ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
============== পর্ব-৩০ ==========
চৈতন্যদেব সনাতনকে যে কত ভালোবাসতেন তার পরিচয় পাওয়া গেল। ভগবানে সমর্পিত
ভক্তের দেহ অতি পবিত্র। সনাতনের শরীরের ক্লেদ মেদ্য ভ্রুক্ষেপ না করে তিনি
মাতৃস্নেহে তাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ছিলেন। শ্রীভগবান তাঁর ভক্তকে এই ভাবে চিরকাল
বুকে করে রাখেন। কিছুদিন পর সনাতনের শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ ও সবল হয়ে উঠল। তিনি চৈতন্যদেবের সান্নিধ্যে পরম আনন্দে পুরীতে বাস করতে থাকেন। দেখতে দেখতে রথের সময়
হয়ে গেল। গৌড় থেকে ভক্তরা যথা সময়ে খোল-করতাল নিয়ে কীর্তন করতে করতে পুরীতে হাজির
হলেন। নিত্যানন্দ প্রভু, অদ্বৈতাচার্য, শ্রীবাস, মুরারি প্রভৃতি সকলেই এলেন।
সনাতনকে পেয়ে এবার সকলেই খুব আনন্দিত। পুরীর আনন্দস্রোত এবারে যেন শতগুণে বেড়ে
গেছে। গুণ্ডিচা মার্জন, মহাসংকীর্তন ইত্যাদির দ্বারা লীলারস আস্বাদন করলেন সকলে।
রথের এই অপূর্ব দৃশ্য দেখে বিস্মিত হলেন সনাতন। এরপর চাতুর্মাস্যে ভক্তেরা বিশেষ
করে গৌড়ীয় ভক্তেরা পুরীতে থেকে গেলেন।চাতুর্মাস্যের পর তারা চৈতন্যদেবের থেকে
বিদায় নিয়ে নিজ নিজ স্থানে ফিরে গেলেন।
এখানে একটি ঘটনার উল্লেখ করা যেতে পারে। সনাতন পুরীতে বরাবরই একটু দূরত্ব
রেখে চলতেন। যাতে মন্দিরের পূজারীদের স্পর্শ না হয়ে যায়। এমনকি ছায়াও যাতে মাড়িয়ে
যেতে না হয় তার জন্য নিজে সব সময় সাবধান থাকতেন। প্রয়োজন হলেও রাজপথে না গিয়ে
গলিপথ ব্যবহার করতেন। একদিন এক ভক্ত চৈতন্যদেবকে সেবা গ্রহণের জন্য তাঁর গৃহে
আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সমুদ্রের তীরে ভক্তটির বাড়ি। তখন গরমকাল। মহাপ্রভু সমুদ্রে
স্নান করে ভিক্ষাগ্রহণের জন্য ভক্তের বাড়িতে এসেছেন। ভক্ত সমাদরে তাঁকে গৃহে
বসিয়েছেন। নানা প্রকার উপাদেয় খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। সমুদের ঠাণ্ডা বাতাসে ও সমুদ্রের মনোরম দৃশ্যে চৈতন্যদেব খুবই আনন্দিত
হয়েছেন। এমন সময় সনাতনের জন্য প্রভুর কোমল হৃদয় উদ্গ্রীব হয়ে উঠল। প্রভুর
ব্যাকুলতা দেখে ভক্তটি সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠালেন সনাতনের জন্য। মহাপ্রভু অপেক্ষা করতে চাইলেন সনাতনের জন্য কিন্তু
গৃহস্বামীর অনুনয় বিনয় ও অনুরোধে চৈতন্যদেব আহারে বসলেন।
ওদিকে সনাতন লোক মুখে প্রভুর কথা শুনে ছূটে আসতে থাকেন। বড় রাস্তা দিয়ে না গিয়ে
গলি রাস্তা দিয়ে ছুটলেন। এই গলি রাস্তা ছিল বালুকাময়। গ্রীষ্মকালের দুপুর বেলা
