ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
পর্ব- ১৯
নীলমাধব শ্রীজগন্নাথ বহু পূর্বে নীলমাধবরূপে পূজিত হতেন। শবর-রাজ বিশ্বাবসু
নীলমাধবের সেবা করতেন। এখনও শবর বংশীয়রাই শ্রীজগন্নাথের স্নান যাত্রা থেকে
রথযাত্রার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই বংশের লোকেদের বলে ‘দৈতাপতি’। দৈতাপতিগণই রথের
সংগে থাকেন।
রথ ক্রমে এসে হাজির হল গুণ্ডিচাতে। গুণ্ডিচাতে বছরের অন্য সময় তেমন কিছু
থাকে না। রথের সময় এটি মন্দিরের রূপ নেয়। রথ গুণ্ডিচার সামনে এলে পূজা পাণ্ডারা
মহাস্নানের আয়োজন করেন। নতুন বস্ত্র পরিয়ে দেব-দেবীকে ষোড়শ উপচারে পূজা করা হয়।
রথের উপরেই সন্ধ্যা আরতি, ধূপ, চন্দন লাগি,
শৃঙ্গার প্রভৃতি সমাপন হল।
বলভদ্র, সুভদ্রা সহ শ্রীজগন্নাথকে গুণ্ডিচাতে সিংহাসনে নিয়ে বসানো হয়। এই
অনুষ্ঠানকে বলে ‘আদপ বিজয়’। আবার যখন জগন্নাথদেব নিজের মন্দিরে ফিরে আসেন সেই
অনুষ্ঠানকে বলে ‘নীলাদ্রি বিজয়’। আরতি দর্শন করার পর চৈতন্যদেব ‘আই টোটা’ নামক বাগানে গিয়ে থাকেন।
যে কদিন রথ গুণ্ডিচাতে থাকে সে সময় সাধু
সন্ন্যাসী সকলেই গুণ্ডিচার আসে পাশে বাস করেন। ঐ সময় সাধন ভজন ইত্যাদির দ্বারা
শ্রীজগন্নাথের সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করেন। ধনী ভক্তরা এই সব সাধু মহাত্মাদের
থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করতেন।
লক্ষ্মী বিজয় উৎসব
আষাঢ় মাসের পুষ্যানক্ষত্র-সংযুক্ত দ্বিতীয়াতে রথযাত্রা শুরু হয়। এরপর হেরা
পঞ্চমীতে 'লক্ষ্মীবিজয়' উৎসব পালিত হয়। রথের পাঁচদিন পর অর্থাৎ সপ্তমী তিথিতে। এই উৎসবকে 'কাষ্ঠবিজয়'ও বলে। মা
লক্ষ্মীকে না নিয়ে শ্রীজগন্নাথদেব, ভাই বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে
গুণ্ডিচাতে চলে আসায়, মায়ের রাগ হয়। তাই তিনি হেরা পঞ্চমীতে একটি পালকিতে করে
গুণ্ডিচার সিংহদ্বারে আসেন ও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে যাওয়ার জন্য জগন্নাথদেবকে ভয়
দেখান। দেবীকে তুষ্ট করার জন্য জগন্নাথদেব ‘আজ্ঞা মালা’ উপহার দেন।
মহালক্ষ্মীকে রাগান্বিত দেখে সেবকরা গুণ্ডিচার প্রধান দরজা বন্ধ করে দেন। লক্ষ্মীদেবী
জগন্নাথের রথ নন্দীঘোষের একটি অংশ ভেঙে দিতে তাঁর দাসীদের আদেশ দেন। মা লক্ষ্মী ঐ সময়
গুণ্ডিচার বাইরে এক তেঁতুল গাছের পেছনে লুকিয়ে রথের অংশ বিশেষ ভাঙ্গার দৃশ্য
দেখেন। এরপর মায়ের নির্দেশে শ্রীজগন্নাথের সেবকদেরকে বেঁধে নিয়ে আসা হয়। মায়ের
দাসীরা সেবকদের বেদম প্রহার করে। শেষ পর্যন্ত তারা করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে চার
পাঁচ দিনের মধ্যে শ্রীজগন্নাথকে নীলাচলে মন্দিরে ফেরত নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি
দিলে বিবাদ মেটে।
মন্দিরের পাণ্ডা ও সেবকরা এই ভাবে প্রতি বছর অভিনয় করে 'লক্ষ্মীবিজয়' উৎসব পালন করে থাকেন। চৈতন্যদেবের ও গৌড়ীয় ভক্তদের বিশেষ আনন্দ দেওয়ার জন্য এ
বছর বেশ ঘটা করে এই উৎসব হল। রাজা প্রতাপরুদ্র খুব জাঁকজমক করে উৎসব করার কথা কাশী মিশ্রকে আগে থেকেই বলে দিয়ে ছিলেন।
মহাপ্রভু সকালে গুণ্ডিচা বাড়িতে এসে শ্রীজগন্নাথ দর্শন করেন ও লক্ষ্মী বিজয়
উৎসবের অভিনয় দেখে বেশ আনন্দ উপভোগ করেন। দামোদরের কাছে মহাপ্রভু লক্ষ্মীদেবীর এই
প্রেমভাব ও ব্রজগোপীদের প্রেমভাবের তুলনা
মুলক শাস্ত্র ব্যাখ্যা শুনতে চাইলেন। শাস্ত্রজ্ঞ দামোদর প্রেমের তুলনা মূলক আলোচনা
