ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
পর্ব-২০
তীর্থ যাত্রা পিছিয়ে গেল
শ্রীচৈতন্যদেব এবার
কাশী, প্রয়াগ, বৃন্দাবন প্রভৃতি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের তীর্থ দর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
ভক্তগণ এই ইচ্ছার কথা জানতে পেরে একটু চিন্তিত হয়ে পড়লেন। রামানন্দ ও সার্বভৌম মহাপ্রভুকে
শীতকাল কাটিয়ে যেতে অনুরোধ করলেন। শীতকাল কাটলে দোলযাত্রার পর যেতে অনুরোধ করলেন। এরপর
প্রার্থনা করেন রথযাত্রার পর যেতে। কারণ রথের সময় গৌড়ীয় ভক্তরা আসবেন। সকলে মিলে খুব
আনন্দ হবে। দেখতে দেখতে রথযাত্রা এসে গেল।
রথযাত্রা
যথা সময়ে অদ্বৈতাচার্য
ও নিত্যানন্দ ভক্তদের নিয়ে পুরীতে উপস্থিত
হলেন। সারা পথ হরিনাম সংকীর্তন করতে করতে এসেছেন। এবারে কিছু গৃহী ভক্ত বেশি এসেছেন।
চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্য বাংলা থেকে নানা প্রকারের খাদ্য দ্রব্য বড় বড় বোঝা ভর্তি করে
এনেছেন। গত বছরের মতো এবারেও সকলে রথের আগে গুণ্ডিচা বাড়ি পরিষ্কার করা ইত্যাদি খুব
সানন্দে করলেন।
গত বছরের মতো এবারেও মহানন্দে রথ, ঝুলন, জন্মাষ্টমী, দুর্গা পূজা, কালীপূজা রাসযাত্রা বেশ আনন্দেই কাটল।
রথের পর চার মাস গৌড়ীয় ভক্তরা
পুরীতে বাস করে ছিলেন। এবার সকলের ফিরে যাওয়ার পালা। বিদায়ের সময় মহাপ্রভু নিত্যানন্দের
গলা জড়িয়ে চোখের জলে বলেন , 'প্রভুপাদ, আপনি এত কষ্ট করে প্রতি বছর এত দূরে আসবেন না।
বরং গৌড়ে থেকে হরিনাম প্রচার করুন।' নিত্যানন্দ প্রভুর একান্ত ইচ্ছা মহাপ্রভুর সঙ্গলাভ। অগত্যা, অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিত্যানন্দ প্রভু গৌড়ে ফিরে এলেন। এখানে থেকে ভগবৎ ভাব প্রচার করতে থাকেন।
বিদ্যানিধি
চৈতন্যদেব কিছু ভক্তদের
নিয়ে পুরীতে বাস করতে লাগলেন। মহাপ্রভুর ভক্ত পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি সঙ্গ লাভের আশায়
কিছু কাল পুরীতে থাকলেন। বিদ্যানিধি অত্যন্ত বিদ্বান ও বুদ্ধিমান এবং ধন ঐশ্বর্যের
অভাব ছিল না। লোকে তাকে বিষয়ী লোক বলেই মনে
করতেন। তার ভেতরে যে ভক্তি ভাব রয়েছে, এটা বিশেষ কেউ বুঝতে পারত না। কিন্তু চৈতন্যদেব
সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাঁর অন্তর দেখতে পেতেন ও তাই বিদ্যানিধিকে বিশেষ ভালোবাসতেন।
একদিন
ভক্তদের নিয়ে মহাপ্রভু হাজির হলেন বিদ্যানিধির বাড়িতে। বিদ্যানিধি অপ্রত্যাশিত আনন্দে
পরম সমাদরে অভ্যর্থনা করে ভেতরে নিয়ে গেলেন। বেশ সাজানো গোছানো ঘর। ঐশ্বর্য আড়ম্বর
চোখে পড়ার মতো। ভক্তেরা ভাবতে থাকেন, কেন মহাপ্রভু এমন বিষয়ী মানুষের কাছে এলেন? চৈতন্যদেব
আনন্দিত চিত্তে বিদ্যানিধির সংগে আলাপ আলোচনা শুরু করলেন। ঈশ্বরীয় কথা শুরু হতেই বিদ্যানিধির
মধ্যে ভাবান্তর দেখা গেল। মন অন্তর্মুখী হতে লাগল। ক্রমে তাঁর অন্তরের লুকনো ভাব-ভক্তি
চোখে মুখে ফুটে বেরুতে লাগল। প্রেম ও ভক্তির গভীর তত্ত্বকথা শুরু হল। মহাপ্রভুর নির্দেশে
