ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
==============================পর্ব-৩৪=====================
জগদানন্দের সেবা ও ভক্তি
সকলকে পেট ভরে প্রসাদ খাওয়ানো হলে শেষে জগদানন্দ নিজে প্রসাদ খেতে বসলেন।
গোবিন্দকে বললেন কুঠিয়াতে গিয়ে প্রভুর পদসেবা করতে। নিজের জন্য তিনি বিশেষ চিন্তা
করেন না, প্রভুর সুখের জন্য তিনি সর্বদা ব্যস্ত থাকেন। গোবিন্দ কুঠিয়াতে গিয়ে
চৈতন্যদেবকে সব খবর দিলেন। জগদানন্দ প্রসাদ পেতে বসেছেন এই কথা গোবিন্দের মুখে
শুনে চৈতন্যদেব নিশ্চিন্ত হলেন। প্রভুর প্রতি জগদানন্দের অপরিসীম প্রেমভক্তি দেখে
ভক্তরাও খুব বিস্মিত হলেন।
সন্ন্যাসীর আদর্শ
জগদানন্দ সব সময় চেষ্টা করতেন চৈতন্যদেবের শরীর যাতে ভালো থাকে। পরের দিকে
রাত দিন ভগবৎ চিন্তায় বিভোর হয়ে থাকায় শরীর খুবই ক্ষীণ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
জগদানন্দ এই সময় কলাগাছের শুকনো খোলা যাকে ‘শরলা’ বলা হোত, প্রভুর
আরামের জন্য বিছানাতে বিছিয়ে রাখতেন। প্রাচীন কালে মুনি ঋষিরা গাছের ছালের বস্ত্র
যেমন পরতেন বিছানাতেও ব্যবহার করতেন। যা হোক এই বিছানা খুব সুখকর বলে মনে হয় না।
প্রভুর এই রকম কঠোর ব্যবস্থা দেখে তিনি আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি পাতলা মিহি
কাপড় গেরুয়া রঙ করে ভালো শিমুল তুলো দিয়ে
বালিশ ও গদি তৈরি করে সেবক গোবিন্দের হাতে দিয়ে বললেন, প্রভুর বিছানাতে বিছিয়ে
দিতে। শুধু গোবিন্দে ভরসা নেই, তাই
জগদানন্দ স্বরূপ দামোদরকেও বিশেষ অনুরোধ করলেন যাতে প্রভু বালিশ ও গদি ব্যবহার
করেন।
রাত্রে শয়নের সময় প্রভু বালিশ আর গদি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন এই সব কোথা থেকে
এলো? আর এখানে বিছানো হয়েছে কেন? গোবিন্দ তখন হাত জোড় করে সব কথা বললেন। জগদানন্দ
আপনার কষ্ট হয় ভেবে এই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। জগদানন্দের নাম শুনে আর বিশেষ
কিছু বললেন না, আবার হয়তো কিছু করে বসবেন। তাই বিছানা এক পাশে সরিয়ে রেখে কলার
শরলাতেই শয়ন করলেন। স্বরূপ বললেন জগদানন্দ কষ্ট করে আপনার জন্য এনেছেন, একদিন অন্তত
ব্যবহার না করলে তাঁর 🫵মনে কষ্ট হবে। এর উত্তরে চৈতন্যদেব বলেন – জগদানন্দ কি আমাকে
বিষয়ী করতে চায়? আমি সন্ন্যাসী মাটিতে শয়ন করা আমার উচিত, আমার আবার বালিশ গদি!
