ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
===========================পর্ব-২৮===================
চৈতন্যদেবের উপদেশ অনুসারে সুবুদ্ধি রায় মথুরাতে থেকে সাধন ভজন করতে থাকেন।
তিনি জঙ্গল থেকে শুকনো কাঠ এনে বাজারে বিক্রি করতেন। তাতে যা রোজগার হত, তার
কিছুটা খরচ করতেন আহারাদির জন্য। বাকি অর্থ এক দোকানাদের কাছে জমা রাখতেন। সাধু
ভক্তের ও গরীর দুঃখীদের সেবার জন্য ব্যয় করতেন। বাঙ্গালী ভক্তরা মোটা মোটা শুকনো
রুটি খেতে না পারলে তিনি খুব আদরযত্ন করে দই-ভাত খাওয়াতেন। আর নিজে সামান্য ছোলা
ভাজা খেয়ে কাটিয়ে দিতেন।
শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরাতে এলে সুবুদ্ধি রায়ের সঙ্গে
সাক্ষাৎ হয়। রায় তাদের সাদরে গ্রহণ করলেন ও সঙ্গে করে সব স্থান দর্শন করালেন। মাস
খানেক এখানে থেকে দুভাই কাশীর দিকে চললেন। আর ওদিকে সনাতন কাশী থেকে মথুরা আসছেন।
ভিন্ন পথে যাওয়ায় কার সংগে পথে দেখা হল না। শ্রীরূপ প্রয়াগে এসে জানতে পারলেন যে
সনাতন মথুরায় গিয়েছেন। দু জনের মধ্যে দেখা না হওয়াতে খুবই দুঃখ পেলেন। সনাতনকে
পেয়ে সুবুদ্ধি রায় পরম আনন্দ পেলেন। তিনি তাঁর সেবাযত্ন করার জন্য খুবই চেষ্টা
করতে লাগলেন।
সনাতন ছিলেন খুবই কঠোর তপস্বী তাই তার সেবা করা মোটেই সহজ ছিল না। তিনি
মোটেই আরাম পছন্দ করতেন না। সব সময় ভগবানের চিন্তায় বিভোর হয়ে থাকতেন। তা ছাড়া
চৈতন্যদেবের আদেশ অনুযায়ী তিনি শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থল উদ্ধারের কাজে ব্যাকুল ছিলেন।
এই ব্যাপারে তিনি স্থানীয় পাণ্ডাদের সাহায্য নিতেন। প্রবীন ব্রজবাসী ও সাধু
পণ্ডিতদের থেকেও অনুসন্ধান পেতেন। এই ভাবে লুপ্ত তীর্থস্থান উদ্ধার করে ছিলেন।
ওদিকে চৈতন্যদেব ঝাড়খন্ডের জঙ্গলের পথ ধরে যথা সময়ে পুরীতে আসেন। তাঁকে
পেয়ে পুরী বাসী ভক্তদের অন্তর ঠাণ্ডা হল। তাঁরা মহাপ্রভুর শ্রীচরণ বন্দনা করলেন।
মহাপ্রভুও নিত্য শ্রীজগন্নাথ দর্শন, সমুদ্রে স্নান, মহাপ্রসাদ গ্রহণ ও রামানন্দ ও
সার্বভৌম প্রভৃতি ভক্তদের নিয়ে বেশ আনন্দে দিন কাটাতে লাগলেন। তীর্থ যাত্রা সমাপ্ত
করে মহাপ্রভুর পুরী ফিরে আসার খবর নবদ্বীপে এসে পৌঁছাল। রথের সময় আবার সকলে পুরীতে
আসবেন এই আশায় আনন্দের সীমা রইল না। সন্ন্যাস গ্রহণের পর প্রথম ছয় বছর প্রধানত
তিনি তীর্থ দর্শনে অতিবাহিত করেন। এর পর অবশ্য তিনি আর কোথাও যান নি। পুরীতে থেকেই
সাধন ভজন ধ্যান ও ধর্মপ্রচার ও ভক্ত অন্তরঙ্গদের শিক্ষাদানে ব্যাস্ত থাকতেন।
পুরীতে থেকে ধর্ম প্রচার
অন্যান্য বছরের মতো এবছর গৌড়ীয় ভক্তরা সংকীর্তন করতে করতে পুরীতে আসেন রথের
আগে। চৈতন্যদেব খুব আনন্দিত, নিজে এগিয়ে গিয়ে ভক্তদের অভ্যর্থনা করেছিলেন।