করে শোনালেন। লক্ষ্মীদেবীর প্রেম ও অভিমান এবং দ্বারকাতে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি সত্যভামার
প্রেম ও অভিমান ঐশ্বর্যভাব যুক্ত। কিন্তু ব্রজগোপীদের প্রেমে কোন ঐশ্বর্যের
লেশমাত্র নেই। কেবল শুদ্ধ মাধুর্যে পরিপূর্ণ।
এই সব কথা বলতে বলতে গোপীদের
প্রসঙ্গে শ্রীরাধিকার অতি উচ্চ প্রেমের বর্ণনা করতে লাগলেন। চৈতন্যদেবের অন্তরে ঐ
ভাবের স্ফুরণ হতে লাগল। কিছুক্ষণ শোনার পর ভাবে বিভোর হয়ে তিনি আনন্দে নাচতে
থাকেন। ধীরে ধীরে অন্য ভক্তরাও একে একে যোগ দিলেন। অনেকক্ষণ কীর্তন চলল। ভাবের উপশম হলে
মহাপ্রভু বিশ্রাম গ্রহণ করলেন। পাণ্ডারা প্রচুর প্রসাদ নিয়ে এলেন। সকলে মহানন্দে
প্রসাদ গ্রহণ করলেন।
পুনর্যাত্রা
পুনর্যাত্রা বা ‘বহুড়া’ হয় দশমীতে। ঐ দিন রথ আবার মন্দিরে ফিরে আসে। চৈতন্যদেব
ভক্তদের নিয়ে কীর্তন করতে করতে চললেন। সিংহদ্বারের সামনে এসে রথ দাঁড়াল। এখানে
শ্রীজগন্নাথ দেবের ‘রাজবেশ’ হয়। অতি মনোরম এই রাজবেশ ও বিচিত্র সাজ-সজ্জা দেখার
জন্য হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছে। রথ গুণ্ডিচা থেকে আবার শ্রীমন্দিরে ফিরে
আসার এই যে অনুষ্ঠান এর নাম পাণ্ডবিজয়। পূজা পাণ্ডারা বিগ্রহকে পট্টডোরীতে বেঁধে,
শূন্যে তুলে স্থানে স্থানে রাখতে রাখতে অগ্রসর হন। যেখানে যেখানে রাখা হয়, সেখানে
নতুন তুলী বা গদি বিছানো হয়। তুলী ফেটে গিয়ে তুলো উড়তে থাকে। মহাপ্রভু ভক্তদের
মধ্যে একজনকে নির্দেশ দিলেন প্রতি বছর রথের সময় ভালো পট্টডোরী করে আনতে।
রথযাত্রা শেষ হল। গৌড়ীয় ভক্ত যারা এসেছিলেন, মহাপ্রভুর ইচ্ছা অনুসারে তারা
পুরীতে বাস করতে থাকল। তখন বর্ষাকাল। তাই বর্ষার চারমাস পুরীতে বাস করে ফিরে যাবে, এই স্থির হল। ভক্তগণ খুবই খুশী। শ্রীজগন্নাথ দর্শন, সমুদ্রে স্নান ও
মহাপ্রসাদ গ্রহণ ও সাধন ভজনে আনন্দে কাটতে লাগল।
===============================
------ ক্রমশ
কত অজানা কাহিনী জানতে পারছি এই সুন্দর লেখাটির মধ্যে দিয়ে 🙏🏻 ' লক্ষ্মী বিজয় ' কাহিনীটি এই প্রথম জানলাম মহারাজ 🙏🏻 পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় 🙏🏻
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌹🌹🌹🌹🌹
কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
Deleteএই পর্বে লক্ষ্মী বিজয় কাহিনী নুতন জানলাম খুব ভালো লাগলো, সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ ।🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
Khoob bhalo lagchay anek anek natun tachyon jante parchi. Joy Jagonnath. Maharaj er chorone pronam
Delete🙏🙏🙏
Delete🙏🙏 প্রণাম শ্রী জগন্নাথ। প্রণাম মহারাজ। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ 🙏
Deleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর চৈতন্য দেবের কথা 🙏🙏
Delete🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteShree Shree Mahaprabhu r Shree Padopodmey vaktivora pranam nibedon kori🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌹🌹🙏🏻🙏🏻. Shree Shree Chaitanyo MahaPrabhu r ei 19th porbo er lekhoni porey bisesh bisesh notun kichu jantey perey otibo dhonyo, Maharajji 👏🙏🏻. Gundicha baritey Shree Jagannath Darshan o Shree Shree Lakhidevi r Vijoy utsav sombondhey gyato holam🙏🏻. Aponer