শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্ আলয়ং করুণালয়ম্।
নমামি ভগবদ্পাদ শংকরং লোকশংকরম্।।
====== পর্ব-২ ======

এদিকে দিনে দিনে শংকরের
বৈরাগ্য বাড়তে থাকে। সংসারের সব কাজ বাদ দিয়ে কি করে সংসারের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া
যায় সেই চেষ্টা করতে লাগলেন। পুত্রের বৈরাগ্য ভাব দেখে মা খুব উদ্বিগ্ন হলেন। তিনি
আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে শংকরের মতিগতি পরিবর্তনের উপায় খুঁজতে লাগলেন। কেউ
কেউ এই পরামর্শ দিলেন যে ছেলেকে সব সময় বাড়ির কাছে ব্যস্ত রাখতে হবে। কেউ কেউ বললেন
আমোদ আহ্লাদে ও কথাবার্তায় সব সময় শংকরকে ব্যস্ত রাখলে ওই সব চিন্তা আর আসবে না। আবার
কারও কারও পরামর্শ হল তাড়াতাড়ি শংকরকে বিবাহ দিয়ে দিতে। মা বিশিষ্টা দেবী চেষ্টা করলেন
ছেলের মনকে আমোদে আহ্লাদে অন্যমনস্ক করে রাখতে। আর ছেলের যাতে বিবাহ তাড়াতাড়ি দেওয়া
যায় তার জন্য ব্যাকুল হলেন। আত্মীয়রাও শংকরের কাছে থেকে তাঁর মন পরিবর্তনের চেষ্টা
করতে লাগলেন। অনেকে আবার সংসারের সুখ ও আনন্দ বিষয়ে তাঁকে বোঝাতে লাগলেন। শংকর কোন
কথা না বলে উপেক্ষার ভঙ্গিতে কেবল শুনে গেলেন।
নিজের সিদ্ধান্তে স্থির থাকলেন। যিনি জগতের হিতের জন্য ভগবানের ইচ্ছায় অবতীর্ণ হয়েছেন
তিনি সাংসারিক সুখের জন্য আত্মহারা হয়ে যেতে পারেন না। খাঁচার পাখি যেমন সুযোগ খুঁজতে
থাকে কখন মুক্ত হতে পারে, শংকর সে রকম সংসারের থেকে বাইরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন।
যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে
তখন বৌদ্ধদ্ধর্মের প্রভাব দেশজুড়ে। বাহ্য সন্ন্যাস গ্রহণের বিশাল দৌড়। বালক, বৃদ্ধ
স্ত্রী পুরুষ দলে দলে সন্ন্যাস গ্রহণ করে ভিক্ষু হয়ে যাচ্ছিলেন। সন্ন্যাস না গ্রহণ
করা একটা দুর্ভাগ্য -সাধারণ মানুষের এমন ধারণা ছিল। ভারতের সর্বত্র আসমুদ্র হিমাচল তখন বৌদ্ধ শ্রমণের পাদস্পর্শে আলোড়িত।
ওই পরিমণ্ডলে শংকরের মনে বৈরাগ্যের ভাবের উদয় দেখে, স্বাভাবিক ভাবে মা ও অন্যান্য আত্মীয়
পরিজন ব্যাকুল ভাবে তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবেন - এটা খুব স্বাভাবিক। যতই তাঁরা শংকরকে
সংসারে বেঁধে রাখার চেষ্টা করতে লাগলেন ততই বন্ধন ছিন্ন করার ইচ্ছা প্রবল হতে লাগল।
কিন্তু মায়ের অনুমতি
ছাড়া এ কাজ করা শাস্ত্র বিরুদ্ধ হবে। মায়ের অনুমতি কি করে পাওয়া যায়, সে বিষয় চিন্তা
করতে লাগলেন।
কিছু দিন এই ভাবে কেটে
গেল। একদিন একটা সুযোগ এসে উপস্থিত হল। কোনও কাজে এক আত্মীয়ের বাড়ি শংকর গিয়েছিলেন মায়ের সঙ্গে। আত্মীয় বাড়ি থেকে ফেরার সময় একটা নদী পার হতে হয়। নদীতে তখন জল
খুব কম ছিল। ফলে নৌকার আর প্রয়োজন ছিল না। মা ও ছেলে হেঁটে নদী পার হচ্ছিলেন। নদীর
মাঝখানে এসে দেখেন হঠাৎ প্রবল বন্যা। হঠাৎ
বন্যায় ভয়ঙ্কর জলের স্রোতে মা ছেলে একেবারে ভেসে যাওয়ার অবস্থা। ত্রাহি ত্রাহি বলে
ভগবানকে ডাকতে লাগলেন। শংকর এই অবস্থায় দৈববাণী শুনতে পেলেন। যদি তিনি সংসার ত্যাগ
