শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।। পর্ব-33

                                         ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য




                   ©                                                           --- স্বামী হরিময়ানন্দ

ধারাবাহিক রচনা

                  চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন। - শ্রীরামকৃষ্ণ 

                         =========================পর্ব-৩৩==================

     কঠোর জীবন

    শ্রীচৈতন্যদেবের  জীবন যে কঠোর তপস্যায় পূর্ণ ছিল তার পরিচয় পাঠক নিশ্চয় পেয়েছেন। খাওয়া দাওয়া ইত্যাদিতে তিনি খুবই সংযমী ছিলেন। এখানে এই বিষয়ে আর একটি ঘটনা খুব অপ্রাসঙ্গিক হবে না। 

বাল্যবন্ধু গদাধর

    চৈতন্যদেবের ছোটবেলার বন্ধু গদাধরের কথা আগে বলা হয়েছে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী। ভক্তি ও প্রেমের প্রতিমূর্তি ছিলেন। এই গদাধর এক সময় পুরীতে সমুদ্রের ধারে কুঠিয়া করে থাকতেন ও সারাদিন সাধন ভজন করতেন। ত্যাগ তপস্যায় জীবন কাটত। যা পেতেন ভিক্ষায় তাতেই চলে যেত। চৈতন্যদেবের সাহচর্যে আনন্দে সর্বদা তাঁর হৃদয় পূর্ণ থাকত। তাঁর প্রেমপূর্ণ ব্যবহার সকলের চিত্তকে আকর্ষণ করত। মাঝে মাঝে চৈতন্যদেব তাঁর কুঠিয়ায় আসতেন। কিছু সময় আলাপ আলোচনায় কাটিয়ে আবার ফিরে যেতেন। একদিন চৈতন্যদেব স্নান করে গদাধরের কুঠিয়াতে এসে দেখেন রান্নার আয়োজন হচ্ছে। চৈতন্যদেব মধুর হাসিতে বললেন, পণ্ডিত আজ তোমার এখানেই ভিক্ষা নেব। গদাধর কোন দিন এমন সৌভাগ্যের কথা কল্পনাও করেননি। তাঁর প্রাণ আনন্দে ভরে উঠল। কিন্তু পরমুহূর্তে তাঁর খুব চিন্তা হল। প্রাণপ্রিয় বন্ধুকে কী দিয়ে খাওয়াবেন। তিনি খুবই গরিব। কুঠিয়াতে তো কিছুই নেই। যাঁকে সাধ্যসাধনা করে মানুষ পায়না, শত চেষ্টা করেও যাঁর সেবার সুযোগ লোকে পায় না, তিনি স্বয়ং আজ দুয়ারে দাঁড়িয়ে ভিক্ষা চাইছেন। কিন্তু কি দেবেন? তাঁকে দেওয়ার মতো কিবা আছে  দরিদ্র ব্রহ্মচারীর কুঠিয়ায়।

    ভাবে প্রেমে বিভোর গদাধর। চোখের জলে ভাসছেন। কাছের বাগান থেকে কিছু শাক তুলে আনলেন। কুঠিয়াতে বেগুন ছিল। কচি নিম পাতা দিয়ে নিম-বেগুন ভাজা করলেন। আর তেতুল পাতা দিয়ে চাটনি বানালেন। এদিকে চৈতন্যদেবের খুব ক্ষিদে পেয়েছে। গদাধর অনুরোধ করলেন একটু অপেক্ষা করতে। কিন্তু তিনি যেন আর সহ্য করতে পারছেন না। অবশেষে নিজেই পাতা নিয়ে বসে পড়লেন। বার বার ভিক্ষা চাইতে লাগলেন। এই সামান্য খাবার কিভাবে খেতে দেবেন, দুঃখে গদাধরের হৃদয় ফেটে যাচ্ছে। ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে প্রেমাশ্রু বিসর্জন করতে করতে সন্ন্যাসীকে ভিক্ষা দিলেন। পবিত্র শাকান্নের মধুর গন্ধে চারিদিক আমোদিত হয়ে উঠল। চৈতন্যদেব তাঁর খুব প্রশংসা করতে করতে খুব তৃপ্তি করে আহার করলেন। প্রতিটি পদ চেয়ে চেয়ে খেতে লাগলেন। এই সব সামান্য খাবার কিন্তু সাত্ত্বিক ভাবে ও পরম ভালোসায়ায় প্রস্তুত বলে অত্যন্ত সুস্বাদু মনে হল। তিনি বললেন এমন সুস্বাদু খাবার কখনও খেতে পাই না।

