।। শংকরাচার্য ।।
---- স্বামী হরিময়ানন্দ
© ধারাবাহিক রচনা
"এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ
শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্ আলয়ং করুণালয়ম্।
নমামি ভগবদ্পাদ শংকরং লোকশংকরম্।।
==========পর্ব-৪===========
একবার বর্ষাকালে কয়েকদিন
ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। এর ফলে নর্মদা নদীতে প্রবল বন্যা হয়। জলের বেগে নদী ফুলে ফুলে উঠতে থাকে।
জলের স্রোত এত প্রবল হল যে নদীর পাড় ছাপিয়ে জল ওঁকারনাথ পাহাড়ের গায়ে বার বার ধাক্কা
মারতে থাকে। এমন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ বাইরে। এদিকে গোবিন্দপাদজী গুহাতে সমাধিতে মগ্ন হয়ে রয়েছেন। বাইরের কোন জ্ঞান নেই।
গভীর সমাধিতে। শিষ্যেরা খুবই উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত হয়ে পড়লেন। বন্যার জল বাড়তে বাড়তে
গুহার মুখে প্রায় ঢুকে পড়ে। জল যদি ঢুকে পড়ে সমাধিস্থ গুরুদেবের জীবন সংকটের মুখে পড়বে।
নদীর প্রবল স্রোত বন্ধ
করা অসম্ভব। আর গুরুদেবকে এই অবস্থায় ধ্যান ভাঙ্গিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
সন্ন্যাসীরা কোন উপায়
না পেয়ে আচার্য শংকরকে জানালেন। শংকর তখন বললেন আপনারা কোন চিন্তা করবেন না। আমাদের
গুরুদেব ব্রহ্মজ্ঞ মহাপুরুষ। তিনি এখন সমাধিতে রয়েছেন। এ সময় বিশ্ব প্রকৃতি সম্পূর্ণ
তাঁর নিয়ন্ত্রণে। ফলে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। বরং প্রকৃতি
এই অবস্থায় তাঁকে সহযোগিতা করবে। গুরুদেবের আশীর্বাদে আমি বন্যার গতি রোধ করতে পারব।
অন্যান্য সন্ন্যাসীরা একটু অবাকই হলেন এই কথা শুনে। নদীর প্রবল গতি রোধ করবেন কী করে?
এদিকে আচার্য শংকর একটি মাটির কলসী এনে গুহার
মুখে কাত করে রেখে দিলেন। সন্ন্যাসীরা সকলে দেখতে লাগলেন কি ঘটে! প্রবল ঢেউগুলো গুহার
মুখে আছড়ে পড়ছে, কিন্তু কলসীর মুখে ঢোকা মাত্র অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। নিমেষে বন্ধ হয়ে
গেল জলের ভয়ঙ্কর তাণ্ডব। শংকরের ওই বয়সে বিশেষ যোগশক্তির পরিচয় পেয়ে সকলে ‘সাধু, সাধু’ করতে লাগলেন।
এই ভাবে কুঠিয়াটি রক্ষা পেল।
সমাধি ভঙ্গ হওয়ার পর সব কিছু শুনলেন গোবিন্দপাদজী।
প্রসন্ন হলেন শংকরের প্রতি। সর্ব শাস্ত্রের জ্ঞানের সঙ্গে যোগবিভূতিও তিনি অর্জন করেছেন
দেখে গুরু খুব আনন্দিত হলেন। গুরু প্রসন্ন হয়ে বললেন যদি আরও কিছু চাও, তা বলতে পারো।
সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করে শংকর জানালেন শ্রীগুরুর কৃপায় তিনি সবই পেয়েছেন। আর কিছু প্রার্থনা
নেই। আপনি যদি কৃপা করেন ও অনুমতি দান করেন আমি সমাধিতে মগ্ন হয়ে ব্রহ্মে লীন হয়ে যেতে
চাই।
এই কথা শুনে ব্রহ্মজ্ঞ গুরু উত্তর দিলেন, বৎস্, তোমার দেহত্যাগের
সময় এখনও আসেনি। যে প্রয়োজনে তুমি দেহ ধারণ করেছ, সে কাজ এখনও শেষ হয়নি।
ধর্মের গ্লানি থেকে ধর্মকে রক্ষা করতে হবে। অদ্বৈত
জ্ঞান প্রচার করতে হবে। লুপ্ত তীর্থ উদ্ধার করতে হবে তোমাকে। সাধারণ মানুষ যারা ঈশ্বর
বিমূখ তাদের কল্যাণের জন্য তোমাকে কাজ করতে হবে। শংকর হাতজোড় করে বললেন - আদেশ করুন
কী করতে হবে?