করে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং যদি মা পুত্রের সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দান করেন, তবেই
উভয়ে বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন।
এই দৈববাণী শংকরের কাছে পরম সৌভাগ্যের বলে মনে হল। মা
এই কথা শুনে খুবই উৎকণ্ঠার মধ্যে পড়লেন। উভয় সংকট অবস্থা। পুত্রের সন্ন্যাসের অনুমতি
যদি না দেন তবে দুজনেই জলমগ্ন হয়ে ডুবে নিশ্চিত মারা যাবেন। আবার সংসারের একমাত্র অবলম্বন
পুত্রকে সন্ন্যাসের অনুমতি দেওয়াও বড় মর্মান্তিক ঘটনা। পুত্রকে বিবাহ দিয়ে সংসারে মনের
আশা পূর্ণ করবেন, মায়ের কত সাধ। সেই পুত্রকে চিরতরে বিদায় দিয়ে কেমন করে একা সংসারে
থাকবেন। মা কেঁদে আকুল হলেন। বিধাতার এ কি পরীক্ষা! কাঁদতে কাঁদতে কাতর হয়ে ভগবানকে একমনে ডাকতে লাগলেন। এদিকে বন্যার
জল ক্রমশ বেড়েই চলেছে। শংকর মাকে বুঝিয়ে চলেছে – 'মা তুমি
আর বাধা দিও না। এটা নিশ্চয়ই দৈব ইচ্ছা । আমার সন্ন্যাস গ্রহণ ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
তুমি এই মুহূর্তে আমাকে সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দাও। তুমি আর দেরি করলে সর্বনাশ হয়ে
যাবে। দু জনকেই ডুবে মরতে হবে'। ছেলের কথা শুনে মা
স্তম্ভিত হয়ে পড়লেন। কোন দিকে কোন কিছু চিন্তা করতে পারছেন না। বুদ্ধি যেন কাজ
করছে না। শংকর বার বার কাতর কণ্ঠে সন্ন্যাসের প্রার্থনা করছেন। আর সামান্যক্ষণ দেরি
করলেই আর কিছু করার থাকবে না। তুমি অনুমতি দাও মা। এখন কি করি – স্নেহময়ী
মা ভাবতে লাগলেন। যদি সন্ন্যাসে অনুমতি না দেন তবে দুজনেই মারা যাবেন। কোন উপায়ান্তর
না দেখতে পেয়ে মা বলে উঠলেন, "ভগবানের ইচ্ছা পূর্ণ হোক। তোমার মৃত্যুর থেকে সন্ন্যাস
অবলম্বনই শ্রেয়। তুমি সন্ন্যাস গ্রহণ কর"।
আশ্চর্য, জননীর অনুমতি
দেওয়া মাত্র জলের প্লাবন কোথায় যেন নিমেষে মিলিয়ে গেল।
এরই কাছাকাছি আর একটি
কাহিনী শোনা যায় এই বিষয়ে। পাঠকদের এখানেই জানিয়ে রাখি। শংকর তাঁর মায়ের সঙ্গে একদিন
নদীতে স্নান করতে গিয়েছিলেন। যেমন রোজ যান তেমনি গিয়েছেন। স্নান করে উঠে আসবেন এমন
সময় একটা কুমীর হঠাৎ শংকরকে আক্রমণ করে। সে সময় দৈববাণী শোনা গেল, পুত্র যদি সন্ন্যাস
গ্রহণ করে তা হলে এই বিপদ থেকে রক্ষা পাবে।
না হলে কুমীরের কামড়ে মৃত্যু নিশ্চিত। শংকর তখন বললেন, “ মা, তাড়াতাড়ি
আমাকে সন্ন্যাসের অনুমতি দাও। না হলে আমার বাঁচার কোন পথ নেই। মা তখন নিরুপায় ও অত্যন্ত
ভীত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে অনুমতি দিলেন। সন্ন্যাসের অনুমতি পেয়ে শংকর খুবই আনন্দিত হলেন।
বাঘ বা সিংহকে যদি খাঁচা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়,
সে যেমন আনন্দে ফেটে পড়ে, শংকরের অবস্থাও খানিকটা সে রকম। সংসার তাঁর কাছে একটা কারাগারের
মতো মনে হতে লাগল। এ খান থেকে বেরুলেই মুক্তি। এখন সেই কাঙ্খিত সুযোগ উপস্থিত জেনে
নিজেকে ধন্য ও কৃতার্থ মনে করলেন।
কারও কারও মনে এই সব কাহিনী মিথ্যা আজগুবী মনে
হতে পারে। এমন বহু ঘটনা পৃথিবীতে অনেক মহাপুরুষদের জীবনে ঘটেছে। তবে সে সব ঘটনাকেও
