ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
==================পর্ব-৩২================
আচার্য বল্লভ ভট্ট
ধর্ম পথে অগ্রসর হতে গেলে
স্বাধীনভাবে বা নিজের ইচ্ছা মতো পথে চললে অনেক সময় ফল খারাপ হয়। তাই শাস্ত্র ও
প্রাচীন পরম্পরা অনুসারে আচার ব্যবহার করা কর্তব্য। প্রয়াগে চৈতন্যদেবের সঙ্গে
আচার্য বল্লভ ভট্টের সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হয়েছিল। যখন চৈতন্যদেব পুরীতে রয়েছেন তখন
রথের সময় একবার বল্লভ ভট্ট পুরীতে আসেন। ঐ সময় ভট্টজী চৈতন্যদেবের সঙ্গে অনেক সময়
ধরে শাস্ত্র আলোচনা করতেন। চৈতন্যদেবের মুখে ভক্তির অপূর্ব ব্যাখ্যা শুনে তাঁর
প্রতি ভট্টজী খুবই আকৃষ্ট হয়েছিলেন। একদিন কথা প্রসঙ্গে ভট্টজী চৈতন্যদেবের খুবই
প্রশংসা করতে থাকেন। তিনি বলেন – বর্তমান কালে একমাত্র আপনিই ভক্তি পথের প্রদর্শক।
আপনাকে দেখে লোকে প্রকৃত ভক্তির শিক্ষা লাভ করছে। আপনার দ্বারাই জগতে ভক্তিমার্গের
প্রচার হল ইত্যাদি।
ভট্টজী মহাপ্রভুর সামনেই এই সব উচ্চ প্রশংসা করতে লাগলেন।
চৈতন্যদেবের কাছে এই সব প্রশংসা অসহ্য মনে হল। তিনি বাধা দিয়ে বললেন, আমি
সন্ন্যাসী, এই সব প্রশংসার যোগ্য নই। এবং তিনি আরও বললেন “ আমি ভক্তিপথের
কিছুই জানতাম না। প্রথমে অদ্বৈতাচার্যের কাছে ভক্তির কথা শুনি, তাতে আমার মন
আকৃষ্ট হয়। এরপর শ্রীবাস, মুকুন্দ, মুরারি গদাধর প্রভৃতি ভক্তদের কাছে ভক্তিরসের
মাধুর্য আস্বাদন করি। প্রভুপাদ নিত্যানন্দের কাছে ভক্তির গভীরতা ও ভাবরাজ্যের
পরিচয় পাই। মহাপণ্ডিত বাসুদেব সার্বভৌম আমাকে ভক্তি ও ভগবৎতত্ত্বের শিক্ষা দেন।
রসিক চূড়ামণি রায় রামানন্দের কাছে রস মার্গের সাধন প্রণালী। এবং প্রেমিক সাধক
দামোদর স্বরূপের কাছে ব্রজদেবীদের কামগন্ধহীন শুদ্ধ মধুরভাবের আস্বাদ পাই। আর
হরিদাস ঠাকুর যিনি প্রতিদিন তিন লক্ষ হরিনাম জপ করেন তাঁর থেকে নামমাহাত্ম্য
শিক্ষা করেছি”। অর্থাৎ চৈতন্যদেব তাঁর প্রশংসা নিজে গ্রহণ করলেন না।
সকল অন্তরঙ্গ পার্ষদদের মহিমা কীর্তন করলেন।
এই সব লীলা পরিকরদের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করার ইচ্ছা হল আচার্য ভট্টের। চৈতন্যদেবই একে একে সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন।
তাঁদের প্রেম ভক্তি, ত্যাগ তপস্যার পরিচয় পেয়ে ভট্ট অত্যন্ত বিস্মিত হলেন। সকলকে
