ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
পর্ব-২৩
রামকেলি থেকে যাত্রা
দু' তিন দিন পরে চৈতন্যদেব
রামকেলি ছেড়ে এগিয়ে চললেন। ক্রমে রাজমহলের কাছে কানাইর নাটশালা নামক স্থানে এলেন। জায়গাটি
খুবই নাম করা। শোনা যায় এক সময় এখানে শ্রীকৃষ্ণলীলার সমস্ত চিত্র পট প্রতিষ্ঠিত ছিল।
ভক্তেরা তা দর্শন করে খুবই আনন্দ লাভ করতেন।
যেখানেই তিনি যান দলে ধীরে ধীরে লোকের সংখ্যা বেড়ে যায়। মনে মনে ভাবলেন সনাতন ঠিকই
বলেছিল, তার কথার গুরুত্ব আছে। এত লোকজন সঙ্গে থাকলে তীর্থ দর্শনে ব্যাঘাত ঘটে। একা সঙ্গীহীন
হয়ে চললে তবেই তো ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা যায়। মনে পড়ল বিভিন্ন মহাত্মাদের কথা। তাঁরাও
নিঃসঙ্গ হয়ে তীর্থ ভ্রমণ করেছেন। নানা দিক চিন্তা করে তিনি এখন তীর্থযাত্রার সংকল্প ত্যাগ
করলেন।
শান্তিপুরে ফিরে এলেন
কানাইর নাটশালা থেকে শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্যের বাড়িতে ফিরে এলেন। অপ্রত্যাশিত
ভাবে মহাপ্রভুকে পেয়ে তাঁর আর আনন্দের সীমা পরিসীমা রইল না। ভক্তদের মধ্যেও বেশ আনন্দের
জোয়ার এলো। নবদ্বীপেও খবর গেল। মহাপ্রভুর ইচ্ছা অনুসারে শচীদেবীকে আনবার জন্য পালকি
পাঠানো হল।
কিছু দিন শান্তিপুরে
মহানন্দে কাটল। চৈতন্যদেব এবছর আর তীর্থ দর্শনে গেলেন না। আগামী বছর উত্তর পশ্চিমের
তীর্থ দর্শনে যাবেন এই অভিপ্রায় জানিয়ে ভক্তদের থেকে বিদায় নিয়ে পুরীতে ফিরে এলেন।
গৌড়ীয় ভক্তদের আরও বললেন তারা যেন আগামী বছর রথের সময় পুরীতে না যান। কারণ বর্ষার পরেই
তীর্থ যাত্রা করবেন তিনি। নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাচার্য প্রভৃতি ভক্তগণ চোখের জলে মহাপ্রভুকে
বিদায় জানালেন।
পুরীতে তাড়াতাড়ি ফিরে
এলেন দেখে সার্বভৌম ও রামানন্দ প্রভৃতি ভক্তদের মনে অপার আনন্দ হল। চৈতন্যদেবের ইচ্ছা
অনুসারে রথের সময় গৌড়ীয় ভক্তরা এবারে পুরীতে এলেন না। কেবল স্থানীয় ভক্তদের নিয়ে এবারের
রথ হল। বর্ষার পর মহাপ্রভু তীর্থ যাত্রার জন্য ব্যাকুল হলেন। তখন অনেকেই মহাপ্রভুর সঙ্গে যেতে চাইলেন। সনাতন যে কথা বলেছিলেন,
অর্থাৎ তীর্থযাত্রাতে দলবেঁধে যাওয়া ঠিক নয় এ কথা তিনি তাদের সবিনয় জানালেন। একা অথবা
সঙ্গে একজন। তাই চৈতন্যদেব এক জন সঙ্গী নিয়ে
যাত্রা শুরু করলেন। বলভদ্র
ভট্টাচার্থ নামে ভক্তকে সঙ্গে নিয়ে চললেন। গভীর রাতে যাত্রা শুরু করলেন। যাতে মানুষের
ভিড় এড়িয়ে যাওয়া যায়।
তীর্থযাত্রা
বড় রাস্তা ছেড়ে তিনি গ্রামের রাস্তা ধরলেন। কটক
ডান দিকে ফেলে উত্তর পশ্চিম দিকে চলতে থাকলেন। ক্রমে ছোটনাগপুর ও সাঁওতাল পরগণার ভেতর
দিয়ে চললেন। ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল। দুর্গম পথ, তার উপর ছিল হিংস্র
জন্তুদের বাস। জন মানব শূন্য ভয়ঙ্কর পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। খাওয়া দাওয়ার কোন ব্যবস্থা
ছিল না। বনের মধ্যে ফলমূল যা পেতেন তাই খেতেন। সঙ্গী বলভদ্র ভট্টাচার্য কখনও কখনও ভিক্ষাতে