     চৈতন্যদেব মজা করে গদাধরকে বললেন, পণ্ডিত এমন ভালো রান্না কোথায় শিখলে? গত জন্মে বোধ হয় তুমি বৈকুণ্ঠের রাঁধুনী ছিলে। এমন ভাল ভাল জিনিস রান্না করে চুপি চুপি নিজে খাও, আমাকে দাও না। মাঝে মাঝে  তোমার কুঠিয়াতে আসব ভিক্ষা নিতে। গদাধর অবিরল প্রেমধারায় ভাসিলেন। পাঠক, এই ঘটনার পাশাপাশি মনে রাখতে হবে সার্বভৌম মহাপ্রভুর জিহ্বাতে চিনি দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। শুকনো বালির মতো তা জিহ্বা থেকে ঝরে পড়েছিল।

     শুধু যে আহার বিষয়ে চৈতন্যদেব কঠোর নিয়ম পালন করতেন তাই নয়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি এক আদর্শ সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করতেন। এই আদর্শে তিনি এত কঠোর থাকতেন যে কোন ভাবে তার পরিবর্তন হত না। আরাম, ভোগবিলাস বা ব্যক্তিগত সুখ সাচ্ছন্দের প্রতি কোন দৃষ্টি ছিল না। ভক্তরা চাইতেন তাঁর দেহকে অতি যত্নে রক্ষা করতে। ভক্তেরা তাই নানা প্রকার জিনিস নিয়ে আসতেন তাঁর জন্য কিন্তু তিনি তাদের অনুরোধ উপরোধ রক্ষা করতে পারতেন না।

পণ্ডিত জগদানন্দ

   পণ্ডিত জগদানন্দের কাহিনী এখানেই পাঠককে বলে রাখি।  জগদানন্দ ছিলেন চৈতন্যদেবের বাল্যসখা ও চিরসঙ্গী। চৈতন্যদেব যখন সন্ন্যাস গ্রহণের পর পুরীরে আসেন জগদানন্দও তাঁর সঙ্গে পুরীতে বাস করতে থাকেন। জগদানন্দ ছিলেন আজীবন নৈষ্ঠিক ব্রহ্মচারী। পুরীতে যখন থাকতেন মাঝে মাঝে মহাপ্রভু গর্ভধারিণীর ও ভক্তদের খবর নেওয়ার জন্য গৌড়ে পাঠাতেন। অন্য সময় তিনি কাশী বৃন্দাবন প্রভৃতি তীর্থেও গিয়েছিলেন। জগদানন্দ নিজে ত্যাগ তিতিক্ষা পূর্ণ জীবনযাপন করলেও চৈতন্যদেবের এতো কঠোরতা তিনি পছন্দ করতেন না। প্রাণপ্রিয় সখার এত খাওয়া দাওয়ায় সংযম ও কড়াকড়ি নিয়ম দেখে খুবই দুঃখ পেতেন। চেষ্টা করতেন বাল্যবন্ধুকে ভালো খাওয়াতে পরাতে, কিন্তু সন্ন্যাসীর শিরোমণি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ভারতী তা করতে দিতেন না। নন্দ-উৎসবের সময় মহারাজ প্রতাপরুদ্র শ্রীজগন্নাথদেবের  মূল্যবান প্রসাদী বস্ত্র চৈতন্যদেবকে দিতেন।সেই বস্ত্র তিনি মাথায় স্পর্শ করে গ্রহণ করলেও নিজে কখনও ব্যবহার করতেন না। উপযুক্ত কাউকে দিয়ে দিতেন। কখনও নবদ্বীপে শচীমায়ের জন্যও পাঠিয়ে দিতেন।

একবার জগদানন্দ প্রসাদী কাপড় মালা চন্দন মহাপ্রসাদ নিয়ে নবদ্বীপে যান। নবদ্বীপের সকলে চৈতন্যদেবের সংবাদ পেয়ে খুবই আনন্দিত হলেন।

