ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
==================পর্ব-২০=================
পুরীতে রোজই আনন্দ উৎসব।
সারা বছর কিছু না কিছু উৎসব লেগেই থাকে। ঝুলন উৎসব হল। মদনমোহন বিগ্রহ সুন্দর করে সাজিয়ে
সকলে খুব আনন্দ করলেন। শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীও বেশ আনন্দেও আড়ম্বরে পালিত হল। পরদিন নন্দ উৎসবও বেশ ভালো
ভাবে হল। নন্দোৎসবের দিন ভক্ত পাণ্ডারা নন্দ ও গোপ-গোপী সেজে উৎসবে মেতে উঠলেন। চৈতন্যদেব
ও গৌড়ীয় ভক্তরা যোগ দেওয়ার ফলে এবারের উৎসব আরও জমে উঠেছিল। সেই থেকে রাজা প্রতাপরুদ্র ও মন্দিরের
প্রধান পাণ্ডা তুলসী পড়িছাও যোগ দিলেন। ফলে নৃত্য কীর্তন হাসি তামাশায় সকলে বেশ আনন্দ
করলেন। অদ্বৈতাচার্য হঠাৎ মজা করে বলে বসলেন – গোয়ালারা বিখ্যাত লাঠিয়াল, লাঠিখেলা দেখাতে না পারলে যথার্থ গোয়ালা হওয়া যায়
না। আচার্য মজা করে কথাটি বললেও, এর উদ্দেশ্য ও মনোভাব বুঝতে বাকি রইল না চৈতন্যদেবের।
তিনি নিত্যানন্দকে নিয়ে লাঠিখেলা দেখাতে লাগলেন। মহাপ্রভু বেশ কৌশলীর মতো খেলা দেখাচ্ছিলেন।
স্থানীয় ভক্তরা সেই অভিনব দৃশ্য দেখে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। যে মানুষ ভাবস্থ
অবস্থায় স্থির হয়ে ঠিক মতো দাঁড়াতে পারেন না, অথচ কী কৌশলে লাঠি খেলা খেলছেন! সন্ন্যাসী শিরোমণির আধ্যাত্মিক ও মানসিক শক্তির পাশাপাশি শারীরিক শক্তিও কম ছিল না।
জন্মাষ্টমী পালন
জন্মাষ্টমীর পর শ্রীজগন্নাথদেবকে
শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলার মতো নানা ভাবে সাজানো হয়। নান রকম পোশাকে সাজানো সেই অপূর্ব লীলামূর্তি দর্শনে সকলের খুব আনন্দ হয়েছিল ।
নবরাত্রি উৎসব
এই ভাবে দিন কাটতে লাগল। দেখতে দেখতে শারদীয়া দুর্গা পূজার সময় এসে গেল। সারা ভারতে ওই সময় নব রাত্রি
পালিত হয়। মহাশক্তি দেবী দুর্গার অর্চনা, চণ্ডীপাঠ, হোম বলিদান বহু প্রাচীন কাল থেকে
চলে আসছে। হিন্দু রাজারাও রাজ্যের শক্তি বৃদ্ধির জন্য দেবীর আরাধনা করতেন। চৈতন্য মহাপ্রভুর
সময়ে যে দেবী দুর্গার আরাধনা পুরীতে হত, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এখনও খুব ধুমধামের
সঙ্গে পুরীতে শারদীয় উৎসব হয়ে থাকে।
পুরীর অধিষ্ঠাত্রী বিমলা মায়ের মন্দিরে তখন বেশ
সমারোহে পুজো হত। নবরাত্রিতে পনেরো দিন ধরে বিমলাদেবীর মন্দিরে বিশেষ পুজো হয়। মহাষ্টমী
ও মহানবমীর রাত্রে মেষ বলি হয়। ঐ সময় শ্রীজগন্নাথ দেবের ছোট মূর্তি বিমলা মায়ের মন্দিরে
