শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

।।শংকরাচার্য ।। পর্ব-৩

 

                                                           ।।  শংকরাচার্য ।।


                                                                                                ---- স্বামী হরিময়ানন্দ

© ধারাবাহিক রচনা

"এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ

শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌।

নমামি ভগবদ্‌পাদ শংকরং লোকশংকরম্‌।।


======পর্ব ৩ =====

মাতৃ ভক্তি

     শংকরের ছোটবেলার কিছু কথা এখানে বলে রাখি। শংকর খুব কম বয়সেই এত শাস্ত্র পাঠ ও আয়ত্ব করেছেন যা প্রায় অসম্ভব। মায়ের বুক গর্বে ফুলে ওঠে। শংকর এখন বাড়িতে থেকে অধ্যাপনা শুরু করলেন। ছাত্ররা দলে দলে পড়তে আসে। ছাত্রদের পড়ানো আর বাকি সময় মায়ের সেবা করে সারাদিন কেটে যায়। প্রথম প্রথম কিছু পণ্ডিত তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত, এই বালকের কাছে  শাস্ত্র পড়তে যাচ্ছে! নিজেই কিছু জানে না। কিছু দিনের মধ্যেই শংকরের জ্ঞানের পরিচয় চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল।

    জননী বিশিষ্টাদেবী বৃদ্ধা হয়েছেন। কিন্তু নিত্য ধর্মাচরণ প্রতিদিন নিয়মিত করেন। রোজ যান পূর্ণা( বর্তমান নাম পেরিয়ার) নদীতে স্নান করতে। একদিন ওই ভাবে স্নান করতে গিয়ে ফিরতে অনেক দেরি হয়। এদিকে শংকর মায়ের জন্য খুবই চিন্তা করতে থাকেন। শংকর নিজে এগিয়ে গিয়ে দেখেন মাঠের ধারে হাঁটতে হাঁটতে অবসন্ন দেহে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়ে রয়েছেন। খানিকক্ষণ পরে মায়ের জ্ঞান ফিরল। শংকর বুঝলেন মায়ের পক্ষে এত দূর যাওয়া সম্ভব নয়। ঈশ্বরের কাছে তাই প্রার্থনা জানালেন যাতে নদী তাদের বাড়ির কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সত্য সঙ্কল্প ব্রহ্মচারীর প্রার্থনাতে ভগবান মুগ্ধ হলেন। দেখতে দেখতে নদীর স্রোত শংকরের বাড়ির কাছ দিয়ে যেতে লাগল। সকলে এই অলৌকিক ব্যাপার দেখে অবাক হয়ে গেলেন। এই শক্তির কথা লোক মুখে ছড়িয়ে পড়ল।

 

                                রাজ সম্মান

      অসাধারণ প্রতিভা ও শক্তির কথা ক্রমে একদিন কেরলের রাজা রাজশেখরের কানে গেল। শংকরের অসাধারণ প্রতিভা ও অলৌকিক শক্তির পরিচয় পেতে রাজা তাকে দেখতে চাইলেন। মন্ত্রীকে আদেশ করলেন শংকরকে রাজসভাতে নিয়ে আসতে। মন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেন। কিন্তু শংকর বললেন, আমি ভিক্ষুক ব্রাহ্মণ।  রাজসভায় আমার কি প্রয়োজন? শাস্ত্রজ্ঞান নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। মানুষের মঙ্গলের জন্য আমি তা বিতরণ করতে চাই। শংকর কিন্তু যেতে রাজি হলেন না। মন্ত্রী মশাই ফিরে এলেন। সব কিছু জানালেন রাজাকে। শংকরের তেজোদীপ্ত কথাগুলি রাজাকে বললেন। সব কথা শুনে রাজার শ্রদ্ধা আরও বেড়ে গেল। রাজা নিজেই একদিন হাজির হলেন শংকরের বাড়িতে। কিছুক্ষণ কথাবার্তার পর রাজা বুঝতে পারলেন শংকরেরে অসাধারণ পাণ্ডিত্য। চলে আসার সময় শংকরের অনেক প্রসংশা করে তাঁকে প্রণাম জানিয়ে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা প্রণামী হিসাবে দিলেন। শংকর তা স্পর্শও করলেন না। মন্ত্রীকে দিয়ে সব  অর্থ গরিবদের জন্য বিলিয়ে দিলেন। এত অল্প বয়সে এমন ত্যাগের মহিমা দেখে আশ্চর্য হলেন রাজা। জীবনে কোন দিন রাজা এই ঘটনার কথা ভুলতে পারেননি।

