মানবপ্রেম : বুদ্ধ ও বিবেকানন্দ
--- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
আজ
পর্যন্ত যে সকল মহামানব আবির্ভূত হয়েছেন ভগবান বুদ্ধ তাঁদের সকলের থেকে একটি বিশেষ
স্থান অধিকার করে রয়েছেন। তার কারণ রামচন্দ্র, শ্রীকৃষ্ণ,অর্জুন প্রভৃতি হলেন পৌরাণিক পুরুষ। তাঁদের
জীবনের ইতিহাস সম্বন্ধে মনে সন্দেহ আসে। কিন্তু শাক্যসিংহ তথাগত বুদ্ধ হলেন এমন
একজন মানুষ যাঁর ঐতিহাসিকতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তিনি কোন দৈত্য-দানব বধ করেননি
বা কোন অলৌকিক ঘটনাও প্রদর্শন করেননি। তিনি সাধারণ মানুষ রূপেই জীবন যাপন করেছেন ও
মানুষকে মুক্তি পথের সন্ধান দিয়েছেন। নিপীড়িত মানুষকে তিনি আশার আলো দিয়েছেন,
শুনিয়েছেন অভয় বাণী –‘সকলেই মুক্তিলাভ করে দুঃখের হাত
থেকে মুক্ত হতে পার’।
তাই আজ এত বছর পরেও বুদ্ধের ত্যাগ তিতিক্ষা
পূর্ণ জীবন, নিষ্কাম কর্মের আদর্শ ও শিক্ষা বিশ্বমানবের কাছে বিশেষ স্থান অধিকার
করে রয়েছে। প্রায় আড়াই হাজার বছরের ব্যবধানে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আর একজন মানুষ,
স্বামী বিবেকানন্দ যাঁর মধ্যে প্রেমের গভীরতা ও ব্যাপকতার নিরিখে বহু সাদৃশ্য
লক্ষ্য করার মত। যথার্থই তাঁকে বুদ্ধ হৃদয় বলে অভিহিত করা হয়।
স্বামী বিবেকানন্দ
অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন বুদ্ধের অপরিমেয় হৃদয়বত্তার জন্য।তাঁর মতে বুদ্ধ কখনো
অবৈদিক ছিলেন না। তিনি ছিলেন হিন্দু ধর্মের মহান সংস্কারক। স্বামীজী বলছেন “ নির্বিচারে সকলের মধ্যে তিনি (বুদ্ধ) যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত – ন্যায়সম্মত বিকাশ”।বহু মনিষীর উপর ।
৫৬৩ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে বর্তমান নেপালের
কপিলবস্তুতে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ভগবান বুদ্ধ। সেদিন ছিল এক বৈশাখী পূর্ণিমা।
পূর্ণ চন্দ্রের আভার মতো ছড়িয়ে পড়েছিল চারিদিকে।
মা মায়াদেবী ও পিতা রাজা শুদ্ধোদন। রাণী মায়াদেবী একদিন রাতে স্বপ্ন দেখেন একটি সাদা হাতি স্বর্গ থেকে নেমে এসে তাঁকে তিনবার প্রদক্ষিণ করে, তাঁর শরীরে মিলিয়ে গেল। যথাসময়ে মায়াদেবী অত্যন্ত সুন্দর একটি শিশুর জন্ম দেন। জন্মের সময়
পুত্রের নাম ছিল সিদ্ধার্থ। জন্মের সাতদিন পর মায়ের মৃত্যু হলে বিমাতা গৌতমী লালন
পালন করেন। সেই থেকে তার নাম হয় গৌতম।
জন্মের
সময় এক বিজ্ঞ জ্যোতিষি ভাগ্য গণনা করে বলেছিলেন এ শিশু বড় হয়ে রাজচক্রবর্তী হবে। আর না হয় হবে সন্ন্যাসী। বলাবাহুল্য পিতা নিশ্চয়
রাজচক্রবর্তী রূপে পুত্রকে দেখতে চেয়েছিলেন। যে কারণে শৈশব থেকে পুত্রের মনে কোনরূপ শোকের ছায়া যাতে না পড়ে সে
বিষয়ে খুবই সতর্ক থাকতেন।
একদিন বালক সিদ্ধার্থ বাগানে বেড়াতে বেড়াতে একটি গাছের তলায় বসলেন।
তিনি ধ্যান মগ্ন হয়ে পড়লেন, মন প্রশান্তিতে ভরে গেল। অন্তরে যার বৈরাগ্য, ক্ষণিক
সংসারের ভোগ সুখ তাকে কী মোহিত করতে পারে? বাল্যে একদিকে যেমন জরা-মৃত্যুর দৃশ্য
তিনি দেখেছিলেন তেমনি দেখেছিলেন সৌম্য দর্শন, প্রশান্ত সন্ন্যাসীকে। সেই
সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীর জীবনের প্রতি গভীর
ছাপ পড়েছিল। রাজপ্রাসাদ, সুন্দরী স্ত্রী, এমনকি শিশুপুত্র রাহুলকে অবলিলায় ত্যাগ
করতে পেরে ছিলেন।
তখনকার দিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ধনুর্বিদ্যা ও
বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে দণ্ডপাণি শাক্যের কন্যা যশোধরার সঙ্গে বিবাহ হয়।
অবশ্য
ছোট বেলা থেকেই বোঝা গিয়েছিল কিছুটা। যখন আহত হাঁসটিকে কোলে নিয়ে শুশ্রুষা করছিলেন
তখন মনে হয়েছিল পরীক্ষা করে দেখবেন কতটা যন্ত্রণা হয় তীরবিদ্ধ হলে। তাই হাঁসের
গায়ের থেকে তীর বের করে নিজের শরীরে ফুটিয়ে আঘাত নিযে অনুভব করছেন। আরও পরে রাজা বিম্বিসারের কাছে নিজের প্রাণ বলি দিয়ে
চেয়েছিলেন একটি ছাগশিশুর প্রাণ রক্ষার জন্য।
যে
প্রেমের তাড়নায় তিনি আত্যন্তিক দুঃখ নিবৃত্তির দুর্জয় সাধনায় পাড়ি দিয়েছিলেন।
বিসর্জন দিয়েছিলেন রাজপ্রাসাদের আমোদ আহ্লাদপূর্ণ জীবন। নেমে এসেছিলেন পথের
ধূলায়।কী সেই প্রেরণা যা তাঁকে সব কিছু থেকে দূরে নিয়ে এসেছিল। জরা-ব্যাধি-মৃত্যুর
পারে শান্তির পথের আবিষ্কার তাঁর কোন ব্যক্তিগত দুঃখজয় ছিল না। তিনি মর্মে মর্মে
উপলব্ধি করেছিলেন বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর অসহায় নিদারুণ কান্না।করুণাদ্র হৃদয়ের
তন্ত্রীতে ধ্বনিত সেই ব্যথাই তাঁকে মানব কল্যানে জীবনপাতের প্রেরণা দিয়েছিল।
