।। জন্মহীনের জন্মদিন ।।
--- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
জন্মাষ্টমীর আয়োজন হচ্ছে সর্বত্র। ভগবান নিজে এসে দেখিয়ে দিলেন। যুগে যুগে বারে বারে
তাঁকে আসতে হয়। শ্রীরামকৃষ্ণও তো এলেন, খুব বেশি দিন হয়নি। তিনি আমাদের চৈতন্য জাগরণের
কত চেষ্টাই তো করলেন।
তবু কি আমাদের চৈতন্য হয়! আমাদের ভালোবেসে যিনি এসেছেন আমাদের কাছে, তাঁকে
অভ্যর্থনা করতে হবে। বিশেষ অতিথি বাড়িতে এলে ঘর দোর পরিষ্কার করতে হয়, সাজিয়ে তুলতে
হয় সব দিক, নিজেকেও সাজিয়ে তুলতে হয়। আর এই অতিথি তো যেসে অতিথি নয়। ইনি হলেন রাজার
রাজা। হৃদয় মন্দিরে মাধবকে বসাতে হবে। তার জন্য মন্দির মার্জনা হয়নি, বিষয় বাসনা, হিংসা
দ্বেষ, মানযশের লালসায় মন্দির যে জঞ্জালে পূর্ণ। তাতে আবার এগারো জন চামচিকের আড্ডা।
শুধু ভোঁ ভোঁ করে শাঁখ বাজিয়ে চলেছি। অহংকার আর আড়ম্বরে যে মজে আছি, ভক্তির প্রদীপ
জ্বালা হয়নি।
আসুন, সেই জানা কথা আর একবার শুনি। সে অনেক কাল
আগের কথা। দ্বাপর যুগের এক গভীর রাত। দক্ষিণায়নে বর্ষা ঋতু। ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথি। রোহিনী নক্ষত্রে বুধবার
এক শিশুর জন্ম হল। তাঁর আবির্ভাবের সময়, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ ও শনি নিজ নিজ উচ্চ স্থানে অবস্থিত ছিলেন। সেই সময় মধুরা ও গোকুলের নরনারী
গভীর নিদ্রায় মগ্ন ছিলেন।গ্রহ নক্ষত্র তারা সকলেই শান্ত ভাব ধারণ করলেন। নদী সব কানায়
কানায় পূর্ণ হয়ে প্রবাহিত হতে লাগল। হ্রদ সকল জল শোভায় সুশোভিত হল। নানা পুষ্পে বন
রাজি শোভা পেতে লাগল। পাখিদের কলরবে ও ভ্রমরের গুঞ্জনে বনরাজি ধ্বনিত হতে থাকে। সুখস্পর্শ
সমীরণ বায়ুতে সাধুদের মন প্রফুল্ল ও স্বর্গীয় দুন্দুভি ধ্বনিত হতে থাকে। কিন্নর ও গন্ধর্ব
গণ গান ও স্তব করতে থাকেন। অপ্সরা ও বিদ্যাধরগণ নৃত্য করতে থাকেন। দেবতাগণ করতে থাকেন
পুষ্প বৃষ্টি। এ শিশু সামান্য শিশু নয়। এ হল স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু, যিনি শ্রীকৃষ্ণরূপে
জগতে আবির্ভূত হয়েছেন। শাস্ত্রে বলা হয়েছে ভগবান জন্মরহিত। তবুও অধর্মের বিনাশের জন্য
শরীর ধারণ করে আসেন। মানুষকে তাঁর দিকে আকৃষ্ট
করার জন্য নানা অদ্ভূত মনোহর লীলা করেন তিনি। ঘোর নিশিথে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শঙ্খ চক্র,
গদা পদ্ম ধারী চতুর্ভুজ রূপে কংসের কারাগারে দেবকীর পুত্র রূপে আবির্ভূত হলেন।
বসুদেব, রাজা কংস যাকে
কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন, শ্রীভগবানকে নিজ
পুত্র রূপে দর্শন করে আনন্দে আপ্লুত হলেন।
আবার বিস্মিত ও হচ্ছেন একই সঙ্গে। কারণ তিনি কংসের কারাগারে বন্দী। এই অবস্থায় তিনি