ভগবৎ গোবিন্দপাদ শংকরকে বললেন – তুমি বৈদিক
ধর্ম রক্ষা করার জন্য শিবের কৃপায় জন্ম গ্রহণ করেছ। তুমি যে আসবে তা আমি আমার গুরু
গৌড়পাদের থেকে জেনেছি। কেবল তোমাকে এই অদ্বৈতজ্ঞান দান করার জন্য আমি দেহ রক্ষা করেছি।
আমার কাজ এখন শেষ হল। আমি সমাধিস্থ হব। তুমি এখন কাশীধামে যাও। ব্যাসদেবের ব্রহ্মসূত্রের
একটি ভাষ্য রচনা কর। এর দ্বারা বেদান্ত ধর্মের প্রসার ঘটবে। মহাদেব তোমাকে দর্শন দেবেন।
শংকর গুরুর আশীর্বাদ
নিয়ে বারাণসী যাত্রা করলেন।
কাশীতে শংকরাচার্য
আচার্য শংকর এলেন কাশীতে।
একদিন এক ব্রাহ্মণ এসে প্রণাম করলেন আচার্যকে। আচার্য জানতে চাইলেন তুমি কে? ব্রাহ্মণ
করজোড়ে জানালেন যে তিনি চৌলদেশ বাসী। সংসারের জ্বালায় জ্বলে গৃহ ত্যাগ করে নানা দেশ
ঘুরে এই স্থানে হাজির হয়েছেন। মহা ভাগ্যবলে আজ
আপনার দর্শন লাভ করে ধন্য হলাম। আপনি এই সংসার তাপ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। ব্রাহ্মণের
এমন বিনয় ও বৈরাগ্যে শংকরের হৃদয়ে করুণার উদ্রেক হল। তাঁকে তিনি শিষ্য রূপে গ্রহণ করলেন।
সন্ন্যাসের নিয়ম অনুসারে তাঁকে প্রেষ মন্ত্র প্রদান করলেন। নাম হল সনন্দন। ইনি শংকরাচার্যের
প্রথম শিষ্য বলে জানা যায়।
একদিন কাশীতে গঙ্গা
স্নান করতে গেলেন। রাস্তায় দেখলেন একটি চণ্ডাল চারটি কুকুর নিয়ে যাচ্ছে। এমন ভাবে যাচ্ছে পুরো রাস্তা জুড়ে। আচার্য সামনে চণ্ডালকে দেখে চল
চল পথ ছাড় বলে, স্পর্শ করতে নিষেধ করলেন। আচার্যের কথা শুনে সেই চণ্ডাল তখন বলতে লাগলেন
–
অদ্বিতীয় মসঙ্গং সৎ সুখরূপমখণ্ডিতৎ।
নির্ণীতং শ্রুতিভিস্তত্র চিত্র তে ভেদ কল্পনা।।
অর্থাৎ শ্রুতিতে বলা
হয়েছে অদ্বিতীয় অসঙ্গ সৎ অখণ্ড সুখরূপে যে পদার্থ
তাতে তোমার ভেদ কল্পনা, এ তো আশ্চর্য। হে যতিরাজ, জীবের স্থূল শরীর অন্নময়।
আর জীব চৈতন্যময়। অতএব অন্নময় থেকে অন্নময়কে , চৈতন্যময় থেকে চৈতন্যকে দূরে নিয়ে যাওয়া
সম্ভব নয়। কাজেই জীব যাবে কি করে?