এক সঙ্গে নিয়ে একটি উৎসব করতে ইচ্ছা করলেন। সেই মত সন্ন্যাসী ও গৃহীভক্ত সকলে
সমবেত হলেন। নৃত্য গীত সংকীর্তনে সকলে মাতলেন। ভট্টজী প্রচুর মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা
করেছিলেন। সকলে খুব পরিতৃপ্তি করে সেই প্রসাদ গ্রহণ করলেন। এই ভাবে চৈতন্যদেবের
পবিত্র সঙ্গলাভ করে কিছুকাল পুরীতে থেকে ভট্টজী নিজের জায়গায় ফিরে যান।
এর বেশ কিছু কাল পর একবার রথের
সময় আচার্য বল্লভ ভট্ট রথযাত্রা ও মহাপ্রভুর দর্শনের জন্য পুরী এসেছিলেন।
অদ্বৈতবাদী শ্রীমৎ স্বামী শ্রীধর আচার্যের শ্রীমদ্ভাগবতের টীকা চৈতন্যদেব
প্রামাণ্য বলে মনে করতেন। নিজে যেমন এর সমাদর করতেন, ভক্তদেরও তা পাঠ করতে বলতেন।
শংকরাচার্যের ভাষ্যে অদ্বৈততত্ত্বের প্রতিষ্ঠা করে সিদ্ধান্ত করেছেন। তাঁর ভাষা
সুললিত ও মধুর হলেও সকলের পক্ষে তা বোধগম্য নয়। তাই শ্রীধর স্বামী অদ্বৈতমতে অতি
সরল ভাষায় টীকা লিখেছেন। শ্রীধরের টীকা সকলের কাছে খুবই প্রিয়।
বল্লভ ভট্ট ছিলেন
শংকরের অদ্বৈত মতের বিরোধী। এবং সে জন্য তিনি শ্রীধরের টীকা পছন্দ করতেন না। শুধু
তাই নয় শাস্ত্রজ্ঞ বল্লভাচার্য শ্রীধর স্বামীর টীকাতে ভুল দেখিয়ে তিনি নিজে একটি ভাগবতের টীকা লিখছিলেন।
সেই টীকা চৈতন্যদেবকে শোনাবেন বলে এবারে পুরীতে আসার বিশেষ কারণ। ভগবানের অমৃত লীলাকথায় পূর্ণ এই উপাদেয় শাস্ত্র
শ্রীমদ্ভাগবত শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ভারতী মহারাজের খুবই আদরের বস্তু ছিল। ভক্তদের এই
গ্রন্থ শ্রীধরের টীকা সহ পাঠ করতে উৎসাহিত করতেন এবং নিজেও সদা সর্বদা ভাগবত পাঠ
করতেন। নিজের লেখা ভাগবতের টীকা বল্লভাচার্য চৈতন্যদেবকে শোনাতে চাইলেও তাতে
শ্রীধরের ব্যাখার খণ্ডন ও দোষ দেখানো হয়েছে বলে, তিনি তা শুনতে চাইলেন না। বল্লভ
ভট্ট নিজের লেখা চৈতন্যদেবকে শোনানোর জন্য বারবার চেষ্টা করতে লাগলেন। কিছুতেই হচ্ছে না দেখে অগত্যা
ভক্তদেরকে শোনানোর চেষ্টা করতে লাগলেন। যে গ্রন্থ চৈতন্যদেব শুনতে চান না, ভক্তরা
তা শুনবেন কেন? কেউ শুনলো না। ফলে ভট্ট একটু মনঃক্ষুন্ন হলেন।
গদাধর পণ্ডিত
ঐ সময় গদাধর পণ্ডিত পুরীতে থাকতেন। তিনি ছিলেন চৈতন্যদেবের খুবই প্রিয়।
তিনি রোজ ভাগবত খুব ভক্তি ভরে পাঠ করতেন। গদাধর ছিলেন একটু নরম স্বভাবের, তাই তাঁর