                           গৃহত্যাগ ও গুরুর অন্বেষণ

        মায়ের থেকে বিদায় নিয়ে শংকর বেরিয়ে পড়লেন সত্যের সন্ধানে। ব্যাকরণ পাঠ করবার সময় শংকর পতঞ্জলির মহাভাষ্য পড়েছিলেন। ওই প্রথম তিনি মহর্ষি পতঞ্জলির নাম শোনেন। তিনি  আরও শুনেছিলেন মহর্ষি পতঞ্জলি এক হাজার বছর নর্মদা তীরে গুহাতে সমাধি মগ্ন রয়েছেন। গুরুকুল থেকেই শংকরের মনের ইচ্ছা একবার এই মহাযোগীকে দর্শন করা।

         গৃহত্যাগ করে শংকর তাই চললেন গুরুর সন্ধানে। মনে পড়ল নর্মদার কথা। কালাডী থেকে নর্মদা বহু দূর। পায়ে হেঁটে চললেন। আট বছরের বালক গেরুয়া বসন পরে দণ্ড কমণ্ডলু নিয়ে মুণ্ডিত মস্তকে চললেন। দৃঢ় সংকল্প গুরু দর্শন করবেন। এক মাসের বেশি সময় লাগল। ভিক্ষাতে যা পেতেন তাই খেতেন, রাত্রে গাছের তলায় বা মন্দিরে আশ্রয় নিতেন। কত নদনদী পথ ঘাট পেরিয়ে নির্ভয়ে মহাযোগী চলেছেন নর্মদার উদ্দেশ্যে। ক্রমে হাজির হলেন তুঙ্গভদ্রার তীরে। 

          বিশাল বনভূমি। বড় বড় গাছ পালা। সূর্য মধ্য গগনে। খুব ক্লান্ত হয়ে শংকর নদীর তীরে এক গাছের তলায় বসলেন। সহসা একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখে আশ্চর্য হলেন। নদীর জল থেকে এক দল ব্যাঙের ছানা লাফিয়ে একটা পাথরের উপর বসল। রোদের তাপে পাথরটা খুব গরম থাকায় বসতে পারল না। তাই ব্যাঙ গুলো নদীর জলে ফিরে যাছিল। এমন সময় কোথা থেকে একটা বিরাট সাপ এল সেখানে। বড় ফণা বিস্তার করে ব্যাঙ গুলোকে ছায়া দিতে লাগল। সাপ সাধারণত ব্যাঙকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে। কিন্তু আশ্চর্য হিংসা ভুলে স্নেহ ভরে ছায়া দান করছে! ব্যাঙের বাচ্চা গুলোও কোন ভয় না করে দিব্যি বসে রইল। খাদ্য খাদকের সম্পর্ক ভুলে এমন মধুর সম্পর্ক হল কি করে? শংকর অবাক হয়ে দেখলেন। তখন তাঁর মনে হল নিশ্চয় এখানে কোন মহা তপস্বী রয়েছেন। তাঁর সান্নিধ্যে সাপ হিংসা ভাব ত্যাগ করেছে। ভালো করে চারিদিকে তাকিয়ে দেখলেন। একটু দূরে এক সাধুর কুঠিয়া দেখতে পেলেন। এগিয়ে গেলেন কুঠিয়ার দিকে। একটা পাহাড়ের গুহাতে কুঠিয়া। ভেতরে গিয়ে দেখেন এক বৃদ্ধ তপস্বী থেকে সাধন ভজন করেন । তপস্বীকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলেন, বহু বহু কাল পূর্বে এটি ছিল ঋষ্যশৃঙ্গ মুনির আশ্রম। শংকর বুঝতে পারলেন মহাত্মার সান্নিধ্যে সাপ তার স্বভাবিক হিংসা ত্যাগ করেছেন। অতি মনোরম নির্জন স্থান দেখে এখানে একটি আশ্রম স্থাপনের ইচ্ছা হয় তাঁর মনে। পরবর্তীকালে এখানে বিখ্যাত শৃঙ্গেরী মঠ গড়ে ওঠে।

