।। সমুদ্র সৈকতে ।।
--- স্বামী হরিময়ানন্দ
একটি লোক এদিক সেদিক ঘুরতে ঘুরতে সমুদ্রের তীরে গিয়ে বসল। দূরে যত দূরে চোখ
যায় – কেবল জল আর জল। কূল কিনারা হীন বিশাল
সমুদ্র। সমুদ্রের পাড়ে বালির স্তূপ। পড়ন্ত বিকেলে বেশ ভালোই লাগছে। সেখানে বসে লোকটি
একবার সমুদ্র, আকাশ ও চারিদিকে তাকাল। মন খানিকটা উদাসীন। উপরে সীমাহীন আকাশ, আর বিশাল
সমুদ্র, মৃদু মৃদু বাতাসে লোকটির মনে নানা রকম
এলোমেলো চিন্তা আসতে থাকে।
সে ভাবতে থাকে –
এই যে মোহময় এক পরিবেশ। গতকালও এমন ছিল। তার আগের
দিনও এমন ছিল। এক মাস আগেও এমন ছিল। এক বছর আগেও এমন ছিল … বহু বছর
আগেও এমন ছিল। হাজার হাজার বছর আগেও এমনই ছিল। হয়তো অন্য কেউ এই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়েছে।
আবার হাজার হাজার বছর পরেও এমন দৃশ্য দেখা যাবে। শুধু দেখার চোখ, মানুষ যাবে বদলে ।
পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে
কত নাটক, কত কথা, কত গান কত বিচিত্র চিত্র-পট আঁকা হচ্ছে প্রতি নিয়ত অভিনীত হয়ে চলেছে যুগ যুগ ধরে।
সৃষ্টির মূলেই যেন এই অভিনয়। সৃষ্টির আদি কাল থেকে এই অভিনয় যেন চলে আসছে। প্রথম অভিনয় তো তখনই
শুরু হয়েছিল, যখন পরম পিতার মনে হল আমি ‘এক’
আছি ‘বহু’ হব। একো৳হম্
বহুস্যাম্ ।আজ যে বিশ্ব প্রকৃতি নানা ভূমিকায় অভিনয় করে চলেছেন, তারও তো শুরু সেই
তখনই।
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড এক বিশাল নাট্যশালা। প্রকৃতি
নিজেও শুরু করলেন নিখুঁত অভিনয়। পেশাদারী ও নিপুণ অভিনয় করার জন্য একটু আড়াল করতে বা
ঢেকে ফেলতে হল নিজেকে। মানে নিজের স্বরূপকে। আর এই রূপকে ঢেকে ফেলার জন্য একটা জিনিসের
দরকার হল। তা হল মায়া। মুখটা এক রকম ছিল। তার
ওপর নানা রকমের মেকাপ দেওয়া হল। একটু অন্য রকম না করলে অভিনয় হবে কী করে। মেকাপ করলে
যা নেই তা আছে হয়ে যায়। আর যা আছে তা নেই হয়ে যায়।
তিনি যে সব সময় অভিনয় করেন, তা নয়। অনেক সময় কিছু
না করে চুপচাপ থাকেন। যখন চুপচাপ থাকেন তখন অবশ্য তাঁকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি
কিছু করতে পারেন। আর একবার শুরু হলে মনে হয়
এ বুঝি আর থামবে না। কখনও দুর্জয়, দুর্দম বিশাল ভয়ঙ্করী রূপ আবার কখনও বা শান্ত, স্নিগ্ধ
মৃদু ভাব। তবে এই অভিনয়ের নিজস্ব ছন্দ, তাল,
লয় সবই আছে। অভিনয়ের সঙ্গে রয়েছে অভিনব নৃত্য। সেই নৃত্যেই জগৎ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। তা থেই, তা থেই, তাতা থেই,
থেই থেই তা থেই ……।
নাচের তালে তালে জগৎ দোলে। তখন নটরাজ আর স্থির
থাকেন কী করে? তিনিও শুরু করেন নৃত্য। তাঁর নৃত্যে কিছু তফাৎ তো থাকবেই। এ হল তাণ্ডবনৃত্য।
এ নৃত্য শিব-শক্তির মিলিত নৃত্য। জগতে ভারসাম্য রক্ষা করে এই নাচ। কাল, মহাকাল হলেন
এই নাচের পরিচালক। তিনি সব সময় নতুন নতুন নাচের কোরিওগ্রাফি করে রঙ্গমঞ্চে নিয়ে আসেন। সেই আদি কাল থেকে শিব-শক্তির নৃত্য অভিনিত
হয়ে আসছে।
আর এক ব্যাপার হল এরা চির যুবক। কাল এদের ছুঁতেই
পারে না। তাই বার্ধ্যক্য বলে কিছু নেই। সব সময় অবশ্য নৃত্য ভালো লাগে তা নয়। তখন অন্য
কিছু করে। কিন্তু কালের হাতে নিজের স্বাধীনতা কখনওই খর্ব হয় না। সব অবস্থাতেই আনন্দ।