        ফেরার সময় পরমভক্ত শিবানন্দ সেনের বাড়ীতে কয়েক দিন থাকেন। ঐ সময় তিনি চৈতন্যদেবের জন্য বায়ুপিত্ত শান্তির জন্য বিশেষ যত্নে এক প্রকার আয়ুর্বেদ তেল তৈরি করান। চন্দনাদি দিয়ে প্রস্তুত সেই তেল বেশ সুগন্ধ করা হল। কঠোর ধ্যান ধারণায়, সাধন ভজনে ও রাত্রি জাগরণের ফলে দেহে বায়ুর প্রকোপ হয় ও তার ফলে সুনিদ্রা না হয়ে চৈতন্যদেবের শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল। তাই তার মনে হয়েছিল এই তেল ব্যবহার করলে প্রভুর শরীর সুস্থ থাকবে। জগদানন্দ এই তেল কলসীতে ভরে একটি লোকের মাথায় দিয়া সঙ্গে করে পুরীতে আসেন। চৈতন্যদেবের সেবক গোবিন্দকে ওই তেলের কলসী দিয়ে বললেন সেই তেল অল্প অল্প করে প্রভুর মাথায় দেবে, এতে বায়ু পিত্ত শান্ত হবে। গোবিন্দ ঐ কথা মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন।

     তিনি অত্যন্ত গম্ভীর হয়ে গেলেন ও বললেন সন্ন্যাসীর সুগন্ধি তেল ব্যবহার করা উচিত হয়। বরং শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য দিয়ে দাও, তাতে জগদানন্দের পরিশ্রম সার্থক হবে। পরদিন গোবিন্দের মুখে যখন শুনলেন প্রভু ঐ তেল ব্যবহার করতে রাজী নন, তাঁর আর দুঃখের সীমা রইল না।  অভিমানে হৃদয় পূর্ণ হল, মুখে কোন কথা না বলে উঠে চলে গেলেন। গোবিন্দ জানতেন জগদানন্দের মনের অবস্থা। তাই কয়েক দিন পরে আবার গোবিন্দ কাতরভাবে মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন একটু তেল মাথায় মাখলে পণ্ডিতের মনের ইচ্ছা পূর্ণ হয়। উওরে মহাপ্রভু রেগে গিয়ে বললেন, হ্যাঁ,  একটা তেল মাখানোর লোক রাখো, তাহলে আরও ভালো হবে।  এই সুখের জন্যই তো আমি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছি।

       গোবিন্দ আর বেশি কিছু বলতে সাহস পেল না। পরদিন জগদানন্দকে সন্তুষ্ট করার জন্য বললেন সুগন্ধি তেল ব্যবহার করা সন্ন্যাসীর পক্ষে নিন্দনীয় কাজ। কাজেই তা আমার ব্যবহার করতা চলবে না। তুমি অনেক কষ্ট করে এনেছ, জগন্নাথদেবের মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানোর কাজে লাগলে তোমার পরিশ্রম সার্থক হবে।

      জগদানন্দ অভিমানে বলে উঠলেন -কে বলল তোমার জন্য তেল এনেছি। এই বলে ঘরের ভেতর থেকে তেলে কলসী রেগে বাইরে ছুঁড়ে ফেললেন। মাটির কলসী ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। তেল চারিদিকে গড়িয়ে পড়ল। জগদানন্দ কাঁদতে কাঁদতে সেই তেলের উপর দিয়ে ছূটে বেরিয়ে গেলেন। কুঠিয়ায় গিয়ে দরজা বন্ধ করে পড়ে থাকলেন স্নান খাওয়া বন্ধ।

