ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
পর্ব-২৯
ঐ বিষয়ে চৈতন্যদেবকে
আর অনুরোধ করা বা কিছু বলার সাহস কারও ছিল না। অগত্যা স্বরূপ কিছু ভক্তদের সঙ্গে নিয়ে
ছোট হরিদাসের কুঠিয়ায় যায়। তিনি দরজা খুলে বাইরে আসেন ও ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। পরে স্নান
ও আহার করে মোটামুটি স্বাভাবিক হয়ে যান। মহাপ্রভু সমুদ্র স্নানে গেলে দূর থেকে ছোট
হরিদাস দর্শন করতেন। মহাপ্রভু কিন্তু তাকে এক প্রকার এড়িয়েই চলতেন। হরিদাসের মনে আশা
ছিল হয়তো ধীরে ধীরে তিনি প্রসন্ন হবেন। কিন্তু অনেক দিন এভাবে চলল, চৈতন্যদেবের মধ্যে
কোন পরিবর্তন দেখা গেল না। দেখেও যেন দেখেন না, সামনে পড়লে পাশ কাটিয়ে চলে যান। হরিদাসের
মনে নিজের প্রতি ধিক্কার এলো।
এর আরও কিছু কাল পরে
নববর্ষের দিন সকলে চৈতন্যদেবকে দর্শন ও প্রণাম করতে এলেন ছোট হরিদাস। তিনি তখন সকলের প্রণাম গ্রহণ করছিলেন।
অনেকের মধ্যে ছোট হরিদাসকে না দেখে তিনি তাকে ডেকে নিয়ে আসার জন্য ভক্তদের বলেন। হরিদাসের
জন্য তাঁর স্নেহ যেন সেদিন অকস্মাৎ উদ্বেল হয়ে উঠল। হরিদাসের প্রতি মহাপ্রভুর অন্তরের
টান দেখে ভক্তদেরও হৃদয় বিগলত হল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে ভক্তরা দুঃখের সঙ্গে জানালো যে ছোট
হরিদাস কাউকে কিছু না জানিয়ে পুরী থেকে কোথাও চলে গেছেন। এই কথা শুনে চৈতন্যদেব মর্মাহত
হলেন। পরে জানা গিয়েছিল ছোট হরিদাস পুরী থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন তীর্থ দর্শন করে শেষে
প্রয়াগে এসে ছিলেন। ওখানে মনোরম পরিবেশে থেকে সাধন ভজন করতেন।
ত্যাগের নিদর্শন
পুরীতে একটি ব্রাহ্মণ বালক চৈতন্যদেবের কাছে আসা যাওয়া করত। ছেলেটির বাবা মারা গিয়েছিল। চৈতন্যদেবের
স্নেহ ভালবাসায় ছেলেটি ঘন ঘন আসে। দামোদর কিন্তু এটি পছন্দ করতেন না। পরে যখন জানতে
পারলেন যে ছেলেটির বিধবা মা খুবই ভক্তিমতী হলেও, বয়স অল্প এবং পরমা সুন্দরী। তখন দামোদর
ঐ ছেলেটির আসা একেবারে নিষেধ করে দিলেন। চৈতন্যদেব এই ঘটনায় দামোদরের বিচক্ষণতার পরিচয়
পেয়ে খুবই আনন্দিত হয়ে ছিলেন।
তিনি একদিন দামোদরকে
বলেন এখানে তুমি যেমন আমায় সব দিক দিয়ে রক্ষা করে চলেছ। কিন্তু নবদ্বীপে মিশ্র পরিবারে
কী হচ্ছে তার খবর কে রাখে! দামোদরের জন্ম স্থান ছিল নবদ্বীপে। মহাপ্রভু দামোদরকে নবদ্বীপে
পাঠালেন। যথা সময়ে জগন্নাথদেবের আশীর্বাদ নিয়ে মহাপ্রসাদ সঙ্গে নিয়ে নবদ্বীপে গেলেন।
গর্ভধারিণীর প্রতি ভক্তি
শচীদেবীকে দণ্ডবৎ প্রণাম জানালেন ও কুশল বিনিময় করলেন। শচীদেবী সব কিছু শুনে খুবই আনন্দিত
হয়ে ছিলেন। সন্ন্যাসী হয়েও নিমাই তাঁদের মঙ্গলের জন্য চিন্তা করেন জেনে মা শচীদেবীর
