ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
পর্ব-২৫
প্রয়াগে
আবার ফিরে চলুন প্রয়াগে।
সেখানে শ্রীরূপ ও অনুপম চৈতন্যদেবের জন্য অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ একদিন শুনলেন মহাপ্রভু
প্রয়াগে এসেছেন। খবর পেয়ে দু-জন ছুটে গেলেন। সাষ্টাঙ্গে লুটিয়ে পড়লেন শ্রীচরণে। তাদেরকে
পেয়ে চৈতন্যদেবও খুবই আনন্দিত হলেন। কুশল বিনিময়ের পর গৌড়ের সব ঘটনা শ্রীরূপ জানালেন। সনাতন
যে বন্দী হয়ে আছেন একথাও বললেন। সব কিছু শুনে মহাপ্রভু আশ্বাস দিয়ে জানালেন “ভগবান তাঁর ভক্তকে বেশি দিন দুঃখে
রাখেন না, সনাতন শীঘ্রই মুক্ত হবেন''।
ত্রিবেণী সঙ্গমের কাছে
মহাপ্রভুর থাকার জন্য কুঠিয়া ঠিক হল। তার কাছেই দুভাই বাসা ঠিক করে তীর্থবাস করতে থাকেন।
রূপ ও সনাতন মহাপ্রভুকে ভালবাসতেন ও শ্রদ্ধা করতেন
ঠিকই কিন্তু মনে একটু সংকোচ ছিল। যেহেতু তারা মুসলমান নবাবের কাছেই ছিলেন, সেই পরিমন্ডলে
দীর্ঘ সময় থাকার ফলে তারা নিজেদেরকে পতিত বলে মনে করতেন। মহাপ্রভু আলিঙ্গন করতে গেলে
সরে যেতেন। মহাপ্রভু চেষ্টা করতেন তার মধ্যে এই সঙ্কোচ ভাব দূর করে দিতে। তিনি বুঝিয়ে
বলতেন। ভক্তিই সব থেকে পবিত্র বস্তু, ভক্তির
দ্বারা নীচ ও মহা পবিত্র হয়। আবার ভক্তি না থাকলে উচ্চ কুলে জন্ম গ্রহণ করলেও মহা অপবিত্র।
শ্রীরূপকে তিনি উচ্চ
অধিকারী বুঝতে পেরে ছিলেন। তাই তিনি তাঁর জীবনের যা কিছু অনুভব ও রায় রামানন্দের কাছ থেকে যে সব ভক্তির তত্ত্ব লাভ করে ছিলেন সে
সমস্ত সাধ্য-সাধন শিক্ষা দিলেন। মহাপ্রভুর উপদেশ লাভ করে শ্রীরূপ দিনে দিনে
ভগবানের কৃপা উপলব্ধি করতে লাগলেন।
প্রয়াগের মেলায় নানা ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে সমবেত হতেন। তখন
বৈষ্ণবদের চারটি মূল সম্প্রদায় ছিল। রামানুজ পন্থী, নিম্বার্ক পন্থী,
বিষ্ণুস্বামীর অনুগামী ও মধ্বাচার্যের অনুগামী। বিষ্ণুস্বামী সম্প্রদায়ের আচার্য
শ্রীমৎ বল্লবভট্ট সে বছর মেলাতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি চৈতন্যদেবের কথা লোক মুখে
শুনে ছিলেন। একদিন দেখা করতে আসেন। দু জনেই খুব পণ্ডিত ও ভক্ত। চৈতন্যদেবের মুখে
ভক্তির উচ্চ তত্ত্ব শুনে ও তাঁর মধ্যে ভাবভক্তির লক্ষণ দেখে ভট্ট মোহিত হয়ে যান।
অনেকক্ষণ ধরে তাদের মধ্যে
সদালাপ চলে। মহাপ্রভুর সঙ্গে শ্রীরূপ ও অনুপমের ভক্তি ভাব দেখে ভট্টের মনে কৌতুহল
জন্মায়। চৈতন্যদেবের মুখে এদের ত্যাগ তিতিক্ষার কথা ভট্টের বিস্ময়ের সীমা রইল না।
বিদায় কালে শ্রীরূপ ও তার ভাইকে ভট্ট আলিঙ্গন করতে গেলে তাকে বিনীত ভাবে করজোড়ে
বলেন, 'আমরা অস্পৃশ্য, আমাদেরকে স্পর্শ করবেন না'। বিষ্ণুস্বামী সম্প্রদায়ের