চাল সংগ্রহ করতে পারলে বনের শাকপাতা দিয়ে রান্না করে প্রভুর সেবা করতেন। বনের শাক পাতা
দিয়ে আহার 'যদ্রিচ্ছা লাভসন্তুষ্ট' সন্ন্যাসী খুব আনন্দে গ্রহণ করতেন।
বনের পথে

বনের মধ্যে ধুনি জ্বালিয়ে
গাছের তলায় বাস করতেন। অনেক স্থানে রাস্তার ধারে ঝরনা থাকত। ঝরনার জল ছিল অমৃতের মত।
ঝরনাতে স্নান করে পথের সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত। তাছাড়া পথের দুঃখ কষ্ট কিছুই তিনি
গ্রাহ্য করতেন না। বরং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও ঈশ্বরীয় প্রেমে তাঁর মন পূর্ণ হয়ে থাকত।
এই সব অঞ্চলে স্থানে
স্থানে পাহাড়ী মানুষের বাস ছিল। কোল, ভিল , সাঁওতাল প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর লোকেরা আসতেন
এই অদ্ভুত সন্ন্যাসীকে দেখতে। তাদের ভাষা না জানলেও আকারে ইঙ্গিতে ঊভয়ের মধ্যে ভাবের
বিনিময় হত। তার ফলে সেই পাহাড়ের সাধারণ মানুষরাও তাঁর ভক্ত হয়ে যেত। এই ভাবে মহাপ্রভু
ভগবানের প্রতি ভক্তির বীজ ছড়াতে ছড়াতে অগ্রসর হয়ে চললেন।
কাশীধামে
ক্রমে তাঁরা এসে হাজির হলেন সন্ন্যাসীদের প্রিয় তীর্থ কাশীধামে।
অন্নপূর্ণা ও বিশ্বনাথের রাজধানী আর মহাকাল এই পুরীকে সুরক্ষিত রেখেছেন। এই সব দৃশ্য দর্শন করে এক অপূর্ব আনন্দে পরিব্রাজক সন্ন্যাসী ভাব-বিহ্বল হয়ে পড়লেন। তিনি ভূমি লুন্ঠিত হয়ে প্রণাম করলেন। মণিকর্ণিকাতে
স্নান করতে গেলেন। এখানে হঠাৎ দেখা হয় পূর্ব পরিচিত তপন মিশ্রের সঙ্গে। ইনি জগন্নাথ
মিশ্রের জ্ঞাতি ছিলেন। শ্রীহট্ট যাওয়ার সময় মহাপ্রভুর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। হঠাৎ তীর্থে
দেখা হওয়াতে দু জনেই খুব আনন্দিত হলেন। স্নান করে তপন মিশ্রের সঙ্গেই চললেন বিশ্বনাথ
দর্শনে। বাবা ভোলানাথের মাথায় গঙ্গাজল বেলপাতা
দিয়ে অর্চনা করলেন। প্রেমে অন্তর পুলকিত মহাপ্রভু অন্নপূর্ণা, বিন্দুমাধব ও অন্যান্য
মন্দির দর্শন করলেন। এরপর তপন মিশ্রের প্রার্থনায় তাঁর নিবাসে মহাপ্রভু ভিক্ষা গ্রহণ
ও বিশ্রাম করলেন।
ঐ সময় কাশীতে চন্দ্রশেখর
নামে একজন বাঙ্গালী ভক্ত থাকতেন। তপন মিশ্রের সঙ্গে তাঁর বেশ বন্ধুত্ব ছিল। চন্দ্রশেখর
ভক্ত ছিলেন ও নিজে সাধন ভজন করতেন। কাশীতে পণ্ডিতদের মুখে ব্রহ্মতত্ত্বের আলোচনা শুনতেন।
ঐ প্রসঙ্গে পণ্ডিতদের মুখে প্রেম ভক্তির নিন্দাও
মাঝে মাঝে শুনতে পেতেন। প্রেম-ভক্তির নিন্দা শুনে তাঁর মনে খুবই আঘাত লাগত। এখন চৈতন্যদেবকে
পেয়ে ও তাঁর মুখে ভক্তির কথা শুনে চন্দ্রশেখরের হৃদয় খানিকটা ঠাণ্ডা হল। তপন মিশ্রের
গৃহে থেকে রোজ গঙ্গাস্নান, বিশ্বনাথ দর্শন, ভজন কীর্তনে বেশ আনন্দে কাটলে লাগল। এখানে
দশ রাত কাশীবাস করে তিনি তীর্থরাজ প্রয়াগের দিকে যাত্রা করেন।
প্রয়াগে এসে ত্রিবেণী
সঙ্গমে স্নান করলেন। মন আনন্দে ভরে উঠল। প্রয়াগে তিন রাত বাস করেন।
ব্রজধামের পথে
এবার ঠিক করলেন ব্রজধাম
দর্শনের জন্য যাত্রা করবেন। এই ভাবে দিনের পর দিন হেঁটে চললেন। ক্রমে আগ্রাতে এলেন।
তখন এর নাম ছিল অগ্রবন। আগ্রার কাছে যমুনার তীরে পবিত্র কৈলাস তীর্থ দর্শন করেন। এখনে