স্থাপন করা হয়। শ্রীজগন্নাথ দুর্গামাধব নামে পূজিত হন। বিজয়া দশমীর দিন ঐ মূর্তিকে পালকিতে
চড়িয়ে বাগানে নিয়ে গিয়ে বিজয় উৎসব পালন করা হয়। স্থানীয় ভক্তরা সকলে যে খুব আগ্রহের
সঙ্গে উৎসবে অংশ গ্রহণ করেন, বলা বাহুল্য।
কেউ কেউ মনে করেন চৈতন্যদেব
শক্তি আরাধনার বিরোধী ছিলেন। কিন্তু তা সত্য নয়। বিশেষ করে তিনি যখন তীর্থ ভ্রমণে গিয়েছিলেন
তখন বিষ্ণু মন্দিরের পাশাপাশি অনেক শক্তি মন্দির দর্শন করেছেন।
আচার্য পুরুষের কাছে
সমন্বয়ের কোন অভাব নেই, বিরোধীতা ইত্যাদি সাধারণ ভক্তের মধ্যে দেখা যায়।
কালী পুজো
সে যা হোক,
কালীপুজাতেও বিমলা মায়ের মন্দিরে বিশেষ সমারোহে পুজোর আয়োজন হল। রাস পূর্ণিমাতে চাতুর্মাস্য
পূর্ণ হল। মহাপ্রভু নিত্যনন্দের সঙ্গে কথা বলে স্থির করলেন, এবার গৌড়ীয় ভক্তরা যেন দেশে
ফিরে যায়। সেই মত মহাপ্রভু সকলকে জানিয়ে দিলেন যাতে সকলে দেশে ফিরে গিয়ে নিজ নিজ কাজে
মন দেন। সদ্ভাবে জীবন যাপন করেন ও ভগবানের নাম করেন। আবার সকলে মিলে রথের সময় যেন শ্রীক্ষেত্রে পুনরায় আনন্দে সামিল হন।
গৌড়ীয় ভক্তদের দেশে ফেরা
গৌড়ীয় ভক্তেরা সকলে
মহাপ্রভুর ইচ্ছা অনুসারে ফিরে যেতে সম্মত হলেন। কিন্তু যাওয়ার দিন সকলের চোখে জল। আনন্দের
হাট বসেছিল শ্রীভগবানকে নিয়ে এখন বিদায়ের কথায় সকলের অন্তর ব্যথিত। মায়িক সম্বন্ধহীন
বন্ধনের আকর্ষণ বড় কম নয়। মহাপ্রভু নিজেও চোখের জল সামলাতে পারলেন না। ভক্তগণ প্রেম
আলিঙ্গনে নিজেদের বিদায় নিলেন। নিত্যানন্দকে মহাপ্রভু গৌড়ে প্রচারের জন্য পাঠিয়ে দিলেন।
বিদায়ের জন্য একে একে
হাজির হলেন শ্রীখণ্ড নিবাসী ভক্ত মুকুন্দদাস, রঘুনন্দন ও নরহরি। চৈতন্য মহাপ্রভু মুকুন্দকে
অন্য ভক্তদের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন ইনি রাজবৈদ্য, মুসলমান রাজার চিকিৎসক।
মুকুন্দের প্রেমের নিদর্শন
মুকুন্দের প্রেম ভক্তি
কত দূর ছিল তা বোঝানোর জন্য একটি ঘটনা সকলের সামনে বলেন। একদিন ঐ মুসলমান রাজা সিংহাসনে
বসে রয়েছেন। তার কাছে আর একটি আসনে বসে মুকুন্দ চিকিৎসা বিষয়ে কিছু কথা বলছিলেন। এমন
সময় এক কর্মচারী ময়ূরপুচ্ছের পাখা নিয়ে রাজার মাথার উপর দোলাতে থাকেন। ময়ূরপুচ্ছ দেখে
হঠাৎ শ্রীকৃষ্ণের উদ্দীপন হয় মুকুন্দের। এবং ভাবে বিহ্বল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ করে
সকলের শুশ্রূষায় জ্ঞান ফিরে আসে।
একে একে সকলে বিদায়
নিয়ে যে যার জায়গায় ফিরে গেলেন। চৈতন্যদেবের বাল্যবন্ধু গদাধর পণ্ডিত আর গৌড়ে ফিরে
