শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

শংকরাচার্য ।। পর্ব-৭ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ ।।

                                               ।।  শংকরাচার্য ।।


                                                                                                ---- স্বামী হরিময়ানন্দ

© ধারাবাহিক রচনা

"এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ


শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌।

নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌।

====================পর্ব-৭===============

     এবার আচার্য শংকর চললেন মণ্ডন মিশ্রের কাছে।  প্রয়াগ ত্যাগ করে চললেন। ক্রমে পৌঁছলেন, রেবা নদীর তীরে। রেবা হল বর্তমানের নর্মদা নদী। রেব শব্দের অর্থ পাথুরে নদীগর্ভ। এই নদীতে বাণলিঙ্গ পাওয়া যায় বলে রামায়ণ ও মহাভারতে উল্লেখ রয়েছে। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন শিবের দেহ থেকে নর্মদা নদী উৎপন্ন হয়েছে। নর্মদাকে তাই  শিবকন্যাও বলা হয়ে থাকে। আনন্দ স্বরূপ ব্রহ্মের আনন্দ বিলাস অনুভব করার ক্ষমতা যিনি দান করেন তিনিই তো নর্মদা। যা হোক, নদীতে স্নান করে আহ্নিকাদি সন্ধ্যা বন্দনা করলেন।  যাত্রা শুরু করলেন মণ্ডন মিশ্রের বাড়ির দিকে। স্থানটি হল মাহিষ্মতি নগর। বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের অন্তর্গত একটি প্রাচীন শহর।

       পথে দেখলেন কিছু দাসী জল নেওয়ার জন্য ওই দিকে আসছেন। আচার্য তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন মণ্ডনের গৃহ কোন দিকে। উত্তরে ওই রমণীগণ যে কথা জানালেন তা অতি আশ্চর্যের। এতে বোঝা যায় মণ্ডন মিশ্রের পাণ্ডিত্য ও শাস্ত্র বিচার সম্বন্ধে সাধারণ মানুষের কেমন ধারণা ছিল।  পাঠকের আগ্রহ বিবেচনা করে
এখানে তা উল্লেখ করা হল। 

    দাসী রমণীগণ আচার্যের জিজ্ঞাসার উত্তরে জানালেন -

স্বতঃ প্রমাণং পরতঃ প্রমাণং

কীরাঙ্গনা যত্র গিরাং গিরন্তি।

দ্বারস্থ নীড়ান্তর সন্নিরুদ্ধা

জানীহি তন্মণ্ডন পণ্ডিতৌকঃ ।।

       এর মানে, যে বাড়ির দরজাতে শুক পাখিরা স্বতঃ প্রমাণপরতঃ প্রমাণ এই বাক্য বলছে, সেটাই মণ্ডন মিশ্রের বাড়ি। মানুষ নয়, শুক পাখিরা পর্যন্ত শাস্ত্রীয় শব্দ উচ্চারণ করছে।

    এগিয়ে চললেন আচার্য। দেখলেন এক বাড়ীর দরজার সামনে একটি খাঁচার মধ্যে শুক পাখিরা  তর্ক করছে এক দল বলে জগৎ সত্য, আবার একদল বলছে জগৎ মিথ্যা।

     আচার্য বুঝতে পারলেন এইটি নিশ্চয় মণ্ডন মিশ্রের বাড়ি। কিন্তু বাড়ির দরজা বন্ধ। কাছে কোনও লোক জন দেখতে পেলেন না। তাই কোনও উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে যোগ বলে আকাশ পথে অট্টালিকাতে প্রবেশ করলেন।  বেশ দামী অলংকারে ও আসবাবপত্রে  সুসজ্জিত মণ্ডন ও তাঁর গৃহ। ধনশালী ব্যক্তির গৃহ যেমন হয় তেমন সুসজ্জিত। ব্যাসদেব ও ঋষি জৈমিনি  সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আচার্য দেখলেন মণ্ডন মিশ্র তাঁদের  সভক্তি অর্চনা করছেন। আচার্য শংকর ব্যাসদেব ও জৈমিনিকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদান করলেন।

 

