।। ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।।
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
============================পর্ব-৩৮=========================
শ্রীচৈতন্যদেব জীবনের শেষের
দিকে গভীর ভাবস্থ অবস্থায় থাকতেন। তাঁর এই ভাব বুঝতে পারতেন স্বরূপ দামোদর ও রায় রামানন্দ।
কুঠিয়াতে এই দুজনের সঙ্গে দরজা বন্ধ করে তাঁরা যে সব কথা আলোচনা করতেন, সাধারণ লোক
তো দূরের কথা, ভক্তরাও বুঝতে পারতেন না। তবে বাইরের লোকের সঙ্গে তিনি যখন কথা বলতেন
তখন স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলতেন। অনেকেই তাঁর গোপীভাব ও শ্রীকৃষ্ণ অনুভবের কথা জানতে
পারত না। গম্ভীরাতে থাকার সময় কত যে ভাব, মহাভাব ,দর্শনাদি হয়েছে কে তার হিসাব রাখে।
রাত্রে খুব সামান্য সময়ই ঘুমোতেন। ধ্যান-ধারণাতে রাতের অধিকাংশ সময় কেটে যেত। এখন ঘুম
আরও কমে গেল। স্বরূপ তাঁর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে নিয়মিত আহার নিদ্রার জন্য বার বার অনুরোধ
করতেন। প্রেমিক সন্ন্যাসী তখন স্বরূপের গলা জড়িয়ে বলতেন – প্রিয় সখা, আমি কি করি বল, আমি
নিরুপায়। আমার মন আর আমতে নেই। শূন্য মোর শরীর আলয়। শ্রীকৃষ্ণকে সাক্ষাৎ অনুভবের ফলে,
মন সর্বদাই নির্বিকল্প সমাধিতে লীন হয়ে থাকত। এই ভাবেই রাতের পর রাত কেটে যেত। তাই নিয়মিত
আহার নিদ্রা সম্ভব হত না।
কত উচ্চ ভূমিতে, এই স্থূল জগতের অন্তরালে কোথায় যে তিনি বিচরণ
করতেন, কে বলবে সে সব কথা।এই সময় প্রেমের দশ দশা বা অবস্থা স্পষ্টভাবে প্রকট হত। চিন্তা,জাগরণ,উদ্বেগ,ক্ষীণতা,
মলিনতা, প্রলাপ, পীড়া,উন্মত্ততা, মোহ, মৃত্যু(নিস্পন্দন অবস্থা) এই দশটি দশা প্রকট
হত। এই দশার সাধক জীবনে দু একটি হওয়া অত্যন্ত দুর্লভ। কিন্তু চৈতন্যদেবের দেহে এই দশাগুলি
সর্বদা দেখা যেত। কখনও ভগবানের বিরহে অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব করতেন। তখন চোখের জলে ভাসতেন,
কখনও স্বরূপের গলা জড়িয়ে আর্তনাদ করতেন –
হা হা কৃষ্ণ প্রাণনাথ
ব্রজেন্দ্রনন্দন।
কাঁহা যাউ কাঁহা পাউ
মুরলীবদন।।
এই ব্যাকুলতা ভাষায়
বর্ণনা করা অসম্ভব, অবর্ণনীয়।
আবার যখন অন্তরে ভগবানের
মিলনের আনন্দ হত তখন দেহে এমন পুলকের লক্ষণ ফুটে উঠত যে সমস্ত শরীরের লোম কূপ শিমূল
কাঁটার মত ফুলে উঠত। এবং লোমকূপ থেকে বিন্দু বিন্দু রক্ত পাত হত। তাঁর এই আনন্দোচ্ছ্বাস
মহা ভাগ্যবান ভক্তগণ পরমানন্দে দর্শন করতেন। মন সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাওয়ায় দেহ জড় বস্তুর মত হয়ে যেত। ভাবের গভীরে মাঝে মাঝে
