ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
================পর্ব-৩১==============
রঘুনাথ
ঐ সময় চৈতন্যদেব পুরীতে ছিলেন।
রঘুনাথ এই সংবাদ পেলেন ও তাঁকে দর্শনের জন্য মনে মনে ব্যাকুল হলেন। গৌড়ীয় ভক্তরা
রথের সময় অনেকে পুরী যাবেন। ওই সময় লুকিয়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সুযোগের অপেক্ষায়
রইলেন। তখনও রথুনাথ বাইরে চণ্ডীমণ্ডপে থাকেন ও প্রহরীরা সারাক্ষণ লক্ষ্য রাখে।
হঠাৎ একটি সুযোগ এসে গেল। রঘুনাথের কুলগুরুদের পূজারী ব্রাহ্মণের প্রয়োজন। পূজারী
ব্রাহ্মণ খোঁজার অছিলায় রঘুনাথ বাড়ীর বাইরে বেরোলেন। খুব ভোর বেলায় বেরিয়ে
ব্রাহ্মণ ঠিক করে, তাকে যথাস্থানে পাঠিয়ে দিয়ে, নিজে আর বাড়ি ফিরলেন না। সোজা চলে এলেন পুরীর পথ ধরে। ভয়ে ভয়ে ও লুকিয়ে
বড় রাস্তা দিয়ে না গিয়ে গ্রামের ছোট ছোট রাস্তা দিয়ে এলেন। প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে
এলে ধরা পড়ার ভয় রয়েছে। খাওয়া দাওয়া নেই, হাঁটতে হাঁটতে একটা পথ, খুবই ক্লান্ত হয়ে
পড়লেন। পুরীতে এসে চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণে নিজেকে সমর্পণ করে দিলেন, জীবন
সার্থক হল রঘুনাথের।
এ দিকে রঘুনাথের বাড়িতে, দেরি দেখে প্রথম ভাবলেন ব্রাহ্মণ খুঁজে পেতে হয়ত সময়
লাগছে। কিন্তু যখন অনেকক্ষণ পরেও কোন খবর পাওয়া গেল না, তখন লোক পাঠালেন চারিদিকে।
কোন খবর পাওয়া গেল না কোন দিকে। বাড়িতে সকলে খুব চিন্তায় দিন কাটালেন।
রঘুনাথকে পুরীতে পেয়ে চৈতন্যদেব খুবই আনন্দিত। কিন্তু পথশ্রান্ত ও ক্লান্ত,
ক্ষীণদুর্বল দেখে খুবই দুঃখিত হলেন। দামোদর স্বরূপকে বললেন, আজ থেকে রঘুনাথ তোমার
শিষ্য ও সেবক। তুমি তাকে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে গড়ে তোল। স্বরূপ অবনত মস্তকে এই আদেশ
শিরোধার্য করলেন। গোবিন্দকে বলে দিলেন কিছু দিন রঘুনাথের খাওয়া ও থাকার যত্ন নিতে,
যাতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে।
এই ভাবে কিছু দিন চলার পর রঘুনাথ বিশেষ ব্যবস্থা বন্ধ করে মন্দির থেকে নিজে
প্রসাদ ভিক্ষা করতেন। সারাদিন নিজের কুঠিয়ায় থাকতেন, সাধন ভজনে সারাদিন কাটিয়ে রাত্রে সিংহদ্বারের পাশে এসে নীরবে দাঁড়িয়ে মনে মনে ভগবানের নাম জপ করতেন। এখানে মন্দির
থেকে মহাপ্রসাদ দেওয়া হত। সেই ভিক্ষা তিনি গ্রহণ করতেন। রঘুনাথ এই ভাবে ভিক্ষান্নে
জীবন ধারণ করছেন জেনে খুবই আনন্দিত হলেন মহাপ্রভু। সর্বদা ভগবানের নাম করা ও
ভিক্ষান্নে জীবন ধারণ করা ঠিক ঠিক ত্যাগীর ধর্ম। আর প্রকৃত ত্যাগ-বৈরাগ্য
ছাড়া ভগবানের কৃপা লাভ করা যায় না।
রঘুনাথের খুব ইচ্ছা চৈতন্যদেবের মুখে ভক্তির কথা শোনেন। তার নিজের সাধন ভজন
বিষয়েও মহাপ্রভুর আদেশ শোনার খুব ইচ্ছা কিন্তু বলার সুযোগ ও সাহস দুটোই হচ্ছিল না।
একদিন দামোদর ও রঘুনাথ একসঙ্গে চৈতন্যদেবের কাছে উপস্থিত। সুযোগ বুঝে দামোদর