      মণ্ডন মিশ্র ছিলেন প্রবৃত্তি মার্গে বিশ্বাসী। অর্থাৎ  বেদের  কর্ম কাণ্ডে উল্লেখিত যাগ যজ্ঞের দ্বারা ইহ জীবনে  ও পর জীবনে  সুখ লাভ ও কর্মের দ্বারা স্বর্গ প্রাপ্তিই ছিল তাঁর মতে জীবনের চরম লক্ষ্য।

    আকাশ মার্গে মণ্ডনের গৃহে প্রবেশ করেছেন আচার্য শংকর। মণ্ডন তখন ব্যস্ত ছিলেন পিতার শ্রাদ্ধ কার্যে। হঠাৎ সন্ন্যাসীকে অপ্রত্যাশিত ভাবে দেখে মনে মনে বিরক্তই হয়েছেন। রাগে প্রশ্ন করলেন  কুতঃ মুণ্ডি  - হে মুণ্ডি কোথা থেকে আসছ?

     শংকর বললেন, আগলাৎ - মানে গলা থেকে মুণ্ডী।

    মণ্ডন - অহো পীতা কিং সুরা অর্থাৎ সুরা কি পান করা হয়েছে?

   শংকর  সুরাপীতা ন শ্বেতা, - মানে পীত বর্ণ নয় শ্বেত বর্ণ।

মণ্ডন  - তুমি কি তার বর্ণ জান?

শংকর আমি বর্ণ জানি, তুমি রস জান।

মণ্ডন মত্তোজাত কলঞ্জাশী বিপরীতানি ভাষসে।

    এর দু রকম অর্থ হতে পারে। মত্তোজাত মানে তুমি শব্দে মত্ত বা উন্মত্ত হয়েছ। আর একটি অর্থ হয় মত্তোজাত মানে আমার থেকে জন্মেছ। ছেলে মানুষ,  তোমাকে তুচ্ছ জ্ঞান করছি।

মণ্ডন বললেন কলঞ্জাশী যার অর্থ তামাক খেয়েছ? মানে তুমি কি গাঁজাখোর মত্ত, তার ফলে উল্টোপাল্টা কথা বলছ।

দু জনেই তো মহা পণ্ডিত ও বুদ্ধিমান। শংকর বললেন সত্য ব্রবীষি পিতৃবৎ, ত্বত্তোজাতঃ কলঞ্জভুক্‌।  ঠিক বলেছ, তুমি তো পিতার মতো। তোমার থেকেই তো গাঁজাখোর জন্মেছে।

এদিকে  আর বেশি অগ্রসর হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয় বিবেচনা করে, বোধ হয় মণ্ডন অন্য প্রসঙ্গ তুললেন।

মণ্ডন  -  তুমি এতো ভারী কাঁথা বহন করে চলেছ যা একটি গাধাও নিয়ে যেতে পারবে না, অথচ শিখা যজ্ঞোপবীত এতো ভারী মনে হল যে ফেলে দিয়েছো?

শংকর বললেন ওরে দুর্বুদ্ধি, আমি কাঁথা বহন করছি, তা তোমার পিতার কাছে খুব ভারী। শিখা যজ্ঞোপবীত দ্বারা  বেদের ভার বহন করতে হয়।

মণ্ডন আপনি বিবাহিত স্ত্রীকে রাখতে না পেরে ত্যাগ করে দিয়েছেন। শিষ্য যেমন পুস্তকের ভার বহন করতে না পেরে ব্রহ্ম-নিষ্ঠহয়, সেই রকম।

শংকর -  গুরু সেবাতে আলস্যের ফলে গুরুকুল থেকে ফিরে স্ত্রী-সেবাতে যেমন আপনার কর্ম-নিষ্ঠা।

মণ্ডন ভীষণ রেগে গেছেন এই কথায়। তিনি উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলেন

স্থিতোসি যোষিতাং গর্ভে তাভিরেব বিবর্ধিতঃ।

অহো কৃতঘ্নতা মূর্খ, কথংতা এব নিন্দসি।।

--- স্ত্রীদের গর্ভে স্থিত, তাদের  গর্ভে বড় হয়েছ।  ওরে মূর্খ , আশ্চর্য কৃতঘ্নতা, তাদের তুমি নিন্দা করছ।

 

শংকর যে স্ত্রীদের স্তন্য পান করে তুমি বড় হয়েছ ও যাদের যোনিতে জন্ম গ্রহণ করেছ। হে মূর্খতম! সেই স্ত্রীদেরকে কী করে পশুর মতো রমণ করছ?