         পরদিন চৈতন্যদেব এই খবর ভক্তদের মুখে জানতে পেরে খুন দুঃখে পেলেন ও নিজে জগদানন্দের কুঠিয়ায় গিয়ে ডাকাডাকি শুরু করলেন।কিন্তু জগদানন্দ কোন সাড়া শব্দ দিলেন না, দরজাও খুললেন না। তখন তাঁকে খুশী করার জন্য অন্য উপায় না পেয়ে চৈতন্যদেব বললেন  - জগদানন্দ, আজ আমি আমি তোমার এখানেই ভিক্ষা নিতে আসব। তুমি তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা কর। ব্যস, এতো রাগ অভিমান কোথায় যেন মুহূর্তে মিলিয়ে গেল। দরজা খুলে জগদানন্দ বাইরে বেরিয়ে এলেন ও চৈতন্যদেবের শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গে প্রণত হলেন। চৈতন্যদেব তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। সুমিষ্ট কথায় তাঁর মনের অভিমান ধুয়ে মুছে পরিষ্কার হয়ে গেল। জগদানন্দ করজোড়ে মহাপ্রভুকে স্নান করে আসতে বললেন ও তিনি নিজে স্নান করে নানা প্রকার রান্নার আয়োজন করতে লাগলেন। মনের আনন্দে জগদানন্দ সেদিন নানা পদ রান্না করে প্রভুকে নিবেদন করলেন। প্রভুও  তা গ্রহণ করলেন। প্রিয়তমকে মনে আনন্দে খাওয়াতে পেরে তেলের জন্য আর কোন দুঃখ রইল না। সব কথা ভুলে গেলেন। নিজের ভিক্ষা গ্রহণের পর চৈতন্যদেব জগদানন্দকে আহার গ্রহণের অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি গোবিন্দের প্রসাদ গ্রহণের পর খাবেন জানালেন। মহাপ্রভুর ইচ্ছা ছিল জগদানন্দের প্রসাদ গ্রহণের পর তিনি কুঠিয়াতে ফিরবেন। জগদানন্দের অনুরোধে তিনি কুঠিয়াতে ফিরে এলেন কিন্তু গোবিন্দকে দায়িত্ব দিয়ে এলেন জগদানন্দের প্রসাদ গ্রহণ নিজ চোখে দেখে  তাঁকে জানানোর জন্য।

 

Comments

  1. খুব সুন্দর গুরুদেব 🙏🙏☘️🌷আরো জানার অপেক্ষায় 🙏🙏☘️🌷

    ReplyDelete
    Replies
    1. জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
      প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏।
      মৌসুমী রায় কোচবিহার।

      Delete
    2. এই ব্লগগুলি পড়ে খুব ভালো লাগছে। অনেক কিছু জনাতে পরছি।
      তাপস দে, মালদা ।

      Delete
    3. Pronam Maharaj 🙏 anek kichu jante parlam. Age jantam na. Keya Bhattacherjee Cuttack.

      Delete
    4. জয় মহাপ্রভু 🙏🏻🙏🏻🙏🏻❤️❤️

      Delete
    5. ইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ

      Delete
  2. চৈতন্য দেবের বাল্য বন্ধু গদাধর ও জগদানন্দের কথা পড়ে খুব ভালো লাগলো ও অনেক কথা জানতে পারছি। আপনি আমাদের জ্ঞান লাভের জন্য নানান ভাবে চেষ্টা করেন। প্রণাম নেবেন মহারাজ, ভালো থাকবেন। 🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. মহাপ্রভুর বাল্যবন্ধুদের এই অসাধারণ প্রেমাভক্তিপূর্ণ জীবনের অজানা কথা জেনে হৃদয় আপ্লুত হলো।।প্রণাম নেবেন মহারাজ অঁ🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। কলকাতা

      Delete
  3. Khub bhalo laglo ....balya bandhu gadadhar...o jagadananda er katha pore...
    anek kichu jante parlam...
    Sradha purno pranam janai maharajji...🙏jaya choudhury

    ReplyDelete
  4. অনেক নুতন তথ‍্য সব সময়ই সামনে আসছে আর জানার ইচ্ছাও প্রবল হচ্ছে। সব ই আপনার অকান্ত পরিশ্রমের ফল। আপনি সুস্থ থাকুন ঠাকুরের কাছে এই প্রার্থনা জানাই। আপনি আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ জী।

    ReplyDelete
  5. জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জয় 🌷💥🙏জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজী জয়🌷💥🙏

    ReplyDelete
  6. খুব খুব ভালো লাগলো শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে। আপনার কাছে এসে আমরা অনেক আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করছি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী এতকিছু আছে আপনার সান্নিধ্য না পেলে জীবনটাই বৃথা হয়ে যেত। আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।

