শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

শংকরাচার্য ।। পর্ব -৮ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ ।।

 

                       ।।  শংকরাচার্য ।।


                                                                                                ---- স্বামী হরিময়ানন্দ

© ধারাবাহিক রচনা

"এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ


শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌।

নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌।

==============পর্ব-৮===========

আচার্য ও মণ্ডনের মধ্যে বিচার

     আচার্য শংকর ও মণ্ডন মিশ্রের মধ্যে শাস্ত্র নিয়ে তর্ক বিচার শুরু হবে। মণ্ডনের স্ত্রী বিদুষী উভয়-ভারতী দু পক্ষের বিচার করে জয় ঘোষণা করবেন। কিভাবে বিচার হবে? এক অভিনব পদ্ধতি ঘোষণা করলেন তিনি। প্রতিদিন দু জন আহ্নিক ক্রিয়া শেষ করে আসনে এসে বসতেন। তখন উভয় ভারতী দেবী দু জনের গলাতে ফুলের মালা পরিয়ে দিতেন। আর বলতেন এই মালা আপনাদের দুজনের জয় পরাজয়ের সাক্ষী হিসাবে থাকবে।

    সভাতে এই ভাবে মাল্য প্রদান করে বিবাদের কাজ শুরু করিয়ে তিনি চলে আসতেন গৃহ কর্মের জন্য। ও দিকে সভা কিন্তু ঠিক চলতে থাকত। অনেক  শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত  উপস্থিত থাকতেন এই শাস্ত্রনিষ্ঠ বিচার শোনার জন্য।

      গৃহে ফিরে এসে উভয় ভারতী মধ্যাহ্নে আহারের ব্যবস্থাদি করতেন। আহারের সময় হলে সভাতে গিয়ে সসম্মানে যতিবর আচার্য শংকর ও নিজ স্বামীকে খাদ্য গ্রহণের জন্য আহ্বান জানাতেন। এই তর্ক বিচার শুনতে যেমন বহু মানুষ সমবেত হতেন তেমনি দেবতারাও ছদ্মবেশে হাজির হতেন। এই যুক্তি তর্কে বেদ উপনিষদ থেকে প্রমাণ দেখানো হত। ছল বা ক্রোধের কোনও স্থান ছিল না এখানে। সে এক অপূর্ব ব্যাপার ছিল। মানুষ এক দৃষ্টে অবাক হয়ে বক্তাদের যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা লক্ষ্য করতেন। বেদজ্ঞ দুই মহাত্মার শাস্ত্র বিচার প্রবল ভাবে চলতে থাকে। এই ভাবে পাঁচ দিন কেটে গেল।

     ষষ্ঠ দিনও প্রায় একই ভাবে কেটে গেল কোন সিদ্ধান্ত কিন্তু হল না। সপ্তম দিন মণ্ডন মিশ্র আচার্যকে সভাতে বললেন । হে যতিবর,  এখন আপনি সিদ্ধান্ত বলুন। যুক্তি তর্ক তো অনেক হল। আপনারা যে জীব ও ঈশ্বরের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেন, তার কী প্রমাণ ? যদি এর কোন প্রমাণ থাকে তাহলে তা উল্লেখ করুন।

