শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

#ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।। পর্ব -24।।(নতুন প্রকাশিত)

 


                                  ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য




                   ©                                                           --- স্বামী হরিময়ানন্দ

ধারাবাহিক রচনা

                  চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন। - শ্রীরামকৃষ্ণ 


                             ======================পর্ব-২৪====================

ব্রজধামে 

     প্রেমিক সন্ন্যাসীর অন্তরে বহুদিনের আকাঙ্খা ব্রজমণ্ডল দর্শন করবেন। এই আশা আজ পূর্ণ হতে চলেছে। ব্রজধামে প্রবেশ করেই মহাপ্রভু ভাব-বিহ্বল হয়ে পড়েন। তাঁর শরীরে অশ্রু কম্প ইত্যাদি সাত্ত্বিক বিকার দেখা দিল। গোকুলে গাছের তলায় রাত কাটিয়ে পরদিন গেলেন শ্রীমতী রাধার জন্মস্থান, বর্ষাণা দর্শন করতে। যমুনা পেরিয়ে এলেন মথুরাতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। মথুরা দর্শন করে তাঁর হৃদয় আনন্দে উদ্বেলিত হল। যমুনাতে বিশ্রাম ঘাটে স্নান করলেন। কেশবদেবের মন্দিরে গিয়ে দর্শন, স্তুতি ও প্রার্থনা করলেন। সুমধুর কীর্তন ও স্তব-স্তুতি শুনে সকলে তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হলেন।

     এখানে এক ভক্ত ব্রাহ্মণের সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি ছিলেন শ্রীমৎ মাধবেন্দ্র পুরীর শিষ্য। পুরীজী যখন ব্রজধামে এসেছিলেন তখন তাঁর কৃপা লাভ করেছিলেন। এই ব্রাহ্মণ ভক্তকে পেয়ে উভয়েই খুব আনন্দিত হলেন। মহাপ্রভু সেই ব্রাহ্মণের গৃহেই ভিক্ষা গ্রহণ করে ছিলেন। দর্শনীয় বিভিন্ন স্থান , স্বয়ম্ভূ ক্ষেত্র, বিশ্রাম ঘাট, বিষ্ণু ভগবান, মহাবিদ্যাদেবী, ভূতেশ্বর, গোকর্ণ মহাদেব প্রভৃতি দর্শন করে খুব আনন্দিত হয়েছিলেন।

     বৃন্দাবনের স্বর্গীয় শোভা দর্শন করে অত্যন্ত মুগ্ধ ও বিহ্বল হয়ে পড়তেন। তিনি দেখতেন,  বৃন্দাবনের গাছপালা, পশুপাখি, রাস্তাঘাট সকলেই ভগবৎপ্রেমে বিভোর হয়ে রয়েছে। অন্তরে ভাবাবেশের সঞ্চার হওয়ায় বাইরের জগতের জ্ঞান লোপ পেয়ে যেত। সর্বদাই লীলারস আস্বাদন করে বিভোর হয়ে থাকতেন। দিনরাত কোথা দিয়ে চলে যেত বুঝতেই পারতেন না।






      শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থল রাধাকুণ্ড, শ্যামকুণ্ড দর্শন করে গোবর্ধনে আসেন। গোবর্ধনে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করে একটি শিলা হৃদয়ে ধারণ করেন ও অনেকক্ষণ স্তব-স্তুতি প্রার্থনা করেন। এরপর কাম্যবন, বর্ষাণা, নন্দগাঁ প্রভৃতি লীলাস্থল দর্শন করেন। এরপর যমুনা পার হয়ে গোকুল হয়ে মথুরাতে ফিরে আসেন। এখানে সেই পূজারী ব্রাহ্মণের গৃহেই দিন কয়েক থাকেন। তাঁকে দেখার জন্য ও তাঁর অমৃতময়ী বাণী শোনার জন্য বহু মানুষ ভিড় করত। এত লোকের ভিড় এড়ানোর জন্য তিনি মথুরা থেকে অক্রুরঘাটে এসে থাকেন। মাঝে মাঝে বৃন্দাবনে চলে যেতেন ও বিভিন্ন স্থান দর্শন করে কীর্তনে যোগ দিতেন। ধীরে ধীরে লোক মুখে তাঁর অক্রুরঘাটে থাকার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। দর্শনার্থীর ভিড় সেখানেও বাড়তে থাকে। সকলকেই তিনি প্রেমের সঙ্গে গ্রহণ করতেন ও প্রাণস্পর্শী সরল উপদেশ দিতেন। সকলকে সহজ ভক্তির পথ দেখিয়ে দিতেন।