শুরু হল উচ্চ ভাবের গান। সুমধুর সঙ্গীতে বিদ্যানিধির ভাব সমুদ্র উথলে উঠল।
নিজেকে আর
সামলাতে না পেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। গড়াগড়ি দিতে লাগলেন। শরীরে সাত্ত্বিক বিকার
দেখা দিতে লাগল। অশ্রু,পুলক কম্প ইত্যাদি যেমন শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, সে সব লক্ষণ
দেখা দিতে লাগল। মূল্যবান পোশাক, বেশভূষা ধুলোয় মিশে গেল। তাঁর সেই প্রেমঘন মূর্তি
দেখে ভক্তরা অবাক হলেন। তাঁর বিষয়ী রূপের আড়ালে যে এমন প্রেম ভক্তির ফল্গুধারা রয়েছে কে জানতো? এই ঘটনা জানার পর থেকে নবদ্বীপের
ভক্তরাও বিদ্যানিধিকে খুব শ্রদ্ধা করতেন।
যাহোক, চাতুর্মাস্য
কেটে গেল। মহাপ্রভু তীর্থযাত্রার কথা তুললেন। কিন্তু অন্তরঙ্গ ভক্ত রামানন্দ এ বছরেও
পুরী থেকে মহাপ্রভুকে যেতে দিলেন না। নানা আপত্তি দেখিয়ে কাকুতি মিনতি করতে লাগলেন।
এই ভাবে মাসের পর মাস কেটে গেল। শীত কাল চলে গেল, বসন্তও চলে গেল। আগের আগের বছরের মতো
এবছরও রথের আয়োজন হল। গৌড়ীয় ভক্তেরা আগের মতো আনন্দে পুরীতে এসে রথ যাত্রায় সামিল হলেন।
মহা সমারোহে রথ শেষ হল।
এবার কিন্তু চৈতন্যদেব গৌড়ীয় ভক্তদের চাতুর্মাস্যের জন্য আর
পুরীতে থাকার অনুমতি দিলেন না। রথের পরেই দেশে পাঠিয়ে দিলেন। আর বললেন খুব শীঘ্রই তিনি উত্তর-পশ্চিমে তীর্থ দর্শনে যাবেন। এবং যাত্রা পথে
বঙ্গদেশে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে দেখা হবে। এই ভাবে মহাপ্রভু গৌড়ীয় ভক্তরা, যারা রথের জন্য
পুরী এসে ছিলেন সবাইকে বিদায় দিলেন।
তীর্থ যাত্রা
এবার তিনি তীর্থে যাবেন জানতে পেরে সার্বভৌম ও রামানন্দ
বর্ষার পরে যেতে অনুরোধ করলেন। এবারে কোন অনুরোধ তিনি শুনলেন না। গত দু বছর ধরে চেষ্টা
করেও তীর্থ যাত্রা করতে পারছেন না। তাছাড়া মহাপ্রভুর ইচ্ছা তিনি জন্মভূমিতে আসবেন ও
তারপর তীর্থযাত্রা করবেন। এই অভিপ্রায় জেনে রামানন্দ বা সার্বভৌম বাধা দেওয়া সঙ্গত বলে মনে করলেন না। বর্ষাকালে মাটির রাস্তায় পথ চলা খুবই কষ্টকর তাই অনুরোধ করলেন বর্ষা
কাটিয়ে যেতে।িয়ে
দেখতে দেখতে নবরাত্রি
এসে গেল। বিজয়া দশমীতে মায়ের বীর সন্তান গর্ভধারিণীর
জন্য মহাপ্রসাদ ও মালা চন্দনাদি নিয়ে যাত্রা করলেন বঙ্গদেশের উদ্দেশে। শ্রীজগন্নাথদেবের
আশীর্বাদ নিয়ে জননী ও জাহ্নবী দর্শনে চললেন।
কটকে
পরমানন্দ স্বামী, দামোদর,
সার্বভৌম, বক্রেশ্বর, জগদানন্দ, মুকুন্দ,গোবিন্দ, হরিদাস,কাশীশ্বর প্রভৃতি অন্তরঙ্গ
ভক্তদের সঙ্গে নিয়ে চললেন কটকের পথে। রামানন্দ অনভ্যাস বশত হাঁটতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে তিনি একটি
পালকি নিয়ে পেছনে পেছনে চললেন। পথে নানা তীর্থ দর্শন করতে করতে চললেন। মাঝে স্থানে স্থানে বিশ্রাম নিয়ে ক্রমে হাজির হলেন কটকে। শহর থেকে একটু দূরে বেশ মনোরম একটি বাগানে
বকুল গাছের তলায় সকলে বিশ্রাম করলেন।
এক ভক্তিমান ব্রাহ্মণ সমাদর করে সকলের ‘ভিক্ষা’র ব্যবস্থা করলেন। ভিক্ষা গ্রহণের