       কদম্বগিরি পাহাড় থেকে নেমে শংকর এগিয়ে চললেন। এই ভাবে হেঁটে হেঁটে দু মাস পরে পুরাণ প্রসিদ্ধ মাহিষ্মতী নগর পার হয়ে এলেন ওঙ্কারনাথে। ওঙ্কারনাথ পাহাড় নর্মদার স্রোতকে দু ভাবে বিভক্ত করেছে। পুরাণে এই পাহাড়ের নাম বৈদুর্যমণি পর্বত। এক সময় এটি মান্ধাতার রাজধানী ছিল। ওঙ্কারনাথ ও মহাকাল প্রভৃতি জাগ্রত লিঙ্গ গুলি যুগ যুগ ধরে এখানে বিরাজ করছে। আজও অগণিত ভক্ত এখানে আসেন এই জাগ্রত মহাদেবকে দর্শন করতে।

       শংকর ওঙ্কারনাথ পাহাড়ে এক জঙ্গলের ভেতরে একটি গুহা দেখতে পেলেন। এগিয়ে গেলেন নির্জন গুহার দিকে। ভেতরে দেখলেন কয়েকজন প্রবীণ সন্ন্যাসী ধ্যানস্থ হয়ে রয়েছেন। মাঝখানে অত্যন্ত প্রবীণ আর এক সন্ন্যাসী। শংকর এগিয়ে গিয়ে তাঁকে প্রণাম করলেন। প্রভু , আমি মহা তপস্বী গোবিন্দ পাদের দর্শন প্রার্থী। বহু দূর থেকে আসছি। কৃপা করে তাঁর সন্ধান দিয়ে আমাকে ধন্য করুন। কিছুক্ষণ পর সন্ন্যাসী চোখ মেলে তাকালেন। এ যে নিতান্ত এক বালক। সকরুণ প্রার্থনাতে সন্ন্যাসীর মনে দয়া হল। বালক শংকরকে সন্ন্যাসী অভয় দান করলেন। এর পর প্রদীপ জ্বাললেন। প্রদীপটি শংকরের হাতে দিয়ে সন্ন্যাসী সামনে এগিয়ে চললেন। গুহার ভেতরে যেতে যেতে একে বারে শেষ প্রান্তে এলেন। সেখানে প্রকাণ্ড এক গুহা। কিন্তু গুহার মুখ পাথর দিয়ে বন্ধ করা। থামলেন সন্ন্যাসী সেখানে। বললেন এই গুহার মধ্যেই মহাযোগী গোবিন্দপাদ সমাধিস্থ রয়েছেন। তাঁর কৃপালাভের আশায় আমরা এখানে বহু কাল সাধন ভজন করছি। তাঁর কৃপা এখনও লাভ করতে পারিনি। তুমি যদি কিছু জানাতে চাও এখান থেকে জানাতে পারো।

      শংকর কাতর ভাবে প্রার্থনা শুরু করলেন। প্রভু, আমি যোগীবর গোবিন্দপাদের দর্শন লাভের জন্যই এখানে এসেছি। তাঁর আশ্রয় না পাওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নেই। সন্ন্যাসী তখন বললেন। তুমি শক্তিধর। এই পাথরটি সরিয়ে তোমার প্রার্থনা জানাও। শংকর চেষ্টা করলে লাগল সজোরে পাথরটা সরিয়ে ফেলতে। অন্যান্য সাধু সন্ন্যাসী সকলে যোগ দিলেন পাথরটা সরাতে। সকলের চেষ্টায় পাথর সরে গেল।

     ভেতরে এক নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। এক মহাযোগী ধ্যানমগ্ন। একটি প্রদীপ জ্বলছে।  ক্ষীণ আলোতে  ও অলৌকিক জ্যোতিতে তপস্বীর দেহ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। প্রাণের কোন চিহ্ন নেই দেহে । প্রাণ তখন ব্রহ্মে লীন । শংকর একমনে স্তব করতে লাগলেন। তাঁর স্তব শুনে সকলে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। সমাধিস্থ গোবিন্দপাদের সামনে এমন স্তব করা যে সে কথা নয়। ধীরে ধীরে চোখ মেললেন মহাযোগী। ধন্য গুরু ও ধন্য শিষ্য।