জগতের দিকে যখন তাকাই নানা ভেদ বৈষম্য চোখে পড়ে। কেউ সুখী, কেউ দুঃখী, কেউ
বুদ্ধিমান, কেউ নির্বোধ, কেউ ক্ষমতা সম্পন্ন কেউ ক্ষমতাহীন। স্বতই আমাদের মনে
প্রশ্ন আসে, কেন এত ভেদ, কেন এত বৈষম্য জগতে।বৌদ্ধ দর্শন খুব সহজ ভাষায় এটির উত্তর
দেয়। বলে মাটিতে বীজ পড়লে যেমন তার ফল ফলবে,তেমনি কর্ম অনুষ্ঠিত হলে, তা সে শুভ,
অশুভ যেমনই হোক, ফল ফলবেই। বলা বাহুল্য শুভ কর্মের ফল শুভ ও মন্দ কর্মের ফল মন্দ
হবেই।
আমরা
অনেক সময় দেখি কোন মানুষ খারাপ কাজ করেও দিব্যি সুখে স্বাচ্ছন্দে রয়েছে আবার ভাল
কাজ করেও বহু দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করে। তখন কর্মের ফলের উপর আমাদের মনে সন্দেহ
হয়।মনে হয় কেন খারাপ কাজ করে তার শাস্তি হয় না, আবার ভাল কাজ করেও যন্ত্রণা পায়।
এর
উত্তর হল দুধ যেমন সঙ্গে সঙ্গে দৈ হয়ে যায় না, সময় লাগে। তেমনি কাজের ফল প্রকাশ
হতে সময় লাগে কিন্তু ফল অবশ্যম্ভাবী। জন্ম জন্মান্তরের দীর্ঘকালের মধ্যে সুকৃতি
দুষ্কৃতির ফল যথা সময়ে ফলবেই।বুদ্ধের মতে কর্ম হল সচেতন চেষ্টা। ভাল বা মন্দ যে
কাজই করি না কেন তার সঙ্গে চেতনার যোগ থাকবে।
কর্মের
সঙ্গে কর্মফলের সম্বন্ধ বীজের সঙ্গে গাছের সম্বন্ধের মত। সেই কারণে কর্মকে ভববীজ
বলা হয়। এই প্রবাহ তৃষ্ণা বা তনহা দ্বারা চালিত হয়।এমনি করে অনন্ত বিস্তারে চলতে
থাকে জীবন চক্র।সাগরে বুকে যেমন একটি ঢেউ ওঠে, ভেঙ্গে যায় আবার একটি ওঠে – এমনি ঢেউ এর ওঠানামা চলতে থাকে তেমনি ধর্ম ও সংস্কারের প্রবাহে
জন্মমৃত্যুর ঢেউ চলতে থাকে। তাই কর্মের আবর্তনে জীবের সংসারে সুখ দুঃখের দাবাখেলা
চলতে থাকে।
বুদ্ধের আবির্ভাবের পূর্বে মানুষ বৈদিক ধর্মের প্রকৃত
তাৎপর্য ভুলে কেবল কিছু আচার অনুষ্ঠানকেই ধর্ম বলে মনে করতে লাগল। এর ফলে
সমাজে উচ্চ শ্রেণির মানুষ ভোগ বিলাসে
ব্যভিচারে মত্ত হল।বৈদিক
যাগযজ্ঞ ও নানা আড়ম্বরপূর্ণ ক্রিয়াকলাপের দ্বারা স্বর্গ লাভের আশা করত। অপরদিকে
শিক্ষা অ অর্থের দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকে লোকেরা ভয় ও নানা কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করত।
ভগবান
বুদ্ধ সে সময় যে সব দার্শনিক প্রচলিত ছিল তা খণ্ডণ করেছেন।এবং তিনি এই জগতের
ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
পঞ্চভূত
থেকে এই দেহ উৎপন্ন হয়েছে। রূপ, বেদনা,
সংজ্ঞা,সংস্কার ও বিজ্ঞান এই পাঁচটি স্কন্ধাত্মক। বুদ্ধ উপদিষ্ট ধর্ম মতে আত্মা বা
ঈশ্বরের কোন স্থান নেই। বৌদ্ধরা পরলোক মানেন দেবদেবীও মানেন। কিন্তু বৌদ্ধ মতে
কর্মের স্থান সর্বোচ্চ। কর্মফলই পুনর্জন্মের কারণ।সাংখ্য ও বেদান্তের মতোবৌদ্ধ মতেও অবিদ্যাকে জীবের
স্বরূপ প্রকাশের বাধা বলে স্বীকার করা হয়। বৌদ্ধ মতে নির্বাণ হল সর্বোচ্চ অবস্থা।
তেলের অভাবে প্রদীপ যেমন ধীরে ধীরে নিভে গেলে তা যেমন আকাশে বা অন্যত্র কোথাও যায়
না। যেমন কর্মের ক্ষয় হলে জীবও কেবল
শান্তি লাভ করে।
বৌদ্ধ
ধর্ম নৈতিক অনুশাসনের উপর প্রতিষ্ঠিত। সকলের প্রতি মৈত্রী, করুণায় অহিংসা। রাজা
অশোকের রাজত্বকালে শিলালীপিতে পাওয়া যায় ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলছেন,
যেহেতু বৌদ্ধ মতাবলম্বীরা ঈশ্বর মানেন না। তাই তাঁরা
মুক্তির জন্য ঈশ্বরের অনুগ্রহের উপর
নির্ভর করেন না।
জন্ম, জরা, রোগ, মৃত্যুওপুনর্জন্ম–এগুলির হাত থেকে নিজেকে ও জগৎকে
উদ্ধার করবার জন্য রাজপ্রাসাদের ভোগসুখের জীবন ত্যাগ করে বহু কায় ক্লেশ সহ্য করে
তিনি সম্বোধি লাভ করেছিলেন।
প্রথম
সত্য – সংসারে দুঃখ আছে। দ্বিতীয়
সত্য _ দুঃখের কারণও আছে। তৃতীয় সত্য – দুঃখের নিরোধ আছে। চতুর্থ সত্য দুঃখের উপশমের জন্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ। এই
সত্য অশ্বজিৎ সারিপুত্রকে ও সারিপুত্র মৌদ্গল্যায়নকে এই ভাবে শিক্ষা দিয়ে ছিলেন ।
তিনি মধ্যপন্থা অবলম্বনের কথা বলেছেন।
কঠোর
তপস্যায় শরীর দিনে দিনে ক্ষীণ থেকে
ক্ষীণতর হতে থাকে কিন্তু সিদ্ধিলাভ আর হল না। এমন সময় সুজাতা নামে এক শ্রেষ্ঠীর
কন্যা পূজা দিতে গিয়ে ধ্যানমগ্ন সিদ্ধার্থের তেজপূর্ণ শরীর দেখে তাকেই দেবতা ভেবে পায়েস নিবেদন
করলেন। সেই পায়েস খেয়ে তিনি শরীরে বল
পেলেন, মন একটু সতেজ হল। এরপর তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করলেন –“ইহাসনে শুষ্যতু মে শরীরং, ত্বগস্থি মাংসং প্রলয়ঞ্চ যাতু। অপ্রাপ্য বোধিং
বহুকল্পদুর্লভাং, নৈরাসনাং কায়মতশ্চলিষ্যতে। - এই আসনে আমার শরীর শুষ্ক হয়ে
যাক।বহু জন্মের দুর্লভ যে বোধি যা যদি লাভ না হয় এই আসন থেকে আর কিছুতেই উঠব না”।