দেহ কূর্মের মত আকার ধারণ করত। হাত পা সব গুটিয়ে মাংস পিণ্ডের আকার ধারণ করত। মাঝে
মাঝে আবার স্বাভাবিকের থেকে দেহ অনেক বেশি লম্বা আকার ধারণ করত। কখনও বা প্রাণের ক্রিয়া
থেমে গেছে বলে মনে হত। ভক্তেরা অবাক হতেন। স্বরূপ এই অবস্থা বুঝতে পারতেন। তাঁর নির্দেশ
মত ভক্তেরা নাম শোনালে আবার আগের মত অবস্থায় ফিরে আসতেন।
রামানন্দ ও স্বরূপ সব সময় কাছে থেকে এই পবিত্র দেহকে
নানা সহায়তা দানে রক্ষা করবার চেষ্টা করতেন। যারা এই সব ভাবের গভীর
বিষয় না জানেন, তাদের কাছে বিশেষ করে যারা জড়বাদী দৃষ্টি সম্পন্ন, তাদের কাছে এই সব
ভাব বা দৈহিক বিকার খুবই দুঃখের বলে মনে হয়। কিন্তু বাস্তবিক তা নয়। ইন্দ্রিয় দ্বারা
বিষয় ভোগের সুখ যেমনই হোক পরিণামে তা দুঃখময়। আর অতিন্দ্রীয় ভগবৎ অনুভব বাইরে দুঃখের
মতো দেখা গেলেও তা অন্তরে অনাবিল আনন্দ ধারার মত। বিষয়ী মানুষের কাছে তাই দুঃখের আকারে
দেখা গেলেও ভগবানের বিরহ ও মিলন উভয়ই পরমানন্দে পূর্ণ থাকে। ‘অন্তরে আনন্দ ধারা আস্বাদ বাহিরে
বিহ্বল’। এই গভীর ভাব দামোদর ও রামানন্দ
ধারণা করতে পারতেন আগেই বলা হয়েছে। সাধারণের পক্ষে এসব ধারণার বাইরে।
একদিন চৈতন্যদেব ভাবের
আবেশে রাত্রে কুঠিয়া থেকে বেরিয়ে যান। সারা রাত প্রায় জেগেই থাকেন, সুমধুর কৃষ্ণনাম
করতে থাকেন। স্বরূপের গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে
দেখেন চৈতন্যদেবের কোন সাড়া শব্দ নেই। মনে সন্দেহ হলে দরজা খুলে দেখেন কেউ নেই।
খুব চিন্তিত হলেন। চারিদিকে খুঁজতে লাগলেন। সকলে ব্যাকুল হয়ে খুঁজতে খুঁজতে শ্রীজগন্নাথ
মন্দিরে এসে দেখেন সিংহ দ্বারের উত্তর দিকে এক দিকে মাটিতে পড়ে রয়েছেন। স্বরূপ প্রভুকে
দেখতে পেয়ে একদিকে আনন্দিত হলেন কিন্তু দেহ প্রাণহীনের মত মনে হচ্ছে। মুখ দিয়ে লালা
ফেনা বেরুচ্ছে। স্বরূপ কানে কৃষ্ণ নাম শোনালে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন।
বাহ্যজ্ঞান ফিরে পেয়ে চৈতন্যদেব চারদিকে তাকিয়ে দেখিলেন। সিংহ দ্বারে কেন? কিকরে এলেন
এখানে? খুবই অবাক হলেন মহাপ্রভু। স্বরূপ সব কিছু বললেন এবং কুঠিয়াতে ফিরে যেতে বললেন।
চৈতন্যদেব বললেন তাঁর কিছুই মনে পড়ছে না।
এই রকম আর একদিন পুরীর
সমুদ্রে স্নান করতে গিয়ে বালির স্তূপকে গিরিগোবর্ধন ভেবে ভাবের আবেশ হয়। ভাবে তীর বেগে
ঐদিকে ছুটতে থাকেন। এত দ্রুত দৌড়তে থাকেন যে সঙ্গী সেবক গোবিন্দ প্রাণপনে ছুটেও ধরতে পারছিলেন না। গোবিন্দ তখন জোরে চিৎকার করতে থাকেন। চৈতন্যদেব যেন উন্মাদের মতো ছুটে চলেছেন।
দু চোখে অশ্রু ধারা। ঝাঁপিয়ে পড়লেন সমুদ্রে।