      গোবিন্দ পাদ শংকরের পরিচয় জানতে চাইলেন। শংকর নিজের পরিচয় জানালেন অদ্বৈত বেদান্তের তত্ত্ব প্রকাশ করে। চিদানন্দরূপ শিবো৳হম্‌, শিবো৳হম্‌।  অত্যন্ত খুশি হলেন গুরু। তিনি সানন্দে শংকরকে শিষ্যরূপে গ্রহণ করলেন। ব্রহ্মতত্ত্ব উপদেশ দান করলেন।  ব্যাসদেব যে জ্ঞান শুকদেবকে দান করেছিলেন। সেই জ্ঞান শুকদেব দান করেছিলেন গৌড়পাদকে। গৌড়পাদ থেকে গোবিন্দপাদ, গোবিন্দপাদ থেকে শংকর সেই জ্ঞান প্রাপ্ত হলেন।

     প্রথমে হঠযোগ শিক্ষা করলেন। এক বছর হঠযোগে সিদ্ধিলাভ করে দ্বিতীয় বছরে শুরু করলেন রাজযোগ। নিপূণ ভাবে রাজযোগে সিদ্ধিলাভ করলেন। এর পর ব্যাস দেবের ব্রহ্মসূত্র ও পরম জ্ঞানের চর্চা চলতে লাগল। শ্রুতিধর মহাপণ্ডিত শংকর শোনা মাত্রই সব আয়ত্ত্ব করে ফেললেন।

   গুরু দেখলেন শিষ্যের সমস্ত সাধনা সমাপ্ত হয়েছে। শংকরের মুখে এক দিব্য জ্যোতি প্রকাশিত হল।

                                                                                                             ......ক্রমশ

Comments

  1. আলো ঘোষ
    প্রণাম শঙ্করাচার্য🙏🙏প্রণাম আচার্য দেব🙏🙏।

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুবই আশ্চর্য ! ভীষণ ভাল লাগছে মহারাজ। অপেক্ষায় আছি পরের লেখাটির জন্য। 🙏🙏🙏

      Delete
    2. Pronam maharaj ji🏵️👏🏻acharya sankarer kotha joto path korlam agroho dwigun bere gelo Hari Om tat sat,,,,

      Delete
    3. Khub valo laglo.Malda.

      Delete
    4. Pronum Maharaj Sankaracharjer tritiya parba porre khub valo laglo parabarti parber apekshay railum .
      Subhrasree Daw
      Rishra

      Delete
    5. Porer porbor jono opeka🙏

      Delete
    6. Pronam Maharaj 🙏 a kichu janto na. Apnar ashirbathe kichu kichu jante parchi 🙏

      Delete
    7. অপূর্ব। পড়তে পড়তে মন ঐ যুগে ঐ স্থানে চলে গিয়েছিল।অধীর আগ্রহে পরবর্তী অংশের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য নিউ আলিপুর। কলকাতা

      Delete
    8. প্রণাম আচার্য্যগুরু শঙ্করাচার্জ 🙏
      প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏
      মৌসুমী রায় কোচবিহার।

      Delete
    9. খুব ভালো লাগছে মহারাজ 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻 ইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ

      Delete
  2. Asadharon sundor laglo ,songkoracharjo 3,ya porbo,joy Maharaj Ji voktipurno proñam aro jante asha korchi , Moharaj apni amader anek anek upokrito kore cholechen, kritoggota janiye sostange avumilunthito pronam Sato koti koti pronam Maharaj,,, Anjali Biswas Naihati ,

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব সুন্দর অসাধারণ অনবদ্য প্রনাম জানাই গুরু শঙ্করাচার্জ এর চরণে

      Delete
    2. শুক্লাসুর

      Delete
  3. অদ্ভুত এই শংকরা চার্যের জীবন কথা। শুনে মনে হয় গল্প কথা। ওনার জীবনী আপনার লেখনীর মাধ্যমে জানতে পারছি এটা আমাদের পরম সৌভাগ্য। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। প্রণাম মহারাজ। 🙏🙏শুভ্রা লালা