পর মহাপ্রভু বকুল গাছের তলায় বিশ্রাম করছেন এমন সময়ে রাজা প্রতাপরুদ্র লোকজন নিয়ে উপস্থিত।
মহাপ্রভুকে ভক্তি ভরে প্রণাম নিবেদন করলেন। রাজাকে দেখে মহাপ্রভু খুবই আনন্দিত হলেন
ও সমাদর করে বসালেন। কুশল বিনিময়ের পর অনেকক্ষণ ধরে ভগবৎপ্রসঙ্গ হল। রাজা অনুরোধ করলেন
এই গাছ তলায় না থেকে অন্যত্র ভালো জায়গায় গিয়ে থাকতে। কিন্তু চৈতন্যদেব অন্য কোথাও
যেতে রাজি হলেন না।
অগত্যা রাজা মহাপ্রভুর
বঙ্গদেশে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে ঘর তৈরি করে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে রাখতে রাজ
কর্মচারীদের নির্দেশ দিলেন। যাতে ওই সব স্থানে মহাপ্রভু বিশ্রাম গ্রহণ করে অগ্রসর হতে
পারেন।
কটক শহরের তোরণগুলি নতুন কাপড়, মালা, পতাকা দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হল। চৈতন্যদেব যখন তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে
কটক ছেড়ে এগিয়ে চললেন তখন তাঁদের দর্শন করার জন্য রাস্তার দু' দিকে বহু লোক লাইন দিয়ে
এসে দাঁড়াল। এমনকি রাজ পরিবারের মহিলারা এই দৃশ্য দেখার জন্য হাতির উপরে তাঁবু খাটিয়ে রাস্তায় এসে হাজির
হলেন। মহাপ্রভু এগিয়ে চললেন। পুরীর ভক্তরা যারা সঙ্গে গিয়েছিলেন এখান থেকে ফিরে এলেন।
মুকুন্দ, গোবিন্দ, বক্রেশ্বর প্রভৃতি কয়েকজন সঙ্গে সঙ্গে চললেন। রাজার আদেশ মতো রামানন্দ,
মঙ্গরাজ ও হরিচন্দন রাস্তার তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নিয়ে চললেন।
যাজপুরে
কটক থেকে যাত্রা করে
মহানদী পেরিয়ে ক্রমে যাজপুরে উপস্থিত হলেন। এখান থেকে মঙ্গরাজ ও হরিচন্দনকে ফিরে যেতে
বললেন। আর কিছুটা অগ্রসর হয়ে রেমুনাতে এসে রামানন্দকে ফিরে যেতে বললেন। রামানন্দের ইচ্ছা
ছিল না, কিন্তু বার বার অনুরোধ করায় অবশেষে বিদায় নিতে বাধ্য হলেন। বিদায়ের সময় মহাপ্রভুর চরণ
বন্দনা করে, চোখের জল মুছে রামানন্দ প্রার্থনা করলেন – 'শীঘ্রই যেন আবার দর্শন পাই'।
এই ভাবে ক্রমে ওড়িশার সীমান্তে হাজির হলেন সন্ন্যাসী শিরোমণি। এরপর নদীর অপর পার থেকে মুসলমান শাসকের অধিকার। তাদের সঙ্গে ওড়িশার খুব
সখ্য ভাব ছিল না। কাজেই ওই সব স্থানে যাওয়া বেশ ভয়ের ছিল। তাই কিছুদিন পূর্ব নির্মিত গৃহে
সকলে একটু বিশ্রাম নিলেন। মহাপ্রভুর কথা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ল। যার ফলে দলে দলে লোক সেখানে
এসে মহাপ্রভুকে দর্শন করতে লাগল। নিত্য ভজন কীর্তনে বেশ উৎসবের রূপ নিল।
এদিকে ওই স্থানে মুসলমান
শাসনকর্তার একজন গুপ্তচর বাস করতেন। তিনি এই সন্ন্যাসী ও তার সঙ্গীদের সব খবর মনিবকে দিতে থাকেন। সন্ন্যাসীর অলৌকিক ভাব ভক্তির কথা জানতে পারলেন। মুসলমান হলেও তাঁর অন্তরে
হিন্দুধর্ম ও সাধু সন্ন্যাসীদের প্রতি শ্রদ্ধাভক্তি ছিল। চৈতন্যদেবের খবর পেয়ে তিনি
ওড়িশার রাজপ্রতিনিধির কাছে দূত পাঠালেন এই অনুমতি প্রার্থনা করে যে, তিনি নিজে মহাপ্রভুকে
