ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
-- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
ধারাবাহিক রচনা
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
দক্ষিণ ভারতে
রাজমহেন্দ্রী থেকে মহাপ্রভু
আরও এগিয়ে চললেন দক্ষিণ দিকে। পথে যত প্রসিদ্ধ তীর্থ ক্ষেত্র ও মঠ মন্দির দর্শন করতে
করতে তিনি অগ্রসর হতে থাকেন। যেখানেই তিনি
যান বিভিন্ন মানুষ ভক্ত পণ্ডিত সাধু-সন্ন্যাসী ও গৃহীভক্তদের সঙ্গে তাঁর দেখা হয় এবং
বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনাও হয়। এর ফলে যে একবার তাঁর সংস্পর্শে আসেন সেই ভগবদ্ভক্তির
দ্বারা প্রভাবিত হন ও তাঁদের হৃদয়ে ভক্তিভাবের সঞ্চার হয়। অনেকের জীবন ধারা একেবারে বদলে যায়।
বৌদ্ধদের বৈষ্ণবভাব
গ্রহণ
আচার্য শংকরের বেদান্তের
প্রভাবে অনেক স্থানে বৌদ্ধ ও জৈন মত পরিবর্তিত হয়ে সনাতন ধর্মের আশ্রয় গ্রহণ করেছিল।
কিন্তু তবুও কিছু কিছু জায়গায় বৌদ্ধ মঠ ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বৌদ্ধরা তর্ক ও বিচারের
দ্বারা অন্যমত খণ্ডন করে একপ্রকার নাস্তিকতা প্রচার করতেন। ভগবান বুদ্ধের প্রচারিত
ধর্মের মূল কথা, ত্যাগ ও তপস্যার ভাব থেকে তারা যেন খানিকটা সরে এসেছিলেন। এই রকম বৌদ্ধ
পণ্ডিতদের সঙ্গে দেখা হয় শ্রীচৈতন্যদেবের। বিচার শুরু হয়। অনেক দিন ধরে বিচার চলার
পর বৌদ্ধরা পরাস্ত হয় ও মহাপ্রভুর মত মেনে নেয়। এর ফলে তাদের মধ্যে বৈষ্ণব ভাব বিস্তার
লাভ করে। এবং পরবর্তী সময়ে এই বৌদ্ধদের অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভাবে লোপ পায়।
মল্লিকার্জুন দর্শন
এই ভাবে নানা স্থানে
দর্শন করতে করতে এসে পৌঁছলেন দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যমত শ্রীশৈলম্ মল্লিকার্জুনে। মহাদেবকে
দর্শন করে তিনি খুবই আনন্দিত হন। এরপর আসেন সিদ্ধবটে শ্রীরামচন্দ্রের মন্দির দর্শনে।
এখানে এক ভক্তের অনুরোধে তিনি ভিক্ষা গ্রহণ ও রাত্রিবাস করেছিলেন। শ্রীরামচন্দ্রের
ভক্ত ব্রাহ্মণের সঙ্গে সারারাত ভগবৎ প্রসঙ্গ করেন। সাধারণত দেখা যায় যারা বিষ্ণুর উপাসনা
করেন তারা শিবকে মানেন না। কিন্তু এটি নিশ্চয় কাম্য নয়। কারণ মহাপ্রভু স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের
উপাসক হয়ে শিব মন্দির দর্শন ও পুজা করেছিলেন। সিদ্ধবটে যে ব্রাহ্মণের বাড়িতে মহাপ্রভু
ভিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন তিনি মহাপ্রভুর ভক্তিভাব দেখে রামভক্ত হওয়া সত্ত্বেও কৃষ্ণনাম
করতেন। এর দ্বারা বোঝা যায় মহাপ্রভুর কি প্রবল ব্যক্তিত্ব ছিল।
রম্ ধাতু থেকে রাম’ শব্দ। যার অর্থ অনন্ত সচ্চিদানন্দ
পরমাত্মাতে যোগীরা আনন্দলাভ করেন। রাম শব্দের অর্থ তাই পরব্রহ্ম। আবার কৃষ্ণ শব্দ হয়েছে
কৃষ্ ধাতু থেকে। যার অর্থ আকর্ষণ। সকলকে যিনি
পরমানন্দে আকর্ষণ করেন। সুতরাং রাম ও কৃষ্ণ দুই নামে পরব্রহ্মকেই বোঝায়। কোন তফাত নেই।
মহাপ্রভুকে দর্শন করে