    ReplyDelete
  4. প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। অসাধারণ প্রতিভায় ভরা আদি গুরু শঙ্করাচার্যের অসাধারণ জীবনের লীলা। আপণার উপস্হাপনায় একটু একটু করে জানতে পারছি। 🙏🙏🙏 Tapas Kumar Deb Ahmedabad

    ReplyDelete
  5. আলো ব্যনার্জী।
    খুব ভালো লাগছে আদি গুরু শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়তে মহারাজ🙏 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার ভাষা নেই। আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারি। আপনি সুস্থ্য থাকুন মায়ের কাছে এই প্রার্থনা করি🙏 প্রণাম মহারাজ🙏

    ReplyDelete
  6. Khub sundor laglo Acharya Shangkar er kahini aprkhsay roilam agami parber jonne . Pronam Maharaj 🌷🙏🌷

    ReplyDelete
  7. অপূর্ব আচার্য শংকর জীবন কাহিনী খুব ভালো লাগলো আপনার সংস্পর্শে এসেছি বলে, এত কিছু জানতে পারছি সাধু সঙ্গ এত দুর্লভ আমাদের আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করছে আমাদের জীবন পাল্টে যাচ্ছে আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ

    ReplyDelete
  8. সত্যি বিস্ময়কর। এতো অল্প বয়সে এতো জ্ঞান অর্জন করা অবতার পুরুষের পক্ষেই সম্ভব। জয় শঙ্করাচার্য 🙏🌷স্বশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ🌹🌹

    ReplyDelete
  9. Khub sundor. Thanks Maharaj.

    ReplyDelete
  10. 💐💐🙏🙏

    ReplyDelete
  11. জয় আদি গুরু শঙ্করাচার্যের জয় 🌷💥🙏 জয় পরম পূজনীয় গুরু আচার্যদেবের জয় 🌷💥🙏

    ReplyDelete
  12. প্রণাম আচার্য শংকর। প্রণাম মহারাজ।

    ReplyDelete
  13. জয় ঠাকুর, মা, স্বামীজী। মহারাজ অনেক অনেক জিনিস শিখতে ও জানতে পারছি। পরের ভাগের জন্য অধীর অগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো। 🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  14. Acharjya Sankar er jibon kahani r tritiya part pore mugdha hoye gelam. Apurbo laglo je eto alpo boyose eto gyaner bhandhar chilen ei avatar purusher. Aamra o hoyto kakhono ei Sadhu sangher dwara nijeke adhyatmik pothe Aage niye jete parbo. Maharaj ji apni asirbad karun jeno ei bhabe jure thakte pari.🙏🙏🙏🙏
    Ranjita Mazumder, New Delhi

    ReplyDelete
  15. বিস্তারিত ভাবে শঙ্করাচার্যের জীবন কাহিনী জানতে পারছি, পরম সৌভাগ্য আমাদের, প্রনাম জগতগুরু🙏প্রনাম আচার্য্য দেব🙏।
    সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুহাট

    ReplyDelete
  16. আচার্যদেব , আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন ।🙏🙏🙏খুব ভালো লাগছে পাঠ করে ।

    ReplyDelete
  17. Joy Achaya Sankar 🙏🙏 Joy amader parama priya Acharya Deva 🙏🙏 Shampa Dhar

    ReplyDelete
  18. শঙ্করাচার্যের জীবনের বিভিন্ন দিকের কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে।মহারাজ জী।

    ReplyDelete
  19. Promam Maharajji khub valo laglo thankyou for your help pronam Maharajji Maharajji Aparna Roy Chowdhury berhampur

    ReplyDelete
  20. 🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুণ মহারাজ। 🙏

    ReplyDelete
  21. মহারাজ আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহন করবেন । শঙ্করাচার্যের জীবনের বিভিন্ন দিকের কথা জানতে পারলাম । আপনার এই সাবলীল লেখা মনকে আকৃষ্ট করে রাখে। তাই আগামীলেখার
    জন্য উদগ্রীব হয়ে রইলাম।




    করে

    ReplyDelete
  22. কী অপূর্ব ‌লেখা আর অসাধারণ একটি পরম সত্য কাহিনী ।মন প্রাণ ভরে গেল মহারাজ।
    পরের chapter পড়ার ও জানার‌অপেক্ষায় থাকলাম।
    আমার অন্তরের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করুন মহারাজ।
    কাজল লাহিড়ী।