শ্রীভগবানের দর্শন, যা যুগ যুগ তপস্যা করেও লাভ করা যায় না, এও কি সম্ভব! আবার ভাবছেন
যিনি সর্বব্যাপী তিনি মানুষের গর্ভে এলেন কী করে? তাছাড়া শিশু জন্ম কালে কোন পোষাক
পরিহিত থাকে না। কিন্তু তিনি দেখছেন এই শিশু পীতবস্ত্র ও নানা ভূষণে সজ্জিত হয়ে জন্মেছেন।
শিশুর অঙ্গ জ্যোতিতে সূতিকাগার আলোকিত হয়েছে দেখে বসুদেব নিশ্চিত হলেন শ্রীভগবান আবির্ভূত
হয়েছে।
মনে মনে ব্রাহ্মণদেরকে অযুত গাভী দান করার সংকল্প
করলেন। পরে তিনি দণ্ডবৎ প্রণাম করে হাত জোড় করে বলতে লাগলেন – “আমি আপনাকে
দর্শন করে জেনেছি যে, আপনি সকল জীবের অন্তর্যামী পরমাত্মা নির্বিশেষ ব্রহ্ম ও সচ্চিদানন্দময়
স্বয়ং ভগবান। আপনি দুর্লভ দর্শন হলেও আপনার
কৃপায় আমি এই দর্শন লাভ করেছি”।
দেবকী তখন বললেন
- “বেদে যে
অতীন্দ্রিয় চিৎস্বরূপ নির্গুণ নিরাকার ব্রহ্মের কথা বলা হয়েছে সেই অধ্যাত্মদীপ স্বরূপ
বিষ্ণুই তুমি। তুমি সকল জীবকে অভয় দান করে থাকো। আমাকে কংসের ভয় থেকে রক্ষা কর। দুরাচারী
কংস যেন না জানতে পারে যে, আমার থেকে তোমার জন্ম হয়েছে। হে বিশ্বাত্মা, আমি তোমার জন্য
কংস ভয়ে ভীত হয়েছি। তোমার এই অলৌকিক চতুর্ভুজ রূপ গোপন কর। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড যা
মধ্যে অবস্থান করে সেই তিনি আমার উদরে জন্ম
গ্রহণ করেছেন – এর থেকে বিস্ময়কর আর কী হতে পারে! তুমি
সাধারণ মানুষের মত জন্মকে অনুকরণ করেছ।
তখন সেই শিশু যিনি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বললেন – হে মাত,
এই জন্মের তৃতীয় পূর্ব জন্মে স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে তুমিই পৃশ্নি নামে জন্ম গ্রহণ করে
ছিলে। সেই সময় বসুদেব ছিলেন সর্বদোষ রহিত প্রজাপতি সুতপা। তোমরা দুজনে পিতামহ ব্রহ্মার থেকে প্রজা সৃষ্টির আদেশ পেয়েছিলে। তখন তোমরা ঘোর
তপস্যায় মগ্ন ছিলে। তোমরা শীত, গ্রীষ্ম বর্ষা উপেক্ষা করে কঠিন তপস্যায় রত ছিলে। তখন
তোমরা কেবল ঝরে যাওয়া পাতা ও বায়ু ভক্ষণ করে দেহ রক্ষা করতে। এই চরম কঠোর তপস্যায় তোমরা
সিদ্ধ হলে আমি তোমাদেরকে বর দিতে চেয়েছিলাম। তোমরা আমার মতো পুত্র প্রার্থনা করেছিলে।
তখন আমি তথাস্তু বলে তোমাদের প্রার্থনা স্বীকার করে ছিলাম। কিন্তু আমার মতো ত্রিভুবনে
আর কেউ নেই, তাই আমাকেই তোমার পুত্ররূপে জন্ম
গ্রহণ করতে হয়েছিল। তখন আমার নাম হয়েছিল পৃশ্নিগর্ভ।
দ্বিতীয় বার তোমরা অদিতি ও কশ্যপ নাম ধারণ করলে
আমি তোমার গর্ভে বামন নামে জন্ম গ্রহণ করেছিলাম। এবং এই তৃতীয় বার যাতে তোমাদের বিশ্বাস
হয়, তাই আমি চতুর্ভুজ রূপে জন্ম গ্রহণ করেছি। তোমরা পুত্র ভাবে হোক বা ব্রহ্মভবেই হোক