অনেকদিন পর অদ্বৈতাচার্য, নিত্যানন্দ, শ্রীবাস প্রভৃতি অন্তরঙ্গ ভক্তদের সংগে দেখা
হওয়ায় চৈতন্যদেব খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন, বলা বাহুল্য। মহানন্দে সকলের উপস্থিতিতে
রথ যাত্রা সুসম্পন্ন হল। রথের পর আরও তিন
চার মাস পরে গৌড়ীয় ভক্তরা দেশে ফিরে আসেন।
শ্রীরূপ ও অনুপম কাশীতে এসে খবর পেলেন যে, চৈতন্যদেব পুরীতে ফিরে এসেছেন।
দু ভাই পুরীতে গিয়ে মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে কাশী থেকে রওনা হলেন। গৌড়ে
এসে অনুপমের শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ল। অল্প
কয়েক দিন রোগ ভোগের পর অনুপম রাম নাম করতে করতে স্বধামে চলে গেলেন। ভাইয়ের
পারলৌকিক কাজ কর্ম শেষ করে শ্রীরূপ নীলাচলে এলেন। পুরীতে এসে শ্রীজগন্নাথদেবকে
দর্শন করে খুঁজে খুঁজে চৈতন্যদেবের কুঠিয়াতে আসেন। শ্রীরূপকে দেখতে পেয়ে মহাপ্রভু
আনন্দে বুকে জড়িয়ে ধরেন। শ্রীরূপের হৃদয় ঠাণ্ডা হল। মহাপ্রভু উপস্থিত ভক্তদের
সঙ্গে শ্রীরূপের পরিচয় করিয়ে দিলেন। অনুপম দেহ ত্যাগ করেছেন শুনে চৈতন্যদেব খুব
কষ্ট পেলেন।
হরিদাস ঠাকুরের কুঠিয়াতে শ্রীরূপের থাকার ব্যবস্থা হল। চৈতন্যদেবের আদেশ অনুসারে সেবক গোবিন্দ রোজ
মন্দির থেকে মহাপ্রসাদ এনে দিতেন। চৈতন্যদেব বরাবর ভোরে মন্দির দর্শনের পর
হরিদাসের কুঠিয়াতে আসতেন। এখন শ্রীরূপ আসার পর মহাপ্রভু বেশ অনেক ক্ষণ হরিদাসের
কুঠিয়াতে থাকেন ও সৎপ্রসঙ্গ করেন।
চৈতন্য মহাপ্রভুর অন্তরের ভাব বোঝার ক্ষমতা সকলের ছিল না। কিন্তু শ্রীরূপ চৈতন্যদেবের
গোপন ভাবও ধরতে পারতেন। রথের সময় চৈতন্যদেব মধুর রসের একটি শ্লোক পাঠ করে নিজের
অন্তরের ভাব শ্রীজগন্নাথকে নিবেদন করতেন। শ্লোকটির ভাব ছিল এই রকম – কোন সুন্দরী রমণী
আক্ষেপ করে বলছেন, যিনি তার মন হরণ করে ছিলেন, তিনিই এখন তার স্বামী এবং সেই প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য সমস্তই এখনও বর্তমান। তবুও প্রথম যৌবনে যে স্থানে উভয়ের প্রথম মিলন হয়েছিল,
সেই স্থানে মিলনের জন্য চিত্ত উৎকণ্ঠায় পূর্ণ।
এটি ছিল মহাপ্রভুর শ্রীজগন্নাথের প্রতি একান্ত গভীর ভাব। কিন্তু শ্রীরূপ কী করে এই ভাব
বুঝলেন? এর দ্বারা বোঝা যায় শ্রীরূপ কতটা অন্তরঙ্গ ও প্রিয় ছিলেন। মহাপ্রভুর কৃপায়
শ্রীরূপের মধ্যে ভক্তিতত্ত্ব ও রস-শাস্ত্রে অসীম ব্যুৎপত্তি ছিল। চৈতন্যদেবের ইচ্ছা
অনুসারে শ্রীরূপ সংস্কৃত ভাষায় ‘বিদগ্ধ মাধব’ ও ‘ললিত মাধব’ নামে দুটি উচ্চতম মধুর রসের নাটক অনেক দিন ধরেই লিখছিলেন।
পুরীতে আসার পর মাঝে মাঝে লিখতেন। চৈতন্য
এই দুটি গ্রন্থের ভাষা, ভাব ও কবিত্ব শক্তির ভূয়সী প্রসংশা করেন। রায় রামানন্দ,