মহর্ষি জমদগ্নির আশ্রম। ভগবান পরশুরাম এখানে মহাদেব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা দর্শন করেন।
...... ক্রমশ
জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏 খুব ভালো লাগছে পড়তে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি 🙏🌷🌷🌷🙏🙏
Pranam Prabhuji, sundar lekhani, Maha Prabhur Thirtha darshan. Anubhab korlam, Tirthe ak sange aneke mile gele, Tirtha darshan e byaghat ghate, eka gele, Iswarer opor nirbhar kara hoy, khub sundar o sathik katha.
DeleteAro sunbo Maha Prabhur katha, agami parbe, asha rakhi.
Thanks with regards.
Apnar sishya.🌹🙏🌹
সুন্দর প্রতি বেদন🙏🙏🙏🙏
DeleteApurba Mohaprovur jibon lekhoni khub valo lagche Porte onek somriddho hochhi apnar sohocharje ase voktipurna sostango pronam neben Acharya gurumoharaj
Deleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏। খুব ভালো লাগল। স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর
Deleteপ্রণাম মহারাজ🙏🙏। আবার ও মহাপ্রভূর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম।আগ্রার পূর্ব নাম অগ্রবন জানা ছিল না।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দুবাই
ReplyDeletePronam Maharaj 🙏 🙏 🙏 🙏
Deleteপ্ৰণাম মহারাজ।খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteShree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Aaj ei 23rd porbo er lekhoni porey khub mugdho holam Maharajji 🙏🏻. Maharajji, Apni Sri Mahaprabhu r jibonaboli amader dristi sanmukhey chitropot er neyey tuley dorechen🙏🏻 amra e peyey otibo dhonyo 🌹🙏🏻🙏🏻. Joy Thakur 🌻🙏🏻🙏🏻🌻🙏🏻. Opekhyaroto acchi Maharajji 🌻🌻🌹🌹🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteমহারাজ এতসুন্দর লাগলো।মহাপ্রভুর জীবনের অনেক অজানা কথা জানতে পারছি।প্রনাম মহারাজ।
Deleteএত ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা জানতে পারছি আপনি আমাদের মধ্যে ভক্তির বীজ দিচ্ছেন এ আমাদের দুর্লভ জীবন আপনার মতন গুরু পেয়েছি প্রণাম শিক্ষাগুরুদের শিখা মন্ডল বজবজ
ReplyDeleteএবার মহাপ্রভুর ব্রজধামের যাত্রার বিবরন জানার জন্য উৎসুক হয়ে থাকলাম। আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে আপনার মতো পথ পর্দশক পেয়েছি। ঠাকুরের অশেষ অনুকম্পা। ঠাকুর আপনাকে সর্বদা সুস্থ রাখুন। ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী। আত্ম জ্যোতি পড়ে খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeletePronam Acharya Deb ,avabei jeno apner lekha pore aktu Gyan lav korte pari 🙏🌹
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ।পরে খুব ভালো লাগলো
ReplyDeletePranam janai....mahaprabhu sree chaitnya deb k...🙏
ReplyDeleteApurbo barnana mahaprabhur tirtha jatra ...khub bhalo laglo...
Pranam neben...🌹🙏🌹
Jaya choudhury.....