মিথ্যা বলতে হয়। এই বিশ্বের কত টুকু মানুষ জানে। যা জানে না তাই মিথ্যা বলে সিদ্ধান্ত
করে। এমন কত অলৌকিক কথা পাওয়া যায় বুদ্ধ, খ্রীষ্ট, মহম্মদ প্রভৃতি মহা মানবের জীবনে,
যার যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা অনেক সময় পাওয়া যায় না। তথা কথিত আধুনিক শিক্ষিত মানুষের কাছে যাই মনে হোক
না কেন ভক্তের কাছে তা বিসদৃশ মনে হয় না।
আমরা
এই সব তথ্য সংগ্রহ করেছি শংকর-দিগ্বিজয় নামক বিখ্যাত গ্রন্থ থেকে। এ
ছাড়া আরও কিছু বিষয় প্রামাণ্য গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। কিছু অতিরঞ্জন ও কল্পনা হয়তো
থাকতে পারে তার মানে তা মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিতে হবে, তাও ঠিক নয়।
যা হোক আমরা প্রসঙ্গে ফিরে আসি। বাল্যে শংকরের উপনয়ন,
যেমন ব্রাহ্মণ বংশের নিয়ম, সেই মত হয়। পাঁচ বছর বয়সে উপবীত ধারণ করেন। এমন শোনা যায়
তাঁর আত্মীয় কুটুম উপনয়নের সময় তাঁর বাড়িতে আসতে ইতস্তত করেছিলেন। তার কারণ ছিল পিতা
মাতার অধিক বয়সে তাঁর জন্ম।
কুমীরের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে সেদিন মায়ের সঙ্গে
শংকর বাড়িতে ফিরে এলেন। নিকট আত্মীয় যারা ছিলেন তাদের কাছে শংকর মায়ের রক্ষণাবেক্ষণের
জন্য প্রার্থনা করতে লাগলেন। তাঁরা রাজী হলেন সে কাজে। শংকর নিশ্চিত হলেন। সংসারের একমাত্র অবলম্বন ও যোগসূত্র এই ভাবে আত্মীয়দের
দ্বারা সযত্নে রক্ষিত হবে জেনে খুশী হলেন।
কিন্তু মায়ের মন অশান্ত হয়ে উঠল। তিনি পাগলিনীর মত কান্নাকাটি করতে লাগলেন।
যে অনুমতির জন্য তিনি এতদিন উদ্গ্রীব ছিলেন, সেই অনুমতি ও মায়ের থাকার ব্যবস্থা হয়ে
যাওয়াতে শংকর নিশ্চিন্ত হলেন। কিন্তু মায়ের কান্না দেখে শংকরের দুচোখ বেয়ে অশ্রু ধারা
বইতে লাগল।
মা কাতর ভাবে বললেন
– বাছা, তুমি গৃহ ত্যাগ
করে চলে গেলে আমি কী নিয়ে বাঁচব? তুমি এই সঙ্কল্প ত্যাগ কর। মায়ের এই কথা শুনে নীরবে কিছু সময় চিন্তা
করলেন শংকর। তারপর কাতরভাবে বললেন – মা, আমি
তোমার কষ্ট বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছি। আমিও ভাবছি আমি চলে গেলে তোমার কী অবস্থা হবে। সে
কথা ভেবে আমার হৃদয় বিদীর্ণ হচ্ছে। কে তোমার দেখাশোনা করবে, কীভাবে তুমি থাকবে - এসব কথা ভেবেছি কিন্তু সত্যি আমার অন্য কোন উপায় নেই। সংসারের
যা কিছু সবই দৈবের অধীন। দৈব নির্দেশ পালন না করা অনুচিৎ। সুতরাং আমার সংসার ত্যাগ ছাড়া
আর কোন পথ নেই।
কোন ভাবে যখন সন্ন্যাসের
সিদ্ধান্ত থেকে ছেলেকে আটকানো গেল না, তখন মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, শংকর তুমি সন্ন্যাস মার্গে যাবে, যাও। তবে আমার কাছে
একটি প্রতিজ্ঞা করে যেতে হবে। কী প্রতিজ্ঞা? তুমি সন্ন্যাস গ্রহণ করে নিশ্চয় আর এই
গৃহে ফিরবে না। তোমার বিচ্ছেদে আমি নিশ্চয়ই মৃত্যু বরণ করব। তুমি কথা দাও তোমাকে যেন
আমি বছরে একবার অন্তত দেখতে পাই।
শংকর ভাবতে লাগলেন, সন্ন্যাসীর পক্ষে গৃহে ফেরা
অসম্ভব ও ধর্ম বিরুদ্ধ। আবার জননীর ইচ্ছাও ফেলে দিতে পারছেন না। এখন উপায় কি? মাতৃভক্ত