ধ্বংসতেও আনন্দ, রূপে আনন্দ, রূপান্তরেও আনন্দ। জগতের দোষ ত্রুটি যেন তাদের স্পর্শ
করতেই পারে না। ‘যেন’-
ই বা বলি কেন? এ হল নিত্য - নিত্য-আনন্দ, যার কোন বিচ্যুতি নেই। সব কিছুই মজার।
ভালও মজার, মন্দও মজার। জন্মও মজার, মৃত্যুও মজার। মজার কারণ সবটাই অভিনয়।
অভিনয়ের রসে চিত্ত যখন রেঙে ওঠে, তখন তা আর অভিনয় বলে মনে হয় না। আর সেই অভিনয়ে ডুবে থাকতে আমরা ভালোবাসি। আমরাও
যে এক একজন অভিনেতা অভিনেত্রী। অভিনয় করেই চলেছি – সে কথা
কি আর তখন মনে থাকে। কত রকম ভূমিকা, কত রকম তার পোষাক, কত রকম তার সংলাপ। এই অভিনয়ের
আড়ালে নিজেকেই ভুলে গেছি, মনেই হয় না।
একটা
পোষাক খুলতে না খুলতেই কুহকিনী মায়া আর একটা পোষাক পরিয়ে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, নিজেই
বাহ্ বাহ্ বলে হাততালিও দিচ্ছে। আর আমরাও
তার মিথ্যা বাহবায় ভুলে রঙ্গমঞ্চে দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। বুঝতে পারি না – ‘শ্যামা মা
উড়াচ্ছে ঘুড়ি’। ভবসংসার বাজার মাঝে তিনি যে বিষয়ের
মাঞ্জা দিয়ে দড়িকে আরও কর্কশা করে ঘুড়ি ওড়াচ্ছেন, তা কি বুঝতে পারি? লক্ষ লক্ষের মধ্যে
দু এক জন তা বুঝতে পারে। তখন হেসে দাও মা হাত চাপড়ি। অনেক দিন ধরে মায়ার সংসারে থাকতে
থাকতে, সংস্কার দোষে মায়া আর যেতে চায় না। তিনি মায়ার কবলে সবাইকে নিয়ে আসেন। এমনকি
জগৎপিতা যিনি মায়াতে বদ্ধ নন, তাঁকেও মায়ার মধ্যে ফেলে মায়াতে মুগ্ধ করে নানা রূপে
অভিনয় করিয়ে ছাড়েন। দেখুন না রামচন্দ্রের কী অবস্থা। সীতার জন্য কাঁদছেন।
লোকটি নিজের মনে এতক্ষণ কত কিছুই না ভাবছেন।
বনের দিক থেকে একটা পাখির ডাক শোনা গেল। পাখি, কিন্তু ঠিক কোন পাখি বোঝা গেল না।
সমুদ্রে একটা জাহাজ অনেক দূরে মনে হচ্ছে। কোথায় যাচ্ছে কে জানে।
মনে হয় যেন সীমাহীন
সমুদ্রে কোন অজ্ঞাত উপকূলে গিয়ে ভিড়বে। হয়তো বা অন্ধকার বীথিপথে যমুনার তটে কদম্বের
ছায়ায় ব্রজ গোপীদের সঙ্গী হবে।
সুন্দর একটা দৃশ্য পট। এলোমেলো বাতাসে লোকটির মন
কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু
অভিনয় যখন চলে তাকে মিথ্যা বলে তো বোধ হয় না কিছুতেই। যদিও মনের একটা দিক বলে - এতো অভিনয়। কিছুই থাকবে না। তবুও কত রকম রসের
বৈচিত্র্য – বীর, করুণ, অদ্ভুত, শান্ত, হাস্য আরও
কত কি। নানা রস মনকে যখন আন্দোলিত করে তখন
মিথ্যা বলে বোধ হওয়া খুব কঠিন।
ঋষি বাল্মিকীর কোমল হৃদয়কে ব্যথিত ও মোথিত করেছিল
ক্রৌঞ্চির বুকফাটা আর্তনাদ। মন একে মিথ্যা বলতে চায় না। একদিন বাল্মিকী তাঁর শিষ্য
ভরদ্বাজকে নিয়ে নদীতে স্নান করতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ শুনতে পেলেন আর্তনাদ। রক্তাক্ত শরবিদ্ধ
ক্রৌঞ্চ মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। ক্রৌঞ্চীর কণ্ঠে প্রিয়-বিরহের কাতর ধ্বনি।
আদি কবির ব্যাথিত হৃদয়
থেকে বেরিয়ে এল শ্লোক –
মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং
ত্বমগমঃ শাশ্বতী সমাঃ।
যৎ ক্রৌঞ্চ মিথুনাদেকমবধী
কামমোহিতম্ ।।
এই অভিনয়, এই পালা বদলের
কি অন্ত নেই? কোনও উপায় কি নেই? আছে। দক্ষিণেশ্বরের পাগল ঠাকুর
কী বলছেন -
“তাঁর কৃপা
পেতে গেলে আদ্যাশক্তি রূপিণী তাঁকে প্রসন্ন