ei osadharpn lekhoni amader dristipolokey chitrer neyey vesey othey, Maharajii 🌹🙏🏻. Sotokoti vaktivora pranam Achariyo Maharajji 🌹🌹🌿🌿🙏🏻🙏🏻. Aro aro soner jonyo opekhyaroto achhi, Maharajii 😊🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি এর ভেতরে এতকিছু শ্রী জগন্নাথ দেবের কথা জানতে পারছি খুব ভালো লাগছে আপনার সান্নিধ্যে এসে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি আপনার মত সাধু পাওয়া দুর্লভ প্রণাম শিক্ষাগুরুদের শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteপ্রনাম জানাই মহারাজ জী কে। 🦚🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🦚
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের কথা পড়তে পড়তে আর ও তার সাথে শ্রীজগন্নাথ দেবের সম্বন্ধে ও অনেক কিছু জানা হয়ে যাচ্ছে, আজকের অধ্যায় লক্ষ্মী বিজয় অংশ টি বেশ মজার।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
প্রণাম মহারাজ🙏🙏। অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পারছি। খুব ভাল লাগছে।আরও জানার আগ্রহ বাড়ছে। ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteকতো অজানা তথ্য জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে। আরো অনেক কিছু জানার আশায় রইলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
খুব সুন্দর লাগলো মহারাজ।
ReplyDelete🌷🙏🏻🙏🏻🌷
প্রণাম 🙏🙏
DeleteAjker19tama parba te anek kichu.jante parlam...bishesh kore prabhu jagannather anek ajana tathaya jante parlam..bhison bhalo laglo....
ReplyDeletePranam maharajji..🌹🙏🌹jayachoudhury...
রথযাত্রার,দ্বিতীযা থেকে দশমীর মধ্যে যে এতো সুন্দর সুন্দর উপাখ্যান আছে- কিছুই জানতাম না,মুগ্ধ হয়ে পড়লাম,খুবই ভালো লাগলো🙏আরো জানার অধীর অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteআন্তরিক ভ্যক্তিপূর্ণ প্রনাম মহারাজ জী🙏🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
খুব ভালো লাগছে কত অজানা জানাতে পারছি 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete🌷🌷🙏🙏🌷🌷
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল এই অজানা তথ্য জেনে। প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানতে পারলাম মহারাজ। খুব ভালো লাগে তাই নতুন কিছু পাওয়ার আশায় থাকলাম।প্রনাম মহারাজ। খুব ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে অনেক অজানা বিষয় জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজজী
Deleteকাবেরী ঘোষ, নিউ দিল্লি
আপনার এই ধারাবাঁহিক লেখা ভাল লাগছে তবে এবার মন ভরলেও
ReplyDeleteআরও কিছু জানতে ইচ্ছা ছিল পরের বারের লেখার জন্য অপেক্ষায় রইলাম
সুব্রত ঘোষাল মুম্বাই
সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ 🙏🌷🙏 আপনার লেখা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ব্লগটি পড়ে খুব আনন্দ পেলাম 🙏 বিশেষ করে গুন্ডিচাতে লক্ষীদেবীর ঘটনাটি পড়ে, লক্ষীদেবীর তেঁতুল গাছের পেছনে লুকিয়ে জগন্নাথের রথের অংশ ভাঙ্গার দৃশ্য দেখার ঘটনাটি যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম আর লক্ষীদেবীর দাসীদের হাতে জগন্নাথদেবের সেবক দলের প্রহার, ভেবে বেশ মজা পাচ্ছিলাম।
ReplyDeleteসর্বোপরি চৈতন্য মহাপ্রভুর নৃত্য,সব মিলিয়ে অসাধারণ!!
জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
শুভ রাত্রি 🙏 ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🌷🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏
শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর জয়।অনেক কিছু জানতে পারছি, লক্ষ্মী দেবীর রথ ভাঙা ,গোপীদের ও শ্রী রাধিকার ভগবানের প্রতি ভালবাসা অপূর্ব বর্ননা।জগন্নাথের রাজবেশ,খুব ভাল লাগলো।লেখক, পরম পূজনীয় আচার্যদেব কে প্রণাম জানাই, আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।নাম - বিনু চক্রবর্তী,বাড়ি মালদা।জয় রামকৃষ্ণ
ReplyDeleteঅনেক কিছু অজানা তত্ব জানতে পারছি , সব মহারাজ আপনার ই দয়া তে , প্রনাম আপনার শ্রী চরণে , এই ভাবেই যেন কৃপা পেয়ে থাকতে পারি , জয় শ্রী চৈতন্য মহপ্রভুর জয় ।।।।
ReplyDeleteRita Bhoumik Bhilai theke , অপূর্ব লাগছে ব্লগ পরে , জানার আরও আগ্রহ রইলো প্রণাম আপনার শ্রী চরণে
DeletePoonam Maharaj anek notun bishya jante parchi ei blog po re
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ। আজকের লেখাটি চমকপ্রদ।তার জানলাম সব অভিনয় ।খুব ভালো লাগলো।অজানা অনেক কিছু জানতে পেরে।পরের বারের জন্য আসায় র ইলাম।🙏🙏
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম মহারাজ ৷ খুব ভালো লাগলো ৷ পট্ট ডোরি টা কি হয় মহারাজ৷
ReplyDeleteঅপূর্ব, মহাপ্রভুর কথা ও একই সঙ্গে জগবন্ধু র অনেক অজানা কথা জানতে পেরে খুব আনন্দ হচ্ছে মহারাজ।
ReplyDelete🙏🏼🙏🏼🙏🏼
অর্পিতা বসু বাগবাজার 🙏🏼🙏🏼
মহাপ্রভু সম্বন্ধে অপূর্ব তথ্যসমৃদ্ধ সব কাহিনী জানতে পারছি মহারাজ আপনার লেখায়। যা কোনদিন জানতে পারতাম না আপনার অনুগ্রহ ছাড়া। প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteভক্তির অবতার মহাপ্রভুর জয়।
ReplyDeleteমহারাজ এতো সুন্দর ভাবে আপনি মহাপ্রভুর অপূর্ব লীলা কাহিনী পরিবেশন করে চলেছেন তা এককথায় অসাধারণ।
আধ্যাত্মিক শিক্ষাগুরুকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। 🙏
রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য।,
প্রণাম মহারাজ । আপনার কাছ থেকে এত অজানা তথ্য জানতে পারছি । খুব ভালো লাগছে । ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর রথযাত্রা দর্শন অপূর্ব সুন্দর, আপনার লেখনীতে আরো সুন্দর হয়েছে।সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteকি অপূর্ব সুন্দর লেখা,কতো কিছুই অজানা তথ্য জানতে পারছি, এরপর আর ও জানার অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteঅন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব 🌷💥🙏
pronam Maharaj. 🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব 🙏🙏খুব ভাল লেগেছে 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteKata ajana bisoy jante parchi Maharaj amader paramaatma kripamaya Maharaj amar sata sata vakti sraddha grahan karun 🙏🙏 Shampa Dhar
ReplyDeleteKhoob bhalo laglo pore.onek kichu Jani na kintu pore onek jante parlam maharaj.
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteJoy Mahaprovu 🙏♥️🙏
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্যদেবের সম্বন্ধে কত অজানা মূল্যবান কাহিনী ও তথ্য জানতে পারলাম ।মহারাজের লেখা ও খুব সুন্দর ।কতো সহজ করে জানিয়ে চলেছেন লেখার মাধ্যমে ।আরো শুনবো । ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী আভুমি প্রনাম নেবেন। রুনা পালিত।
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Pranam Maharaj
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.
Joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏 pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏
ReplyDelete