দীর্ঘ
ছ’বছরের কঠোর তপস্যার পর অবশেষে
এল সেই মুহূর্ত এক বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে, বোধি লাভ করলেন তিনি। সিদ্ধার্থ হলেন
গৌতম বুদ্ধ বা বোধিসত্ত্ব। বোধি কথার অর্থ জ্ঞান।

যে
জ্ঞান তিনি লাভ করলেন বিশ্ববাসীর কাছে
পৌঁছে দিতে তিনি ব্যগ্র হয়ে উঠলেন। খোঁজ করতে লাগলেন পূর্ব পরিচিতদের।
অনেকেই তখন মারা গিয়েছেন। একা চলে এলেন সারনাথে। সাধারণ মানুষ থেকে ধণী সবাইকে
বললেন তাঁর বাণী ও নির্বাণ লাভের পথ। এক নতুন আলোক পেলেন সবাই। অনেকে তাঁর
শিষ্যত্ব গ্রহণ করে ত্যাগের পথ বেছে নিয়েছিলেন। এমনি করে মগধ,কোশল, বৈশালী, বিদেহ
প্রভৃতি দেশে রাজা প্রজা, আত্মীয়, অনাত্মীয় সকলের কাছে জীবনের শেষ পঁয়তাল্লিশ বছর
প্রচারের কাজে ব্রতী ছিলেন।
একসঙ্গে প্রচারের জন্য তিনি ‘ধর্মচক্র’ প্রতিষ্ঠা করলেন।‘বহুজন হিতায় বহুজন সুখায়’ দেশে দেশে
সন্ন্যাসীর দল প্রচার করতে লাগলেন। ধর্মের ইতিহাসে এই প্রথম সঙ্ঘবদ্ধ ধর্মপ্রচার।
পরবর্তীকালে স্বামী বিবেকানন্দ সন্ন্যাসী সঙ্ঘ স্থাপনের পেছনে বুদ্ধের প্রেরণা
স্বীকার করতেই হবে।
বুদ্ধের
ধর্মমতে ঈশ্বর ও আত্মার কোন স্থান নেই। যার ফলে প্রচলিত কোন মতবাদ বা বিশ্বাসের
দ্বারা তাঁর ধর্মমত প্রভাবিত হয়নি।মানুষের নিজের চেষ্টাতেই নির্বাণলাভ সম্ভব।তিনি
যে ধর্মমতের উপদেশ দিয়েছেন তা অত্যন্ত বাস্তব মুখী।
জরা-ব্যাধি-মৃত্যুর
থেকে পরিত্রাণের চিন্তায় কুমার সিদ্ধার্থ এত মগ্ন যে আমোদ প্রমোদ আর ভাল লাগছে না।
কুমার বললেন, ‘এই জগৎ ক্ষণস্থায়ী এটি জেনে
কেমন করে আমি আমোদ প্রমোদে লিপ্ত হই। যদি পৃথিবী জরা,ব্যাধি বা বার্ধক্য না থাকত
তবে আমি সুখী হতে পারতাম।যদি এই সব নারী চিরকাল তরুণী থাকত তবেই আমি এদের প্রতি
আসক্ত হতে পারতাম। অতএব আমাকে আর ইন্দ্রিয় সুখের প্রলোভন দেখিও না।কারণ আমি জরা
ব্যাধি ও মৃত্যুর অধীন।
বুদ্ধ
ছিলেন কার্যকারণবাদী।দুঃখের কারণ নির্দেশ করতে গিয়ে তিনি কারণ শৃঙ্খলের কথা
বলেছেন। বলেছেন জরা-ব্যাধি-মৃত্যু ইত্যাদি দুঃখের কারণ হল জন্ম। জন্মের কারণ হল ভব
বা জন্ম বাসনা। ভবের কারণ উপাদান। উপাদানের কারণ তৃষ্ণা।তৃষ্ণার কারণ অতীতের ঈন্দ্রিয় অভিজ্ঞতা, যাকে পারিভাষিক শব্দে বলা
হয়েছে ‘বেদনা’।বেদনার কারণ ইন্দ্রিয় ও
বিষয়ের সংযোগ, যাকে বলা
হয় স্পর্শ। স্পর্শের কারণ হল ষড়ায়তন।পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয় ও মন।আবার এই ষড়ায়তনের কারণ হল নামরূপ।নামরূপের কারণ বিজ্ঞান।বিজ্ঞানের কারণ সং
স্কার এবং সংস্কারের কারণ অবিদ্যা বা অজ্ঞান।অজ্ঞানের নাশ হলেই সব দুঃখের অবসান হয়।অজ্ঞান বা দুঃখের
আত্যন্তিক নিবৃত্তিকে বলে নির্বাণ।
অষ্টাঙ্গিক
মার্গের উপদেশ দিয়েছেন তিনি।
১। সম্যক্ দৃষ্টি ২। সম্যক্ সঙ্কল্প
৩। সম্যক্ বাণী ৪।সম্যক্ কর্ম৫। সম্যক্ জীবিক
৬।সম্যক্ ব্যয়াম ৭। সম্যক্ স্মৃতি ৮। সম্যক্ সমাধি।
বুদ্ধের বাণীগুলি পাওয়া যায় বিনয় পিটক(ব্যবহার
ধর্ম), সুত্তপিটক(বুদ্ধের কথাবার্তা) ও অভিধম্ম পিটক(দর্শনশাস্ত্র) নামে তিনটি
গ্রন্থে।এক সঙ্গে বলে ত্রিপিটক।
যে কোন
ধর্মের মূল ভিত্তিভূমি হল নীতি। নৈতিকতার উপর স্থাপিত আধ্যাত্মিকতা। বুদ্ধের ধর্ম
বা পরবর্তীতে বৌদ্ধধর্ম তা মূলত নৈতিক ধর্ম। নীতি ও যুক্তির উপর স্থাপিত হওয়ায় এই
ধর্মের কোন জাতি ভেদ থাকল না। ফলে পুরোহিতদের নিয়মের হাতে নিষ্পেষিত হওয়া বন্ধ
হল।ফলে মানুষ স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণ করতে পারল। সাধারণ মানুষ নারী পুরুষ
নির্বিশেষে সকলে এই ধর্ম গ্রহণ করল।
দীপশিখা যেমন বায়ুর সংস্পর্শে এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুকে
আশ্রয় করে জ্বলে ওঠে জীব সেইরূপ একজীবন থেকে অন্য জীবনে ভ্রমণ করে। বায়ুর ন্যায়
বিষয়তৃষ্ণা এক জন্মথেকে আর একজন্মে নিয়ে যায়।
সারারাত একটি দীপশিখা জ্বলছে। রাতের প্রথম
প্রহরের দীপশিখা শেষপ্রহরের শিখার থেকে নিশ্চয় ভিন্ন প্রকার হবে। তাও কি বলা যায়? কারণ সারা রাত তো একই শিখা জ্বলছে। আদি নেই অন্ত
নেই, জীবন চক্র ঘুরছে।পূর্বা পর এক নয় আবার পৃথক বলা যায় না।প্রবাহ আকারে নিত্য।
প্রিয় শিষ্য আনন্দকে অন্তিম সময়ে উপদেশ দিয়ে বলে ছিলেন, আনন্দ আমার জীবনের আশিবছর অতীত হয়ে গেল, দিন শেষহয়ে এল।আমি আত্মনির্ভর হয়ে নির্ভয়ে চলে যাচ্ছি। তোমরা ও নিজের উপর নির্ভর
করে চলতে শেখ। ‘আত্মদীপোভব’–নিজের প্রদীপ তুমি নিজেই। শোক কোরো না। আমার জীবনধর্ম সংঘএতেইরেখেযাচ্ছে। তাঅক্ষয় ও অবিনাশী।
সমগ্র মানবজাতির সুখকর ওকল্যাণকর এই ধর্ম যাতে অনন্ত কাল বিদ্যমান