দর্শন করতে আসতে চান। ওড়িশার রাজপ্রতিনিধি চৈতন্যদেবের সঙ্গে এই বিষয়ে পরামর্শ করে
দূত দিয়ে খবর পাঠালেন যা, 'তিনি যদি অস্ত্রহীন হয়ে মাত্র পাঁচ সাতজন লোক নিয়ে দেখা করতে
আসেন, আসতে পারেন'।
সেই মত ধার্মিক মুসলমান ভক্ত নানা উপহার সামগ্রী নিয়ে চৈতন্যদেবকে
দর্শন করতে আসেন। চৈতন্যদেব সসম্মানে তাকে গ্রহণ করেন ও বসে আলাপ করেন। অনেক সময় ধরে
ধর্মীয় প্রসঙ্গ চলতে থাকে। মহাপ্রভুর মুখে উদার ধর্মতত্ত্ব শুনে তিনি খুবই মুগ্ধ হন।
বার বার অভিবাদন করে হৃদয়ের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। উভয়ের মধ্যে গভীর হৃদ্যতা জন্মায়। চলে আসার সময় ওড়িশার রাজপ্রতিনিধিকে জানিয়ে আসেন
যে মহাপ্রভুর যাত্রা পথের সমস্ত ব্যবস্থা তিনি করবেন। কোন অসুবিধা যাতে না হয় তার ব্যবস্থা
করবেন। নিজে সৈন্যদের দিয়ে নৌকো করে সকলকে
নিরাপদে পার করেও দেবেন, এ কথাও বলেন।
কথা মত নির্দিষ্ট সময়ে
ঐ মুসলমান ভক্তের পাঠানো নৌকোয় মহাপ্রভু সঙ্গীদের নিয়ে ভগবানের নাম স্মরণ করে রওনা
হলেন। ভক্ত নিজেও দশ নৌকা সৈন্য নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে দুর্গম ও বিপদ সঙ্কুল নদী পথ
পার করে দিলেন।
আগেই বলা হয়েছে, মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে
নিত্যানন্দ প্রভু বঙ্গদেশে থেকে বিভিন্ন স্থানে ভগবৎ প্রেম প্রচার করছিলেন। বিশেষ
করে বাংলায় ওই সময় সুবর্ণবণিক ব্যবসায়ীরা বৈশ্য সম্প্রদায় ভুক্ত ও তারা আচার ব্যবহারে
অনেক উন্নত হলেও তাদের সামাজিক মর্যাদা ছিল না। নিত্যানন্দ প্রভু তাদের মধ্যে ভক্তির
প্রচার করেন। তাঁর প্রেরণায় শ্রেষ্ঠিদের অর্থ সাহায্যে মন্দির প্রতিষ্ঠা, সাধু
সেবা, দীন দরিদ্রের সেবা, সংকীর্তন মহোৎসব প্রভৃতি ভালো কাজে ব্যয়িত হওয়ার সুযোগ হয়।
নিত্যানন্দ এই ভাবে নানা স্থানে ঘুরে ঘুরে ধর্ম প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন।
এদিকে এত বছর পর নিমাই
আবার নদীয়াতে আসছেন এই কথা শুনে দেশের লোক তাঁকে দর্শন করার আশায় উৎগ্রীব হয়ে রয়েছেন।
অদ্বৈত আচার্য ও শ্রীবাস প্রভৃতি ভক্তরাও অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করতে থাকেন। নিত্যানন্দ
প্রভুপাদও মহাপ্রভুর দর্শনের আশায় দিন গুণতে থাকেন।
পানিহাটীতে
মহাপ্রভু নৌকা যোগে
পানিহাটীতে আসেন বলে জানা যায়। কারণ দেশের মধ্যে তখন বিশৃঙ্খলা ছিল, সম্ভবত সেই কারণে
জলপথ নিরাপদ বলে ওই পথেই এসে ছিলেন। নিত্যানন্দ
ও ভক্তদের সঙ্গে মিলিত হয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন।
আগের মত কীর্তন ও নৃত্যগীতে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন সকলে। যেখানেই যান মানুষের ভীড়।
মহাপ্রভুর শ্রীমুখের দুটি কথা শোনার জন্য মানুষ ব্যাকুল হয়ে থাকে।ধন্য পানিহাটীর মাটি,
যে মাটিতে আজও মিশে আছে মহাপ্রভুর শ্রীপদ আনন্দ-রজ। পরবর্তী সময়ে আর এক মহাপুরুষের
পাদস্পর্শে যা পুণ্য হয়েছে ধন্য হয়েছে।
শ্রীবাস পণ্ডিত তখন
