শ্রীমৎ তোতা পুরী
-- স্বামী হরিময়ানন্দ

©
ইমং বিবস্বতে যোগং প্রোক্তবানহমব্যয়ম্।
বিবস্বান্ মনবে প্রাহ
মনুরিক্ষ্বাকবে৳ব্রবীৎ।। গীতা ৪/১
পরম্পরা
শ্রীভগবান বলছেন তিনি
সেই জ্ঞান পুরাকালে সূর্যকে বলেছিলেন। সূর্য তাঁর পুত্র মনুকে বলেছিলেন। মনু তাঁর পুত্র
ইক্ষ্বাকুকে বলেছিলেন। কে ছিলেন ইক্ষ্বাকু?
তিনি ছিলেন কোশল সাম্রাজ্যের প্রথম রাজা। তাঁর পিতা ছিলেন শ্রদ্ধাদেব মনু। ইক্ষ্বাকু
হলেন পিতার দশ পুত্রের অন্যতম। ইক্ষ্বাকু সাম্রাজ্য শুরু করেন রাজা ইক্ষ্বাকু। পরবর্তী
কালে এই বংশ সূর্যবংশ নামে খ্যাত হয়। ইক্ষ্বাকুর শত পুত্র ছিল। তার মধ্যে নিমি রাজা
হয়েছিলেন। এই বংশে বিবস্বান্ বা সূর্য থেকে ৫৮তম অধস্তন পুরুষ হলেন শ্রীরামচন্দ্র।
এই সূর্য বংশ বা ইক্ষ্বাকু বংশে অনেক পরে
ভগবান তথাগত বুদ্ধ জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সেই
জ্ঞান অর্জুনকে গীতামুখে বলেছিলেন। ক্ষত্রিয়দের থেকে সেই জ্ঞান রাজর্ষিরা প্রাপ্ত হয়েছিলেন।
এই ভাবে অবতার পুরুষ যখন আসেন সেই জ্ঞান তিনি পুনরায় মানব কল্যাণে দান করেন।
খৃষ্টীয় অষ্টম শতকে কেরালার কালাডীতে মহাদেবের অংশে অবতীর্ণ হয়েছিলেন আচার্য শংকর। তিনি পরবর্তী সময়ে শিষ্যদের মধ্যে সেই জ্ঞান দান করেন। যা পরম্পরাগত ভাবে বর্তমান কাল পর্যন্ত চলে আসছে।
আমরা এখন দেখবো শ্রীরামকৃষ্ণের বেদান্ত গুরু শ্রীমৎ তোতা পুরী সেই জ্ঞান কীভাবে পেয়েছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবধারার পরম্পরা কী ভাবে প্রবাহিত হয়েছে ও কী ভাবে তা পরিপুষ্টি ও পূর্ণতা লাভ করেছে।
পরিচয়
শ্রীমৎ তোতাপুরী ছিলেন একজন পরিব্রাজক সন্ন্যাসী। তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসকে
বেদান্ত সাধন শিক্ষা দিয়েছিলেন। সন্ন্যাস দান করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণকে। তিনি স্নেহেও
শ্রদ্ধায় তাঁকে ‘ন্যাংটা’ বলে ডাকতেন। তিনি ছিলেন নাগা সম্প্রদায়ের সাধু। কৌপিন ছাড়া
অন্য কোন পোষাক পরতেন না। তাই হয়তো ঠাকুর শ্রদ্ধায় তাঁকে ন্যাংটা বলে বলতেন। তাছাড়া তোতাপুরীজী ছিলেন নাগা
সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী।
নাগা সন্ন্যাসী কাদের বলে ?
নাগা কাদের বলে? একটু জেনে নেওয়া যাক।
নাগা শব্দ এসেছে 'নাঙ্গা' শব্দ থেকে। যার অর্থ
উলঙ্গ। সন্ন্যাসী সম্প্রদায় বিশেষ।
আদি শংকরাচার্যের হাত ধরে নাগা সন্ন্যাসীদের
উৎপত্তি। বিদেশী শত্রুদের হাতে ভারতবর্ষ বার বার আক্রমণের কবলে পড়েছে। সনাতন হিন্দু
ধর্মের অস্তিত্ব বজায় রাখতে তিনি ভারতের চার দিকে চারটি মঠ বা পীঠ স্থাপন করে ছিলেন।
গোবর্ধন মঠ, সারদা মঠ, দ্বারকা মঠ ও জ্যোতির্মঠ। এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরের
রক্ষার জন্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোককে একত্রিত করে তিনি বিভিন্ন আখড়া তৈরি করেন। নিরঞ্জনী আখড়া, জুনা আখড়া, মহানির্বাণ
আখড়া, অটল আখড়া, নির্মোহী আখড়া তাদের অন্যতম।
নাগা সাধুরা সভ্য সমাজের সঙ্গে কোন
সম্পর্ক রাখেন না। শিবের উপাসনা করেন। এরা ছাই ভস্ম মেখে থাকেন। বস্ত্র পরিধানের অধিকার
নেই। যে কোন ঋতুতে একই নিয়ম।
নাগা সন্ন্যাসীরা পিতামাতার এমনকি
নিজেরও পিণ্ড দান করে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। ফলে পূর্বতন সংস্কারের সঙ্গে সম্পর্ক সম্পূর্ণ
ভাবে ছিন্ন হয়ে যায়। এর পর গুরু নতুন নাম করন করেন। কঠোর ব্রহ্মচর্য ও আত্মসংবরণের
সাধনার দ্বারা এদের জীবন গঠিত হয়।
কঠোর নিয়ম
একজন নাগা সাতটি বাড়ির বেশি বাড়িতে
ভিক্ষা করতে পারবেন না। যদি ভিক্ষাতে কোন কিছু না মেলে, উপবাস। শুতে হয় মাটিতে। প্রথম
দীক্ষিত হয় ব্রহ্মচারী হিসাবে তারপর মহাপুরুষ পদে উন্নীত হয়। যারা প্রথম ধ্যান অভ্যাস শিখতে আরম্ভ করে তাদের গদির উপর বসিয়ে ধ্যান করায়। কারণ প্রথম প্রথম শক্ত আসনে বসতে অসুবিধা হবে। পা টনটন করবে। তারপর একটু পুরনো হলে কঠিন কঠিনতর আসনে বসানো হয়। শেষে চামড়ার আসন বা খালি মাটিতে বসতে দেওয়া হয়।