গেলেন না। তিনি বাল্যকাল থেকে ব্রহ্মচারী ছিলেন। সংসার ত্যাগ করে মহাপ্রভুর সান্নিধ্যে
পুরীতেই বাস করতে থাকেন। ভক্ত হরিদাসও আর বাংলায় ফিরে গেলেন না।
মহারাজ প্রতাপরুদ্র
চৈতন্যদেবকে খুবই শ্রদ্ধাভক্তি করতেন। এছাড়া পুরীর বিশিষ্ট লোকজন বা মন্দিরের কর্তৃপক্ষ
সকলেই মহাপ্রভুকে বিশেষ শ্রদ্ধা ভক্তি করতেন। বিশেষ করে দুজন তাঁর গুণমুগ্ধ ভক্ত, সার্বভৌম
ও রায় রামানন্দ খুবই সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন যাতে মহাপ্রভুর কোন অসুবিধা না হয়। তাদের
লক্ষ্য ছিল নিশ্চিন্ত মনে এই রকম মহাপুরুষ যতদিন থাকেন তীর্থের পক্ষে তা মঙ্গল।
মহাপ্রভু শ্রীক্ষেত্রে
মহাপ্রভুও মনের আনন্দে শ্রীক্ষেত্রে বাস করতেন। রোজ ভোর রাত্রে উঠে মন্দির দর্শনে যেতেন। শ্রীজগন্নাথদেবকে দর্শন,
প্রণাম ও স্তবপাঠ করে মন্দিরে কিছুক্ষণ থেকে হরিদাসের কুঠিয়াতে আসতেন। হরিদাসের সঙ্গে
কথাবার্তা বলে ফিরে আসতেন। এরপর সমুদ্রে স্নান করতে যেতেন। ভিক্ষায় বের হতেন এরপর।
কোন কোন দিন ভক্তরা কুঠিয়াতে ভিক্ষা নিয়ে আসতেন। কোন কোন দিন অনুগত ভক্তের আগ্রহে তাদের
গৃহে ভিক্ষা নিতেন। ভিক্ষা গ্রহণের পর খানিকটা সময় বিশ্রাম করতেন। এরপর শ্রীমদ্ভাগবতাদি
শাস্ত্রপাঠ শুনতেন। বিকালে ভক্তদের সঙ্গে ভজন কীর্তন করতেন। সন্ধ্যের দিকে কিছুটা সময়
সমুদ্রের তীরে বেড়াতে যেতেন। এরপর শ্রীজগন্নাথ দেবের সন্ধ্যারতি দর্শন করে কুঠিয়াতে
ফিরে আসতেন। রাত্রে খুব কমই খেতেন। ঘুমও ছিল সামান্য, ধ্যান-ধারণাতেই অধিকাংশ রাত কেটে
যেত।
যতদিন গৌড়ীয় ভক্তরা
পুরীতে ছিলেন, মহাপ্রভু তাদের থেকেই ভিক্ষা নিতেন। এখন তারা দেশে চলে যাওয়ায়, সার্বভৌম
অনুরোধ করেন তার গৃহে বরাবর ভিক্ষা গ্রহণ করতে। প্রত্যহ এক গৃহে ভিক্ষা গ্রহণ উচিত
নয় বলে তিনি রাজি হলেন না। অনেক অনুরোধের পর প্রতি মাসে পাঁচ দিন সার্বভৌমের গৃহে ভিক্ষা
নেবেন স্থির হল। কিন্তু সার্বভৌমের ইচ্ছা নিত্য সাধুসেবা করানো। সেই মত মহাপ্রভু মাসে
পাঁচ দিন, পরমানন্দজী পাঁচ দিন, দামোদর স্বরূপ চার দিন, আর বাকি আট জন সন্ন্যাসী ষোল দিন, এই ভাবে ত্রিশ দিন
ভাগ করা হল।
মহাপ্রভু কঠোর সন্ন্যাস
নিয়ম পালন করতেন। তখনকার দিনে মঠ, আশ্রম স্থাপন না করেও সাধুদের সাধন ভজনের জন্য গৃহী
ভক্তরা ত্যাগীদের থাকা খাওয়ার ভার নিজের থেকে নিতেন। ন্যাসিচূড়ামণি অন্যান্য সন্ন্যাসীদের
সঙ্গে নিয়ে মণ্ডলীতে থাকলেও কঠোর ত্যাগ ও ভিক্ষান্নে জীবন ধারণ করে প্রকৃত সন্ন্যাসের
আদর্শ স্থাপন করে গেছেন। নিজের সুখ সুবিধার দিকে কখনওই চিন্তা করতেন না।