গোবিন্দের চিৎকার শুনে
স্বরূপ প্রভৃতি অন্যান্য ভক্তেরা তাড়াতাড়ি ছুটে আসেন। ওই অবস্থা দেখে সকলে কাঁদতে লাগলেন।
মহাপ্রভুর দেহে অতি উচ্চ আশ্চর্য সাত্ত্বিক বিকার দেখে ভক্তেরা বিস্মিত হলেন। সকলে
মিলে জোরে জোরে হরিনাম সংকীর্তন করতে লাগলেন। তখনও চৈতন্যদেবের দেহ সমুদ্রের জলে, ঢেউ
এসে আছড়ে পড়ছে দেহে। নামসংকীর্তন শুনে সহসা চৈতন্যদেব জ্ঞান ফিরে পেলেন। ভক্তদের মধ্যে
আনন্দের রোল উঠল। আনন্দে মঙ্গল ধ্বনি করতে লাগলেন সকলে।
সকলে ধরাধরি করে কুঠিয়াতে
ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে তিনি স্বরূপকে বলছেন গোবর্ধন থেকে আমাকে
এখানে কেন আনলে? শ্রীকৃষ্ণ বেণু হাতে ধেনু চরাচ্ছেন। বেণুর শব্দ শুনে রাধারানি সেখানে
এলেন। কেন আমাকে কেন এখানে বৃথা দুঃখ দিতে নিয়ে
এলে। আমি কৃষ্ণকে আর দেখতে পাচ্ছি না। এই বলে তিনি কাঁদতে লাগলেন।তাঁর সেই হৃদয় নিঙড়ানো
কান্না দেখে ভক্তদের হৃদয় বিগলিত হল। সকলেই অশ্রু বিসর্জন করতে লাগলেন।
একদিন সমুদ্রের ধারে
সুন্দর ফুলের বাগান দেখে চৈতন্যদেবের মনে বৃন্দাবনের স্মৃতি জেগে ওঠে। রাসলীলাতে শ্রীকৃষ্ণ
রাধাকে নিয়ে অন্যত্র গমন করলে ব্রজগোপীরা ব্যাকুল হয়ে বনে বনে তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন।
চৈতন্যদেবের অন্তরে সেই ভাবের স্ফুরণ হলে তিনি
দ্রুত ঐ বাগানে প্রবেশ করলেন। ভাগবতে ব্যাকুল গোপীদের মনের অবস্থা বর্ণনা করে যেমন
বলা হয়েছে, সেই রকম চৈতন্যদেব তরুলতা প্রভৃতিকে শ্রীকৃষ্ণ কোথায় জিজ্ঞাসা করছেন। কী
করে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়, ব্যাকুল হলে চারিদিকে ছুটছেন। কোথাও তাঁর সন্ধান পাচ্ছেন
না। মনে ভাবলেন তিনি বুঝি যমুনাতে গিয়েছেন। দ্রুত ছুটে চললেন যমুনার দিকে। এই তো প্রাণনাথ
কদম্বের মূলে। সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। এমন সময় স্বরূপ দামোদর প্রভৃতি
এসে হাজির হলেন। সারা দেহে তখন সাত্ত্বিক লক্ষণ। অন্তরে গভীর আনন্দবোধ। ভাব অবস্থায়
উঠে দাঁড়ালেন। চারিদিকে দেখতে লাগলেন। কোথায় গেলেন শ্রীকৃষ্ণ আর কেন দেখতে পাচ্ছি না
সেই মুরলীধারীকে। যাঁর দর্শনের লোভে দু নয়ন চারিদিকে কেবল তাঁকেই খুঁজছে।
প্রিয়রাবপদানি ভাষসে মৃত
সঞ্জীবিকয়ানয়া গিরা।
করবাণি কিমদ্য তে প্রিয়ং
বদ মে বল্গিতকণ্ঠ কোকিল।। ভাগবত১০.২১
- ওরে কোকিল! তোর কণ্ঠে যেন মধু ঢালা। তোর কথা বার্তাও আমাদের প্রাণপ্রিয়ের সুমিষ্ট
বচনের মতো মধুর। সত্যি তোর কথায় মধু ঝরে যা প্রিয়তমের বিরহে মৃত প্রেমিকের পুনর্জীবন
দান করে। তুই বল এখন আমরা তোর কোন প্রিয় কাজ করব?