কাছে ভট্ট নিজের লেখা গ্রন্থ শোনাতে লাগলেন। চৈতন্যদেব একদিন ভট্টকে বুঝিয়ে বললেন – “পাণ্ডিত্যের অহংকার
করা ভাল নয়, প্রাচীন আচার্যদের শাস্ত্র ও সম্প্রদায় মত খন্ডন করে নিজের ইচ্ছা মতো
শাস্ত্রের ব্যাখ্যা করলে তা লোক গ্রহণ করে না। শ্রীধর স্বামীর মত অনুযায়ী ভাগবত
ব্যাখ্যা কর ও ভগবানের ভজনে মন দাও। তাতে নিজের ও অপরের কল্যাণ হবে”। এই কথায় ভট্টের
মধ্যে একটা বিরাট পরিবর্তন এল। তিনি চৈতন্যদেবকে শ্রদ্ধা করতেন। এখন শ্রদ্ধা ভক্তি
আরও বেড়ে গেল। তিনি চৈতন্যদেবের কাছে দীক্ষা নিতে চাইলেন। চৈতন্যদেব রাজি হলেন না।
ব্যাকুল প্রার্থনায় অবশেষে সম্মত হয়েছিলেন ও দীক্ষা দান করে ছিলেন। পরে তিনি
নিষ্কাম প্রেম ভক্তির উপাসনায় নিরত হয়ে ছিলেন।
মাধবেন্দ্র পুরী
আর একটি ঘটনা এখানে উল্লেখ করলে আশা করি
মন্দ হবে না। শ্রীমৎ স্বামী মাধবেন্দ্র পুরীর এক জন সন্ন্যাসী শিষ্য শ্রীরামচন্দ্র পুরী
এক সময় শ্রীক্ষেত্রে আসেন। চৈতন্যদেব তাঁকে গুরুর মতো সম্মান করতেন। কারণ তিনি নিজ
গুরু শ্রীমৎ ঈশ্বরপুরীর গুরুভাই ছিলেন। মাধবেন্দ্র পুরী ছিলেন ভক্তি ও প্রেমের
মূর্ত বিগ্রহ। কিন্তু শ্রীরামচন্দ্র পুরী তাঁর শিষ্য হলেও তিনি ছিলেন জ্ঞানমার্গী,
শুকনো জ্ঞান বিচার করতেন। ভক্তিভাব বা ঈশ্বর উপাসনাতে তাঁর খুব একটা বিশ্বাস ছিল
বলে মনে হয় না। এ রকম শোনা যায় মাধবেন্দ্র পুরী যখন অন্তিম শয্যায় শুয়ে শুয়ে প্রেম
বিহ্বল হয়ে ভগবানের নাম করতেন তখন তাঁর চোখ অশ্রুপূর্ণ হয়ে উঠত। ঐ ভাব না বুঝতে
পেরে রামচন্দ্রপুরী তাঁকে বলে ছিলেন আপনি পূর্ণ ব্রহ্মানন্দ স্মরণ করুন।
ব্রহ্মজ্ঞানী হয়ে কাঁদছেন কেন? শিষ্যের এই রকম ধৃষ্টতা দেখে মাধবেন্দ্র পুরীজী
অন্তরে দুঃখ পেলেন। অজ্ঞ শিষ্যকে দূরে চলে যেতে আদেশ করলেন।
মানুষের স্বভাব পরিবর্তন হওয়া খুব
মুশকিল। শ্রীরামচন্দ্র পুরী নিজেকে তত্ত্বজ্ঞানী মনে করতেন ও খুব অহংকারী হয়ে
অন্যের দোষ দেখে বেড়াতেন। অপরের নিন্দা প্রচার করতেন। বাইরের চলন বলনে খুব বৈরাগ্য
দেখা যেত। যখন যা জোটে ভিক্ষা গ্রহণ করতেন। এর ফলে নিজেকে বিরাট মহাত্মা মনে
করতেন।
......ক্রমশ
Anek na jana bisoy jante pere khub valo lagche Maharaj🙏🙏🌷
ReplyDeletePranam Prabhuji, খুবই ভালো লাগছে মহা প্রভুর কথা পারতে, পরবর্তী অংশ এর জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
DeleteThanks with regards.