আহারে ও পরিধানে কঠোর নিয়ম । লজ্জা, ঘৃণা, ভয়,জাত,কুল, শীল, মান ইত্যাদি পাশ থেকে মুক্তির জন্য কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয় । এই ভাবে প্রশিক্ষণের পর সাধুসঙ্গে বা নির্জনে একা থাকতে হয়। কেউ কেউ আবার একা একা তীর্থে তীর্থে ভ্রমণ করেন।
নাগাদের পরবর্তী পদ হল
অবধূত। এরপরে ধীরে ধীরে তাঁরা মোহন্ত, শ্রীমোহন্ত জমানিয়া মোহন্ত ,থানাপতি মোহন্ত, পীর মোহন্ত, দিগম্বর শ্রী, মহামণ্ডলেশ্বর, আচার্য মণ্ডলেশ্বর প্রভৃতি পদে উন্নীত হন। নাগাদের মধ্যে যারা ঠিক ঠিক পরমহংস অবস্থা লাভ করত তাদের এই ভাবে পদ দিয়ে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয় ।
জন্ম ও বাল্য জীবন
তোতা পুরীজীর প্রাথমিক জীবন সম্বন্ধে খুব কমই জানা যায়। সম্ভবত তিনি ১৭৮০ সালে
জন্ম গ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই আশ্রমের পরিবেশে বড় হতে থাকেন। মায়া মোহ থেকে অনেক দূরে স্বর্গীয় পরিমণ্ডলে লালিত পালিত হয় তাঁর শৈশব।
তখনকার দিনে প্রথা ছিল । যদি অনেক দিন কোন দম্পতির সন্তান লাভ না হোত, দেবতার মন্দিরে মানত করতেন। তার ফলে যদি পুত্রলাভ হত সেই পুত্রকে পিতামাতা সন্ন্যাসী করে ঈশ্বরের পায়ে সমর্পণ করতেন। পুরীজীর জীবনে এমন হয়েছিল কিনা বলা যায় না।
হরিয়াণার কাইথাল জেলার লাদানাতে বাবা রাজপুরীর ডেরায় তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। লাদানা কুরুক্ষেত্রের কাছে। শ্রীমৎ রাজপুরী ছিলেন এই আখড়া বা মঠের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তোতাপুরীকে খুব স্নেহ করতেন। যত্ন সহকারে তাঁকে শিক্ষা দিতেন। এখানে তিনি বেদান্ত শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন।
ওই আখড়ার পঞ্চম প্রধান হন শ্রীমৎ জ্ঞান পুরী। তিনি একজন বিখ্যাত যোগীপুরুষ ছিলেন। এই প্রাজ্ঞ গুরু শ্রীমৎ জ্ঞানপুরীজীর কাছ থেকে তোতাপুরী আধ্যাত্মিক সাধনের শিক্ষা লাভ করেন। এই আশ্রমটি এখনও রয়েছে। স্থানীয় মানুষের দ্বারা এখানে প্রতি বছর মেলা হয়।
নাগা সন্ন্যাসীরা অগ্নিকে খুব পবিত্র জ্ঞানে শ্রদ্ধা করেন। অগ্নিসেবা হল নিত্য কর্ম।যেখানে থাকুক নাগা সাধুরা ধুনি জ্বালবেনই। তোতা পুরীজীও এই ভাবে বাল্যকাল থেকে অভ্যস্ত হয়েছিলেন। দক্ষিণেশ্বরে থাকা কালিন তাই সব সময় রাতদিন ধুনির কাছে থাকতেন। ওখানেই অগ্নিকে নিবেদন করে আহার করতেন। বিশাল শরীর ছিল কিন্তু আহার করতেন খুব অল্প। তাও নিজে প্রস্তুত করে নিতেন। গভীর রাত পর্যন্ত ধুনির কাছে ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ওখানেই ঘুমিয়ে পড়তেন। পুরীজী যেখানে যেতেন লোটা, কম্বল চিমটা সঙ্গে রাখতেন। এ সব যে তাঁর দীর্ঘকালের নিরন্তর অভ্যাস তা বেশ বোঝা যায়। দীর্ঘকাল অভ্যাস ছাড়া সাধক জীবন প্রস্তুত করা যায় না। তাই ঠাকুরের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন দেখছ 'কেমন উজ্জ্বল লোটাটি'। নিত্য নিজ হাতে মাজতেন ।
সাধক জীবন

.jpg) |
| নর্মদা |
পরিনত কালে তিনি লম্বা চওড়া ও সুদীর্ঘ পুরুষ হয়ে উঠলেন। ছোট বেলা থেকে নিয়মিত ধ্যান ধারণা করতেন। দীর্ঘ সময় সমাধিতে মগ্ন হয়ে থাকতেন।
তোতাপুরীজী যৌবনকাল থেকেই অদ্বৈত বেদান্তের অনুশাসনে প্রশিক্ষিত ছিলেন। অদ্বৈত মতে তিনি জগতকে মায়া হিসাবে মেনে ছিলেন। দ্বৈতবাদীদের মতে দেবদেবীদের রূপ তাঁর কাছে মনের ভ্রম বা কল্পনা বলে মনে হত। তাঁর মতে প্রার্থনা আচার অনুষ্ঠানের সংগে সত্যধর্ম বা আধ্যাত্মিকতার কোন সম্পর্ক নেই। তাই এ সব নিয়ে তিনি উদাসীন থাকতেন। ভক্তিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতেন না। আমরা জানি এই ভুল ধারণা ভেঙ্গে ছিল অনেক পরে দক্ষিণেশ্বরে। শরীরের যন্ত্রনায় যখন গঙ্গায় ডুবে শরীর ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তখন পারেননি। গঙ্গার এক পার থেকে হাঁটতে হাঁটতে অপর চলে এলেও ডুবজল পাননি। অবাক হয়ে 'একি দৈবি মায়া' ভেবে। অথবা শ্রীরামকৃষ্ণ হাত তালি দিয়ে হরি নাম করেন দেখে বলেছিলেন 'আরে, কেঁও রোটী ঠোক্তে হো?'