শংকর অবশেষে মায়ের আদেশই শিরোধার্য করলেন। মায়ের কাছে অঙ্গীকার করলেন।
বিদায় কাল উপস্থিত।
উভয়ের চোখে জল। এ এক নিদারুণ দৃশ্য। এই ভাবেই কি তথাগত বুদ্ধ গৃহত্যাগ করেননি, এ ভাবেই
কি নিমাই মায়ের কোল শূন্য করে চলে যাননি! সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে শংকর বেরিয়ে গেলেন।
আত্মীয় স্বজন জননী সব কিছু পেছনে পড়ে রইল। মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। যত দূর দৃষ্টি যায়
সকলে নির্বাক ও স্তম্ভিত হয়ে দেখলেন। শংকর গৃহ ত্যাগ করে সন্ন্যাসের পথে চললেন।
ক্রমশ.........
🕉🙏🏻🙏🏻🙏🏻🍀
ReplyDeletePronum Maharaj khubi bhalo lagche Sankaracharjer jibani porre parabarti parber apekshay railum . Subhrasree Daw
DeleteRishra
Maharaj Pronam janben 🙏khub bhalo lagche aajana beshye jante parchi 🙏
DeleteKhub bhalo laglo maharaj pronam neben🙏🙏🙏🙏🙏🙏💐💐💐💐💐💐💐
Deleteখুব ভালো লাগল মহারাজ। আমার প্রণাম নেবেন 🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য নিউ আলিপুর। কলকাতা
Deleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ শঙ্করআচার্য্য সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজ
Deleteঅপূর্ব মহারাজ। 🙏🙏🙏🙏 আপনার থেকে অনেক কিছু জানতে পারছি। আপনি সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
DeleteAcharjya Shankar er jiban Daiba parichalita, uni sayang Bhagaban, onar jibani khubi sundar bhabe prakash korechen, amra apnar kache kritagya, aro jabar apekkhay koilam.
DeleteWith regards.🙏🏻
Jaytu sree Ramakrishna 🙏🏻..
ReplyDeleteKhub valo lagche...
Anek kichu jante parchi..
Maharaj k amar sasthango pronam..
জয়তু আচার্য শংকরcomment
Deleteজয় আচার্য্য শঙ্করাচার্য আপনার শ্রী চরণযুগলে ভুলুন্ঠিত প্রণাম জানাই 🙏
Deleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
জয় আচার্য্য শঙ্করাচার্য 🙏
DeleteAcharya Sankar krome krome unmochito hochhen amader kachhe মহারাজ apnar kalyane amader kachhe .
ReplyDeletePronam Maharaj. Samridhho holam.
DeleteAchariyo Sankarachayo r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌼 🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌷 🌼🙏. Ei 2nd porber lekhoni porey mugdho holam, Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Enara satti Mahapurush, jonmer purbeu sob nirdharito kora thakey 🙏. Khubei vagyoban Purush 🙏🙏. Aaj, Achariyo Sankarachayo Sannyash dharon korechilen boley koto koto onugami Vakto Sannyash brother grohon korey muktir pothogami hotey sakshom hocchey ba hoben, osadharon uposthapona, ontor anondey poripurno holo 🌷🌷🙏🙏. Sotokoti naman, Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Agami porbo er jonnyo oti agroho niyey opekhyaroto acchi 👏🙏.