    ReplyDelete
  7. মহাপ্রভুর কত কথা মহারাজের কৃপায় জানতে পারছি খুব আনন্দ পাচ্ছি প্রণাম নেবেন মহারাজ অঞ্জু শ্রী মুখার্জী বর্ধমান

    ReplyDelete
  8. মহারাজ কত নতুন অজানা তথ্য জানতে পেরে আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি আপনার কৃপায় । আগামী দিনের অপেক্ষায় রইলাম ।আপনি আমার প্রনাম নেবেন ।ভালো থাকবেন ।।

    ReplyDelete
  9. ভক্তের ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🙏🙏
    সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ🙏

    ReplyDelete
  10. প্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো।

    ReplyDelete
  11. 💐💐🙏🙏

    ReplyDelete
  12. Apurba. Khub bhalo laglo Maharaj.
    Pranam Maharaj 🙏 🙏
    Pulakesh Sinha Roy.

    ReplyDelete
  13. Khub valo laglo maharaj

    ReplyDelete
  14. চৈতন্য মহাপ্রভুর ত্যাগ তিতিক্ষা, সবার প্রতি প্রেম ভালোবাসা দেখে অবাক লাগে। আজও তিনি সকলের শ্রদ্ধাভাজন। খুব ভালো লাগছে। স্বশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ।

    ReplyDelete
  15. আলো ব্যনার্জী
    খুব ভালো লাগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী পড়তে। কতো কিছু জানতে পারি আপনার এতো সুন্দর লেখার মাধ্যমে। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  16. প্রতি বারের মত এবার ও খুব ভাল লাগল।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  17. খুব ভালো লাগলো প্রনাম ঠাকুর🙏

    ReplyDelete
  18. আহা একেই বলে ভক্তি 🙏কি অপূর্ব ভক্তিভাব মহাপ্রভুর সঙ্গীদের🙏অবতার যখন ধরায় অবতীর্ণ হন কলমিলতাদের সঙ্গে আনেন,সাধারণদের শিক্ষা দেবার জন্য🙏 জয় ঠাকুর🙏৩৪ পর্বের অধীর অপেক্ষায় রইলাম🙏
    সশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ জী🙏🙏🙏
    সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

    ReplyDelete
  19. খুব সুন্দর। খুব ভালো লাগলো। প্রনাম মহারাজ 🙏 ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।

    ReplyDelete
  20. Vaktir Avatar Shree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree padopodmey sotokoti vaktivora pranam nibedon kori 🌻🌻🌷🌷👏👏🙏🙏. Sosrodhyeo vaktivora pranam Achariyo Maharajji 🌻 🌷 🙏. 33rd porber lekhoni porey khubei mugdho holam, Achariyo Maharajji 🙏. Maharajji, Apni hatey dhorey amader Mahaprabhu r Vaktivaab ke gyato hotey sikhiyey jacchen👏, kichui jantam na agey, sudhu Mahaprabhu r naam ti jantam🙏. Uni vaktiprem sikhya ditey esechilen, opurbo 🌷🙏.

    ReplyDelete
  21. প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
    খুব ভালো লাগে চৈতন্য দেব এর কথা পড়তে ।

    ReplyDelete
  22. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর বিষয়ে জানতে পারছি,খুব সুন্দর লেখনীর মাধ্যমে। ভীষণ ভাল লাগছে।এভাবে মহাপ্রভুর বিষয়ে জানবো ভাবিনি। পূজনীয় লেখক আচার্যদেব কে ভক্তি পূর্ণ প্রণাম,আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। শ্রদ্ধা জানাই এই মহতী উদ্যোগ এর জন্য।নাম - বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে। বাড়ি - মালদা।জয় ঠাকুর।

    ReplyDelete
  23. Shree Chaitanya Dever Balyabandhu Gadadhar r Jogadanander Vokti Priti janlam Anirbochania Ananda pelam REBA Banerjee Dum Dum Cantonment theke Pronàm Maharaj

