শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।। পর্ব - ৩৭ ।।

 

                            ক  ।।     ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।।



                   ©                                                           --- স্বামী হরিময়ানন্দ

ধারাবাহিক রচনা

                  চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন। - শ্রীরামকৃষ্ণ 


      ==================পর্ব-৩৭==============


     শ্রীচৈতন্যদেবের সাধু সন্ন্যাসীদের প্রতি ভক্তি ও প্রীতির কথা হরিদাস প্রসঙ্গে পাঠককে বলেছি। নিজে গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী হয়েও গার্হস্থ্য আশ্রমকে কোন প্রকার দ্বেষ বা অবজ্ঞা করতেন না। তাঁর পরিকরদের মধ্যে অনেকে উচ্চ  কোটীর সাধক ছিলেন, তাঁরা সন্ন্যাসী না হলেও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধার ভাব ছিল। আদর্শ গৃহস্থের জীবন দেখানোর জন্য তিনি ভক্তদের উৎসাহ দিয়েছেন। প্রকৃত ত্যাগী না হলে সংসারে থেকে ভগবানের প্রতি ভক্তি অবলম্বন করে ক্রমে ত্যাগের জন্য প্রস্তুত হতে বলতেন।

      চৈতন্যদেব সনাতন ধর্মের ধারা ও প্রেমভক্তির প্রচারের জন্য যেমন একদিকে শ্রীরূপ, সনাতন, রঘুনাথ প্রভৃতিকে ত্যাগের পথে পরিচালিত করেছেন তেমনি আবার গৃহস্থ ভক্তদের বৈষ্ণব সম্প্রদায় তৈরি করে ধর্মের প্রচার ও পরিপুষ্টি করেছেন। জগতে ত্যাগীর সংখ্যা গৃহীদের তুলনায় নগন্য। গৃহীরাই বেশি। তাই চৈতন্যদেব মনোনিবেশ করলেন গার্হস্থ্য আশ্রমকে পুনারায় স্বমহিমায় স্থাপন করতে। দুর্বল জীবকে পথ দেখানোই এরকম মহাপুরুষদের কাজ। চৈতন্যদেব সে কাজে মন দিলেন।

নিত্যানন্দ

       আমরা নিত্যানন্দের কথা আগেই বলেছি। তিনি ছিলেন একজন অবধূত। চৈতন্যদেব নিত্যানন্দকে সম্মান করতেন ও তাঁর পরামর্শ শুনে চলতেন। মহাপ্রভুর নির্দেশে নিত্যানন্দ প্রভু এখন বাংলাতে থেকে ভক্তিধর্ম প্রচার করছিলেন। এবং তাঁর প্রচার বাংলাতে একটা সাড়া জাগিয়ে দিতে পেরে ছিল। প্রতি বছর তিনি গৌড় থেকে ভক্তদের নিয়ে রথের সময় পুরীতে আসতেন। এই ভাবে চৈতন্যদেবের পবিত্র সান্নিধ্য লাভে খুবই আনন্দিত হতেন। একবার রথের সময় চৈতন্যদেব নিত্যানন্দ প্রভুকে একান্তে পেয়ে তাঁর মনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন প্রভু, গৃহস্থাশ্রম ধর্মের প্রতিষ্ঠাভূমি, অন্য তিন আশ্রমের অবলম্বন স্থান। ভালো গৃহস্থ না হলে, চরিত্রবান পুত্র কন্যার জন্ম না হলে ধর্ম ও সমাজ কে রক্ষা করবে? আপনাকে আদর্শ গৃহস্থাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই গুরুভার গ্রহণ করতে আপনিই সমর্থ।

        নিত্যানন্দ তন্ত্রমতে অবধূত অবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। এই ভাবে তিনি মুক্ত ও স্বাধীন ভাবে নানা স্থানে বিচরণ করতেন। তাঁর পক্ষে এক স্থানে আবদ্ধ হয়ে থাকা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু চৈতন্যদেবের আদেশ পালন না করাও তাঁর পক্ষে অসম্ভব। মহাপ্রভুর আদেশ মাথা পেতে গ্রহণ করলেন।

