ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
=============== পর্ব-২৬============
সনাতন
চৈতন্যদেব চন্দ্রশেখর ও তপন
মিশ্রকে সনাতনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সনাতনের পরিচয় পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত
হলেন। মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুযায়ী সনাতনকে গঙ্গার ঘাটে নিয়ে গিয়ে নাপিত ডেকে কামিয়ে
দিলেন। এরপর গঙ্গাস্নান করে নতুন বস্ত্র পরতে অনুরোধ করলে সনাতন তাতে রাজী হলেন
না। বরং তপন মিশ্রের পুরনো একটা কাপড় ছিঁড়ে ডোর-কৌপিন ও বহির্বাস করে পরলেন।
সনাতনের এমন কঠোর বৈরাগ্যের পরিচয় পেয়ে মহাপ্রভু খুব খুশি হয়ে ছিলেন।
মহাপ্রভু যখন কাশীতে ছিলেন তখন এক মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ তাঁর কাছে
আসতেন সাধু সঙ্গ করতে। তিনি অন্যান্য সন্ন্যাসীদেরও সঙ্গ করতেন। ঐ সময় স্বামী প্রকাশানন্দ সরস্বতী
নামে একজন সন্ন্যাসী কাশীতে থাকতেন। তিনি মহা পণ্ডিত ছিলেন। অদ্বৈতবাদ ও জ্ঞানমার্গের
প্রচার করতেন তিনি। সাকার উপাসনা মানতেন না। কথা প্রসঙ্গে ঐ ব্রাহ্মণ একদিন বলেন
পুরী থেকে একজন তেজস্বী সন্ন্যাসী এসেছেন, তিনি ভক্তি উপাসনা ইত্যাদি প্রচার করেন।
শুধু তাই নয়, তিনি যখন নাম কীর্তনাদি করেন, তাঁর দেহে প্রেমের সাত্ত্বিক বিকার
দেখা দেয়। বহু মানুষ তাঁকে অনুসরণ করছেন।
স্বামী প্রকাশানন্দ সরস্বতী
স্বামী প্রকাশানন্দ বললেন, তিনি এ সব শুনেছেন। কিন্তু এ নিয়ে কোন উচ্চ
ধারণা দূরে থাক তিনি চৈতন্যদেবকে ‘লোকপ্রতারক’ বলে উল্লেখ করলেন। আরও বললেন তিনি
লোকজনকে মোহিত করে দলভুক্ত করছেন, তাঁর কাছে না যাওয়াই ভালো। সাবধান করে দিলেন তাঁর
কাছে না গিয়ে বরং বেদান্ত শ্রবণ করতে। ব্রাহ্মণ কিন্তু চৈতন্যদেবের কাছে নিয়মিত
যেমন আসতেন আসতে থাকলেন। চৈতন্যদেবকে প্রকাশানন্দের সাবধানের কথাও বললেন। তাতে
চৈতন্যদেব হেসে বলেছিলেন , আমি ভাব বিক্রি করতে কাশীতে এলাম, কিন্তু কে কিনবে?