বাস করতেন কুমারহট্টে। বর্তমানে যা হালিশহর নামে পরিচিত। পাল বংশের রাজা কুমার পালের নামে 'কুমারহট্ট' নাম রাখা হয়েছিল। পরে মুসলমান শাসনের সময় নাম পরিবর্তন হয়। যা হোক, চৈতন্যদেব শ্রীবাসের
গৃহে হাজির হলেন। শ্রীবাস সংসারী হলেও এক রকম সন্ন্যাসীর মত থাকতেন। তেমন অর্থ উপার্জন করতেন না। খুবই দরিদ্র অবস্থা। ওই অবস্থা দেখে মহাপ্রভু তাকে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা
করতে বলেন। তাতে শ্রীবাস হাসতে হাসতে তিন বার হাত তালি দিয়েছিলেন। এক, দুই, তিন। এর কী অর্থ।
শ্রীবাস নিজে বলেন - 'এক, দুই, তিন দিনের উপবাসের
পর যদি কিছু না জোটে গঙ্গাজল পান করব। কিন্তু ভগবানের পাদপদ্ম ত্যাগ করে অর্থের চিন্তা
করতে পারব না'। এর জন্য তাঁর বিন্দু মাত্র চিন্তা নেই। তাঁর অসাধারণ ত্যাগ, তিতিক্ষা
ও ঈশ্বর নির্ভরতার কথা শুনে মহাপ্রভু খুবই প্রসন্ন হলেন। তিনি তাঁকে আশ্বাস দিয়ে বললেন এমন
ভক্তের ভার ভগবান নিজেই বহন করেন।
শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরীজীর
জন্ম স্থান ছিল কুমারহট্ট।গুরুদেবের জন্মস্থান পবিত্র তীর্থজ্ঞানে তিনি দর্শন করতে
যান। ভক্তি ভরে দর্শন করে খানিকটা পবিত্র মাটি তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন।
কুমারহট্ট থেকে চৈতন্যদেব
আসেন কাঁচড়াপাড়ায়। ভক্ত শিবানন্দ সেন তাঁকে সমাদর করে নিয়ে আসেন। শিবানন্দের দীর্ঘ
দিনের আশা মহাপ্রভুর সেবা করেন। আজ সেই প্রার্থনা পূর্ণ হয়েছে। মনুষ্য জীবন সার্থক
ও ধন্য হয়েছে। এক রাত্রি এখানে ছিলেন। এর পর বাসুদেব দত্তের গৃহে পদার্পণ করেন। বাসুদেব
দত্ত ছিলেন এমন ভক্ত যিনি ব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবের পাপ নিজে গ্রহণ করে সকলের মুক্তির
প্রার্থনা করেছিলেন। এখান থেকে মহাপ্রভু বাসুদেব সার্বভৌমের ভাই বিদ্যাবাচস্পতি মহাশয়ের
বাড়িতে যান। যেখানেই যান মানুষের ভীড়।দিনে দিনে এমন অবস্থা হল যে বাচস্পতির বাড়ির লোকের পক্ষে থাকা
দায় হয়ে ঊঠল।
কুলিয়া গ্রামে
অবশেষে কুলিয়া গ্রামে
মাধবদাস নামে জনৈক অবস্থাপন্ন ভক্তের বাড়িতে গোপনে মহাপ্রভুকে নিয়ে আসা হয়। কথা কিন্তু গোপন থাকল না। ভক্তরা জানতে পেরে সকলে কুলিয়াতে ছুটে আসেন। বিরাট জনস্রোত
মাধব দাসের বাড়ির দিকে ছুটল। মাধব দাসের বাড়িতে বেশ অনেক বড় উঠোন ছিল। সেখানে পরমানন্দে
সংকীর্তনে মাতলেন সকলে। হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে মেলার রূপ নিল। মহাপ্রভু কুলিয়াতে
সাত দিন ছিলেন। নিত্য উৎসব লেগেই থাকত। সংসারতাপে দগ্ধ কত যে মানুষ তাঁর কাছে এসে শান্তির
সন্ধান পেতেন সে কথা বলার নয়। মহাপ্রভুর অপূর্ব ভাব আর প্রেমের অপরূপ মূর্তি দর্শন
করে সকলে মোহিত হতেন। প্রত্যহ এত মানুষ আসতেন যে, সেই জনস্রোত সামাল দিতে মাধব দাসকে হিমসিম খেতে হত। ধীরে
ধীরে মহাপ্রভুর আগমন বার্তা নবদ্বীপেও এসে পৌঁছল।
------ ক্রমশ
খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের কথা এত পুঙ্খানুপু হবে জানতে পারছি আপনার মতন সাধু সঙ্গ করতে পারছি বলে আপনি আমাদের আত্মজ্ঞান লাভ করার পথ করে দিচ্ছে, সাধুসঙ্গ অতি দুর্লভ আপনার মতন সাধু সঙ্গ করতে পারছি এ আমাদের পরম পাওয়া প্রণাম শিক্ষাগুরুদের শিখা মন্ডল বজ বজ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো
Deleteভীষণ ভীষণ ভালো লাগল মহারাজ। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়ছিলাম। মহাপ্রভু সম্পর্কে কত না জানা বিষয় জানলাম। প্রণাম নেবেন আমার। 🙏 স্বস্তিকা ভট্টাচার্য। নিউ আলিপুর। কলকাতা।
DeleteKhub valo lagche maharaj pranaam neben,
Deleteজয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ 🙏।
মৌসুমী রায় কোচবিহার
মহাপ্রভুর অপূর্ব কাহিনী খুব সুন্দর আর বিশদ ভাবে পরিবেশন করছেন।খুব ভালো লাগছে অজানাকে জানতে।খুব ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। 👏💐
ReplyDeleteরুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
মহাপ্রভুর কাহিনী পড়ে খুব ভালো লাগলো । প্রণাম মহারাজ জী। ইতু দত্ত ।
ReplyDeleteJay Shree Chaitnny Mahaprabhu 🙏
DeleteAsadharon laglo pronam maharaj ji Aparna Roy chowdury Delhi
ReplyDelete,🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর জীবনের কাহিনী পড়তে ভীষণ ভালো লাগছে। আপনার এত সহজ সরল ভাষায় বর্ণনার জন্য আমাদেরও বুঝতে সুবিধা হচ্ছে। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছে আর একটু বেশি যদি পড়তে পারতাম। কিন্তু যেহেতু ধারাবাহিক রচনা তাই থামতেই হবে। আপনার লেখনী আমাদের সকলকে ঋদ্ধ করছে। আমরাও যেন নিজেদের জীবনে মহাপ্রভুর বাণী প্রয়োগ করতে পারি এই প্রার্থণা করি দিব্য ত্রয়ীর কাছে।
মহারাজ আপনার অক্লান্ত আন্তরিক প্রয়াসের জন্য আমরাও চিরকৃতজ্ঞ।
আপনি সুস্থ থাকবেন মহারাজ।
খুব ভাল লাগছে মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যের জীবন কাহিনী।আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম।
ReplyDeleteঅপূর্ব। মহাপ্রভূর জীবন কাহিনী বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি। সমৃদ্ধ হচ্ছি।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী। দুবাই
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ🙏প্রনাম নেবেন🙏
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী , রামপুরহাট
অসাধারন লাগছে মহাপ্রভুর ধারাবাহিক ভাবে রচনা পড়তে।জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏
ReplyDelete🙏🏻Mahaprabhu r Shree padopodmey vaktivora pranam nibedon kori🌻🍀🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🍀🙏🏻. Maharajii, Aponer Mahaprabhu r ajoobdi (21porbo)lekhonir madhyomey, amader ontordristi dwara koto Tirtho vraman korey nilam ebong Onakey gyato hoyey koto anondo onubhob korey dhonyo holam, ta obornoniyo👏🌹🌹🙏🏻🙏🏻. Sotokoti naman, Maharajii 🌹🌹🙏🏻🙏🏻.