ওই ব্রাহ্মণের মধ্যে যে পরিবর্তন হয় তার উল্লেখ রয়েছে চৈতন্যচরিতামৃতে –
"ইষ্টদেব রাম, তাঁর নামে
সুখ পাই।
সুখ পাইয়া সেই নাম নিরন্তর
গাই।।
তোমার দর্শনে যবে কৃষ্ণ
নাম আইল।
তাঁহার মহিমা তবে হৃদয়ে
লাগিল।।"
এই ভাবে অন্ধ্র প্রদেশের
বিভিন্ন প্রসিদ্ধ স্থানে তিনি ভ্রমণ ও দর্শন করেন। এর পর আসেন তিরুপতি বা বালাজী মন্দিরে।
ছোট্ট পাহাড়ের উপর মন্দির। পাহাড়ের নাম ভেঙ্কটাচলম্। ভগবান বিষ্ণুকে দর্শন করেন এখানে।
তিরুপতি, তিরুমল্লেশ্বর ও নরসিংহ দর্শন করে কাঞ্চীপুরম্ এ আসেন। কাঞ্চী খুবই প্রসিদ্ধ
মোক্ষক্ষেত্র। এখানে শিব কাঞ্চী ও বিষ্ণু কাঞ্চী দর্শন করেন।
শ্রীরঙ্গমে
এরপর চৈতন্যদেব আসেন বিখ্যাত স্থান শ্রীরঙ্গমে। রামানুজাচার্য
এই স্থানে জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন ও অন্তিমকালও এখানে ছিলেন। যার ফলে বিশিষ্টাদ্বৈতবাদী বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের
কাছে শ্রীরঙ্গম একটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান। কাবেরী নদীতে স্নান করে মহাপ্রভু শ্রীরঙ্গনাথকে
দর্শন করেন। এরপর মন্দির প্রদক্ষিণ ও স্তবস্তুতি পাঠ ইত্যাদি করেন। ভাবের প্রাবল্যে
তিনি বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মন প্রাণ শ্রীরঙ্গনাথে তন্ময় হয়ে যায়। এখানে অনেক ভক্ত
ও পণ্ডিত বাস করতেন। সকলেই এই অদ্ভুত সন্ন্যাসীকে দর্শন করে মুগ্ধ হয়ে যান। জনৈক বৈষ্ণব
ভক্ত নাম ভেঙ্কটভট্ট তিনি মহাপ্রভুকে ভিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রার্থনা করেন। ভেঙ্কট ও
তার পরিবারের সকলের অনুরোধে মহাপ্রভু চাতুর্মাস্যের সময় এখানে থাকেন। শ্রাবণ থেকে কার্তিক
এই চার মাস পরিব্রাজক সন্ন্যাসী কোথায়ও যান না, এক স্থানে থাকেন। আষাঢ় পূর্ণিমা থেকে
কার্তিক পূর্ণিমা এই চার মাসকে চাতুর্মাস্য বলে।
শ্রীরঙ্গমে থাকার সময়
মহাপ্রভু প্রতিদিন ভোরে কাবেরীর পবিত্র জলে স্নান করে শ্রীরঙ্গনাথকে দর্শন করতে যেতেন।
দর্শন, প্রণাম, স্তব-স্তুতি পাঠ, জপধ্যানে বহুক্ষণ কাটাতেন। আবার কখনও বা ভাবে বিভোর
হয়ে নৃত্যগীত ও কীর্তন করতেন। সেই দেব-দুর্লভ দৃশ্য দেখে লোকের মনে বিস্ময়ের সীমা থাকত
না। স্বাভাবিক ভাবে বহু মানুষ তাঁর ভাব ও ভক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। ভক্ত ভেঙ্কটভট্টের
গৃহে থাকলেও কঠোর সন্ন্যাসী এক এক দিন এক এক ব্রাহ্মণের বাড়িতে ভিক্ষা গ্রহণ করতেন।
ব্রাহ্মণের অশুদ্ধ গীতা
পাঠ
শ্রীরঙ্গনাথের মন্দিরে
এক ব্রাহ্মণ রোজ খুব ভক্তিভাবে গীতা পাঠ করতেন। কিন্তু তিনি সংস্কৃত ভালো জানতেন না।
তাই পাঠে ভুল উচ্চারণ হত। এই শুনে লোকে হাসাহাসি করত। কিন্তু তিনি কোন ভ্রুক্ষেপ না
করে এক মনে পাঠ করে যেতেন। পাঠের সময় তাঁর দু-চোখ দিয়ে অবিরল অশ্রু পড়ত। মহাপ্রভু একদিন
ওই ব্রাহ্মণকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি যে এত গভীর মনোযোগ দিয়ে পাঠ কর, তুমি কি এর অর্থ