গুরুর নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতেন। যেমন উপদেশ পেতেন তাঁর মনও ঠিক ঠিক তা ধরণা করতে পারত। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মন ছিল সরল। ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন। কিন্তু জোর দিতের পুরুষকারের উপর। আকুমার ব্রহ্মচারী কঠোর শৃঙ্খলাতে বড় হয়েছেন।
আত্মপ্রচেষ্টা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির দ্বারা আপেক্ষিক জগতের ইন্দ্রিয় বস্তুর প্রতি আসক্তি থেকে নিজেকে মুক্ত করে ছিলেন। দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে পবিত্র নর্মদার তীরে গুজরাটের কর্নালীতে একান্ত থেকে সাধনা করেন। অবশেষে তিনি পরম সত্য লাভ করেন।
শ্রীমোহন্ত পদে
দক্ষিণেশ্বরে আসার পুর্বে তিনি আদি শংকারাচার্যের দশনামী সম্প্রদায়ের একজন সন্ন্যাসী ছিলেন। তিনি পাঞ্জাবের একটি মঠের প্রধান ছিলেন। ওই মঠে সাতশ সাধু থাকত। ‘তোতা’ হল তাঁর সন্ন্যাস নাম। এবং ‘পুরী’ হল দশনামী সন্ন্যাসীদের পদবী। গিরি, পুরী, ভারতী ইত্যাদি। আগেই বলা হয়েছে তিনি ছিলেন নাগা সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী। সাধুদের সম্প্রদায়কে বলে আখড়া। তিনি ছিলেন মহা নির্বাণী আখড়ার অন্তর্গত।
১৮৫২ সালে প্রয়াগে সদর দফতর সহ মহা নির্বাণী আখড়ার পরিচালনার জন্যতিনি আটজন মো হন্তেরপ্রধান ‘শ্রীমোহন্ত’ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৮৫৫ সালে তিনি আরও তিন বছরের জন্য পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৮৭১ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৮৮৪ পর্যন্ত তিনি গুরুস্থান লাদানা আখড়ার মোহন্ত ছিলেন।
ব্রহ্ম জ্ঞানলাভের পর তিনি মুক্ত সিংহের মতো বিচরণ
করতে থাকেন। কেবল কৌপিনমাত্র বস্ত্র ব্যবহার করতেন। ঝড়বৃষ্টি, শীত গ্রীষ্ম তিনি আকাশের
নিচে সানন্দে দিন রাত কাটাতেন। করতল ভিক্ষা আর তরুতল বাস ছিল তাঁর সম্বল। মুক্ত পুরুষ
জ্ঞানলাভের পর তীর্থে তীর্থে মনের আনন্দে ভ্রমণ করছিলেন। তিনি কোথাও তিন দিনের বেশি
থাকতেন না। নিজে রান্না করে খেতেন। সাগরসঙ্গমে স্নান ও শ্রীজগন্নাথ দর্শনের ইচ্ছা মনে
রেখে বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করতে করতে বঙ্গদেশে উপস্থিত হন।
অজানা ঈশ্বরীয় ইচ্ছায় পবিত্র গঙ্গার
তীরে তীর্থযাত্রার থেকে ফেরার পথে দক্ষিণেশ্বরে এসে হাজির হন পুরীজী। যেখানে অপেক্ষা
করছে কাল। একটি মুহূর্তের জন্য, একটি ইতিহাস রচনার জন্য কাল যখন প্রতীক্ষা করে রয়েছেন,
সেখানে এসে হাজির হলেন জটাজুটধারী প্রাজ্ঞ ব্রহ্মজ্ঞানী শ্রীমৎ তোতাপুরী।
দক্ষিণেশ্বরে আগমন
১৮৬৪ সালের শেষের দিকে তিনি দক্ষিণেশ্বরে আসেন।
দক্ষিণেশ্বরে চাঁদনির ঘাটে এসে নামলেন।
ওই ঘাটের অন্যদিকে অন্যমনস্ক হয়ে বসেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। ঠাকুরের প্রদীপ্ত চোখ মুখ
ও চেহারা দেখে তোতাপুরী আকৃষ্ট হলেন। প্রথম দর্শনেই বুঝতে পারলেন ইনি বেদান্ত সাধনার
একজন উপযুক্ত ও বিরল অধিকারী। বঙ্গে দেশে সাধারণত তন্ত্রের প্রচলন বেশি। তাই এখানে
বেদান্তের অধিকারী দেখে খানিকটা অবাকই হয়েছিলেন। সরাসরি তাই জিজ্ঞাসা করলেন – তুমি বেদান্ত সাধনা
করবে? দীর্ঘ চেহারা জটাধারী সন্ন্যাসীকে দেখে ও তাঁর কথা শুনে তিনি জানিয়ে দিলেন – এ সব বিষয়ে তিনি কিছু
জানেন না তাঁর মা জানেন। মা যদি অনুমতি দেন তবে হতে পারে।
 |
| দক্ষিণেশ্বরে |
মায়ের অনুমতি নিয়ে এলে তোতাপুরী তাঁকে অদ্বৈত মতে সাধন করান। সন্ন্যাস দীক্ষাও দান করেন। ওই সময় একটানা তিন দিন শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ ছিলেন। তোতাপুরী অবাক হয়েছিলেন এই ভেবে যে, যে-জ্ঞান তিনি চল্লিশ বছরের কঠোর সাধনায় লাভ করে ছিলেন তা এত অল্প সময়ে কী করে শ্রীরামকৃষ্ণ লাভ করেছেন।
এর বিস্তৃত কাহিনী পাঠক /পাঠিকাদের আশা করি জানা আছে। এগার মাস দক্ষিণেশ্বরে বাস করার পর তিনি শ্রীক্ষেত্র পুরীধামের উদ্দেশে রওনা হন। ঠাকুরের টানেই এত কাল এক স্থানে থেকে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাংলার জল তাঁর শরীরের পক্ষে উপযুক্ত ছিল না। খুবই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এমন অবস্থা হল যে শরীর বিসর্জন দেবেন ভাবলেন। তাও সম্ভব হল না। বরং সেই রাতে তিনি উপল্বব্ধি করলেন জগন্মাতার। যে মা জলে, স্থলে, জীবনে, এমনকি মৃত্যুতে। সর্বব্যাপী জগন্মাতার দর্শন লাভ করে তিনি ধন্য হয়েছিলেন।