    এই সময় বৃন্দাবনে এক গুজব রটে যে, কালীদহে শ্রীকৃষ্ণ আবার প্রকট হয়েছেন। তিনি রোজ রাতে কালীয় নাগের মাথায় দাঁড়িয়ে নাচেন আর নাগের মাথার মণির জ্যোতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বেশ হৈ চৈ পড়ে গেল চারিদিকে। বহুলোক রাত্রে হাজির হত কালীয়দহে এই দৃশ্য দেখার জন্য। এই কথা চৈতন্যদেবের কানে এসে পৌঁছলো। চৈতন্যদেব গুজব শুনে বেশ হাসলেন। পরে আসল রহস্য জানা গেল। রাত্রে নৌকো করে কালীয়দহে মাছ ধরতে যেত কিছু লোক। তাদের হাতে কুপীর আলো থাকত। লোকেরা দূর থেকে ভুল করে ভাবতো শ্রীকৃষ্ণ নাচছেন। এই মজার ঘটনা সকলের হাসির খোরাক হয়েছিল।

     আগেই বলেছি মহাপ্রভুর তীর্থসঙ্গী ছিলেন বলভদ্র ভট্টাচার্য। তিনি বললেন আগামী মকর সংক্রান্তিতে প্রয়াগে ত্রিবেণীতে স্নান করতে হবে। তাড়াতাড়ি রওনা হতে হবে, না হলে ঠিক সময়ে পৌঁছতে পারবেন না। বলভদ্রের আগ্রহ অনুসারে চৈতন্যদেব ব্রজেশ্বরকে প্রণাম করে যাত্রা শুরু করলেন। কোথাও কোথাও বড় রাস্তা না ধরে গলি পথ ধরলেন, তাড়াতাড়ি পৌঁছোবার জন্য।

পাঠান সৈন্যদের আক্রমণ

     পথে চলতে চলতে শ্রীকৃষ্ণের কথা ভাবতে ভাবতে মহাপ্রভু ভাবস্থ হয়ে পড়েন। তিনি বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান। ওই সময় কিছু পাঠান সৈন্য ঘোড়ায় চড়ে ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সুন্দর চেহারা যুবক সন্ন্যাসীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তারা কাছে গিয়ে দেখতে লাগল। মনে মনে চিন্তা করল নিশ্চয়ই সন্ন্যাসীর সঙ্গে ধন-দৌলত ছিল, তাই তাকে অজ্ঞান করে অর্থ লুট করার মতলব ছিল। এই মনে করে চৈতন্যদেবের সঙ্গীদের  বেঁধে ফেলল। যদি অপরাধ স্বীকার না করে তবে তলোয়ার দিয়ে মুণ্ডুচ্ছেদ করার ভয় দেখাতে লাগল। বলভদ্র ভয়ে থরথর কাঁপতে লাগল। তখন কৃষ্ণদাস নামে এক সাহসী ভক্ত বলল আমাদের কিছু অপরাধ নেই। সন্ন্যাসী আমাদের গুরু। এঁর মৃগীরোগ আছে। এই ভাবে নানাভাবে বোঝাতে চেষ্টা করলেও কিছুতেই তারা ছাড়তে রাজি হচ্ছিল না। বেশ খানিকক্ষণ কথাবার্তার পর সঙ্গীদের ছেড়ে দেয়। তখন তারা মহাপ্রভুর কানে কৃষ্ণ নাম শোনালে তাঁর ভাব ভঙ্গ হয়।