ভো ভোঃ সদা নিষ্টনসে উদন্ব-
-ন্নলদ্ধনিদ্রো৳ধিগতপ্রজাগরঃ
কিং বা মুকুন্দাপহৃতাত্মলাঞ্ছনঃ
প্রাপ্তাং দশাং ত্বং চ গতো দুরত্যয়াম্।। ভাগবত ১০.৯০.১৭
অথবা বলছেন হে সমুদ্র, তোমার তো তর্জন গর্জনের শেষ নেই। তোমার চোখে ঘুম নেই
কেন? মনে হচ্ছে তোমার জেগে থাকবার রোগ হয়েছে।
কিন্তু আসলে তা নয়, আসল কারণ আমরা বুঝতে পারছি। আমাদের প্রিয় শ্যামসুন্দর তোমার ধৈর্য,
গাম্ভীর্য প্রভৃতি হরণ করে নিয়ে গেছে মনে হচ্ছে। তাতেই কি তুমি আমাদের মতো এমন ব্যাধিগ্রস্থ
হয়ে পড়েছ – যার কোন চিকিৎসা নেই।
স্বরূপ চৈতন্যদেবের ভাব বুঝতে পারতেন। তিনি ভাব অনুযায়ী কবি জয়দেবের প্রসিদ্ধ
গীত গাইলেন -
রাসে হরিমিহ বিহিতবিলাসম্
স্মরতি মনো মম কৃতপরিহাসম্ ।।
এই গীত সুমধুর স্বরে শোনা মাত্র চৈতন্যদেবের
অন্তরের প্রেমসমুদ্র যেন উথলে উঠল। তিনি গানের সঙ্গে নাচতে লাগলেন। সেই অপূর্ব স্বর্গীয়
দৃশ্য দেখে ভক্তরাও আনন্দে মেতে উঠলেন। সে নাচ যেন আর থামে না।
রামানন্দ তখন প্রভুকে ধরে বসালেন। সমুদ্রে নিয়ে গিয়ে স্নান করালেন, তারপর কুঠিয়াতে
নিয়ে এলেন। ভোজন করিয়ে প্রভুকে বিশ্রাম করাতে নিয়ে গেলেন। রামানন্দ নিজের জায়গায় ফিরে
গেলেন।
প্রায়ই ভাবস্থ থাকেন মহাপ্রভু। তাঁর
জীবন যেন পূর্ব অভ্যাস মতো চলছে। সকাল থেকে
সন্ধ্যা কি করে যে সময় চলে যায়। একদিন ভোর বেলা যেমন তিনি প্রতিদিন যান শ্রীমন্দিরে।
গিয়ে দ্বারপালের হাত ধরে ব্যাকুলভাবে বললেন – কোথা কৃষ্ণ মোর প্রাণনাথ ? মোরে কৃষ্ণ দেখাও।
দ্বারপাল বললেন কৃষ্ণ এখানেই আছেন, আমার সঙ্গে আসুন। গরুড় স্তম্ভের পেছনে থেকে
দর্শন করতে লাগলেন। শ্রীজগন্নাথকে দেখেন মুরলীবদন। প্রাণভরে প্রিয়তমকে দর্শন করতে লাগলেন।
এদিকে মন্দিরে তখন শ্রীজগন্নাথের ভোগ আরতি চলছে।
প্রাসাদী মালা নিয়ে এসে চৈতন্যদেবের গলায় পরিয়ে দিলেন। সামান্য একটু প্রসাদ
নিয়ে তাঁর জিবে দিয়ে দিলেন। প্রসাদ গ্রহণ করে চিত্তে প্রেমের আবেশ হল। এই প্রসাদে আমার
প্রাণনাথের অধরামৃতের স্পর্শ রয়েছে তাই তো এমন অপূর্ব স্বাদ। তিনি প্রেমে অশ্রু বিসর্জন
করতে লাগলেন। খানিকক্ষণ পরে কুঠিয়াতে ফিরে এলেন। অভ্যাস মতো সমুদ্রে স্নান ভিক্ষা গ্রহণ