বেদান্তবিদ্ ব্রহ্মজ্ঞানী আজীবন ব্রহ্মকেই একমাত্র অস্তিত্ব রূপে জেনে এসেছেন। এখন বুঝলেন সবই মহামায়ার লীলা মাত্র। এই পূর্ণতার অভাব ছিল তাঁর জীবনে। অবতার পুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে এসে তিনিও পরিপূর্ণ জ্ঞান নিয়ে বিদায় নিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের থেকে, বিদায় নিলেন দক্ষিণেশ্বর থেকে।
১৮৬৫ সালের শেষের দিকে তিনি দক্ষিণেশ্বর থেকে পুরীতে আসেন। এখানে বেশ কিছু কাল অবস্থান করেন। একটি আশ্রম ও তৈরি করেন।
 |
| গির্ণারীবন্ত অদ্বৈতব্রহ্ম আশ্রম |
পুরীর কাছে সমুদ্রের ধারে গির্ণারীবন্ত অদ্বৈতব্রহ্ম আশ্রম। বিশাল বালিয়াড়ির ঢিবির দুদিকে ঝাউবন। জটাধারী সন্ন্যাসী শ্রীমৎ তোতাপুরী না নাঙ্গাবাবা এখানে তাঁর দীর্ঘ আড়াইশ বছরের জীবনের শেষ অংশ এখানে কাটান। ১৯৬১ খৃষ্টাব্দের ২৮ আগষ্ট মহাতপস্বীর লীলাবসান হয়। অন্য একটি মতে তিনি পুরী থেকে লাদানাতে রাজপুরীজীর ডেরাতে ফিরে আসেন। জীবনের শেষ দিনগুলি তিনি এখানে কাটান।©
Pranum Maharaj 🙏
ReplyDeletePorlum,anek kichu jante parlum.
Pranum Srimat Totapuriji.Bharatiya sanskriti koto nanabhabe samriddha🙏🙏🙏
Pranam Prabhuji, khub bhalo laglo Srimat Totapurijir Jiban Lila jene. Thakurer er adoyitta gyan labh o Isware purnata prapti, aro anyanna Naga Sannyasi, Giri / Puri o annyanya sampraday sambandhe sambandhe sampurna Itihash jene mugdha holam. Torapuriji o Thakurer prati (bhagaban) sasradhya Pranam janai. Ai sundar /mulyaban tathya jene amra prakrita upakrita o samriddha holam. Apnake janai amader antorik sradhya o kritagyata.🌷🙏🏻🌷
Deleteকি অপূর্ব জীবনের কাহিনী জানলাম মহারাজ। অনবদ্য সাবলীল লেখার গুণে রুদ্ধশ্বাস হয়ে পড়লাম। সত্যি এই পূণ্যাত্মার জীবন সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। আপনাকে শত কোটি প্রণাম জানাই🙏🙏🙏
DeleteKhub valo laglo. Pronam maharaj.
DeletePronam neben Maharaj,khub bhalo laglo.Onek kichhu jante parlam.
DeleteAwesome
Deleteপ্রণাম তোতা পুরীজী 🙏অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম, প্রণাম নেবেন মহারাজ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
Deleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ,ঠাকুরের কৃপা ও আপনার করুনায় অনেক অজানা বিষয়ে জানতে পারলাম।নতুন নতুন বিষয়ে জানতে খুব ই ভাল লাগল। পুণঃ প্রনামনেবেন মহারাজ।
Deleteঅপূর্ব মহারাজ ... শ্রীমৎ স্বামী তোতাপুরিজীর জীবন কথা পাঠ করে ধন্য হলাম .. " করতল ভিক্ষা আর তরুতল আশ্রয় " করে যে মহান জীবন বয়ে চলে পূণ্য সলিলার মত .. অবাক হলাম .. এমন মহান দেবতা ও আমাদের ঠাকুরের কাছে পূর্ণতা লাভ করে ঈশ্বরে পরিণত হয়েছেন, পড়ে যেন প্রাণ ভরে গেলো .. ঠাকুরের প্রতি হৃদয় আরো ভক্তিভাবে ভরে উঠলো .. প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteজয়ীতা সরকার, সোদপুর
Porechi darun sundor Ananda peyechi Pronàm Maharaj
Deleteঠাকুর মন্গল করুন এ সকল অজানা কথা । প্রনাম মহারাজ অনেক অনেক প্রনাম মহারাজ ভালো আশা করি।
Deleteপ্রনাম মহারাজ। এ সকল অজানা কথা কেউ জানে কিনা জানিনা।আপনার অপূর্ব সংগ্রহ দেখে ভীষণ ভীষণ ভালো লাগলো। প্রাথ্না করি ঠাকুর মন্গল করুন আপনার
Deleteঠাকুর মন্গল করুন প্রনাম মহারাজ প্রণাম। আপনার গবেষণা মূলক কাজ সার্থক হউক এটাই কামনা ঠাকুর এর নিকট। এ যুগের তোতা পূরী হয়ত আপনার সহায় হবে । এন এল তেওয়ারী।
Deleteজয় ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ। আমার🌷🌷🙏🙏🌷🌷 গ্ৰহণ কর ঠাকুর। ঠাকুরের ভাষায় বলি, ন্যাংটা এবং তাঁর সম্প্রদায়ের এত সুন্দর তথ্য জানতে পারলাম। আমি মনে করি আমরাও পুরী সম্প্রদায়ের ভুক্ত। এটা একটা সুন্দর সকালের সূচনা। আমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব🌹🌷।
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো আপনার এই লেখাটা পড়ে আবার নতুন কিছু জানলাম অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মহারাজ জী প্রনাম নেবেন আমার . | রুনাপালিত .