সমুদ্রের বালি প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়। খালি পায়ে এই রাস্তা দিয়ে ছুটে চললেন যাতে
তাঁর জন্য প্রভুকে বেশি অপেক্ষা করতে না হয়। এমন তন্ময় হয়ে সনাতন বালির উপর দিয়ে
ছুটলেন যে তাপ টেরই পেলেন না। সনাতন এসে পৌঁছলে মহাপ্রভুর চরণ বন্দনা করে বসলেন।
এতটা পথ উত্তপ্ত বালির উপর দিয়ে এক প্রকার ছুটে
এসেছেন, তাই একটু বসে বিশ্রাম নিলেন। এর পর সেবক গোবিন্দকে বলে নিজের
ভোজনাবশেষ প্রসাদ দিতে বললেন সনাতনকে। সেই অমৃত গ্রহণ করে সনাতনের আনন্দের সীমা
রইল না। সনাতনের প্রতি প্রভুর এমন অপার স্নেহ দেখে গৃহস্বামীও আনন্দিত হলেন।

প্রসাদ গহণের পর সনাতন চৈতন্যদেবের কাছে এসে বসলেন। তখন কথায় কথায়
চৈতন্যদেব জানতে চাইলেন তিনি কোন পথ দিয়ে এসেছেন। সনাতন বিনীত ভাবে জানলেন যে
সমুদ্রের কিনারা ধরে তিনি এসেছেন। অবাক হয়ে চৈতন্যদেব জিজ্ঞাসা করলেন এই আগুণের মত
বালির উপর দিয়ে তুমি এলে কী করে? উত্তরে সনাতন বললেন, কৈ তেমন গরম তো ছিল না। সনাতনের
পায়ের তলায় বড় বড় ফোস্কা পড়েছে দেখে চৈতন্যদেব খুবই দুঃখিত হলেন ও বললেন তুমি ভাল
রাস্তা দিয়ে কেন এলে না? আসবার সময় সনাতনের চিত্ত এমন আনন্দে ভরপুর ছিল যে, পথের
কষ্ট তাঁর বোধই হয়নি। এবং তিনি আরও জানালেন যে জগন্নাথ মন্দিরের সেবকদের যাতে
অঙ্গস্পর্শ না হয় তাই তিনি ভাল রাস্তা দিয়ে আসেননি। এ কথা শুনে ও সনাতনের
শাস্ত্রের নিয়মের প্রতি নিষ্ঠা দেখে তিনি খুবই প্রশংসা করলেন।
সনাতনকে মহাপ্রভু নিজের কাছে রেখে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে তৈরি করছিলেন। তাঁর
দেখানো পথে ভক্তি পথের একজন আচার্য রূপে তিনি তাঁকে তৈরি করলেন। এরপর ভবিষ্যতে কিভাবে
নিজেদের জীবন যাপন ও কাজকর্ম পরিচালনা করবেন সেই বিষয়ে উপদেশ দিয়ে ব্রজধামে পাঠিয়ে
দিলেন। চৈতন্যদেবের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে সনাতন বিদায় নিলেন। ভক্তেরা প্রেমাশ্রু
পাত করতে লাগলেন। সকলের থেকে বিদায় নিয়ে ও শ্রীজগন্নাথের কৃপা ভিক্ষা করে বৃন্দাবন
যাত্রা করলেন। পথে পথে বিভিন্ন তীর্থ স্থান দর্শন করতে করতে যথা সময়ে বৃন্দাবনে
এসে হাজির হলেন। কিছু কাল পর শ্রীরূপও গৌড়ের কাজ শেষ করে বৃন্দাবনে এসে সনাতনের
সঙ্গে মিলিত হলেন। দু ভাই এরপর বাকী জীবন ব্রজধামে থেকে চৈতন্যদেবের আদেশ ও
শিক্ষা অনুযায়ী প্রেম ও ভক্তি প্রচার করে জীবের অশেষ কল্যাণ করেন। তাঁদের প্রভাবে
বহু মানুষ ভক্তির আস্বাদ পেয়ে নিজেদের জীবনকে ধন্য মনে করতেন।
আমরা এখন মহাপ্রভুর জীবন কাহিনীর সঙ্গে সংযুক্ত এক জনের কথা বলব। রঘুনাথ