    ReplyDelete
  23. খুব সুন্দর লাগলো মহারাজ 🙏🌷🙏

    পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম

    ReplyDelete
  24. " Namami Vagabatpad Sankaram MahaSankaram" 🌼🌼🌷🌷🙏🙏. Jai Thakur 🌷 ♥️ 🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌼 🌷 🙏. Maharajji, opurbo oloukik Daibo saktir ghotonawali obogoto hoyey kichukhon mon shanto hoyey chilo🌷🙏. Esob Mahattattyo kichui jantam na, ar Aaj Apni vaktobrindo samipey ta tuley dhorechen🙏. Ar, amra ta jantey perey otibo dhonnyo bodh korchi, Achariyo Maharajji 🌷🙏.

    ReplyDelete
  25. Uporer ei comments on behalf of Parbati Banerjee, Siliguri, thekey, Achariyo Maharajji 👏🙏.

    ReplyDelete
  26. Uporiukto comments by Parbati Banerjee, Siliguri.

    ReplyDelete
  27. প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
    যে সম্পদ আপনি অনেক গবেষণা করে আত্মস্থ করেছেন তা আমরা জানতে ,বুঝতে চেষ্টা করছি তার জন্য অনেক প্রনাম ও শ্রদ্ধা জানাই ।

    ReplyDelete
  28. 🙏🙏🙏আচার্য শংকরদেেবেে র জীবনী অজানা ছিল । মহারাজ , আপনার এই রচনা আমাদের সমৃদ্ধ করছে জ্ঞানের ভান্ডার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি পরবর্তী পর্বের জন্য।

    ReplyDelete
  29. আপনার সান্নিধ‍্যে এসে শঙ্করাচার্যের জিবনী জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে।পরবর্তী লেখনীর জন‍্য অপেক্ষায় রইলাম।সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মখার্জী।দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  30. আদি গুরু পরাম্পরায়ক্রমে একজন চিদানন্দরূপ এবং
    অদ্বৈত বেদান্তের তত্ত্ব প্রকাশক শংকর আচার্য.. যার মধ্যে ছিল অত্যন্ত মাতৃভক্তি, গুরুভক্তি। ছিল অগাধ ত্যাগের মহিমা এবং অসাধারণ পান্ডিত্য যা দেখে..কেরালা'র রাজা রাজশেখর ভীষণ অভিভূত হয়েছিলেন!! মহারাজের অপূর্ব লিখা পড়ে বেশ আনন্দ ও মুগ্ধ হই! শ্রদ্ধাভরে স্মরণীয় শংকরাচায'কে আন্তরিক প্রণাম🙏। প্রণাম মহারাজ🙏। সুজাতা দে লন্ডন থেকে।

    ReplyDelete
  31. প্রণাম মহারাজজী🙏 অপূর্ব লেখনী মহারাজ জী আপনার মুখে আচার্য শঙ্করের জীবনের কথা অনেক শুনলেও পড়তে ভালো লাগছে🙏
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  32. Khub bhalo laglo. Aro Jante Echha
    Hochhe.Pranam Maharaj 🙏🙏
    Pulakesh Sinha Roy.

    ReplyDelete
  33. অজানা কথা সহজে জানতে পারার আনন্দ।এ অতি উত্তম কাজ।সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।সবার হ্নদয়ে শুদ্ধ মনের উদয় যেন হয়।

    ReplyDelete
  34. Apner sansporshe ase koto kichu jante parchi Maharaj..amar manob jibon dhono hoye galo Maharaj Thakur r kripay apnake peyechi

    ReplyDelete
  35. খুব ভালো লাগছে শঙ্করাচার্যের জীবনী জানতে পারছি বলে। কিছুই জানতাম না।প্রণাম মহারাজজী। ভালো থাকবেন। পরবর্তীর অপেক্ষায় রইলাম।

    ReplyDelete
  36. Apurbo! Joy😊 acharya shankor 🙏aro janar apeksha te roilam🙏 porom pujjyapad moharajjir sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 Dipa Choudhury Andul Mouri Howrah🙏🙏