ReplyDeleteঅপূর্ব মহারাজ!! 🙏🙏🙏🙏তোতাপুরীজী সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ বলোচনা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম!!অপার আনন্দ ও শ্রদ্ধায় হৃদয় উদ্বেলিত হলো🙏🙏🙏পড়তে পড়তেযেন সেই সময়ের স্রোতে অবগাহন করলাম.... আপনি আমাদের হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন যেন........ প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏🙏
Deleteকাকলি বন্দ্যোপাধ্যায়,বসিরহাট। 🙏🙏
Mahat jiboni pore dhonnyo hochhi,thakur bhaktipurno pronam.pronam maharaj,dhire dhire jeno monke urdhe nite pari
DeleteKhub bhalo laglo maharaj
Deleteঅনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই লেখক কে।তোতা হলো,,সন্ন্যাস নাম,,পুরি হলো পদবি। জানলাম।
ReplyDeleteঠাকুর এর সান্নিধ্যে এসে পরিপূর্ণ জ্ঞান নিয়ে ফিরে গেলেন তোতা করি,,,
ভিশন ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে।
আপনার চরনে কৃতজ্ঞতা সহিত প্রনাম জানাই। ভালো থাকবেন।
আমি, দীপান্বিতা।কানাডা।
Pranam Maharajji... SreeMat
ReplyDeleteTotapuri ji Sambandhe anek kichu jante parlam... Ajker ei natun lekhy... Sradhapurn
Pranam Janai... SreeMat. Totapuri ji. 🙏dhnyabad
Maharajji...
অনেক কিছু জানতে পারলাম। ভালো লাগলো মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteKhub Sunday Laglo.
DeletePranam Maharaj 🙏 🙏
প্রণাম মহারাজী। শ্রীমৎ তোতাপুরীজীর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
Deletemaharaj tota purerkahane khub valo laglo asobporakhub valo laglo dhonno holam,,
Deleteখুব সুন্দর লাগলো শ্রীমৎ তোতাপুরীর কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো এই জন্যেই ঠাকুর সাধু সঙ্গ করতে বলেছিল আপনার সঙ্গ পেয়ে আমরা কত কিছু জানতে পারছি। আপনি আমাদের কাছে দেবতা আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম জানাই শিখা মন্ডল বজবজ
ReplyDeletePronam neben Maharaj.Maharaj anek ajana kichu jante pere samridha holam.
ReplyDeleteব্রহ্মজ্ঞানী শ্রীমৎ স্বামী তোতাপুরী মহারাজের অপূর্ব জীবনের কথা যেখানে আমরা দেখলাম ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণপরমহংসের সান্নিধ্যে পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ করে পূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন তোতাপুরী মহারাজ🙏🏻
ReplyDeleteমন ভরে গেলো মহারাজ এমন একজন মহাপুরুষের জীবনের কথা পাঠ করে 🙏🏻
আন্তরিক শ্রদ্ধায় অসংখ্য প্রণাম মহারাজ
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
ReplyDelete🙏🏼🌳🙏🏼👣🙏🏼
ReplyDeleteশ্রীমৎ স্বামী তোতাপুরী জী সমন্ধে বিশেষ কিছু জানতাম না। আপনার জন্য সব জেনে নিজেকে ধন্য মনে করছি।🙏🙏
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻 Brahmagyani Shree Shree Totapuriji Jibonkalihi porey opurbo laglo, Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Uni Swang Thakurer Adwaita Sadhana r Guru🙏🏻, pranami Tobo Shree Choroney🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Maharajji, amader moto sadharon grihostora vabtey o pari na, je ei Mahat Brahmagyani Purush er Jibonaboli eto sadharon sorol likhoni r madhyomey peyey jabo👏 tei Aponer Shree Choroney Chirokritgyo , Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Evabey aro Adhyatmik Tattyogyan prapti r asha te opeksharoto achhi, Achariyo Maharajji 🌻🌻🌹🌹🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteখুব সুন্দর। খুব ভালো লাগছে মহারাজ।সব সময় নতুন অনেক তথ্য পাচ্ছি, মনভরেযাচ্ছে ।🙏🙏 প্রনাম মহারাজ ❤️❤️
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ তোতা পুরীর জীবন কাহিনী পড়ে খুব ভালো লাগলো।কত কিছু জানতে পারলাম । আপনার লেখনী এতো ভালো রে কত অজানাকে জানা যায়। আমার প্রণাম নেবেন ।
ReplyDeleteApurbo naga sannyashi totapuri kotha..mugdho holam path kore..Pronam Maharaj..Basanti Chatterjee Shibpur kasundia Howrah.
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব সুন্দর আপনার লেখনী। অনেক অজানা তথ্য জানলাম খুব ভালো লাগলো মহারাজ সমৃদ্ধ হলাম ঋদ্ধ হলাম তৃপ্ত হলাম 🙏🙏🙏
ReplyDeleteনাগা সন্ন্যাসীদের সম্বন্ধ্যে এতো কিছু এই প্রথম জানলাম।
জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🙏 শুভ দ্বিপ্রহর
জয় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পূর্ণ ব্রহ্ম নারায়ণ 🙏🌷🙏
খু্ব ভালো লাগলো মহারাজ তোতাপুরীর সমন্ধে অনেক কিছু অজানা অচেনা জানতে পারলাম। কোন দিন ভাবতে পারিনি যে আমরা কোনো মহাপুরুষগণের জীবনি জানতে পারবো। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। তাপস কুমার দেব।। আমেদাবাদ।
ReplyDeletePujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 totapuri babar somporke onek kichu jene somridhya holam ami ai bochor may mase puri te totapuri babar advaita asrom e giechilam 🙏
ReplyDeleteDipa Choudhury Andul Howrah🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ, ব্রহ্মজ্ঞানী শ্রীমৎস্বামী তোতা পুরী জির কথা পড়ে ধন্য হলাম, এমন ব্রহ্মজ্ঞানী পুরুষ ও পরিপূর্ণতা পেলেন আমাদের ঠাকুরের কাছে এসে, যর্থার্থই"এমন প্রানের ঠাকুর আর পাবি নে।'