       বড়গাছিয়াতে তখন এক ভক্ত পণ্ডিত সূর্যদাস সরখেল বাস করতেন। পণ্ডিতের দুই কন্যা শ্রীমতী বসুধা ও জাহ্নবীর সঙ্গে নিত্যনন্দের বিবাহ হয়। পণ্ডিত খুবই আনন্দিত চিত্তে কন্যাদান করেছিলেন। অবধূত নিত্যানন্দ এখন গৃহী হলেন। শ্রীপাট খড়দহে গৃহস্থ আশ্রম স্থাপন করলেন। দুই দেবী বসুধা ও জাহ্নবী যথার্থ  সহধর্মিণী হলেন। গৃহীর আদর্শ স্থাপনের জন্য মহাপ্রভু অবধূতকে গৃহী করলেও তাঁর কাছে সংসার ও বন গমন উভয়ই সমান ছিল। এখনও তাঁর বংশধরগণ বর্তমান এবং খড়দহ পুণ্য তীর্থস্থান রূপে গণ্য হয়ে থাকে।বহু ভক্ত আজও যান সেই লীলাস্থল দর্শন করতে।

        চৈতন্যদেবের উদ্দেশ্য ছিল সনাতন ধর্ম তথা ভক্তিমার্গের প্রচার করা। এই যুগে ভক্তিপথ ছাড়া জীবের উদ্ধারের আর সহজ পথ নেই। জীবকে তাই যথার্থ প্রেম ভক্তি শেখানোর জন্য জননীর স্নেহ, পত্নীর প্রেম ও ভক্তদের ভালবাসার ডোর ছিন্ন করে কাঙাল সেজেছিলেন। নিজে ভক্তিতে বিগলিত হয়ে ভক্তদেরও সেই জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে গেছেন। তাঁর  জীবনই একটি গ্রন্থের মতো। তিনি যে যে স্থানে গিয়েছেন সেখানেই ভক্তি প্রেমের কথা বলেছেন। বিশেষ করে পুরীধামে তিনি দীর্ঘ কাল থেকে তীর্থকে নতুন মহিমা প্রদান করেছেন। ভক্তিশাস্ত্র বলে তীর্থী কুর্বন্তি তীর্থানি। তিনি নিজে কোন গ্রন্থ রচনা করেছেন বলে জানা যায় না।

     পুরীধাম ভারতের অতি প্রাচীন ও প্রধান প্রধান তীর্থক্ষেত্রের অন্যতম। পরমেশ্বর পরমাত্মা পরব্রহ্ম শ্রীশ্রীজগন্নাথদেব কত ভক্তের কাছে কত ভাবে প্রকট হয়েছেন, কে তার হিসাব রাখে। ইতিহাস তার স্বরূপ সন্ধান করতে গিয়ে কুল কিনারা পায় না। চৈতন্যদেব নিজে পুরীর মহিমা বিশেষভাবে উপলদ্ধি করেছেন ও মহাপ্রসাদের মাহাত্ম্য প্রচার করেছেন। শ্রীজগন্নাথদেবকে তিনি তাঁর ইষ্টদেবতা দ্বারকানাথ রূপে দর্শন করতেন। শ্রীজগন্নাথের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ভাষায় বর্ননা করা কঠিন। প্রতিদিন ভোরে মন্দিরে গিয়ে দর্শন ছিল তাঁর প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। স্নান যাত্রার পর যখন মূল মন্দির বন্ধ থাকত তখন চৈতন্যদেবের পক্ষে পুরীবাস অসহ্য হয়ে উঠত। তিনি প্রেমে ও ভাবে বিহ্বল হয়ে কখনও কখনও শ্রীজগন্নাথদেবকে মণিমা মণিমা বলে ডাকতেন। মণিমা কথার অর্থ সর্বেশ্বর। ওড়িশাবাসীরা শ্রীজগন্নাথদেবকে ওই নামে ডাকতেন। কখনও কখনও চৈতন্যদেব ভাবে  ও ব্যাকুলতায় উড়িয়া পদও বলতেন

জগমোহন পবিমুন্ডা যাই।

মন মাতিলারে চকা চন্দ্রকু চাঞি।।

ভগবানের নামের মহিমা শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু রচিত শ্রীশিক্ষাষ্টকম্‌ এ  অতি সুন্দর ভাবে বর্ণিত হয়েছে।