থাকে সেই উদ্দেশে জীবের প্রতি অপ্রমেয় প্রীতি পোষণ করে তোমরা এই ধর্মপ্রচার করতে থাক।
চুন্দের আহার্য গ্রহণ করার পর তিনি অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। যাতে শিষ্যেরা চুন্দকে
এর জন্য দোষারোপ না করে সেই জন্য তিনি সবাইকে উদ্দ্যেশ্য করে বললেন, যে তিনি জীবনে মাত্র দুবার মহৎ ভোজ্য দান হিসাবে গ্রহণ করেছেন। সুজাতার হাতে পায়েস
খেয়ে এক বৈশাখী পূর্ণিমাতে তিনি বোধিলাভ করেছিলেন আর এই দ্বিতীয় বার চুন্দের দেওয়া
খাদ্য গ্রহণ করে তিনি মহাপরিনির্বাণের পথে।
বুদ্ধ অত্যন্ত সহজ সরল ভাবে মানব কল্যাণে তার বাণী প্রচার করেছেন। কোন দার্শনিক তত্ত্ব
দ্বারা তাকে ভারাক্রান্ত করেননি। তিনি খোলাখুলি ভাবে বলছেন, ‘তুম্হেহি কিচ্চং আতপ্পং’–তোমার নিজেকেই উদ্দমের সঙ্গে শুভ আচরণ করতে হবে।
‘ফুলের গাছে নুতন ফুল
ফুটলে যেমন ম্লান ফুলগুলি আপনা আপনি ঝরে পড়ে তেমনি তোমার চিত্ত পুণ্যে পবিত্রতায় মণ্ডিত
হলেই কামাভিলাষ আপনি দূরীভূত হবে’
স্বামী বিবেকানন্দ চাইতেন বৈজ্ঞানিক যুক্তি বিচার বিশ্লেষণের যুগে
তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিক দিয়ে
বেদান্তের মানবপ্রেমে মানব সেবার আদর্শ প্রচারিত হোক। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি মানব
প্রেমের চর্চাও অত্যন্ত জরুরি – সে কথাই নতুন করে শুনিয়েছেন বুদ্ধহৃদয় বিবেকানন্দ। ©
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা,' আত্মজ্যোতি' ব্লগ নিয়মিত ভাবে প্রকাশিত হবে। এখানে ঠাকুর-মা-স্বামীজী ও বিভিন্ন মহাপুরুষদের নিয়ে লেখা থাকবে। আপনাদের মতামত ও পরামর্শ জানাবেন এবং পরিচিতদের মধ্যে শেয়ার করে সঙ্গে থাকবেন। জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ।+
.*********************************************************************
খুব সুন্দর লাগলো প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব,,
ReplyDeleteখুবই ভাল।
ReplyDeleteমহারাজ জী, প্রথমেই জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও প্রনাম। খুব ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ReplyDeleteমা, আপনার মঙ্গল করুন এই কামনাই জানাই আন্তরিক ভাবে 🙏🌹🙏
Manab Prem Budhha o Bibekananda porre khubi bhalo laglo ,anek sabder mane bodhogamya hoyni.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো পড়ে। আরও প্রাপ্তির আশায় রইলাম। প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteমহাপুরুষ দের কথা পড়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি, খুব ভালো লাগছে। আরো অনেক কিছু জানতে চাই।
ReplyDeleteএই অমৃতের স্বাদ মনের মণি কোঠায় রেখে দিলাম পুনরায় গ্ৰহণ করার জন্য।বুদ্ধাং শরনম গচ্ছামি।ধর্মং শরনম গচ্ছামি।জয় স্বামীজী।জয় ঠাকুর।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।অনেক তথ্য জানতে পারলাম।প্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteআমরা সত্যি অনেক কিছুই জানিনা , আপনার কৃপা ধান্য আমরা মহারাজ I ভগবান বুদ্ধ কে ও আপনাকে আমাদের প্রণাম জানাই 🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ, আচার্য্য গুরুদেব,🙏🌷🙏🌷🙏কি সুন্দর 🙏🙏🙏🙏🙏শত কোটি প্রণাম করলাম পরম পূজনীয় আচার্য্য গুরুদেব এর রাতুল চরণে।
ReplyDeleteভীষন ভীষণ ভালো লাগলো মন আনন্দে ভরে গেল
ReplyDeleteVery nice very good presentation. Wants more like this
ReplyDeleteখূব সুন্দর। ভগবান বুদ্ধের দিব্য জ্যোতি তে ভেসে গেলাম।
ReplyDeleteKhub valo laglo
ReplyDeleteলেখা টা বার বার পড়ছি এত সুন্দর ও সহজ করে বলেছেন আপনার কাছে এসে আমরা নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে আপনার মত গুরু পেয়েছি বলে তাইতো এত কিছু জানতে পারছি প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব,,
ReplyDeleteমহারাজ প্রণাম
ReplyDeleteলেখা টা বার বার পড়ছি এত সুন্দর করে বলেছেন আপনার কাছে এসে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে আপনার মত গুরু পেয়েছি বলে তাইতো এত কিছু জানতে পারছি প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব
ReplyDeleteদারুন লাগলো
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা। ভগবান বুদ্ধ দেবকে প্রণাম করি। হে ঈশ্বর আপনার জীবনের যা কিছু তার কিছুই যেন আমরা অনুসরন করতে পারি সেই শক্তি আপনার কাছে প্রার্থনা করি।
ReplyDeletePore khub upokrito holam onek awjana thathya Jana holo . Pranam neben maharaj.