    ReplyDelete
  24. শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত মহাগ্রন্থ কে এত সুন্দরভাবে ভক্ত বৃন্দের কাছে তুলে ধরছেন যাতে আমরা সকলেই অভিভূত। আমার ভু লুন্ঠিত প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।

    ReplyDelete
  25. খুব ভাল লাগল মহারাজ। মহাপ্রভুর কত সংযমী জীবন ধারণ , কি ভীষণ বন্ধু বৎসল ছিলেন 🙏 কত কিছুই যে জানতে পারছি । ভীষণ ভাল লাগছে মহারাজ । আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ 🙏
    সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏

    ReplyDelete
  26. প্রণাম মহারাজ জী 🙏 খুব ভালো লাগলো🙏 আগামী পর্বে র অপেক্ষা য় থাকলাম।🙏
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  27. Ki sundar uposthapona mon bhore geche
    Pronam grohan korben Maharaj. Sutapa saha

    ReplyDelete
  28. খুবই ভালো লাগছে। অনেক নতুন তথ্য জানতে পারছি প্রণাম জানাই মহারাজে চরণে
    সোনালী ভট্টাচার্য্য হাওড়া

    ReplyDelete
  29. Joy sri krishna chaitanya maha pravu r joy joy Maharaj🙏🙏🌷🍀 Shampa Dhar🙏🙏

    ReplyDelete
  30. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু‘র প্রতিটি পর্বই পড়ে মুগ্ধ হয়ে যাই! তাঁঁর বাল্যবন্ধু গদাধরের সঙ্গের ঘটনা। যেমন চৈতন্যদেবের সাহচর্য পেলে গদাধরের হৃদয় প্রেমে পূর্ণ হয়ে যেতো। গদাধরের কুঠিয়াতে প্রভু ভিক্ষান্ন গ্রহণ করলে অন্তর আনন্দে তৃপ্ত হয়ে উঠতো! তারপর পন্ডিত জগদানন্দ সেও ছিলেন চৈতন্যদেবের বাল্যসখা ও চিরসঙ্গী। প্রভু ধ্যান-সাধন ভজনে রাত্রি জাগরণে দেহে বায়ুর প্রকোপ হলে শরীর খারাপ হতে থাকলে চিস্তিত হন জগদানন্দ। আয়ুর্বে দ তেল প্রস্তুত করিয়ে কলসি ভরে লোকসঙ্গে পুরীতে এসে গোবিন্দকে দিয়ে বললেন - এই তেল অল্প অল্প করে প্রভুর মাথায় দিলে বায়ু পিত্ত শান্ত হবে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই মহাপ্রভু তা ব্যবহারতো করলেন না। তারপর মহারাজ প্রতাপরুদ্র শ্রী জগন্নাথদেবের মূল্যবান প্রসাদী বস্ত্র দিলৈ তিঁনি তা মাথায় স্পর্শ গ্রহণ করলেও নিজে ব্যবহার না করে অন্যকে দিয়ে দিতেন। মহাপ্রভুর এই যে সংযম কড়াকড়ি নিয়ম, কঠোর তপস্যা কী বলবো! মনকে দারুণভাবে অভিভূত করে! এমন ত্যাগী, সংযমী, একেবারেই যেটুকু না হলেই নয় জীবন বাঁচিয়ে রাখার জন্য .. পড়লে, জানলে সত্যি সত্যিই মুগ্ধ হতে হয়! খুব ভালও লাগে...অন্তর প্রস্ফুটিত হয় ! জয় মহাপ্রভুর জয়! বিনম্র আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই শ্রদ্ধেয় মহারাজ জীকে। আরও লিখা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম। জয় দিব্যত্রয়ী‘র জয়।