চেতোদর্পণমার্জননং ভবমহাদাবাগ্নি-নির্বাপণং

শ্রেয়ঃকৈরবচন্দ্রিকা-বিতরণং বিদ্যাবধুজীবনম্‌।

আনন্দাম্বুধিবর্ধনং প্রতিপদং পূর্ণামৃতাস্বাদনং।

সর্বাত্মস্নপং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসংকীর্তনম্‌।।

ভগবানের নাম জপ ১)করলে চিত্তদর্পণ মার্জিত হয়। নাম চিদ্‌ঘন আনন্দস্বরূপ।২) সংসাররূপ মহাদাবাগ্নিকে নির্বাপিত করে। ৩)শ্রেয়ঃকৈরবচন্দ্রিকা-বিতরণং অর্থাৎ শ্রেয়ঃ-কৈরব বা মুক্তিরূপ শ্বেতপদ্মের উপর, চন্দ্রিকা বিতরণং অর্থাৎ জ্যোৎস্না বর্ষণ করে। ৪) বিদ্যা-বধু-জীবনম্‌ অর্থাৎ পরাবিদ্যারূপ বধুর জীবন স্বরূপ। ৫) আনন্দ সাগরের স্ফীতি হয়। ৬) প্রতি পদে পূর্ণ আনন্দ আস্বাদন হয়। ৭) সর্বাত্মস্নপনং সকলের চিত্ত অবগাহন স্নানের মতো নির্মল হয়। অর্থাৎ সূর্য যেমন  অন্ধকার দূর করে, বায়ু যেমন মেঘকে দূরে সরিয়ে দেয়, তেমনি ভগবানের নাম যাবতীয় মলিনতা দূর করে।

ভগবানের নাম সাধন সুলভ কেন?

নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্বশক্তি-

স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণে ন কালঃ।

এতাদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি

দুর্দৈবমীদৃশমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ।। 

 হে ভগবান,  তোমার নামই জীবের সর্বমঙ্গল বিধান করে। তোমার নাম বহুপ্রকারে প্রকাশিত। তোমার সকল শক্তি নামে অর্পিত হয়েছে। নাম স্মরণের জন্য কোন সময়ের বিধিও নেই। তোমার এমনই করুণা, কিন্তু আমার এমনই দুর্দৈব যে এই জন্মে অনুরাগ হল না।

ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাং বা জগদীশ কাময়ে।

মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি।।

হে জগদীশ, আমি ধন, জন সুন্দরী স্ত্রী বা সর্বজ্ঞত্ব কামনা করি না। হে ভগবান, তোমাতে যেন আমার জন্মে জন্মে অহৈতুকী ভক্তি হয়।

এই শিক্ষাষ্টকমের একেবারে শেষের শ্লোকে বলছেন

আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মাম্‌

অদর্শনাৎ মর্মহতাং করোতু বা।

যথা তথা বা বিদধাতু লম্পটো

মৎপ্রাণনাথস্তু স এব নাপরঃ।।

    সেই রসরাজ পদানুরক্ত  আমাকে আলিঙ্গনপূর্বক পেষিতই করুন, অথবা দর্শন না দিয়ে মর্মে বিদ্ধই করুন, কিংবা আমাকে যথেচ্ছ ব্যবহার করুন, তথাপি তিনিই আমার প্রাণনাথ, অপর কেউ নয়।ভক্তির এক অপূর্ব ভাব ও পূর্ণ শরণাগতি এখানে প্রকাশিত হয়েছে।

     শিক্ষাষ্টকমে যে মহান আদর্শের কথা বলা হয়েছে চৈতন্যদেবের জীবন হল তারই জীবন্ত মূর্তি। জীবনের অর্ধেক সময় চব্বিশ বছর গৃহস্থ আশ্রমে থেকেছেন পরবর্তী চব্বিশ বছর সন্ন্যাসীর জীবন।

     চৈতন্যদেবের সন্ন্যাস জীবনের প্রথম ছয় বছর প্রধানত পরিব্রাজক হিসাবে তীর্থ দর্শন ও নানা স্থান ভ্রমণে ও হরিনাম বিতরণে ও প্রেমভক্তি দানে ব্যয়িত হয়েছে। পরের আঠার বছর তিনি শ্রীক্ষেত্র ত্যাগ করে কোথাও যাননি। এই আঠার বছরের মধ্যে ছয় বছর ভক্তদের শিক্ষা, সংগঠন ও ভবিষ্যতে ভাব প্রচারের ব্যবস্থা করেন। পরের বারো বছর ভক্তি পথের শ্রেষ্ঠ সাধন গোপীপ্রেম নিজ জীবনে প্রকটিত করে আস্বাদন করেন। সময়ে সময়ে অন্তরঙ্গ পার্ষদদের লোকশিক্ষার জন্য স্থানে স্থানে পাঠাতেন। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে নানা স্থানে ভক্তির স্রোত দ্রুত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সমাজের উচ্চ নীচ ধনী দরিদ্র সকলের মধ্যে প্রবল ভক্তির জোয়ার এল। ভক্তি ভাব প্রচারের ফলে ধর্মের গ্লানি দূর হল।তাঁর অভিপ্রায় অনুসারে নিত্যানন্দ ও অদ্বৈতাচার্য, শ্রীবাসাদি ভক্তবৃন্দ প্রেম ভক্তিতে বঙ্গদেশ বিশেষ করে গৌড় অঞ্চলকে মাতিয়ে দিলেন। দাক্ষিণাত্যে ও পশ্চিম ভারতে প্রভু নিজেই পরিভ্রমণ কালে ভক্তিপথের প্রচার করেন।