ReplyDeleteজয় তু শ্রীরামকৃষ্ণ🙏🙏
অপূর্ব কত অজানা তথ্য জানতে পারি আপনার লেখনী থেকে।আর ও অনেক নূতন বিষয় জানার অপেক্ষায় থাকলাম মহারাজ জী।
ReplyDelete
ReplyDeleteশ্রী মৎ তোতাপুরী জীর কথা আপনার কাছে কত যে শুনেছি মহারাজ। আজ আত্মজ্যোতির ব্লগে আপনার লেখনীর মাধ্যমে, অবতার শ্রেষ্ঠ আমাদের ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক সাধনা তদুপরি এই বেদান্ত বিদ্ ব্রহ্ম জ্ঞানী মহাপুরুষ এর অসাধারণ জীবন সম্বন্ধে বিশদ ভাবে জানতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছি মহারাজ। প্রতি রবিবার আপনার লেখনীর জন্য অপেক্ষায় থাকি। আমাদের বিশেষ করে আমার, যদি এত টুকুও অধ্যাত্মিক জ্ঞান হয়ে থাকে সবই আপনার অহেতুক দান মহারাজ। কত কত মহান সাধকের জীবনের, অক্লান্ত সাধনার কাহিনীর মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে আপনি আমাদের উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করছেন। আমাদের আশীর্বাদ করুন মহারাজ, আমরা যেন এর প্রকৃত মূল্য বুঝে সাধনায় উন্নতি করতে পারি । আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ।
সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন ।
🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷
চন্দ্রা ব্যানার্জি হায়দ্রাবাদ। ধন্যবাদ মহারাজ। তোতা পুরীজীর বিষয়ে বিস্তারিত জেনে খুব ভালো লাগলো।বার বার পড়তে হবে। প্রনাম মহারাজ।
ReplyDeleteKhub valo laglo tota purir jibon kahini. Pronam neben maharaj
ReplyDeleteশ্রীমত্ স্বামী তোতাপুরীজি আমাদের ঠাকুরের সান্নিধ্যে এসে পরিপূর্ণতা লাভ করে ঈশ্বরে পরিণত হলেন জেনে অপার আনন্দে মন ভরে গেল। আমাদের ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি অন্তহীনভাবে বেড়ে গেল। আপনার লেখা পড়ে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে নিজেকে সমৃদ্ধ মনে হচ্ছে । ঠাকুর , মা , স্বামীজির
ReplyDeleteপাট করার পরে অসাধারণ অনুভূতি ভাবতেই পারিনা যে তোতা পুরিজির চল্লিশ বছরের সাধনা আমাদের ঠাকুরের তিন দিনে করায়ত। প্রণাম তোতাপুরী জি ও শ্রী শ্রী ঠাকুরের চরণ কমলে। অন্তরের প্রণাম আপনাকে জানাই আচার্যদেব। শিউলি রায় রানীগঞ্জ
ReplyDeleteঅপুর্ব ব্যখ্যান নাগা সন্যসীদের বিশদ তথ্য জানতে পেরে খুবই সমৃদ্ধহলাম, এটাও জানতে পারলাম সম্পুর্ন জ্ঞান লাভের সময় উপস্থিত না হলে তা পাওয়া সম্ভব নয়। আপনাকে আমার ভুলুন্ঠিত প্রনাম জানিয়ে পরের লেখার জন্য অপেক্ষায় রইলাম। আমি কৃতজ্ঞ আপনার কাছে জীবনের আসল উদ্যেশ্য জানিয়ে দেওয়ার জন্য।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo pore 🙏🙏🙏
Deleteআন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ, আপনার লেখা থেকে আমারা খুব সমৃদ্ধ হই মহারাজ। খুব ভালো লাগে আপনার লেখাগুলি পড়তে।
ReplyDelete🙏🌷🌷🙏
স্বস্তিকা রায়, শিবপুর
শ্রী মৎ স্বামী তোতাপুরীর অপূর্ব জীবন কথা আর আমাদের প্রানের ঠাকুরের সান্নিধ্যে এসে তাঁর সিদ্ধিলাভ।অজানা তথ্যে ভরা লেখাটি পড়ে নির্মল আনন্দে মন ভরে গেলো।
ReplyDeleteপরবত্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
সশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ।🙏💐
মহারাজ অজানা তথ্যে সমৃদ্ধ হলাম।সব আমি লিখে রাখছি।🙏🙏শুভ্রা ভৌমিক।
ReplyDeleteশ্রীমৎ স্বামী তোতা পুরীর জীবন বৃত্তান্ত পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো মহারাজ! আপনার কৃপায় সমৃদ্ধ হচ্ছি। ঠাকুরের লীলা যতই পড়ি ততই আরও বেশি করে ভালো লাগে! আপনার চরণে অভূমি লুণ্ঠিত প্রণাম নিবেদন করছি মহারাজ!🙏🌻🙏
ReplyDeleteWe're very much enlighten through your speech. Pronam Maharaj.
ReplyDeleteশ্রীমৎ স্বামী তোতাপুরীর কথা জেনে অনেক উপকৃত হোলাম মহারাজ। আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানবেন।
ReplyDeleteসুন্দর একটি প্রতিবেদন পাঠ করলাম ।খুব ভালো লাগল মহারাজের কাছ থেকে আমরা অনেক বিষয়ে জানতে পারছি।ভালো থাকবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমহারাজ তোতাপুরীর জীবন কাহিনী পড়লাম।অনেক তথ্য সম্বলিত আলেখ্যটি খুব মূল্যবান হয়েছে।
ReplyDeleteআপনি আরও লিখুন মহারাজ। আমরা সাগ্রহে অপেক্ষায় থাকলাম।
প্ৰণাম মহারাজ।অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।খুব ভাল লাগলো।
ReplyDeleteTotapurijir sambondhe anek kichu jante parlam, pranam maharaj
ReplyDeleteশ্রীমৎ তোতাপুরী সম্পর্কে আপনার লেখা কাহিনী থেকে অনেক কিছু অজানা তথ্য জানতে পারলাম। এবং তোতাপুরীর বংশ পরম্পরায়, শিক্ষা,সন্ন্যাস গ্রহণের কথা আপনার লেখা থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানতে পেরে খুব আনন্দ পেলাম আচার্য দেব। অসাধারণ লেখা আপনার। প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব।
ReplyDeleteশ্রী মৎ স্বামী তোতাপুরীজীর পবিত্র আধ্যাত্মিক জীবনী আপনার লেখা থেকে জানতে জানতে পারলাম । বিভিন্ন আখড়া সম্বন্ধেও আপনি আমাদের আলোকিত করেছেন। এই ব্রহ্মজ্ঞানীর ঠাকুরের সংস্পর্শে আসার পর তাঁরকথা জানতে পারি ঠাকুরের প্রামাণ্য গ্রন্থে। কিন্তু তাঁর পূর্ববর্তী বা পরবর্তী জীবনী আমাদের অজানা ছিল। মহারাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এমন অজানা দিক আলোকিত করার জন্য। আন্তরিক ভক্তি ও প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteAnek kichu jante parlm..pronam neben Maharaj 🙏
ReplyDeleteTotapuri samporkhe sob jante pere bhalo lago.