    ReplyDelete
  31. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু‘র প্রতিটি পর্বই পড়ে মুগ্ধ হয়ে যাই! তাঁঁর বাল্যবন্ধু গদাধরের সঙ্গের ঘটনা। যেমন চৈতন্যদেবের সাহচর্য পেলে গদাধরের হৃদয় প্রেমে পূর্ণ হয়ে যেতো। গদাধরের কুঠিয়াতে প্রভু ভিক্ষান্ন গ্রহণ করলে অন্তর আনন্দে তৃপ্ত হয়ে উঠতো! তারপর পন্ডিত জগদানন্দ সেও ছিলেন চৈতন্যদেবের বাল্যসখা ও চিরসঙ্গী। প্রভু ধ্যান-সাধন ভজনে রাত্রি জাগরণে দেহে বায়ুর প্রকোপ হলে শরীর খারাপ হতে থাকলে চিস্তিত হন জগদানন্দ। আয়ুর্বে দ তেল প্রস্তুত করিয়ে কলসি ভরে লোকসঙ্গে পুরীতে এসে গোবিন্দকে দিয়ে বললেন - এই তেল অল্প অল্প করে প্রভুর মাথায় দিলে বায়ু পিত্ত শান্ত হবে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই মহাপ্রভু তা ব্যবহারতো করলেন না। তারপর মহারাজ প্রতাপরুদ্র শ্রী জগন্নাথদেবের মূল্যবান প্রসাদী বস্ত্র দিলৈ তিঁনি তা মাথায় স্পর্শ গ্রহণ করলেও নিজে ব্যবহার না করে অন্যকে দিয়ে দিতেন। মহাপ্রভুর এই যে সংযম কড়াকড়ি নিয়ম, কঠোর তপস্যা কী বলবো! মনকে দারুণভাবে অভিভূত করে! এমন ত্যাগী, সংযমী, একেবারেই যেটুকু না হলেই নয় জীবন বাঁচিয়ে রাখার জন্য .. পড়লে, জানলে সত্যি সত্যিই মুগ্ধ হতে হয়! খুব ভালও লাগে...অন্তর প্রস্ফুটিত হয় ! জয় মহাপ্রভুর জয়! বিনম্র আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই শ্রদ্ধেয় মহারাজ জীকে। আরও লিখা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম। জয় দিব্যত্রয়ী‘র জয়। সুজাতা দে - ইউ.কে।

    ReplyDelete
  32. প্রনাম শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণে আভুমি প্রনাম ৷ প্রনাম মহারাজ জী ৷ রুনা পালিত . কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া ৷

    ReplyDelete
  33. প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। খুব ভালো লাগলো।

    ReplyDelete
  34. কী অপূর্ব ভক্তি ! অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। এতো বিস্তারিত ভাবে জানতামই না।আপনার সান্নিধ্যে এসে সবসময় কতো কিছু জানলাম।
    জয় মহাপ্রভু।🪷🪷🪷
    প্রণাম মহারাজ। 🙏💐
    রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।

    ReplyDelete
  35. সত্যি খুব ভালো লাগছে পড়তে। প্রণাম নেবেন মহারাজজী। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    ReplyDelete
  36. Joy mohaprovu🙏🙏🙏
    Voktipurno pronam neben maharaj🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  37. Pronam Maharaj, Chaitanya Mahaprabhu r shombondhe onek kichhu jante parlam Aapnar jonno. Aaro kichhu jante ichhe korchhe. Aapni shustho thakun. From Anjali Mandal, Bangalore

    ReplyDelete
  38. প্রণাম নেবেন

    ReplyDelete
  39. মহারাজ আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন 🙏🙏, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবন কাহিনী পড়লে মনে অনেক শান্তি লাভ করি,এত ভালো লাগে 🙏🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  40. Joy Mahapravur Joy Respected Maharaj apni amar pranam neben

    ReplyDelete
  41. প্রণাম মহারাজ । ধারাবাহিক ভাবে মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের কাহিনী তে আমরা ঋদ্ধ হচ্ছি। পরবর্তী অপেক্ষায় থাকলাম।

    ReplyDelete
  42. 🙏🙏🙏 প্রনাম মহারাজ ।
    চৈতন্য দেবের সন্মন্ধে মত পড়ছি ততই আনন্দ পাচ্ছি ।

    ReplyDelete
  43. 🙏🙏🙏🙏🏻🙏

    ReplyDelete
  44. প্রণাম মহারাজ। চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যত জানতে পারছি তত মন আনন্দে ভরে উঠছে।

    ReplyDelete
  45. সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।মহাপ্রভুর কঠোর তপস্যা আমাদের, অগোচর, কিন্তু আমাদের মহারাজ জীর কঠোর পরিশ্রম এটা আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি।

    ReplyDelete

Post a Comment