হৃদয় পুত্র স্নেহে পূর্ণ হয়ে উঠল। দামোদর মহাপ্রভুর ইচ্ছা অনুসারে শচীদেবীর ও বিষ্ণুপ্রিয়া
দেবীর সেবা শুশ্রুষা সব বিষয়ের ব্যবস্থা করতেন। নবদ্বীপে থাকলেও প্রতিবছর রথের সময়
দামোদর নবদ্বীপ বাসীদের নিয়ে পুরী ধামে যেতেন।
মিশ্র পরিবারে সেবক
ঈশানের কথা আপনাদের নিশ্চয় মনে থাকবে। এখন তার বয়স হয়েছে, ফলে সব কাজ আর করে উঠতে পারেন
না। তাই ঈশানকে কাজে সাহায্য করার জন্য একটি ব্রাহ্মণ সন্তান বংশীবদনকে রাখা হয়। এই
বংশীবদন খুব ভাগ্যবান ছিলেন বলতে হবে। কারণ স্বয়ং দেবী বিষ্ণুপ্রিয়া তাঁকে কৃপা করে
দীক্ষা দান করেছিলেন। বংশীবদন বিবাহ করে গার্হস্থ্য কর্তব্য স্বীকার করলেও শচীদেবীর
বা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর সেবায় মন প্রাণ সমর্পণ করে ছিলেন।
দামোদর এই ভাবে মিশ্র
পরিবারের এক প্রকার ভার সানন্দে গ্রহণ করেছিলেন।
সনাতনের পুরী যাত্রা
ওদিকে সনাতন ব্রজধামে
কিছুকাল বাস করার পর মহাপ্রভুকে দর্শনের ইচ্ছা প্রবল হয়। শ্রীরূপ ও অনুপম পুরীতে গিয়েছেন
জেনে সনাতন পুরী রওনা হলেন। সনাতন ভগবানের নাম করতে করতে দুর্গম পথ পেরিয়ে প্রয়াগ কাশী
পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে প্রবেশ করেন। একে রাস্তা খুব দুর্গম, তার ওপর ছিল ভিক্ষার
অভাব। তাই ঠিক মতো আহার হত না, বিশ্রামও হত না। ঋতুও অনুকূল ছিল না। এর ফলে সারা শরীরে
খোস-পাঁচড়া দেখা দিল। মনে মনে ভাবলেন শরীরে এই রকম পচা ঘা নিয়ে চৈতন্যদেবের কাছে যাই কী করে! তা ছাড়া শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের সেবকরাও সেখানে থাকেন ও বাস করেন। এই অবস্থায়
তাদের ছোঁয়া হয়ে গেলেও মহা অকল্যাণ হবে। আর এই দেহ রাখাও ঠিক নয়। তার থেকে দেহ ত্যাগ
করাই শ্রেয়। কিন্তু দেহ কীভাবে ত্যাগ করবেন ভাবতে লাগলেন। রথের খুব আর বেশি দেরী নেই।
পুরীতে গিয়ে চৈতন্যদেবকে দর্শন করে রথের চাকায় তলায় শরীর ত্যাগ করবেন। মনে মনে এই পরিকল্পনা
করে পুরীতে এসে পৌঁছোলেন।
এলেন হরিদাসের কুঠিয়াতে। হরিদাস ঠাকুরকে প্রণাম করে কুশল বিনিময়
করলেন। চৈতন্যদেবেরও খবর নিলেন। সনাতনকে দেখেই হরিদাসের অন্তর আনন্দে ভরে গিয়েছিল।
পরিচয় পেয়ে অত্যন্ত খুশী হলেন। প্রতিদিন ভোরে চৈতন্যদেব শ্রীজগন্নাথদেব দর্শনের পরে
হরিদাসের কূঠিয়াতে আসেন। সেই অভ্যাস মতো আজ
একটু পরে আসবেন। সনাতন উদ্গ্রীব হয়ে পথের দিকে তাকিয়ে রইলেন। কিছুক্ষণ পরেই সেই প্রাণপ্রিয়
দুর্লভ হৃদয়-দেবতা উপস্থিত হলেন।
প্রভুর দর্শন
সনাতন বিহ্বল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। চরণ-বন্দনা
করে উঠে দাঁড়ালে মহাপ্রভু তাঁকে আলিঙ্গন করেন। উপস্থিত হরিদাস চৈতন্যদেবের দৃষ্টি আকর্ষণ
করে বলেন যে, সনাতন প্রণাম নিবেদন করলেন। সনাতনের নাম শোনা মাত্র প্রভু প্রেমালিঙ্গনে
তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। আর তখনি সনাতন প্রভুকে বাধা দিয়ে তা করতে নিষেধ করেন। কারণ তাঁর সারা শরীর যে খোস পাঁচড়াতে ভর্তি। পুঁজ ও রস নির্গত হচ্ছে কোথাও কোথাও।
সনাতনের কোন নিষেধ তিনি
শুনলেন না। পরম স্নেহে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এর
এদিকে সনাতন ভীষন দুঃখে হায় হায় করতে লাগলেন। কিন্তু চৈতন্যদেবের অন্তরে ঘৃণা দূরে
থাকুক, তাঁর চোখ মুখ আনন্দে ভরে উঠল, মুখে মৃদু হাসির রেখাও দেখা গেল।
নিজের পাশে বসিয়ে কথাবার্তা
বলতে লাগলেন। শ্রীরূপ যে গৌড়ে গিয়েছেন সে কথাও জানালেন। অনুপমের দেহ ত্যাগের সংবাদ
জেনে সনাতন খুবই দুঃখ পেলেন।
অনুপমের অনুপম কথা
অনুপমের কথা সনাতন বলতে
লাগলেন। ছোটবেলা থেকেই অনুপম ভগবান শ্রীরামের ভক্ত ছিলেন। তাঁর ভক্তি ও নিষ্ঠা কত খানি
শ্রীরামের প্রতি তা পরীক্ষা করার জন্য রূপ ও সনাতন দুজনে অনুপমকে বলেছিল, অনুপম, তুমি
শ্রীরামের চিন্তা না করে শ্রীকৃষ্ণের ভজনা কর, তাহলে আমরা তিনজন একসঙ্গে পরমানন্দে
একই ইষ্টের ভজনা করতে পারব। ভাইদের অনুরোধে প্রথমে স্বীকার করলেও মন থেকে রঘুনাথকে
কিছুতেই সরাতে না পেরে সারা রাত খুব কেঁদেছেন।
পরদিন অনুপম কাঁদতে কাঁদতে কাতর ভাবে
এসে বলল, দাদা, আমার মাথা চির কালের জন্য রঘুনাথের শ্রীপাদপদ্মে সমর্পণ করে দিয়েছি।
আর উপায় নেই। আমি অনেক চেষ্টা করেও পারলাম না। আমায় ক্ষমা কর। অনুপমের এমন অদ্ভুত ইষ্টনিষ্ঠার
পরিচয় পেয়ে আমরা খুবই খুশি হয়েছিলাম। ভাইকে বুকে জড়িয়ে তখন আমরা বলেছিলাম, তুমি চিরকাল
শ্রীরামের ভজনাই কর। আমরা শুধু তোমাকে পরীক্ষা করার জন্য এমন কথা বলেছিলাম।
অনুপমের মৃত্যু সংবাদ
শুনে পুরনো কথা মনে ভিড় করে এলো। চৈতন্যদেব সব কথা শুনে অনুপমের ভক্তি ও নিষ্ঠার খুব
প্রশংসা করেছিলেন।
পুরীর ভক্তদের সঙ্গে
সনাতনের পরিচয় হল। তাঁর ভক্তি বৈরাগ্য ও চরিত্র মাধুর্যে সকলের খুব প্রিয় হয়ে উঠলেন।
হরিদাসের কুঠিয়াতে সনাতনের থাকার ব্যবস্থা হয়। গোবিন্দ রোজ মহাপ্রসাদ দিয়ে আসতেন। মহাপ্রভু
নিত্য শ্রীমন্দিরে দর্শনের পর কুঠিয়াতে আসতেন
। তিনিও অনেক প্রসাদ নিয়ে আসতেন। ভগবৎ প্রসঙ্গ চলত বেশ অনেকক্ষণ। এই ভাবে পরমানন্দে সনাতনের দিন কাটতে লাগল। কিন্তু তিনি শরীর ত্যাগের সঙ্কল্প ত্যাগ করেন নি।
রূপ, সনাতন বা হরিদাস
ঠাকুরকে তখন মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হত না। এঁরাও কখনও নিয়ম ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকতে
চাননি। তবে চৈতন্যদেবের যেমন প্রভাব ছিল চেষ্টা করলেই তা পারতেন। তিনিও তা করেন নি।
তা যা হোক, একদিন মহাপ্রভু সনাতনের সঙ্গে ভগবৎপ্রসঙ্গ করছিলেন হঠাৎ চৈতন্যদেব খুব গম্ভীর