দামোদর স্বরূপ আর কিছু বলতে সাহস পেল না।
অগত্যা শুকনো কলা পাতা সরু সরু করে চিরে চৈতন্যদেবের ব্যবহৃত পুরনো কাপড়
দিয়ে ওয়াড় করে বালিশের মতো করে দিয়েছিলেন। চৈতন্যদেব তাই ব্যবহার করতেন।
জগদানন্দের মনের দুঃখ কিন্তু মিটল না।
জগদানন্দ চৈতন্যদেবকে যে কতো ভালবাসতেন ও সেবাযত্ন করতেন তার আর একটি ঘটনা
এখানে বলে রাখি। চৈতন্যদেব যখন কাশী বৃন্দাবন যাত্রা করেন তখন বলভদ্র ভট্টাচার্য
ও এক ভৃত্য ব্রাহ্মণ সঙ্গে ছিলেন। এ ছাড়া অন্য কেউ সঙ্গে ছিল না। জগদানন্দ সঙ্গে
যেতে চাইলেও অনুমতি পাননি। অবশেষে অনেক বুঝিয়ে অনুমতি পেলে চৈতন্যদেব তাঁকে খুব
সাবধানে পথে চলাফেরার উপদেশ দিয়ে ব্রজধামে আসতে বলেন। সেই মতো পুরী থেকে যাত্রা
করে জগদানন্দ বিভিন্ন তীর্থ দর্শন করে ব্রজধামে এসে হাজির হন। তখন সনাতন বৃন্দাবনে
থাকতেন। সনাতনকে পেয়ে আনন্দ আরও বেড়ে গেল। সনাতন বৃন্দাবনে ভিক্ষা করে যা পেতেন
তাই খেতেন আর বাকি সময় ভগবানের নাম করতেন। জগদানন্দ একদিন সনাতনকে ভিক্ষা গ্রহণ
করার জন্য নিমন্ত্রণ করলেন। সনাতন বিধি সম্মত সন্ন্যাস গ্রহণ না করলেও তিনি
সন্ন্যাসীর মতোই জীবনযাপন করতেন।তাঁর ত্যাগ, তিতিক্ষা বৈরাগ্যপূর্ণ জীবন কোন অংশে
সন্ন্যাসীর থেকে কম ছিল না। এক সন্ন্যাসী তাঁকে একবার একটি গেরুয়া বস্ত্র দান
করেছিলেন। সনাতন সেই বস্ত্র মাথায় বেঁধে জগদানন্দের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে চললেন।
ভিন্ন সম্প্রদায়ের গেরুয়া বস্ত্র মাথায় বেঁধেছেন দেখে জগদানন্দ অত্যন্ত রাগান্বিত
হলেন। এমনি রেগে গেলেন যে, রাগে ভাতের হাঁড়ি তুলে মারতে গেলেন। তখন সনাতন লজ্জিত
ভাবে হাত জোড় করে বললেন, “আপনার কাছে আমি এমন
ব্যবহারই আশা করেছিলাম। আপনার কৃপায় আমার জ্ঞান লাভ হল”। অনেক সময় মাধুকরী ভিক্ষার সুবিধার জন্য গেরুয়া বস্ত্র
অনেকে ধারণ করেন। কারণ সাদা কাপড়ে লোকে চাল, ডাল, আটা ইত্যাদি কাঁচা জিনিস ভিক্ষা
দেন। গেরুয়া পরে ভিক্ষাতে গেলে রান্না করা জিনিস ভিক্ষা পাওয়া যায়। সে জন্য যারা
ব্রহ্মচারী সাদা কাপড় পরে কিন্তু মাথায় গেরুয়া কাপড় বেঁধে মাধুকরীতে গেলে রান্না
করা ভিক্ষা পাওয়া যায়। তবে ইচ্ছা মতো গেরুয়া পরা নিয়ম নয়, কোন সন্ন্যাসীর থেকে তা
বিধিপূর্বক গ্রহণ করতে হয়। সনাতনকে তাই ঐ ভাবে গেরুয়া মাথায় বাঁধা অবস্থায় দেখে
তাই জগদানন্দ রেগে গিয়েছিলেন।
আগেই বলা হয়েছে প্রতি বছর গৌড়ীয় ভক্তরা নানা রকমের খাদ্য দ্রব্য নিয়ে
পুরীতে যেতেন। পানিহাটীর ভক্ত রাঘব পণ্ডিত নানা জিনিস সংগ্রহ করে প্রতি বছর
পাঠাতেন। ‘রাঘবের ঝালি’ নামে ভক্তদের কাছে তা প্রসিদ্ধ
ছিল।ভক্ত শিবানন্দ সেন বাহক সহযোগে ঐ ঝালি প্রতি বছর পুরীতে নিয়ে যেতেন। সেবক
গোবিন্দের হাতে সব বুঝিয়ে দিতেন। এই ঝালিতে যে সব খাবার দাবার থাকত তার তালিকা