ReplyDeleteParbati Banerjee, Siliguri
খুব ভালো লাগছে মহারাজ শংকরা চার্যের জীবনের কথা। আরো অনেক অনেক জানতে চাই। প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ। 🙏🙏শুভ্রা লালা।
ReplyDeleteজয় আচার্য শংকরের জয়। আচার্য শংকরের জীবনকথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে।🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব খুব ভালো লাগলো
Deleteআপনার ঐ শঙ্কর কে কূমীর ধরাটাই সঠিক কারন আমি যখন Sringeri মঠে যাই দূরের আগে তখন ঐটাই পড়ে ছিলাম। আরও যা লিখেছেন খুব ই সঠিক। আর ও একটি শুনেছিলাম উনি যখন বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন তূঙ্গভদরা নদী পার হয়ে সে সময় ওনার মা আর একবার ওনাকে দেখার বাসনা ব্যক্ত করায় উনি হাত দিয়ে নদী দূতাবাস করে দেন আর ওনার মা মধ্যভাগ দিয়ে এসে ওনাকে আশীর্বাদ করেন
ReplyDelete🙏🍀🙏🍀🙏🍀🙏🍀🙏🍀
ReplyDeleteShampa dhar 🙏🍀🙏🍀🙏🍀🙏🍀🙏🍀
ReplyDeleteপরমপূজনীয় মহারাজ, আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteভগবান শঙ্করাচার্যের ওপর লেখা টি খুব ভাল লাগছে। পরের পর্বটির অপেক্ষায় রইলাম।
সুব্রত মুখার্জী
ব্যাঙ্গালোর
২৪/৫/২৪
পরম পূজনীয় মহারাজ,
ReplyDeleteআপনি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন।
ভগবান শঙ্করাচার্যের ওপর লেখাটি খুব ভাল
লাগছে। অনেক কিছু জানতে পারছি।
যতদূর মনে পরছে গতবছরেও শঙ্করাচার্য সম্বন্ধে আপনার একটি ব্লগ পড়েছিলাম।
পরের পর্ব টির অপেক্ষাক্ষায় রইলাম।
সুব্রত মুখার্জী
ব্যাঙ্গালোর
২৪/৫/২৪
শঙ্করাচার্যের জীবন কাহিনী বেশ ভালো লাগছে পড়তে🙏 ভক্তিপূর্ণ প্রনাম জানাই মহারাজ জী🙏
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Shankaracharjyer জীবনী পড়ে খুব ভালো লাগলো বিশেষত উনি যখন সন্ন্যাস নিয়ে চলে যাচ্ছেন তখন তার মায়ের এক মাত্র অবলম্বন কে হারানোর যে কষ্ট সেটা চিন্তা করে আমারও মন টা খুব ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো। ভালো থাকবেন মহারাজ। আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteরীতা দত্ত, kharagpur.
খুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏 পরবর্তী লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম 🙏🌷🙏জয় আদিগুরু শংকরাচার্য্য জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
ReplyDeleteদেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏
আদি গুরু শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়তে খুব ভালো লাগছে।মার কাছে থেকে যখন বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছেন ঐ জায়গায় টা পড়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে।আর ও জানার অপেক্ষায় রইলাম।সকৃতজ্ঞ আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏 জয় আদি গুরু শঙ্করাচার্যের জয়🌷💥🙏
অপূর্ব সুন্দর
ReplyDeleteমাধুরী ঘোষাল খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteআবার অপেক্ষা য় র ইসলাম।
খুব ভালো লাগছে মহারাজ। আপনি আমার প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteশঙ্করাচার্যের বিষয়ে জানতে পেরে ভাল লাগছে। পরবর্তি ঘটনা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। কৃষ্ণা দে, জামসেদপুর।
ReplyDelete🙏🙏💐💐
ReplyDeleteEi porjonto gotokal porechiliam. Poroborti ansho porbar opekhaue roilam. Pornam neben maharaj.