ভারী বোঝা নিয়ে এলাম, অল্পস্বল্প দাম পেলে এখানেই দিয়ে যাবো।
কাশীতে চৈতন্যদেব কোন সাধু সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিশতেন না। কোন সাধু
ভান্ডারাতেও যেতেন না।
একবার ঐ মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণের অনুরোধে তিনি এক ভাণ্ডারাতে গিয়েছিলেন।
সেখানে অনেক সাধু সন্ন্যাসী উপস্থিত ছিলেন।
অনেক মোহন্ত, মন্ডলেশ্বর, জ্ঞানী, তপস্বীদের ভাল ভাল স্থানে আদর করে বসানো
হচ্ছে। মধ্যমণি হয়ে উপস্থিত আছেন স্বামী প্রকাশানন্দজী। চৈতন্যদেব সন্ন্যাসীদের সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে ‘ওঁ নমো নারায়ণায়’ বলে সকলকে নমস্কার
জানালেন। এরপর সভার একপ্রান্তে দীনহীনের মতো চুপচাপ বসে রইলেন। সন্ন্যাসীর
তেজপূর্ণ শরীর ও ভাবোদ্দীপ্ত মুখশ্রী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। প্রকাশানন্দজী নিজে
আসন ত্যাগ করে চৈতন্যদেবের কাছে গিয়ে সবিনয়ে বললেন, ‘শ্রীপাদ, আপনি
এখানে কেন বসে আছেন? সভার ভেতরে আসুন।
চৈতন্যদেব তখন বললেন, “মহারাজ, আমি সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে অতি হীন,
আপনাদের সঙ্গে বসবার যোগ্য নই”। প্রকাশানন্দ স্বামী তাঁকে হাত ধরে নিয়ে গিয়ে নিজের
কাছে বসালেন। জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি পূজ্যপাদ কেশব ভারতীর
শিষ্য শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ভারতী। চৈতন্যদেব বিনীতভাবে স্বীকার করলেন।
প্রকাশানন্দ বিস্মিত ভাবে অনুযোগ করলেন, তুমি এই খানে থাক, অথচ
সন্ন্যাসীদের সঙ্গে মেশ না কেন? আর সন্ন্যাসী হয়ে নাচ গান, লোকজন নিয়ে সংকীর্তন কর
কেন? সন্ন্যাসীর কাজ হল বেদান্ত চর্চা করা, সে সব ছেড়ে কেন ভাবুকের মত নৃত্য
সংকীর্তন কর। তোমাকে দেখে তো সাক্ষাৎ নারায়ণ মনে হয়, কিন্তু এমন হীন আচরণ কেন কর?
চৈতন্যদেব বিনম্রভাবে বললেন – স্বামীজী, আমি
বেদান্ত বিচারে অধিকারী নই, তাই গুরুদেবের উপদেশ অনুসারে কৃষ্ণনাম জপ করি।
কৃষ্ণনাম জপ করতে করতে আমার মন উদভ্রান্ত হয়ে যায়, তখন আর স্থির থাকতে পারি না।
তখন ‘হাসি কাঁদি নাচি গাই যেন মদমত্ত’। গুরুদেব সন্তুষ্ট
হয়ে আমাকে আশীর্বাদ করে ছিলেন ও বলেছিলেন – ভক্তসঙ্গে আমি যেন
নিরন্তর কৃষ্ণনাম সংকীর্তন করি।
উপস্থিত সন্ন্যাসী সকলেই এই মধুর
বাক্য শুনে খুবই সন্তুষ্ট হলেন। কিন্তু প্রকাশানন্দ একথায় খুব একটা তুষ্ট হলেন না।
তিনি বললেন, সকলকে কৃষ্ণনাম দিচ্ছ, তা বেশ কিন্তু বেদান্ত শুনলে কী দোষ?
বেদান্ত আলোচনা না করা ও
সন্ন্যাসীদের সঙ্গে মেলামেশা না করার ফলে চৈতন্যদেবের মধ্যে অধিক ভাবুকতার প্রকাশ
হয়েছে ইত্যাদি কথা বার বার
প্রকাশানন্দ বলতে লাগলেন। চৈতন্যদেব এই
বিষয়ে তাঁর মনের ভাব প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, বেদান্তসূত্র বা ব্রহ্মসূত্র হল ঈশ্বরের বাক্য।
মানুষকে তত্ত্বজ্ঞান দেওয়ার জন্য ও বেদের প্রকৃত জ্ঞান প্রকাশ করার জন্যই
শ্রীভগবান ব্যাসরূপে এই জ্ঞান প্রদান করেছেন। এর মধ্যে কোন ভুল প্রমাদ নেই।
উপনিষদের সঙ্গে ব্রহ্মসূত্রে যে তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে তা-ই চরম সাধ্য। কাজেই
ব্রহ্মসূত্র চর্চাতে যে পরম লাভ হবে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
উপনিষদে ও
ব্যাসসূত্রে যেমন নির্গুণ ব্রহ্মের কথা রয়েছে একই ভাবে সগুণ ও উপাসনা সম্পর্কেও