তরঙ্গহীন সহজানন্দ বোধস্বরূপ প্রত্যগাত্মাতে
– এ চন্ডাল, এ ব্রাহ্মণ
এই সব ভেদ কি করে হয়? গঙ্গার জলে ও অথবা যেকোন জলে সূর্যের প্রতিবিম্ব একই থাকে। সোনার
ঘটে ও মাটির ঘটে আকাশের কোন পার্থক্য হয় কি? অথবা ভেবে দেখ, গঙ্গাজলে বা সুরাতে সূর্যের
প্রতিবিম্বতে কি কোন পার্থক্য থাকে? আমি সন্ন্যাসী , এ ব্যাক্তি চণ্ডাল একি তোমার মিথ্যাজ্ঞান।
চণ্ডাল এই রকম নানা কথা বলতে লাগল। চণ্ডালের মুখে এমন গভীর জ্ঞানের কথা শুনে শংকরাচার্য
অত্যন্ত বিস্মিত হলেন।
আচার্য বললেন – হে উদার,
তুমি যা বললে তা সত্য। এখন আমি ভেদ বুদ্ধি ত্যাগ করলাম। এই কথা বলতে বলতে চারটি কুকুরকে
ও সেই চণ্ডালকে তাঁদের দিব্যরূপে দর্শন করলেন। চারটি কুকুর হলেন চারটি বেদ। আর চণ্ডাল
হলেন স্বয়ং মহাদেব। শংকর শংকরের স্তুতি করতে লাগলেন । পাঁচটি শ্লোকে তিনি মহাদেবের
স্তুতি করে ছিলেন। এই স্তুতি মণীষা পঞ্চকম্
নামে বিখ্যাত। পাঠকের আগ্রহ থাকতে পারে ভেবে তা এখানে উল্লেখ করা হোল।
মনীষা পঞ্চকম্
জাগ্রৎস্বপ্নসুষুপ্তিষু
স্ফুটতরা যা সংবিদুজ্জৃস্তুতে
যা ব্রহ্মাদিপিপীলিকান্ততনুয়ু
প্রোতা জগৎসাক্ষিণী।
সৈবাহং ন চ দৃশ্যবস্ত্বিতি
দৃঢ়প্রজ্ঞাপি যস্যাস্তি চেৎ
চাণ্ডালো৳স্তু স তু
দ্বিজো৳স্তু গুরুরিত্যেষা মনীষা মম।।১
অনুবাদ- যে সংবিৎ জাগ্রৎ
স্বপ্ন এবং সুষুপ্তি অবস্থায় প্রকাশিত থাকে, জগৎসাক্ষিস্বরূপ। যে সংবিৎ ব্রহ্মাদি পিপীলিকান্ত
শরীরে ওতপ্রোত, আমি সেই সংবিৎ স্বরূপ। আমি দৃশ্য বস্তু নই – এমন দৃঢ়
প্রজ্ঞা যাঁর আছে, চণ্ডালই হোন বা ব্রাহ্মণই হোন, আমি মনে করি তিনি আমার গুরু।
ব্রহ্মৈবাহমিদং জগচ্চ
সকলং চিন্মাত্রবিস্তারিতং।
সর্বং চৈতদবিদ্যয়া ত্রিগুণয়াশেষং
ময়া কল্পিতম্।
ইত্থং যস্য দৃঢ়া মতিঃ সুখতরে
নিত্যে পরে নির্মলে
চাণ্ডালো৳স্তু স তু
দ্বিজো৳স্তু গুরুরিত্যেষা মনীষা মম।। ২
অনুবাদ – আমিই ব্রহ্ম,
এই সমুদায় জগৎ চৈতন্যমাত্রে বিস্তারিত। আমিই ত্রিগুণপময়ী অবিদ্যাবশে এই সমস্ত জগতের
কল্পনা করছি – এরূপ যাঁর নিত্য, নির্মল
ও সুখ স্বরূপ দৃঢ় নিশ্চয় হয়েছে, চণ্ডালই হোক বা ব্রাহ্মণই হোক আমি মনে করি তিনি আমার গুরু।
শশ্বন্নশ্বরমেব বিশ্বমখিলং
নিশ্চিত্য বাচা গুরো-
নিত্যং ব্রহ্ম নিরন্তরং বিমৃশতা নির্ব্যাজশান্তাত্মনা।