করতে হয়। তিনি মহামায়া – জগতকে মুগ্ধ করে সৃষ্টি
স্থিতি প্রলয় করছেন। তিনি অজ্ঞান করে রেখে দিয়েছেন। সেই মহামায়া দ্বার ছেড়ে দিলে তবে অন্দরে যাওয়া যায়”। (কথামৃত
৬৫)
ধীরে ধীরে সৈকতে সন্ধ্যা নামল। লোকটি অন্য দিকে
চলে গেল।
------------------------()---------------------
🙏🙏🙏 🌹🌹🌹🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻
DeletePranam Prabhuji, khub sundar lekha, man bhat e gelo, conclusion aro sundar, kritagyata janai
Delete🍀🌹🍀🌹🍀🌹🍀🌹🍀
Pronam Maharaj 🙏 khub bhalo laglo. Ekdam sotti. 🙏🙏
DeleteDarun laglo Apnar lekha.Notun kore jeno onek kichu janlam.Ei rokomlekha aro pora r opekkhai Thaklam.Apna ke Amader Pronam.
ReplyDeleteDarun
ReplyDeleteআমি বুঝতে পারছি না কিভাবে নিজের উপলব্ধি প্রকাশ করব।এক কথায় অসাধারণ বললেও কম বলা হবে। ছবির মতন আঁকা লেখা টা।
ReplyDeleteAsadharan pronam neben moharaj
Deleteঅপূর্ব সুন্দর। চিত্ত বিমোহিত হয়ে আছে।আপনার সাবলীল ও সুললিত ভাষার চিত্র-কল্প অনুসারী হয়ে মন শুধু বলছে " হেথা নয়, অন্য কোথা অন্য কোনোখানে"। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🏻🙏🏻 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা
Deleteকি অপূর্ব লেখা। পড়ে মুগ্ধ হলাম। এর পরে কি আসবে লেখার মধ্যে সেটাই ভাবছি। খুব ভালো থাকুন। প্রণাম নেবেন মহারাজ। শুভ্রা লালা।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখনী। পড়তে পড়তে মোহিত হয়ে গেলাম। নতুন করে মোহিনী মায়াকে চিনলাম। জগত জননী র কাছে প্রার্থনা --তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় বদ্ধ করে রেখো না ,।
জয় ঠাকুর, জয় মা।
কী অপূর্ব অসাধারণ লেখা মহারাজ। পড়তে পড়তে নিজেই হারিয়ে গেলাম। এমন করে কোনোদিন ভাবিনি।সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন মহারাজ। বিনম্র শ্রদ্ধাসহ প্রণাম গ্রহন করুন। 🙏🏻💐
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
খুব ভালো লাগলো... খুবই সুন্দর লেখনী মন একেবারে ভরে গেল। ভালো থাকবেন 🙏🙏 মহারাজ জী।
ReplyDeleteSovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌷 🙏🏼. " Samuda Saikitey" khub sundor title ei monograhi lekhonir, Achariyodev 🌷♥️🙏🏼. Etodin onudhyan e thekey ei lekhonir ontornihito Tattyogyan Swarup amader hridoy ke vison vabey sparsho korechey 🌷🌷🙏🏼🙏🏼. Osadharon uposthapona, aro aro jantey icchuk, Guruji 👏. Adwaitabad onusarey, etotukui bodogomyo holo je Brahmo Ek o Adwaitam o Sacchidananda Swarupam 🙏🏼; ar, bakita Oner Maya sanjukto Sristhi- Sthiti- Pralay Swarup ei Prakriti, ja Oner " Kaya- Maya" boi r kichui noi, ei bodh e bodh hoyei , sei ojana lokti sandhya hower sathey sathei ei maya jagat thekey mon ke thik ter biporit disha te , ja kina Sattyer pratik Swarup, sethei gomon korlen. Jani na ki bujhlam, Achariyo Gurudeb 👏🙏🏼.
ReplyDeleteSotokoti vaktivora pranam nibedon kori Aponer Shree Padopodmey berongber Achariyo Gurudeb 🌼 🙏🏼🙏🏼
Parbati Banerjee, Siliguri.