দাসকে আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে। চৈতন্যদেব যখন কিছুদিন শান্তিপুরে ছিলেন তখন
রঘুনাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল। তখন সে সংসারে উদাসীন হয়ে বৈরাগ্য অবলম্বন করে
থাকতো। মহাপ্রভুর উপদেশে তার ভাবের পরিবর্তন হয় ও সংসারে কাজ কর্ম করতে থাকে।
বাড়ির লোক জন ও আত্মীয় পরিজনের মনে আনন্দ হয়, তার এই ভাবের পরিবর্তন হওয়াতে।
আসক্তিহীন রঘুনাথ কিন্তু বাইরে কাজ কর্ম
করলেও ষোল আনা মন ঈশ্বরের দিকেই রেখে
চলতেন। সাধু ভক্তদের সেবা, গরীব মানুষের উপকার এই সব কাজ নিয়ে থাকতেন। কিন্তু তাঁর
অন্তর সংসার পাশ ছিন্ন করার জন্য ব্যাকুল
হয়ে থাকত। তাই সুযোগ পেলেই ভক্তদের নিয়ে সংকীর্তনে মাততেন।
নিত্যানন্দ প্রভু তখন চৈতন্যদেবের আদেশ অনুসারে হরিনাম বিতরণ করে বেড়াচ্ছেন।
হরিধ্বনিতে ও নাম -সংকীর্তনে সারা বাংলাতে প্লাবন এনেছেন তিনি। নানা স্থানে
ধর্ম প্রচার করতে করতে একসময় নিত্যানন্দ প্রভু পানিহাটীর ভক্ত রাঘব পণ্ডিতের গৃহে
আসেন। কিছু দিন ওখানে থাকেন। ওই সময় রাঘব পণ্ডিতের গৃহ নাম সংকীর্তনে মুখর হয়ে
থাকত। এই খবর পেয়ে রঘুনাথ বাড়িতে জানিয়ে পানিহাটীতে আসেন। গঙ্গাতীরে এক বিশাল
বটগাছের তলায় তখন নিত্যানন্দ প্রেমানন্দে মগ্ন। এমন সময় রঘুনাথ উপস্থিত হয়ে
নিত্যানন্দ প্রভুর চরণে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন। বুকে জড়িয়ে ধরলেন দয়াল নিত্যানন্দ প্রভু
আর বললেন “চোর, তুমি বাড়ী ছেড়ে বার বার পালিয়ে ভক্ত সংগে আনন্দ কর।
তাই তোমাকে এবার দণ্ড দোব। রঘুনাথ নিজেকে কৃতার্থ মনে করলেন ও কী দণ্ড জানতে
চাইলেন। সমস্ত ভক্তদের একত্র করে দই-চিড়ার মহোৎসব কর - এই তোমার শাস্তি। রঘুনাথ
আনন্দে উৎসবের আয়োজন করতে লাগলেন।

রঘুনাথ এই সংবাদ তার বাড়িতেও পাঠালেন। প্রচুর অর্থ, জিনিসপত্র , লোকজন
আনালেন। নিত্যানন্দ প্রভুর ইচ্ছা অনুসারে চারিদিকে ভক্তদের নিমন্ত্রণ পত্র পাঠানো
হল। প্রচুর পরিমাণে চিড়া, দৈ কলা চিনি ক্ষীর সন্দেশের আয়োজন করলেন। নির্দিষ্ট দিনে
সকলে গঙ্গার তীরে বটগাছের তলায় মিলিত হয়ে মহোৎসব শুরু করেন। নিতাই প্রেমোন্মত্ত
হয়ে চৈতন্যদেবকে স্মরণ করে নৃত্য ও কীর্তন শুরু করলেন। বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও যোগ
দিলেন। কীর্তনের কলরোলে আকাশ বাতাস মুখরিত। চারিদিক থেকে ভক্তেরা ছুটে এসে নাম
মহাযজ্ঞে যোগ দিল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য, প্রেমের হাট বসেছে যেন। চিড়া-দই কলা
প্রভৃতি দিয়ে বিরাট ভোগ নিবেদন করা হল। রঘুনাথ ভক্তিভরে ও আনন্দিত চিত্তে সকলকে