মণ্ডন তুমি অগ্নিকে দূরে ত্যাগ করে বীর-হত্যা প্রাপ্ত হয়েছো?

শংকর -  তুমি পরাৎপর না জেনে আত্ম-হত্যা প্রাপ্ত হয়েছো।

মণ্ডন -  তুমি দ্বারোয়ানকে না জানিয়ে চোরের মতো প্রবেশ করেছ কেন?

শংকর তুমি ভিক্ষুদেরকে অন্ন না দিয়ে চোরের মত অন্ন ভোজন কর কী করে?

মণ্ডন -  এখন আমার কাজের সময় আমি মূর্খের সঙ্গে আর অযথা কথা বলতে চাই না। দুর্জ্ঞেয় ব্রহ্ম  কোথায়, কোথায় বা সন্ন্যাস, কোথায় কলি! ভালো ভালো খাবারের লোভে সন্ন্যাসীর মত বেশ ধরেছ।

শংকর কোথায় স্বর্গ, কোথায় দুরাচার, কোথায় অগ্নিহোত্র, কোথায় কলি! বোধ করি মৈথুনের ইচ্ছায় কর্মকাণ্ডের এই পথ ধরেছ।

 

      বেশ দীর্ঘ সময় ধরে দুই মহা পণ্ডিতের মধ্যে তর্ক চলল। ওদিকে জৈমিনি চোখের ইঙ্গিতে শান্ত হতে বললেন মণ্ডনকে। ব্যাসদেবও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন বৎস, যোগীদের প্রতি এই রকম বাক্য প্রয়োগ করা উচিত নয়। বিশেষ করে অতিথি অভ্যাগত হলেন স্বয়ং বিষ্ণু স্বরূপ। তাঁকে যথোচিত মর্যাদায় গ্রহণ করা উচিত। শান্ত হলেন মণ্ডন। ব্যাসদেবের আদেশে যথাশাস্ত্র জল স্পর্শ করে তিনি যতিবর শংকরকে আমন্ত্রণ জানালেন।

     আচার্য শংকর তখন তাঁর অভিপ্রায় জানালেন যে তিনি শাস্ত্র বিচার করবার জন্য এখানে এসেছেন। বেদান্তের সিদ্ধান্ত অদ্বৈত ব্রহ্মতত্ত্ব হয় স্বীকার করতে হবে, আর না হয় তাঁর কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হবে।

মণ্ডন তখন বললেন যদি কণাদ, গৌতম এর সঙ্গে আপনার মতের বিবাদ হয় তবুও আমি পরাজয় স্বীকার করব না।

    ফলে উভয়েই শাস্ত্র বিবাদে সম্মত হলেন। কিন্তু  দুজন দু পক্ষ নিয়ে বিবাদ করবেন। মধ্যস্থ একজনের প্রয়োজন যিনি উভয়ের পক্ষের বিচার শুনে জয় পরাজয় ঘোষণা করবেন। মণ্ডন বললেন এই বিচারে  ব্যাসদেব ও জৈমিনি দুই মুনি সাক্ষী থাকবেন। কিন্তু দুই মুনির কেউই মধ্যস্থতা করতে রাজী হলেন না। বরং তাঁরা বললেন মণ্ডনের পত্নী উভয় ভারতী স্বয়ং সরস্বতী স্বরূপ । তিনি অত্যন্ত বিদুষী। তিনিই মধ্যস্থ হবেন।

    সেদিন এই পর্যন্ত কথা হল। মণ্ডন এর পর ব্যাসদেব ও জৈমিনি মুনিকে নানা প্রকার উপাদেয় খাদ্য দিয়ে আপ্যায়িত করলেন।

 

 আচার্য ফিরে এলেন। রেবা নদীর তীরে একটি  দেব মন্দিরে আশ্রয় গ্রহণ করলেন।

 প্রতিদিন সকালে  মণ্ডন শিষ্য ও কিছু লোকজন নিয়ে ঐ মন্দিরে যেতেন। আচার্যকে  আনন্দিত চিত্তে প্রণাম করে ফিরে আসতেন।