হয়ে গেলেন। ধীর ও গম্ভীর স্বরে তিনি বললেন –
"দেহত্যাগে কৃষ্ণ না
পাই পাইয়ে ভজনে।
কৃষ্ণপ্রাপ্তির উপায়
নাহি ভক্তি বিনে"।।
তাঁর মনের গোপন ভাব
চৈতন্যদেব টের পেলেন কী করে! তিনি আশ্চর্যান্বিত হয়ে তাঁর অন্তরের দুর্বলতার কথা কাঁদতে
কাঁদতে স্বীকার করলেন। চৈতন্যদেবের চরণে ক্ষমাভিক্ষা চাইলেন। চৈতন্যদেব সান্ত্বনা দিয়ে
তাকে বোঝালেন আত্মহত্যা মহাপাপ। এমন হীন কাজ তোমার করা উচিত নয়। সনাতন তখন বলেন প্রভু
আমি অতি নীচ অধম, আমাকে বাঁচিয়ে রেখে তোমার কী লাভ!
তখন চৈতন্যদেব বলেন
–
“প্রভু কহে তোমার দেহ মোর নিজধন।
তুমি মোরে করিয়াছ আত্মসমর্পণ।।
পরের দ্রব্য কেন তুমি
চাহ বিনাশিতে।
ধর্মাধর্ম বিচার কিবা
না পার করিতে।।
তোমার শরীরে মোর প্রধান
সাধন।
এ শরীরে সাধিব আমি বহু
প্রয়োজন”।।
সনাতনকে এই ভাবে অনেক
প্রবোধ দিয়ে বুঝিয়ে বললেন। আরও বললেন, তিনি মায়ের আদেশে এই নীলাচলে রয়েছেন, নীলাচল
ছেড়ে তাই অন্যত্র যেতে পারবেন না। মহাপ্রভুর ইচ্ছা রূপ ও সনাতন ব্রজধামে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের
জন্ম ও লীলাস্থান গুলি উদ্ধারের কাজ করেন। তোমরা বিদ্বান ও বুদ্ধিমান সর্বোপরি তোমাদের
ভক্তিপ্লুত জীবন ত্রিতাপতপ্ত মানুষকে শান্তি লাভের পথ সুগম করবে।
দেহত্যাগের সঙ্কল্প ত্যাগ
এই কথা শুনে সনাতনের
অন্তরের ভাব পরিবর্তিত হয়ে গেল। তিনি মন থেকে দেহ ত্যাগের সঙ্কল্প ত্যাগ করলেন এবং
চৈতন্যদেবের পাদপদ্মে নিঃশেষে আত্মসমর্পণ করিলেন। চৈতন্যদেব সনাতনের দেহে খোস-পাঁচড়া
গ্রাহ্য না করে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। সনাতনের সংকোচ যদি প্রভুর শরীরে রক্ত পুঁজ লেগে যায়।
অনুনয় বিনয় করে নিষেধ করলেন তাকে স্পর্শ করতে। তাকে চৈতন্যদেব বলেন – তোমার দেহের রক্তপুঁজ তোমার কাছে
ঘৃণ্য হলেও, আমার কিন্তু চন্দনের মত মনে হয়।
নিরুপায় হয়ে একদিন সনাতন তাঁর মনের দুঃখ
জগদানন্দ পণ্ডিতকে জানান। পণ্ডিত তাতে পরামর্শ দেন তিনি যেন পুরী ত্যাগ করে দ্রুত বৃন্দাবনে
চলে যান। রথযাত্রার পর বৃন্দাবনে চলে যাবেন এ কথা চৈতন্যদেবকে সনাতন জানালেন। হঠাৎ
সনাতনের মুখে চলে যাওয়ার কথা শুনে চৈতন্যদেব বললেন এত তাড়াতাড়ি চলে যাবে কেন? এখানে
থেকে নানা ভাবে অপরাধী হচ্ছি। আমার স্পর্শে আপনার দেব দেহ অপবিত্র হয়, এ আমি চাই না।
তাই জগদানন্দ পণ্ডিতের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত স্থির করেছি।© ক্রমশ...
প্রণাম মহারাজ 🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর। 🙏🙏🙏🙏
DeletePronam Maharaj khub bhalo lagche apnar lekha anek kichu jante parchi. Pronam Maharaj 🙏
Deleteজয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