বৈষ্ণবরা খুব আচার নিষ্ঠার উপর জোর দেন। কিন্তু বল্লভাচার্য নিজে থেকে জোর করে
প্রেমালিঙ্গনে বদ্ধ করেন।
সন্ন্যাসীর ভাব ভক্তি দেখে ও
ভগবৎপ্রসঙ্গ শুনে বল্লভাচার্য তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। তিনি থাকতেন যমুনার অপর পারে নিজের কুঠিয়ায়।
একদিন সেখানে চৈতন্যদেবকে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যান। তিনিও আনন্দিত চিত্তে যমুনায়
স্নান করলেন। স্নান করে উঠলে ভট্ট নতুন গেরুয়া বস্ত্র নিবেদন করলেন। সাক্ষাৎ
নারায়ণ জ্ঞানে মহাপ্রভুকে মালা চন্দন দিয়ে সাজালেন। ধূপ-দীপ ও অর্চনা করে ভোগ
নিবেদন করলেন। অপূর্ব দর্শন সন্ন্যাসীকে দেখে দলে দলে লোক হাজির হতে লাগল। ভক্তির
সরল ব্যাখ্যা শুনে সকলেই মোহিত হয়।
ক্রমে এত লোক সমাগম হল যে অল্প
সময়ে বিশাল লোকের ভীড় জমে গেল। সকলে আবার সন্ন্যাসীকে ভিক্ষা দিতে চান।
চৈতন্যদেবের কোন কষ্ট হয় এই ভেবে, ভট্ট খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন। সবিনয়ে সকলকে
বুঝিয়ে বললেন। চৈতন্যদেব ও সমধুর বাক্যে
সকলকে সন্তুষ্ট করলেন। সদভাবে ঈশ্বর চিন্তায় ও নাম কীর্তনে জীবন যাপনের উপদেশ দিয়ে
সকলের থেকে বিদায় নিয়ে নিজের কুঠিয়ায় ফিরে এলেন।
মাঘ মাসের পর চৈতন্যদেব
বারাণসীর দিকে যাত্রা করেন। শ্রীরূপ ও অনুপম তাঁর সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি চাইলে, তিনি
তাঁদেরকে বৃন্দাবনে যেতে বলেন। একান্তে বৃন্দাবনে কিছু কাল থেকে সাধন ভজন করে পরে
পুরীতে আসতে বললেন।
এদিকে কাশীতে পৌঁছবার আগের রাতে
এক ভক্ত চন্দ্রশেখর, যিনি কাশীতে বাস করতেন, তিনি স্বপ্নে মহাপ্রভুকে দর্শন
করেন। ভোর বেলায় তিনি প্রয়াগের পথে দ্রুত
ছুটতে থাকেন। একটু গিয়েই পথে চৈতন্যদেবের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। প্রেমে পুলকিত তনু
আনন্দে লুটিয়ে পড়ল চরণে। চন্দ্রশেখরকে পেয়ে চৈতন্যদেবেরও আনন্দের সীমা রইল না।
চন্দ্রশেখরের গৃহেই থাকার ব্যবস্থা হল ও আগের মত তপন মিশ্রের গৃহে ভিক্ষার
ব্যবস্থা হল। বিশ্বনাথের আনন্দধামে এসে নিত্য মণিকর্ণিকায় স্নান, অন্নপূর্ণা,
বিশ্বেশ্বর , বিন্দুমাধব প্রভৃতি দেব স্থান দর্শন করে পরমানন্দে দিন কাটাতে
লাগলেন।
সনাতনের বন্দী মুক্তি
আর একবার চলুন গৌড়ে, সনাতনের কাছে। বেচারা হুসেন শাহের হাতে বন্দী হয়ে রয়েছেন।
নবাব ওড়িশাতে সীমান্ত শান্তির জন্য
ব্যস্ত। এই সময় শ্রীরূপ সনাতনকে এক চিঠি লেখেন। চিঠি পেয়ে খুব আনন্দিত হলেন ও
পরিকল্পনা মত, কারারক্ষীকে অনুরোধ করেন তাকে ছেড়ে দিতে। বিনিময়ে পাঁচ হাজার মুদ্রা
দেবেন। রক্ষী রাজভয়ে প্রথম রাজি হচ্ছিলেন না। সনাতন বোঝালেন যে নবাব এখন রাজ্যের বাইরে