ReplyDeleteঅত্যন্ত সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, গুলি আমরা জেনে সমৃদ্ধ হ্তে পারি। খুব ভালো লাগলো, কৃতজ্ঞতা জানাই।।
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা
ReplyDeleteঅপূ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে
ReplyDeleteপড়ে খুবই উপকৃত হলাম ۔
DeletePronam Maharaj. Khub bhalo laglo. Onek kichu jante parlam.
DeletePronam Maharaj. Khub bhalo laglo. Onek kichu jante parlam.
Deleteখুব ভাল লাগল ।জয় ভগবান বুদ্ধদেব, জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। খুব সুন্দর একটি পোস্ট
ReplyDeleteমহারাজ অসাধারণ। শ্রী শ্রী মায়ের পুজা সম্পর্কে লেখা ভীষণ ভালো লাগলো। এর আগে ও মায়ের পুজো নিয়ে লেখা পড়েছিলাম। এই ভাবে জানতে পারলে আমরা ঠাকুরের কৃপায় সমৃদ্ধ হতে চেষ্টা করবো🙏🙏🙏
ReplyDeleteক্রমে ধন্য হচ্ছি, প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteবুদ্ধপূর্ণিমার প্রাক্কালে বুদ্ধদেবের সমগ্র জীবন নিয়ে আধারিত এই লেখনী ,আধ্যাত্মিক জীবনে অমৃত স্বরূপ,
ReplyDeleteআপনার শ্রীচরণে শতকোটি প্রনাম মহারাজ🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Buddha,Thakur,Maa & Swamijir Sara nam.
ReplyDelete🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🌷🙏🙏🌷🙏🌷🙏
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo pranam neben maharaj
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধের মানবপ্রেমী রূপ খুব সুন্দর ফুটে উঠল সমগ্র লেখাটির মধ্য দিয়ে 🙏🏻
ReplyDeleteএই রকম সুন্দর সুন্দর লেখার অপেক্ষায় রইলাম মহারাজ 🙏🏻
আমার অসংখ্য প্রণাম 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
মহারাজ ,আপনার সব লেখাই তো সুন্দর, তাই মহারাজ আরও লিখুন,আর আমরাও পড়ে সমৃদ্ধ হই।প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏,-Anita Pai
ReplyDeleteআত্মা জ্যোতি এমন একটি প্রয়াস যেটা আমাদের সকলের কাছে মহারাজের আর্শীবাদ স্বরূপ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ ভালো থাকবেন 🙏
অপূর্ব পোস্ট। অনেক কিছু জানার আছে।
ReplyDeleteবুদ্ধদেব সমন্ধে পড়ে ভালো লাগলো, ত্রিপিটক কথাটির অর্থ জেনে সমিদ্ধ হলাম।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম।
ভীষণ ভালো লাগলো মহারাজ। অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নিন। সুজাতা ভাদুড়ী কোচবিহার
ReplyDeleteঅসাধারণ
ReplyDeleteApurba
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগলো মহারাজ। অনেক কিছু জানতে পারলাম প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। নতুন অনেক কিছু জানতে পারছি।প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏
ReplyDeleteপ্রণাম ঠাকুর প্রণাম মহারাজ সুপ্রভাত
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।
ReplyDelete"বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি,ধর্মং শরণং গচ্ছামি,সংঘং শরণং গচ্ছামি"🙏🙏 প্রণাম মহারাজ।অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম। মধুমিতা মুখোপাধ্যায়।
ReplyDeleteআজ শপথ নিচ্ছি হৃদয় জাগাবার চেষ্টা করব
ReplyDeleteঅনবদ্য লেখনী। কি সুন্দর ভাবে সমগ্ৰ বৌদ্ধ দর্শনকে সহজ সাবলীল ভাবে প্রকাশ করেছেন। আমার প্রণাম নেবেন।🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। কলকাতা।
ReplyDeleteজন্ম মৃত্যু ব্যধি জরা পরিত্রাণের হাত থেকে মুক্তি লাভের জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন ও নির্বান লাভ করেছিলেন। জীবে প্রেম , দয়া ভক্তি ভালোবাসা ইহাই ছিল মূলমন্ত্র 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপড়ে খুব ভাল লাগল। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো, অনেক কিছু জানতে পারলাম,, প্রনাম🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর লিখেছেন। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল।
ReplyDeleteখুব সুন্দর উপস্থাপনা। প্রনাম জানাই
ReplyDeleteDarun udyag
ReplyDeleteঅসাধারণ প্রচেষ্টা। আমি ও আমার প্রিয়জনেরা ইতিমধ্যেই কয়েকটি লেখা পড়েছি এবং নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পেরেছি। আপনার প্রজ্ঞা বিষয়ে কিছু মন্তব্য করার সাহস নাই। শুধু বলবো আমরা আপ্লুত।,,,,,,, মদন মোহন বেজ।ব্যান্ডেল। ৯৪৩৩৭২১৫০২
ReplyDeleteDibyotroir kripai Acharya guru Moharajer prochestai ami ai omulyo lekha ojiboni pore nijeke Dhonno mone Korchi voktipurna Sostango pronam neben Acharya guru Moharaj Shyamali chaki
ReplyDelete🌸🌸🌸🌸🙏🙏🙏🙏🌸🌸🌸
ReplyDeleteKhubh valo laglo Maharaj 🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল। এই রকম আরো মহা
ReplyDelete"ক্রন্দনময় নিখিলহৃদয় তাপদহনদীপ্ত
ReplyDeleteবিষয়বিষবিকারজীর্ণ খিন্ন অপরিতৃপ্ত।
দেশ দেশ পরিল তিলক রক্তকলুষগ্লানি,
তব মঙ্গলশঙ্খ আন' তব দক্ষিণপাণি--
তব শুভসঙ্গীতরাগ, তব সুন্দর ছন্দ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
করুণাঘন, ধরণীতল কর' কলঙ্কশূন্য ॥"
আজ বুদ্ধপূর্ণিমার এই শুভ ক্ষণে মহামানব তথাগতর শ্রীপাদপদ্মে আমার প্রণাম জানাই।
তথাগতর অপার আশীর্বাদ আমাদের মধ্যে শুভ চেতনার উন্মেষ ঘটাক- এই প্রার্থনা করি।
আজকের উপস্থাপনাটি পড়ে সমৃদ্ধ হলাম। প্রণাম দিব্যত্রয়ী। মহারাজকে আমার প্রণাম জানাই।
অপূর্ব লাগল ভগবান বুদ্ধের জীবনী
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগলো অনেক ধন্যবাদ
ReplyDeleteআজকের এই শুভ দিনে লেখা টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং মূল্যবান বুদ্ধদেবকে যেভাবে স্বামীজি শ্রদ্ধা করেছেন, দেখেছেন ,এবং অনুধাবন করেছেন তাতে মনে হয় বুদ্ধদেব নতুন করে পৃথিবীতে এসেছিলেন স্বামীজীর রূপে নিজের কর্ম কে এগিয়ে নিয়ে যেতে। স্বামীজীও সেই জন্য কর্ম যোগ কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন।
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগলো.. সত্যিই তাই.. আমাদের নিজের দ্বীপ নিজেদেরই জ্বালাতে হবে.. দ্বীপ শিখাটি তো তৈরীই আছে .. শুধু জ্বালতে হবে .. তার জন্য চাই সংকল্প ..নিষ্ঠা ..অধ্যবসায় ..আজ বুদ্ধ পূরনিমা তিথিতে সেটাই হোক আমাদের সংকল্প ..