Deleteমহারাজের শ্রী চরণে ভূমিষ্ট প্রণাম নিবেদন করি।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
অপূর্ব। অনেক নতুন তথ্য জানতে পারছি।জানার আগ্রহ আরও বাড়ছে।সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
Deleteইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ
Apurbo
DeletePronam Maharaj 🙏🙏
আলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteঠাকর ভক্তের মন দেখেন সেইজন্যই ভক্তকে দুরে যেতে দেন না। খুব ভালো লাগলো মহারাজ মহাপ্রভুর জীবনের কথা জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি 🙏❤🙏
Vison valo laglo moharaj mone hochhe Jano amio sob dekhchi ki apurbo likhechen voktipurna pronam neben Moharaj
Deleteশ্রী মহাপ্রভুর লীলাকীর্ত্তন আপনার লেখায় কতো সুন্দর ভাবে জানতে পারলাম। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন মহারাজ। 🙏
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
🙏🏻🌼🙏🏻
ReplyDeleteজয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteপরম পূজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏
ভারী সুন্দর বর্ণনা কত কি জানতে পারছি আপনার এই উপস্থাপনা থেকে
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ
সুব্রত ঘোষাল
পড়লাম খুব ভালো লাগলো। প্রণাম আচার্য্য দেব । মাধুরী ঘোষাল।
ReplyDelete২৯ পর্বটি পড়লাম। খুব ভালো লাগছে পড়তে। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
DeleteKhub sunder ...pranam mahaprabhu...🙏apurbo ajker 29 no lekha....pranam maharajji🌹🙏🏻🌹jaya choudhury.
ReplyDeleteNhmm
অপূর্ব অপূর্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি লেখা পড়ে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি এতকিছু আছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনে। আমরা জানতাম না আপনার সংস্পর্শে এসেছি বলে, এত কিছু জানতে পারছি সাধু সঙ্গ দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteApurbo Apurbo lekhoni moharaji, antorik shrodda purno pronam neben amar, sadhana Sharma from panchala
ReplyDeleteShree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree padopodmey Vaktivora pranam nibedon kori 🌻 🙏. Aajker 29th porbo er lekhoni porey Daibosakti o Daibo Prem er pravaab e Sanatan er jiboner poribortan dekhey ta onubhob kora jei🙏. Thakur prokrito Vakto ke thik bujhtey paren, "Vakter odhin Vagaban "🌻🙏. Maharajji, ashirbad korun amra o jeno prakrito vakto hotey pari 👏🙏. Joy Thakur🌻🙏. Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌷 🙏.