চৈতন্যচরিতামৃতে উল্লেখ পাওয়া যায়। এর দ্বারা বোঝা যায় বাংলায় এক সময় কত কিছু
পাওয়া যেত। খই, চিড়ে মুড়ি তিল নারকেল ইত্যাদি ঘিতে ভেজে চিনির রসে মেখে নানা রকমের
সুস্বাদু খাবার তৈরি করে চৈতন্যদেবের সেবার জন্য পাঠানো হত। শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মতো
চৈতন্যদেবেরও অসাধারণ গঙ্গাপ্রীতি ছিল। তাই গঙ্গার মাটি তুলে জলে গুলে মিহি কাপড়ে
ছেঁকে খুব সাবধানে শুকিয়ে ছোট ছোট চকের মতো করে থলেতে ভরে সারা বছরের ব্যবহারের
জন্য পাঠানো হত।
ভক্ত কালিদাস
যা হোক, এখন এক ভক্তের কাহিনী আপনাদের শোনাই। ভক্তের নাম কালিদাস।
চৈতন্যদেবের খুব প্রিয় ভক্ত। অদ্ভুত এক স্বভাব ছিল কালিদাসের। তিনি ভক্তের
উচ্ছিষ্ট প্রসাদ যে ভাবেই হোক খাওয়ার জন্য খুব চেষ্টা করতেন। কালিদাস ছিলেন হিরণ্য
গোবর্ধন দাসের জ্ঞাতি ফলে তাঁর সামাজিক মর্যাদা তো ছিলই। কিন্তু তিনি সেই মর্যাদার গৌরবে অহংকার করতেন না। যে কোন ভক্তের নাম শুনলেই তিনি তাঁর প্রসাদ
গ্রহণের জন্য চেষ্টা করতেন। ভক্তের জাতকুলমান এই সব তিনি বিচার করতেন না। সেই সময়
একজন ভক্ত ছিলেন ঝড়ু-ঠাকুর। তিনি নীচ কুলে জন্ম গ্রহণ করলেও উচ্চ ভাব ভক্তির
অধিকারী ছিলেন। সকলের কাছে তাঁর খুব ভক্ত বলে খ্যাতি ছিল। কালিদাস একদিন
ঝড়ু-ঠাকুরের কাছে প্রসাদ পাওয়ার প্রার্থনা জানলেন। কিন্তু তিনি অতি নীচ কুলে জাত
বলে সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করলেন। ঝড়ু ঠাকুরেরে স্ত্রীর কাছে প্রার্থনা জানিয়ে কোন
ফল হল না। তখন কালিদাস এক বুদ্ধি করলেন। সন্ধ্যার সময় কিছু মিষ্টি আম নিয়ে
ঝড়ু-ঠাকুরের সেবার জন্য তাঁর স্ত্রীর হাতে দিলেন। কালিদাস নিজে ঝড়ুঠাকুরের ঘরের
পাশে আড়ালে লুকিয়ে থাকলেন। যথাসময়ে ঝড়ুঠাকুর রাত্রে খেতে বসলে ঐ আম তাঁর স্ত্রী
তাঁকে খেয়ে দিলেন। খাওয়া শেষ হলে অন্যান্য উচ্ছিষ্ট ও আমের আঁটি বাইরে ফেলে দেয়।
কালিদাস তো এর জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। তিনি আগ্রহ সহকারে ওই আঁটি কুড়িয়ে চুষতে
লাগলেন। বহু দিনের স্বাদ পূর্ণ হল।
ভক্ত কালিদাস পুরীতে এসে চৈতন্যদেবের প্রসাদ গ্রহণের জন্য ব্যাকুল হলেন।
কিন্তু চৈতন্যদেবের প্রসাদ পাওয়া সহজ কথা নয়। কালিদাসও নিরস্ত হওয়ার মানুষ নয়। মনে
মনে ভগবানের কাছে প্রার্থনা জানিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন, সুযোগের জন্য। চৈতন্যদেব
যখন ভোর বেলায় শ্রীজগন্নাথ দর্শনে যেতেন
তখন সেবক জলভরা কমণ্ডলু নিয়ে সঙ্গে যেতেন। মন্দিরে ঢোকার আগে , সিংহদ্বারের
উত্তর দিকে পা ধুয়ে ভেতরে যেতেন। এই পাদোদক গ্রহণ করা তো দূরের কথা কেউ তা স্পর্শ
করতেও সাহস করতেন না। কালিদাস একদিন ভোর বেলায় চৈতন্যদেবকে অনুসরণ করলেন।
চৈতন্যদেব পা ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধ কালিদাস অঞ্জলিতে ঐ জল গ্রহণ করে পান করে