দামোদর স্বরূপ, সার্বভৌম প্রভৃতি মহা মহা পণ্ডিত এর উচ্চপ্রশংসা করেন। সকলের হৃদয়ে
কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জন্মায়।
চৈতন্যদেবের পবিত্র সান্নিধ্যে পুরীতে দশমাস বাস করেন শ্রীরূপ। মহাপ্রভুর
নির্দেশ অনুসারে তীর্থে বাস ও সাধন-ভজনে তাঁর জীবন সার্থক বলে মনে করেন। এই সময় ভবিষ্যতের
ধর্ম-প্রচারক ও ভক্তি মার্গের এক আচার্য হিসাবে তিনি শ্রীরূপকে গড়ে তোলেন। এরপর চৈতন্যদেবের
ইচ্ছা অনুসারে ব্রজের লুপ্ত তীর্থ উদ্ধারের জন্য শ্রীরূপ সনাতনের সঙ্গে ব্রজভূমিতে
বাস করতে থাকেন। এই আদেশ শিরোধার্য করে শ্রীরূপ পুরী থেকে যাত্রা করে গৌড়ে আসেন। গৌড়ে
এসে তাঁর বিপুল সম্পত্তি ও বাড়িঘরের বন্দোবস্ত করতে প্রায় এক বছর কেটে গেল। বিপুল সম্পত্তির কিছু আত্মীয়দের
দিলেন, কিছু সাধু-সন্ন্যাসী ও গরীব মানুষদের মধ্যে দান করে দিলেন। বাকী যা থাকল
অনুপমের ছেলে শ্রীজীবকে দিয়ে দিলেন। এই ভাবে সংসারের সব ঝঞ্ঝাট মিটিয়ে বৃন্দাবনে
চলে আসেন। শ্রীরূপ ও সনাতন দুজনে একত্রে থেকে সাধন ভজন করতে থাকেন ও ভক্তদের মধ্যে ভক্তির স্রোত প্রবাহিত করেন।
ছোট হরিদাস
চৈতন্যদেব এই সময় পুরীতে থেকে ধর্ম প্রচার ও নাম সংকীর্তনে মন দেন। হরিদাস নামে
একজন বাঙালী যুবক সংসার ত্যাগ করে মহাপ্রভুর কাছে থাকতেন। সাধন ভজন নিয়ে কাল
কাটাতেন। হরিদাসের গলা ছিল খুবই মিষ্টি, চমৎকার কীর্তন করতে পারতেন। চৈতন্যদেব
তাকে খুব স্নেহ করতেন ও তার মধুর কীর্তন পছন্দ করতেন। আর এক হরিদাস ঠাকুর ছিলেন,
তাই ভক্তরা একে 'ছোট হরিদাস' বলে ডাকতেন।
ঐ বছর স্বরূপ দামোদরের বন্ধু সুপণ্ডিত ভাগবত
আচার্য চৈতন্যদেবের সঙ্গ লাভে পুরীতে আসেন ও কিছু কাল বাস করেন। ওই সময় ভাগবত আচার্যের
মনে ইচ্ছা হয় নিজ হাতে রান্না করে চৈতন্যদেবকে তিনি ভোজন করাবেন। আচার্যের মনে সাধ।
তাই তিনি নানা জিনিস সংগ্রহ করতে লাগলেন। কিন্তু ভাল চাল পাওয়া গেল না দেখে আচার্যের
মনে একটু দুঃখ হল। এই কথা তিনি হরিদাসকে জানালেন। সব কিছু জোগাড় হল অথচ ভাল চাল
পাওয়া গেল না। হরিদাস তখন পুরীর বিশিষ্ট ভক্ত শিখি মাহিতীর বাড়ি গিয়ে তার বড় বোন ভক্তিমতি
মাধবী দাসীর কাছ থেকে কিছু সুগন্ধি মিহি চাল ভিক্ষা করে নিয়ে আসেন। শ্রীমতী মাধবী
দাসী ছিলেন অতি উচ্চ শ্রেণির সাধিকা ও চৈতন্যদেবকে খুব ভক্তি করতেন।
এমন কথা প্রচলিত আছে যে, চৈতন্যদেবের উচ্চ অবস্থা ও প্রেমতত্ত্ব বুঝতে সক্ষম
পুরীতে মাত্র সাড়ে তিন জন আছে। স্বরূপ দামোদর, রায় রামানন্দ ও শিখি মাহিতী ও তার
দিদি মাধবী দাসী। তখনকার দিনে পুরুষ ও মহিলার মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে অর্ধেক লেখা
হত।
যা হোক, নির্দিষ্ট দিনে আচার্য