আমার চিন্তা করলে আমার গতি প্রাপ্ত হবে। ‘ভয় নেই আমি
এসেছি’ - এই কথা বলে শ্রীকৃষ্ণ ছোট শিশুর রূপ
ধারণ করলেন ও চতুর্ভুজ রূপ মিলিয়ে গেল।
ভগবানের দ্বিভূজরূপ মাধুর্যরস মণ্ডিত। আর চতুর্ভুজ রূপ ঐশ্বর্য মণ্ডিত।
দ্বিভূজ রূপ প্রকাশের সময় চতুর্ভুজ রূপ ঢাকা পড়ে যায়।
এদিকে পিতা বসুদেব কংসের রোষানল থেকে রক্ষা করতে
ঐ শিশুটিকে নিয়ে নন্দালয়ে যেতে প্রস্তুত হলেন। যোগমায়ার প্রভাবে
কারা গৃহের দ্বার সব নিজে থেকেই খুলে গেল। ইন্দ্র করলেন প্রবল বারি বর্ষন। যমুনাতে
জল প্রবাহ ও প্রবল স্রোত সৃষ্টি করলেন। বসুদেব
পুত্রকে নিয়ে যমুনা পার হচ্ছেন। জল জানুর উপরে উঠল না। কিন্তু মাঝে মাঝে ঢেউ এসে শিশু
কৃষ্ণের শ্রীচরণ স্পর্শ করতে চাইল। অনন্তদেব
নিজে ফনা বিস্তার করে ছাতার মতো আচ্ছাদন করে পেছনে পেছনে যেতে লাগলেন। বসুদেব যমুনা
পার হয়ে নন্দব্রজে উপস্থিত হলেন। নন্দালয়ে
তখন সকলেই গভীর নিদ্রায়। তখন কোলের শিশুকে যশোদার বিছানার পাশে রেখে কন্যাটিকে নিয়ে
যমুনা পার হয়ে মথুরাতে ফিরে এলেন। কন্যাটিকে দেবকীর বিছানায় শুইয়ে দিলেন। এরপর বসুদেবের
পা দুটি আগের মতো শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে গেল ও কারাগারের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
কন্যাটি কেঁদে উঠলে প্রহরীরা সকলে দ্রুত কংসের কাছে
গিয়ে দেবকীর সন্তান প্রসবের কথা নিবেদন করল। শোনা মাত্র কংস বিছানা থেকে উঠে কারাগারে
এলেন। সূতিকা গৃহে কংসকে দেখে দেবকী বললেন – হে ভ্রাত,
এই কন্যাটি তোমার পুত্র বধু হবে একে হত্যা করে স্ত্রী হত্যার পাপ করো না। আমার এই ব্যাকুল
প্রার্থনা তোমার শোনা উচিত। কংস কোন কথাই শুনলেন না। দেবকীর কোল থেকে কেড়ে নিলেন কন্যাটিকে।
সদ্যোজাত কন্যার দুটি পা ধরে সামনের পাথরে সজোরে নিক্ষেপ করলেন। কিন্তু কন্যাটি সংগে
সঙ্গে তার হাত থেকে দিব্যরূপ ধারণ করে আকাশে
উঠে গেলেন। আকাশে অষ্টভূজা দেবীরূপে ধনু,শূল, বাণ, শঙ্খ, চক্র ও গদা এই আট প্রকার আয়ুধ
ধারণ করলেন। দিব্যমালা ও বস্ত্র, চন্দন ভূষণে প্রকাশ পেতে লাগলেন। দুরাত্মা কংসকে তখন
তিনি বলতে লাগলেন - ওরে দুর্বুদ্ধি কংস, আমাকে
মেরে তোর কোন প্রয়োজন সিদ্ধ হোত? তোর নিধনকারী কোন না কোন স্থানে নিশ্চয় জন্মেছেন। তুই আর বৃথা অন্য নির্বোধ শিশুদের
হত্যা করিস না।
ভালো কথা কি শুনবেন তিনি! কংস এই কথা শুনে বেশ আনন্দিত হলেন। কারণ তার মনে হল আগে যে দৈববানী শুনেছিলেন,
তা তো মিথ্যা প্রমাণ হয়েই গেল। কারণ দেবকীর অষ্টম
গর্ভে পুত্র নয়, কন্যার জন্ম হয়েছে। ফলে দৈববানী মিথ্যা হয়েছে। এই কথা ভেবে
দেবকীর কাছে সবিনয়ে গিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করলেন কংস। বললেন – আমি কী পাপিষ্ঠ,