প্রসাদ খাওয়ালেন। নাম মহাযজ্ঞ ও মেলার কাজ শেষ করে সকলের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে
রঘুনাথ বাড়ি ফিরে গেলেন। এই পুণ্যস্মৃতিতে এখনও প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা
ত্রয়োদশী তিথিতে পানিহাটীতে ‘দণ্ড-মহোৎসব’ হয়ে থাকে।
এরপর রঘুনাথ বাড়ি ফিরে এলেন। কিন্তু অন্তরের বৈরাগ্য আবার প্রবল হয়ে উঠল। ঘরের
ভেতরে না প্রবেশ করে বাইরে চণ্ডীমণ্ডপে থাকলেন। বিষয় কর্ম একেবারে ত্যাগ করলেন।
বাড়ির লোকজন খুবই চিন্তিত হয়ে পড়লেন। বিশেষ করে রঘুনাথের মা ছেলের জন্য বিশেষ
পাহারার ব্যবস্থা করলেন, যাতে কোথাও চলে টলে না যান। রঘুনাথকে রাত দিন নজরে রাখা
হল।
রঘুনাথের বাবা যে জমিদারির মালিক তা আগে এক মুসলমান জমিদারের ছিল। তিনি
নিয়মিত সরকারী রাজস্ব দিতে পারতেন না। তাই জমিদারী হস্তান্তর হয়েছিল। রঘুনাথের
পিতা জমিদারী গ্রহণ করার পর নিয়মিত রাজস্ব জমা দিতেন ও অনেক উপসত্ত্ব ভোগ করতেন।
সপ্তগ্রাম তখন বাণিজ্যের জন্য বেশ বিখ্যাত ছিল। রঘুনাথের বাবা ছিলেন গোবর্ধন ।
গোবর্ধন ও তার ভাই হিরণ্য দুজনে এই জমিদারী দেখাশুনা করতেন।
প্রচুর অর্থ যেমন জমিদারী থেকে পেতেন তেমনি
পূজা, ব্রত, দানও প্রচুর করতেন।ভালো কাজের পেছনে শত্রুর অভাব নেই। এদিকে নবাবের কাছে সংবাদ গেল যে এরা প্রজাদের থেকে
অনেক রাজস্ব আদায় করে সামান্য টাকা নবাবের কাছে জমা দেন। সেই মত নবাব অধিক টাকা
জমা দেওয়ার কথা বললেন। কিন্ত রঘুনাথের পিতা তাতে রাজী হলেন না। ফলে নবাবের সঙ্গে
বাদানুবাদ ও ক্রমে বিবাদ হয়। এক সময় এই বিবাদ চরমে ওঠে। নবাবের সৈন্য তাদের বন্দী
করার জন্য বাড়িতে হানা দেয়। গোপনে দুজনে পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করে। কিন্তু বাড়িতে
রঘুনাথকে পেয়ে তাকেই ধরে নিয়ে যায় সেনারা। বন্দী অবস্থায় রঘুনাথকে চাপ দিতে থাকে যাতে
রঘুনাথ বাবার কোন সন্ধান বলে দেয়।শুধু চাপ নয়, নানা প্রকার অত্যাচারও করতে থাকে। কিন্তু এতে কোনও ফল হল না। রঘুনাথ বিন্দু মাত্র ভয় না পেয়ে এক মনে ভগবানের নাম করতে লাগলেন। রঘুনাথের
চাল চলন কথা বার্তা শুনে আর অত্যাচার করতে সাহস হল না। অবশ্য এরপর দু পক্ষের মধ্যে
মীমাংসা হয়ে যায়। সপ্তগ্রামের জমিদার রঘুনাথের বাবা কাকারাই থাকলেন।
রঘুনাথের জন্যই এই ভীষণ বিপদ থেকে উদ্ধার হল। এই ঘটনার পর পরিবারের লোক
জনের স্নেহ ভালবাসা আরও বৃদ্ধি পেল। কিন্তু রঘুনাথের মনে বৈরাগ্যভাব। যত
তাড়াতাড়ি পারা যায় এই সংসার সম্পর্ক ছেদ করাই তার লক্ষ্য। বাড়ি থেকে দূরে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সুযোগ খুঁজতে লাগলেন।
ক্রমশ..................