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগছে । আপনার মূল্যবান পরিবেশনায় আমরা মুগ্ধ।,,,,,, মদনমোহন বেজ।ব্যান্ডেল।
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু‘র ধারাবাহিক লিখা‘র ২৯ পর্বে পড়ে মনটা দারুণভাবে বিগলিত হলো… খোস-পাঁচড়ায় ভরা যে সনাতন চাইছিল রথের সময় চাকার নীচে দেহত্যাগ করবেন..তা কিভাবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু মনে মনে বুঝে গিয়েছিলেন!
ReplyDeleteমহাপ্রভুর গায়ে… খোস-পাঁচড়ার রস পুঁজ লেগে যাবে বলে সনাতন আলিঙ্গন করতে চাইতেননা…কিন্তু তিঁনি আলিঙ্গন করতেন এবং বলতেন এই রস পুঁজ তোমার মনে হয়, আমার কাছে চন্দনের মতো মনে হয়!! এমন সব বিষয়গুলো…উপলদ্ধি করার প্রয়াসে সত্যিই মন দীর্ঘো উঁচুতে চলে যায়! জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু‘র জয়, অন্তরের গভীর শ্রদ্ধায় প্রণাম। জয় শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজের জয়, শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্বভক্তি প্রণাম জানাই। সুজাতা দে, লন্ডন-ইউ.কে।
কি অপুর্ব বাক্যালাপ পরম ভক্ত শ্রী সনাতন এবং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর । মন যেন ভক্তি রসে আপ্লুত ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম জানাই আচার্য মহারাজ জী র চরনে।🙏🙏
অর্পিতা বসু বাগবাজার
আহা কি অপুর্ব বাক্যালাপ পরম ভক্ত শ্রী সনাতন প্রভু আর শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর । মন যেন ভক্তি রসে আপ্লুত ।🙏🙏প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী ।🙏🙏
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏🙏.
Maharaj anek kichu janlam
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteচৈতন্য দেব সন্মন্ধে কত কিছু জানতে পারছি । আরো জানার অপেক্ষায় থাকি ।
এক সময়ে নিশ্চয় ব ই আকারে প্রকাশিত হবে ।
প্ৰণাম মহাৱাজ। খুব ভাল লাগছে
ReplyDeleteমলি পাল
কলকাতা।
ভক্ত সঙ্গে মহাপ্রভুর লীলা অরূপ মাধুর্যপূর্ণ।কি অপূর্ব আপনার লেখা। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা।
ReplyDeletePronam Maharaj, ki apurba laglo monta bhoragalo.🙏🙏🌹❤❤🌹🙏🙏
ReplyDeleteBani Chakraborty, Agt., Tripura.
ReplyDeleteSundar laglo Rup Santan Haridas Chaitanya Mahaprabhu r Leelar Madhurjapurna lekha Reba Banerjee 12 th September
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগছে মহারাজ! কিন্তু পুরো ঘটনা মনে থাকে না! তবুও যত টা মনে থাকে! আপনার কৃপা তে কত কিছু জানতে পারছি মহারাজ! প্রণাম মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 ভক্তের ভগবান কথা টা যে কতখানি সত্য সেটা শ্রীমহাপ্রভুর জীবনী না পড়লে জানতে পারতাম না। এই সব সম্ভব হয়েছে আপনার সাধিন্নে এসে।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী Texas
Apurba lagcha khub sundar.
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.
প্রাণপ্রিয় দুর্লভ হৃদয় দেবতা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও পূজনীয় আচার্যদেব কে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই। এখানে,ভগবান ও ভক্ত কেমন হয় তার অপূর্ব সুন্দর উপমা পেলাম! এতো ভাল লাগলো! তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব! আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই 🙏 এই অসাধারণ লেখাটির জন্য।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteনাম - বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে। বাড়ি - মালদা।
Deleteপ্রনাম মহারাজ জী . I রুনা পালিত কেঁচুয়া ডাঙ্গা নদীয়া ।
ReplyDeleteMaharaj apnar kalame Mahapravu r jibaner kata valo valo ghatanagulo jante parchi khub valo lagche khub vakti lagche apnar sri charane sata sata vakti ninedan kari🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। খুবই সুন্দর এই অসাধারণ কিছু পোস্ট । 🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam maharaj .khub sundor.valo Thakben.