     তখন মহাপ্রভু নিজে জানলেন যে তাদের সঙ্গে কোন অর্থ সম্পদ নেই। আর তার সঙ্গীরা সকলেই তাঁকে অত্যন্ত ভালবাসে, সেবা যত্ন করে ইত্যাদি। চৈতন্যদেবের মধুর বাক্যে সৈন্যদের অন্তরে প্রীতির সঞ্চার হয়। তাদের মধ্যে এক পাঠান সৈন্য ছিল পণ্ডিত। শাস্ত্রীয় কথায় ওই পাঠান লোকটি এমন ভাবে চৈতন্যদেবের কথায় প্রভাবিত হল যে সস্নেহে তাকে রামদাস বলে সম্বোধন করেছিলেন। এদের মধ্যে বিজুলী খাঁ নামে এক রাজবংশীয় যুবক ছিলেন। তিনি সন্ন্যাসীর কাছ থেকে সাধন ভজন সম্বন্ধে নানা উপদেশ গ্রহণ করেন। পরে এই যুবক  একজন পরম ভক্ত হয়ে উঠেছিলেন।

ত্রিবেণীর পথে

     ব্রজধাম থেকে হাঁটতে হাঁটতে সোজা গঙ্গাতীরে সোরক্ষেত্র নামক তীর্থে আসেন।  এটি বেরিলি-কালগঞ্জ রেললাইনে 'শোর' ষ্টেশনে। ভগবান বরাহরূপে এই স্থানে আবির্ভূত হয়েছিলেন। সম্ভবত শোরক্ষেত্র বা সোরক্ষেত্র বরাহ নামের অপভ্রংশ। বরাহ মানে শূকর বা শোর।

     যাহোক শোরক্ষেত্র দর্শন করে তারা তাড়াতাড়ি প্রয়াগে এসে উপস্থিত হলেন। প্রতি বছর মাঘ মাসে গঙ্গা-যমুনার মিলন স্থল প্রয়াগে বহু সাধু মহাত্মা আসেন। বহু প্রাচীন কাল থেকে এই মেলা চলে আসছে। চৈতন্যদেব এই মেলায় উপস্থিত হয়ে বহুভক্তের সমাগম দেখে মোহিত হয়ে গেলেন। আনন্দে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করলেন। এখানে দক্ষিণ ভারতের পূর্বপরিচিত এক ব্রাহ্মণের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি আগ্রহ করে তাঁর বাসস্থানে নিয়ে গিয়ে মহাপ্রভুকে রাখেন ও সেবার ব্যবস্থা করেন।

রূপ ও সনাতন

   এখন আমরা বাংলার রাজধানী গৌড়ের দিকে দৃষ্টি পাত করব। শ্রীরূপ ও সনাতন চৈতন্য মহাপ্রভুকে দর্শন করার পর আর বিষয় কর্মে মন দিতে পারছিলেন না। অন্তরের বৈরাগ্য দিনে দিনে প্রবল হতে থাকে। দু ভাই রাজকর্ম ত্যাগ করে জীবনের শেষ দিন গুলি চৈতন্যদেবের সেবা ও সাধনভজনে কাটাবেন স্থির করেন। কিন্তু হঠাৎ এই ভাবে দায়িত্ব ত্যাগ করাও সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে নবাব সন্দেহ করতে পারেন। এই সময় তারা বহু অর্থ ব্যয় করে ব্রাহ্মণদের দান ধ্যান করেন ও নিজেরা পুরশ্চরণ শুরু করেন। এই ভাবে যখন দিন কাটছিল তখন একদিন শ্রীরূপ নবাবের কাছে ছুটির আবেদন করেন। নবাব ছুটি মঞ্জুর করেন। ছুটি পেয়ে শ্রীরূপ অনেক টাকা পয়সা নিয়ে বাড়িতে আসেন।

     অর্থের প্রায় অর্ধেক ব্রাহ্মণ ও সাধু ভক্তদের দান করেন। কিছু অর্থ আত্মীয়দের মধ্যে বিতরণ করে দেন। বাকি সামান্য কিছু অর্থ নিজের জন্য রাখেন। এছাড়া সনাতনের জন্য এক ব্যবসায়ীর কাছে দশ হাজার মুদ্রা জমা রাখলেন। চৈতন্যদেবের খবর নেওয়ার জন্য শ্রীরূপ পুরীতে লোক পাঠিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি জানতে পারলেন যে মহাপ্রভু গোপনে উত্তর-পশ্চিমে তীর্থ যাত্রায় বেরিয়েছেন।  এই কথা জানতে পেরে শ্রীরূপের মন উতলা হয়ে উঠল।