ReplyDeletePorom pujjyapad acharya sankaran er sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏joy thakur joy ma joy swamiji tomader ratul srichorone vulunthito voktipurno pronam janai🙏🙏🙏 moharaj acharya sankaran er jiboni path kore vison bhalo lagche. Porobarti path er opekhay roilam🙏 porom pujjyapad moharajjir sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏
ReplyDeleteDipa Choudhury Andul Mouri Howrah🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ, আপনি আমার প্রনাম গ্ৰহন করুন। খুব ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Aro Jante Echha
ReplyDeleteKorche.Pranam Maharaj 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
প্রণাম মহারাজ জী। আপনার সহজ ও সরল লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন। প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteসোমা চক্রবর্তী দিল্লি
প্রনাম নেবেন ভালো লাগলো I
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন ভালো লাগলো I
ReplyDeletepronam maharaj
ReplyDeleteআদি গুরু শংকরাচার্য সম্পর্কে ধারাবাহিক রচনা পড়তে.. মানে এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের বিস্ময়কর ঘটনা জানতে খুব আগ্রহ জেগে উঠেছে আপনার অত্যন্ত চমৎকার করে লিখার মাধ্যমে! তাঁর মা বিশিষ্টা দেবী ছিলেন একজন রত্নগর্ভা ; নইলে এমন আদর্শবান, very Intelligent , ধর্মপ্রাণ এবং তুখোর বৈরাগ্য সাধকের জন্ম হয়! যে করেই হোক, পাঁচ বছর বয়সে উপনয়নের পর.. মায়ের অনুমতি নিয়ে সংসার ত্যাগ করা এবং মায়ের প্রতিজ্ঞাও রাখলেন। বিদায় সবসময়ই ভারাক্রান্ত করে মন, তাইতো মা বিদায় মূহুর্তে নির্বাক ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েন! ভাবছি..এমন কঠোর মায়া‘র বন্ধন.. মায়া‘র সম্পর্ক ছিন্ন করা কী যে কঠিন বিষয়!! বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই আচার্য শংকরের শ্রী চরণে ও আন্তরিক শ্রদ্ধায় অন্তহীন প্রণাম গুরু মহারাজ জী। আরও জানার অপেক্ষায় থাকলাম। সুজাতা দে, লন্ডন ইউ.কে খেকে।
ReplyDeleteআদি গুরু শংকরাচার্যের জীবনী পড়তে খুব ভালো লাগছে। মায়ের কাছে যখন বিদায়ের অনুমতি নিয়ে চলে গেলেন তখন চোখে জল এসে গেল। আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারছি মহারাজ। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🌷🙏
ReplyDeleteProñam Maharaj Ji voktipurno proñam 🙏🌹🙏 Asadharon lagche আচার্য্য সংকর জীবনী। আরো জানার আগ্রহ রইলো , আপনি ভালো ও সুস্থ থাকুন আমরা উপকৃত নানা বিষয়ের উপর অধ্যায়ন করে সম্ভব হচ্ছে আপনের অনুধ্যঅনুধ্যাওন এ যুক্তহতে পেরে,🙏🌹🙏,,, Anjali Sha
ReplyDeleteশঙ্করাচার্যের জীবনি পড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। বাকি টা পড়বার অপেক্ষায় রইলাম। প্রনাম 🙏🙏 নেবেন।
ReplyDeleteDebjani Khub valo lagche Pronam Maharaj 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteশঙ্করাচার্যের 2য় পর্ব পড়লাম খুবই মর্ম স্পর্শী প্রণাম নেবেন আচার্য দেব
ReplyDeleteখুব ভাল লাগছে। প্রণাম মহারাজ। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
ReplyDeleteশঙ্করাচার্যে র কথা যত জানছি মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি।আর ও জানতে ইচ্ছে করছে।
ReplyDeletePronam maharaj 🙏
ReplyDelete..khub valo laglo...ro jante ichha korche...
.supriya Saha clubtown paradise
Pranam Maharaj. Koto ki janlam. Khub bhalo lagche.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteআপনার লেখা পড়তে পড়তে চোখে জল এসে গেলো, আরো পড়তে চাই, প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteআপনার লেখা পড়তে পড়তে চোখে জল এসে গেলো, আরো পড়তে চাই, প্রণাম মহারাজ, asima batabyal howrah
ReplyDeleteAdi Guru Sankaracherja r jeebaner katha pore Khub ridhho holam . 🙏
Deleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ , খুব ভালো লাগছে পড়তে ও জানতে , অসংখ্য ধন্যবাদ মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeletePujonio Maharajji ke onek kritagata
ReplyDeleteJanani. Apnar lekha amader ridhho Kare
Sashrodhho pronam janai.🙏
শঙ্করাচার্যের জীবনী পড়ে খুব ভাল লাগছে।পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।ভাল থাকবেন।সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহন করবেন। মধুমিতা মুখার্জী। দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteমহারাজ আপনার রচনা হৃদয়গ্রাহী।
ReplyDeleteআচার্য শঙ্করের জীবনী পড়ছি।আগে অল্প পড়েছি। কিন্তু আপনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ খুব ভালো লাগছে।
পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
আভূমি প্রণাম গ্রহন করুন মহারাজ।
কাজল লাহিড়ী।
Khub bhalo laglo..poroborti porber opekshay roilam...pronam janai Moharaj...Bulbul Kalyani..