   আচার্য শংকর যিনি উপনিষদের ভাষ্য রচনা করেছেন, তিনি  উপনিষদ থেকে প্রমাণ দেখিয়ে বলতে শুরু করলেন। মণ্ডনকে অনুরোধ করলেন শান্ত মনে বেদ বাক্য শ্রবণ করতে। আচার্য ছান্দোগ্য উপনিষদ ও কঠোপনিষদ থেকে মন্ত্র উদ্ধৃত করে জীব ও ব্রহ্মের ঐক্য সূচক প্রমাণ দিলেন। এই গ্রন্থ মণ্ডনের অজানা নয় তবুও তিনি প্রমাণ নেই বলছিলেন। আচার্য বললেন সমগ্র বেদের তাৎপর্য হল অদ্বৈত ব্রহ্মজ্ঞান। নিষ্কাম কর্ম বা উপাসনা চিত্ত শুদ্ধির উপায়। তাই জ্ঞান-কর্ম বা উপাসনার সমুচ্চয় সম্ভব নয়। মুক্তি লাভের জন্য একই ব্যক্তিকে একই সঙ্গে জ্ঞান ও কর্ম বা উপাসনার সাধন করতে হবে না। কর্ম ও উপাসনার দ্বারা চিত্তশুদ্ধি হলে তবে উপনিষদের মহাবাক্য অহং ব্রহ্মাস্মি, বা সত্যং জ্ঞানং অনন্তং ব্রহ্ম প্রভৃতি অদ্বৈত জ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত হয়ে মুক্তি লাভ করতে পারে। বেদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাঁর আর পুনর্জন্ম হয় না। কিন্তু কর্ম বা উপাসনার দ্বারা সাক্ষাৎ-ভাবে মুক্তি সম্ভব নয়।

    আচার্যের এই মত খণ্ডন করে মিশ্র বললেন কর্মই বেদের প্রকৃত তাৎপর্য। কর্মের ফলে মানুষের অনন্ত স্বর্গলাভ হয়। আর এটাই হল মুক্তি।  ব্রহ্মের সঙ্গে আত্মার অভেদ সূচক মন্ত্র বেদে যা রয়েছে তা কর্মেরই পূর্ণতা সাধনের জন্য। আর ঘটম্‌ আনয় এই বাক্যের দ্বারা যেমন ঘটটিকে নিয়ে আসার কথা বলা হচ্ছে। বেদেও যেখানে কিছু করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তার দ্বারা কর্মের শক্তিই প্রতীয়মান হয়। অনন্তকাল কর্ম করলে সাধকের লাভ হবে অনন্ত স্বর্গ।

    শংকর আবার মণ্ডনের মতকে খণ্ডন করে নিজের মতের সমর্থন করলেন। শ্রুতি বাক্য হল 'ন কর্মণা ন প্রজয়া ধনেন ত্যাগেনৈকেনামৃতত্বমানশুঃ মোক্ষলাভ , না কর্ম, না পুত্র দ্বারা, না ধন দ্বারা হয়, কেবল ত্যাগ দ্বারাই হয় ।

     আবার মণ্ডনও আচার্যের যুক্তিকে খণ্ডন করে নিজের মত স্থাপন করলেন। এই ভাবে অফুরন্ত শাস্ত্রের যুক্তি উদ্ধৃতি দিয়ে এক জন আর একজনের যুক্তি খণ্ডন করলেন। প্রায় মধ্যাহ্ন উপস্থিত দেখে উভয় ভারতী উভয়ের গলায় মালা পরিয়ে সংসারের কাজে চলে যেতেন।  যার মালা শুকিয়ে যাবে তাঁকে পরাজিত বলে স্বীকার করা হবে।

   এই ভাবে সতেরো দিন অতিক্রান্ত হল। এলো আঠার-তম দিন। দেখা গেল মণ্ডন মিশ্র যেন ক্রমশঃ বিচলিত হয়ে পড়ছেন। শংকরের কাছে তাঁর যুক্তি যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। তিনি থেমে যাচ্ছেন। গলার মালাও শুকিয়ে যাচ্ছে। তা দেখে উভয়-ভারতী মনে মনে ব্যথিত হলেন। কিন্তু পক্ষপাতশূন্য হয়ে রায় জানাতে হবে। তাই ন্যায় ও নীতির মর্যাদা রক্ষা করে বিচারের মীমাংসা জানালেন। উভয়ভারতী জানালেন আমার স্বামীই পরাজিত হয়েছে। মণ্ডনও এই পরাজয় মেনে নিলেন।