        সন্ন্যাস গ্রহণের পর প্রায় বারো বছর কেটে গেলে চৈতন্যদেবের মন ক্রমশ স্থূল বাহ্য জগতের বিষয় ত্যাগ করে সূক্ষ্ম ভাব জগতের মধ্যে বিচরণ করত। জীবনের শেষ কয়েক বছর প্রেম ভক্তির দুর্লভ অনুভবের মূর্তিমান বিগ্রহ রূপ ধারণ করে ছিলেন। শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে -

আত্মারামাশ্চ মুনয়ো নির্গ্রন্থা অপ্যরুক্রমে।

কুর্বন্ত্যহৈতুকীং ভক্তিমিত্থম্ভূতগুণো হরিঃ।।

     আত্মারাম  মহাত্মাগণ সমস্ত কামনা বাসনার পারে গিয়েও  ভগবানের অহৈতুকী ভক্তিসম্পন্ন হন। দেহাত্মবুদ্ধি থাকতে বা অন্তরে সামান্যতম ভোগবাসনা থাকলে এই ভক্তি অসম্ভব। একেই শাস্ত্রে পরা ভক্তি বলা হয়েছে। ব্রজগোপীরা এই দুর্লভ প্রেমের অধিকারী ছিলেন।

      ভাবের দৃষ্টিতে দাস্য,সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর এর চার রসের মধ্যে বাৎসল্য ও মধুর রস হল সর্ব শ্রেষ্ঠ। চিরকুমার শুকদেব  রাজর্ষি পরীক্ষিতের কাছে ভাগবত কথা প্রসঙ্গে যে গভীর গোপীপ্রেমের কথা বলেছেন তা চিরকাল মানুষের কাছে দুর্বোধ্য বলে বিবেচিত হত, যদি না চৈতন্যদেবের জীবনে এই ভাবের স্ফুরণ দেখা যেত। তিনি এই ভাবের দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছেন। জগতে এই নিষ্কাম প্রেমের মহিমা ও রস মাধুর্য আস্বাদন করানোর জন্য তিনি জীবনে তা দেখালেন।

                                               ক্রমশ......

Comments

  1. খুব ভালো লাগছে মহারাজ মহাপ্রভুর জীবন কথা। প্রণাম নেবেন। ভালো থাকবেন। 🌹🌹🙏🙏

    ReplyDelete
  2. শুভ্রা লালা।

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রনাম🙏🙏🙏🙏

      Delete
    2. Pronam Maharaj 🙏 khub bhalo laglo. Kichu e jantam na. Anek kichu jante parlam. 🙏🙏🙏

      Delete
    3. খুব ভালো লাগছে।অজানা কিছুও জ্ঞাত হচ্ছে।সশ্রদ্ধ প্রণাম

      Delete
    4. মহাপ্রভুর এই অসাধারণ জীবনের ঘটনাবলী আপনি খুব সুন্দরভাবে সুললিত ভাষায় বলেছেন। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏। স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা।

      Delete
    5. প্রনাম মহারাজ। আপনার অসাধারণ এই লেখা পড়ে আমরা ভক্তি পথে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করছি।

      Delete
  3. প্রণাম মহারাজ জী 🙏 শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যত শুনি মনে হয় আর ও শুনি। কিছুই জানতাম না আপনার সাধিন্নে আসার ফলে জানতে ও বুঝতে পারছি , চেষ্টা করি জীবনে এই সব জ্ঞান কাজে লাগানোর কত টা সম্বব হবে জানি না🙏
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  4. প্রণাম মহারাজ জী।

    ReplyDelete
  5. অপূর্ব সুন্দর। এতো বিস্তারিত ভাবে তথ্য সমৃদ্ধ ঘটনাবহুল শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও বাণী আগে কখনো পড়িনি।
    সমৃদ্ধ হলাম। আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
    স্বপ্না রায়, রাজারহাট।