ফিরতে দেরি হবে, ফলে কোন অসুবিধা হবে না। তাছাড়া নবাব ফিরে এসে যদি তোমাকে দোষারোপ
করে বলবে, বাহ্যকৃত্যে গঙ্গায় ধারে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। অনেকক্ষণ পরেও তাকে
পাওয়া গেল না। স্রোতে কোথায় ভেসে গেছে কেউ যানে না। আর তা ছাড়া তোমার কোন ভয় নেই।
আমি এ দেশে আর থাকব না আমি সাধু হয়ে মক্কা চলে যাব।
চৈতন্যদেবের দর্শনের জন্য যাত্রা
এই ভাবে অনেক বুঝিয়ে কারা
প্রহরীকে রাজি করান হল। এবং সাত হাজার মুদ্রার বিনিময়ে সে এ-কাজ করতে রাজি হল।
একদিন গভীর রাতে বন্ধন মুক্ত করে তাড়াতাড়ি গঙ্গা পার করে দিল। মুক্ত হয়ে সনাতন
বণিকের কাছে গচ্ছিত অর্থ থেকে সাত হাজার মুদ্রা কারারক্ষীকে দিলেন। ঈশান নামে এক
বিশ্বস্ত ভৃত্যকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত পশ্চিম দিকে ছুটলেন।
পাহাড়ী রাস্তা ঝোপ ঝাড়ের ভেতর
দিয়ে এক টানা হেঁটে চলেছেন সনাতন। দু দিন পর এক ঘাঁটিতে হাজির হলেন। এক ভুঁইয়া এই
ঘাঁটির পাহারাদার। সনাতন তাকে অনুরোধ করলেন বনপথ পার করে দেওয়ার জন্য। ভুঁইয়া সহজে
রাজী হলেন। তিনি আদরযত্ন করে তার বাড়িতে আহার ও বিশ্রামের অয়োজন করলেন। সনাতনের
মনে সন্দেহ হল। তিনি তো রাজবন্দী গোপনে পালিয়ে যাচ্ছেন। তা হলে এই পাহারাদার আমাদের
এত যত্ন করছেন কেন? সনাতন সঙ্গী ঈশানকে ডাকলেন ও জানতে চাইলেন তার কাছে কত মুদ্রা
আছে। ঈশান জানালো খুবই সামান্য মাত্র সাতটি মুদ্রা আছে। সনাতনের মনে সন্দেহ হল এই মুদ্রার
খবর মনে হয় পাহারাদারের কাছে রয়েছে, তাই ওই অর্থের লোভে হয়তো এত আদর যত্ন করছে।
সনাতনের মনের ভাব বুঝতে পেরে
ভুঁইয়া হাসতে হাসতে বলল, আমি গণনা করে বুঝতে পেরেছি তোমাদের কাছে মোহর আছে। তাই
ভেবেছিলাম, রাত্রে তোমাদেরকে মেরে মোহর
হস্তগত করব। আমি এই ভাবেই হত্যা করে ধন অপহরণ করি। কিন্তু তুমি যখন নিজেই
দিতে চাও, তখন আর তোমার অর্থ নোব না। তোমাদের মোহর সঙ্গে নিয়ে যাও। আমার লোকজন
রাত্রে বনের পথ নিরাপদে পার করে দেবে। তোমাদের কোন ভয় নেই।
সনাতনের অনেক অনুরোধে ভুঁইয়া
সাত মোহর গ্রহণ করলেন ও বনের পথ দিয়ে সীমান্ত পার করে দিলেন।
পরদিন সকালে সনাতন ঈশানকে
জিজ্ঞাসা করল, আর কিছু সঙ্গে আছে কিনা। ঈশান জানালো যে শেষ সম্বল একটি মাত্র মোহর
আছে। সনাতন তাকে এই মোহরটি নিয়ে দেশে ফিরে যেতে বললেন। ঈশান এই কথা শুনে কাঁদতে
লাগল। সনাতন তাকে মিষ্টি কথায় বুঝিয়ে বিদায় দিলেন।
এই বার সম্পূর্ণ নিঃসম্বল হয়ে
ভগবানের নাম নিয়ে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে চললেন। গৌড়ের নবাবের প্রিয় পাত্র, অতুল