রঘুনাথের ইচ্ছা নিবেদন করলেন। তাতে মহাপ্রভু হেসে বললেন – এসব সূক্ষ্ম বিষয়
দামোদর যতদূর জানেন আমি তত দূর জানি না।তুমি দামোদরের থেকেই সব কিছু জানতে পারবে।
রঘুনাথ দামোদরের ঈশারায় একটু সাহস পেয়ে চৈতন্যদেবের শ্রীমুখ থেকে শোনার জন্য
কাকুতি মিনতি করতে লাগলেন। চৈতন্যদেব তখন প্রসন্ন হয়ে বলতে শুরু করলেন।মহাপ্রভু যে
আদেশ রঘুনাথকে দিয়েছিলেন তা চিরকালের জন্য সাধককে পথ দেখাবে। তিনি বললেন -
গ্রাম্যকথা না শুনিবে গ্রাম্যবার্তা না কহিবে।
ভাল না খাইবে আর ভাল না পরিবে।।
অমানী মানদ কৃষ্ণনাম সদা লবে।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ সেবা মানসে করিবে।।
এই চারটি লাইনে
শ্রীচৈতন্যদেবের শিক্ষার সারসংক্ষেপ পাওয়া যায়। মানুষ সাধারণত
আহার-নিদ্রা-ভয়-মৈথুন এই চিন্তা নিয়েই জীবন যাপন করে। আর এই সব কথাই আলোচনা করতে
থাকে। এই সব চিন্তা বা কথা তাই ‘গ্রাম্যকথা’। ১) গ্রাম্য কথা শুনলে বা ২) বললে
মন বহির্মুখ হয় যার ফলে ভোগতৃষ্ণা বাড়ে। তাই যিনি সাধন ভজন করেন তার পক্ষে অল্পকথা
বা কেবল প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া অন্য কথা না বলা বা শোনা খুব দরকার। ৩) ভাল
খাওয়া-দাওয়ার দিকে মন দিলে চিত্ত একাগ্র করা অসুবিধা হয়। তাছাড়া এর ফলে রজোগুণের
বৃদ্ধি হয় ও চিত্ত চঞ্চল হয়। ৪) ভাল পোষাক পরিচ্ছদ পরলে মন ভোগ বিলাসের দিকে যেতে
পারে যার ফলে অহংকার অভিমান বাড়তে পারে ও সাধকের ক্ষতি করে। ৫) অহংকার ত্যাগ করা।
এমনকি ঘৃণ্য ব্যক্তিকেও সম্মান প্রদর্শন করা। ৬) কৃষ্ণনাম অর্থাৎ শ্রীভগবানের নাম
জপের দ্বারা প্রেম ভক্তি লাভ হয়। ৭) ব্রজে রাধাকৃষ্ণ সেবা – অর্থাৎ সশক্তিক
ইষ্টদেবের আরাধনা করা। ৮) মানসে করিবে – অর্থাৎ শান্ত-দাস্য সখ্য বাৎসল্য ও
মধুর এই পাঁচ প্রকারের যে কোন একটি ভাব গ্রহণ করে মায়িক প্রপঞ্চ থেকে চিন্ময় ধামে
প্রবেশ করবে।
কঠোর ভক্ত রঘুনাথ
শ্রীচৈতন্যদেবের এই মহামূল্যবান উপদেশ মনে প্রাণে মেনে চলতে লাগলেন। দেখতে দেখতে
রথের সময় এসে গেল। গৌড়ের ভক্তরা আগের মত রথের সময় সকলে পুরীতে এলেন। চৈতন্যদেবের
সঙ্গে মিলিত হয়ে কীর্তন, নৃত্যগীতে মহানন্দে কাটতে লাগল। নিত্যানন্দ, অদ্বৈত,
শ্রীবাস প্রভৃতি ভক্তগণ রঘুনাথকে দেখে ও তাঁর রাতদিন ধ্যান-জপ কঠোর সাধনা ও ত্যাগ
বৈরাগ্যের কথা শুনে খুবই আনন্দিত হলেন। গৌড়ীয় ভক্তদের মুখে রঘুনাথ শুনলেন যে তার
বাড়িতে সকলে খুবই চিন্তিত আছেন। অনেক চেষ্টা করেও তারা রঘুনাথের কোন সন্ধান পান নি।
বাবা মায়ের দুঃখের কথা রঘুনাথ শুনলেন
কিন্তু বৈরাগ্যে সিদ্ধ মনে কোন চঞ্চলতা দেখা গেল না। তিনি পরম শান্তিতে
শ্রীভগবানের চিন্তায় মন দিলেন।
রথ উৎসব শেষ করে গৌড়ীয় ভক্তরা নিজ নিজ স্থানে ফিরে গেলেন। রঘুনাথের সংবাদ
পিতা মাতার কাছে পৌঁছল। ছেলের সংবাদ পেয়ে মনে কিছুটা শান্তি পেলেন ঠিকই
কিন্তু আজীবন ভোগ বিলাসের মধ্যে থেকে এখন