ভূতং ভাবি চ দুষ্কৃতং প্রদহতা সংবিন্ময়ে পাবকে।
প্রারব্ধায় সমর্পিতং স্ববপুরিত্যেষা মনীষা মম।। ৩
অনুবাদ – যিনি গুরুর
বাক্য অনুসারে বিনাশশীল মনে করেন, এবং যিনি নিষ্কপট, সর্বদা শান্ত ভাবনা করেন, তিনি
চিদ্রূপ অগ্নিতে ভূত(বর্তমান)
দগ্ধ করে প্রারব্ধের
হস্তে দেহকে সমর্পণ করেছেন , আমি মনে করি তিনিই
আমার গুরু।
যা তির্য্যঙনরদেবতাভির৳মিত্যন্তঃ
স্ফুটা গৃহ্যতে
যদ্ভাসা হৃদয়াক্ষদে৳বিষয়া ভান্তি স্বতো৳চেতনাঃ।
তাং ভাস্যৈঃ পিহিতার্কমণ্ডলনিভাং স্ফূর্তিং সদা ভাবয়ন,
যোগী নির্ব'তমানসো হি গুরুরিত্যেষা মনীষা মম। ৪
অনুবাদ- ব্রহ্মচৈতন্যকে
ইতর প্রাণী, মনুষ্য, দেবতা- সকলেই 'আমি' এরূপে নিজ অন্তঃকরণে
স্পষ্ট অনুভব করে থাকে। যাঁর প্রকাশে স্বভাবতঃ অচেতন অন্তঃকরণ, ইন্দ্রিয় এবং দেহরূপবিষয়
প্রকাশিত হয়ে থাকে - যে যোগী সেই প্রকাশস্বরূপকে সূর্য্যপ্রকাশ্য মেঘদ্বারা আবৃত সূৰ্য্য-
মণ্ডলের ন্যায় (স্বয়ংপ্রকাশ অথচ মায়াদ্বারা আচ্ছন্নবৎ) মনে করে আনন্দিত হন, তিনিই গুরু-এইরূপই
আমি মনে করি।
যৎসৌখ্যাম্বুধিলেশলেশত
ইমে শত্রুাদয়ো নিবৃতাঃ
যচ্চিত্তে নিতরাং প্রশান্তকলনে
লব্ধ।
মুনিনিবৃতঃ। যস্মিন্নিত্যসুধাম্বুধৌ
গলিতধীব্র হ্মৈব ন ব্রহ্মবিদ
যঃ কশ্চিৎ স সুরেন্দ্রবন্দিতপদো
নূনং মনীষা মম ॥ ৫
অনুবাদ-যে সুখসমুদ্রের
কণারও কণা পেয়ে এই সব ইন্দ্রাদি দেবতা আনন্দিত হইয়াছেন, মুনিগণ প্রশান্তচিত্তে যাঁহাকে
লাভ করে শান্তি- লাভ করেছেন যাঁর বৃদ্ধিবৃত্তি নিত্যস্বরূপ সেই সুধাসাগরে বিগলিত হয়েছে,
তিনি ব্রহ্মই, ব্রহ্মবিৎ নহেন। তাঁহার চরণ শ্রেষ্ঠ দেবতারাও বন্দনা করে থাকেন- এই আমার
মত।
শংকরের স্তবে খুবই প্রসন্ন
হলেন মহাদেব। মহাদেব বললেন – হে যতিবর,
তুমি সর্বজ্ঞ, তুমি ধন্য, তুমি কৃত কৃত্য। যেমন নারায়ণ বেদব্যাস আমার প্রিয় তুমিও আমার
তেমন প্রিয়। তোমাকে যে মান্য করে, সে আমাকে মান্য করে। তোমাতে আমাতে কোন ভেদ নেই।
এখন তুমি যত্ন সহকারে
শ্রুতি ইতিহাস ও সূত্র প্রভৃতি প্রকাশ কর। অদ্বৈত মত প্রচার কর। মহাদেব এই কথা বলে
অন্তর্হিত হলেন। এরপর আচার্যদেব গঙ্গা তীরে গেলেন। স্নান করে মহাদেবকে হৃদয়ে ধ্যান
করলেন। বিশ্বনাথের সমস্ত শক্তি তখন আচার্যদেবের হৃদয়ে স্ফুরিত হতে লাগল। সে দিনই তিনি
বদরিকাশ্রমের দিকে যাত্রা করলেন।
ক্রমশ......