মহারাজ খুব ভালো লাগলো।পরের লেখার অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকবেন। প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteরুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
প্রণাম মহারাজ । পড়তে খুব ভালো লাগছে । পরের অংশ পড়ার জন্য অপেক্ষায় রইলাম ।।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো পড়ে আরও জানবার আগ্রহ প্রকাশ করছি , প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteরীতা ভৌমিক, ভিলায়
প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর তীর্থ দর্শনের বর্ণনা পড়তে পড়তে আমাদেরও মানস ভ্রমণ হয়ে গেলো। অসাধারণ প্রতিবেদন!
মহাপ্রভুর ব্রজধাম দর্শনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় আমরাও রইলাম অধীর আগ্রহে।
অনেক অনেক সমৃদ্ধ হচ্ছি আমরাও আপনার এই আন্তরিক প্রয়াসের জন্য। আমাদের মঙ্গলের জন্য আপনি যে কত ভাবে চেষ্টা করছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এই সমস্ত পাঠ করে আমরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছি।
আমরাও চেষ্টা করছি চিত্তকে শুদ্ধ করার।
দিব্য ত্রয়ীর কাছে প্রার্থনা করি তাঁরা যেন আপনাকে সুস্থ রাখেন। আপনি খুব ভালো থাকবেন মহারাজ।
মহারাজ আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগছে । মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে ।জানার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রণাম মহারাজ।যতই পড়ছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি।অতি সহজ ভাষায় এতো সুন্দর বিবরন বড়ই মনোগ্রাহী। শ্রী চৈতন্য দেবের অপূর্ব লীলাকথা খুব ভালো লাগছে।,,,,, মদনমোহন বেজ। ব্যান্ডেল ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল মহারাজ, মহাপ্রভুর কাশীধাম, দেবী অন্নপূর্ণা, মহাকাল , প্রয়াগ, ত্রিবেণী তীর্থ দর্শন। আপনার এই সুন্দর লেখাটি পড়ে আমার নিজের ওই ওই তীর্থস্থান দর্শনের স্মৃতি ভীষণ ভাবে মনে পড়ছিল মহারাজ। আপনি বলেন, কথামৃত পড়তে পড়তে ওই স্থানে নিজেকে নিয়ে যাবেন, সত্যিই মহারাজ এত জীবন্ত হয়েছে লেখাটি, সমস্তই যেন চোখের সামনেই উপলব্ধি করতে পারছিলাম। ভীষণ ভাল লাগছে মহারাজ , চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতিটি পর্ব ই। আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ।
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷
প্রণাম নেবেন মহারাজ। মহাপ্রভু সমন্ধে অনেক কথা জানতে পারছি। ভগবান আপনাকে সুস্থ রাখুন। ইন্দ্রাণী কুন্ডু।
ReplyDeleteKhub valo laglo pronam maharaj ji ji apnaka amer sotokote pranam Aparna Roy chowdury Delhi