    ReplyDelete
  6. আলো ব্যনার্জী।
    'মণিমা' অর্থাৎ সর্বেশ্বর খুব ভালো লাগলো নতুন কিছু জানতে পেরে, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী পড়ে অনেক অজানা কিছু জানতে পারি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার ভাষা নেই। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর প্রেম ভক্তি র কথা। প্রণাম আচার্য্য দেব । মাধুরী ঘোষাল নাগের বাজার।

      Delete
  7. Pranam mahaprabhu...khub bhalo lagche maharajji..anek kichu jante parlam..sabhakti pranam janai...🌹🙏🌹
    Jaya choudhury...

    ReplyDelete
  8. খুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি এটা সম্ভব হয়েছে আপনার সান্নিধ্যে এসে সাধুসঙ্গ এত দুর্লভ আপনার মতন সাধু সঙ্গ করতে পারছি। এ আমাদের পরম পাওয়া আপনি আমাদের আধ্যাত্মিক জ্ঞান দিয়ে আমাদের মুক্তির পথে নিয়ে চলেছেন আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল পজবজ।

    ReplyDelete
  9. খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর জীবনকথা। প্রণাম মহারাজ।

    ReplyDelete
  10. খুবই ভালো লাগছে মহারাজ জী। আপনি আমার প্রণাম নেবেন, দিব‍্য ত্রয়ীর কাছে আপনার সর্বদা সুস্থ জীবনের কামনা করি।

    ReplyDelete
  11. প্রণাম শ্রীচৈতন্যদেব🙏
    প্রণাম মহারাজ ।খুব ভালো লাগলো

    ReplyDelete
  12. অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি।জানার আগ্রহ আরও বাড়তে থাকে। প্রণাম গ্রহণ করবেন।ভাল থাকবেন। মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  13. জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জয়🌷💥🙏 জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজীর জয়🌷💥🙏শিক্ষাষ্টকমের শ্লোক গুলো এতো সহজ সরল বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিলেন , অনেক ভালো লাগছে আনন্দে চোখ থেকে জল পড়ছে,কবে সে ভাব, বিশ্বাস পূর্ণ শরণাগতি হবে সকৃতজ্ঞ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏 গুরু কৃপাহি কেবলম্ 🙏🌷☘️🌷☘️🙏🙏

    ReplyDelete
  14. খুব ভাল লাগল মহাপ্রভুর সম্পর্কে জানতে পারলাম ।আরো অনেক কিছু জানতে পারবো আশাকরি অপেক্ষা করে থাকবো। প্রণাম নেবেন মহারাজ
    মীনা সিনহা রাজারহাট

    ReplyDelete
  15. 🙏🙏🙏🙏🙏Ratna Chatterjee from purnea.

    ReplyDelete
  16. 🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  17. ভীষণ ভালো লাগছে মহারাজ! আপনার কৃপা তে বিভিন্ন বিষয়ে জানার সৌভাগ্য হয়েছে মহারাজ! আপনার চরণে আন্তরিক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  18. 🙏🙏🙏প্রণাম গুরুজী🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  19. মহাপ্রভুর জীবনী পড়ে খুবই ভালো লাগছে মহারাজ। 🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  20. Maharaj apnar kalame sri Chaitanya Mahapravu r jiban katha jante pere khub valo lagche 🙏🙏 amar antarer sata sata vakti shuva kamana grahan karu Maharaj🙏🙏 Shampa Dhar

    ReplyDelete
  21. Apurba khub bhalo laglo. Aro January
    I have parla bhalo hay. Pranam Maharaj. Pulakesh Sinha Roy 🙏🙏

    ReplyDelete
  22. Khub bhalo laglo. Khub sundar.
    Pranam Maharaj 🙏 🙏

    ReplyDelete
  23. Pulakesh Sinha Roy

    ReplyDelete
  24. প্রণাম আচার্য দেব 🙏🙏🙏. মহাপ্রভুর জীবনের অনেক গভীর তথ্যকোষ জানতে পারছি আপণার উপস্হাপন।

    ReplyDelete
  25. অপূর্ব প্রেম ভক্তির নিদর্শন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। ঈশ্বরের প্রতি প্রেম ই একমাত্র বিষয়। খুব ভালো লাগছে পড়তে। স্বশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ🌹🌹

