শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য।। পর্ব -১৮।।

                                   ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য




                   ©                                                           --- স্বামী হরিময়ানন্দ

ধারাবাহিক রচনা

                  চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন। - শ্রীরামকৃষ্ণ 


                                                       =================পর্ব-১৮================


     সন্ধ্যায় গৌড়ীয় ভক্তগণ সকলে শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে গিয়ে কীর্তন আরম্ভ করলেন। মন্দিরের সেবকগণ সকলের গলায় প্রসাদী মালা ও চন্দনের ফোঁটা পরিয়ে দিলেন। এর ফলে সকলের মধ্যে কীর্তনের উল্লাস আরও  বেড়ে গেল। বহুদিন পর চৈতন্যদেবকে পেয়ে ভক্তদের আনন্দের সীমা পরিসীমা নেই। সকলে সমবেত হয়ে সংকীর্তন করতে লাগলেন। মৃদঙ্গ ও করতাল সহযোগে মন্দির প্রাঙ্গণে আনন্দে নৃত্য করতে লাগলেন সকলে। ভাবে বিভোর হয়ে চৈতন্যদেব সকলের মাঝখানে মনোহর নৃত্যে মাতলেন। তাঁর উজ্জ্বল দেবমূর্তি ও নৃত্য দেখে অন্য সকলের মন ভাবাবিষ্ট হতে লাগল। দূর থেকে লোকজন ছুটে ছুটে আসতে লাগল। অনেকে বাড়ির ছাদে উঠে দাঁড়িয়ে এই স্বর্গীয় দৃশ্য দেখতে লাগলেন। সকলেই গৌড়ীয় ভক্তদের নাচ ও কীর্তনের খুব প্রসংশা করল। অনেকক্ষণ এই ভাবে নাচ গানের পর ভক্তিভরে প্রণাম নিবেদন করলেন। সেবকগণ সকলের জন্য প্রসাদ দিলেন। সকলে প্রাণ ভরে প্রসাদ নিয়ে নিজ নিজ জায়গায় ফিরে গেলেন।

 



 রথযাত্রা

    দেখতে দেখতে রথযাত্রা এসে গেল। চৈতন্যদেব সকল ভক্তদের নিয়ে পুরীতে আনন্দের মেলা বসিয়েছেন। রথ মূল মন্দির থেকে গুণ্ডিচা-বাড়ীতে আনা হয়। আবার গুন্ডিচাবাড়ী থেকে পুনর্যাত্রা বা উলটোরথে মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়।রথ শুরুর আগে সমস্ত স্থান খুব ভাল করে পরিষ্কার করার নিয়ম। তাই একদিন চৈতন্যদেব ভক্তদের নিয়ে নিজে পথ ঘাট পরিষ্কার করতে লেগে গেলেন। ভগবানের নাম করতে করতে ও জয়ধ্বনি দিতে দিতে সকলে কাজ করতে লাগলেন। উৎসাহ দেওয়ার জন্য চৈতন্যদেব বললেন ঝাঁট দিয়ে যে যার আবর্জনা আলাদা করে রাখ, পরীক্ষা করে দেখা যাবে।

        দেখা গেল কর্মপটু সন্ন্যাসীর সঙ্গে পেরে ওঠা মুশকিল। অন্যান্যদের তুলনায় তিনি একই সময়ে ঝাঁট দিয়ে যে আবর্জনা জড়ো করেছেন তা অনেক বেশি ছিল।  জল আনার কাজে বয়স্ক ভক্তদের তিনি বাদ দিলেন। অদ্বৈতাচার্য, নিত্যানন্দ, দামোদর স্বরূপ এই রকম কিছু ভক্তদের জল আনতে হবে না। অন্যরা জল আনার জন্য ছুটোছুটি শুরু করে দিলেন। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। শত শত ঝাড়ু ও শত শত কলসী নিয়ে সকলে মিলে রাস্তা পরিষ্কার করতে লাগলেন।


নরেন্দ্র সরোবর

        মন্দির পরিষ্কার শেষ করে সবাই আনন্দে কীর্তন করতে লাগলেন। এরপর সকলে চললেন নরেন্দ্র সরোবরে স্নান করতে। মহাপ্রভুও সঙ্গে চললেন। বিশাল নরেন্দ্র সরোবরে সকলে সাঁতার কাটা, ডুব দেওয়া, ভেসে থাকা ইত্যাদি নানা রকম মজা করতে লাগলেন। মহাপ্রভুও অদ্ভুত জল খেলা করলেন। সকলে দেখলেন আচার্যের সব বিষয়ে কেমন দক্ষতা। মন্দির থেকে প্রসাদ আনার ব্যবস্থা করাই ছিল। সবাই স্নান করে একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করলেন।