বুঝতে পার? তখন ব্রাহ্মণ বলেন, আমি এর কোন শব্দের অর্থ জানি না। গুরুর আদেশে আমি গীতা
পাঠ করি। আর আমি যখন পাঠ করি তখন অর্জুনের রথে শ্রীকৃষ্ণকে দেখতে পাই। এই কথা শুনে
চৈতন্যদেব খুবই আনন্দিত হয়ে ছিলেন এবং ব্রাহ্মণকে বলেছিলেন –
‘প্রভু কহে গীতা পাঠে তোমার অধিকার
তুমি সে জানহ গীতার
এই অর্থ সার।"
... ক্রমশ
খুব সুন্দর লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি এটা সম্ভব হয়েছে আপনার জন্য আপনার শ্রী চরণে এসে আমরা অনেক ভাবে উপকৃত হচ্ছি আপনার মত গুরু যেন জনম জনম পাই আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজ বজ
ReplyDeleteKhub monograhi khub monojog die pori apni voktipurna pronam neben Acharya guru Moharaj
DeletePranam Prabhuji, Bhaktir Abatar Sri Chaitanya Maha prabhu (12), khubi bhalo lagche, sundar
Deletelekhani, pare mon bhare gelo. Prabhur bhakti bhab amadero tnar prati akarshan kare, aro jante ichha hoy, tnar bibhinna sthane paribhraman theke amra anek ajana tathya jante parchi. Tnar jiban kahini amader kache tule dharar eiApnar ei prachesta
জয় মহা প্রভুর জয় 🙏এত কিছু জানতে পারছি আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য খুব ভালো লাগছে,মহারাজ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আপনার শ্রী চরণে সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই ।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার ।
খুব ভাল লাগল মহাপ্রভুর পরিব্রাজক জীবনের ঐতিহাসিক ঘটনা জেনে। আমাদের খুব কম আলোচিত বিষয়টি মহারাজের আন্তরিক চেষ্টায। মহারাজকে সভক্তি প্রণাম নিবেদন করছি।
Delete🙏🙏 প্রণাম মহারাজ।যত জানছি তত সমৃদ্ধ হচ্ছি। আপনার অক্লান্ত চেষ্টায়।
ReplyDeleteরীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর।
Shree Chaitanya Mahaprabhu r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Joy Thakur🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻Joy Ma🌺🍀🙏🏻 Joy Swamiji🌻🌻🍀🍀. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Aajker Aponer ei lekhoni porey mone holo amra o Tirtho vromon korey elam🙏🏻. Mahaprabhu r protiti porboer lekhoni porey koto kichu sikhtey parchi jantey parchi. Vakti r Avtar hoyey esechilen Tini. Abhumi naman, Maharajji 🌻🍀🙏🏻. Agroho niyey opekharoto achhi Maharajji aro janer icchhatey👏🙏🏻
ReplyDelete🌷🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌷
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. .sree Chaitanya Mahaprabhu jibani... Ato sunder bhabe barnana diye
ReplyDeletelekha....kato kichu ajana tathya
Jante Pere... Bhison bhalo lagche... Pranamaharajji 🙏....jaya Choudhury.....