রাক্ষস যেমন নিজের সন্তানদের হিংসা করে আমিও সে রকম তোমার সন্তানদের হিংসা করেছি।
আমি ব্রহ্ম হত্যার পাপ করেছি। মৃত্যুর পর আমাকে কোন লোকে যে যেতে হবে জানি না। আশ্চর্য
শুধু মানুষই মিথ্যা কথা বলে তা নয়, দৈব বাক্যও মিথ্যা হয়। আমি কী মূর্খ দৈব বাক্যে
বিশ্বাস করে কী অনিষ্টই না করলাম। এই কথা বলে কংস দেবকী ও বসুদেবের পা ধরে ক্ষমা চাইলেন।
কংসের সমস্ত অপরাধ ক্ষমা করে দিলেন। দেবকী ও বসুদেব
কংসের প্রতি সকল রাগ মন থেকে ত্যাগ করলেন।
বসুদেব বললেন – তুমি যা
বললে খুবই সত্যি কথা। মানুষের আত্মবিষয়ক অজ্ঞান
থেকেই দেহে আত্মবুদ্ধি হয়, এর ফলে অহংকার বশত ভেদ দৃষ্টি আসে। ভেদ দৃষ্টিতে পুরুষ শোক,
হর্ষ, ভয়, দ্বেষ, লোভ, মোহ, গর্ব সংযুক্ত হয়ে ঈশ্বরকে ভুলে যায়। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী
জেনেও পাপ কাজ থেকে বিরত হয় না। কংস নিজের দোষ বুঝতে পেরে দেবকীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে
চলে গেলেন।
কংসের মন সম্পূর্ণ পরিবর্তন
হয়নি। সে সব কথা অন্য আর একদিন শুনব। এখন এই কথার ইতি টানতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর
উৎযাপন কত ভাবে হবে। কত উপচারে সাজানো হবে নৈবেদ্য, কত কিছুই তো হবে। কিন্তু …
আমরা তাঁর মর্যাদা জানি না। তিনি তো অন্ধকারের
মাঝেই এসেছিলেন পরম করুণাময় রূপে। এসেছিলেন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে, কারাগারে। মনে করিয়ে
দিতে যে এই সংসারও একটি কারাগার। এখান থেকে মুক্তির পথ দেখাতে তিনি এসেছিলেন। আমাদের
সংকীর্ণ অজ্ঞান অন্ধকারে আচ্ছন্ন হৃদয়ে কৃপা করে তিনি যেন অবির্ভূত হন। আমাদের অন্ধকারময়
হৃদয়কে নিজ জ্যোতিতে উদ্ভাষিত করেন। ভক্ত হৃদয়ে এই হোল জন্মাষ্টমীর আয়োজন। অন্তরের অন্ধকার দূর
করতে তাই তাঁর কাছে আমাদের আকুল প্রার্থনা
–
“জাগো জাগো
শঙ্খচক্রগদাপদ্মধারী
জাগো শ্রীকৃষ্ণ কৃষ্ণা
তিথির তিমির অপসারি”।।©
মহারাজ.... অপূর্ব একটি লেখা পড়লাম 🙏🏻সমৃদ্ধ হলাম আমরা 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteKhub valo laglo Maharaj🙏🙏🙏🙏🙏
DeleteKhub sundor likhechen moharaj onek ojana kotha jante parlam Hare Krishna hare Krishna Krishna Krishna hare hare voktipurna sostango pronam neben Acharya gurumoharaj
DeleteKhob valo laglo Maharaj.
Delete🙏🙏🌹🌹🌹🌹🙏🙏
Khub valo laglo Maharaj ji.Upna k osankho dhonobad.Acharya Maharaj ji amar sosradho voktipurno pronam grohon korben..🙏🙏🙏🪷🌷🪷
DeleteNilanjana Ghosh Biswas Hailakandi Assam
DeleteAjana ke jana holo.