সম্পদের অধিপতি সনাতন আজ পথের ভিখারি, ভগবানের কৃপা লাভের জন্য চলেছেন। সনাতন
সারাদিন ভগবানের নাম জপ করতে করতে সন্ধ্যাবেলা হাজির হলেন হাজিপুরে। সেখানে বিশাল
এক গাছের তলায় রাত্রিবাস করলেন।
গঙ্গার উলটো দিকে হরিহর ছত্রের মেলা বসে। অনেক পুরনো এই মেলা। এখানে দেশের
বিভিন্ন স্থান থেকে মেলাতে বিক্রির জন্য হাতী, ঘোড়া, গরু ইত্যাদি আমদানি হয়।
ভারতের মধ্যে পশু কেনাবেচার জন্য তখন বিখ্যাত ছিল এই মেলা। সনাতন যখন হাজিপুরে
তখন মেলা চলছিল। সেই সময় সনাতনের ভগ্নীপতি ও নবাবের কর্মচারী শ্রীকান্ত ঐ মেলাতে
উপস্থিত হন। নবাবের নির্দেশে শ্রীকান্ত এই মেলাতে এসেছিলেন ঘোড়া কিনতে। এই মেলাতে
এসে শ্রীকান্ত একটি বাগানে তাঁবু খাঁটিয়ে থাকেন। এই তাঁবুটি ছিল সনাতনের আস্থানার
কাছেই।
রাত্রে সংকীর্তনের শব্দে শ্রীকান্তের ঘুম ভেঙ্গে গেল। অনুসন্ধান করে
দেখলেন। একটি দীন-দরিদ্রের পোশাক পরা লোক গাছের তলায় বসে হরিনাম করছেন। প্রথমে ঠিক
বুঝতে না পারলেও পরে সনাতনকে চিনতে কোন অসুবিধা হল না। যদিও তার পোশাক ছিল
সম্পূর্ণ দীন-হীনের মত। শ্রীকান্ত খুবই দুঃখিত হলেন এমন অপ্রত্যাশিত ও বিস্ময়কর
ভাবে দেখা হল বলে। শ্রীকান্ত কাপড় চোপড় আর কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস দিতে চাইলে সনাতন
তা গ্রহণ করলেন না। অনেক অনুরোধের পর শ্রীকান্তের মন-রক্ষার জন্য একটা কম্বল কেবল
নিলেন। ভগবানের নাম কীর্তন করতে করতে কাশীর দিকে এগিয়ে চললেন। কোথায় রাজ বৈভব? কোথায় পদ মর্যাদা? সব
কিছু ফেলে স্বেচ্ছায় পথে নেমেছেন। 'করতল ভিক্ষা আর তরুতল বাস’ সানন্দে এই জীবন
বেছে নিয়েছেন। এখন একমাত্র লক্ষ্য মহাপ্রভুর দর্শনলাভ।
হাঁটতে হাঁটতে একদিন কাশীতে এসে পৌছলেন।
চৈতন্যদেব তখন প্রয়াগ থেকে ফিরে চন্দ্রশেখরের গৃহে রয়েছেন। মহাপ্রভু চাইতেন লোক
জনের ভীড় থেকে দূরে থাকতে। কিন্তু চন্দ্রের কিরণকে কি ঢেকে রাখা যায়? তাই সনাতনের
পক্ষে মহাপ্রভুকে খুঁজে বার করা খুব একটা কঠিন কাজ ছিল না। খোঁজ খবর নিয়ে সনাতন
চন্দ্রশেখরের বাড়ির সামনে বসে প্রভুর দর্শনের অপেক্ষা করতে লাগলেন।
মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ
সনাতনের তখন চেহারা সম্পূর্ণ
অন্য রকম। জীর্ণ শরীর মলিন পোশাক। পথের ধারে এমন কত লোকই তো বসে থাকে। কেউ বিশেষ
খেয়াল করে না। চৈতন্যদেব চন্দ্রশেখরকে বললেন, দেখ দেখি বাইরে কোন বৈষ্ণব ভক্ত
অপেক্ষা করছেন কিনা? চন্দ্রশেখর বাইরে এসে দেখলেন, কিন্তু তেমন কাউকে দেখতে পেলেন
না। ফিরে এসে চৈতন্যদেবকে জানালেন যে বাইরে ভক্ত কেউ নেই। চৈতন্যদেব আবার জিজ্ঞাসা
করলেন কাউকে দেখতে পেলে না? চন্দ্রশেখর আবার গিয়ে দেখে এসে বলল এক ফকির বসে আছে। মলিন