ReplyDeleteMahaprovur🙏🏻কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে মহারাজ প্রণাম নেবেন 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ। মহাপ্রভুর কাশী বিশ্বনাথ দর্শন, অন্নপূর্ণা দেবীর দর্শন, মনি কর্নিকা ঘাট,প্রয়াগ ত্রিবেণী প্রভৃতি তীর্থস্থান দর্শন কিছুদিন আগে করেছি।সব মনে পড়ছে আপনার অপূর্ব লেখার বর্ণনায়।ব্রজ ধাম এর বর্ণনা র অপেক্ষায় থাকলাম। স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteযত পড়ছি ততই ভালো লাগছে। প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteআমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রত্যেকটি পর্বে নতুন নতুন তথ্য জানতে পারছি।
🙏🙏🙏প্রণাম গুরুজী🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏 মহাপ্রভুর তীর্থ দর্শনের বর্ননা অত্যন্ত মনোরম।🙏
ReplyDeletePorbo 23
DeleteKhub sundor.khub valo lage.pronam Maharaj . khub valo thakben.
ReplyDeleteচৈতন্য মহাপ্রভুর এই জীবনমূলক বর্ণনা পড়তে খুব ভালো লাগে মহারাজ। কিন্তু এক একটা পর্ব অনেকদিন বাদে বাদে আসে।
ReplyDeleteআমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
প্রণাম গুরুদেব 🌷🌷🙏🙏মহাপ্রভু সমন্ধে অনেক অজানা তথ্য আপনার থেকে জানছি।☘️☘️🙏🙏🌷🌷
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ । ভগবান শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে বসে আমরাও কতো তীর্থ দর্শন করছি। আপনার কৃপায় ধারাবাহিক ভাবে কতো না জানা কথা জানতে পারছি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
মহাপ্রভূর কথা শুনতে পেরে ধন্য হচ্ছি ।এরপরের কথা শোনার অপেক্ষায় থাকলাম । জয় মহাপ্রভূ 🙏🙏🙏।স্মৃতি রেখা গোস্বামী ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহাপ্রভু ৷আমাদের মহারাজজীর জন্যই আপনার ভক্তি ও প্রেমময় জীবন কাহিনী জানতে পারছি ৷সীমা আচার্য বারাণসী ৷🙏🙏
ReplyDeleteখুব আনন্দ হচ্ছে, পড়ে, মহারাজ আপনার অপূর্ব বর্ননার খেয়া ধরে আমি ও স্বয়ং মহাপ্রভুর সাথে যেন মানস ভ্রমণ করছি এই রূপ অনুভুতি ই হল।আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন ।🙏🙏। অর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏
ReplyDeleteজয় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর🙏যত জানছি তত ভালো লাগছে🙏🙏🙏
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম মহারাজ জী🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Joy sri Chaitanya Mahapravu r joy joy Thakur joy amader parama priya Acharya Deva amader parama priya Maharaj 🙏🙏🌷☘️
ReplyDeleteShree chaitanya dever bishaye jata janchhi tatai bhalo lagchhe. Aro janar protikshyay roilam. Pronam neben. Krishnadey, jamshedpur.
ReplyDeleteপরিষ্কার ঝকঝকে ছবি ও মহাপ্রভুর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিচরণের বর্ণনা পাঠ করে অভিভূত হচ্ছি। তাঁর জীবনের সীমিত ঘটনা আমাদের জানা ছিল।। আপনার লেখা blog আমাদের অতি মূল্যবান একটি সম্পদ হয়ে রইল মহারাজ। আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই 🙏🏻🙏🏻🙏🏻। সুস্থ থাকুন এই প্রার্থনা জানাই মায়ের কাছে।🙏🙏🙏
ReplyDeleteBulu Mukherjee Alipore
ReplyDeleteApurba laglo mon vhore galo.