ReplyDeleteখুব ভাল ব্যাখ্যা। খুব ভালো লাগছে পড়তে মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে । আরো অনেক কিছু জানার আশায় রইলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রণাম মহারাজ 🙏খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteMaharaj apnar lekhay Sri Chaitanya Mahapravu r apurba vakti lila kahi ni peye satyee dhanya hoyechi joy sri chaitanya Mahapravu r joy joy amader parama priya Maharaj Shampa Dhar Dum Dum Cantonment 🙏🌹
ReplyDeleteমহারাজ আমার প্রণাম নেবেন এমন মধুর লেখা পড়ে আনন্দে প্রাণ মন ভড়ে যায়। ইন্দ্রাণী কুণ্ডু।
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের জয়🙏🙏
ReplyDeleteআমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন মহারাজ।
খুব ভালো লাগছে
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
অপুর্ব লাগছে এই সব তথ্য, দিন দিন আকাক্ষা বেড়েই চলেছে। আপনি এ ভাবে নিরলস প্রচেষ্টা করে আমাদের এই সব জ্ঞান আহোরন করতে সাহায্য করছেন, আমরা ঠাকুর ও মায়ের কৃপাধন্য তাই আপনার মত আচার্য পেয়ে নিজেকে সৌভাগ্য বান মনে করছি।
ReplyDeleteপ্রণাম য়হারাজ জী 🙏 মহাপ্রযভুর জীবনী পড়ে খুব ভালো লাগছে,এই কুলিয়া কি পরবর্তী কালে ফুলিয়া হয়েছে? পরবর্তী পর্বে র অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
প্রণাম নেবেন মহারাজ। মহাপ্রভু সম্বন্ধে আপনার অপূর্ব তথ্য ও ঘটনা সহ অপূর্ব লেখা পড়ে খুবই সমৃদ্ধ হচ্ছি। মহাপ্রভুর ভক্তদের সম্বন্ধেও জানতে পারছি। যত পড়ছি আরো জানার আগ্রহ হচ্ছে। অপেক্ষায় থাকলাম মহার। 🙏🌹🙏
ReplyDelete🙏অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় বর্ণনা, খুব ভালো লাগছে মহারাজ 🙏
ReplyDeleteঅনেক পুন্য হলে এমন সাবলীল উপস্থাপনা উপভোগ তথা ভাবের গভীরতা আস্বাদন সম্ভব বলে নিজেকে ধন্য মনে করছি।জয় ঠাকুর, মা ও স্বামীজী।জয় আচার্য্য মহারাজ।
ReplyDeleteমদনমোহন বেজ।ব্যানডেল থেকে
খুব ভাল লাগলো আর মহা প্রভুর সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম
ReplyDeleteচৈতন্যদেবকে প্রনাম জানাই আর আপনার এই শুভ প্রোচেষটার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও প্রনাম জানাই
সুব্রত ঘোষাল
জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামিজী🙏🙏🙏পরম পূজনীয় মহারাজের চরণকমলে আভূমি ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই🙏 অসাধারণ রচনা আরও জানার অপেক্ষায় রইলাম 🙏
ReplyDeleteদীপা চৌধুরী আনদুল মৌড়ী হাওড়া🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব,আমরা ধন্য।🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼🙏🏼হাসি।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ । খুব ভালো লাগছে পড়তে।মন্ত্র মুগ্ধের মত পড়লাম । ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteচৈতন্য দেব সন্মধে অনেক কিছু জানতে পারছি সব ই মহারাজের কৃপিতে ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী জানতে পারছি আপনার সাবলিল লেখনীর দ্বারা।অশেষ ধন্যবাদ মহারাজ। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি মহারাজ। খুব ভালো থাকুন। সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। সুতপা দাশগুপ্ত।
ReplyDeleteখুব আগ্রহভরে পুরোটা পড়লাম। খুবই জানবার ছিল এটা। সবিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি।
ReplyDeleteখুব সুন্দর মহারাজ। আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo.Pranam Maharaj.