        রথের আগের দিন শ্রীজগন্নাথদেবের নেত্রোৎসব। স্নান যাত্রার পর থেকে শ্রীজগন্নাথদেবের বেশ পরিবর্তন হয় ও মন্দির দর্শন বন্ধ থাকে। নেত্রোৎসবের দিন দরজা খোলে। অনেক দিন বন্ধ থাকার পর তাই দেবদর্শনে খুব ভিড় হয় মন্দিরে। চৈতন্যদেব ও আজ দর্শনের জন্য অনেক মানুষের ভিড় ঠেলে অপেক্ষা করতে থাকেন। অনেক অপেক্ষার পর দর্শন করে দু চোখ ভরে তাকিয়েই থাকলেন।

       আজ রথযাত্রা। খুব ভোরে মহাপ্রভু স্নান করে ভক্তদের নিয়ে মন্দিরে উপস্থিত। মন্দিরের সামনে বিশাল রাজপথে তিনটি মনোহর রথ সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। বলরাম, সুভদ্রা ও শ্রীজগন্নাথদেবকে রথে তোলার জন্য পাণ্ডাদের ব্যস্ত আনাগোনা।

       রাজা প্রতাপরুদ্র নিজ হাতে সোনার ঝাড়ু নিয়ে পথ পরিষ্কার করছেন। চন্দন জল ছড়িয়ে পথ-সেবা করছেন ভক্তদের জন্য। ধন্য রাজা প্রতাপরুদ্র শ্রীজগন্নাথের এই মহান সেবার অধিকার তিনি পেয়েছেন।

     রাজার ভক্তিপূর্ণ সেবা দেখে চৈতন্যদেব খুবই প্রসন্ন হলেন। শ্রীমন্দির থেকে গুণ্ডিচা সুন্দর চওড়া রাজপথ, বড়দাণ্ড। সেই রাজপথে হাজার হাজার মানুষ রথে দেব-দর্শনের জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে আছেন। চৈতন্যদেব রাস্তায় সমবেত ভক্তদের মধ্যে এসে দাঁড়ালেন। জন সমুদ্রে যেন ঝড় উঠল। হাজার হাজার মিলিত কণ্ঠে জয়ধ্বনি হতে লাগল। নানা রকম বাদ্য, স্তব-স্তুতি পাঠের মাধ্যমে সুসজ্জিত রথে শ্রীজগন্নাথদেবকে তোলা হল।


       রথের দড়ি ধরে ভক্তরা ধীরে ধীরে টানতে লাগল। চৈতন্যদেব গৌড়ীয় ভক্তদের নিয়ে কীর্তন করতে করতে চললেন। স্বরূপ দামোদর, শ্রীবাস, মুকুন্দ ও গোবিন্দ এই চারজনকে প্রধান গায়ক করে এক একটা দল করলেন।  এরা সমবেত ভাবে কীর্তন করলেন। আবার কিছু দল ঠিক করা হল নাচের জন্য। চৈতন্যদেব ঘুরে ঘুরে সব দলের কাছে যাচ্ছেন ও কীর্তন করছেন। অপূর্ব এক স্বর্গীয় দৃশ্য। ভক্তদের ভাব উল্লাস নৃত্যগীতে সকলেই বিস্মিত। রাজা প্রতাপরুদ্র ও পাত্রমিত্র নিয়ে এই মহা সমারোহ দর্শন করছেন। তিনি স্তম্ভিত হলেন মহাসংকীর্তন দেখে বিশেষ করে চৈতন্যদেবকে সকলের মধ্যে কীর্তনানন্দে মত্ত দেখে।

     মহাপ্রভুর তেজোময় শরীর, ও অপূর্ব কান্তি দেখে সকলেই বিস্মিত। ক্ষণে ক্ষণে তাঁর পবিত্র দেবকান্তি যেন বদলে বদলে যাচ্ছে। নিত্যানন্দ দু হাত প্রসারিত করে পেছনে পেছনে যাচ্ছেন। যাতে ভাবের আবেশে মাটিতে না পড়ে যান বা অন্য মানুষের স্পর্শে তাঁর কোন কষ্ট না হয়। তবুও নিত্যানন্দ সোনার প্রতিমাকে ঠিক রক্ষা করতে পারছেন না। মাঝে মাঝেই ধুলোয় লুটিয়ে পড়ছে। আজ  যেন তিনি নদের নিমাই নন। আজ যেন তিনি শ্রীগৌরাঙ্গও নন। আজ যেন তিনি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ভারতী মহারাজও নন। আজ এক নতুন মানুষ, অদ্ভুত সাত্ত্বিক বিকার তাঁর শ্রীঅঙ্গে। সারা শরীর প্রতিটি রোমকূপ রোমাঞ্চিত।