ReplyDeleteআত্মদ্বীপভবো…🙏🙏
মহারাজ ,ব্লগটি নিয়মিত পড়ছি।অসাধারণ লাগছে।প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteজয়তু শ্রী রামকৃষ্ণ 🌷🌷🌷
Apurba !!
ReplyDeleteখুব ভাল আলোচনা হয়েছে মহারাজ জী
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
🕉অপূর্ব সুন্দর 🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ বিবেক জ্যেতি পড়ে আমি সমরিধ্য হয়েছি আরো পড়তে চাই
ReplyDeleteঅপূর্ব একটা লেখা পড়লাম মানবপ্রেম,বুদ্ধ ও বিবেকানন্দ। কি সরলভাষায় এতো মহৎ একটা জীবনী সংক্ষিপ্ত ভাবে পূর্ণ প্রকাশ ভাবা যায়না, আপনার যেকোন লেখা পড়তে সবসময় খুব ভালো লাগে। এমন আরো অনেক লেখা পড়তে চাই।প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব
ReplyDeleteMaharaj, pronam. 🙏🙏
ReplyDeleteApner recent ei postguli pore khub upokrito hochi. Apner asesh kripa borson amar mathay borsito hoche. 🙏🙏
Obolunthito vaktivora pranam, Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Maharajji, Buddha o Vivekananda write-ups porey mind e ek notun Gyanadarsher aloron plabito holo, karon ekmatro Apner sannidhey aser porobortitei Thakur Ma o Swamiji r kripa te Apner madhyomey aaj jana o sekher prochestha suru korechi🙏🏻🙏🏻. Ek osadharon lekha Apni poribeson korechen, khubei monograhi, Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Amra protidin Apner onudhyan e thekey o bisesh vabey upokrito hocchi, todupori ei additional spiritual knowledge Apner lekher madhyomey prapti korey amra otibo dhonno bodh korchi🙏🏻🙏🏻. Amra jeno protidin evabey notun kichu Adhyatmik Gyan porer sujog pei, Maharajji🌹🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা মহারাজ , আপনার সব লেখাই এতটাই ভালো কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না, আর এই সব লেখার মধ্যে দিয়ে এতকিছু জানতে পারছি ,আমরা ধন্য মহারাজ,🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ খুব খুব সুন্দর ,আমি সব পড়ছি, জানতে পারছি কতো কিছু, আরও পাবো আশা করি মহারাজ।জীবন ধন্য আমার,-Anita Pai Chandannagar
ReplyDeleteলেখক জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও প্রনাম।
ReplyDeleteআপনার উপস্থাপনা সবসময়ই ভালো লাগে।।।।।।। লেখাগুলো পড়তে খুব ভালো লাগছে ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
Ashadhran. Life cleasing .
ReplyDeleteBuddhang sharanang gachhami..
ReplyDeleteবুদ্ধদেব ও বিবেকানন্দকে নিয়ে এই লেখাটি পেয়ে ভাল লাগলো৷ এটাই খুজছিলাম।প্রণাম মহারাজ
ReplyDelete🙏🏻Khub bhalo laglo🙏🏻
ReplyDeleteKoto ajana katha jante parchi 🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam maharaj.ami sob tai lekha pore I. Ajana onek kicu janlam.mon bhore gelo.khub khub bhalo legeche. Ro mahapurush er jiboni jante chobi o pabo .apluto bodh korci.
ReplyDeleteApurbo! Erokom blog khuub bhalo lagey.... Joy Thakur
ReplyDeleteনমস্কার মহারাজ। খুবই ভাল লাগলো।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো। ছবি সহ সুন্দর উপস্থাপনা, শিশুদেরও আকর্ষিত করবে। সশ্রদ্ধ প্রণাম।
ReplyDeleteজয়িতা বোস।
Anaek shanti paelam porae.bhalo karmo korar cheshtay thakbo
ReplyDeleteKhub bhalo laglo,pranam neben moharaj.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ আরও অপেক্ষায় রইলাম 🙏🙏
ReplyDeleteপূর্ণিমা মুখার্জী
পাইকপাড়া
🙏🙏🙏
ReplyDeleteগীতা শেখার class কীভাবে করা যাবে?
ReplyDeleteমহারাজ, বুদ্ধদেবের মহান জীবনের কথা জেনে আপ্লুত হলাম, সমৃদ্ধ হলাম। ভূলুন্ঠিত প্রণাম জানাই বুদ্ধদেবের শ্রীচরণে।
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধের কথা খুব ভালো লাগলো। আসল কথা হলো মানব প্রেম।
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteখুব ই সুন্দর লাগলো। বৌদ্ধ দর্শনের মূল তত্ত্বের ব্যাখা সহজ ভাবে বোঝা গেল
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল
ReplyDeleteলেখাটা পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো।
ReplyDelete🌺🌿জয় মা ভবতারিণী। 🌼🌿ভগবান বুদ্ধ, ঠাকুর, মা, স্বামীজি, গুরুদেব ও আচার্য দেবের শ্রী চরণে সশ্রদ্ধ প্রণাম।🙏 মানবপ্রেম, বুদ্ধ ও বিবেকানন্দ পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, অনেক কিছু জানতে পারলাম।💚
ReplyDeleteআত্ম জ্যোতির রচনাটি পড়েঅনেক কিছু জানাগেল।মন ওআনন্দে ভরে গেল।ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ। এর জ্যোতি দীর্ঘ কাল ধরে জ্বলুক।আমরাও আধ্যাত্মিক ভাবে উন্নত হব।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
Apurba. Khub bhalo laglo Maharaj 🙏.