বলা হয়েছে। আচার্য শংকর জীবের পক্ষে ঈশ্বর উপাসনার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করেছেন।
কিন্তু অনেকেই ঠিক মতো বুঝতে না পেরে বেদান্ত আলোচনা উপাসনার বিরোধী মনে করে। এর
ফলে ব্যাসসূত্রের বিকৃত ব্যাখ্যা প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। দেহাত্ম
বুদ্ধিযুক্ত জীব নিজেকে বিভু ব্রহ্ম মনে করে। এর ফলে আরও বিপদগামী হয়, দেহের
দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে না। তাই অনধিকারীর পক্ষে এই আলোচনা না করাই ভাল মনে করি।
বেদান্ত আলোচনায় দোষ দেখালে, প্রকাশানন্দ আর স্থির থাকতে পারলেন না।
উত্তেজিত হয়ে প্রতিবাদ করতে লাগলেন। দুজনেই মহাপণ্ডিত, কাজেই ঘোর তর্ক যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। প্রকাশানন্দ শাস্ত্র যুক্তি দিয়ে নির্বিশেষ ব্রহ্মই বেদ সম্মত ও জ্ঞান পথকেই
শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে চাইলেন। চৈতন্যদেব দেখালেন সবিশেষ ব্রহ্মবাদ ও পরমেশ্বরের
উপাসনা শ্রুতি ও স্মৃতি শাস্ত্র সম্মত। দুজনেই নিজ নিজ মত সমর্থন করে শাস্ত্র
প্রমাণ দেখালেন। কিন্তু চৈতন্যদেবের শাস্ত্রজ্ঞান ছাড়াও ‘অনুভব’ ছিল। তিনি যা
প্রচার করতেন স্বয়ং তা উপলব্ধি করে ছিলেন। অবশেষে প্রকাশানন্দ ঈশ্বর ভক্তি ও
উপাসনার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করলেন। আর বিচার করতে চাইলেন না। বাঙ্গালী
সন্ন্যাসীর মহিমা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। দলে দলে মানুষ এসে ভীড় করতে লাগল।
মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণের সঙ্গে সনাতনের পরিচয় হল। সনাতনের ত্যাগ ও বৈরাগ্য
পূর্ণ জীবন দেখে ব্রাহ্মণ খুব খুশী হলেন। ব্রাহ্মণ সনাতনকে তার বাড়িতে আদর করে
নিয়ে গিয়ে ভিক্ষা গ্রহণ করালেন। অনুরোধ করলেন রোজ তার গৃহে ভিক্ষা নিতে। কিন্তু কঠোর
নিষ্ঠাবান সনাতন রাজি হলেন না।
কাশী হল মা অন্নপূর্ণার রাজ্য। এখানে
ভিক্ষার অভাব নেই। এই ভাবে ভিক্ষান্নে ও চৈতন্যদেবের সঙ্গলাভে আনন্দে দিন কাটছিল।
সনাতনের ভগ্নিপতি শ্রীকান্ত তাকে একটি দামী কম্বল দিয়েছিলেন। সেই কম্বলটি
তিনি ব্যবহার করতেন। সনাতন লক্ষ্য করলেন
যে, মহাপ্রভু মাঝে মাঝে ওই কম্বলের দিকে দেখেন। কিন্তু এভাবে দেখার কারণ কী?
রাজমন্ত্রী সনাতন অত্যন্ত বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান, তাই মহাপ্রভুর মনের ভাব বুঝতে দেরি
হল না। পরদিন গঙ্গার ঘাটে এক গরিব মানুষকে দেখলেন, সে তার কাঁথাটি ধুয়ে রোদে মেলে
দিয়েছে। তার কাছে গিয়ে সনাতন দামি কম্বলের বিনিময়ে তার কাঁথাটি নিয়ে আসেন। কম্বল
পেয়ে দরিদ্র মানুষটি খুশী হলেন ও সনাতন মহানন্দে কাঁথা নিয়ে ফিরে এলেন। চৈতন্যদেবের
পাদপদ্মে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করলেন। সনাতনের গায়ে কাঁথা দেখে চৈতন্যদেব অত্যন্ত প্রসন্ন হলেন।
কাশী বিশ্বনাথের ইচ্ছায় চৈতন্যদেব
বেশ কিছু দিন এখানে থাকেন। ভক্তিশাস্ত্রের আলোচনা, ভজন কীর্তন করে ও ভক্তিমার্গের
প্রচার করছিলেন কাশীতে। সনাতন এসে যোগ দেওয়ায় শাস্ত্র চর্চা ও আলোচনা আরও বাড়তে থাকে।
এই সময় সনাতন মহাপ্রভুর একান্ত শরণাগত হয়ে তত্ত্ব উপদেশ লাভ করেন।
শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে এর বিস্তৃত আলোচনা রয়েছে। এখানে তার কিছুটা
আমরা সংলাপের মতো করে সাজিয়ে দিলাম।
সনাতন – বিশ্বের কারণ মূল বস্তু কী?