প্রণাম মহারাজ। আপনার কৃপায় আজ আমরা মহাপভুর সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারছি।মহাপভুর অপূর্ব লীলা অন্তরে অনুভব করছি।খুব ভাল লাগছে।আপনাকে শতকোটি প্রণাম জানাই। আপনি ধন্য।
ReplyDeleteকি যে ভালো লাগছে মহারাজ ! শুধু মনে হচ্ছে কবে আবার পরের টা পড়ব, মন তৃপ্ত হবে ,প্রভু চৈতন্যের গাঁথা বড়ই মধুর।
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম মহারাজজী
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ধারাবাহিক ভাবে মহাপ্রভূর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে উপকৃত হচ্ছি।ভাল থাকবেন। মধুমিতা মুখৃর্জী।দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteখুব সুন্দর 🙏🙏 প্রনাম মহারাজ। ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ, খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
Delete🙏 মহাপ্রভুর মহিমা অবগত হয়ে ধন্য হচ্ছি। খুব আনন্দ পাচ্ছি।🙏
ReplyDeleteখূবই আনন্দিত হচ্ছি নতুন নতুন পর্ব গুলিতে। অপেক্ষায় থাকি নুতন পর্বের। আপনি আমার প্রনাম নেবেন ও ভালো থিআকবেন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে
ReplyDeleteপ্রণাম গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻অজানা কথা জেনে খুব ভাল লাগছে।আমরা ধন্য আপনার মত আচার্য পেয়ে।
ReplyDeleteGiban dhannya hoia jache.
DeleteApurba lagche.
Pranam Maharaj 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
Pronam maharaj ji khub Valo laglo
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল এবং ভালো লাগছে। মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে। অপেক্ষা করে থাকবো আরো অনেক কিছু জানার জন্য। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।ভালো থাকবেন
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
খুবভালো লাগছে।আরো জানবার ইচ্ছা।প্রণাম
Deleteএত সবিস্তারে জানতে পারছি খুব ভালো লাগছে পড়তে । প্রণাম মহারাজ ।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের সম্বন্ধে প্রতিটা পর্ব থেকে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি,আপনার কৃপা ছাড়া সম্ভব হতো না। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।খুবই ভালো লাগছে ।🙏 স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteমহাপ্রভুর মহিমা সবিস্তারে আপনার অপূর্ব লেখা থেকে জানতে পারছি।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। 🙏
Pronam maharaj jotoi jante parchi totoi dhanya hocchi 🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন আচার্য দেব। আপনার লেখায় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্বন্ধে অনেক কথা জানতে পারছি। আপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন আমাদের জন্য আপনার এই প্রচেষ্টা অসাধারণ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 ধারাবাহিক ভাবে মহাপ্রভুর জীবনের কথা পড়ে খুব ভালো লাগছে তার সঙ্গে বাংলা ব্যাকরন ও আবার শিখছি , খুব ভালো লাগছে মহারাজ জী 🙏 আপনাকে আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার ভাষা নেই।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
প্রণাম মহারাজ জী 🙏
ReplyDeleteKub bhalo laglo
ReplyDeleteKhub valo laglo apnar lekhoni,aneak kichu abogato holam mohaprovu r somporke,pronam neben moharaji, paroborti lekhoni porar apekkhay thaklam🙏🏻
ReplyDeleteমহাপ্রভুর জীবন-কাহিনী খুব ভাল লাগছে মহারাজ ।অজানা অনেক কিছু জানছি । প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহাপ্রভু । প্রনাম ঠাকুর মা ও স্বামিজীর শ্রীচরনে ৷ প্রনাম মহারজ জী. আপনাদের কৃপাই অনেক কিছু পড়তে জানতে পারিছি মহাপ্রভুর সম্ভদ্ধে ৷ রুনা পালিত।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
ReplyDeleteপ্রথমেই প্রণাম জানাই মহারাজকে।এত সুন্দর লেখা যে বারবার পড়তে মন করে।কত কিছুই অজানা।সেই সব জানতে মনটা ব্যাকুল হয়ে থাকে। ভগবানের অশেষ কৃপা যে এই সুযোগ পেয়েছি। প্রণাম নেবেন।