🌹🙏🌹🙏🌹🙏🌹 🙏 🌹
প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏 মহাপ্রভুর কথা পড়তে খুব ভালো লাগছে।আপনার সহজ সুললিত ভাষায় যেন সেই সময়ে পৌছে গিয়েছিলাম। স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা।
Deleteজয় শ্রী চৈতণ্য মহা প্রভুর জয় 🙏 , প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
Pronam Maharaj 🙏. Khub bhalo lagche apnar lekha pore 🙏🙏🙏
DeleteAnek ajana bishai jante parchhi khub bhalo lagche
DeleteMaharajer chorone janai sasraddha pronam
Pronam neben Maharaj,kichhue janina.আপনার lekha পরে samirdhyo hochhi🙏🏻🙏🏻
DeleteShree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree padopodmey Vaktivora pranam nibedon kori 🌻🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🙏. Maharajji, Aponer lekha 32nd porbo er lekhoni paath korey khubei mugdho holam🌷🙏, diney diney ki opurbo lekhonir madhoyey amra Swang Mahaprabhu ke gyato hotey parchi🙏. Otibo dhonyo bodh kori Aponer Sannidhan peyey🙏. Ei, Mahaprabhu r saranaponyo hoyey koto koto Gyani Pandit o Acharyo viz. Achariyo Ballav Bhatta, Gadadhar Pandit, Madhabendra Puri o Shree Ramachandra Puri , etc., Niscam Vakti o Nyistik Prem ki ta bodhogomyo kortey sikheychilen🙏. Aaj amra o jeno ei paath er dwara nijeder sothik marg e chalito korer proyash korey jetey pari, Achariyo Maharajji 👏🙏. Aluminum naman, Achariyo Maharajji 🌻🌻🌷🌷🙏🙏.
ReplyDeleteAbhumi naman hobey, Achariyo Maharajji 👏🙏
ReplyDeleteAbhumi naman hobey, Maharajji 👏🙏
ReplyDeleteপুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে আমার আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 খুব ভালো লাগছে পড়ে 👌🙏🙏🙏
ReplyDeleteআমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।
ReplyDeleteখুব খুবই সুন্দর চৈতন্য মহাপ্রভু র অমৃত কথা।যতই পড়ছি জানার শেষ নেই ।ভাল লাগে।অনেক আন্তরিক প্রণাম মহারাজ। ❤️🙏❤️🙏❤️
Deleteশেফালী চৌধুরী ।এয়ারপোর্ট ১নং গেট ।
Khub sunder lekha....anek ajana bishoy jante pere khub bhalo laglo....sradha purno pranam janai....maharajji....🌹🙏🌹
ReplyDeleteযুগে যুগে অবতার আসেন মানুষকে দয়া করে শিক্ষা দেবার জন্য, অহংকার দূর করবার জন্য, আচার্য বল্লভ ভট্ট ও শ্রীরামচন্দ্র পুরীকে দেওয়া শিক্ষা সর্ব সাধারণ এর গ্রহণীয়।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ জী🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
আলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। আপনার আশীর্বাদে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের কথা জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
🌿🙏🌼🙏🌿
ReplyDeleteবল্লভ ভট্ট মাধবাচার্যের সমপর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। আপনার সরীজনশীলতা অপূর্ব প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏🙏
ReplyDeleteঅনেকদিন পরে ৩২তম পর্বটি পেয়ে খুব ভালো লাগলো ও অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। আপনার লেখা থেকে কত কিছু জানতে পারছি মহাপ্রভুর জীবনের কথা ও সমৃদ্ধ হচ্ছি। প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏🙏🙏শুভ্রা লালা। দমদম।
ReplyDeleteMahaprabhu r jeeboner katha bishad vabe jante parlam Tar sathe Madhabendra puri Ramchandra puri Ballav Vatta Anandita Hoyechi
