ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
============ পর্ব-৪০ ===========
গভীর মহাভাবে কৃষ্ণপ্রেম আস্বাদনে রাত দিন মগ্ন হয়ে থাকতেন। ঐ ঘটনার কিছু
দিন পর বৈশাখী পূর্ণিমা এল। পুরীতে সর্বদাই বসন্ত ঋতু। বৈশাখে পুরীর আবহাওয়া খুবই
মনোরম হয়। ঐ সময় শ্রীজগন্নাথের ফুল দোল, চন্দনযাত্রা বিশেষ ধূম ধামের সঙ্গে পালিত
হয়। পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোতে চারিদিক এক মোহময় হয়ে উঠেছে। প্রেমিক সন্ন্যাসীর
অন্তরের শ্রীকৃষ্ণ প্রেম উদ্বেল হয়ে উঠল। অন্তরঙ্গ ভক্তদের নিয়ে পুরীতে এক ফুলের
বাগানে গেলেন। বাগানে প্রবেশ করেই বৃন্দাবনের স্মৃতি জাগরিত হল। ফুলের সুমধুর সুবাস
ও মন্দ মন্দ বাতাস ও কোকিকের ডাক পরিবেশকে আরও ভাব-মেদুর করে তুলল। ভক্তদের প্রাণে
শিহরিত হল। ভক্তরা কবি জয়দেবের সুমধুর পদ নেচে নেচে গাইতে লাগলেন।
ধীর সমীরে যমুনাতীরে বসতি বনে বনমালী।
পীনপয়োধরপরিসরমর্দন চঞ্চলকরযুগশালী।।
পততি পতত্রে বিচলিত পত্রে শঙ্কিতভবদুপযানম্।
রচয়তি শয়নং সচকিতনয়নং পশ্যতি তব পন্থানম্।।
বিগলিত বসনং পরিহৃতরসনং ঘটয় জঘনমপিধানম্।
কিশলয়শয়নে পঙ্কজনয়নে নিধিমিব হর্ষনিধানম্।।
রতিসুখসারে গতমভিসারে মদনমনোহরবেশম্।
ন কুরু নিতম্বিনি গমনবিলম্বনমনুসর তং হৃদয়েশম্।।
সুমধুর গীত শুনে চৈতন্যদেব আর স্থির থাকতে পারলেন না। নৃত্য করতে শুরু
করলেন। ব্রজগোপীদের ভাবে বাগানের মধ্যে আনন্দে নেচে বেড়াতে লাগলেন। হঠাৎ দেখতে
পেলেন মুরলীধারী প্রাণপ্রিয় শ্রীকৃষ্ণকে। অশোকের তলায় দাঁড়িয়ে মৃদু মৃদু হাসছেন।
ছুটে গেলেন ধরবার জন্য। কিন্তু চিরকালের মনোচোরা সহসা অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। তিনি ভক্তের মন চুরি করে অদৃশ্য হলেও তাঁর
গায়ের মিষ্টি গন্ধ যে সর্বত্র। ভক্তেরা ধরাধরি করে তুললেও তাঁর গায়ের সুবাসে আবার
বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। এদিক ওদিক নানা দিকে ছূটতে লাগলেন। মধুর গন্ধে বিভোর
হয়ে সারা রাত কৃষ্ণের দর্শন আশায় কাটালেন, কেবল অঙ্গগন্ধ পেলেন কৃষ্ণকে পেলেন না।
স্বরূপ ও রামানন্দ অনেক চেষ্টা করলেন ভাব উপশমের। ভোর হতে মহাপ্রভুর বাহ্য জ্ঞান
ফিরে এল।
প্রতি বছর রথের সময় গৌড়ীয় ভক্তরা পুরীতে আসতেন। গর্ভধারিণী শচীমাতার
খবরাখবর নেওয়া ও দেখাশুনার ভার দামোদর পণ্ডিতের উপর ছিল। তিনি এবার এসে জানালেন যে
মা শচীদেবী সজ্ঞানে গঙ্গালাভ করেছেন। এই শোকবার্তা মাতৃভক্ত ও জ্ঞানী সন্ন্যাসীকে
কোন ভাবে বিচলিত করেছিল কিনা, জানা যায় না। কিন্তু এটি নিশ্চিত যে এই মায়িক
সংসারের প্রতি তাঁর আকর্ষণের প্রধান সংযোগ সূত্র এর ফলে ক্ষীণ হয়ে গেল। দামোদরের কাছে আরও
জানা গেল বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী প্রাণপনে মায়ের সেবা করেছেন ও শেষকৃত্য সম্পন্ন
করেছেন। এখন আরও নিবিষ্ট মনে সাধন ভজনে মন দিয়েছেন তিনি। কারও সঙ্গে দেখা করেন না।
নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে এক মনে ভগবানের পাদপদ্ম চিন্তা করেন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে
স্নানাদি শেষ করে ভগবানের নাম করেন।
এক বার নাম করেন ও একটি চাল মাটির পাত্রে রাখেন। এই ভাবে তৃতীয় প্রহর পর্যন্ত নাম করেন। এই ভাবে যে চাল হয়, তা মুখে কাপড়
বেঁধে সযত্নে নিজে রান্না করেন। আর কিছু নেই, এমনকি লবণ পর্যন্ত নেই। এই অন্ন
মহাপ্রভুকে নিবেদন করেন। এই প্রসাদের এক মুঠো কেবল নিজে গ্রহণ করেন। বাকি ভক্তদের
জন্য বিলিয়ে দেন। এমন কঠোর জীবন যাপন করেছেন মা বিষ্ণুপ্রিয়া। আমরা বিস্মিত হই
জীবের শিক্ষার জন্য কতো কঠোর আত্মত্যাগ ও সংযমের জীবন ছিল তাঁর।
আগেই বলেছি চৈতন্যদেবের মন সর্বদাই ভগবৎ ভাবে পূর্ণ হয়ে থাকত। কথা বার্তা
ইত্যাদিতে চেষ্টা করে মনকে নিচে নামিয়ে রাখতে হত। রথের সময় ভক্তদের নিয়ে আগের আগের
বারের মতো বেশ আনন্দে কাটালেন। চৈতন্যদেবকে স্বাভাবিক ও সহজ ভাবে দেখে ভক্তদেরও
খুব আনন্দ হল। বাইরে স্বাভাবিক হলেও ভেতরের ভাব আর কতদিন চেপে রাখা যায়। রথের পরে
সকলে যে যার স্থানে ফিরে গেলে চৈতন্যদেবের অন্তরের ভাব প্রবল ভাবে প্রকাশ হল। রাত দিন অর্ধবাহ্য দশায় রয়েছেন।
নিরন্তর বিরহ উন্মাদের অবস্থা, রোমকূপ দিয়ে রক্ত পড়ছে। মাঝে মাঝে দেহ ফুলে উঠছে।
এই অদ্ভূত প্রেমোন্মাদের শরীর ধারণ
করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ল। রামানন্দ, স্বরূপ, গোবিন্দ প্রভৃতি সেবকগণ প্রাণপন চেষ্টা করেও এই শরীরকে
ধরে রাখতে পারলেন না। এই ভাবে আরো কিছু কাল অতিবাহিত হলে আটচল্লিশ বছর বয়সে, ১৫৩৩
খৃষ্টাব্দের ২৫শে জুন চৈতন্যদেব মানবলীলা ত্যাগ করে প্রাণনাথ শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে
চির মিলিত হন। অগণিত ভক্তের প্রাণে তিনি যে ভক্তির বীজ স্থাপন করে দিয়েছিলেন তা যুগ যুগ
ধরে আরও বেড়েই চলবে।
।। জগন্নাথ স্বামী
নয়নপথগামী ভবতু মে ।।
চৈতন্যদেবের দেহত্যাগ নিয়ে রহস্যের এখনও সঠিক সমাধান হয়নি। ভক্তদের কাছে
তিনি চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই।
দেহত্যাগ রহস্য নিয়ে যে সব মত –
১) কারও কারও মতে রথযাত্রাতে কীর্তনের সময় ভাবের আবেশে মহাপ্রভু পড়ে গুরুতর
আঘাত পান। তার ফলে অসুস্থ অবস্থায় তিনি গুণ্ডিচার কাছেই থাকতেন। পরে সেখানেই
ভাবস্থ অবস্থায় তাঁর দেহত্যাগ হয়। পবিত্র দেহ সেখানেই সমাহিত করা হয়।
২) আর একটি মত হল ভাবাবস্থায় শ্রীজগন্নাথকে আলিঙ্গন করে তাঁতেই সম্পূর্ণ
বিলীন হয়ে যান। কিন্তু এখানে প্রশ্ন উঠেছে তাঁর পার্থিব স্থূল দেহ কোথায় গেল? খুব
ভালো উত্তর এখনও পাওয়া যায় নি।
৩) আর একটি মত হল চৈতন্যদেবের অতিপ্রিয় গদাধর পণ্ডিতের কুঠিয়াতে ভাবাবেশে
দেহত্যাগ করেন ও সেখানে গোপীনাথ বিগ্রহের পাশে তাঁর পবিত্র দেহ সমাহিত করা হয়।
৪) আর একটি মত ১৫৩৩ সালের এক রবিবার বিকাল ৩ টার সময় চৈতন্যদেব শ্রীজগন্নাথ
মন্দিরে প্রবেশ করেন। অনেক পাণ্ডারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন। প্রবেশের পর দীর্ঘ সময়
মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। চৈতন্যদেবকে আর বেরিয়ে আসতে দেখা যায়নি।
এমন অনেক কথা শোনা যায় মহাপ্রভুর দেহত্যাগ সম্পর্কে। আমরা এই বিষয়ে কোন স্থির
মন্তব্য করছি না। পাঠকের উপর তা ছেড়ে দেওয়া হল।
শেষের কথা
চৈতন্যদেবের মর্ত্যলীলা
শেষ হওয়ার পর অন্তরঙ্গ ভক্তরাও অনেকেই দেহত্যাগ করেছিলেন। যারা রইলেন তারা মহাপ্রভুর
নির্দেশিত পথে স্মরণ মনন সংকীর্তন প্রভৃতিতে জীবন উৎসর্গ করলেন।
বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর
কঠোর জীবনের কথা আমরা পাঠককে আগেই বলেছি। সে কঠোরতা এখন আরও বৃদ্ধি পেল। তাঁর কঠোর তপস্যা
দেখে অতি বড় নিষ্ঠুর ব্যক্তির হৃদয় বিগলিত হবে। কারো সংগে সাক্ষাৎ করতেন না। বিশেষ
করে কোন পুরুষ প্রবেশ করতে পারতেন না। বাড়ির চারিদিকে উঁচু প্রাচীর দেওয়া থাকত। তার
ভেতরে দেবী থাকতেন। মিশ্র পরিবারের পুরনো সেবক ঈশান তখন আর জীবিত নেই। দেবীর পদাশ্রিত
সেবক বংশীবদন ও দামোদর পণ্ডিত তখনও জীবিত আছেন। তাঁরাই দূর থেকে সমস্ত দেখাশুনা করতেন।
খুব ভোরে উঠে স্নানাদি
করে ঠাকুর ঘরে বেলা তিন প্রহর পর্যন্ত দরজা বন্ধ করে সাধন ভজন করতেন। আহারের পর বিকালে খানিকটা সময় ভক্তদের প্রণাম গ্রহণ করতেন।
প্রণামের ব্যবস্থাও ছিল অসাধারণ। ঘরের বারান্দাতে কাপড়ের পর্দা দেওয়া থাকত। দেবী পর্দার
আড়ালে এসে দাঁড়াতেন। ভক্তেরা হাজির হলে পর্দা খনিকটা তোলা হত যাতে দেবীর কেবল শ্রীচরণ
ভক্তেরা দর্শন করতে পারে। প্রণামের পরে দেবীর প্রসাদ রাখা থাকত। সেই মহাপ্রসাদ সকলকে
বিতরণ করা হত।
লোকশিক্ষার ভার যেমন
মহাপ্রভু নিয়েছিলেন সেই ভার স্বয়ং বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীও গ্রহণ করেছিলেন। অন্তরে যে আরাধ্য দেবতার
পূজা সারাজীবন ধরে করে এসেছেন এখন তাঁকে দারুমূর্তিরূপে প্রতিষ্ঠা করলেন। আর্ত শরণাগত
সন্তানদের জন্য যে নিম গাছের নিচে মহাপ্রভু ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন বলে কথিত আছে, সেই নিম
গাছ কাটিয়ে শ্রীবিশ্বম্ভর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শাস্ত্র বিধি অনুসারে মহাসমারোহে
মূর্তি স্থাপন করে নিত্য সেবাপূজার ব্যবস্থা করা হয়। দামোদর পন্ডিত বিগ্রহের সেবা পূজা করতেন। কাঞ্চনা নামে এক ব্রাহ্মণ কন্যা দেবীর সেবা করতেন। আজীবন তিনিই দেবীর সেবা পরিচর্যা
করতেন। এমন শোনা যায় এই কাঞ্চনা পায়ে হেঁটে অনেক কষ্ট করে পুরী যেতেন ও সন্ন্যাসীর
সংবাদ নিয়ে আসতেন। দেবীও কাঞ্চনাকে খুব স্নেহ করতেন ও ভালোবাসতেন।
এই ভাবে বেশ কিছু কাল
গত হয়। ভোর বেলা দেবী বিষ্ণুপ্রিয়া যেতেন গঙ্গাস্নান করতে ও সেই সঙ্গে মন্দিরে শ্রীবিগ্রহ
দর্শন করে আসতেন।
এক দোল পূর্ণিমার দিনে
শ্রীবিশ্বম্ভরের জন্মদিনে দেবী ভোরে গঙ্গাস্নান করে মন্দিরে ঢুকলেন। অন্যদের মন্দির
থেকে বাইরে যেতে বললেন। সকলে মন্দির থেকে বাইরে এলে তিনি ধ্যানে বসলেন। কিছুক্ষণ পরে