নানা ব্যঞ্জন ও সুগন্ধি চালের অন্ন রান্না করে চৈতন্যদেবকে আমন্ত্রণ জানলেন। যথাসময়ে চৈতন্যদেব ভিক্ষা
গ্রহণের জন্য উপস্থিত হলেন। আচার্য ভক্তি সহকারে প্রিয়তম সন্ন্যাসীকে অভ্যর্থনা
করলেন। এবং নিজ হস্তে পরিবেশন করে সাদরে নানা ব্যঞ্জন খাওয়াতে লাগলেন। উপাদেয় নানা
পদ আস্বাদ করে মহাপ্রভু রান্নার খুব প্রসংশা করলেন। কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ভট্টাচার্য,
এমন সুন্দর সুগন্ধী চাল কোথায় পেলেন? আচার্য জানলেন যে , ছোট হরিদাস মাধবী দাসীর
কাছ থেকে এই চাল ভিক্ষা করে এনেছে। চৈতন্যদেব চালের খুব প্রসংশা করলেন। ভিক্ষা
গ্রহণ করে কুঠিয়াতে ফিরে এলেন। গম্ভীর ভাবে সেবক গোবিন্দকে কাছে ডাকলেন ও তাকে নির্দেশ
দিলেন ,”আজ থেকে ছোট হরিদাসকে এখানে আসতে দিও না”।
ত্যাগীর আদর্শ শ্রীচৈতন্যদেব নিজের জীবনে যেমন কাম-কাঞ্চন থেকে সম্পূর্ণ
দূরে থাকতেন, তেমনি তিনি চাইতেন ত্যাগি-ভক্তদের জীবনও ত্যাগের আদর্শে গঠিত হয়।
হরিদাসের পক্ষে মাধবী দাসীর কাছে যাওয়া ও কথাবার্তা বলা, চৈতন্যদেব অত্যন্ত গর্হিত
কাজ বলে বিবেচনা করলেন। তাই সকলের শিক্ষার জন্য এই কঠোর বিধান তিনি দিলেন।
অন্যান্য দিনের মত বিকালে কীর্তন শোনাতে এলে হরিদাস ভেতরে প্রবেশের আদেশ পেলেন না।
গোবিন্দের মুখে সব কথা শুনলেন। ভগ্নহৃদয়ে বাসস্থানে ফিরে এলেন। ভক্তরা এই ঘটনা
জানার পর মহাপ্রভুর কাছে কাতর ভাবে নিবেদন করলেন হরিদাসের অপরাধ মার্জনা করার
জন্য। স্বরূপ ও অন্যান্য বিশিষ্ট ভক্তগণও অনেক চেষ্টা করলেন চৈতন্যদেবের মন নরম
করার, কিন্তু কোন ফল হোল না। ভক্তগণ আর অনুরোধ করতে সাহসী হলেন না, নিজ নিজ স্থানে
ফিরে গেলেন।
এদিকে ছোট হরিদাস তিন দিন কিছু না খেয়ে ঘরের মধ্যে পড়ে রইলেন। এই অবস্থায় ভক্তরা
কী করবেন ঠিক বুঝতে না পেরে, প্রবীন সন্ন্যাসী স্বামী পরমানন্দ পুরীজী মহারাজকে পাঠালেন
চৈতন্যদেবের কাছে। যদি পুরীজীর কথায় চৈতন্যদেবের মন নরম হয়। পুরীজী সমস্ত ব্যাপার
বুঝিয়ে বললেন ও হরিদাসের অপরাধ ক্ষমা করার জন্য অনুরোধ করলেন। তাতে চৈতন্যদেব পুরীজীকে বললেন , “আমার জন্য আপনাদের
অসুবিধা হচ্ছে। অনুমতি করলে আমি গোবিন্দকে নিয়ে আলালনাথে গিয়ে থাকতে পারি, এখানে
আপনারা সকলে ছোট হরিদাসকে নিয়ে আনন্দে থাকতে পারবেন”। গোবিন্দকে ডেকে চৈতন্যদেব
আলালনাথে(আলারনাথ) যাওয়ার জন্য উঠে পড়লেন দেখে, পরমানন্দজী ভয় পেয়ে গেলেন। সুমধুর কথায় শান্ত করে তিনি বিদায় নিলেন।
ক্রমশ..............................।
🌷🙏🏻🙏🏻🌷
ReplyDeleteজয় চৈতণ্য মহপ্রুভর জয় 🙏
Deleteসশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজের শ্রী চরণে।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