     তিনি ছোট ভাই অনুপমকে সঙ্গে নিয়ে উওর পশ্চিমে যাত্রা শুরু করলেন। তারা ক্রমশ কাশী দর্শন করে প্রয়াগে আসেন। সেখানে এসে জানতে পারেন যে মহাপ্রভু ব্রজভূমি দর্শন করে ত্রিবেণীতে মকরস্নানের জন্য প্রয়াগে ফিরে আসছেন। এই সংবাদ পেয়ে শ্রীরূপ প্রয়াগে অপেক্ষা করতে লাগলেন। শ্রীরূপ চৈতন্যদেবের সমস্ত খবরা খবর ও তার তীর্থযাত্রার কথা চিঠিতে জানিয়ে ছিলেন সনাতনকে। আরও জানিয়েছিলেন যে তার খরচের জন্য দশ হাজার মুদ্রা ব্যবসায়ীর কাছে রেখে এসেছেন।

সনাতনের অবস্থা

   এদিকে সনাতনের মন ছটফট করতে থাকে। কিন্তু রাজকর্ম থেকে মুক্ত হওয়ার পথ খুঁজতে থাকেন। তিনি ছিলেন নবাবের বিশ্বস্ত অমাত্য। তাকে ছাড়া হুসেন শাহের চলেই না। সনাতন দেখলেন যে নবাব তাকে  যে ভাবে ভালবাসেন, তাতে সহজে ছাড়বেন বলে মনে হয় না। তাই ভাবনা চিন্তা করে ঠিক করলেন, এমন কিছু করবেন যাতে নবাব নিজে তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেন। সেই মতো তিনি রাজ দরবারে যাওয়া বন্ধ করলেন, নবাবের সঙ্গে দেখা করা বন্ধ করলেন, কাজকর্মও বন্ধ করে দিলেন। নবাব খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে সনাতন অসুস্থ । তাই তিনি রাজবৈদ্যকে পাঠালেন সনাতনের চিকিৎসার জন্য।

     রাজবৈদ্য সনাতনের বাড়ি গিয়ে দেখলেন ও ফিরে এসে জানালেন যে সনাতনের শরীর ভালোই আছে, তার কোন রোগ ব্যাধি নেই। নবাব এই কথা শুনে খুবই অবাক হলেন। তিনি লোক পাঠিয়ে সন্ধান করে জানতে পারলেন সনাতন সুস্থ দেহে বাড়িতে ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের সঙ্গে শাস্ত্রচর্চা ও সাধন ভজনে ব্যস্ত আছেন। এদিকে নবাবের কাজ কর্মে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। তিনি সনাতনের অসুখের কথা শুনে চিন্তিত হয়ে ছিলেন, কিন্তু  সমস্ত ব্যাপার জানতে পেরে আরও বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন।

    নবাব নিজে একদিন এক অনুচরকে সঙ্গে নিয়ে সনাতনের বাড়িতে হাজির। পণ্ডিতদের নিয়ে সনাতন শাস্ত্র বিচার করছিলেন, এমন সময়ে সভাতে নবাব উপস্থিত। সকলেই তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়ালেন ও যথোচিত সম্মান দেখালেন। সনাতন অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে নবাবকে অভ্যর্থনা করে উপযুক্ত আসনে বসালেন। নবাব বললেন, বৈদ্যকে পাঠালাম তোমার শরীর অসুস্থ শুনে। কিন্তু তুমি  সম্পূর্ণ সুস্থ । তুমি জানো তুমি ছাড়া রাজ দরবারে কত কাজের ক্ষতি হচ্ছে? কেন এই সব করছ? তোমার দাদা অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেছে। এখন তোমার মনে কী আছে পরিষ্কার করে বল।

    সনাতন বিনীত ভাবে হাত জোড় করে বললেন, আপনি দেশের রাজা , আমি অপরাধী, আমাকে শাস্তি দিন। গৌড়েশ্বর নবাবের মনে সন্দেহ হল। সনাতন হয়তো কোথায় পালিয়ে যেতে চায়। তাই তিনি রেগে গিয়ে তাকে বন্দি করে আটক করে রাখলেন।