দরজা খুলে দেখা গেল শ্রীমতী মহাসমাধি যোগে প্রিয়তমের সঙ্গে চিরতরে মিলিত হয়েছেন। নবদ্বীপে
সেই বিষ্ণুপ্রিয়া-বিশ্বম্ভর বিগ্রহ চির পূজিত হয়ে রইলেন । ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ ওঁ
শান্তিঃ।।
🙏🙏জয় শ্রীশ্রী মহাপ্রভু🙏🙏
ReplyDelete🙏🌹🙏 প্রণাম শ্রীগুরুজী🙏🌹🙏
Pranam Prabhuji, thanks with regards. Sri Chaitannya Mahaprabhur apurba jibani amader mugdha korlo, Bhaktir Abatar chira swaranio hoye thakben, Tnar prati amader Sradhya o pranam janai.
Deleteশুভ দোল পূর্ণিমা 🙏, জয় চৈতণ্য মহা প্রভুর জয় 🙏
Deleteখুব খুব ভালো লাগলো মহা প্রভুর জীবনী পড়ে,মহারাজ আপনি আমাদের জন্য কত পরিশ্রম করেছন , মায়ের কাছে পার্থনা করি আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই 🙏।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
খুব ভালো লাগলো। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
DeleteApurb0👏👏👏👏👏👏
Delete🙏🙏🍪
Deleteশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা পুরোটা শোনার পর যখন শেষ হয়ে গেল মনটা খারাপ হয়ে গেল এরপর কি হবে? এই একটা আগ্রহ ছিল মনে আপনার দয়াতে আমরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা বিস্তারিতভাবে জানতে পারলাম আপনার শ্রী চরণে সস্তাঙ্গে প্রণাম। শিখা মন্ডল। বজবজ।
ReplyDeleteমহারাজ, আপনার অপূর্ব লেখনীর মাধ্যমে মহাপ্রভুর জীবন কাহিনী বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরে আমরা সমৃদ্ধ হলাম। আপনার চরণে স্বভক্তি প্রণাম নিবেদন করি। 🌹🌹👌🙏🙏 🙏🙏 🙏🙏
ReplyDeleteVison sundorvabe Moharaj Mohaprovu r jiboni bornona korechen onek onanake janlam sesh hoegalo mon kharap hoegslo deho tyag rohosyamoy hor toilo
DeleteKhub valo laglo
Deleteশুভ্রা লালা। দমদম
ReplyDeleteApurbo lekhanir madhyame amra sreesree maha prabhur sampurno jibani jante parlam maharajji...bhison bhalo laglo...
ReplyDeletePranam janai mahaprabhu sree chaitanya deber sree charane...🌺🙏🌺 bhakti purno pranam neben...🌸🙏🌸.....Jaya choudhury..
"Jaggannatho Swami Nayanopothogami Vabatu mey " Jai Shree Shree Chaitanya Mahaprabhu r joy 🌼🌷🙏. Jai Thakur 🌷 🌼🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌼🌷🙏🙏. Achariyo Maharajji, Mahaprabhu r 40th porbo er lekhoni porey ontor Vaktivaab e poripurno holo 🌼🙏. Mahaprabhu r Jiboncharito Kathamrita Swarup bodh holo. Apni, amader hatey dhorey Mahaprabhu ke onubhob kortey sikhya diyeychen ei 1-40th porter lekhanir madhyomey🌷🙏, amra otibo dhonnyo o porbo onubhob kori Aponer sannidhyo peyey 🙏. Sotokoti vaktivora pranam grohon korun Achariyo Maharajji 🌷 🙏.
ReplyDeleteParbati Banerjee, Siliguri.
🕉🙏🙏🙏🙏🙏🕉
ReplyDeleteখুব সুন্দর!!