প্রনাম🙏🙏🙏🙏
Deleteপ্রণাম মহারাজ 🙏অপূর্ব লাগলো পড়তে
ReplyDeleteJOY SHREE CHITTYNA JOY SHREE JAGANNATH MAHA PRABHU KRIPA ASHERBAD KORUN SAKOLE SATOKOTI PRANAM JANYE..ANAK JANLAM SHREE CHITTYNA JIBON LILA JOY NADER NIMYE SACHI MATA SATOKOTI ♥️ SATOKOTI ABHUMI PRANAM GRAHAN KORBEN ..SWAPNA MAITY..NEWALIPUR
DeleteVoktipurna pronam neben Acharya Guru Moharaj apnar onoboddo lkhonite Chitannaohaprovur jiboni osadharon hoe utheche joy Gourango Mohaprovu
Deleteপ্রণাম গুরুদেব 🙏🙏আরো জানার অপেক্ষায় রইলাম🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম বাবা । খুব ভালো ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর জীবনের অপূর্ব কাহিনী মহারাজের লেখায় অসমান্য হয়ে উঠেছে।ঠাকুর মায়ের অসীম কৃপায় আপনার সান্নিধ্যে আসতে পেরেছি।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
🙏🏻🙏🏻🙏🏻ইন্দ্রানী ব্যানার্জী
Deleteখুব সুন্দর, খুব ভালো লাগলো, আমার ভক্তিপূর্ন প্রনাম নেবেন, খুব ভালো থাকুন।
ReplyDeleteKhub sunder...khub bhalo laglo...apurbo lekhani...anek kichu ajana jante parlam....srdhapurno pranam janai...🙏
ReplyDeleteJaya choudhury...
মহাপ্রভুর জীবনের কাহিণী খুব ভাল লাগছে। আপনার সান্নিধ্যে এসে অনেককিছু জানতে ও বুঝতে পারছি। আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। প্রণাম নেবেন মহারাজ। শুভ্রা লালা। দমদম।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যত জানছি ততই আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। এসব সম্ভব হয়েছে আপনার সান্নিধ্যে এসে সাধু সঙ্গ অতি দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজ বজ।
ReplyDeleteখুবই ভাল লাগছে প্রভুর ধারাবাহিক উপস্থাপনা
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
সুব্রত ঘোষাল
Prabhu Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree Choroney vaktivora pranam nibedon kori 🌻 🙏. Vaktivora pranam grohon korun Achariyo Gurudeva 🌷 🙏. Maharajji, aajker ei 28th tomo porber lekhoni porey mugdho holam. Ki opurbo Sannyas Dharmer proti nistha o Tyeg sikhiyey gechen Mahaprabhu, otulaniyo🙏🙏. Evabey Achariyo Maharajji, Aponer madhyomey Swang Mahaprabhu ke jantey perey otibo dhonyo🙏🙏. Sotokoti naman, Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Poth cheyey acchi aro janer asha te, Maharajji 👏🙏
ReplyDeleteApurba khub bhalo lagcha
ReplyDeletePranam Maharaj. Pulakesh Sinha Roy.