এই কঠোর জীবনে ছেলের কষ্ট হচ্ছে জেনে মায়ের মনে খুবই উদ্বেগের সৃষ্টি হল। তিনি
পরের বছর দুজন সেবক ও একজন রান্নার ব্রাহ্মণ ঠিক করে তাদের হাতে টাকা পয়সা দিয়ে
পুরীতে পাঠালেন। রঘুনাথের সেবা যত্ন করার জন্য লোকের ব্যবস্থা করলেও তিনি কিন্তু
আগের মতই কঠোর জীবন যাপন করতে লাগলেন। সেবকদের কোন অনুরোধ তিনি শুনতেন না। নিজের
কঠোরতার কোন হ্রাস না করে, টাকা দিয়ে মহাপ্রসাদ কিনে চৈতন্যদেবের প্রসাদের
ব্যবস্থা করতেন। এই ভাবে প্রায় দু বছর বাবা মায়ের পাঠানো অর্থে মহাপ্রভুর সেবা করেন
কিন্তু নিজের জন্য কোন অর্থ ব্যয় করেন নি।
এরপর আর বাবা মায়ের পাঠানো অর্থ গ্রহণ করতেন না। অন্তরে তীব্র বৈরাগ্য থাকায় কারও
কাছে কোন সাহায্য না নিয়ে সব অবস্থাতে ঈশ্বরের উপর নির্ভর থাকতে চাইতেন।
এর কিছু কাল পর রাত্রে শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের সামনে সিংহদ্বারে দাঁড়িয়ে
ভিক্ষা নেওয়াও বন্ধ করে দিলেন। কারণ এখানে অনেকে রঘুনাথকে চিনতে পারে। তার ফলে
অনেক কিছু ভিক্ষা তার জন্য যত্ন করে নিয়ে আসে। তাই তিনি আর সিংহদ্বারে আসতেন না।
দুপুর বেলা ছত্রে গিয়ে ভিক্ষা নিতেন। মুখে কোন কথা বলতেন না, যেমন পাওয়া যায় তাই
নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ফিরে আসতেন। প্রবল বৈরাগ্যে যাঁর চিত্ত বাঁধা রয়েছে,সেই
রঘুনাথ ছত্রের ভিক্ষা নেওয়াও আর পছন্দ
করলেন না। লোকের কোলাহল সম্পূর্ণ ত্যাগ করার জন্য ছত্রে যাওয়া বন্ধ করলেন।
মহাপ্রসাদ বিক্রির পর যে গুলি নষ্ট হয়ে যেত আনন্দবাজারের একদিকে প্রাচীরের বাইরে
সেগুলি ফেলে দেওয়া হত। গরুতে ওই স্থান থেকে মহাপ্রসাদ খেত। যে গুলো খুব পচে যেত
গরুও খেত না দেওয়ালের কাছে পড়ে থাকত। গভীর রাতে লুকিয়ে ওই মহাপ্রসাদ কুড়িয়ে নিজের
কুঠিয়াতে নিয়ে আসতেন। চুপি চুপি জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতেন। উপরের পচা অংশ বেরিয়ে যাওয়ার পর কিছু শক্ত
সামান্য অংশ পাওয়া যেত। লবণ দিয়ে তাই খেয়ে জীবন ধারণ করতেন। ক্রমে এই সংবাদ স্বরূপ
ও গোবিন্দ জানতে পারে। তারা চৈতন্যদেবকে সব কিছু জানায়। চৈতন্যদেব অবাক হয়ে এক
গভীর রাতে স্বরূপকে সংগে নিয়ে রঘুনাথের কুঠিয়ায় আসেন।
ভক্ত রঘুনাথ তখন মহাপ্রসাদ ভালো করে ধুয়ে তাতে লবণ মিশিয়ে ইষ্টদেবকে নিবেদন
করছেন। এমন সময় চৈতন্যদেব হঠাৎ সেখানে উপস্থিত। রঘুনাথ প্রণাম করে উঠে চোখ মেলে
দেখেন সামনে চৈতন্যদেব ও স্বরূপ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। রঘুনাথ যেন বিশ্বাস করতেই
পারছিলেন না। কোন কথা তাঁর মুখ দিয়ে বেরোলো না, লুটিয়ে পড়লেন চৈতন্যদেবের
শ্রীচরণে। মহাপ্রভু তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। দুজনের চোখে তখন জল। একটু পরে
চৈতন্যদেব এই মহাপ্রসাদ নিজ হাতে তুলে নিয়ে মুখে দিলেন। এবং এই মহাপ্রসাদ গ্রহণ