সার্বভৌমের গৃহে ভিক্ষা
সার্বভৌমের গৃহে মহাপ্রভু
ভিক্ষা গ্রহণ করবেন, আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। মহাপ্রভু যথা সময়ে গৃহের সামনে ‘নারায়ণো হরি’ বলে ভিক্ষার জন্য দাঁড়ালেন। আনন্দে
মাতোয়ারা সার্বভৌম দম্পতি। সার্বভৌম গলবস্ত্র হয়ে শ্রদ্ধাভক্তি সহকারে ভেতরে নিয়ে
গেলেন ও আসনে যত্ন করে বসালেন। বাসুদেব গৃহিণী নানা রকমের খাবার তৈরি করে সুন্দর করে
সাজিয়ে মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন। নানা রকমের ভাল ভাল খাবার ও পরিমাণেও অনেক ছিল। মহাপ্রভু
এত খাবার দেখে লজ্জিত হলেন ও সার্বভৌমকে বললেন সামান্য কিছু রেখে বাকি সব তুলে নিতে।
কিন্তু তারা বার বার অনুরোধ করতে থাকেন। ভক্তের মনে কষ্ট দিতেও তিনি চান না। তাই অনুরোধ
করলেন, কোন কিছু নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। মহাপ্রভুর যা ইচ্ছা বা যত টুকু ইচ্ছা তিনি
গ্রহণ করুন। অগত্যা সুসজ্জিত নানা পদের থালার সামনে এসে মহাপ্রভু বসলেন ও কিছু কিছু
গ্রহণ করলেন।
নিন্দা-স্তুতি সমজ্ঞান
সার্বভৌমের জামাই অমোঘ
ভট্টাচার্য এই সময় ঘরে ঢুকলেন। তার কিন্তু চৈতন্যদেবের প্রতি কোন শ্রদ্ধা ছিল না। এত
খাবার দাবারের আয়োজন সন্ন্যাসীর জন্য দেখে তার আর মেজাজ ঠিক রইল না। উত্তেজিত হয়ে বলে
উঠল, “বাপরে, সন্ন্যাসীর এই আহার?”। হঠাৎ বাজ পড়ার মতো কথাটা শোনাল।
জামাইয়ের এই কথা সার্বভৌমের অন্তরকে বিদীর্ণ করল। এ কি অপমান! যাকে তারা প্রাণের থেকেও
বেশি ভালবাসেন তাঁকে বাড়িতে এনে অপমান। লজ্জা, ক্ষোভ ও দুঃখে সার্বভৌম ও গৃহিণীর প্রাণ
ফেটে যেতে লাগল। ব্রাহ্মণী মাথায় হাত চাপড়াতে চাপড়াতে বলতে লাগলেন এই রকম জামাই থাকার
চেয়ে, না থাকাই ভাল। আর সার্বভৌম লাঠি নিয়ে অমোঘকে তাড়া করল। ছুটে পালিয়ে গেল অমোঘ।
কাঁদতে কাঁদতে হাত জোড়
করে সার্বভৌম এলেন মহাপ্রভুর কাছে। কাতর ভাবে জামাইয়ের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইলেন।
চৈতন্যদেব একেবারে নির্বিকার। বরং তিনি হাসতে হাসতে বললেন, “অমোঘ ছেলে মানুষ, ওর কথা ধরতে নেই”। ভক্ত দম্পতিকে খুশী করতে তাঁদের
ইচ্ছা অনুসারে ভিক্ষা গ্রহণ করলেন। নিন্দা ও স্তুতিতে সমজ্ঞানই তো মহাপুরুষের লক্ষণ।