Deleteজয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏
Deleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
কৃষ্ণা মুখার্জি , হাওড়া
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 অপূর্ব এই তথ্য সমূহ লেখা , আপনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে কত কিছু ই জানতে পারছি , ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে চতুর্ভূজ নারায়ন রূপে জন্মগ্রহন করেছিলেন তার আজ আপনার লেখা পড়ে জানতে পারলাম🙏, খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তীTexas
খুব সুন্দর লাগলো পড়তে কিছু নতুন গল্পঃ শুনলাম দ্বিতীয় বার জন্ম ওটা জানলাম। খুব আনন্দ করে পড়লাম। মাধুরী ঘোষাল প্রণাম আচার্য্য দেব।
Deleteপ্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগলো। শ্রী krisের জন্ম িনী পড়ে ।ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteজয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ,আমাদের সংকীর্ণ অন্ধকারময় হৃদয়কে নিজ জ্যোতিতে উদ্ভাষিত করেন, এই প্রার্থনা করি ভগবানের কাছে।অসাধারণ লেখাটি!পূজনীয় আচার্য দেব কে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই। ভীষণ ভালো লাগলো।নাম - বিনু চক্রবর্তী, পান্ডে। বাড়ি মালদা
ReplyDeleteMaharag apnar lekhaprlam khub ananda pelam swapna sadhukhan magra
ReplyDeleteJoy sri krishna amar hidrya jena ganer aloy aalokita hoy eyi parchina kari . Pranam maharaj
ReplyDeleteঅপূর্ব । ভীষণ ভালো লাগলো মহারাজ । কিছু ক্ষণের জন্য মনটা অন্য জগতে চলে গে ছিল।
ReplyDeleteআমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজা
সুব্রত মুখার্জ্জী
ব্যাঙ্গালোর
31/8/23
অপূর্ব সুন্দর 🙏🙏🙏🌹🌹🌹❤️❤️❤️
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো শ্রীকৃষ্ণ লীলা কাহিনী। জয় শ্রী কৃষ্ণ
Deleteখুব ভালো লাগলো পড়তে। অপূর্ব।মনটা খুশিতে ভরে উঠল। আমরা নিশ্চয়ই কিছু পুণ্য কর্ম করেছি ।
ReplyDeleteখুব সুন্দর গুরুদেব। সংসার কারাগার থেকে কৃপা করে মুক্ত কর।🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ। খুব সুন্দর লেখা।
ReplyDeleteখুব সুন্দর। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
ReplyDeleteBhison bhalo laglo,"janma-hiner
ReplyDeletejanmadin",pore...ato sunder bhabe barna....darun...sradha purno pranam grahan korben maharajji...bhalo thakben...🌹🙏🌹
খুব ভালো লাগল মহারাজ ভাগবতে পড়েছি কৃষ্ণ জন্ম কথায় কিন্তু আপনার সহজ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ায় তাইতে আরো ও মাধুর্য যুক্ত হল। আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী।
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার।
খুব ভালো লাগলো মহারাজ জন্মাষ্টমীর আগে শ্রীকৃষ্ণের জন্মকথা।অপূর্ব বর্ণনা করেছেন। প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🌹🙏🌹🙏
ReplyDeleteস্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর।
Fantastic story.... Lord of the Lords...my deepest regards to you Vagowan....Hare Krishna
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteখুব সুন্দর!!
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻💐💐🌷🌷
স্বশ্রদ্ধ ও ভক্তিপূণ প্রণাম মহারাজ জী। অসাধারণ লাগলো জন্মহীনের জন্মদিন নামে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে এই লিখাটি! অন্তর বিকশিত হলো এই ভিন্ন আঙ্গিকে দারুণ সুন্দর তথ্যসম্বলিত চমৎকার লিখাটি পরে ও জেনে! কারণ শ্রীকৃষ্ণের জন্মকাহিনী আরও আগে বহুসময় পড়েছিলাম, জেনেছিলাম, এমন অপূব“ লিখা আর পাইনি। যাক্ এখন আসি ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের কথায়। যুগে যুগে তিঁনি (ভগবান)আসেন আমাদের শিক্ষা দিতে। শ্রীকৃষ্ণই পরবর্তীতে শ্রীরামকৃষ্ণ রূপে এসেছেন- বেদান্তের আঙ্গিকে আমাদের চৈতন্যবোধকে জাগিয়ে তুলতে.. এমনটি ভাবলে কি ভুল হবে?
ReplyDeleteআমরা জাগতিক মদে মত্ত – তাইতো চৈতন্য কি আমাদের হয়! যে হৃদমন্দিরে “মাধব“ কে বসিয়ে পুজা অর্চনা ও হৈ হৈ রৈ রৈ করে নেচে গেয়ে কীর্ত্তন করে দিনটি উৎযাপন করতে যাচ্ছি – সেই হৃদমন্দির দম্ভ, অহংকার, ঈর্ষা, লোভ, লালসা, বিষয় আসক্তি এসব জঞ্জালে পরিপূণ!! কী যে ভাল লাগলো আপনার লিখাটি পড়ে… যদিও বিশেষণগুলো আপনি উল্লেখ করেন নি। প্রায় দুই/আড়াই বছর যাবৎ আপনার সান্নিধ্যে থাকায় অনেকটাই নিজেকে চিনেছি, বুঝতে শিখেছি, পরিশীলিত, পরিমার্জিত করতে সচেষ্টা চালিয়েছি আত্মা বা চৈতন্য শক্তিকে জাগ্রত করতে। অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। অত্যান্ত মনোমত আপনার এই লিখাটি অনেককে শেয়ার করছি।ঈশ্বরের কাছে প্রাথনা – সুস্থ থাকেন শ্রদ্ধেয় গুরু মহারাজ জী। সুজাতা দে, লন্ডন, ইউ.কে।
🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
ReplyDeleteApurba khub bhalo lagcha.