ReplyDeletePranam Maharaj. 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
24 পর্বের আশা তে রইলাম 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteইন্দ্রানী ব্যানার্জী বালিগঞ্জ
ReplyDeleteগবেষণা মূলক প্রবন্ধ, পড়ে সমৃদ্ধ হলাম।প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteমনোরঞ্জন ঘোষাল ঝাড়গ্রাম।
খুব সুন্দর প্রাঞ্জল ভাষায় মহাপ্রভুর ঈশ্বর-ভক্তি ও তীর্থযাত্রার বিবরণ পড়ে অনেক কিছু জানতে পারছি। অপেক্ষা করে থাকি পরবর্তী পর্বের জন্য। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহাপ্রভুর সম্বন্ধে এত কিছু জানতে পেরে মনটা ভীষন তৃপ্তি লাভ করছে🙏🙏। মহারাজের এই আকুল প্রচেষ্টা শুধু মানুষ জন দের জন্য এত কিছু ভাবা এবং তা কার্যে রূপ দেওয়া, নিজের জীবন টাই যেন মূল্যবান হয়ে উঠছে আমাদের 🙏🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ
DeletePronam Maharaj, Aapnar Chaitanya Mahaprabhu Bhromon er Kahini pore khub bhalo laglo.
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগলো মহাপ্রভুর জীবনের অনেক অজানাকে জানতে পারলাম।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteChaitanya mahaprabhu porchi ebong khub bhalo lagche onek kichu jante parchi...maharaj pronam janai🙏💐🌺
ReplyDeleteDeepa sarkar Howrah
প্রণাম জানাই মহারাজ খুব ভালো লাগছে চৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে শতকোটি প্রণাম জানাই দীপা সরকার হাওড়া
ReplyDeletePronam Maharaj.aponar ei lekhatukur apekhkha kori.khoob valo laglo.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 খুব ভালো লাগে আপনার লেখা মহাপ্রভুর জীবনের কথা পড়তে, এবার একটু দেরী হয়ে গেল পড়তে,পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম 🙏
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী Texas
অপূর্ব সুন্দর লেখনী। পরিব্রাজক অবস্থায় মহাপ্রভুর তীর্থ ভ্রমন মানস চোখে ফুটে উঠল। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। মহারাজকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteস্বপ্না রায় রাজারহাট
Pronam Moharaj sree chayitanya moha pravu kotha jante perlam porer periods gulo janar opekshai roilam
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগছে আত্ম জ্যোতি । শ্রী চৈতন্য মহা প্রভুর বিষয় অনেক কিছু জানতে পারছি ।খুবই আনন্দ পাচ্ছি । আমাদের প্রিয় মহারাজ অতি ভাগ্য করে পেয়েছি । মহারাজ আপনি ভালো থাকবেন ।ঠাকুর , মা , স্বামীজীর নিকট এটাই প্রার্থণা করছি । প্রণাম বাবা ।
ReplyDeleteভীষন ভীষন ভালো লাগছে চৈতন্য মহাপ্রভুর কতো না জানা তথ্য জানতে পারছি। সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteসুজাতা দাস।হাওড়া
pronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteBhalo laglo pore maharaj.🙏
ReplyDeleteচৈতন্য মহাপ্রভুর তীর্থ যাত্রা সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে। জয় মহাপ্রভু প্রনাম🙏🙏 🌻🌻
ReplyDeleteআমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🌻🌻
অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ চৈতন্য দেবের তীর্থ যাত্রার অনেক তথ্য জানলাম।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো । চৈতন্যদেবের তীর্থ যাত্রা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারছি। মহারাজ, সশ্রদ্ধ প্রনাম।
ReplyDeleteসমরেন্দ্র প্রসাদ ঘোষ, তুফানগঞ্জ, কোচবিহার ।