      শংকর প্রবল যুক্তির দ্বারা মণ্ডনকে জয় করলেন। মণ্ডন মৌন ভাব অবলম্বন করলেন। মহা বিদুষী উভয় ভারতী শংকরাচার্যকে করজোড়ে জানালেন যে আমার স্বামী পরাজিত হয়েছেন। আপনি জয়লাভ করেছেন। পূর্বে আমি কোন কারণে ঋষি দুর্বাসার অভিশাপ পেয়ে ছিলাম। আমার শাপ এখানেই সমাপ্ত। আমি এখন যেখানে খুশি যেতে পারি। এই বলে তিনি গমনে উদ্যত হলেন। মিশ্র তখনও মৌন অবলম্বন করে রয়েছেন। তখন ভাষ্যকার শংকর দেবীকে সাক্ষাৎ সরস্বতী  জেনে বললেন, দেবী! আমি জেনেছি, তুমি স্বয়ং সরস্বতী, এখানে অবস্থান কর, অন্যত্র চলে যেও না। দেবী তখন আচার্যের অনুরোধে শান্ত হলেন ও গমনের সংকল্প ত্যাগ করলেন।

    যে স্বয়ং মহাদেব আচার্য-রূপে জগতে আবির্ভূত হয়ে বেদের অদ্ভুত ভাষ্য রচনা করেছেন। মহা পণ্ডিত মণ্ডনকে পরাজিত করে আনন্দিত চিত্তে অবস্থান করছেন। সেই করুণা-সিন্ধু বেদান্ত-ভাস্করের চরণ যুগলে বার বার প্রণাম করি। যিনি পৃথিবীতে লুপ্ত বেদান্তকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করে সংসার তাপে দগ্ধ জীবগণের ভবসিন্ধু পারের সেতু নির্মাণ করে গেলেন। হাজার হাজার বছর ধরে এই বেদান্ত জ্যোতি মানুষকে আত্ম-মুক্তির পথ দেখাবে।

 

     মণ্ডন মিশ্র পরাজিত হলেন ঠিকই। কিন্তু তাঁর মন থেকে এখনও সংশয় দূর হয়নি। তিনি শংকরকে বললেন,  হে যতিবর, আমি পরাজিত হয়েছি বলে মনে কোন বিষাদ নেই। কিন্তু সর্বজ্ঞ জৈমিনি মুনির মত খণ্ডন হবে কি করে? কে ছিলেন এই জৈমিনি? কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাসের শিষ্য হলেন জৈমিনি মুনি। তিনি পূর্ব মীমাংসা বা কর্ম মীমাংসা সূত্র রচনা করেছেন। তিনি প্রায় তিন হাজার সূত্রে  কর্ম বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের  উপর ভিত্তি করে বেদ ব্যাখ্যা করেছেন।

   এই সন্দেহ মণ্ডনের মনে। সন্দেহ দূর করার জন্য আচার্য  বললেন, জৈমিনি কোন ভুল কিছু বলেননি। মণ্ডন অনুরোধ করলেন জৈমিনির অভিপ্রায় বুঝিয়ে বলতে। সেই মত শংকর বললেন জৈমিনি যে অভিপ্রায়ে বেদার্থ নির্ণয় করেছেন তা সাধারণের বোধগম্য নয়। তিনি গভীর ভাবে অনুধাবন করেছেন যে, মানুষ অবিদ্যা-কাম-কর্ম এই চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। রাগ-দ্বেষ দ্বারা অত্যন্ত আসক্ত। সুখের আশায় দুঃখকেই বরণ করে আরও গভীর দুঃখে নিমগ্ন হচ্ছে। এই দু;খের সাগরে নিমগ্ন মানুষের সুখ কী করে হতে পারে? সংসারে সুখের লেশ মাত্র নেই। ব্রহ্মজ্ঞগণ কেবল এই সুখ ভোগ করতে পারেন। সাধারণ মানুষ যাতে এই ব্রহ্ম-তত্ত্বজ্ঞান লাভ করতে পারেন, তাই তিনি বেদার্থ প্রচারে ব্রতী হয়েছিলেন। বৈদিক জ্ঞান ছাড়া মানুষ যথার্থ সুখ পেতে পারেন না। তার মধ্যে মুখ্যত ব্রহ্মজ্ঞান লাভ হলেই আত্যন্তিক সুখ হতে পারে। অন্য কোন উপায়ে তা সম্ভব নয়।