মহাপ্রভু – ‘ব্রহ্ম হইতে জন্মে বিশ্ব, ব্রহ্মেতে জীবয়।
পুনরপি সেই ব্রহ্মে হয়ে
যায় লয়’।।
সনাতন – পরব্রহ্ম, পরমাত্মা ও ভগবান – এই তিন একই হলেও পৃথক
নাম কেন?
মহাপ্রভু – জ্ঞানীর দৃষ্টিতে ব্রহ্ম, যোগীর দৃষ্টিতে আত্মা ও ভক্তের
দৃষ্টিতে ভগাবান।
সনাতন – জীবের স্বরূপ কী?
মহাপ্রভু – শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস হল জীব। সূর্যের অংশ তার কিরণ
যেমন সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। ভগবানের অংশ হল এই জীব।
সনাতন – জীব যদি ভগবানের অংশ, তাহলে জীব দুঃখ পায় কেন? আর
মুক্তিলাভ কী করে হবে?
মহাপ্রভু – ভগবানকে ভুলে জীব বহির্মুখ হলে মায়া তাকে দুঃখ দেয়। কখনও
স্বর্গ কখনও বা নরকে নিয়ে যায়। সাধুসঙ্গ ও শাস্ত্র কৃপায় যদি মন ঈশ্বরমুখী হয়। তখন
মায়ার বন্ধন থেকে জীব মুক্ত হয়।
সনাতন – কী করে ভক্তি লাভ করা যায়?
মহাপ্রভু – ভক্তি দু প্রকারের। বৈধীভক্তি ও রাগানুগা ভক্তি। বৈধী ভক্তি
লাভের ৬৪ প্রকার সাধন আছে। তার মধ্যে প্রধান হল এই পাঁচটি সাধুসঙ্গ, নাম কীর্তন,লীলা
শ্রবণ, তীর্থবাস, বিগ্রহ সেবা।
একদিন চৈতন্যদেব গঙ্গায় স্নান
করে বিন্দু মাধব দর্শনে যাচ্ছেন, বহু ভক্ত তাঁর পেছনে পেছনে চলেছেন। পরমানন্দ নামে
একজন সুগায়কও সঙ্গে আছেন। মন্দিরে দর্শন ও স্তব স্তুতির পর চৈতন্যদেব পরমানন্দকে ভজন
করতে অনুরোধ করেন। পরমানন্দ কীর্তন শুরু করলে অন্যান্য ভক্তরাও যোগ দেন। ধীরে ধীরে
বহু লোক এসে মধুর কীর্তনে যোগ দেন। উচ্চরবে হরিধ্বনিতে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে উঠল।
প্রেমোন্মত্ত হয়ে চৈতন্যদেব গাইতে শুরু করলেন –
হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ
যাদবায় নমঃ।
যাদবায় মাধবায় কেশবায়
নমঃ।।
সুমধুর নামধ্বনি যার কানে গিয়ে লাগছে চিত্তকে সজোরে ভগবানের দিকে নিয়ে গিয়ে
বিভোর করে দিচ্ছে। ওই সময় স্বামী প্রকাশানন্দ, যার কথা আগে বলেছি, শিষ্যদের নিয়ে গঙ্গাতীরে
উপস্থিত ছিলেন। তিনিও সংকীর্তনের আবেশে সেখানে এসে হাজির হন। চৈতন্যদেব ভাবে স্থির
হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। সেই দেব দুর্লভ রূপ দেখার তৃষ্ণায় সমবেত ভক্তগণ ছুটে ছুটে আসতে থাকেন।
অপূর্ব ভাবের বেগ ধারণ করতে না পেরে সোনার অঙ্গ ধুলায় লুটিয়ে পড়ছে। অদ্ভুত ও আশ্চর্য
এই দৃশ্য দেখে প্রকাশানন্দ একেবারে বিস্মিত। তাঁর শিষ্যেরা দূর থেকে দাঁড়িয়ে সব দেখতে
লাগলেন। ভাবস্থ অবস্থায় চৈতন্যদেবের তেজোময় শরীর দেখে প্রকাশানন্দ যেন ভুলেই গেলেন
এই সেই বিনয়ী মধুরভাষী যুবক সন্ন্যাসী শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ভারতী। প্রকাশানন্দ আর
নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। জ্ঞানের শুষ্ক আবরণ খসে পড়ল, ভক্তি কোমল হৃদয়ে ফুটে উঠল।
তিনি সংকীর্তনে যোগ দিলেন। শিষ্যেরাও গুরুকে অনুসরণ করলেন।