সবই করলেন কিন্তু অন্তরে প্রসাদের অনুপম স্বাদ তখনও লেগে রয়েছে। প্রসাদে ঘি, চিনি, কুর্পূর ইত্যাদি যা ব্যবহার করা হয়েছে তার
স্বাদ মহাপ্রভু জানেন। কিন্তু এই প্রসাদে যে এত স্বাদ ও গন্ধ এর কারণ শ্রীকৃষ্ণের অধরের
স্পর্শ।
শ্রীকৃষ্ণের অধরের মাধুর্য বর্ণনা রয়েছে শ্রীমদ্ভাগবতে , রামানন্দ সেখান থেকে
শ্লোক আবৃত্তি করতে লাগলেন -
সুরতবর্ধনং শোকনাশনং স্বরিতবেণুনা সুষ্ঠু চুম্বিতম্।
ইতররাগবিস্মাবণং নৃণাং বিতব বীর নস্তে৳ধরামৃতম্।। ভাগবত ১০.৩১.১৪
গোপীরা শ্রীকৃষ্ণকে বলছেন – হে বীরশ্রেষ্ঠ, আনন্দপ্রদ, শোক বিনাশক
বাঁশি সংলগ্ন তোমার অধরামৃত যা মানুষের অন্তর থেকে বিষয়ের তৃষ্ণাকে চিরতরে দূর করে,
সে অমৃত তুমি আমাদের দান কর। শ্লোক শুনে চৈতন্যদেবের আনন্দ হাজার গুণ বেড়ে গেল। নিজেও
ওই রকম আরও শ্লোক বলতে লাগলেন। অন্তরের ব্যাকুলতা বিলাপের আকার ধারণ করল। সেই বিলাপ
শুনে উপস্থিত সকলের হৃদয় বিগলিত হল।
ক্রমশ...।
প্রণাম গুরুদেব 🙏🙏☘️🌷আশীর্বাদ করুন এই মধুর ভক্তি ভাব যেন কিঞ্চিত এ জীবনে অনুভব করতে পারি🙏🙏জঙ মহাপ্রভু 🙏🙏☘️
ReplyDeletePranam Prabhuji, Khub sundar, parba 38, Apurba lekhani. Amader sasradha pranam kanai Bhaktir Abatar Sri Chaitannyadev er uddesye. Anek kichu jana gelo.
DeleteThanks with regards.
🌹🙏🌹
জয় শ্রী মহাপ্রভু 🙏🏻🙏🏻🙏🏻ইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ
DeleteKhub Khub bhalo laglo. Khub Sundar. Pranam Maharaj 🙏 🙏
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.
অপূর্ব অপূর্ব
ReplyDeleteপ্রণাম শ্রীচৈতন্যদেব 🙏
প্রণাম মহারাজ 🙏
Mahaprabhu Shree Choroney sovakti pranam nibedon kori 🌼🌼🙏🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌼🌼🙏🙏. Ki opurbo Mahaprabhu r Vagabat Premanmodo vaab er Chitra ei 38th porbo lekhonir madhyomey sannibisto korey Vaktobrindo swamipey uposthapona korechen🙏, ta o udhabon korey kichukhon er jonyo Tat chinta te shanto hoyey chilam 🌼🌷🙏. Obornoniyo lekhoni. Sotokoti abhumi naman Achariyo Maharajji 🌼🌼🙏🙏.