ফেললেন।
পর পর তিন বার এই পাদোদক কালিদাস পান করলেন। এবার চৈতন্যদেব গম্ভীর ভাবে
বললেন আর কখনও হাত পেতো না। কালিদাস অবনত মস্তকে সেই আজ্ঞা শিরোধার্য করলেন। ভক্ত কালিদাসের
স্বভাব ও অন্তর চৈতন্যদেব বিশেষ ভাবে জানতেন তাই তিনি তাঁকে নিরাশ করেন নি। শুধু
তাই নয় ভগবান ভক্তের মনের অবস্থা বুঝতে পারেন।
একদিন গোবিন্দকে দিয়ে তাঁর ভুক্তাবশেষ পাত্র কালিদাসের জন্য পাঠিয়ে
দিয়েছিলেন।
কত ভক্ত ও সমাজের গণ্য
মান্য লোক জন তাঁকে সাক্ষাৎ ভগবান বলে শ্রদ্ধা ভক্তি করলেও এতে তাঁর মধ্যে কখনও
কোন অহংকারের ভাব প্রকাশ পেত না। সংসারের লোক মান যশকে একটা বিরাট জিনিস বলে মনে
করেন ও তা পাওয়ার জন্য লালায়িত হন, কিন্তু চৈতন্যদেব এসবকে ঘৃণার চোখে দেখেন।
ভক্তের দৃষ্টিতে তিনি যেমনই হোক না কেন, চৈতন্যদেব নিজেকে সর্বদা ভগবানের পদাশ্রিত
নিঃসম্বল সন্ন্যাসী বলেই জানতেন। এমনকি তাঁর সামনে কেউ তাঁকে বাড়িয়ে বললে তিনি
খুবই অপছন্দ করতেন ও প্রতিবাদ করতেন।
ক্রমশ........................
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি খুব খুব ভালো লাগছে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনে এত ঘটনা জানতে পারছি আপনার মতন সাধুসঙ্গ করতে পারছি বলে আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteঅপূর্ব খুব ভালো লাগলো আচার্য্য দেব। অনেক কিছু জানতে পারছি। প্রণাম মাধুরী ঘোষাল
Deleteপ্রনাম মহাপ্রভু🙏🙏🙏🙏
DeletePronam Maharaj 🙏. Age kichu e jantam na. Khub bhalo lagche 🙏
Deleteপ্রণাম মহাপ্রভু। ভক্তি দাও। কৃপা কর।
Deleteআনন্দ পেলাম পড়ে।। প্রনাম নেবেন মহারাজ।
Delete🙏🙏🙏
Deleteজয় চৈতন্য মহা প্রভুর জয় 🙏
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
খুবই ভালো উপস্থাপনা মহারাজ জী। আপনার অকান্ত পরিশ্রমের জন্য আমরা এতকিছু অজানা তথ্য জানতে পারছি। আপনি আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ জী।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ🙏🙏
DeleteVoktipurna sostango pronam neben Acharya gurumoharaj apnar lekha porte porte mone hoi manos chokhei sob ri Chaitanya Mohaprovur joydekhte pachhi joy Sri Chaitanya Mohaproy
Delete🙏🙏জয় শ্রীশ্রী মহাপ্রভু 🙏🙏
ReplyDeleteএতো সুন্দর নিখুঁত প্রাণবন্ত বর্ণনা ... আমার গুরুজীর পক্ষেই সম্ভব!
🙏🙏🙏প্রণাম শ্রীগুরুজী🙏🙏🙏
আলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteকি অতুলনীয় ভক্তি , পড়ে খুব ভালো লাগলো। আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏
Apurbo...Khub bhalo laglo ...kato ajana katha jante parchi...Joy mahaprabhur joy....🙏pranam maharajji...🙏🙏
ReplyDeleteJaya choudhury....