     এদিকে আর এক ঘটনা। সকলে যখন এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখছিলেন। রাজার প্রধান অমাত্য হরিচন্দনের কাঁধে হাত দিয়ে রাজা অপলক দৃষ্টিতে চৈতন্যদেবকে দেখছিলেন। এমন সময় আচার্য শ্রীনিবাস এসে তাঁর সামনে আড়াল করে দাঁড়ালেন। ফলে রাজা ভালোভাবে দেখতে পাচ্ছিলেন না।.তাই  সরে দাঁড়ানোর জন্য হরিচন্দন শ্রীনিবাসের গায়ে একটু মৃদু ধাক্কা দিলেন। কিন্তু শ্রীনিবাস তখন কীর্তনের ভাবে  বিভোর। তিনি লক্ষ্যই করেননি যে রাজা প্রতাপরুদ্র এত কাছে রয়েছেন। হরিচন্দন বার বার ঠেলাঠেলি করাতে বিরক্ত হয়ে শ্রীনিবাস তাকে এক চড়  মারেন। হরিচন্দন উত্তেজিত হয়ে শ্রীনিবাসকে কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। এমন সময়  রাজা বুঝিয়ে তাকে শান্ত করেন। আরও তাকে বললেন তোমার মহাভাগ্য যে এমন মহাত্মা তোমায় স্পর্শ  করেছেন।

     বেশ কিছুক্ষণ এমনি চলার পর, ভাবের উপশম হওয়ায় চৈতন্যদেব একটু শান্ত হলেন। রথ ধীরে ধীরে চলতে লাগল। ভক্তরা কীর্তন করতে করতে সঙ্গে চললেন। দামোদর মহাপ্রভুর ভাব ঠিক ঠিক বুঝতে পারতেন ও সেই মত পদ, গান বা শ্লোক শোনাতেন। এতে মহাপ্রভু খুবই আনন্দিত হতেন।

ব্রজগোপীদের ভাব

     মহাপ্রভুর মধ্যে ব্রজগোপীদের ভাব দেখা গেল। ব্রজগোপীরা  যেমন শ্রীকৃষ্ণের রথ টেনে নিয়ে যেতেন। কখনও বা তাড়াতাড়ি রথ নিয়ে যাওয়ার জন্য মাথা দিয়ে ঠেলে নিয়ে যেতেন। মহাপ্রভুও এখন শ্রীজগন্নাথের রথের রজ্জু টানতে লাগলেন, কখনও বা মাথা নিয়ে রথের চাকা ঠেলতে লাগলেন। ভাবের ঘোরে 'সোনার অঙ্গ' মাটিতে ধুলায় লুটিয়ে পড়ল। কাছে রাজা ছিলেন, তিনি হাত বাড়িয়ে মহাপ্রভুকে ধরে ফেলেন। ভাবের উপশমে জানতে পেরে তিনি ক্ষোভ  প্রকাশ করেন। এবং বিষয়ী রাজা ভাবস্থ অবস্থায় তাঁকে  স্পর্শ করেছেন জেনে খুবই অসন্তুষ্ট হলেন। এদিকে রাজাও অপ্রস্তুত ও নিজেকে অপরাধী মনে করছিলেন। অবশেষে সার্বভৌম রাজাকে বুঝিয়ে সান্ত্বনা দিলেন।

      এখন যেমন তিনটি রথ তৈরি করা হয়। আগে তা হত না। আগে মোট ছ'টি রথ করতে হত। এখন যে রাস্তা দিয়ে রথযাত্রা হয়, 'বড়দাণ্ড' তখন এখানে দুটি নদী ছিল। বাঁকি মালিনী ও শ্রদ্ধা নামে দুটি নদী।  তাই প্রধান মন্দির থেকে গুণ্ডিচাতে যাওয়ার জন্য নদীর দু' দিকে রথ রাখতে হত। শ্রীজগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে নদী পেরিয়ে অন্য রথে তোলা হত। রাজা নরসিংহার সময়ে নদীর উপর সেতু তৈরি করা হয়। এই স্থানটির নাম ছিল বলগণ্ডি। বর্তমানে এই স্থান শ্রদ্ধা বালি নামে পরিচিত। চৈতন্যদেবের সময়ে তাই নদী পেরিয়ে অপর পারে রাখা রথে দেবমূর্তি তোলা হত।