------ ক্রমশ
অপূর্ব
ReplyDeleteআভূমি প্রণাম মহারাজ
মন্ত্র মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। কি চমৎকার। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকতা
DeleteSWAPNA MAITY NEW ALIPORE -JOY NITYANAND MAHA PRABHU JOY SHREE KRISHNA JOY SANATON JI SATOKOTI PRANAM JANYE. KHOOB SUNDAR LAGLO 🙏 JOY MAHARAJ SATOKOTI PRANAM JANYE 🙏
DeleteApurba Apurba Porte porte jeno Sri gourago mohaprovur sathe cholechi ki apurbo likhchen Acharya gurumoharaj voktipurna pronam neben
Deleteঅপূর্ব অপূর্ব খুব ভালো লাগলো চৈতণ্য মহাপ্রভুর জীবনী জয় চৈতণ্য মহা প্রভুর জয় 🙏🙏🙏
Deleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্যদেব 🙏🙏🙏।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
প্রনাম মহারাজ প্রণাম ঠাকুর মন্গল করুন।
Deleteঅপূর্ব লাগলো আরো শুনতে চাই ইন্দ্রানী ব্যানার্জী 🙏🏻🙏🏻
Deleteপ্রনাম মহাপ্রভুর শ্রী চরণে আভুমি প্রনাম ৷ মহারাজ জী প্রনাম নেবেন। খুব ভালো লাগছে পড়তে। রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর। খুব ভালো লাগলো।
Deleteপ্রণাম মহারাজ। ভালো থাকবেন।
Deleteপ্রণাম মহারাজ জী । আপনার এই কঠোর পরিশ্রম আমাদের জন্য করে চলেছেন । আমরাও পড়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি । অনেক কিছু জানতে পারছি । জয় ঠাকুর , জয় মা , জয় স্বামীজী প্রণাম নিও । আর আমার বাবাকে সুস্থ্য রেখো । প্রণাম বাবা ।
ReplyDeleteঅপূর্ব উপস্থাপন এতো সরল ভাষায় ভক্তি ভাবের কথা লেখা পড়ে আপ্লুত হয়ে পরি এবং পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকি। জয় ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর।🌻🌻🙏🌻🌻
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🥀🥀🌹🌹
Oshadharon.... Pranam Maharaj
Deleteখুবই উপকৃত হলাম এই নুতন তথ্য জানতে পেরে। আপনার এই অবদান কখনই ভুলব না মহারাজ জী, ঠাকুরের কাছে আপনার সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি।
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🥀🥀🌹🌹🌻🌻
ReplyDeleteঅপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ভীষন ভালো লাগলো দারুন মন ছুঁয়ে গেছে প্রণাম আচার্য্য দেব
DeleteSri Mahaprabhu r Shree Padopodmey Vaktivora naman 🙏🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻 🙏. Maharajji, aajker ei 26 th porbo porey ki je sumodhur abegpurno anondo upobhog korlam , ta obornoniyo. Ki opurbo, Tattyogyan gyato hower kothopokothon🙏. Maharajji, Aponer ei lekhonir madhoyey amra Mahaprabhu ke khub sundor vabey jantey parchi, amra otibo dhonyo aaj Aponer ashroy e thekey👏🙏. Abhumi naman, Achariyo Gurudeva 🌷 🙏.