খুবভাল লাগলো মহাপ্রভুর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে। জানার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। আশাকরি আরো অনেক কিছু জানতে পারবো ।অপেক্ষা করে থাকবো । প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়। পূজনীয় লেখক আচার্য দেবকে ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই।শ্রীরূপ সনাতনের সাধক জীবনের কঠোরতা।শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ছোট হরিদাসের ভক্তিমতী মহিলা মাধবী দাসির সাথে কথা বলাতে যে কঠোরতা অবলম্বন করলেন।আমাদের এই দুটি সর্বদা মনে রাখতে হবে।হে মহাপ্রভু কৃপা করুণ।নাম,বিনু চক্রবর্তী, (পান্ডে)।বাড়ি মালদা টাউন।।
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।খুব ভালো লাগছে ,পড়তে পড়তে চোখে জল এসে যাচ্ছে।এক অপূর্ব অনুভূতি পূর্ণ।শুধু মনে হচ্ছে চারি দিকে ভগবান ঘুড়ে বেড়াচ্ছে।তাঁহাদের কি কঠিন জীবন।জয় ঠাকুর🙏🌺🙏
ReplyDeleteJoy Mahapravu sri Chaitanya joy Mahapravu Jagannatha joy Thakur Sri Sri Ramakrishna paramahangsa joy amader parama priya parama atmiya Maharaj🙏🌹
ReplyDeleteঅনেক না জানা বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে। প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী। দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteSri Chaitanya Mahaprabhur amjiboni jante pere nijeke dhanyo monee kori o vaktipurna pronam janai o Maharaj ji upner charone savakti kotikoti pronam janai karon ei lekhata na porle kichui jante partam na. Apurba laglo. Ei sadhusongo na korle kichui jante partam na Dhanyo.Rekha. das, Behala.
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব ভীষন ভালো লাগলো। একবার পড়েছি বারবার পড়লেও মনে হয় নতুন করে পড়ছি।এতো ঘটনা কিছু ই জানতাম না। প্রণাম আচার্য্য দেব আপনি আমাদের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করেন মাধুরী ঘোষাল।
DeleteApurbo khub valo laglo pronam maharaj ji Aparna Roy chowdury
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো 👌🙏
ReplyDeleteপুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে আমার আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏
আবার পড়লাম শ্রী চৈতন্য দেব যেমন নরম ছিলেন তেমনি রাগী ও ছিলেন । ভীষন ভালো লাগছে। আচার্য্য দেব এটা ব ইতে পাওয়া যাবে।? প্রণাম মাধুরী ঘোষাল।
DeletePronam Maharaj. Mahaprobhur she's jibon kibhabe, kothaye ketechilo jante eecha kore. Opekhaye roilam... Gouri Roy. Newalipore
Deleteমহারাজ আপনার শ্রী চরনে ভক্তি পূর্ণ প্রনাম। খুব ভালো লাগছে ঘটনা গুলো পর পর সুন্দর ভাবে জানতে পারছি । শ্রী অমিয় নিমাই চরিত, চৈতন্য চরিতামৃত পড়তে গিয়ে ভালো লাগে কিন্তু আপনি যেভাবে লিখেছেন তাতে তখনকার ঘটনা গুলো গল্পের আকারে পড়তে খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে।মহাপ্রভু সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে মনটা খুশিতে ভরে উঠছে। আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 অপূর্ব , আপনার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ফলে কত কিছু ই জানতে পারছি চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবন সম্বন্ধে অজানা তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হচ্ছি তাই প্রতিটি পর্ব গুরুত্বপূর্ণ🙏 আগামী অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী Texas
জয় মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের জয়। অবতার পুরুষ ওনার জীবনদর্শন জগতের সন্মুখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আমাদের ভক্তির মাধ্যমে ঈশ্বর লাভের পথ নির্দেশ করে দিয়েছেন। আর আপনি আমাদের একটু একটু করে সেই পথের ঠিকানা দিচ্ছেন। জীবনের সবচেয়ে লড়াই প্রাপ্তি আপনি আচার্য দেব। আমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। এই ব্লগ পড়ে কতো কিছুই না জানতে পারছি।
ReplyDeleteমহাপ্রভু সম্বন্ধে অপূর্ব সব বর্ণনা আপনার প্রতিটি লেখায় জানতে পারছি।আপনার সহায়তা ছাড়া আমরা জানতেই পারতাম না মহারাজ। প্রণাম নেবেন মহারাজ।আবার আশায় থাকলাম মহারাজ।ভালো থাবেন🌷🙏🌷🙏