খুব সুন্দর। আমার প্রণাম নেবেন আচার্যদেব। 🙏🙏🙏❤️❤️❤️🌹🌹🌹
ReplyDeleteভালো লাগলো পড়ে 🙏🙏
Deleteজয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
Deleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
Khub sundor
DeletePronam neben Guru Maharaj 🙏🙏🌷🌷🙏🙏
Iti Sardar
জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজী প্রণাম। প্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগলো ব্লগ পড়ে ।আপনি সুস্থ্য থাকিবেন। জয় মা।
ReplyDeleteShree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree Choroney vaktivora pranam nibedon kori 🌻 🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Maharajji aajker ei 30th porbo er lekhoni porey dhonnyo holam 🙏. Mahaprabhu r Vakto Sanatan er proti Premovaab otuloniyo. Tei to Onara Swang Vaganan🙏. Ar edikey Raghunath er Bairagyovaab ek osadharon nidorshan Swarup. Aaj Aponer sannidhyan e thekey Swang Mahaprabhu r Jibonkotha jantey parchi, Achariyo Maharajji 🌷🙏. Sotokoti vaktivora naman, Achariyo Maharajji 🌷 🙏.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো। প্রণাম নেবেন মহারাজ। কান্তা রায়।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo maharajji,
ReplyDeleteAntarik sradha bhalobasa ...param pujonio maharajji k...🌿🌷🙏🙏🌷🌿
প্রণাম নেবেন মহারাজ। Group এ join করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।এবার মনে হচ্ছে ঠাকুর মা স্বামীজীর কৃপা আমার উপর বর্ষিত হচ্ছে।
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য দেবের জয়🌷💥🙏
ReplyDeleteপরম পুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏
খুব ভালো লাগছে পড়ে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি মহারাজজী 🙏🙏🙏
প্রভু ভক্তির কি অপূর্ব নিদর্শন। প্রণাম জানাই মহাপ্রভুর শ্রী চরণে। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteমহারাজ এই পর্বটি খুব ভালো লাগলো। আপনার কাছে এতো কিছু শিখছি যা এই জীবনে পাবো বলে কখনো ভাবিনি। আপনি খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
ReplyDelete। প্রণাম নেবেন। 🙏🙏 শুভ্রা লালা। দমদম।
Apurba khub sundar laglo.
ReplyDeletePranam Maharaj. 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
Kata Amritamaya katha apnar lekha theke jante pari Maharaj joy Mahapravu sri chaitanya joy amader parama priya Maharaj🙏🌷
ReplyDeleteমহাপ্রভুর সম্পর্কে যতই জানতে পারছি তত জানার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে আশাকরি আর অনেক কিছু জানতে পারবো। অপেক্ষা করে থাকবো ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে , বারে বারে পড়তে ইচ্ছে হয়
।
REBA Banerjee Pronàm Maharaj Mahaprabhu r niswartha Prem Santaner proti Chira Mahatsob Raghunath erBairagya Sundar 🙏🙏
ReplyDeleteশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যতই জানছি ততই জানার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ুর জীবনী এতকিছু আছে আপনার মতন সাধু সঙ্গ করতে পারছি বলে এত কিছু জানতে পারছি প্রণাম শিক্ষাগুরুদের শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteপ্ৰণাম মহা্রাজ।খুব ভাল লাগছে।
ReplyDeleteRekha Das
DeleteUpner sannidhye ese kato kichu jante parchi bishes kore ei Chaitnyo Mahaprabhur sob brityanto pore khub Santi pelam. Upner charone satokoti vulunthito pronam nivedan kori.
জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জয়।ভগবানে সমর্পিত ভক্তের দেহ অতি পবিত্র,সুন্দর কথা টি জানতে পারলাম।ভক্ত রঘুনাথের মতো হতে চাই, এই প্রার্থনা জানাই। এই মহতী বিষয় জানতে পেরে উপকৃত হলাম।ভীষণ ভাল লাগে। খুব দীর্ঘ নয় লেখাটি।পূজনীয় আচার্যদেব কে বিনম্র শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই,আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।নাম বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে।বাড়ি মালদা।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteদারুন লাগছে পডতে ৷ খুব সুন্দর সব . রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া . I
ReplyDeleteঅসাধারণ প্রভূভক্তি।খুব ভাল লাগছে।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 প্রতিটি পর্ব অসাধারণ , ভক্তে র ভগবান এই কথাটি প্রতিটি পর্বে অনুভূত। আপনার অকান্ত পরিশ্রমের ফলে আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি , না হলে এই সব জানা সম্ভব ছিল না। ঠাকুর মা স্বামী জী র কৃপায় আপনি সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী Texas USA
খুব ভালো, পড়তে ভালো লাগলো🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteApurbo lekha, Porte rte mon bhore jacche.pranaam janai Maharaj.
ReplyDeleteBulu Mukherjee
ভীষন ভালো লাগলো আচার্য্য দেব প্রণামনেববন। মাধুরী ঘোষাল নাগের বাজার
ReplyDeleteজয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু। জয় ঠাকুর, মা ও স্বামীজী। জয় আমাদের আচার্য্য দেব। এতো সুন্দর পরিবেশনায় আমরা আপ্লুত। নিজেদের ধন্য মনে করছি।,,,,, মদন মোহন বেজ ব্যান্ডেল।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। খুবই সুন্দর এবং অসাধারণ প্রতিভা নিয়ে চৈতন্যে দেবের জীবনী । আমার আন্তরিক প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏।
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে ধারাবাহিক ভাবে মহাপ্রভুর জীবনের কথা পড়তে। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
ভক্ত ও ভগবানের সম্পর্ক কতো গভীর! মহারাজ আপনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে মহাপ্রভুর জীবনী সুন্দর ভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরছেন। প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
খুব সুন্দর কাহিনী। ভালো লাগলো।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
Delete🙏🏻🌸🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে।কততথ্য জানতে পারছি ও আনন্দ অনুভব করছি। জীবন সায়াহ্নে এসে এই পাওয়া পরম পাওয়া। ঈশ্বরের কৃপা লাভের ফল তো অবশ্যই। প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteসুলেখা নিয়োগী।
প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।ব্লগে আপনার লেখা থেকে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারি। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো , মন ভরে যায় , আর ও জানতে ইচ্ছা করে , প্রণাম আপনাকে মহারাজ , রীতা ভৌমিক ভিলায়