      আর  ব্রহ্ম-জ্ঞান বেদান্ত বিচার ও সাধন-সম্পত্তি ছাড়া সম্ভব নয়। শম-দমাদি সাধন-সম্পত্তি লাভ করতে হলে চাই চিত্তশুদ্ধি। তার জন্য চাই ধর্ম আচরণ। ধর্ম আচরণ ছাড়া চিত্ত শুদ্ধি সম্ভব নয়। শ্রুতি স্মৃতি পুরাণে ধর্ম আচরণের কথাই বলা হয়েছে। নিষ্কাম ধর্মের আচরণে কেবল চিত্তশুদ্ধি  সম্ভব, স-কাম কর্মের দ্বারা তা হয় না। বিষয়াসক্ত মানুষের পক্ষে সেই ধর্ম আচরণ অত্যন্ত দুর্লভ। সাধারণ মানুষের যে পশু প্রবৃত্তি তা কিভাবে দূর করে শাস্ত্র-জ্ঞানের দিকে প্রবৃত্ত করা যায়? যদি বহুল আয়াস দ্বারা সাধ্য স্বর্গ-লাভের জন্য বৈদিক কর্মে নিয়ে আসা যায়, তবে কিছু কাল পরে তাদের মধ্যে বিচার বোধ জাগ্রত হবে ও সারাসার বুঝতে পারবে। এবং স্বর্গাদির অনিত্যতা বোধ হলে ব্রহ্ম বিচারে প্রবৃত্ত হবে। বিচার দ্বারা ব্রহ্মজ্ঞান প্রাপ্ত হলে তার ফলে মুক্তিলাভ করবে। ব্যাস দেবের শিষ্য মুনি জৈমিনি পরম করুণায় মীমাংসা সূত্র রচনা করেছেন। তাই সূত্রের প্রথমে লিখলেন অথাতো ধর্ম জিজ্ঞাসা

     এই ভাবে তিনি কর্মের উপর জোর দিয়েছেন। এই চরাচর জগতে সমস্তই কর্ম দ্বারা হয়, তাই কল্পিত ঈশ্বরের কোন প্রয়োজন নেই। জৈমিনি এই যুক্তি দিয়ে আনুমানিক ঈশ্বর খণ্ডন করেছেন, কিন্তু শ্রুতি সিদ্ধ ঈশ্বরকে খণ্ডন করেননি। আর কি ভাবেই বা তা করবেন ? কারণ তিনি তো একজন বেদ-বেত্তা ও পরমেশ্বরে ভক্তিমান।


                               ক্রমশঃ ....................................।

Comments

  1. প্রণাম আচার্য শংকর। প্রণাম মহারাজ 🙏।যতপড়ছি ততো বিষয়ের গভীরে ঢুকছিআরো জানার আগ্রহ বাড়ছে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রণাম আচার্য্য শঙ্কর 🙏
      প্রণাম মহারাজ 🙏।
      মৌসুমী রায় কোচবিহার।

      Delete
    2. প।প্রনাম মহারাজ। খুব ভালো 🙏🙏🙏🙏🌹🌹🌹🌹

      Delete
  2. প্রণাম মহারাজ

    ReplyDelete
  3. Achariyo Sankarachayo r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌼 🙏🏼. Jai Thakur 🌷 ♥️ 🙏🏼. Sovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌿 🙏🏼.
    Aaj ei 8th porbo er lekhoni onudhabon korey opurbo Tattyogyan sikhya prapti holo🙏🏼. Jadi o Apuni roj onudhyan er madhyomey amader ei Brahmogyan sombondhey bujhiyey jacchen, tei, aaj ei lekhonir dharona kortey parchi, Guruji 🙏🏼. Niscam Dharma achoroney er dwara Chittosuddhi o terpor Brahmogyan sambhob🙏🏼🙏🏼.
    Parbati Banerjee, Siliguri.