ReplyDeleteমহারাজ ,খুব ভালো লাগলো পড়ে । কত অজানা তথ্য আপনার কৃপায় জানতে পারছি এবং সমৃদ্ধ হচ্ছি ।আগামীদিনের অপেক্ষায় রইলাম ।প্রনাম নেবেন ।ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteখুব খুব ভালো লাগলো শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী এতকিছু আছে, জানতাম না আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে, এত কিছু জানতে পারছি। আপনার জন্য আমরা এত আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করছি আপনার তুলনা করা যায় না আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিক্ষা গুরুদেব শিখা মন্ডল বজবজ
ReplyDeleteKhub valo laglo pronam maharaj ji Aparna Roy chowdury berhompur
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ। মহাপভূ চৈতন্যদেবের জীবনী পড়ে অনেক নতুন বিষয়ে জানতে পারছি।ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteApurba. Khub bhalo laglo. Pranam Maharaj 🙏 🙏 Pulakesh Sinha Roy.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ ।খুব ভালো লাগলো পড়তে
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী ৷ রুনা পালিত ৷
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো। অপেক্ষায় রইলাম। আমার প্রনাম নেবেন, খুব ভালো থাকুন ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর সম্পর্কে যতই জানতে পারছি খুব ভাল লাগল। আরো অনেক কিছু জানার আশায় রইলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট ।
মহাপ্রভুর লীলাকীর্ত্তন মহারাজের অপূর্ব লেখার মাধ্যমে বড়ো সুন্দর ভাবে জানতে পারছি।বেশ কিছুদিন পর লেখাটি পড়ে খুবই আনন্দ পেলাম। ভক্তিসহ প্রণাম জানাই মহারাজ। 🙏
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
ReplyDeleteস্বভক্তি আন্তরিক প্রণাম গ্রহণ করবেন শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজ জী। অনেক দিন পর হলেও শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে আপনার ধারাবাহিক লিখা পেয়ে এবং পড়ে খুব ভাল লাগলো! অনেক অজানা থেকে জানছি, শিখছি প্রতিনিয়ত। মহাপ্রভুগণ সকল গুণ, প্রশংসা, ভাল-মন্দের সকল কিছুরই অনেক অনেক উধ্বে'! এই অসীম অনন্তের ধারণা খুব সাধারণের বুদ্ধি বিবেচনা'র অতীত। আরও লিখা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম। জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 'র জয়। জয় দিব্যত্রয়ী'র জয়।
ReplyDeleteসুজাতা দে। লন্ডন, ইউ.কে।
এর আগের পর্ব গুলো পড়ার অনেকদিন পর, 32 পর্ব পেলাম অনেক. কিছু জানতে পারলাম, কিছুই জানতাম না, আরো জানতে চাই, ইশ্বর আপনার শরীর ভালো রাখুন, তাহলে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারবো, asima batabyal howrah
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteআপনার লেখা থেকে আমাদের হারিয়ে যাওয়া সম্পদ গুলি কে ফিরে পাচ্ছি.. জানতে পারছি অনেক, অন্তরের প্রণাম নেবেন.. জয়ীতা সরকার, সোদপুর
ReplyDeletePronam Maharaj. 🙏🙏🙏
ReplyDeleteচৈতন্য দেব সন্মন্ধে অনেক না জানা কথা জানতে পারছি -- আপনার অনেক পরিশ্রমের ফল আমরা পাচ্ছি ।
Pronam maharaj
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ও পূজনীয় লেখক আচার্যদেব কে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই।ভীষণ ভাল শিক্ষণীয় লেখাটি।এসব পড়ে যদি ভাল হতে পারতাম।সাধকের স্বাধীন ভাবে যা ইচ্ছা তাই করা ঠিক না,শেষে স্বাভাব পরিবর্তন হয় না অন্যের নিন্দা করে বেড়াই অহম বসত।এই দুটি আমার মধ্যে আছে!যদি দূর হয় তাহলে মানুষ হই কিছুটা। কৃপা প্রার্থনা করি।নাম - বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে।বাড়ি মালদা।জয় রামকৃষ্ণ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏।।
ReplyDeleteআপনার কাছে মহাপ্রভু র সম্বন্ধে জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম। অপেক্ষায় রইলাম আরো জানার জন্য।