ReplyDeleteKhub valo ... Joy Thakur
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ, ভগবান বুদ্ধের এই লেখাটি পেয়ে উপকৃত হলাম৷
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো মহারাজ আপনার ভগবান বুদ্ধ ও
ReplyDeleteআপনার এই অসাধারণ লেখা মানব প্রেম বুদ্ধ ও বিবেকানন্দ পড়ে মন এক অদ্ভুত পবিত্রতায় যেন পূর্ণ হয়ে গেল মহারাজ। । আপনার বেদান্ত ক্লাস করার জন্য এই অসাধারণ লেখাটি বুঝতে কিছুটা সহজ লাগল, কত অমূল্য তথ্য জানতে পারলাম ভগবান বুদ্ধের দর্শন সম্বন্ধে। আমাদের আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য যে কঠিন পরিশ্রম আপনি করছেন দীর্ঘ সময় ধরে, তাতে আরও একটি মণি যুক্ত হল মহারাজ। আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ 🙏🌷🙏
ReplyDeleteMoharaj sorbo prothome Amar pronam grohon korben. Moharaj amar Shob Kota blog e Bhalo lagche kintu ami likhte parina amay eigulo pathate bhul korben na. Ami WhatsApp e voice message debo.
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা । অনেক তথ্য জানতে পারলাম ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো ভগবান বুদ্ধের সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পেরে 🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ সুপ্রভাত পড়ে।খুব ভাল লাগল। এবার। কৃষ্ণ। কথা।জানার।ইচ্ছা।পাঠাবেন।প্রণাম।
ReplyDeleteমহারাজ পড়ে এত ভালো লাগলো যে দুবার পড়লাম। অনেক নূতন নূতন
ReplyDeleteব্লগের আলোচনাগুলি জন্ম-জন্ম
ReplyDeleteরোমন্থন উপযোগী...স্বামী মহারাজ 🙏
Pranam atmojoti amader hridoyer andhakar asa Kari dur karbe
ReplyDeleteজয় ঠাকুর, মা, স্বামীজী, গুরুদেব, পরম পূজনীয় মহারাজ কে সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি। 🙏🌷আত্মজ্যোতি তে প্রকাশিত লেখাগুলি পড়ে মন আনন্দে ভরে গেলো ।🙏🙏🌷🌷🙏🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর নিবেদন মহারাজ🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম দিব্যত্রয়ী শ্রীচরনে ওআচার্যদেবের শ্রীচরনে।আপনাদের কৃপায় ঘড়ে বসে ,বিবেকজ্যতির আলোয় আলোকিত হতে পাচ্ছি।খুব ভালো লাগছে
ReplyDeleteAmi Mon die porlam .khub.bhalo laglo. Anek kichhui jantam na... Ami chai aero likhun ....sab chhere chole jaoar aage kichhutooo jene jai. Bhule kichhui likhle map korben. Pranam Maharaj.
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধের জীবনের প্রতিটা ঘটনায় দেখতে পাই তাঁর অপরিসীম মানবপ্রেম ও মানব দরদী হৃদয়ের উজ্জ্ব দিক গুল
ReplyDeleteAmi Sujata Naskar. Lekhati kore Khub bhalo legechhe. Parer lekhar parer jonne apekhai roilam. Pranam Maharaj ji.
ReplyDeletePronam bhagoban budhadev k. Pronam. Maa k. Pronam thakur o. Swamiji k. Onek kicu ojana aj janlam. Bhalo legeche.
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধ ও স্বামীজী দুজনেই অপরিসীম মানবপ্রেম ও মানব দরদী হৃদয়ের উজ্জ্বলতম উদাহরন। খুব ভাল লাগল। প্রণাম জানাই ভগবান বুদ্ধ ও স্বামীজী মহারাজের শ্রীচরণকমলে।
ReplyDelete🙏🌿🌼🌺🌼🌺🌼🌿🙏
Khub bhalo laglo ....anek kichhu janlam
ReplyDeleteপড়ে খুব ভলো লাগল মহারাজ আপনার তুলনা হয় না আপনি আমাদের জন্য কত প্ররিশ্রম করে লিখে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন প্রণাম মহারাজ
ReplyDelete🙏💐
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো । কল্যাণী ভট্টাচার্য।
ReplyDeletePronam Maharaj ji khub bhalo laglo
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Ajkaei porlam. Protyoho porbi. Pronam Maharaj.🙏🙏
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগছে 1
ReplyDeleteKhub sundor post. Somridhho holam.
ReplyDeleteঅনেক সমৃদ্ধ হলাম 🙏🙏। প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏। সুস্মিতা দে, চন্দননগর।
ReplyDeletekhub sundor post . krishna samanta
ReplyDeleteKhub valo laglo Maharaj.
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা, খুবই উপকৃত হলাম। আমি এই লেখাটি আমার ডায়েরি তে লিখে রাখছি, কারণ এত সুন্দর লেখা আমি হারাতে চাই না।
ReplyDeleteআমার শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম নেবেন। ভালো থাকবেন। 🙏🙏🙏
মানবপ্রেম ও স্বামী বিবেকানন্দ পড়ে খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo anek kichhu jante parchi
ReplyDeleteযদিও আমি পালি ভাষা পডেছি তবুও আপনার অসাধারন লেখা খুবই ভাল লাগলো । অনেক তথ্য জানা ছিল না
ReplyDeleteঅসাধারন উপস্থাপনা
ReplyDeleteযত বার পড়ছি তত ভালোলাগছে
ReplyDeleteআপনার কাছ থেকে আমরা এত কিছু জানতে পারছি আপনি আমাদের কাছে দেবতা প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব
ReplyDeleteআপনার কাছ থেকে আমরা এত জ্ঞানের আলো পারছি আপনি আমাদের কাছে দেবতা শিখা মন্ডল 8335087311
ReplyDeletePore khub upokrito holam pronam Maharaj 🙏
ReplyDeleteChandannagar
প্রনাম মহারাজ🙏 অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম। আমাদের মত সাধারণ মানুষের কাছে এ এক পরম পাওয়া। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা সুস্থ থাকুন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ🙏 অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম। আমার মতো সাধারণ মানুষের কাছে এক পরম পাওয়া। প্রনাম গ্রহণ করুন মহারাজ🙏
ReplyDeleteবুদ্ধ দেবের জীবনী পড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক কিছু জানতে পারলাম। আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য দেব।🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন। অসাধারণ ভাবে আমাদের সুপ্রাচীন ধর্মের প্রবাহ কে বহন করে চলেছে রামকৃষ্ণ সংঘ । জয়তু ঠাকুর মা স্বামীজি।
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhub upokrito hochi Maharaj.....Barite bose ato kichu pabo ata amader kache ovabinio....apni amader ganer aloi alokito korchen...apni amar kache acharjo...Thakur r kache apner sustota parthona kori.. Bangalore theka supriya Majumdar
ReplyDeleteAmar gyan vander khub e kom kintu maharajer songe onudhyan theke ami dhonyo hoyechi..ato sundor gyaner vander theke joto peyechi tate ami onek somridhyo hoyechi..aro gyan ahoron korte chai.." Provu aro aro dao pran"....