    ReplyDelete
    Replies
    1. Triptibasu narendrapur.pra pranam maharaja.khub valo lagche acharja shankarer
      adhayatmik katha .

      Delete
  4. খুব ভালো লাগছে আচার্য শঙ্করের লেখা বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি আপনার সান্নিধ্যে এসেছি বলে আধ্যাত্মিক এত জ্ঞান জানতে পারছি আপনার চরণে অনন্ত কোটি প্রণাম জানাই শিখা মন্ডল বজবজ

    ReplyDelete
  5. প্রণাম প্রভুজি, খুবই ভালো লাগলো মনডন মিশ্র ও আচার্য শঙ্কর এর তর্ক ও কথপকথন আর বিদুষী উভয় ভারতীর বিচার পদ্ধতি, লেখাটি ভালো লাগলো। আচার্য শঙ্করের পান্ডিত্যের প্রকাশ "অহম্ ব্রহ্মাশ্মি" কথা টির তাৎপর্য্য জানা গেলো, আমাদের শ্রদ্ধা ও প্রনাম জানাই।
    সুন্দর লেখা, পরবর্তী অংশ জানার ইচ্ছা রইলো। আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।।🌹🙏🏻🌹

    ReplyDelete
  6. আজকের পর্ব টি অপূর্ব লাগলো। আপনার কাছে শাস্ত্র গুলি পড়ছি বলে কথা গুলির তাৎপর্য অনেকটাই বুঝতে পারি। আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই 🙏🙏। যারা এ সব পড়ছেনা বা জানতে পারছেনা তাদের জন্য আমার করুণা হয়। শুভ্রা লালা

    ReplyDelete
  7. প্রণাম আচার্য্য শঙ্কর 🙏আজকে অষ্টম
    পর্বে বিতারিত ভাবে আচার্য্য শঙ্কর এর জীবনী পড়েভীষণ ভালো লাগছে, যা আপনার সুন্দর লেখনী তে প্রকাশিত।
    প্রণাম মহারাজজী
    জয়া চৌধুরী

    ReplyDelete
  8. সেই শিব অবতার আচার্য শঙ্কর কে বার,বার অবনত মস্তকে প্রণাম করি🙏🏻যিনি বেদান্তের মতো মহতী জ্ঞান কে,আমাদের জীবনে উপহার দিয়েছেন।আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই পূজনীয় আচার্য দেব কে অপনার লেখার মাধ্যমে তা জানতে পেরে উপকৃত হলাম 🙏🏻জয় ঠাকুর

    ReplyDelete
  9. অনেক দিন পরে ব্লগে লিখতে পেয়ে খুব খুশি হলাম।আগে লিখতাম পোষ্ট হতো না😭হেই এই জন্য আর পড়তাম না ।দুঃখ হতো😭🙏🏻হে প্রভু 😭

    ReplyDelete
  10. জয় জগতগুরু শঙ্করাচার্য 🙏 ভগবান স্বয়ং অবির্ভূত হয়ে ,সংসারে দগ্ধ মানুষ কে মুক্তির পথের সন্ধান দিলেন 🙏সুন্দর লেখা পড়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় --ক্রমমুক্তির পথে এগোনোর আশ্বাস মনে ধারণ করি। আচার্য মহারাজ জী চিরকৃতজ্ঞ আপনার কাছে🙏আসল পথের সন্ধান আপনিই তো দিয়েছেন🙏 সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রনাম🙏🙏🙏
    সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