করে আনন্দে তিনি বলেছিলেন , ‘এমন অমৃত তুমি একা লুকিয়ে লুকিয়ে খাও! আমাদের দাও না!’ বার বার তিনি বলতে
লাগলেন – নিত্য কত রকমের প্রসাদ খাই, কিন্তু এমন সুস্বাদ তো কোন
প্রসাদে পাই না'।
এক সময় ব্রজভূমির স্মৃতি স্বরূপ গোবর্ধনশিলা ও
একটি গুঞ্জার মালা এক সন্ন্যাসী মহাপ্রভুকে উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন। চৈতন্যদেব তা
যত্ন করে রেখে দিয়েছিলেন। আজ রঘুনাথের নিষ্ঠা ভক্তিতে প্রসন্ন হয়ে চৈতন্যদেব সেই
গোবর্ধন শিলা ও গুঞ্জা মালা রঘুনাথকে দিলেন। রঘুনাথের আর আনন্দের সীমা রইল না।
তিনি এই অমূল্যধন পেয়ে মন প্রাণ সমর্পণ করে সেবাপূজা করতে লাগলেন।
......ক্রমশ
অপূর্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি খুব খুব ভালো লাগছে আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে, এত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি সাধু সঙ্গ অতি দুর্লভ প্রণাম শিক্ষাগুরুদের শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteঅপূর্ব শ্রী চৈতণ্য মহাপ্রভুর জীবন কথা, জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏🙏🙏, ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
Promam maharajji khub Ananda pai
Deleteজয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🏻🙏🏻
DeleteApurbo,kotokichu jante parchi Maha Prabhu sombondhya
Deletearo janar apkshay roilam
bhoktipurno abhumi lunthito pronam grohan korben Maharaj 🙏🙏
Iti sardar
প্রণাম মহারাজ জী। লেখাটি পড়ে আবার ও অনেক কিছু জানতে পারলাম। সেদিন অনুধ্যান ক্লাসে আপনি বলেছিলেন, আজকে তা লেখায় পড়ে আর ও ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন মহারাজ। প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteসোমা চক্রবর্তী
দিল্লি
খুব ভালো লাগলো রঘুনাথের ঈশ্বরের প্রতি কতো ভক্তি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
ReplyDeleteপড়তে পড়তে চোখে জল ভরে। আনন্দ হলো অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি জয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য দেবের জয় 🌷💥🙏 জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজী তব শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 গুরু কৃপাহি কেবলম 🙏🌷☘️🌷☘️🙏🙏
প্রণাম বাবা ।
ReplyDeleteঅনেক অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ধন্যবাদ ও প্রণাম জানাই মহারাজের চরণে।
Deleteপড়তে পড়তে চোখে জল ভরে গেল।
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য দেবের জয় 🌷💥🙏
জয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজী তব শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 গুরু কৃপাহি কেবলম্ 🙏🌷☘️🌷🙏🙏