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হলাম আমরা সকলে মহারাজ। "ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য " বই প্রকাশের অপেক্ষায় রইলাম।
🙏💐💐💐🙏
ANONYMOUS 15 MARCH 2024
ReplyDeleteANONYMOUS 15MARCH at1405
ReplyDeleteচৈতন্য দেব সন্মন্ধে এত সুন্দর লেখা কোনদিন পড়তে পারব ভাবিনি , মহারাজ আপনাকে অনেক প্রনাম 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteEi lekhanir modhey diea Bhakti , Tyag o Bairagyajeno murta hoea utechhe ! Modhur adhyatmic rashe MahaProbhur Jibon Hriday Bhaktir Abatar rupe chiro Amlan hoea thakbe . Swabhakti pronam naben pujonio Maharaj. 🙏🏻
ReplyDeleteমাধুরী ঘোষাল
Deleteখুব ভালো লাগলো।
অপূর্ব অপূর্ব অপূর্ব🙏 প্রণাম মহারাজ জী 🙏 এত সুন্দর করে আপনি লেখেন মনে হয় চোখে র সামনে দেখতে পাচ্ছি , আপনার সাধিন্নে না এলে জীবনে অনেক কিছুই জানা হত না🙏 অপূর্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী র কথা॥
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
অপূর্ব রচনাশৈলী ! প্রনাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমহারাজ আপনার আশীর্বাদে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের অপূর্ব লীলা ও ভক্তির কথা জানতে পারলাম। চোখে জল এসে গেল, আপনার কৃপায় কতো কিছু জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeleteআপনার সান্নিধ্যে এসে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভূ সম্বন্ধে বিশদ ভাবে জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম।প্রণাম মহারাজ🙏🙏ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDelete"ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য" , মহাপ্রভুর জীবন চরিত খুব ভালো লাগলো🙏অনেক অজানা তথ্য জানলাম ,মহারাজ জী আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এটি 🙏আমরা চিরঋণী আপনার কাছে 🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রনাম গ্রহণ করুন মহারাজ জী🙏🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
মহারাজের কাছে মহাপ্রভুর কথা সম্পূর্ণ ভাবে জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো আমার আন্তরিক ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই মহারাজের চরণে
ReplyDeleteOm shanti om shant om shanti🙏🌷 Maharaj apnar lekhani te Sri Chaitanya Mahapravu r jiban katha jante pere ami dhanya ami dhanya ami dhanya 🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু জানলাম,মহাপ্রভু সম্মন্ধে এত বিস্তারে জানতাম না।আমরা ধন্য হলাম।এবার সঙ্করা চার্য সম্মন্ধে লিখুন,যদি সম্ভব হয়।একটা বই যদিও আমরা পড়ে ছি,আরো বিস্তারে জানতে চাই ।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম মহাপ্রভুর শ্রী চরণে আভুমি প্রণাম I প্রণাম নেবেন মহারাজ জী I রুমা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 🙏 🙏 আপণার এই অসাধারণ লেখা থেকে মহাপ্রভুর ও দেবী বিষ্ণুপ্রিয়ার অনেক তথ্যকোষ জানতে পারলাম । কিন্তু মনটা খারাপ হয়ে গেল ।খুবই সত্যর অসাধারণ অধ্যায় শেষ হয়ে গেল ।
ReplyDeleteApurba, Apurba laglo ja choker
ReplyDeleteJal ase jai. Pranam Maharaj .
Pulakesh Sinha Roy
অসাধারন। প্রণাম গুরুদেব 🙏🙏🌷☘️আপনার কৃপায় চৈতন্য দেবের লীলা জানতে পারলাম 🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteঅসাধারণ উপস্থাপনা প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏🙏
ReplyDelete"ভক্তির অবতার মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য' আপনার অনন্য লেখনীতে জেনে সম্বৃদ্ধ হলাম। প্রণাম 🙏🙏মহাপ্রভুর শ্রী চরণে।
ReplyDeleteআপনি আমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।
Vokti r Abatar Mahaprabhu Shree Chaitanya Dever Jeebon katha tar sathe Shachi Matar Martya vumi Tyag r Bishnupriya Devir Kathin Sadhana r Madhyame Leela Abosan Chaitanya Dever Antar Dhyan Bishmoy o Monomugdhokar Pronàm Maharaj DumDum Cantonment REBA Banerjee
ReplyDeletePronam neben mataji
DeleteMaharajji appnar oklanta porishran er jonyo i aaj aamra Mabhaprobhur opurbo lila kotha jante parlam . Aro nuton kichu janar agrahae thaklam. Pronam nebeb .