ReplyDeleteParbati Banerjee Siliguri.
আলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteপ্রেমের দশ দশা বা অবস্থার নাম যেনে ধন্য হলাম মহারাজ। মহাপ্রভুর শিষ্যদের চরণেও ভক্তি পূর্ণ প্রণাম। ওনারা প্রভুর লীলা দেখেছেন। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী পড়ে খুব ভালো লাগছে। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য দেবের চরণে আমার শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি 🙏🙏🙏🙏 মহারাজ আপনাকে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteAsadharan lekhani....mon bhore gelo...etai byakulata...eto sunder bhabe barnana...kono bhasaha nei prakash karar...sattyi kon kaler sukritir janya emon sadhu sanga pelam...dhanya amra...stadha purno pranam janai...🌹🙏🌹
ReplyDeleteChaitanya Mahaprabhu Swang Paripurna JINI Vogoban Tai Tini Joggannath er Leela upovog korte parchen Dhanya Swarup Damodar r Ramananda Roy Pronàm Maharaj 🙏💕🙏 DumDum Cantonment REBA Banerjee
ReplyDelete38 o 39 Sree Chaitannya Mahaprobhur parba r lekhani ashadharon ! Bhagwat premeraak anirbachonio aananda r sagar ! Swabhakti pronam naben pujonio Maharaj 🙏🏻
ReplyDeleteঅপূর্ব উপস্থাপনা 🙏🙏👌
ReplyDelete🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগছে, এমন মধুর প্রেম, আশ্চর্য লাগছে, মন কোন অবস্থায় গেলে এই রূপ প্রেম হয়। জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🌷🙏🌷🙏🌷স্বশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ🌹🌹 এতো সুন্দর বর্ননা করেছেন।
ReplyDeleteশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে প্রণাম🙏🙏🙏
ReplyDeleteProñam Maharaj Ji 🙏🌸🌹🌸🙏 pronam sri choitonno mohaprovur, asadharon sundor khub sundar laglo,, Vogobaner dosh modhur prem Kahini jene mugdho, pronam Maharaj Ji 🙏🌸🙏,joy vogoban mohaprovur Sri chorone 🙏🌿🌹🌿🙏👌👌👌💖
ReplyDeleteঅপূর্ব উপস্থাপনা !ভীষণ ভীষন ভালো লাগলো ।আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন । ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগছে, আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ জী। সুস্থ থাকবেন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ ,মহাপ্রভুর লীলা জানতে পারছি , খুব সামান্যই জানতাম , ভালো থাকবেন , প্রণাম নেবেন ৷
ReplyDeleteSeema Acharjee Varanasi.
🙏🙏🙏
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু🙏🙏🙏
ReplyDeleteআন্তরিক প্রণাম শ্রদ্ধেয় মহারাজ🙏। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে আপনার প্রতিটি লিখাই পড়ে সত্যিই অভিভূত হই এবং অজানা তথ্য জানতেও পারছি; খুব ভালও লাগে! তাঁর স্থুল শরীরের অন্তরালে প্রেমের দশ দশা বা অবস্থাগুলো জানতে পারলাম এবং গূঢ় এমন ভাব-রসের ব্যকুলতা'র গভীরতা অনুভব করার মতো শক্তি তাত্ত্বিক বুদ্ধি জ্ঞান কিছু হলেও ভগবান দেন আমাদের -এই প্রার্থনা। জয় মহাপ্রভু'র জয়🙏। জয় দিব্যত্রয়ী'র জয় 🙏🙏🙏। সুজাতা দে, লন্ডন।।
ReplyDelete