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ মহারাজের কাছে অনেক কিছু জানতে পারছি আমার আন্তরিক ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই মহারাজের চরণে অঞ্জু শ্রী মুখার্জী বর্ধমান
Deleteপ্রণাম মহারাজ ।। শঙ্করাচার্য জীবনী পড়তে খুব ভালো লাগছে ।🙏🙏🙏
Deleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ। ভীষণ সুন্দর জীবনী কথা।manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman. Billagram.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। ভীষন ভালো লাগলো।
ReplyDeletePronam maharaj khub valo laglo 🙏🙏🙏
ReplyDeleteAcharya Shankarer jibani kotha jantey perey khoob bhalo lagche. Aro anek anek kotha jantey chai. Pujonio Maharaj, bhaktipurno pronum grahan korben - Bikash Ranjan Ghosh, Patipukur
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগছে মহারাজ! আগেও আপনি আচার্য শংকর এর জীবনী আপনে বলেছেন, কিন্তু বারবার শোনার ফলে বিষয় গুলো মনে থাকে! আপনার তুলনা নেই মহারাজ! আপনার চরণে আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করছি মহারাজ!🙏🏻💐🙏🏻
ReplyDeleteজগৎ গুরুর আত্মজীবনী পড়তে খুব ভালো লাগছে মহারাজ জী🙏 প্রনাম নেবেন🙏
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Sannyash jqdio kankhito. Tabuo MA er kachhe hridaybidarok ! Atichironton satya ! Abashya Vedanta mote, ei saboie Antya!, Atma/ Absolute Truth e Nitya... all pervading! Anibodya rachona soiling! Swabhakti pronam naben pujonio Maharaj.
ReplyDeleteKhub bhalo lagchhe maharaj
ReplyDeleteAmra somriddha hochhi
Pronam maharaj
Sonali bhattacharyya howrah
প্রণাম মহারাজ,খুব ভালো লাগছে পড়তে আরও জানবার অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Anek janta parlam
ReplyDeleteKhub sundor lagche.Pranam Maharaj. Pulakesh Sinha Roy.
🕉️🤚🙏🛐 মহারাজ জি 🌹🌹🌹 অনন্য সুন্দর। কোনো কিছুই বলার অপেক্ষা রাখে না । প্রণাম নিন মহারাজ জি 🙏👏🤚🙏🕉️
Deleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ জী এর পরের টা পড়ার জন্য অপেক্ষা রইলাম । রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া |
ReplyDeleteKhub bhalo lagchhe maharaj
ReplyDeleteAmra natun anek bishay jante parchhi
Pronam neben maharaj
Sonali bhattacharyya howrah
যত বার পড়ছি ততবারই খুব ভালো লাগছে ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
খুব খুব ভাল লাগল মহারাজ। ধন্য মাতা, মানবের কল্যাণের জন্য ঈশ্বর প্রেরিত এমন মহাপুরুষ যিনি সর্বজনের প্রণম্য সেই আচার্য শংকর কে গর্ভে ধারণ করার সৌভাগ্য যে মাতার , সেই মাতাকে অন্তর থেকে নতমস্তকে বিনম্র প্রণাম জানাই। 🙏💐🙏💐🙏
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏
Khub valo laglo.mono mugdho- kar. Shardhaya purno pronam ghran korben, maharaj.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ ।
ReplyDeleteআচার্য শংকরের জীবনী পড়ে খুব ভালো লাগছে । পরবর্তী অংশ পড়ার জন্য উদগ্ৰীব হয়ে রইলাম ।
মহারাজা এর চরণে প্রনাম জানাই, শংকরাচার্জর কাহিনী পড়ে সমৃদ্ধ হলাম খুবই সুন্দর
ReplyDeleteKhub valo lagche Pronam Maharaj 🙏🏻🙏🏻
ReplyDelete