ReplyDeleteঅপূর্ব ! আত্মজ্যোতি পেইজে এমন চমৎকারভাবে শ্রদ্ধেয় মহারাজী‘ তখনকার ঘটনাগুলো তুলে ধরে লিখেন, যা পড়ে খুব মুগ্ধ হই! এই মধুর আত্মানন্দময় কথাগুলো যা অতীত সময়ে ঠিক ঠিক ঘটেছিল, এমন বিষয়গুলো, কথাগুলো ব্যস্ততায় পড়লে হয়না কিছুৃই । তাই নীরব, নিস্তব্দ সময়ে সু্স্থির মনে পড়লে... সত্যিই মন চলে যায় সেই সময়ের গণ্ডীতে, গভীরতায়, তখন দারুণ অনুভূতির সৃষ্টি হয়! আর ভাবি - কখনও কি পারবো ? এই শাস্ত্রের নিয়মের প্রতি প্রবল নিষ্ঠাবান এবং অত্যন্ত অন্তরের গভীরে মহাপ্রভুর স্থান হয়ে রয় যে সনাতন শিষ্য, তার মতো?? যে নাকি উত্তপ্ত বালিতে হেঁটে পায়ে ফোঁস্কা পড়লেও টের পায়না, অনুভুতিতে আসেনা, কষ্টটা টের পায়না ... মহাপ্রভুর প্রাণের টান অনুভবে সর্বক্ষণ। এমন ঈশ্বর প্রেমময় আত্মা !! সূক্ষ্ম তিল পরিমাণ “গেপ“ নেই!! কখনও কি পারবো? অন্তরের পরম ভক্তিতে প্রণাম এবং গভীর শ্রদ্ধাবনত চিত্তে আকুল প্রার্থনা দিব্যত্রয়ী‘র কাছে ও শ্রদ্ধেয় মহারাজের কাছে মনের চাওয়ানুযায়ী যেন আত্মনিবেদিত করতে পারি নিজেকে। জয় সনাতনের জয় । জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়। সুজাতা দে, লন্ডন - ইউ.কে।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল পড়ে।
ReplyDeleteঅপূর্ব উপস্থাপনা বারেবারে পড়ে আশ মেটে না
ReplyDeleteগ্রের লেখার জন্য অপেক্ষা করছি
সুব্রত ঘোষাল
এক নিঃশ্বাসে পড়ে গেলাম। অপূর্ব লাগছিলো ভক্ত রঘুনাথের কথা গতকাল অনুধ্যানে শুনে মুগ্ধ হয়ে ছিলাম আজ তার কথাপড়ে আরো অনেক কিছু জানতে পারলাম 🙏🌷🙏 ভালো লাগলো, পরবর্তী লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম। আমাদের জন্য প্রানপাত পরিশ্রমের মুল্য কিছু টা হলেও যেন দিতে পারি। জয় ঠাকুর মা স্বামীজির আর্শীবাদ বর্ষিত হোক সকলের উপর 🙏🌷🙏
ReplyDeleteআপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন এই প্রর্থনা করি ঈশ্বরের কাছে 🙏🌷🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷🙏
প্রনাম মহারাজ 🙏 খুব ভালো থাকুন।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ জী। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর কত অজানা তথ্য জানতে পারছি। খুব ভালো লাগছে। পরবর্তীতে আরো নুতন কিছু জানতে পারবো ও সমৃদ্ধ হবো এই অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকবেন মহারাজ । আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহন করবেন।
ReplyDeleteসোমা চক্রবর্তী
দিল্লি
খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর কথা জানতে পারছি।পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।। প্রনাম মহাপ্রভু।প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ। ভক্ত রঘুনাথের কথা আপনার কাছে শুনেছিলাম। এখন আরও অনেক কিছুই জানলাম। ভীষণ সুন্দর। manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman.
ReplyDelete🙏প্রনাম গ্ৰহন করুণ। মহাপ্রভুর মর্তলীলা আর সেই সঙ্গে মহান ভক্তদের কাহিনীর অপূর্ব বর্নন, মুগ্ধ করে। ভালো থাকবেন।🙏
ReplyDeleteশ্রী শ্রী গুরুদেবের আশীর্বাদ প্রার্থনা এই ভক্তির এক বিন্দু আমাদের মধ্যে প্রথমত হোক।🙏🙏🌷🌷☘️☘️🙏🙏
ReplyDeleteJoy mohaprovur joy🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam neben maharaj 🙏🙏🙏
প্রণাম মহাপ্রভুর চরণে, প্রণাম মহারাজ ব্লগ পড়ে খুবই ভালো লাগল
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
Delete