ReplyDeletePranam Maharaj 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
হে জ্যোতির্ময়, অন্তরে আছ, অনুভব করার ইচ্ছে দাও, ভাবনা দাও। ভক্তিপূর্ণপ্রণাম শ্রীকৃষ্ণ 🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধপ্রণাম মহারাজ জী 🙏
অলকানন্দা মিত্র বাগবাজার।
আলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিনের আগে ওনার জন্ম কথা শুনতে। আপনার আশীর্বাদে কতো সুন্দর ভাবে সবকিছু জানতে পারি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
শ্রীকৃষ্ণের জন্মকথা ভীষণ ভালো লাগলো। খুব সুন্দর সহজ,সরল, সাবলীল লেখা। আপনার জন্য
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানতে পারছি....
আপনি ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
সুজাতা মাইতি /বেহালা
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏
আমি একটা কমেন্ট করেছিলাম।বুঝতে পাচ্ছিনা পোস্ট হয়েছে কিনা। ক্ষমা করবেন। একটা সুন্দর লেখা পোস্ট করেছেন। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম কাহিনী পড়ে খুব ভালো লাগল। অনেক কিছু জানতে পারলাম। এর পরবর্তী অংশটি জানতে চাই। ভালো থাকবেন মহারাজ। 🙏🙏🙏
joy sri krishna
ReplyDeleteঅপূর্ব। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম কথা পড়ে খুব ভাল লাগল।সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteঅপূর্ব। শ্রীকৃষ্ণের জন্মকাহিনী পড়ে খুব ভাল লাগল।সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জ।দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteজয় ভগবান 🙏🙏🙏 মহারাজের অপূর্ব লেখার মধ্যে দিয়ে আনন্দে আপ্লুত হলাম জন্মহীনের জন্ম কথা পড়ে।এভাবে কোন দিন ভাবি নি।তাই অসাধারন লাগলো।ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏 খুব ভালো থাকবেন।ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা জানাই।
ReplyDelete🙏🙏🙏প্রণাম গুরুজী🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🌹🙏🌹🙏🌹🙏🌹🙏🌹🙏
খুব ভালো লাগলো। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteGreat
ReplyDelete🙏🏻🪷🙏🏻🪷🙏🏻
ReplyDeleteআজ শুভদিনে মহারাজের জন্মহীনের জন্মকথা পাঠ করলাম ।আগে যে কাহিনী পাঠ করেছি।মহারাজের লেখাতে আরো অনেক ঘটনা জানতে পারলাম ।খুব ভালো লাগল ।ক্রমশ আরো জানতে পারবো।আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন ।
ReplyDeleteমহারাজ, কিছু বলার ভাষা নেই! এত সুন্দর করে আপনি ভগবানের জন্ম কথা তুলে ধরেছেন, ভীষণ ভালো লাগলো! জানা বিষয়, তাও আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে! প্রণাম মহারাজ!🙏🏻❤🙏🏻
ReplyDeleteমুগ্ধ হয়ে পড়ছিলাম। ভগবান যে ঐ জন্মের তৃতীয় পূর্বের জন্মে পৃশ্নিগর্ভ নামে জন্মেছিলেন আজই ১ম জানলাম। কি সহজ সুন্দর সাবলীল লেখা। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ। স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর কলকাতা
Deleteঅসাধারণ লেখাটি। অনেক কিছু জানতে পারলাম 🙏🙏🙏 প্রনাম মহারাজ। ভালো ও সুস্থ থাকুন।
ReplyDeleteরেখা সামন্ত, কাটোয়া।
প্রণাম
ReplyDeleteখুব সুন্দর, শিরোনামে ই মন ভালো হয়ে যায়। কত কিছু অজানা তথ্য জানলাম। আপনি আমার প্রণাম নেবেন। সোমা চক্রবর্তী দিল্লি
ReplyDeleteHe Sri krishna jagat Guru Biswa pita moder amar antarer sakal andhakar dur kare antare prakashita hoye amay purna kara 🙏🌷
ReplyDelete