ReplyDeleteঅসাধারন মহাপ্রভুর জীবন কাহিনী । ভগবান ও ভক্ত য়ে এক তা বুঝতে পারলাম,মনে এক অনুভূতি সঞ্চারিত হল অপূর্ব।প্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteখুবভাল লাগল মহাপ্রভুর সম্পর্কে জানতে পারলাম। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। আরো অনেক কিছু জানতে পারবো ।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ । মীনা সিনহা রাজারহাট ।
Ananto Koti pronam moharaj jee Bankura Bishnupur theke sabita Roy , amiAki thikli khechi?
Deleteজয় চৈতন্য মহাপ্রভু আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম জানাই 🙏 খুব ভালো লাগলো মহারাজ চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা পড়ছি জানতে পারছি ভালো আপনি আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম নেবেন 🙏 দীপা সরকার হাওড়া কদমতলা জয় ঠাকুর 🙏
Deletepronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeletePronam maharaj amra damridhya hocchi jodi eta boi rupe paoa jai ei asha thaklo 🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ এত অজানা কথা জানতে পারলাম মহাপ্রভু সম্বন্ধে। ভাল থাকবেন মহারাজ ইন্দ্রানী কুণ্ডু যাদবপুর।
ReplyDeleteমহাপ্রভু সম্বন্ধে অনেক কথা জানতে পারছি আপনার অপূর্ব লেখায়। খুব ভালো লাগছে মহারাজ।আমরা প্রতিদিন অনুধ্যা ন থেকে ও নতুন নতুন আধ্যাত্মিক বিষয়ে জানতে পারছি। সমৃদ্ধ হচ্ছি।আপনি ভালো থাকবেন মহারাজ।প্রণাম নেবেন।🙏🌹🙏🌹🙏
ReplyDelete🙏 মহাপ্রভু যে কতটা ভক্তবৎসল ছিলেন, এই লেখা না পড়লে জানতাম না। চৈতন্য চরিতামৃত এর সারাংশ মনে হয় মহারাজ আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। আমি ধন্য, আপনার সান্নিধ্যে এসে। 🙏
ReplyDeleteজয় প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🌷🙏 তোমার কৃপায় তোমার লীলা শ্রবন জয় প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🌷🙏
ReplyDeleteজয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏 আপনার অহেতুকী কৃপার্শীবাদে এই শ্রীচৈতন্য লীলা শ্রবন করতে পারছি।এ আমাদের পরম সৌভাগ্য 🙏🌷🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷🙏
অপূর্ব খুব ভালো লাগছে। অনেক নুতন কথা জানতে পারছি। মনে জানার আনন্দ হচ্ছে প্রণাম আচার্য্য দেব। মাধুরী ঘোষাল নাগের বাজার।
ReplyDeleteসভক্তি প্রণাম নেবেন মহারাজ ।প্রতিটি লেখা পড়ে ও চৈতন্য দেবের অনেক কিছু জানতে পেরে আবার জানার ইচ্ছে বেড়ে যাচ্ছে।অপেক্ষায়রৈলামল
ReplyDeleteপ্রণাম োঃরআজ ।
ReplyDeletePorom pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 joy srichaitanya mohaprabhu ki joy🙏 Dipa Choudhury Andul Howrah🙏
ReplyDeleteApurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam Aparna Roy chowdury Delhi
ReplyDeleteমহারাজ রচনা টি পাঠ করলাম।
ReplyDeleteএত নিপুণ বর্ণনা কখনো পড়িনি।
আপনার লেখা প্রতি ঘরে পঠিত হলে সবাই জানতে পারতো।
আমার অন্তরের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করুন।
Joy mohaprovur joy🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam neben maharaj 🙏🙏🙏