    এর কিছু দিনের মধ্যে ওড়িশা সীমান্তে অশান্তি উপস্থিত হলে নবাবের নিজের সেখানে যাওয়া জরুরী হয়ে পড়ে। তখন নবাব সনাতনকে তার সঙ্গে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু কিছুতেই সনাতনকে রাজী করাতে পারলেন না। তিনি নবাবকে অনুরোধ করলেন, তিনি সঙ্গে যেতে পারবেন না । কারণ সঙ্গে গেলে তিনি পুরীতে গিয়ে চৈতন্যদেবকে তার সামনে অপমান করতে পারেন এই আশঙ্কায় তিনি যেতে রাজী হলেন না। নবাবের এতে সন্দেহ আরও বাড়ল তিনি ওড়িশা যাওয়ার আগে সনাতনকে বিশেষ কড়া পাহারায় আটক করে গেলেন। সনাতনের এই অবস্থা জানতে পেরে সকলেই খুব দুঃখিত হলেন। এবং এই খবর প্রয়াগে শ্রীরূপেরও অজানা  রইল না।©

                                                  ক্রমশ......

Comments

  1. ভগবান কি সুন্দর রূপে ধরা দিচ্ছেন অপূর্ব লেখাটির মধ্য দিয়ে 🙏🏻রিদ্ধ হচ্ছি আমরা 🙏🏻
    ভক্তি বিনম্র প্রণাম মহারাজ 🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর জীবনী পড়তে, জয় মহাপ্রভুর জয় 🙏, সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে 🙏
      মৌসুমী রায় কোচবিহার।

      Delete
    2. Pranam Prabhuji, Bhaktir Abatar, Sri Chaitanya Mahaprabhu (24) parba, khubi bhalo laglo path kore, anek ajana interesting tathya jana jachhe, thanks. Paraborty angsha prakash er apekkhay roilam.
      Sundar lekhani.
      Thanks with regards.
      🌺🌺🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌺🌺🌺

      Delete
    3. Pronam Maharaj 🙏 khub bhalo lagche apnar lekha pore anek kichu jante parchi 🙏

      Delete
    4. Voktipurna sostango pronam neben Acharya gurumoharaj ato apurba vabe vogoban chitanna mohaprovur lilavumijiboni bornona korechen mone hochhe jeno choloman chitro ojana onekkichujante parchi joy Gourànga Mohaprovu

      Delete
    5. প্রনাম ঠাকুর প্রনাম মহারাজ। এইসকল কথা ও গল্প অনেকের জানা নেই। ভবিষ্যতে পরিবর্তিতে পুস্তিকায় বের হলে ভালো হবে বলে করি।

      Delete
    6. ঋদ্ধ হচ্ছি মহারাজ। আমার প্রণাম নেবেন। 🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলাকাতা।

      Delete
  2. খুব ভালো লাগছে ,মহাপ্রভুর কতো অজানা কথাই না জানতে পারছি জয় শ্রী চৈতন্য 🙏🙏প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
    সুজাতা দাস,হাওড়া

    ReplyDelete
  3. খুবই ভালো লাগছে অনেক কিছু অজানা তথ্য জানতে পারছি আরও অনেক কিছু ই জানতে পাবো প্রনাম মহারাজ জী কে। 🕉🙏🏻🙏🏻🙏🏻🕉

    ReplyDelete
  4. Mahaprbur katha...ato sunder bhabe barnana diyechen...asadharan ...khub bhalo lagche...mahaprabhur kato ajana katha jante pere....pranam maharajj...🌹🙏🌹jaya choudhury

    ReplyDelete
  5. 🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. Pronam Maharaj 🙏. Apnar lekha pore anek aajana katha jante parchi. 🙏keya Bhattacherjee Cuttack.