ReplyDeletePronam neben maharaj ji
Koto ajana tothyo jante parlam ,, apne amader kachhe iswarer Dan, pronam neben
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।শ্রীমৎ তোতাপুরী জী র জীবন কাহিনী সম্পর্ক অনেক কিছু অজানা ছিল।আপনার অশেষ কৃপায় আমরা সকলে খুব উপকৃত এবং সমৃদ্ধ হচ্ছি। কত মহাপুরুষ দের সমন্ধে জানতে পারছি। আরও জানার জন্য অপেক্ষায় থাকছি।আপনার পরিশ্রম যেন সার্থক করতেপারি।জীবনে ভাবতে পারিনি ঘরে বসেএমন সুন্দর জ্ঞানের কথা জানতে পারবো।আপনি ধন্য। আপনি আমাদের ঈশ্বর।ভাল থাকবেন। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।জয় ঠাকুর।
ReplyDeletePoriechi Apnar lekha TOTAPURI Darun Anando peyechi Pronàm Maharaj
ReplyDeleteKhub bhalo laglo anek kichu tathoy jante parlam kato ki janar thake.
ReplyDeleteশ্রীমৎ স্বামী তোতাপূরী মহারাজের সম্পর্কৃত এই সুন্দর উপস্থাপনা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম। তপোভূমি নর্মদা মায়ের তীরে তাঁর দীর্ঘদিনের সাধনা, পরম সত্য লাভ,মহানির্বানী আখড়ার শ্রীমোহন্ত পদ লাভ,পরবর্তীসময়ে শ্রীরামকৃষ্ণ সান্নিধ্য,পুরীতেতাঁর প্রতিষ্ঠিত আশ্রম সবকিছুই এক মহামূল্যবান ঐতিহাসিক দলিল। এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে অনেক কিছু অজানা তথ্য লাভ হল। আপনার এই মহতী প্রচেষ্টা আমাদের জ্ঞানার্জনে যথেষ্ট সাহায্য করছে। আপনাকে আমার বিনম্র প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteমালবিকা সেনগুপ্ত।বাঘাযতীন,কলকাতা।
Pronam janai totapuri ji ke takur maa swamiji r apnake ,apnar blog pore totapurijir somporke aneak kichu abogoto,valo lagche ae moha purus Der jiboni jene,agamidine aro aneak tateo o monisider jiboni tule dhorben apnar lekhoni maddome,Joy takur Joy maa Joy swamiji Joy moharaji, sadhana Sharma from panchala.
ReplyDeletePronam swamiji 🙏🏼
ReplyDeleteসহজ সরল অনবদ্য এই লেখা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম। অনেক কিছু জানলাম যার সবটাই জানা ছিল না । আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম রইল মহারাজের চরণে 🙏
Deleteমহারাজ প্ননাম নেবেন।স্বামী তোতাপুরীর সম্ভধেএত কিছু জানতাম না।আপনার জন্য অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ReplyDeleteMaharaj apnar sahaj saral vasay. Ato apurba sundar ayee lekhati pare Srimat. Totapuri sambandhe anek na jana bisoy jante pere khub valo laglo. Srimat. Totapuri r dirgha sadhana. Thakur er sangsarge ashe pari purnta peyeyche. Ar amra sei. Thakur er mantra peye. Apnar parama sangsarge. Ato tuku haleo Thakur ersadhanay nijederke jukta kare pere satyee dhanya hoyechi. Shampa. Dhar. Dum. Dum. Cantonment🙏💙
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteশ্রীমৎ তোতাপুরীজীর জীবন কাহিনীর অনেকটাই জানতাম না মহারাজ, খুব ভালো লাগল সবকিছু জেনে।আপনার সান্নিধ্যে ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু জানতে পারবো,তাই খুব আনন্দ হচ্ছে, ভক্তিপূর্ণ প্রনাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
অনেক কিছু জানতে পারলাম তোতাপূরী মহারাজ সম্পর্কে যা আগে জানা ছিল না।খুবই ভাল লাগলো মহারাজ আপনার উপস্থাপনা
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন
সুব্রত ঘোষালমুমবাই
খুব ভাল লাগল। অনেক অজানা কথা জানতে পারলাম। প্রণাম মহারাজ ।
ReplyDeleteলিলি রায়, পর্ণশ্রী।
🙏🏼🌳🙏🏼👣🙏🏼🌻🌻🌻🙏🏼
ReplyDeleteApurbo Moharaj
ReplyDelete👍👍👍🙏💐💐💐🙏🙏🙏🙏🙏🙏❤❤❤❤
ReplyDeleteপ্রণাম জানাই মহারাজ। তোতা পুরী মহারাজের কাহিনী পড়ে ওজেনে ভীষণ ভালো লাগল।
ReplyDeleteজয় ঠাকুর,পরম শ্রদ্ধেয় সাধুবাবা তোতাপুরীজীর কথা জানতে পেরে ভাল লাগল,এতো সুন্দর করে লিখেছেন আচার্যদেব আপনি প্রণাম ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কৃতজ্ঞতা জানাই।
ReplyDeleteঅনেক না জানা বিষয় জানতে পারলাম নাগা সাধুদের সম্বন্ধে। প্রার্থনা করি আরো জানতে পারি। নাম বিনু চক্রবর্ত্তী।বাড়ি মালদা।জয় শ্রীমা
খুব ভালো লাগলো।অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম।প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteপ্রনাম গুরুদেব।তোতা পুরি সমন্ধে পড়ে খুব ভালো লাগলো।🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো তোতাপুরী মহারাজ এ। জীবনের অনেক কিছু জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো মহারাজ জী প্রনাম নেবেন মহারাজ জী 🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।তোত পুরী জী সম্বন্ধে জানা হলো।প্রনাম মহারাজ জী।
ReplyDeleteApnar lekha pore totapuri jor katha anek kichhu jante parlam. Thakurer jibane onar ak bishes abadan royechhe. Adwaita bhabnay thakurke purnabhabe tairi kore dilen. Naga sannyasira je shankarachrjer adarshe anupranita seta prothom apnar lekha pore jante parlam. Apra ai lekhagulo pore kromosha anek kichhu jante parchhi eta amader param saubhagya. Pronam neben maharaj. Krishnadey, jamshedpur.