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.
অপূর্ব লাগছে পড়তে মহারাজ,এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম, ক্রমশঃ দেখে থামতে হলো।। কতকিছু জানছি আপনার কাছে মহারাজ। আপনার সাহচর্য পেয়ে আমরা ধন্য।আপনি খুব ভালো থাকুন আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম আপনার শ্রীচরনে🙏🙏 সুজাতা দাস।হাওড়া
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য দেবের জীবন কাহিনী এত সুন্দর সহজ সরল ভাষায় বর্ননা করে ছেন যে পড়তে খুবই ভালো লাগছে ।শ্রী চৈতন্য দেব সম্বন্ধে অনেক তথ্য জানলাম ও খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteআমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
রীতা দত্ত, kharagpur.
মূল্যবান তথ্য-সমৃদ্ধ...সুন্দর মনোগ্রাহিী!!
ReplyDelete🙏🙏🙏প্রনাম গুরুজী🙏🙏🙏
pronam neben Maharaj🙏🙏 valo lagchhe. koto nutan sab katha jante parchhi.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো ৷ মহাপ্রভুর শ্রী চরণে আভুমি প্রনাম নিবেদন। প্রনাম মহারাজ জীর শ্রীচরণে । রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া ৷
ReplyDeleteএত সহজ, সরল করে মহাপ্রভুর কথা জানতে পেরে আমরা ধন্য মহারাজ। মহাপ্রভুর কথা পড়তে শুরু করলে এক নিঃশ্বাসে পড়া হয়ে যায়। আপনার অশেষ কৃপায় কত কিছু যে আমরা জানতে পারছি মহারাজ। মহাপ্রভুর শ্রী চরণে
ReplyDeleteশত কোটি প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏 আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏
মহাপ্রভু ধারাবাহিক এর প্রতি টি পর্ব ই অসাধারণ, এতো সরল ভাষায় এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে
ReplyDeleteমুগ্ধ হতে হয়। এবং অনেক নতুন নতুন ঘটনা জানতে পারে মন আনন্দে পূর্ণ হয়ে যায়। জয় মহাপ্রভু 🙏🙏🌹আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🌹🌹
অপর্না দেওয়ানজী ,সুভাষ গ্রাম।
পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় থাকলাম। প্রনাম আচার্য দেব🙏🙏
ReplyDeleteঅপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
খুব খুব ভাল লাগছে অসাধারণ
ReplyDeleteমহাপ্রভু র কথা যতই পড়ছি, ততই যেন নুতন নুতন রুপে খুঁজে পাচ্ছি।,🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী।, 🙏🏼🙏🏼
প্রণাম মহারাজ ৷আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতায় মহাপ্রভুর সম্বন্ধে আরও বিভিন্ন বিষয়ে আমরা জানতে পারছি ৷ খুবই ভালো লাগছে ৷ ভালো থাকবেন আপনি ৷
Deleteমহাপ্রভুর সমন্ধে অনেক কিছু জেনে খুব সুন্দর লাগছে।
ReplyDeleteঅনেক কিছুই জানতাম না।একটু একটু করে জানার সুযোগ আপনি করে। দিয়েছেন আচার্য দেব। প্রণাম 🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু চৈতন্য দেবেন কথা পড়তে অনেক কিছু জানতে পারছি প্রণাম জানাই মহাপ্রভু শ্রী চরণে 🙏🙏প্রণাম জানাই মহারাজ জি কে 🙏🙏 দীপা সরকার হাওড়া কদমতলা
Deleteপ্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।বারে বারে পড়ে ও সাধ মিটছে না
ReplyDelete