      Delete
    2. Khub valo lagche. Mohaprabhu r bapare koto kichu janchi.pranam maharaj

      Delete
  6. প্রনাম মহারাজ, খুব ভালো লাগলো

    ReplyDelete
  7. অপূর্ব লাগছে পড়তে।প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. পর্ব চব্বিশ পড়লাম। খুউব ভালো লাগছে পড়তে।ধন্য হচ্ছি ও আনন্দ লাভ করছি।পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

      Delete
  8. আত্ম জ্যোতি এক পুণ্য নাম। মহাপ্রভুর জীবন কাহিনী আমাদের সম্বৃদ্ধ করছে। 🙏🙏জানাই মহাপ্রভুর শ্রী চরণে।

    ReplyDelete
  9. খুব সুন্দর করে সাজিয়ে মহাপ্রভুর জীবনীর উপর এত কিছু জানতামই না। খুব ভালো লাগে ' আরও জানা অপেক্ষা থাকব . I রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙা নদীয়া ৷

    ReplyDelete
  10. খুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি সেটা সম্ভব হয়েছে আপনার সান্নিধ্য এসেছি বলে, সাধু সঙ্গ দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ

    ReplyDelete
  11. 🙏🏻Mahaprabhu r Shree padopodmey vaktivora pranam nibedon kori 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Maharajii, , amra Mahaprabhu r jibonaboli suntey suntey eber 24th porbey esey uposthit holam 🙏🏻. Mahaprabhu r Tirthoyatra korey Proyagdham e esey uposthit holen. Maharajii, Aponer sathey sathey amra o ontordristitey Proyagdham e esey porlam 🙏🏻. Sriroop o Sanatan er Chaitanyo prem khubei pranosparshi, Maharajii 🙏🏻. Aaj ekmatro Aponer ashroy e esey amra Mahaprabhu r Vaktiroser aswadan kortey parchi, opurbo ek uposthapona 🙏🏻. Amra dhonyo Maharajji Aponer sannidhan peyey 🙏🏻🙏🏻. Sotokoti naman, Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻.

    ReplyDelete
  12. খুব ভালো লাগছে পড়তে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি।
    সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏

    ReplyDelete
  13. খুব সুন্দর লাগছে মহারাজ। 🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  14. প্রণাম মহারাজ🙏।খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন। মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  15. মহাপ্রভুর কত অজানা তথ্য আমাদের কাছে তুলে ধরলেন, আমরা আপনার কাছে কৃতজ্ঞ, প্রণাম নেবেন মহারাজ অসীমা বট ব্যাল হাওড়া শিবপুর

    ReplyDelete
  16. Apurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam Aparna Roy chowdury Delhi

    ReplyDelete
  17. মহাপ্রভূর অমৃতময় কথা জানতে পেরে আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏।স্মৃতি রেখা গোস্বামী।চন্দন নগর।

    ReplyDelete
  18. খুবই ভালো লাগছে মহারাজ জী। আমার প্রনাম নেবেন।

    ReplyDelete
  19. খুব ভালো লাগছে মহারাজ আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  20. প্রণাম মহারাজ ।

    ReplyDelete
  21. কতো অজানা জিনিস জানতে পারলাম ,।প্রনাম নেবেন মহারাজ ।

    ReplyDelete
  22. প্ৰণাম মহাৱাজ।খুব ভাল লাগলো

    ReplyDelete
  23. পরম-প্রেমময় করুণা-ঘন গৌরাঙ্গ-মহাপ্রভুর জয়....
    🙏🙏🙏প্রণাম গুরুজী🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  24. মহাপ্রভুর সম্বন্ধে কত অজানা তথ্য জানতে
    পারছি, আপনার লেখা পড়ে।
    প্রনাম দিব্যত্রয়ী প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী। 🙏🙏

    ReplyDelete
  25. অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি। আপনার থেকে আরো নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে রয়েছে। এভাবে আমরা একটু একটু করে সমৃদ্ধ হচ্ছি। আপনার নিরলস প্রচেষ্টা সার্থক হবে এই আশা করছি।
    আপনাকে শতকোটি প্রনাম জানাই।
    স্বপ্না রায়, রাজারহাট।

    ReplyDelete
  26. আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ ।লেখাটি ভাল লাগলো। অনেক কিছু জানলাম।
    সুব্রত মুখার্জ্জী । ব্যাঙ্গালোর ।

    ReplyDelete
  27. প্রণাম নেবেন মহারাজ। মহারাজের কাছে একটা অনুরোধ অপরাধ নেবেন না এই যে এত সুন্দর লেখা থেকে আমরা এত কিছু জানতে পারছি এটা যদি বই প্রকাশ হয় তা হলে আর ও ভাল হয়