ReplyDeleteঅসাধারণ। চৈতণ্য মহাপ্রভূর সম্বন্ধে এত বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteজয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নিবেদন করি গুরু আচার্যদেব মহারাজজীর শ্রীচরণ পাদপদ্মে 🌷💥🙏 খুব ভালো লাগছে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি 🙏🙏🙏
অপূর্ব অপূর্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যত শুনছি ততই মোহিত হচ্ছি আপনি যেমন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আমাদের কাছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা বলছেন আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে, এত কিছু জানতে পারছি সাধু সংঘ প্রতি দুর্লভ। আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDelete🙏সত্যিই -অসাধারণ!🙏
ReplyDeleteশেষ অংশ-টা কি..যে সুন্দর!!
সত্যিই আপনি অত্যন্ত প্রতিভা-ধর মহান সুন্দর গবেষক! আপনার শ্রীচরণ যুগলে আমার কোটি কোটি বিনম্র প্রণাম। খুব খুব ভালো থাকুন আপনি। আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভ-কামনা নিরন্তর.....
🙏🙏🙏🙏🌻🙏🙏🙏🙏
-------------------------------
💐💐🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteমহারাজ আমার প্রণাম নেবেন। আজকের পর্ব টি অসাধারণ লাগল। আপনার কাছে বিভিন্ন শাস্ত্র পড়ছি বলে আরও বেশী অনুভব করতে পারছি। আপনি খুব ভালো থাকবেন। শুভ্রা লালা। দমদম
ReplyDeleteApurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam
ReplyDeleteAparna Roy chowdury Delhi
ReplyDeleteঅপূর্ব মন ভরে গেল প্রনাম মহাপ্রভু 🙏🙏 প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী। 🙏🙏
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার।
প্রণাম নেবেন মহারাজ। খুব খুব ভালো লাগলো মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব এর কাছে প্রকাশআনন্দ আত্মসমর্পণের কাহিনী, শ্রী সনাতনের ত্যাগ , শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের মহাপ্রভুর উপদেশ জানতে পারলাম। খুব সমৃদ্ধহলাম। স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর ।🙏🙏🙏হলামপারলাম। খুব সমৃদ্ধ হপারলাভিশন
ReplyDeleteসর্বপ্রথমে পূজনীয় মহারাজ, আপনাকে আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম নিবেদন করি। চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনীর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জীবন দর্শন জ্ঞান ও ভক্তির কথা জেনে ঋদ্ধ হলাম মহারাজ। বারবার আপনার কাছে শুনেছি, বেদান্ত জ্ঞানে অধিকারী হওয়া প্রয়োজন কিন্ত ভক্তি সাধনায় অধিকারীর প্রয়োজন নেই, ঈশ্বর সবার জন্য তাঁর দ্বার খুলে রেখেছেন। মহাপ্রভুর ঈশ্বর প্রেম পড়ে অভিভূত হয়ে যাই। আমাদের আশীর্বাদ করবেন মহারাজ, আমরা যেন তাঁর কিছুমাত্রও অর্জন করতে পারি।🙏🌷🌷🙏🌷🌷🙏🌷🌷🙏🌷🌷🙏
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন।
প্রেম ও ভক্তি দিয়ে সকল মানুষের মন জয় করা শ্রীচৈতন্য কাহিনী বড়ই হৃদয়গ্রাহী🙏🙏🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ জী🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
মহাপ্রভুর জীবনের অপূর্ব কাহিনী আপনার লেখায় বিস্তারিত জানতে পারছি।ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন মহারাজ। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে ।
Apurbo khub bhalo lagcha.