পোষাক। ঐ ফকিরকে সমাদরে ভেতর নিয়ে এসো। চন্দ্রশেখর অবাক হয়ে ওই ফকিরকে ভেতরে নিয়ে এল। ভেতর প্রবেশ
করতে খুব সঙ্কোচ করছিলেন ফকির। চৈতন্যদেব বাইরে এগিয়ে এসে দেখতে পেয়ে ওই ফকিরকে বুকে জড়িয়ে
ধরলেন।
............ ক্রমশ
Apurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam
ReplyDeleteজয় চৈতণ্য মহা প্রভুর জয় 🙏🙏🙏, সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্যদেব 🙏🙏🙏।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
ভীষন ভালো লাগলো আচার্য্য দেব আমার প্রণাম নেবেন
Delete🙏🏻🙏🏻🙏🏻
Deleteইন্দ্রানী ব্যানার্জী
DeleteAparna Roy chowdury Delhi
ReplyDeleteজয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏 আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগছে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি 🙏🙏🙏
জয় ঠাকুর 🌷💥🙏 জয় মা 🌷💥🙏 জয় স্বামীজি 🌷💥🙏
Joy Gourango Mohaprovu haribol harbol hare Krishna hare Krishna Krishna Krishna hare hare porte khub valo lagche Mohaprovur jibono pronam Acharya gurumoharaj voktipurna pronam neben
Deleteখুব সুন্দর লাগলো ।প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব যত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা জানতে পারছি ততই আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি সেটা সম্ভব হয়েছে সাধু সঙ্গ করছি বলে। আপনার মতন সাধু সঙ্গ দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteSri Sri Mahaprabhu r padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌻🍀🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Sanatan er Sri Prabhu darshan er agroho o Prabhu kripa, Maharajii Aponer ei lekhonir madhoyomey porey mugdho holam 🌹🌹🙏🏻🙏🏻. Maharajii, Apni Sri Chaitanya Mahaprabhu r Jibonabali amader sysobkaler moto haat dhorey sikhiyey jacchen, amra otibo dhonnyo 👏 . Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌺🌺🙏🏻🙏🏻.
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভূ জয় কৃপাময় সচল জগন্নাথ 🌼🌹🙏🙏🙏🌹🌼 ।আমরা ধন্য মহারাজ । আপনার মত ঈশ্বর তুল্য আচার্যের চরণ তলে বসে প্রতিদিন ভগবত কথা শুনতে পাচ্ছি। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteShuvo sakal, apurbo laglo mohaprovu r khata,apnar lekhonite,sashroddo pronam neben amar 🙏🏻sadhana Sharma from panchala howrah
ReplyDeleteKhub sundor ,pronam janai amar, khub valo thakben Maharaj.