ReplyDeletePronam Maharajji. Appnar okklanto porishron er jonyoi aaj amra Mahaprobhur opurbo leela r kotha jante parlam. Aro o nutun kichu janar opekhkhyi roilam.🙏🙏🙏🙏Seema Acharjee Vns
ReplyDeleteJoy sri chaitanya mohapravu 🙏pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai 🙏joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 moharaj mohapravur ai lekhoni nie akta boi prakash korle khub upokrit hobo amar moto pathok era apurbo lekhoni 🙏Dipa Choudhury Andul Howrah🙏
ReplyDeleteমহাপ্রভু পুরো জীবন কাহিনী জেনে খুব ভালো লাগলো।বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কাহিনী খুব অবাক করেছে। খুব সুন্দর ভাবে নিখুঁত বর্ণনা করেছেন।আমরা খুব সমৃদ্ধ হয়েছি।আপনি আমাদের আধ্যাত্মিক পথে এগিয়ে নিরাজোয়ার জন্নকত ভাবে চেষ্টা করছেন মহারাজ।প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর।
ReplyDeleteমহারাজ জী.. আপনার ত্যন্ত আন্তরিকতায়, অক্লান্ত শ্রম এবং অনেক তথ্যবহুল অসাধারণ লেখনী এই "ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু"। মহাপ্রভু'র নিখাঁদ ভালবাসার পূর্ণ ভক্তির রস কতখানি গভীর! বা কি রূপ!! কেমন হয়!!! তা চমৎকার লেখনীতে অভিভূত হয়েছি প্রতিটি পর্ব পড়ে পড়ে! তাঁরসাথে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী'র বিষয়এও.. বিস্তারিত জেনে সমৃদ্ধ হলাম। শেষ তো হয়ে গেল ; কী এক ব্যাথা অনুভব করছি মহারাজ! জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কী জয়🙏❤️🙏। জয় বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী'র জয়🙏❤️🙏। পরম শ্রদ্ধায় অন্তহীন প্রণাম করি ষষ্ঠাঙ্গে, শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজ জী🙏। সুজাতা দে, লন্ডন থেকে।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন I রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া
ReplyDeleteমহাপ্রভুর অপূর্ব জীবন কাহিনী আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্যই জানতে পারলাম মহারাজ। সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ন প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDelete🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷
রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
খুব ভাল লাগল মহাপ্রভুর জীবনী পড়ে।প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteআমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ 🙏🙏🙏 কত গবেষণা
ReplyDeleteঅক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই অমূল্য তথ্য সমৃদ্ধ মহাপ্রভু শ্রী শ্রী চৈতন্যদেবের জীবনী , যা আমরা আপনার কাছ থেকে উপহার পেলাম। আমরা ধন্য, কৃতজ্ঞ, মহাপ্রভুর আশীর্বাদ ধন্য মহারাজ। 🙏🙏🙏মহাপ্রভুর শ্রীচরণে আমার ভূলুণ্ঠিত প্রণাম জানাই । 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷
সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন। 🙏🙏🙏
সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ জীর শ্রীচরণকমলে 🌻🍁🙏 আপনার পাঠানো প্রত্যেক টি অত্যান্ত যন্ত সহকারে আমদের জন্য উপস্থাপন করেছেন। অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।
ReplyDeleteআপনার লেখা অন্যান্য,বই গুলির মতো এটা যদি বই আকারে প্রকাশ যদি করেন , খুব আনন্দ পেতাম।
জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর🌻🍁🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🌻🍁🙏
খুব ভালো লাগলো. Pronam
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ. খুব ভালো লাগলো.
ReplyDeleteMaharaj aponar sreecharan jugol e shatokoti pronam janai.ki apurbo mahaprabhu r jeeban kotha.mone hoi sesh holo na asadharan bhakti ras e paripurno.Bishnupriyadebi r kotha apurbo laglo. Pronam Maharaj. Sutapa saha Airport1
ReplyDeletePranam Maharaj
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। আপনি আমার শ্রদ্ধা ও প্রণাম নেবেন ।
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🌺🙏🌺🙏🌺🙏🌺🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর , খুব ভাল লাগল সমগ্র রচনা। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহাপ্রভুর জীবনি বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি।প্রনাম নেবেন মহারাজ। আপনার শারীরিক সুস্থতা কামনা করি।manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman.
ReplyDelete🙏🙏🙏
ReplyDelete