Shree Shree Chaitanya Mahaprabhu r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌼🌼🌿🌿🙏🙏🙏🙏Sovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌿🌼🙏🙏.
ReplyDeletePronum Maharaj ,Acharjya Sankarer 4 no parbati porre anek tathha jante parlum parabarti parber apekshay railum .
DeleteSubhrasree Daw
Rishra
Joy Achariya Sankor🙏Dipa Choudhury Andul-Mouri , Howrah moharajjir srichorone vulunthito voktipurno pronam janai🙏 Monisha Panchokom stotra ti kivabe path korbo janaben🙏
Deleteপ্রনাম মহারাজ শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়তে খুবই ভালো লাগছে🙏
Delete☝️Parbati Banerjee Siliguri thekey 🙏🙏
ReplyDeleteমণীষা পঞ্চকম্ পড়ে খুবই ভালো লাগলো। যদিও বেশ কঠিন। তবে আপনার বঙ্গানুবাদ পরে বুঝতে পেরেছি। আরও কয়েকবার পড়লে আরও সহজ হবে। আমার সভক্তি🙏🙏 জানাই আপনার শ্রী চরণে।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন আমার আবার অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্ব পড়ার জন্য I রুনা পালিত
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏
Deleteবাঃ খুব আনন্দ পেলাম আরো জানতে চাই প্রণাম নেবেন 🙏🏻🙏🏻 ইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ
Deleteমনুষ্য পঞ্চকম্ খুব ভালো লাগল। আরো কয়েকবার পড়তে হবে। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🏻🙏🏻 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা
Deleteখুব ভালো লাগলো, শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজজী... 🙏🙏জয়চৌধুরী।
ReplyDeleteআবার অপেক্ষা এ থাকলাম 🙏🙏মনিকা দাস
ReplyDeleteপ্রণাম গ্ৰহণ করুণ মহারাজ। খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteপরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকবে । অনেক অনেক প্রণাম মহারাজ। ধন্যবাদ
DeletePronam maharajji.khub valo laglo thankyou for your help Aparna Roy Chowdhury
ReplyDeleteমনীষা পঞ্চ কম্ পড়তে খুব ভালো লাগছে আচার্য্য গুরুদেব , অপেক্ষায় থাকলাম পরবর্তী অংশের জন্য। ভক্তি শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য গুরুদেব 👏👏🌷🌷
ReplyDeleteবুবুন মুখার্জী, বি রাটি।
Deleteআচার্য শংকরের জীবন কথা জানার জন্য আমি অত্যন্ত আগ্রহী। আপনার লেখা থেকে একটু একটু করে ক্রমশ জানতে পারছি। খুব ভালো লাগছে। প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteশুভ্রা লালা।
ReplyDeleteখুব সুন্দর শংকর আচার্যের জীবন কাহিনী খুব ভালো লাগছে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি এটা সম্ভব হয়েছে আপনার সংস্পর্শে এসেছি বলে আপনার শ্রী চরণে অনন্ত কোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল। বজবজ
ReplyDeleteআচার্য দেব আপনাকে ভুলুণ্ঠিত প্রণাম । শঙ্করাচার্যের ওপর আপনার লেখা পুরোটা পড়লাম এবং খুব তৃপ্তি পেলাম
ReplyDeleteখুব ই ভালো লাগছে মহারাজ জী।পরবর্তী অধ্যায়ের অপেক্ষায় থাকলাম।
ReplyDelete💐💐🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ খুব ভালো লাগছে 🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে অনেক তথ্য জানতে পারছি মহারাজের কৃপায় প্রনাম জানাই মহারাজের চরণে
Delete🕉🙏🏻🙏🏻🙏🏻🕉
Delete🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️
ReplyDelete🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️ Shampa Dhar