Joy Mahaprabhu r joy🌻🙏. Joy Sree Raghunath er joy🌻🙏. Joy Thakur 🌻 🙏. Vaktivora pranam nibedon kori Achariyo Gurudeva er Shree Padopodmey 🌻🙏. Aaj , Shree Chaitanyo Mahaprabhu r 31Th porbo er lekhoni porey ki je ek eibik attyontik shanti o anondo prapti holo, ta obornoniyo 🌷🙏. Emon Bairagyo vaabapurno Shree Raghunath er ontor, porey obak hoyey gelam, Maharajji 🙏. Mone hochhilo aro pori, osadharon 🌷🙏. Amra emon Achariyo Gurudeva er sannidhan e acchi je protitidin amra step by step Adhyatmik Gyan e samridhyo hocchi, Maharajji 🙏. Dibyotroyee r oseshkripabina e sambhob noi, Maharajji 🌻🙏. Sotokoti vaktivora pranam grohon korun Achariyo Gurudeva 🌻🌻🙏🙏.
ReplyDeleteKhub bhalo lagchhe Maharaj 🙏🏻🙏🏻
Deleteমন প্রাণ আপ্লুত হয়ে গেল ।অপূর্ব সুন্দর। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
Deleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ
ReplyDeleteপ্রণাম আচার্য দেব 🙏🙏🙏.
ReplyDeleteপ্রণাম আচার্য্য দেব খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteপ্রণাম আচার্য্য দেব খুব ভালো লাগলো মাধুরী ঘোষাল নাগের বাজার
ReplyDeleteআবার ও খুব ভাল লাগল।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বল
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী পড়ে। সেইদিন ক্লাসে ভক্ত রঘুনাথের কথা আপনার শ্রী মুখে শুনেছিলাম খুব ভালো লেগেছে। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteজয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও পরম ভক্ত রঘুনাথের জয়।চোখে জল এসে গেল অমৃত কথা পড়ে। ধন্য রঘনাথ! কি কঠিন সাধকের জীবন! এমন কি পারবো? ওরে বাবা!পূজনীয় লেখক আচার্য দেব কে ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই।জয় মা
ReplyDeleteKhub valo laglo raghunathjir jibani pore
ReplyDeletePronam maharaj 🙏🙏🙏
প্রনাম মহারাজ 🙏 খুব ভালো লাগলো, অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে,প্রণাম মহারাজ ,পরের টার অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🏻🙏
ReplyDeleteখুবভাল লাগলো মহাপ্রভুর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। আশাকরি আরো অনেক কিছু জানতে পারবো ।অপেক্ষা করে থাকবো ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
Apurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam Aparna Roy chowdury berhompur
ReplyDeleteমহাপ্রভুর শিক্ষার সার সংক্ষেপ খুব ভালো লাগলো। ভক্ত রঘুনাথের মহা প্রসাদ গ্রহণের কথাটি হৃদয়ে দাগ কাটে। এই পর্বটির থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগলো। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏শুভ্রা লালা। দমদম।
ReplyDeleteAsadharan lekha..Raghunath sambandhe...khub bhalo laglo....