অনেক দিন পর এই পর্বটি পেলাম খুবই তাৎপর্য পুর্ন, কত অজানা তথ্যের উপলব্ধি হচ্ছে প্রতিনিয়ত, কেমন যেন নেশাগ্রস্তর মত এই ধারাবাহিকের অপেক্ষা করি কেন জানি না, যখন মহাপ্রভুর সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিল না, তখন এত উচাটনতা ছিল না, যত দিন যাচ্ছে ততই আকাক্ষার ও বৃদ্ধি হচ্ছে। প্রণাম নেবেন মহারাজ জী। ভালো থাকবেন।
ReplyDeletePronam neben mharaj. Indrani kundu
Deleteশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে খুব আনন্দ অনুভব করছি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহাপ্রভু সম্বন্ধে আপনার লেখায় অনেক বিষয়ে জানতে পারছি।
ক্লাস ছাড়া ও আপনার অপূর্ব তথ্য সমৃদ্ধ লেখা পড়ে আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি।
খুব ভালো লাগছে মহারাজ।আপনি ভালোথকবেন সাবধানে থাকবেন মহারাজ।🙏🙏🙏
জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জয়। 🙏🙏
ReplyDeleteআপনার সরল সাবলীল ভাষায় মহাপ্রভুর কথা পড়তে খুব ভালো লাগছে আচার্য্য মহারাজ জী। আমার প্রনাম নেবেন,🙏🙏
অর্পিতা বসু বাগবাজার ।
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগল মহারাজ 🙏 মহাপ্রভুর জীবনী থেকে প্রকৃত ভক্তিমার্গ সম্বন্ধে কত কিছুই যে আমরা জানতে পারছি। শুধু শাস্ত্র জ্ঞানের অহংকার যে মানুষ কে কিছুই দিতে পারে না , তা কিভাবে যে আমরা জানতে পারছি মহারাজ। আপনি যে আমাদের কত সত্য শেখাচ্ছেন, এই শিক্ষার যেন আমরা উপযুক্ত হতে পারি মহারাজ 🙏🙏 আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ। 🙏🌷🙏
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন
Khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam Aparna Roy chowdury
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ, ব্লগ পড়ে ভীষণই আনন্দ হচ্ছে ভালো লাগছে
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ ।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
pronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeletePronam neben maharaj🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteআপনার সুস্থ তা কামনা করি। ইন্দ্রাণী কুন্ডু যাদবপুর পালবাজার
মাননীয় মহারাজ আপনার লেখা পড়লেই কিছু অজানা তথ্য জানতে পারি। অজস্র ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করুন মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব। খুব ভালো লাগল। অপেক্ষায় রইলাম 🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteরস মার্গ কি ? এটা নিয়ে রবিবার ব্যাখ্যা শুনতে চাই মহারাজ।প্রণাম নেবেন।🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼হাসি _ দক্ষিণেশ্বর।
ReplyDeleteKhub valo laglo
ReplyDeletePronam neben moharaj ji 🙏
Apur laglo ei Maha Probhur kotha jante parlam . Ajana jinis jante parchi 🙏 Pronam Maharaj ji 🌷🙏🌷
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানিয়ে জানাই মহারাজ অপূর্ব সব রচনা পড়ছি সবাই আপনার কাছে। অপেক্ষায় থাকি আমিও। সাবলীল ভাষায় গভীর ও গম্ভীর সব তত্ব জানতে পারছি।এতো detail e হয়তো আমরা কেউ জানতাম না।
ReplyDeleteআভূমি ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করুন মহারাজ।
খুবই ভালো লাগছে
ReplyDeleteঅনেক অজানা বিষয় জানতে পারছি
আমার প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ
সোনালী ভট্টাচার্য্য হাওড়া
প্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগছে পড়তে । অনেক অজানা বিষয় জানতে পারছি।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।।........
ReplyDeleteরেশমী নাগ
Joy mohaprovu🙏🙏🙏
ReplyDeleteVoktipurno pronam neben maharaj🙏🙏🙏