ReplyDeleteShampa Dhar 🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteShampa Dhar 🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 আচার্য্য শঙ্কর সমন্ধে কিছু ই জানতাম না, আপনার সাধিন্যে এসে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। অবাক হই আপনার পাণ্ডিত্য কথা ভেবে, আমরা স ত্যি খুব ভগবান তাই আপনার সানিদ্ধ পেয়েছি
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
চতুর্থ অংশ পাঠকরার অপেক্ষায় ছিলাম ।আচার্য শঙ্করের শ্লোক গুলির বঙ্গানুবাদ ধীরে ধীরে পড়ে বোঝ বার চেষ্টা করছি । মহারাজ আপনার কৃপায় আমরা এমন অমুল্য কথা জানতে পারছি । প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏। স্মৃতি রেখা গোস্বামী ।চন্দন নগর।
ReplyDeleteMadhuri Ghoshal দারুন লেখা ভীষণ ভালো লাগলো এটা সেয়ার করতে পারি। প্রণাম আচারয্যদেব
ReplyDeleteঅনন্য উপস্থাপনা। । 🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ অনেক প্রনাম
ReplyDeleteশঙ্করাচার্য র বাংলা অনুবাদ গুলো পড়ে বোঝার চেষ্টা করছি যদিও জানি অনেক টা সময় লাগবে বুঝতে ।
আপনার প্রতিটি লেখার পেছনে যে কত পরিশ্রম ভেবে শ্রদ্ধা য় মাথা নত হয় ।
একবার আপনার দর্শন করার ইচ্ছে আছে, য়দি আপনি অনুমতি দেন 🙏🙏🙏🙏
এমন সাবলীল উপস্থাপনা যা মনকে আকৃষ্ট করে রাখে ।ভীষন ভালো লাগছে পড়তে ।কত অজানা তথ্য জানতে পারছি আপনার জন্য । আপনি আমারসশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন ।
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteআচার্য শঙ্করের চতুর্থ পর্ব পড়ে খুব ভালো লাগলো। এতো সুন্দর সহজ করে লেখা, পড়ে অনেক কিছু জানতে পারি মহারাজ। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
অপূর্ব! অপূর্ব তাঁর বিস্ময়কর রচনা যে জীবাত্মাই ব্রহ্ম! বেদান্ত তথা বৈদিক ধর্ম রক্ষার্থে এই ষোড়শবর্ষীয় বালক যিনি আদি গুরু শংকর আচার্য নামে পরিচিত। তাঁর গুরুদেব গোবিন্দপাদ ছিলেন ব্রহ্মজ্ঞ মহাপুরুষ; যিনি অদ্বৈতজ্ঞান দান করেছিলেন শংকরাচার্য
ReplyDeleteকে। তিঁনি গুরুবাক্য পালনে অতীব সক্ষমতা'র বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন.. ব্যাসদেবে'র ব্রহ্মসূত্র ভাষ্য রচনা করে যা বেদান্তে"র প্রসার ঘটে। তিনি মহাদেবের দর্শন পেয়েছিলেন এবং "মণীষা পঞ্চকম্" নামে বিখ্যাত স্তুতি সহ.. আমাদের শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজজী এমন চমৎকার করে তাঁর সম্পর্কে তুলে ধরেছেন সুন্দর লিখনী'র মাধ্যমে যা সত্যিই অসাধারণ, মনোমুগ্ধকর, অতুলণীয় যা পাঠক হিসেবে পড়তে, আরও জানতে আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়!! জয় আচার্য শংকরের জয় 🙏। জয় গুরু মহারাজজী'র জয়🙏। জয় দিব্যত্রয়ী'র জয় 🙏🙏🙏। সুজাতা দে লন্ডন থেকে।
MONO MUGDHO LAKHA ASADHARAN RUPA AMADER PRADAN KORLEN SANKARACHARJA GOURAB GATHA ..SATOKOTI PRANAM JANYE MAHARAJ KHOOB BHALO THAKUN ARO JANTE CHYE SANKARACHARJA LIFE PATH BHASYO NAMASTE 🙏
ReplyDeleteসংসারও যবে মন কেড়ে লয় জাগেনা তখন প্রাণ।মহারাজ কি ভাবে যে ভক্ত দের মন কেড়ে নিয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রতিদিন নানা ব্যাস্ত তার মধ্যে আপনার লেখা ও ভিডিও সব পরে দিন শেষ করি। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteExcellent! Amra AK binder kanar kaka. Upalobdhi khamata kothya.