এর ঠিক পরদিন খবর এলো অমোঘ কলেরায় আক্রান্ত হয়েছে। অবস্থা খুব সঙ্কট জনক। বাড়ির বাইরে অন্যত্র এক রকম অসাড় হয়ে পড়ে আছে। কোন সেবাযত্ন হচ্ছে না। সার্বভৌম জামাইয়ের নামই শুনতে চান না, সেবা করা তো দূরের কথা। খবর জানতে পেরে তাড়াতাড়ি মহাপ্রভু হাজির হলেন অমোঘের কাছে। অমোঘকে মিষ্টি কথায় সান্ত্বনা দিয়ে তার শুশ্রূষা করতে লাগলেন। মহাপ্রভু লোক পাঠালেন সার্বভৌমকে নিয়ে আসার জন্য। সমস্ত অভিমান ভুলে প্রভুর আদেশ জ্ঞান করে তিনি হাজির হলেন। বুঝিয়ে সুঝিয়ে চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করে মহাপ্রভু কুঠিয়াতে ফিরে এলেন। তাঁর কৃপায় অমোঘ শীঘ্রই সেরে উঠল। এবং পরে তার মতিগতি বদলে গিয়ে মহাপ্রভুর একজন বিশেষ অনুগত ভক্তে পরিণত হয়েছিল।
----ক্রমশ
খুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বিস্তারিতভাবে এত কিছু জানতে পারছি মন প্রাণ ভরে যাচ্ছে আপনার মত শিক্ষাগুরু সান্নিধ্যে এসেছি বলে এত আধ্যাত্মিক জ্ঞান পাচ্ছি। আপনার শ্রী চরণে অনন্ত কোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeletePranam Prabhuji, sundar lekhani, Bhaktir abatar Mohaprabhu, sambandhe aro janar ichha jagche, anek kichu sikkha amra pelam, Sannyasi /Abatar kemon hon, kibhabe bhaktader Iswarer prati anurag jagan, amader sradhya jage emon sundar bhabe apni sab tathya tule dharechen, thanks with regards.
Delete🌺🍀🌺🍀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🍀🌺🍀🌺
জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয়🙏
Deleteশ্রদ্ধাপূর্ন প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
খুব ভালো লাগছে, কতো কিছু জানতে পারছি। আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন।
Deleteভক্তি পূর্ণ প্রণাম প্রভু 🙏🙏
DeleteJoto bar porchhi toto valo lagchhe. Pronam neben maharaj
Deleteজয় মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য দেবের জয়🌷💥🙏
ReplyDeleteপুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি।🌷💥🙏
" নিন্দা স্তুতিতে সমজ্ঞান ই তো মহাপুরুষের লক্ষ্মণ "-- অপূর্ব লাগছে মহারাজ ' ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য ' লেখাটি 🙏🏻
ReplyDeleteঅনন্ত শ্রদ্ধা ও প্রণাম মহারাজ
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
Bhison bhalo laglo .....kato ajana tathya jante parlam...bishesh kore Mahaprabhur ...lathi khela...aro anek natun tathya janlam....maharajjir kripay amra anek kichu jante parlam....aro
ReplyDeleteJanar apekhayachi....pranam maharajji🌹🙏🌹jaya choudhury...
Khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam Aparna Roy chowdury berhompur What's up ta
Deleteঅপূর্ব অপূর্ব অপূর্ব। মহারাজ আপনার আশ্রয়ে থেকে কত অজানা তথ্য আমরা জানতে পারছি। আমরা কৃতার্থ।
Deleteতৃপ্তি দত্ত শোভাবাজার
খুব ভাল লাগছে।মহারাজ। প্রণাম নেবেন।
Deleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏,প্রত্যেকটি পর্ব অপূর্ব, মনে হয় আমি ঐখানে পৌঁছে গেছি আর মহাপ্রভুর লীলা দর্শন করছি , অমোঘ এর মত মানুষ আজও আছে কিন্তু মহাপ্রভু কোথায়? তবে আপনার মধ্যে আমি মহাপ্রভু ই দর্শন করি তা না হলে এত নিখুঁত মহাপ্রভুর জীবনের ছবি বর্ননা সম্ভব হত না।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
খুব খুব ভালো লাগছে মহারাজ। আপনাকে যে কী বলব বুঝতে পারি না । আপনি খুব খুব ভালো থাকুন।প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteখুব খুব ভালো লাগছে মহারাজ ❤️ আপনি খুব ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন আমাদের জন্য ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।প্রত্যেকটি পর্ব অপূর্ব। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteMahaprabhu r Shree Choroney vaktivora pranam nibedon kori 🌻 🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Maharajji , Aponer ei 20th porber lekhoni porey Mahaprabhu r sombondhey kotokichu amader ojana tothyo janlam. Bisesh korey , Mahaprabhu r nindya-stuti r somogyan, ShreeKrishna er Janmashtami cum Saktir Aradhya Nabaratri o Kalipur samanyo, Sarbovoyom er grihey vikhya grohon etc. gyato hoyey khubei anondo bodh korchi, Maharajji 🙏🙏
ReplyDeleteকি অপূর্ব লাগলো পড়ে , কত অজানা তথ্য জানতে পারছি আপনার কৃপায় , অসংখ্য ধন্যবাদ মহারাজ , প্রনাম আপনার শ্রী চরণে 🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏 রীতা ভৌমিক,bhilai
DeleteKhoob bhalo Laglo Maharaj ji pronam
Deleteখুবই আগ্রহ সহকারে পড়লাম বেশ ভাল লাগলো
ReplyDeleteপরের লেখার জন্য অপেজ্ঞায় রইলাম
Maharaj Mahapravu ke niye apnar lekha ato apurba jeno chokher samne samagra ghatana sakal dekhte pelum amar sata sata sraddha vakti nibedan kari Maharaj Shampa Dhar
ReplyDeleteঅজানা তথ্য সমৃদ্ধ মহাপ্রভুর জীবনী -খুব ভালো লাগছে🙏পরবর্তী-র অপেক্ষায়----
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
প্রণাম মহারাজ🙏🙏।অনবদ্য লেখনি। খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteBhison valo lagloApnar lekhapore.Sri Sri Chaitanya Mahaprobhu sombondhe jante pere Mon tripto holo.Sri Sri Chaitanya Mahaprobhu ke Amader sosrodho pronam. Ratna&Asoke nandy. Asansol.
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে ধারাবাহিক ভাবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী পড়তে, আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
খুব সুন্দর!
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻
🙏 মহারাজ আপনার কাছ থেকে মহাপ্রভুর কত গুণের কথা জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে। প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ।🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ।অজানা তথ্যে ভরা লেখাটি এককথায় অপূর্ব।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। 🙏💐
Pranam neben Maharaj.Apurba upasthapana.kato ajana tathya jante parchhi.Abatar purush kibhabe amader uttaraner path dekhan, kibhabe amader agyan andhakar nash karen,ta sundar bhabe tule dhochhen. Satyi Amara dhanya .aro janar apekhyai roilam.