অসাধারণ লেখা, যা বলে বোঝানো যাবেনা সত্যিই ছবির মতো পর পর দৃশ্য, এই তো আমাদের পরম পূজনীয় মহারাজজী, পূর্ণ ভাবে সর্ব ক্ষেত্রেই প্রকাশ, মনে অশান্তি থাকলেও মন ভরে গেল লেখা পড়ে, শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম জানাই
ReplyDeleteজয়া চৌধুরী
এত সুন্দর লেখা,বার বার পড়ছি, মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏 Bulu Mukherjee
ReplyDeleteখুব খুব ভালো লেগেছে অসাধারণ লেখা মনটা ভোরে গেলো কোন ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। ভালো থাকবেন মহারাজ, প্রণাম নেবেন🙏। মৌসুমী রায় কোচবিহার।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏
স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
অপূর্ব খুব ভালো লাগলো লেখা পড়ে। আপনার তুলনা করা যায় না এত সুন্দর বর্ণনা এক কথা য় অসাধারণ আপনি সর্ব গুণের গুণময় আপনার শ্রীচরণে অনন্ত কোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজ বজ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব খুব খুব ভালো লাগলো। আমার অন্তরের সভক্তি প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏
ReplyDeleteআলো ঘোষ
কি অপূর্ব লেখা।হাওড়া থেকে নীলিমা চক্রবর্তী
ReplyDeleteঅতুলনীয়! মহারাজজী অতুলনীয় আপনার এই লেখা! বারবার পড়ছি...কতবেশি যে আনন্দের গভীরতা অনুভব করছি, কত গভীরে ডুবে গেছি.. তা লিখার ভাযা আমার জানা নেই! এমন চমৎকার ছবি আর সীমাহীন আকাশ, সমুদ্রের বিশালতায় মন মোহময় করে তোলে! ঐযে "শ্যামা মা উড়াচ্ছে ঘুড়ি"। ভবসংসার মাঝে তিঁনি যে " বিষয়ে'র মাঞ্জা" দিয়ে দড়িকে আরও কর্কশা করে ঘুড়ি উড়াচ্ছেন, তা কি বুঝতে পারি? মায়াবীনি যে মায়া'র কবলে জড়িয়ে রেখেছেন তা কি সহসা যায়!! তাইতো ভাল লাগে কবিতাকে, গল্প, সুন্দর লেখা!! তাঁর কৃপা পেতে তাঁকেই প্রসন্ন করতে হয়। মায়া কে দুরে সরাতে - কাঁটা দিয়েই কাঁটা তুলতে হবে। অনেক অনেক ভাল থাকেন, সুস্থ থাকেন - পরম শ্রদ্ধায় অনন্ত প্রণাম🙏🙏🙏🙏🙏।
ReplyDeleteভালো লাগলো। প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteএতো সুন্দর লেখার বাঁধন পড়তে পড়তে মন নিজেই চলে যায় সমুদ্র তটে। পড়া যেন থামতেই চাইছে না। হাজার হাজার বছর ধরে কারো না কারো মন তো এমনি লেখা ই পড়ে যাবে বা লিখতে থাকবে। জানিনা। খুব ভালো লাগলো আপনার লেখা পড়ে।
ReplyDeleteশতকোটি প্রণাম জানাই গুরুজি আপনাকে , ছবি দেখে মনের মাঝে ফিরে পেলাম সুদূর আন্দামানের কারবাইন স কোপের সমুদ্র সৈকত তখন তো মাযার খেলা কি জানতাম না ঢেউ গুনতাম আনমনে । আপনার লেখা পড়ে মুগ্ধ হলাম , পুরানো দিন ফিরে এসে ডাক দিয়ে যায় ।ভালো থাকবেন নতুন লেখা পড়ার অপেক্ষায় আছি,,, মীনা বোস দমদম
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ।খুব ভালো লাাগলো।মালা মিশ্র দুর্গাপুর।
Deleteমহারাজ আমার প্রনাম গ্রহণ করুন অপুর্ব লেখা বা সমুদ্র তটরেখা
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteআপনার এই লেখা পড়ার পর মনটা সমুদ্রের কাছে চলে গেল মহারাজ,মনে হচ্ছে নিজে সেই দৃশ্য দেখছি।অসাধারণ ভাবে বুঝিয়ে দিলেন মায়া কি ভাবে আমাদের নিজের বশে করে রেখেছে।কি ভাবে যে নিজের অনুভব প্রকাশ করব শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। আপনার চরণে শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏 👏👏
অপূর্ব অপূর্ব
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো
মহারাজ আপনার চরণে
জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম
অপূর্ব মুখবন্ধ পড়ে আপ্লুত হলাম। আচার্য দেব আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন।
ReplyDeleteঅপর্ণা দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
অপুর্ব। অসাধারণ। পড়ে মুগ্ধ হলাম।
ReplyDelete