ReplyDeletePranam Maharaj 🙏 🙏
Pulakesh Sinha Roy.
মনীষা পঞ্চকম্ অনুবাদ সহ জানতে পেরে খুব ভাল লাগল। আচার্য শঙ্কর সম্বন্ধে কিছুই জানতাম না।আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল স্বরূপ এই সহজ সরল লেখাটি থেকে বিস্তারিত জানতে পারলাম। শ্রদ্ধাসহ ভক্তিপূর্ন প্রণাম জানাই মহারাজ। 🙏💐
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
Dum Dum Cantonment REBA Banerjee Pronàm Maharaj Acharya Shonkorer Jeebani porlam 4 rtha parbo Ananda pelam
ReplyDeleteখুব ভাল লাগছে।সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteভীষণ ভীষণ ভালো লাগছে আচার্য শংকর এর জীবন কাহিনী জানতে পেরে! আপনি নানা রকম ব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত নানান বিষয়ে আমাদের আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করে চলেছেন মহারাজ! সত্যি আমরা ধন্য ও কৃতজ্ঞ মহারাজ খুব ভালো থাকুন আপনি মহারাজ! প্রণাম নেবেন মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeletePranam maharaj,excellent
ReplyDeleteঅপুর্ব!!! ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করবেন মহারাজ 🙏🙏🙏🌷।
ReplyDeletePronam Maharaj 🌹 Acharya Shangkar shamandhe kichui jantam na . Apnar kripay akhon jante parchi . Parabarti parner apekshay roilam ... Rina Hait 🙏🌹🌹
ReplyDeleteNeedless to mention your superb effort Maharaj...we are so so blessed that we got a Spiritual leader like you...who inspite of his packed schedule, never ever forget s to fulfill the spiritual hunger of us.....Shri Shankar's life history as translated by you, is mind blowing...
ReplyDeleteMy deepest regards to you Maharaj
সহজ সরল ভাষায় আচার্য শঙ্করের জীবনী জানতে পেরে আমি খুবই উপকৃত। অনেক ধন্যবাদ মহারাজ। সশ্রদ্ধো প্রনাম জানালাম ।
ReplyDeleteসরল ভাষায় আচার্য শঙ্করের জীবনী
ReplyDeleteপড়ে খুবই উপকৃত হলাম, মহারাজকে সশ্রদ্ধো প্রনাম। 🙏🙏
,,পূজনীয় মহারাজ,আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন। আপনার লেখাটি খুব ভাল লাগছে। আচার্য শঙ্করের সম্বন্ধে অনেক কিছু
জানতে পারলাম ।
আচার্য শঙ্কর তাঁর শিষ্য সনন্দনকে যে প্রেষ মন্ত্র দিয়েছিলেন সেটি কি মন্ত্র জানালে ভাল হন।
সুব্রত মুখার্জী
ব্যাঙ্গালোর
3/8/24
মনীষা পঞ্চকম্ পড়ে অনেক কিছু অজানা তথ্য জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়তে।জয় আদি গুরু শঙ্করাচার্যের জয় 🌷💥🙏 জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজী তব শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের আভূমি লুন্ঠিত ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি 🌷💥🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ । খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ👏
DeletePranam acharyadeb, Manisha panchkam r.bangla anubad pare valo laglo Acharya shankaracharya parechhi
ReplyDeleteNatun angike aro valo laglo
Chhaya Sen ,Behala
Debjani Khub valo laglo Pronam Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ ভীষন ভালো লাগলো জাগৎ গুরু আচার্য্য শঙ্করের সম্বন্ধে জানতে পেরে খুব আনন্দ পেলাম, তাঁর স্তুতি পড়ে মন ভরে গেল🙏🙏এইসব দুর্লভ বিষয় জানতে পারা অনেক সৌভাগ্যের বিষয়🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteMaharaj,pronam...khub somriddho hochchi...