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। পড়তে খুব ভালো লাগছে ।কত কিছু জানতে পারছি ।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ ব্লগটি পড়ে ভীষণই ভালো লাগলো।
ReplyDeleteমহাপ্রভু সম্বন্ধে এবারের লেখা থেকেও অনেক কিছু জানতে পারলাম। মহাপ্রভুর এত গুণ সবার প্রতি এত ভালোবাসা আপনার লেখা না পড়লে জানতেই পারতাম না। যিনি তাকে অপমান করলেন তাকেও শুশ্রূষা করে কৃপা করলেন প্রণাম নেবেন মহারাজ। স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteপরবর্তী লেখা পড়বার অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteআমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।
Mahaprobhur jibaner ai sundar dingulor katha jene khub e bhalo lagchhe. Emon is here nibedita pran sacharachar dekha jay na. Mone hochchhe nana sukhadya amader samne apni poribeshan korchhen ar ta grohon kore amra anandita hochchhi. Pronam neben maharaj. Krishnadey, jamshedpur.
ReplyDeleteআত্ম জ্যোতি তে মহাপ্রভুর কথা অসাধারণ লাগছ। অনেক অজানা কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে। যত পড়ছি পড়ার আকাঙ্ক্ষা তত বেড়ে যাচ্ছে। পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম। জয় মহাপ্রভু🙏🙏 আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 অপর্না দেওয়ানজী ,সুভাষ গ্রাম
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ , পরবর্তী ব্লগ এর অপেক্ষায় রইলাম , প্রনাম আপনার শ্রী চরণে , Rita bhoumik bhilai
ReplyDeleteMoharaj, ami. Kichui. Jantam. Na, aapnar. Sannidhya. ,Esa. ,aktu aktu. Kora jante. Parchi, pronam. Moharaj
ReplyDeleteগবেষণা মূলক প্রবন্ধ সন্দেহ নেই,যে সব খুটি নাটি বিষয় লিপিবদ্ধ হয়েছে তা শুধুমাত্র জীবন আলখ্যে পাওয়া সম্ভব নয়। অসাধারণ। প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteমনোরঞ্জন ঘোষাল ঝাড়গ্রাম।
খুবই সুন্দর উপস্থাপনা, অনেক কিছু রেফারেন্স বই থেকেই সগ্রহ করতে হয়েছে।আমারসশ্রদ্ধ প্রনাম জানাচ্ছি।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে।প্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।প্রনাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏
ReplyDeleteJoyguru Joyguru Joyguru Joyguru 🙏🙏♥️🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগছে। মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। আরো অনেক কিছু জানতে পারবো আশাকরি অপেক্ষা করে থাকবো
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
Pronam Maharaj
DeleteKhub valo laglo
ReplyDeleteMohaprovur. Somondha. Anek. Kiichu. Jante pera. Ami. Apnar. Kache. Kritogyo,pronam. Moharaj, asima. Batabyal. Howrah. Shibpur
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগছে মহারাজ। আপনার কৃপায় আমরা ধন্য।আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন 🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteপরম পূজনীয় লেখক আচার্যদেব কে বিনম্র শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই।নিন্দা ও স্তুতিতে সমজ্ঞান মহাপুরুষের লক্ষন।আপনার মধ্যেও সেটি দেখছি আচার্য দেব।ঠাকুরের অসীম কৃপায় বিভিন্ন প্রকারে সাধু সঙ্গে উপকৃত হচ্ছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি বার বার।জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়।
ReplyDeletepronam neben Maharaj🙏🙏 khub valo laglo lekhata.