ReplyDeleteআভুমি প্রনাম নিবেদন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণে . খুব ভালো লাগছে প্রভুর জীবনের কথা পড়তে ৷ প্রনাম নেবেন . আমার মহারাজ জী ৷ রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া ৷
ReplyDeleteআভুমি.প্রনাম নিবেদন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণে ৷ খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর কথা পড়তে 'অনেক কিছু জানতে পারলাম মহাপ্রভুর কথা ৷ আমার প্রনাম নেবেন মহারাজ জী ৷ রুনা পালিত . কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া . -
ReplyDeleteঅপূর্ব, কত কিছু জানতে পারছি, মহাপ্রভু র সম্বন্ধে এত সুন্দর তথ্য পূর্ন লেখা পড়ে খুবই উপকৃত হচ্ছি।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী 🙏
অর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏
জয় চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়। অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরে ভীষন ভালো লাগছে মহারাজ। আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteজয় প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু,একদিকে কুসুমের মতো কমল হৃদয়,আবার সন্ন্যাস জীবনের কঠোরতায় কোনো ফাঁকি দেওয়া
ReplyDeleteঅত্যান্ত গর্হিত কাজ মনে করতেন। সেখানে শাস্তি দিতেও কুন্ঠা বোধ করতেন না।এই ভাবেই তিনি তাঁর প্রিয় শিষ্য দের আগলে রাখতেন। মহারাজ, আপনার লেখনী এতো সুন্দর!!!মন ভরিয়ে দেয়।🌸🙏🌸🙏🌸
দেবশ্রী বিশ্বাস পুনে থেকে 🙏🌷🙏
জয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু🙏🙏🙏🙏🙏, প্রনাম মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam maharaj sree chaitanya maha Prabhu mone hoi ektu beshikothor amader thakur etota mone hoi chilena tobuo valo laglo 🙏
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ। খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা পড়ছি অনেক কিছু জানতে পারছি প্রণাম জানাই মহাপ্রভু কে আপনি আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏 দীপা সরকার হাওড়া
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু জীবন চরিত পড়তে খুব ভালো লাগছে । কলকাতা ।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ। আপনার জন্যই কত কিছুই যে আমরা জানতে পারলাম। আপনার এই অনবদ্য লেখনীর মাধ্যমে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর সম্পূর্ণ জীবনীও আমাদের জানা হয়ে গেল । আপনাকে আমার আভূমি প্রণাম জানাই মহারাজ। 🙏🙏🙏
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন
প্রনাম গ্ৰহন করবেন মহারাজ জি🙏🙏। ঠাকুর মা স্বামীজী র চরনে প্রনাম🙏🙏🙏। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী বারংবার পড়ছি, খুব সুন্দর লাগছে। কত কিছুই জানতে পারছি। আগে মহিলাদের অর্ধেক ধরা হোতো জানতে পারলাম।
Delete🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে ধারাবাহিক মহাপ্রভুর জন গাথা পড়তে। জয় মহাপ্রভু। প্রনাম🌹🌹
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏🥀🥀
অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ReplyDeleteJoy srichaitanya mohaprabhu ki joy🙏 joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 porom pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 apurbo sundar akti bisay upohar daoer jonno Dipa Choudhury Andul Howrah🙏🙏🙏
ReplyDeleteজয় আচার্য্য দেব। জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু। অপূর্ব পরিবেশনায় আমরা আপ্লুত। খুব ভালো লাগছে। শ্রী চরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই।,,,,, মদনমোহন বেজ।ব্যাডেল।
ReplyDeleteJoy Chaitanya Mahaprabhu Voktoder proti Namaniota abar Sannyas Jeeboner kothorata Apurba poribeshon
ReplyDeleteJoy ChaitanyaReba Banerjee Mahaprabhu Voktoder proti Namaniota abar Sannyas Jeeboner kothorata Apurba poribeshon Re
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ খুবই ভালো লাগল
ReplyDeleteআবার নতুন করে ভালো লাগলো মহারাজ।🙏
ReplyDelete