Deleteএত বিস্তৃত ভাবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী যে আমরা জানতে পারছি, তা তো কেবল মাত্র আপনার কৃপাতেই সম্ভব হচ্ছে মহারাজ। আমাদের যা কিছুই আধ্যাত্মিক জ্ঞান, সবই তো আপনারই অহেতুকী দান মহারাজ। পরম মঙ্গলময়ী মায়ের আশীর্বাদে আপনি খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন মহারাজ। আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম জানবেন মহারাজ।
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন
🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
জয় মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের জয় 🙏🌼🙏 ঠাকুরের কৃপায় এত সুন্দর ধারাবাহিক ভাবে জানতে পারচ্ছি পর্বগুলো,জীবন যেন ধন্য হচ্ছে।ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏🌻
ReplyDeleteধারাবাহিক শ্রীচৈতন্য দেবের ১২ পর্ব সমেত প্রতি পর্ব ই খুব ভালো লাগছে। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনে র প্রতিটি ঘটনা সরল ভাষায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পেরে খুব আনন্দ পাচ্ছি। জয় মহাপ্রভু 🙏🙏আমার ভক্তি পূর্ন প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏🙏🙏অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ReplyDeleteমহারাজ আপনাকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রনাম,। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর সম্পর্কে জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeletepronam🙏🙏
ReplyDeleteSri Chaitanya Dev er ayee adhyay pareo anek natun natun bisoy jante parlum Maharaj apnar sri charane sata sata vakti shuva kamana nibedan kari Shampa Dhar
ReplyDeleteআমার প্রণাম নেবেন মহারাজ। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
ReplyDeleteএত সুন্দর আপনার ধারাবাহিক উপস্থাপনা যে বারবার পড়েও আশ নেটে না চৈতন্যগঞ্জ কে প্রনাম । আপনিও আমার প্রনাম গ্রহন কোরবেন
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ও পরম পূজনীয় লেখক,যার জন্য এই মহান বিষয়ে জানতে পারছি, তাদের শ্রীচরণ বন্দনা করি।খুব ভাল লাগলো।মহতী উদ্যোগ কে শ্রদ্ধা জানাই। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আচার্য দেবকে।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteবিনু চক্রবর্তী।বাড়ি মালদা।
Deleteকি আনন্দ কি আনন্দ!! আনন্দে মন পরিপূর্ণ হয়ে যায় আপনার লেখা পড়ে। এতো সুন্দর আপনার লেখনী অভিভূত হয়ে যায়।রাম ও কৃষ্ণের অপরূপ ব্যাখ্যা মন কেরে নেয়। জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🌷 🙏 জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
ReplyDeleteভেবে অবাক হয়ে যায় কিভাবে এতো প্রতিদিনের সমস্ত কাজের মধ্যে আমাদের জন্য এতোকিছু করে যাচ্ছেন।
এর মধ্যে নিজস্ব জপধ্যান বিবেকবাহিনীর ক্লাস । বিকেলে আমাদের ক্লাস কি ভাবে সম্ভব হয় বুঝে উঠতে পারিনা।🙏🌷🙏
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন। জয় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পূর্ণ ব্রহ্ম নারায়ণ
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🙏🙏
প্রণাম। মহারাজ। খুব। সুন্দর। প্রণাম।
ReplyDeleteনমিতা।গিরি।প্রণাম। মহারাজ।
ReplyDeleteচৈতন্য মহাপ্রভু সম্বন্ধে অনেক কিছু জানলাম।ভালো লাগল।পরের লেখা র আশায় রইলাম।প্রণাম নেবেন মহারাজ। শ্রাবণী ঘোষ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর চরণে শতকোটি প্রনাম 🙏🙏 অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি
ReplyDeleteমাননীয় মহারাজ
ReplyDeleteআপনার লেখা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনীর মধ্যে ভক্তিসমুদ্রের প্লাবন পাই তাতে সবাই ডুবে যাই।অনবদ্য এই লেখা।মনপ্রাণ ভরে পড়ি।
মহারাজ ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন। আপনাকে জানাই অন্তরের প্রণাম।
প্রণাম মহারাজ ।ভীষণই ভালো লাগলো
ReplyDelete