    ReplyDelete
  28. মহারাজ আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগছে। অনেক কিছু জানতে পারলাম ।আশা করি আরো অনেক কিছু জানতে পারবো। অপেক্ষা করে থাকবো প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
    মীনা সিনহা রাজারহাট ।

    ReplyDelete
  29. প্রণাম নেবেন মহারাজ।মহাপ্রভুর বৃন্দাবন পরিক্রমা জানলাম। শ্রী রুপ সনাতনের কথা অনেক কিছু জানলাম।খুব ভালো লাগছে শ্রী সনাতনের কথা জানার অপেক্ষায় থাকলাম। 🙏🌹🙏🌹🎂 স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর

    ReplyDelete
  30. প্রণাম গুরুদেব 🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব ভালো লাগছে মহারাজ আপনার সাহায্যে আমরা কত সমৃদ্ধ হচ্ছি সবটাই ঠাকুর মায়ের ইচ্ছা। পরবর্তী পর্বের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকছি প্রণাম নেবেন।
      ইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ 🙏🏻🙏🏻

      Delete
  31. কি অপূর্ব লাগছে পড়তে। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। জয় মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেব।

    ReplyDelete
  32. আমার বাবার চেষ্টায় আমরা এতো কিছু জানতে পারছি । তাই ঠাকুর , মা , স্বামীজীর নিকট প্রার্থনা করছি আমার বাবাকে যেনো সুস্থ রাখেন । প্রণাম বাবা ।

    ReplyDelete
  33. মহারাজ আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমরা কত অজানা তথ্য জানতে পারছি ।এখন উদগ্রীব হয়ে আছি সনাতনের খবর জানার জন্যে। খুব ভালো লাগছে পড়তে । আপনি আমার প্রনাম নেবেন ।ভালো থাকবেন ।
    লিলি
    সাহা

    ReplyDelete
  34. Joy mahaprovur joy🙏🙏🙏
    Pronam neben maharaj🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  35. Khub bhalo lagche Maharaj. Ato kichu jante parchi Mahaprobhur kotha pronam neben moharaj. Subhra Lala.dumdum

    ReplyDelete
  36. Mon bhore galo.khub bhalo laglo.
    25 parbar janna aphakya thaklam.
    Pranam Maharaj. Pulakesh Sinha Roy. 🙏🙏

    ReplyDelete
  37. Joy Mahapravu sri Chaitanya joy amader parama priya Maharaj🙏🌷

    ReplyDelete
    Replies
    1. Khub valo laglo maharaj.onek kichu jante parlam. Kakoli Ghosh. Jamshedpur theke.pranam maharaj

      Delete
  38. প্রণাম মহারাজ। আপনার লিখা blog পড়ে খুবই আনন্দ পাচ্ছি । তাই ঠাকুর , মা , স্বামীজীর নিকট প্রার্থনা করি আপনাকে যেনো ভালো রাখেন । প্রণাম নেবেন M j .

    ReplyDelete
  39. I have said it earlier that these articles are not mere articles but written after all out research. As we read more and more, so become learned. Pranam Maharaj.
    Manoranjan Ghoshal Jhargram

    ReplyDelete
  40. প্রনাম মহাপ্রভু🙏প্রনাম মহারাজ জী🙏সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

    ReplyDelete
  41. মহারাজ পড়তে খুব ভালো লাগছে । প্রণাম নেবেন ।।

    ReplyDelete
  42. মহাপ্রভুর জীবন সম্বন্ধে এতো বিস্তারিত ভাবে আপনি আমাদের জানালেন মহারাজ। পরের লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
    প্রণাম মহারাজ। 🙏
    রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর।

    ReplyDelete
  43. আপনার সঙ্গ পাওয়া,আমাদের সৌভাগ্যের প্রতীক।🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  44. 🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  45. প্রণাম মহাপ্রভু।প্রণাম আচার্য মহারাজ। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।

    ReplyDelete
  46. সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।ধারাবাহিক ভাবে লেখাটা পড়তে খুব ভালো লাগছে।পরবত্তী লেখা পড়ার জন‍্য অপেক্ষায় র ইলাম🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  47. প্রণাম নেবেন মহারাজ, খুব ভালো লাগছে পড়তে,পরবর্তী লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম ।

    ReplyDelete
  48. Ei jannyo bole jabat bachi yabat sikhi koto je ajanakatha janteparchi ta bolar noi 🙏

    ReplyDelete
  49. Mahaprobhur katha jata janchhi tatai bhalo lagchhe. Ishwar bhabe tini dube thakten. Amon drishtanta khub biral. Pronam neben maharaj. Krishnadey, jamshedpur.