ReplyDeleteKhub valo lage. ,apnar. ,lekha. Mohaprovur. ,lathi. Kela. Jante. Parlam, aro notun. ,notun tothyo apnar lekhay. Jana. Jai, pronam. Neben. Moharaj, asima batabyal. Howrah. Shibpur
ReplyDeleteতথ্যে ভরা লেখাটি খুবই সুন্দর। মহাপ্রভুর লাঠি খেলা।কতো কিছু জানতে পারছি আপনার সান্নিধ্যে এসে।প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteরুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর
প্রতিটি পর্বের মতই এই পর্ব টিও অপূর্ব লাগল মহারাজ। চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যত জানছি, তত শ্রদ্ধা , ভক্তিতে মন ভরে যাচ্ছে মহারাজ। মহাপ্রভুর এই সমদর্শীতা , প্রতিটি মানুষের প্রতি এত ভালোবাসা , এই অপূর্ব সন্ন্যাস জীবন, সে তো আমাদের ই জন্য। আমাদের মত সাধারণ মানুষ দের শিক্ষা দান করার জন্য, জীবন উন্নত করার জন্য ই তো তাঁদের মর্ত্যে আগমন, এই অসাধারণ জীবন যাপন ।🙏
ReplyDeleteআপনি খুব ভালো থাকবেন
মহারাজ, আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম জানবেন মহারাজ 🙏🌷🙏🌷🙏
সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🙏🙏
খুব ভালো লাগলো এরকম আরো অনেক কিছু তথ্য জানার অপেক্ষায় রইলাম ঠাকুর মা ও স্বামিজীর রাতুল চরণে আভূমি ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই🙏🙏🙏 পরম পূজনীয় মহারাজের চরণকমলে আভূমি ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই🙏 দীপা চৌধুরী আনদুল মৌড়ী হাওড়া🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🕉️🕉️🕉️🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম জানাই মহাপ্রভু র চরনে।
ReplyDeleteসাংসারিক ব্যাস্ততায় পড়তে পারিনি।
আজ পড়লাম, প্রতিটি অনুচ্ছেদ পড়ছি আর কত কিছু জানতে পারছি
মহাপ্রভুর কথা তাঁর পার্ষদ গণের কথা,
আর জগবন্ধুর কত অজানা কথা।
আপনার লেখার মাধুর্য এবং সরলতা
মনকে পবিত্র তায় ভরিয়ে দিয়েছে।
আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী।
🙏🏼🙏🏼🙏🏼।
প্রথমে জানাই মহাপ্রভুর চরণে অকুণ্ঠিত প্রণাম খুবই ভালো লাগলো অনেক কিছু আধ্যাত্মিক তথ্য কথা জানতে পারলাম আপনার লেখার মাধুর্যতা সরলতা মন অনেক পবিত্রতায় ভরে গেল আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeletePranam janai Maharaj. Mahaprabhur onek ojana katha jante parlam .🙏
ReplyDeleteApurba! Khub bhalo laglo Maharaj.
ReplyDeletePranam Maharaj. Pulakesh Sinha Roy. 🙏🙏
ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য দেবের সম্বন্ধে আপনার লেখা পড়ে অনেক অজানা তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হচ্ছি মহারাজ...আপনার লেখার স্টাইল এত সুন্দর যে পড়তে খুব ভালো লাগে ।আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন ও খুব ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteরীতা দত্ত , kharagpur
গুরু মহারাজজীর শ্রী চরনে ভক্তিপূর্ণ শতকোটি শতকোটি শতকোটি শতকোটি প্রনাম🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏
ReplyDeletePronam neben moharaji, khub sundor apnar lekhoni,mohaprovu somporkito,poroborti lekhoni r ashay roilam ,sadhana Sharma, panchala howrah
ReplyDeletePronam Maharaj.ki apurbp
ReplyDeleteLaglo.mone hoi chokhe dekhte pach6i. Sutapa Airport1
মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের প্রতি পর্বই খুব সুন্দর ও সহজ ভাষায় প্রকাশিত হচ্ছে, খুব ভালো লাগছে প্রতি টি পর্ব ই। এবং যত পড়ছি ততো অনেক অজানা কাহিনী জানতে পেরে আনন্দ লাভ করছি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম আচার্য দেব।। জয় মহাপ্রভু চৈতন্য দেব🙏🙏
ReplyDeleteআমার ভক্তি পূর্ন প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏
অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ReplyDeleteভগবানের কৃপায় কি না হয়।অপূর্ব। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
ReplyDelete