ReplyDeleteApnni sustha thakun bhalo thakun...ato sunder bhabe barnana...apekhay railam..aro janar iccha railo...sradha purno pranam neben...☘️❤🙏🏻❤☘️
প্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteআপনি অনেক গবেষণা করে চৈতন্য দেব সন্মন্ধে অজানা তথ্য আমাদের উপহার দিচ্ছেন এতেই আমি ধন্য ।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ।
🙏🙏🙏
অপূর্ব সুন্দর!!
ReplyDelete🙏🪷🙏🏻
Apurba sahaj sabalil vasay apnar ayee lekha parte khub valo lage Maharaj Mahapravu Sri Chaitanya Dev er jibaner nana ghatana Mahapravu r sakal vaktader katha jante pere satyee khub valo lagche Maharaj🙏🌹
ReplyDelete🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ। আদর্শ ভক্ত রঘুনাথের ত্যাগ ও নির্বাশনার ভাব অবাক করে দেয়। কতটা পিছিয়ে আছি, সেটাও মনে করায়। আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। ভালো থাকবেন। 🙏
ReplyDeleteApurba Laglo . Khub sundar.
ReplyDeleteKhub bhalo lagche. pranam maharaj
Pulakesh Sinha Roy.
ভক্ত রঘুনাথের অপূর্ব কাহিনী আপনার অসাধারণ লেখা পড়ে জানতে পারলাম। কতো অজানা কাহিনী আপনার সান্নিধ্যে এসে জানতে পারছি। আন্তরিক ভক্তিপূর্ন প্রণাম জানাই মহারাজ। 🙏💐💐
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
কি ভালো লাগে এই লীলা কাহিনী পরতে অনেক কিছু জানতে পারছি মহারাজ আপনার জন্য আপনাকে আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই 🙏
ReplyDeleteশ্রীচৈতন্য দেবের কথা পড়তে খুব ভালো লাগছে মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
খুব ভালো লাগলো ৷ আবার অপেক্ষায় রইলাম পড়ের গুলো পড়ার জন্য। রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগছে পড়তে। ঈশ্বরের অশেষ কৃপালাভ করছি মনেহয়, হৃদয় পুলকিত হয়। ঈশ্বর তোমার কৃপা থেকে বঞ্চিত কোরো না, তোমার চরণ তলে স্থান দাও। সুলেখা নিয়োগী।
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।সেদিন ক্লাসে শুনার পর বেশ চিন্তাই পরে ছিলাম।শুধু মনে হচ্ছিল এটা কি সম্ভাব।জানিনা ঠাকুরের লীল কী এরকম হয়।তারপর মহাপ্রভু যখন এই প্রসাদ অমৃত বলে গ্রহন করলেন তখন ভিতরের ময়লা যেন পরিস্কার হয়ে গেল।জয় চৈতন্যমহাপ্রভুর জয়।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ। আপনি আমার প্রণাম গ্রহন করবেন।
ReplyDeleteআন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏🏻 রঘুনাথের অপূর্ব কাহিনী পড়ে অবাক হয়ে গেলাম মহারাজ, সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কে, ভক্ত রঘুনাথের🙏🏻🙏🏻🙏🏻।
ReplyDeleteBulu Mukherjee Alipore
Joy mohaprovur joy 🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam neben maharaj 🙏🙏🙏
অপূর্ব লাগছে এই ভক্ত রঘুনাথের কাহিনী কি অসাধারণ ত্যাগ ও ভক্তি!!! জয় প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
ReplyDeleteপরবর্তী লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🌷🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷 ও
🙏 শুভ রাত্রি ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🙏🙏
Apurba apurba
ReplyDeleteKhub bhalo laglo
Apni amar pronam grahan korben maharaj
Sonali bhattacharyya howrah
সশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ জী🙏খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু ও তাঁর ভক্তদের জীবনী🙏🙏🙏