    ReplyDelete
  50. মহাপ্রভুর এই অসাধারণ জীবনী পড়তে খুব ভালো লাগছে মহারাজ। আপনি আমাদের মত সাধারণের জন্য চিন্তা করে , যে উদ্দেশ্য নিয়ে, এগুলি লিপিবদ্ধ করে আমাদের সামনে তুলে ধরছেন, সেই উদ্দেশ্য যেন আমরা সফল করতে পারি মহারাজ। আমাদের আশীর্বাদ করুন , আমরা যেন আধ্যাত্মিক ভাবে উন্নত হতে পারি। আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
    সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏

    ReplyDelete
  51. অপূর্ব সব তথ্য, এতদিন যা অজানা ছিল। অধীর আগ্রহে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏Bulu Mukherjee Alipore

    ReplyDelete
  52. আত্মজ্যোতি চব্বিশ ব্লগ পোড়লাম অন্তর পূর্ণ হয়ে গেছে।সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ

    ReplyDelete
  53. জয় আত্মজ্যোতি। জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর। সশ্রদ্ধপ্রণাম মহারাজ জী 🙏🙏🙏
    অলকানন্দা মিত্র বাগবাজার।

    ReplyDelete
  54. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়।পরম পূজনীয় লেখক আচার্য দেবকে অবনত মস্তকে প্রণাম জানাই। খুব ভাল লাগলো, ব্রজধাম, বৃন্দাবন,মথুরা,সব জায়গায় যেতে করে,আহা,কি সুন্দর বর্ণনা করেছেন! অনেক কিছু জানতে পারছি।আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আচার্য দেবকে।নাম,বিনু চক্রবর্ত্তী, বাড়ি মালদা।জয় ঠাকুর।

    ReplyDelete
  55. প্রণাম নেবেন মহারাজ। এত ভাল লেখা অনেক মহারাজ এর কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখি কিন্ত মহারাজ আপনি আপামর জনসাধারণের জন্য এই ভাবে ভাবছেন। সত্যিই ভাবা যায় না ভাল থাকবেন মহারাজ প্রণাম ইন্দ্রাণী কুন্ডু

    ReplyDelete
  56. ভীষণ ভালো লাগছে মহারাজ! অনেক কিছু জানতে পারছি! কিন্তু সব mone রাখতে পারছি না মহারাজ! ঠিক আছে মহারাজ কিছু তো ভেতরে থাকছে নিশ্চয়ই! প্রণাম মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  57. pronam Maharaj

    ReplyDelete
  58. অসাধারণ লেখা , রূপ, সনাতনের কথা জেনে আনন্দ পেলাম যত পড়ছি জানার আকাঙ্ক্ষা তত বেড়ে যাচ্ছে পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রহিলাম। জয় মহাপ্রভু প্রনাম🙏🙏 🌹🌹
    আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏🌺🌺

    ReplyDelete
  59. এতো অজানা তথ্য জানতে পারছি এই ব্লগ পড়ে। মহারাজ এটি ব‌ই হয়ে প্রকাশিত হ‌ওয়া বড় দরকার।

    ReplyDelete
  60. Khub khub valo lagche. Pore vabchi.amra to kichui janina.pranam janai achryadev.🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  61. কত অজানা কাহিনী জানতে পারছি মহারাজ খুব আনন্দ লাগছে,কেন জানিনা,যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি মহাপ্রভু কে🙏🙏

    ReplyDelete
  62. ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভৃর জীবনের অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি..এত সুন্দর বিষয়ে বিস্তারিত রচনা আগে পড়িনি। আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
    রীতা দত্ত, kharagpur,.

    ReplyDelete
  63. Pronam neben moharaji, khub valo laglo apnar lekha pore,shree choitonno deber khata jene,somriddo holam,sadhana Sharma from panchala

    ReplyDelete

Post a Comment