ReplyDeleteজয়। শ্রীচৈতা ন্য।মহা প্র ভু তব চরনে আমার শতকোটি প্রনাম
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
কত কিছু জানতে পারছি ৷ অনেক ধন্যবাদ ঈশ্বরের কাছে যে আমি এই সববের মধ্যে যুক্ত হয়েছি তাই এত সুন্দর সুন্দর কথা যানতে পরছি ৷ প্রনাম ঠাকুর মা ও স্বামি জী প্রনাম নেবেন মহারাজ জী . I রুনা পালিত। কেঁচুয়াডাঙা নদীয়া
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। আপনার লেখাটার প্রতি আগ্রহ বেড়েই চলেছে। মহাপ্রভুর কথা আরও জানতে ইচ্ছে করে। পরের ভাগের অপেক্ষায় থাকলাম
ReplyDeleteSundar anek Natun Tathya jante pere ananadita holam Reba Banerjee
ReplyDeleteApurbo ajker blog er lekha....jato porchi...tatoi bhalo lagche...pranam maha prabhu sree chatanya deb....🙏pranam maharajji...bhalo thakben...🌷🙏🌷
ReplyDeleteKata apurva Sanatan Goswami r katha jante parlum Maharaj🙏🌹
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ🙏🙏।খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteChaitanya Dever Apurba ghotona porchi r Samidhdha hote parchi Reba Banerjee
ReplyDeleteঅপুর্ব উপস্থাপন, কতো অজানা তথ্য জানতে পারছি আমাদের ইতিহাস সমন্ধে। মহারাজ আপনাকে প্রনাম জানাই।
ReplyDeleteপরের পর্ব প্রকাশে যেন দেরী না হয় মহারাজ জী ,আর যে সবুর সয় না, জয় মহাপ্রভু🙏🙏🙏
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম মহারাজ জী🙏🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
প্রণাম নেবেন মহারাজ। যত পড়ছি ততই আরও জানতে ইচ্ছে হচ্ছে এমন মধুর লেখা মন প্রাণ ভরে যায়। ভাল থাকবেন মহারাজ। প্রণাম ইন্দ্রাণী কুণ্ডু
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভুর জয়
ReplyDeleteপ্রনাম দিব্যত্রয়ী প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী। 🙏🙏
প্রণাম নেবেন মহারাজ।শ্রী সনাতনের অপূর্ব জীবন কাহিনী খুব সুন্দর ভাবে লিখেছেন। মহাপ্রভু সম্বন্ধে আপনার প্রতিটি পর্ব পড়ে অনেক কিছু জানতে পারছি।খুব ভালো লাগছে মহারাজ।🙏🌹🙏🌹🙏 স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteমহাপ্রভুর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারছি। খুব ভালো লাগছে ।আরো অনেক কিছু জানার আশায় রইলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
🙏🌺🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।আগে উপন্যাস পড়ে আনন্দ পেতাম, কিন্তু ধর্ম গ্রন্থ পড়ে যে এতো আনন্দ পাওয়া যায় তাএই ব্লগ পড়ে বুঝতে পারছি, আবার পরের ব্লগের অপেক্ষায় রইলাম
ReplyDeleteApurba khub sundar. Aro janta
ReplyDeleteEcha karcha.pranam maharaj.
Pulakesh Sinha Roy.
