বলে নিত্য তা করতে হতো (তখনকার সময়ে)। তাঁর স্তুতিতে সন্তুষ্ট দেবী লক্ষ্মী দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘর পূর্ণ করে তোলেন ধন সম্পদে। তাঁর অশেষ কৃপাতেই শিষ্য সনন্দন পদ্মফুলের উপর দিয়ে নদী পার হয়েছিল এবং তিনিই শিষ্যের নাম দিয়েছিলেন “পদ্মপাদ“! শৈবদের সঙ্গেও তিনি বেদান্তের দ্বারা জীব ও ঈশ্বরের অভিন্নতা সঠিক সত্য যুক্তিতে বুঝিয়েছিলেন, যারজন্য তারাও শংকরের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন! তিনি ব্রহ্মসূত্রের ভাষ্যও রচনা করেন ! স্বয়ং শংকরই শংকর আচার্য নামে অভিহিত। তাঁর এই যুক্তিযুক্ত অদ্বৈতবাদী জ্ঞান প্রশংসিত হয়েছিল স্বয়ং নারায়ণরূপী ব্যাসদেব এর কাছে। দারুণ ভাল লাগল! পড়তে শুরু করলে ভীষণ ভীষণ ভাল লাগে আরও জানতে ইচ্ছা হয়। অনেকদিন পরে এই আত্মজ্যোতি পেইজ এ, তাই ধারাবাহিকতায় আগের পর্ব গুলো পড়ে নিয়ে পর্ব-৫ পড়লাম। শ্রদ্ধেয় মহারাজ, আপনার অশেষ কৃপায় বেদান্তকে জানতে পারছি,। শ্রদ্ধেয় আচার্য
ReplyDeleteশংকরকে জানছি অল্প অল্প করে। অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেও শেষ হবে না। ঋণী হয়ে থাকছি
সবসময়ের জন্য। আপনার আশীর্ব্বাদ কাম্য; পরম ভক্তিতে আন্তরিক প্রণাম। সুজাতা দে। লন্ডন, ইউ.কে।
প্রণাম প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ শ্রী শঙ্করাচার্যের ব্লগ পড়ে পড়ার অংশ আরো বেড়ে গেলো আবার ও অপেক্ষায় রইলাম
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি
ReplyDeleteLeena Brahmachari
খুব ভালো লাগলো মহারাজ পড়ে,আপনার কৃপায় অনেক কিছু জানতে পারছি।
ReplyDeleteনমষ্কার গুরু দেব ঠাকুর মা স্বামী জী আমার আন্তরিক আভূমি শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ শতকোটি প্রণাম গ্ৰহণ করবেন। গুরু মহারাজ জী আপনার লেখা যদি পড়ি পিপাসা আরো বেড়ে যায়। অসাধারণ আপনার লেখনী ক্ষমতা, আর বক্তব্য। আবার প্রণাম জানাই।
ReplyDelete