আচার্য একদিন শাস্ত্র বিচার করছেন। প্রসঙ্গ করতে করতে তিনি বললেন এক ব্রহ্ম সচ্চিদানন্দ আত্মা সকল বেদের প্রতিপাদ্য, তিনি অজ্ঞানের দ্বারা আবৃত হয়ে স্বয়ং বিশ্বরূপে ভাসমান। সেই ভাবে আত্মানন্দ ব্রহ্ম স্ব- মহিমায় থেকেও অজ্ঞানের দ্বারা জীব রূপে প্রতিভাত হন। এই  ভ্রান্তি চলে গেলেই জীব স্বরূপত মুক্ত। আচার্য শংকর মণ্ডনকে আরও জানালেন যে,  তিনি যদি এই যুক্তি তর্কে পরাজিয় হন, তা হলে গেরুয়া বসন পরিত্যাগ করে সাদা কাপড় পরবেন।

      মণ্ডন বললেন অদ্বৈত বেদান্ত প্রমাণ হয় না। কারণ পরব্রহ্ম ইন্দ্রিয়ের গোচর বা বিষয় হতে পারে কী করে?  আর কর্মের দ্বারাই মোক্ষলাভ হয়, সুতরাং জ্ঞান ব্যর্থ। তা ছাড়া বেদে বলা হয়েছে সারা জীবন কর্ম পরিত্যাগ করবে না। কর্মেরই ফল হয়। এছাড়া ফলদাতা ঈশ্বর বলে কিছু হয় না। ধর্ম বিষয়ে বেদ হল প্রমাণ। অন্য কোন প্রমাণ নেই। মণ্ডন বললেন - হে স্বামিন্‌ , এই যুক্তি বিচারে আমি ন্যায় সম্মত বেদ বাক্য প্রমাণ হিসাবে প্রয়োগ করব। তাতে যদি আমার পরাজয় হয় তবে আমি সংসার আশ্রম ত্যাগ করব। এবং আপনার শিষ্যত্ব গ্রহণ করে দণ্ড কমণ্ডলু ধারণ করে সন্ন্যাস গ্রহণ করব। এই ব্যাপারে আমার পত্নী সাক্ষী থাকবেন।

 শঙ্করাচার্য ও মণ্ডন মিশ্র উভয়েই এই ভাবে প্রতিশ্রুতি করে যুক্তি বিচারে উদ্যত হলেন।

                                      ক্রমশ......

Comments

  1. প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
    ভীষণ ভালো লাগছে শংকরাচার্য পড়ে। আরও অপেক্ষায় রইলাম।

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রণাম প্রভুজি, পর্ব 7, খুবই ভালো লাগছে, পরবর্তী অংশ টি শিঘ্র জানার আগ্রহ রইলো।
      🍀🌹🍀🌹🍀🌹🍀🌹

      Delete
    2. Pronum janai Maharaj anek natun katha jante pere khub bhalo lagchhe enader katha apnar lekhar madhhamei jante parchhi parabarti parber apekshay railum .
      Subhrasree Daw
      Rishra

      Delete
    3. প্রনাম নেবেন মহারাজ ভীষণ ভাল লাগছে

      Delete
  2. 🙏🙏 খুবই ভালো লাগল এই তথ্য গুলি জেনে, দিন দিন অনেক কিছুর নুতন নুতন বিষয়ে জানতে পারছি। প্রণাম নেবেন মহারাজ জী।

    ReplyDelete
  3. খুব খুব আনন্দ পাচ্ছি এই সব তথ্য জানতে পেরে। পরবর্তী পর্ব তাড়াতাড়ি পাবার ইচ্ছে রইলো। শুভ্রা লালা। প্রণাম neben🙏🙏।

    ReplyDelete
  4. খুব ভালো লাগলো এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি পরের পর্ব শোনার জন্য আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। আপনার সান্নিধ্য পাচ্ছি বলে এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি প্রণাম আচার্য গুরুদেব

    ReplyDelete
  5. 🌷🌷🙏🙏

    ReplyDelete
  6. আচার্য শঙ্করাচার্যের সম্বন্ধে এতো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্যই সম্ভব হল মহারাজ। আমাদের ভক্তিপূর্ন প্রণাম গ্রহন করুন।
    রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর

    ReplyDelete
    Replies
    1. Khub bhalo laglo. Pranam Maharaj 🙏 🙏
      Pulakesh Sinha Roy Dakshineswar.