    ReplyDelete
  26. আপনার খুব সুন্দর বর্ণনায় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য দেব সম্বন্ধে জানতে পারছি।খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর ভক্তদের সম্পর্কে জেনে। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম মহারাজ।প্রণাম নেবেন।🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  27. Mahaprabhu Joggannath Dev ke Nizer Ista devat Dwarka Dhis Vabe Dekten Khardaha Nityananda Pravur Bongshodhorgan Shyama Sundar er Sthapan Tai Shree Ramakrishna DevmDum Dum
    Cantonment REBA Banerjee pronam janai Maharaj Apnakeo bolten Khardar ShyamDundar Hete Chole Berai Katha bolen KathaMrita Darun Ananda pela

    ReplyDelete
  28. Pronam neben mharaj indrani Kundu

    ReplyDelete
  29. Khub sundar lagchey.
    Pranam Maharaj .

    ReplyDelete
  30. আত্মজ্যোতি পেইজে প্রতিনিয়ত শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু‘র ভগবত প্রেম, অহৈতুকী ভক্তি রসে বিভোরের কথা পড়ছি আর মুগ্ধ হচিছ! এই যে মহান ত্যাগ, বৈরাগ্য যে কত প্রখর তা‘র অনুমান শক্তি অর্জিত হয়নি । শ্রী জগন্নাথদেবকে তিনি তাঁর ইষ্ট দেবতা “দ্বারকানাথ“ রূপে দর্শন করতেন...চুম্বক আকর্ষণের মতই তাঁর অহৈতুকী ভক্তি ছিল - আমরা পাঠক পাঠিকা পড়ছি , অনুভব করছি কিন্তু বাস্তবে এই পর্য্যায়ে কতখানিক হতে পারছি - তাই ভাবি। অন্তরের আকুল ভক্তিতে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে। পরম শ্রদ্ধায় আন্তরিক প্রণাম গুরু মহারাজ জীকে। অন্তরের ভালবাসা ও পূর্ণ ভক্তিতে প্রণাম করি ষষ্ঠাঙ্গে দিব্যত্রয়ী‘র শ্রী চরণে।

    ReplyDelete
  31. আত্মজ্যোতি পেইজে প্রতিনিয়ত শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু‘র ভগবত প্রেম, অহৈতুকী ভক্তি রসে বিভোরের কথা পড়ছি আর মুগ্ধ হচিছ! এই যে মহান ত্যাগ, বৈরাগ্য যে কত প্রখর তা‘র অনুমান শক্তি অর্জিত হয়নি । শ্রী জগন্নাথদেবকে তিনি তাঁর ইষ্ট দেবতা “দ্বারকানাথ“ রূপে দর্শন করতেন...চুম্বক আকর্ষণের মতই তাঁর অহৈতুকী ভক্তি ছিল - আমরা পাঠক পাঠিকা পড়ছি , অনুভব করছি কিন্তু বাস্তবে এই পর্য্যায়ে কতখানিক হতে পারছি - তাই ভাবি। অন্তরের আকুল ভক্তিতে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে। পরম শ্রদ্ধায় আন্তরিক প্রণাম গুরু মহারাজ জীকে। অন্তরের ভালবাসা ও পূর্ণ ভক্তিতে প্রণাম করি ষষ্ঠাঙ্গে দিব্যত্রয়ী‘র শ্রী চরণে। সুজাতা রানী দে। লন্ডন, ইউ.কে থেকে।

    ReplyDelete
  32. PRONAM MAHAPRABHU. APNAR SANNIDHAYA ESE ONEK KOTHA JANTE PARCHI. PRONAM NEBEN MAHARAJ

    ReplyDelete
  33. অপূর্ব,অসাধারণ!!
    খুব ভাল লাগলো।অন্তরের শ্রদ্ধাসহ ভক্তিপূর্ন প্রণাম জানাই।
    রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর

    ReplyDelete
  34. খুব সুন্দর লাগল। প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  35. অপূর্ব, আমরা মহা প্রভুর সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম, এভাবে আমদের এগিয়ে নিয়ে যান, প্রণাম মহারাজ

    ReplyDelete
  36. খুব ভালো লাগলো কতকিছু জানতে পারলাম 🙏🙏

    ReplyDelete
  37. সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।পরম সৌভাগ্য আমাদের তাই বারে বারে পড়তে পারছি, শতকোটি প্রণাম।

    ReplyDelete
  38. Joy mohaprovur joy🙏🙏🙏
    Voktipurno pronam neben maharaj 🙏🙏🙏

    ReplyDelete

Post a Comment