    ReplyDelete
  11. প্রণাম মহারাজ🙏🙏।খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী। দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  12. জয় আচার্য শংকরের জয়। অন্তরের পরম শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি 🙏। এই যে চার, সাড়ে চার বছর ধরে প্রতিনিয়ত মহারাজ আপনার সান্নিধ্যে অনুধ্যান করে করে বুঝেও বুঝতে পারছি না যে সমগ্র বেদের তাৎপর্য হল "অদ্বৈত ব্রহ্মজ্ঞান"। নিষ্কাম কর্ম বা উপাসনা শুধুমাত্র চিত্তশুদ্ধির জন্য। আপনার অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গতঃ এই লিখাটা পড়ে খুব ক্লিয়ার হলাম! যা প্রয়োজন ছিল। ষদিও এখনও নিষ্কাম কর্মেরই চেষ্টায় রত রয়েছি ; তবু্ও দারুণ ভাল লাগছে প্রমাণস্বরূপ যুক্তিসিদ্ধ বিষয় টি অবগত হয়ে- যে চিত্তশুদ্ধি হলেই এই মহাবাক্য " অহং ব্রহ্মাস্মি" বা সত্যং জ্ঞানং অনন্তং ব্রহ্ম" জ্ঞান প্রতিষ্ঠিত হলে "মুক্তি " লাভ হয়। আমাদের অনেক সৌভাগ্যক্রমে আপনার মতো এত আন্তরিক ও ধৈর্য্যশীল গুরুজী পেয়েছি ; অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি ; শ্রদ্ধাযুক্ত আন্তরিক প্রণাম শ্রী চরণে🙏। আপনার এমন চমৎকার লিখা আরও পেতে ও জানতে আগ্রহী!

    ReplyDelete
  13. 🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  14. খুব সুন্দর!!
    💐🙏💐

    ReplyDelete
  15. অপূর্ব অসাধারণ লাগল। মহারাজ আপনার লেখার দ্বারা অনেক অনেক উপকৃত হলাম। শ্রদ্ধাসহ প্রণাম জানাই। 🙏🏻💐
    রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর

    ReplyDelete
  16. যত পড়ছি তত মন টানছে।🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  17. প্রনাম নেবেন মহারাজ জী I খুব খুব সুন্দর লাগে পড়তে কতি কিছু জানতে পারছি আমরা I রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙা নদীয়া I

    ReplyDelete
  18. খুব ভালো লাগলো। আপনি এই পর্ব
    গুলি লিখছেন বলে জানতে পরছি।
    আমি খুব আনন্দ পাচ্ছি। আপনাকে
    আমার ভক্তিপূর্ণ প্রনাম জানাই। আপনি
    খুব ভালো ও সুস্থ থাকুন ভগবানের কাছেএই প্রার্থনা করি। 🙏🙏
    পুলকেশ সিনহা রায়। দক্ষিনেশ্বর।

    ReplyDelete
  19. Proam janai Acharya Sankar ke o Maharjji ke. Upner lekha pore khub valo lagche. O onek gyan luv kochi. Jani na katotuku mone Rakuten parbo. Pronam Maharaj.

    ReplyDelete
  20. Pranam gurudev 🙏🙏☘️🪷

    ReplyDelete
  21. আপনার সান্নিধ্যে এসে অনেক কিছু জানতে পারলাম মহারাজ পড়তে খুব ভালো লাগে সময় করে পড়ি আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম গ্রহন করবেন পরের অপেক্ষায় রইলাম রানু চ্যাটার্জী পুরুলিয়া

    ReplyDelete
  22. Prothome Aacharjoo Sonkordev ke pronam janai khub valo lagche onek janta parchi
    Pronam moharaj
    Rita kumar Jharkhand Giridih

    ReplyDelete
  23. 🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete

Post a Comment