💐💐🙏🙏
ReplyDeleteJoy Maha pravu r joy 🙏🙏 Maharaj apnar ato sundar lekhani te Mahapravu r jiban katha jante parchi khub sundar khub sundar khub sundar apnar sri charan jugale amar antarer vakti shuva kamana tuku nibedan kari🙏🌹 Shampa Dhar
ReplyDeleteMoha provur kahini Porte Porte jagadananda,jhoru thakur, kalidas onader kotha alpo jante parlam khub valo, valo thakben,amader anek lekha upoher dichen deben,pronam moharaj
ReplyDeleteজয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏 জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
ReplyDeleteMahaprabhu r Shree padopodmey Vaktivora pranam nibedon kori 🌻🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🙏. Dwkhtey dekhtey Mahaprabhu r kahinir 34 No. Porbo er lekhoni porey mugdho holam, Achariyo Maharajji 🌻🌻🌷🌷🙏🙏. Kalidas er Vaktivaab er byakulota ek opurbo nidarshon swarup🌻🙏. Ar, Mahaprabhu r Sannyash Adarsha ek mohan Tyag er nidarshanswarup🌻🙏. Opurbo lekhoni, Achariyo Maharajji 🙏🙏. Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ,অসাধারণ।🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏ভক্তের ভক্তি যে কত গভীর হতে পারে, সেই জ্ঞান, আপনার প্রকাশিত লেখা না পড়লে জানতাম না। আমার মত সাধারণের কাছে এই 'সরল চৈতন্য চরিতামৃত' অমূল্য সম্পদ। আপনার শারীরিক সুস্থতা কামনা করি, সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ।🙏
ReplyDeleteমহাপ্রভুর সম্পর্কে যতই জানতে পারছি তত বেশি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে আশাকরি আর অনেক কিছু জানতে পারবো। অপেক্ষা করে থাকবো ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রণাম মহারাজ জী 🙏 প্রতিটি পর্ব ই ভক্তি র কথায় পরিপূর্ণ , সনাতনের মত ভক্ত খুব ই বিরল। আপনার সাধিন্নে আসার ফলে এত কিছু জানতে পারছি মহারাজ জী 🙏 ঠাকুর মা স্বামী জী র কৃপায় আপনি ভালো থাকুন🙏
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
সুন্দর শ্রীচৈতন্য কথা পড়ছি, কতো কিছু জানতে পারছি🙏🙏🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ জী🙏🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Apurba sri চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্তির এত গভীর ভাবে জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো।ধন্য আমরা আরো কিছু জানবো ,মহারাজ আপনি ভালো ও সুস্থ থাকুন কামনাকরি এই গুরু মহারাজ জি আরো উন্নতি r পথে এগিয়ে যেতে এগিয়ে দেবেন । প্রণাম মহারাজ জি 🙏🙏,, অঞ্জলী বিশ্বাস নৈহাটি।
ReplyDeleteAsadharon sri chitonno moha provu voktirgovirota jene mugdho ,moharaj ji apnar jonno somvob asa kori aro anejanbo ,sustho thakun , pronam Maharaj Ji 🙏🌸🙏,, Anjali Biswas Naihati
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতি জগদানন্দের ভালবাসা বিরল।ভাল লাগলো এসব জেনে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই পূজনীয় লেখক আচার্য দেব কে।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteনাম বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে। বাড়ি মালদা।
Deleteঅপূর্ব লেখা।
ReplyDeleteধন্য ভক্ত জগদানন্দ ধন্য ভক্ত কালিদাস। ধন্য মহাপ্রভুর সমগ্র ভক্তবৃন্দ।
ধন্য মহারাজ।
ধন্য আমরাও।
শত সহস্র ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করুন মহারাজ।
মহাপ্রভূর অমৃতময় কথা শুনে আমরা ধন্য হচ্ছি। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। স্মৃতি রেখা গোস্বামী ।
ReplyDeleteএবারের পর্ব ও সমানভাবে সুন্দর এবং মনোগ্রাহী। প্রাঞ্জল ভাষায় ভাব গম্ভীর বিষয়ে আলোচনা এক কথায় অপূর্ব। মদনমোহন বেজ ব্যান্ডেল।বেস্ট ব্যান্ডেলআমর,,,আপ্লুতআপ্লুত
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ। ভক্ত ভগবানের অনেক লীলা আপনার লেখার মাধ্যমেই জানতে পারলাম। ভাল লাগল। manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman billagram.
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏🙏কি যে ভালো লাগলো মহারাজ,কত ভক্তদের মনের ভাব জানতে পারছি,আহা অপূর্ব অপূর্ব 🙏
ReplyDeleteসুজাতা মুখার্জি কর🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhoob bhalo laglo pore.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য দেবের লেখা পড়তে। বৈরাগ্য, ভক্তি, শ্রদ্ধা অবাক করার মতো। পরম আস্থা গুরুর প্রতি। স্বশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ🌹🌹
ReplyDeleteচৈতন্য মহা প্রভু র কথা জানতে পারলাম খুব ভাল লাগল, আপনি সুস্থ থাকুন আমাদের একটু একটু করে ইশ্বর মু খ করে তুলুন, pronam neben moharaj, asima batabyal howrah shibpur
ReplyDeleteপ্রণাম শ্রী শ্রী মহাপ্রভুর শ্রীচরণে । প্রণাম নেবেন মহারাজ জী I রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া ।
ReplyDelete