ReplyDeleteতোতাপুরী জীবন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা ছিল না
Deleteখুব ভালো লাগল
ReplyDeleteশ্রীমত্ তোতাপুরীজির সম্বন্ধে অনেক কিছু জানলাম
অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি
মমহারাজ আপনার চরণে জানাই অসংখ্য সশ্রদ্ধ প্রনাম
Antorik voktipurno pronam pronam niben moharaj🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteশ্রীমৎ তোতাপুরিজীর অনেক তথ্য জানতে পারলাম , খুব ভালো লাগলো।
দীপক দত্ত
🙏🙏আমার ভক্তিপূর্ন প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ, আপনার আশীর্বাদে
ReplyDeleteশ্রী মৎ তোতাপুরি জীর পবিত্র জীবন
কাহিনী জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো মহারাজ
🙏🙏🌹🌺🙏🙏
শিখা হালদার ,,প্রণাম মহারাজ । শ্রীমৎ তোতাপুরিজীর জীবন কাহিনী জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো আপনার কাছ থেকে।
ReplyDeleteঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বেদান্ত গুরু পরম শ্রদ্ধেয় তোতাপুরীজীকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই, তাঁর বিভিন্ন তথ্য সমৃদ্ধ জীবন কাহিনী আপনার ব্লগের মাধ্যমে জেনে ধন্য হলাম ,এছাড়া সন্ন্যাসজীবন এবং বিভিন্ন আখড়া,নাগা সন্ন্যাসীদের জীবনকাহিনী অত্যন্ত আগ্ৰহের সঙ্গে পাঠ করলাম। মহারাজের লেখনী ও প্রচ্ছদ গুলি অসাধারণ। অসীম শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা ও প্রণাম নেবেন মহারাজ। আপনার পরিশ্রম কখনো বিফল হবে না মহারাজ। মায়ের কৃপায় আপনি সুস্থ থাকুন এই প্রার্থনা করি।
ReplyDeleteBulu Mukherjee Alipore 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
অপূর্ব।আবার একটি অনবদ্য লেখা পড়লাম।শ্রদ্ধেয় তোতাপুরী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো তোতা পুরী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে আপনার মাধ্যমে ভালো থাকবেন মাহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteআচার্যদেব ,আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন । আপনার জন্য এত বড় সাধক ও তপস্যির কথা জানতে পারলাম ।তিনি যে এত বছর জীবিত ছিলেন ,তা জানা ছিলো না । অপূর্ব ।
DeleteAk কথায় অসাধারণ সুন্দর একটি লেখা। অনেক তথ্য সমৃদ্ধ। ধন্যবাদ এবং সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই মহারাজ!🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা।জ্ঞানের আকর। শূধু একবার নয়,বার বার পড়লেও আকর্ষণ কমবে না।বরাবরের জন্য বাড়ীতে রাখা উচিৎ। প্রণাম।
ReplyDeleteআমার প্রণাম নেবেন মহারাজ অপূর্ব সুন্দর কাহিনী খুব ভাল লাগল
DeletePronam Maharaj. Anek kichu janlam apnar kreepay.
ReplyDeleteশ্রীমৎ তোতাপুরীর কথা বিস্তারিত জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। আপনার সঙ্গ পেয়ে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি। আপনাকে শতকোটি প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। শ্রীমৎ তোতাপুরীর সম্বন্ধে আপনার লেখায় জানতে পারলাম। যা আমার কাছে অজানা ছিল।
ReplyDeleteকি সুন্দর পবিত্র জীবনালেখ্য...অপূর্ব নিবেদন!! পড়তে পড়তে শ্রীশ্রী ঠাকুর ও শ্রীমৎ তোতাপুরীর ভাবে তন্ময়!! এত সরল সত্য নিখুঁত সুন্দর করে লিখেছেন মহারাজ.. চিরন্তন এক সুন্দর!! সত্যিই আপনি আমাদের পবিত্র পথ-প্রদর্শক.. সুযোগ্য সুন্দর মহান-শিক্ষক!! শিক্ষক-দিবসের পবিত্র শুভ দিনে আপনার শ্রীচরণপদ্ম যুগলে আমার অন্তরের বিনম্র শ্রদ্ধা..ভক্তি অর্ঘ্য প্রণাম। ভালো থাকুন- সুস্থ থাকুন -স্বানন্দে থাকুন মহারাজ।
Deleteঅন্তহীন শ্রদ্ধা ও শুভ কামনা..
'তোমার জীবনে অসীমের লীলা পথে
নতুন তীর্থ রূপ নিল এ-জগতে'..
🙏প্রণাম তোমায় ঠাকুর🙏
🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
----------------------------------
মহারাজ খুব ভালো লাগলো পড়ে,গুরুশিষ্যের এই মহামিলনের কাহিনী,গুরু ও শিষ্যের সব মিলে মিশে একাকার 🙏🙏 অপূর্ব অপূর্ব
Deleteতোতা পুরী কাহিনী পড়ে নিজেকে ধন্য মনে হোলো ও পরম সৌভাগ্য মনে করি।
ReplyDeleteতোতাপুরীর জীবন কাহিনী পড়ে ধন্য হলাম মহারাজ ,খুব সুন্দর সহজ ও সরলভাবে লেখা l
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন 🙏🌺🙏
পূর্ণিমা মুখার্জী /পাইকপাড়া
Pronam maharaj khub valo laglo anek kichu jante parlim
ReplyDelete