Deleteসুমিতা চক্রবর্তী
আচার্যদেব , আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন ।আপনার লেখা পড়ে যেন আমরা সেইখানেই আছি ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সান্নিধ্য অনুভব করছি ও ভাব নেওয়ার চেষ্টা করলাম ।অপূর্ব । আপনার জ্ঞানের তুলনা হয় না ।
DeleteShree Chaitanya Mahaprabhu Raghunath er moto Kothor Tapasyi tairi korben Tai Raghunath er eto Atmotyag r kothor Sadhana prosader Mahatyer katha Pravu Nizei Prokashita korechen . REBA Banerjee Dum Dum Cantonment 10-10--23
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে ।শ্রীচৈতন্য দেবের জীবন কাহিনী কত পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে জানতে পারছি আপনার জন্য ।আগামীদিনের অপেক্ষায় রইলাম । আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম গ্রহন করবেন । ভালো থাকভেন ।
ReplyDeleteলিলি সাহা দমদম ।
আভুমি লুন্ঠিত ভক্তিপূর্ণ প্রনাম জানাই শ্রী শ্রী চৈতন্য দেব ও ভক্ত রঘুনাথের চরনে।🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী ।🙏🙏
অর্পিতা বসু বাগবাজার 🙏
প্রণাম মহারাজ জী🙏 প্রতিটি পর্ব ই ভগবান যে ভক্তের তারই প্রমাণ। খুব ভালো লাগছে প্রতিটি পর্ব।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী Texas
Apurba
ReplyDeleteখুবই অবাক হতে হয়... এমন প্রচন্ড ভক্ত "রঘুনাথ" এর নি:ষ্কন্ঠক ভক্তি 'র মহিমা জেনে! শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ও তাঁর ভক্তদের ত্যাগ,বৈরাগ্য ও ভক্তি নিয়ে লিখা সত্যিই মহিমান্বিত করে তোলে! তাঁদের প্রতি আন্তরিক বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজজীকে সাধুবাদ জানাই, অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি - কতভাবে আমাদের সমৃদ্ধ করে তুলছেন! অন্তরের পরম শ্রদ্ধায় ও ভক্তিতে দন্ডবৎ প্রণাম জানাই 🙏। প্রণাম জানাই শ্রী চরণে দিব্যত্রয়ী'র 🙏🙏🙏 সুজাতা দে। লন্ডন, ইউ.কে।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।কি অপূর্ব এই ব্লগের কাহিনী, ভীষণই ভালো লাগছে।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏অপূর্ব বর্ণনা পড়লাম।মহাপ্রভুর রঘুনাথ কে দেওয়া উপদেশ পড়এ অনেক কিছু শিখলাম।রঘুনাথ এর ভক্তি শ্রদ্ধা জীবন যাপন সম্বন্ধে আপনার লেখা পড়ে অবাক হয়েছি।খুব শিক্ষা পেলাম।🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব 🙏🙏🌷🌷এই ভক্তির এক বিন্দু বারি আমাদের উপর বর্ষিত হোক 🙏🙏
ReplyDeletepronam neben Maharaj. khub valo laglo.
ReplyDeleteKhub valo laglo porte.voktipurno pronam neben moharaj.
ReplyDeleteমহারাজ আমার প্রণাম নেবেন আপনার সুস্থ তা কামনা করি। ।
Deleteমহারাজ খুব সুন্দর সুন্দর কথা আপনার কাছ থেকে জানতে পারছি। খুব ভাল লাগল। প্রণাম নেবেন মহারাজ। ।
ReplyDeleteরেশমী নাগ
🙏🙏🙏
ReplyDeleteরঘুনাথের অসাধারণ ভক্তি্র বর্ণনা পড়ে চোখ জলে ভরে যায়
ReplyDeleteবারে বারে পড়ে আশ মেটে না আপনাকে প্রনাম জনাই
অপূর্ব লাগছে মহারাজ । প্রতিটি পর্বে চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রকৃত ভক্তদের ত্যাগ ও বৈরাগ্যের কথা আপনার জন্যই আমরা জানতে পারছি মহারাজ। রঘুনাথের এমন বৈরাগ্যের কথা ও তাঁর প্রতি মহাপ্রভুর এই অমূল্য উপদেশের কিছু মাত্রও যদি আমরা পালন করতে পারি সেই আশীর্বাদ করবেন মহারাজ। আপনি আমার শ্রদ্ধা ও ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