প্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগলো পড়ে ।
ReplyDeleteApurbo lekha! pranaam neben Maharaj 🙏🏻🙏🙏🏻
ReplyDeleteBulu Mukherjee Alipore
ভক্ত আর ভগবানের মিলন হল।অসাধারন।প্রণাম গুরুদেব 🙏🙏☘️☘️🌷🌷🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏মহাপ্রভুর কথা পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো অনেকদিন পর নতুন পর্ব পেলাম
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভুর জয়🙏🙏 সত্যি মন ভরে যায় পড়তে পড়তে, ঈশ্বরের অসীম কৃপাতে মহারাজ আপনার সংস্পর্শে আসি, মহারাজ আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন 🙏🙏
Deleteকতো অজানাকে আপনার লেখার দ্বারা জানতে পারছি।পরের লেখার অপেক্ষায় রইলাম। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
Onek kichu jante pari maharaj upner lekha pore.porte bhalo o Lage maharaj.🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল, ঈশ্বর যে সর্বভুতে বিদ্যমান তার এক জলন্ত উদাহরন।
ReplyDeleteখুভ ভালো লাগছে।ধারাবাহিক ভাবে পড়তে পাচ্ছি মহাপ্রভুর জীবনের কথা।জয় প্রভুর চৈতন্যদেবের জয় ।সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো ভগবান দয়াময় ।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteSwapna Maity New Alipore..KHOOB SUNDAR LAGLO MAHARAJ SWASWADHA PRANAM GRAHAN KORBEN..ANEK AJANA CHITTYNA MAHA PRABHU KOTHA JANLAM
Deleteপ্রণাম মহারাজ । আপনার পরিশ্রমে আমরা ধারাবাহিক ভাবে শ্রী চৈতন্যে জীবনী জানতে পারছি । খুবই ভালো লাগছে । সবই ঠাকুর , মা , স্বামীজীর কৃপায় হচ্ছে ।জয় ঠাকুর , মা , স্বামীজী প্রণাম নিও । আমার বাবাকে সব সময় সুস্থ্য রেখো । প্রণাম বাবা ।
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা এই ধারাবাহিক কাহিনী র ,প্রতিটি পর্ব ই চমৎকার করে বর্ণনা করা হয়েছে। জয় মহাপ্রভু🙏🌹🌹
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🌷🌷
অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
সনাতনের এই অপূর্ব ভক্তি , ত্যাগ ও তিতিক্ষার অসাধারণ কাহিনী ভীষণ ভাল লাগল মহারাজ। ভগবানের প্রতি ভক্তের ও ভক্তের প্রতি ভগবানের এই আকর্ষণ কত যে পুণ্যের ফল! মহাপ্রভুর জীবনীর প্রতিটি পর্ব ই অসাধারণ লাগছে মহারাজ। আপনি আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ 🙏 🌷🙏🌷🙏🌷
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন।
Pronam maharaj apurbolekha pore mon vore gelo apekshai thaklam 🙏
ReplyDeletepronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteখুবই ভাল লাগলো বিশেষত সনাতন গোস্বামীর কাহিনী পড়ে আপনাকে অজস্র প্রনাম
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল
জয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জয়, জয় পরম বৈষ্ণব ভক্ত সনাতনের জয়।অপূর্ব! আহা,ভগবানের জন্য রাজ বৈভব ছেড়ে নিঃসম্বল হয়ে বেরিয়ে পড়েছেন সনাতন!হে প্রভু এমন টি কি করে হয়?আমার যদি একটু খানি হতো।খুব সুন্দর!ভালো লাগলো।সনাতনের কথা জানতে পেরে।আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই,বিনম্র শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই লেখক পরম পূজনীয় আচার্য দেবকে।নাম বিনু চক্রবর্তী বাড়ি মালদা।জয় রামকৃষ্ণ
ReplyDeleteJoy Mahaprabhor joy🙏🙏🌼🌼🌸🌸🙏🙏 Joi Maharajer joy 🙏🙏🌼🌼🌻🌻🙏🙏
ReplyDeleteমুসলিম নবাবের কাছে ছিলেন বলে "রূপ" ও "সনাতন" মহাপ্রভুকে পরম শ্রদ্ধা ও ভালবাসলেও আলিঙ্গন করতে সংকোচে দূরে সরে যেতো। মহাপ্রভু খুব কাছে টেনে নিয়ে আলিঙ্গন করে বুঝিয়ে বলতেন-"ভক্তিই সবথেকে পবিত্র বস্তু, ভক্তির দ্বারাই নীচও মহাপবিত্র হয়, আর ভক্তি না থাকলে উচ্চকুলে জন্ম হলেও মহা অপবিত্র "। এমন চমৎকার কথাগুলো অমৃতবাণী যা অন্তরে গেঁথে যায়। জয় মহাপ্রভু 🙏 জয়।। জয় গুরু মহারাজজী 🙏💚🙏🇬🇧 সুজাতা দে। ইউ.কে।
ReplyDelete