    ReplyDelete
  37. প্রণাম নেবেন মহারাজ,খুব ভালো লাগছে পড়তে,পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    ReplyDelete
  38. প্রণাম মহারাজ,আচার্য শঙ্কর এর জীবনী পড়ে অনেক কিছু জানলাম আরো অনেক কিছু জানার অপেক্ষায় থাকলাম....প্রণাম....Supriya Saha

    ReplyDelete
  39. . প্রনাম মহারাজ, আর্য শঙ্কর এর জীবনী পড়ে অনেক কিছু জানলাম এবং আরো অনেক কিছু জানার অপেক্ষায় থাকলাম। প্রণাম....... অরুন ভৌমিক।

    ReplyDelete
  40. Replies
    1. খুব ভালো লাগলো , পরের লেখা।পড়ার অপেক্ষায় আছি ।

      Delete
  41. মানুষের কল্যাণের জন্য, মানুষের
    অজ্ঞানতা দূর করে আলোর পথে আনয়ন করার জন্য , মানুষের মুক্তির জন্য, জন্ম গ্রহণ করেছিলেন যে মানুষ রূপী দেবতা, তাঁর জীবনের কত অজানা ঘটনা এত বিশদ ভাবে জানতে পেরে আমরা ধন্য মহারাজ। যতক্ষণ না পড়া শেষ হয় থামা যায় না, পরবর্তী লেখনীর অপেক্ষায় রইলাম মহারাজ। সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই, সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  42. প্রনাম নেবেন খুব ভালো লাগছে রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া ।

    ReplyDelete
  43. অসাধারণ লাগছে মহারাজ 🙏🙏

    ReplyDelete
  44. অসাধারণ লাগলো মহারাজ। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।।

    ReplyDelete
  45. খুব ভালো লাগলো জগত গুরু আচার্য্য শঙ্কর এর বিষয় জেনে🙏🙏

    ReplyDelete
  46. Khoob bhalo laglo

    ReplyDelete
  47. পরমপূজনীয় মহারাজ,
    আপনি আমার ভক্তিপূর্ন প্রণাম নেবেন।
    আপনার এই পর্বের লেখা থেকে আচার্য শঙ্করের জীবনের অনেক অলৌকিক ঘটনা জানতে পারলাম। খুব ভাল লাগল ।
    পরের পর্বের অপেক্ষাক্ষায় রইলাম।
    সুব্রত মুখার্জ্জী
    ব্যাঙ্গালোর
    ২৭/৭/২৪

    ReplyDelete
  48. অপুর্ব লেখা, সব কিছু কি সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে লেখেন মহারাজ জী, আমরা ধন্য তাঁর সান্নিধ্যে এসে। ঠাকুরের কাছে সর্বদা ওনার সুস্বাস্থের প্রার্থনা করি

    ReplyDelete
  49. জয় ঠাকুর, মা,স্বামীজীর জয়🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌺🌺🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻, প্রণাম মহারাজ জী🙏🏻🙏🏻🌹🌹আচার্য শঙ্করের, তাঁর গুরুর সঙ্গে যোগাযোগ ও শিষ্যত্ব গ্রহণ, এবিষয়ে অবগত থাকলেও, এত details এ জানা ছিল না।গোটা ব্যাপারটাই এক অনির্বচণীয় অনুভূতির অনুভব করায়।অনেক অজানা বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছেন। আরও জানার আগ্রহ বাড়ায়। প্রণাম মহারাজ জী🙏🏻🙏🏻🌹🌹ভাল থাকবেন। জয় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের জয়🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌺🌺🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻। শান্তা বিশ্বাস সাহা,দুর্গাপুর।

    ReplyDelete
  50. কি সুন্দর লেখনী ۔আরো জানতে আগ্রহী۔সংসারে ডুবে আছি তবু দিনের শেষে কি পরম শান্তি ও আনন্দ লাভ করি ۔সে বলার অপেক্ষা রাখে না আমার সশ্রদ্ধা প্রণাম নেবেন স্বামীজী ۔

    ReplyDelete
  51. অপূর্ব লেখা, পড়ে খুবই সমৃদ্ধ হলাম মহারাজ। স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর

    ReplyDelete
  52. Darun, darun , pranam Maharaj

    ReplyDelete

Post a Comment