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগছে।খুব সুন্দর। প্রণাম মহারাজ।পুলকেশ সিনহা্ রায়।
মহারাজ আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগছে। যতো পড়তে পারছি তত নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। আরো অনেক কিছু জানার আশায় রইলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রণাম মহারাজ, অপূর্ব সুন্দর লাগছে 🙏🙏
DeleteMantro mughdho hoye porlam
Deletesesh ansha ta apurbo Aponi khub bhalo thakben
Aponer sree yugal chorone koti koti pronam janai
Iti Sardar
অতি সাধারণ কথায় এই অপূর্ব পরিবেশনা আমাদের মুগ্ধ করছে। নিজেদের কে ভাগ্যবান বোধ করছি। আন্তরিক ভক্তি ও ভালোবাসা জানাচ্ছি। -----মদনমোহন নবেজ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী🙏 প্রত্যেকটি পর্ব খুব সুন্দর , মহাপ্রভুর সম্বন্ধে নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছেন আপনি। খুব ভালো লাগছে পড়তে।
ReplyDeleteRupa Chakraborty Texas
সাক্ষাৎ নারায়ণ শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কে প্রণাম করি।খুব সুন্দর লেখা! ভালো লাগলো ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই প্রণাম জানাই লেখক পরম পূজনীয় আচার্য দেব কে।নাম বিনু চক্রবর্তী বাড়ি মালদা।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব 🙏🙏আমরা ভাগ্যবান যে এই সব তথ্য আমারা জানতে পারছি।প্রণাম গুরুদেব 🌷🌷🙏🙏
ReplyDeleteApurba...., Maharaj, pronam 🙏🙏🌷🌷🌼🌼🙏🙏
ReplyDeleteApurba...., Maharaj, pronam 🙏🙏💥🌷💥🌷🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর জীবন চরিত পড়তে। ঈশ্বরের কৃপায় এসব জানতে পারছি।মন আনন্দে ভরে যায়। সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteখুব সুন্দর ।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteঅপূর্ব ও অসাধারন উপস্থাপনা
ReplyDeleteবারবার পড়ে আশ মেটে না
আপনাকে আমার প্রনাম
Bhatipurna pronam Maharaj 🙏🙏🌹🌹🌺🌺🙏🙏. Bani Chakraborty,Agartala, Tripura.
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteআপনার লেখা এত সুন্দর ও তথ্য পূর্ন নতুন করে মহাপ্রভুর জন্যে প্রেম ভালোবাসায় মন ভরে যাচ্ছে ।
Porom pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 moharaj ai lekhagulo akotre boi akare jodi petam tokhub upokrit hotam joy srichaitanya mohaprabhu ki joy🙏 Dipa Choudhury Andul Howrah🙏
Deleteআপনার সঙ্গ পাওয়া ,আমাদের সৌভাগ্যের প্রতীক।🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ প্রনাম নেবেন । কী অপূর্ব লেখা ! .মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেলাম । কত অজানা কথা জানতে পারলাম ।ভীযণ ভালো লাগছে পড়তে । উদগ্রীব হয়ে রইলাম আগামী পর্বের জন্য । ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteসুস্হ থাববেন ।
লিলিসাহা ।
অসাধারন ভাবে এগুচ্ছে এই ধারবাহিক চৈতন্যামৃত।খুব ভালো লাগছে।সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteঅসাধারণ গল্প অপূর্ব সুন্দর সব মহিমা শ্রী চৈতন্য দেবের কাহিনীর কথা জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজ ভগবানের কাছে আপনার সুস্থ তা কামনা করি।
Deleteপ্রণাম মহারাজজি খুব ভালো লাগছে ,কিন্তু আপনার শ্রীমুখ দিয়ে যদি 26 নং পর্ব টি ব্যাখ্যা শুনতে পারতাম আরও ভালো লাগতোা একটু যেন কঠিন লাগছে
Deleteসীমা আচার্য বারাণসী
pronam janai maharaj
ReplyDeletekhub valo laglo. pronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর শ্রী চৈতন্য দেবের জীবনী পারে নিজেকে ধন্য মনে করছি অনেক অনেক প্রণাম নেবেন মহারাজ Reba Biswas Kalyani
ReplyDeleteApurbo.Sree Chaitonyo dev er jiboni pore anek kichu jante parchi o samriddho hochhi. Maharaj apnar charone pronam janai. Ebhabei apni amader pashe thakben
ReplyDeleteMousumi Majumdar. Jorasamko.