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে । আপনার জন্য কত কিছু জানতে পারলাম। আপনি আমার প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ ব্লগ পড়ে খুব ভালো লাগলো অনুধ্যানেআর একবার শুনতে পেলে ভালো হতো
ReplyDeletePronam Maharajji khub valo laglo pronam Maharajji Aparna Roy Chowdhury berhampur
ReplyDeleteAcharyo Sankarachayo er Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌼 🙏. Sovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌷 🙏. Ki osadharon 4th porber uposthapona, Swang Mahadev Onakey darshan diyey Jagatbasir mongol er jonnyo Avaybani daan korechen🙏; ar, sei Chaitanya Swarup Gyan o Sakti Prabhu r ontor e ekibhuto hoyey Uni Jagat kalyan e Swang Nijekey biliyey diyeychen 🌷🌷🙏🙏. Aaj Achariyodev, Aponer ei lekhonir madhyomey Swang Chaitanya Mahaprabhu r darshan o Kripa bodh korchi 🙏🙏, otibo dhonnyo amra aaj Aponer sannidhan peyey 👏, Abhumi naman Achariyo Gurudeb 🌷🌷🌼🌼♥️♥️🙏🙏.
ReplyDeleteParbati Banerjee, Siliguri.
প্রনাম মহারাজ জী রুনা পালিত
ReplyDeleteAcharya Shangkar er parbo pore anek ajana tatto jante parlam .. Pronam Maharaj 🙏 parer porber apekshay roilam .. Rina Hait
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।খুব সুন্দর মনীষা পঞ্চকম মন্ত্রের ব্যাখ্যা লিখেছেন। প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏🙏
ReplyDeleteস্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
খুব ভালো লাগলো মহারাজ
ReplyDeleteআমার প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ
সোনালী ভট্টাচার্য্য হাওড়া
👏👏👏👏
ReplyDeleteRespected Maharaj, ভক্তদের প্রতি যে নিরলস পরিশ্রম ও চেষ্টা করে চলেছেন তা র ঋণ শোধ করতে পারব না,
ReplyDelete২০২০ থেকে
এই অধমের জীবনের আমূল মানসিক উত্তরণ আপনার হাত ধরেই সম্ভব হয়েছে 🙏🙏
ছন্দা মোদক, চন্দননগর
Delete"মনীষাপঞ্চকম্" - অনুধাবনযোগ্য। শ্রবণ-মনন-নিদিধ্যাসনেই কল্যাণ। পবিত্র শংকরজীবন অনুপ্রেরণাদায়ক। প্রণাম নেবেন। শুভেন্দু বসাক
ReplyDeleteManisha Dutta Paikpara
ReplyDeleteReally mind blowing...your effort is simply amazing..
You are trying your best to make us aware, enlighten regarding our hidden spiritual thirst...
My deepest regards to you Maharaj
প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteআচার্য শংকরের জীবন কাহিনী আপনার লেখায পড়ে অনেক অজানা তথ্য জেনে খুব ভালো লাগছে। চন্ডাল বেশে মহাদেবের দর্শন, মনীষা পঞ্চকম অর্থসহ পড়ে খুব ভালো লাগলো। সুন্দর সহজ সরল ভাষায় লিখেছেন।
স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
আচার্য শঙ্করাচার্য পড়ছি খুব ভালো লাগছে অনেক কিছু জানতে পারলাম মহারাজ। আপনি আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম নেবেন 🙏 ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏। দীপা সরকার হাওড়া
ReplyDeleteKhub bhalo laglo pronam Maharaj 🙏🙏
ReplyDeleteExcellent presentation. We are very lucky enough to know such narratives. Pranam Maharaj 🙏
ReplyDeleteApurbo laglo Acharya Shankar er jibon kahani jante parchi
ReplyDeleteBhakti Purna pronam Maharaj jir sree chorone 🌹🙏🌹