      Delete
  7. ভীষণ ভালো লাগলো আচার্য্য শঙ্করের জীবনী র ৭পর্ব পড়ে, যদিও আপনি class এ একবার ওনার জীবনী বলেছিলেন, বিস্তারিত ভাবে এখন জানতে পেরে খুবই ভালো লাগছে, পরবর্তী অংশ জানার অপেক্ষায় রইলাম, প্রণাম নেবেন 🙏

    ReplyDelete
  8. Vaktivora pranam nibedon kori Achariyo Sankarachayo r Shree Padopodmey 🌼🌼🌷🌷🙏🏼🙏🏼. Sovakti pranam Achariyo Gurudeb 🌼 🌷 🙏🏼. Aponer ei 7th porbo er lekhoni r uposthapona opurbo 🌷🙏🏼. Khubei interesting. Prabhu Sankarachayo o Shreemat Mansan Mishra r Brahmotattyagyan er tarko srobon korer opekhya te acchi oti agroho niyey 👏. Sukh pakhir kotha- " Swato pramano Poroto Pramano" er ortho gyato holam , dhonnyo khubei mugdho holam Achariyodev 🌷🌷🙏🏼🙏🏼.
    Parbati Banerjee Siliguri

    ReplyDelete
  9. মনের আকাঙ্খা বেড়ে গেল মহারাজ, খুব তাড়াতাড়ি পরের পর্ব জানতে চাই, pronam moharaj asima batabyal howrah, shibpur

    ReplyDelete
  10. পরবর্তী পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। প্রণাম মহারাজ

    ReplyDelete
  11. Acharya Sankar sammandhe eto sundor bisleshon jante parchi khub bhalo lagche. Poroborti parber jonno opekkha te achi. Bhakti Purna pronam grohan korben Maharaj ji 🙏🙏🙏🙏
    Ranjita Mazumder, New Delhi

    ReplyDelete
  12. প্রণাম মহারাজ জী 🙏 আচার্য শঙ্করাচার্য সম্বন্ধে কিছুই জানতে পারতাম না যদি না আপনার সঙ্গে যুক্ত হতাম, জীবনে অনেক কিছুই জানতে ও শিখতে পারলাম আপনার সাধিন্যে এসে , জীবনে চলার পথে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে না পারলেও চিন্তা করতে চেষ্টা করছি🙏
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  13. আলো ব্যনার্জী।
    পরের পর্ব পড়ার জন্য অপেক্ষা করব মহারাজ, খুব ভালো লাগছে। আপনার কৃপায় কতো কিছু জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  14. অনেক নতুন তথ‍্য জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে।নর্মদা স্বয়ং শিবের মানস কণ‍্যা জানলাম। আরও অজানা তথ‍্য জানার জন‍্য অপেক্ষায় রইলাম।প্রণাম মহারাজ।ভাল থাকবেন। মধুমিতা মুখার্জী। দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  15. Khub valo laglo saptam porbo ta Maharjji Achrya Sankar er jiboni pathh kore mugho hoye gelam, jadi upni onar jiboni Ekta pustak akare prokashito Koren ebong book ta Pele sampurno path korte parbo.. Upni amar vaktipurna pronam neben ....Rekha Das, Begala.

    ReplyDelete
  16. Bhison valo laglo.onek kichu jante parlam. Pronam neben. Ratna&Asoke Nandy. Asansol.

    ReplyDelete
  17. প্রণাম মহারাজ

    ReplyDelete
  18. আগের দিন এই পর্বটা পড়া হয়েছিল না বাদ গিয়েছিল আমি ৮ পর্ব পড়ে তাই মিলাতে পারছিলাম না তাই খুজে বার করে ৭ পর্ব পড়লাম খুব ই ভালো লাগলো । প্রনাম নেবেন মহারাজ জী রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া

    ReplyDelete

Post a Comment