প্রেম-ভালবাসায় ও ভক্তিতে বিভোর শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু র কাহিনী বড়ই হৃদয়গ্রাহী।
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থের কিছু অংশ এই ব্লগে উল্লেখ্য.. ত্যাগী ও বৈরাগ্যপূণ' রাজমন্ত্রী সনাতন ও মহাপ্রভুর কথোপকথনে - জ্ঞানের দৃষ্টিতে পরব্রহ্ম, যোগীর দৃষ্টিতে পরমাত্মা আর ভক্তের দৃষ্টিতে ভগবান। বৈধীভক্তি ৬৪টির মধ্যে প্রধান - সাধুসঙ্গ, নামকীত্ত'ন, লীলা শ্রবণ, তীথ' বাস, বিগ্রহ সেবা এই ৫টি অন্তঃত পালন করলে ভক্তিলাভ হয় - এমন অনেক বিষয় আপনার বিভিন্ন আলোচনায় জেনে থাকলেও পড়ে আরও অবগত হলাম, বেশ আনন্দও পেলাম যা পালনে সহায়ক হবে। আমার অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই শ্রদ্ধেয় মহারাজ জীকে এবং ঁমহাপ্রভু কে🙏💚🙏🇬🇧। সুজাতা দে-ইউ.কে।
Maharaj aponar sreecharan e antorik bhaktipurno o sashraddha pronam janai. Ki asadharan laglo anubhab korte.Mahaprabhu sahaj bhabe bhakti biliechen.shatokoti pronam janai.
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।প্রেম, ভক্তি, ভাব অসাধারণ উপস্হাপনা, ভক্তির পথের সহজ দিশা
ReplyDeleteJotoi porchi totoi mugdha hocchi 🙏
ReplyDeleteমহারাজের চরনে আমার ভূমিষ্ঠ প্রনাম জানাই 🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏জয় মহাপ্রভু
ReplyDeleteReba Banerjee Sundar lagche Shree Chaitanya Dever Apurba Vokti Vaber uposthapana
ReplyDeleteঅপূর্ব কথা জয় চৈতন্য মহাপ্রভু জয় আভুমীপ্রনাম মহারাজ। অনেক অনেক ধন্যবাদ
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগছে । চৈতন্য মহাপ্রভুর কতো অজানা তথ্য জানতে পারছি।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
সুজাতা দাস হাওড়া
অসাধারণ। প্রনাম শ্রীভগবান চৈতন্যদেব।আপনার মাধ্যমে অনেক কিছুই জানতে পারছি।প্রনাম নেবেন মহারাজ। manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman. Billagram.
ReplyDeleteApurba apurba khub bhalo laglo apni amar pronam neben maharaj sonali bhattacharyya howrah
Deleteঅপূর্ব মহারাজ! অনেক কিছু জানতে পারছি! প্রণাম মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteApurba
ReplyDeleteExcellent Maharaj ji. Anek kichu jante parchhi. Pronam Maharaj 🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব !অপূর্ব !অপূর্ব !! আর কোনো কথা মাথায় আসছেনা মহারাজ, এতো সুন্দর আর প্রানবন্ত লেখা সায়েদ ই হয়। অভিভূত মুগ্ধ হয়ে পড়ে গেলাম 🙏 পরবর্তী লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🌷🌷
ReplyDeleteজয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏 আপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন এই প্রর্থনা করি ঈশ্বরের কাছে 🙏🙏🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷🙏
খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর কথা পড়তে মনে হচ্ছে আমার পড়ি মহারাজ ভালো থাকবেন প্রণাম নেবেন 🙏🙏 দীপা সরকার কদমতলা
Deleteমহাপ্রভুর বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারছি খুব ভালো লাগছে মহারাজ অপেক্ষা রহিলাম আগামী পর্ব জন্য আপনি ভালো থাকবেন মহারাজ আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম নেবেন 🙏🙏🙏
ReplyDeleteদীপা সরকার কদমতলা খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারছি প্রতিটি লেখা ভীষণ ভালো লাগছে মহারাজ অপেক্ষায় রইলাম আমার ভক্তী পূর্ণ প্রণাম জানাই ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে প্রতি টি পর্ব।সরল ভষা্য় লেখা পড়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। মহাপ্রভু🙏🙏
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏🌺🌺
অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।