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা পড়ে মন ভরে গেল আমার সশ্রদ্ধা আভূমি লুন্ঠিত শতকোটি প্রনাম নেবেন মহারাজ আপনার মুখে পাঠ শুনতে পাচ্ছি আর বুদ্ধ পূর্ণিমা জন্ম বৃত্তান্ত শুনে খুব ভালো লাগলো জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ --- খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteমহারাজ আপনার লেখা পড়ে সমৃদ্ধ হচ্ছি ।
ReplyDeleteরীনা মন্ডল ব্যারাকপুর
ReplyDeleteআত্মজ্যোতি নামের্ সার্থকতা প্রকাশ পেয়েছে লেখার মধ্যে দিয়ে মহারাজ আপনার সান্নিধ্যে এসে আমাদের ও আত্মজ্যোতি প্রকাশিত হচ্ছে । মহারাজ এইভাবেই আপনি আমাদের আরও আধ্যাত্মিকতার গভীরে নিয়ে যাবেন এই আশা রাখি। জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজী 🙏🙏🙏
লেখক কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।।। অসাধারণ লেখা।নিজে পরে অনেক কিছু জানলাম।
ReplyDeleteঠাকুর 🙏 মা 🙏🏻 ও স্বামীজীর চরনে,,, আমার ভক্তিপূন প্রনাম জানাই ও পার্থনা,,করি,, আপনার লেখা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে প্রমূখ।
ভালো থাকবেন 🙏🌹🙏
Dipannita das
Buddher jinan sambandhe jene khub bhalo laglo. Swamijir jibane o amra buddher nyay agadh manab prem dekhte pai. Apnar lekha pore ami samriddha holam. Apnar niralas chesta amader jibanke anandadichchhe.. Abashyai amra dhanya. Pronam janai apnake. Krishnadey
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। 'বুদ্ধহৃদয় বিবেকানন্দ ' বিশ্লেষণ মূলক লেখাটি খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah
ReplyDeletePronam Maharaj 🙏
Apnar kache ai sob path sune mugdho hoye jai.. thik jeno amritasudha srobone atmya porom tripti lav korche..jibone o vabini ato sundor sotguru & sotsongo pabo..korunamoy thakurer porom koruna ami peyechi apnar sannidhye ese.."A jibon dhonyo holo..ashirbad korun jeno aktu gyan ahoron korte pari..
Apurbo Apurbo apnar proti upostapona,khub mono grahi,apnake gurur moto sate peye aneak kichu ajana tattoo jante parchi, r valo lagche besh,valo thakben moharajji pronam neben amar 🙏 panchala raghudevpur theake sadhanq Sharma.
ReplyDeleteপ্রণাম ঠাকূর মা স্বামীজী।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
মহারাজ যেন ভক্তকূলের সেবায় নিবেদিত প্রাণ। আমরা ভক্তেরা কত সহজে জানতে পারছি ধর্ম ও দর্শনের গূঢ় তত্ত্ব।
Ashadharon apnar lekhoni,oneak kichu jante parlam,pronam neben moharajji, sadhana Sharma raghudevpur howrah.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ ভগবান বুদ্ধের জীবনী শুনে। সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই মহারাজ আপনার চরণে।
ReplyDeleteঅপূর্ব।পড়ে খুব ভালো লাগল।খুবই উপকৃত হলাম। 🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ আপনার লেখা মহাপ্রাণ বুদ্ধের জীবন ও শিক্ষা সন্বন্ধে পড়ে খুবই ভালো লাগলো। বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে একটি সম্যক ধারণা পেলাম।
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধের জীবনী ও শিক্ষা সন্বন্ধে আপনার vlog খুব সুন্দর পরিবেশিত হয়েছে। অনেক নাজানা তথ্য পেলাম। ভবিষ্যতে আরও এরকম লেখা পড়তে চাই মহারাজ। প্রণাম দিব্য ত্রয়ী চরণে 🙏🙏🏼🙏🏻
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। আরও এরকম লেখা পড়তে চাই।
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। আরও এরকম লেখা পড়তে চাই।
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। আরও এরকম লেখা পড়তে চাই।
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধের এই আত্মজ্যোতি, পাঠ, করে নিজে, সমৃদ্ধ হলাম
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ🙏 আমার হৃদয়ের ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeleteApurbo laglo, airokom aro lekha porte chai
ReplyDeleteAto sundor lekha, khub valo laglo ai lekha gulo songrokheto kore rakhar chesta korbo asima batabyal
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteভগবান বুদ্ধ সম্বন্ধে মা জানা ছিল তার বাইরে আরও অনেক আপনার লেখা থেকে জানলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। আপনার এই নতুন উদ্যোগ আমাদের খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeletePranam Maharaj Blog paye drun legeche jelo purona siti giye pelum
ReplyDeleteগৌতম বুদ্ধের শিক্ষা আমাদের কাছে এমন সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য মহারাজের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। অনেক সমৃদ্ধ হলাম। শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণতি জানাই।
ReplyDeleteঅসাধারণ লাগল লেখাটা।প্রণাম আচার্য মহারাজ। আরও অনেক লেখা পেতে চাই।
ReplyDeleteসুপ্রভাত মহারাজ, অসাধারণ এই লেখা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই আপনাকে।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo Moharaj...du bochorer adhik kal somoy dhore aponi amader somridhho kore cholechen...kotota atmostho korte perechi jani na...atukui bolte pari je aponar ei prochesta amake anando dey..
ReplyDeleteKhub valo lagche Maharaj
ReplyDelete🙏🌹
পড়ে খুব ভাল লাগল মহারাজ। আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। চন্দ্রিমা মুখার্জি।
ReplyDeleteAmader prarthona hok atma Dipa bhavo 🙏
ReplyDeleteআমাদের আচার্য স্বামী হরিময়ানন্দ মহারাজ জী র লেখা --"মানব প্রেম- বুদ্ধ ও বিবেকানন্দ " অনবদ্য। প্রণাম মহারাজ জী। অলকানন্দা মিত্র বাগবাজার।
ReplyDeleteব্লগ চলুক, খুব ভালো লাগে ।
ReplyDeleteজয় ভ গবান বুদ্ধ , অসাধারণ লেখা, আত্মদীপো ভ বো,এটি হতে পারি শ্রী ভ গবানের কাছে এই চাই,আচার্য দেব আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও প্রণাম জানাই, অপূর্ব সৃষ্ঠি এই লেখা গুলো আপনার, এটাই মনে হচ্ছে বার,বার,অমূল্য সম্পদ । জয় ঠাকুর।
ReplyDeleteএগুলো পড়তে খুব ভালো লাগছে। প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteশিখা হালদার। লেখাগুলো পড়তে বেশ ভালো লাগছে । প্রণাম মহারাজ।
ReplyDelete