বলগণ্ডি  

      বলগণ্ডিতে  রথ এলে শ্রীজগন্নাথদেবকে ফলমিষ্টি ইত্যাদি নিবেদন করা হয়। ভোগের সময় এত ভিড় ছিল যে, চৈতন্যদেব পাশের একটি বাগানে প্রবেশ করেন। ক্লান্ত দেহে মাটিতেই শুয়ে পড়লেন। মনে মনে নিজের ভাবে ভাগবতের গোপীগীতা থেকে আবৃত্তি করতে লাগলেন। একটু পরেই মহাপ্রভু সেখানে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এদিকে রায় রামানন্দ ও বাসুদেব সার্বভৌম সুযোগ বুঝে রাজা প্রতাপরুদ্রকে ছদ্মবেশে ওখানে নিয়ে যান। তিনি রাজার পোশাক ত্যাগ করে সাধারণ ভক্তের বেশে মহাপ্রভুর কাছে আসেন। জোড় হাতে মহাপ্রভুকে প্রণাম নিবেদন করেন। চোখ বন্ধ দেখে রাজা মহাপ্রভুর পায়ের কাছে গিয়ে বসলেন ও ধীরে ধীরে পদসেবা করতে লাগলেন। পদসেবা করতে করতে  ছদ্মবেশী-রাজা গোপীগীতা থেকে বলতে লাগলেন

তব কথামৃতং তপ্তজীবনং কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌।

শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং ভুবি গৃহন্তি যে ভূরিদা জনাঃ।।

--- হে প্রিয়তম, সংসার  তাপিত ব্যক্তির কাছে জীবনকে সুশীতল করে, ব্রহ্মজ্ঞ ঋষিরা যাঁর স্তুতি করেছেন, কলুষনাশী, সর্বত্র সকলের মঙ্গলের কারণ, এই অমৃতময়ী তোমার কথা যাঁরা জগতে প্রচার করেন তাঁরা নিশ্চয়ই শ্রেষ্ঠ দাতা।  

    সুমধুর শ্লোক শুনে মহাপ্রভুর নিদ্রা ভঙ্গ হল। চোখের পাতা মেলে দেখলেন, এক ভক্ত তাঁর পদসেবা করছেন ও গোপীগীতা থেকে শ্লোক বলছেন। সহসা মহাপ্রভু তাঁর অন্তরের ভাব চেপে রাখতে পারেন নি। গভীর ভাবাবেগে তিনি ওই ভক্তকে প্রেমালিঙ্গনে জড়িয়ে ধরেন। বলেন -- 

"তুমি মোরে বহু দিলে অমূল্য রতন।

মোর কিছু দিতে নাই, দিনু আলিঙ্গন।।"

      ভাবে দু জনের চোখে তখন জলের ধারা। কে তুমি, হঠাৎ আমাকে এই মধুর শ্লোক শোনালে। রাজা কর জোড়ে অনুরোধ করলেন,  তিনি যেন তাকে তাঁর দাসের দাস, সেবকের সেবক করেন।

      রাজার সঙ্গে পরামর্শ মতো সার্বভৌম ও রামানন্দ বলগণ্ডিতে নিবেদিত ভোগের প্রচুর প্রসাদ ঐ বাগানে নিয়ে গেলেন। অনেক ভক্ত সেখানে ছিলেন। চৈতন্যদেব ভক্তদের সঙ্গে আনন্দ করতে করতে প্রসাদ গ্রহণ করলেন। ঐ সময় কিছু দরিদ্র মানুষ বাগানের এক দিকে প্রসাদের আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদেরকে দেখে মহাপ্রভুর হৃদয় বিগলিত হয়।  নিজে তাদেরকে ডেকে নিয়ে এসে গোবিন্দকে আদেশ করলেন ভালো করে প্রসাদ খাওয়াতে। গোবিন্দ সবাইকে  প্রসাদ দিলেন।

          ©                                                                                                     ক্রমশ ...... 


 

Comments

  1. অনেক কিছুই নূতন তথ্য জানতে পারছি ধন্য আমি আরও অনেক কিছু ই জানতে পারবো আপনাকে আমার ভক্তি পূর্ণ প্রনাম জানাই মহারাজ। 🌺🙏🏼🙏🏼🙏🏼🌺

    ReplyDelete
    Replies
    1. জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏🙏🙏
      সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে 🙏🙏🙏।
      মৌসুমী রায় কোচবিহার।

      Delete
    2. 🙏🙏🙏

      Delete
    3. Apurbo,Maharaj dhannya,holam,🙏🙏🙏🙏

      Delete
    4. জয় মহাপ্রভুর জয় 🙏🙏

      Delete
  2. হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
    হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙏🙏🙏 অপূর্ব সুন্দর লেখা পড়ে মনে খুব আনন্দ হচ্ছে, কতো কিছুই অজানা তথ্য জানতে ও শিখতে পাচ্ছি। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🙏🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব অপূর্ব লাগছে মহারাজ

      Delete
  3. খুব ভালো লাগছে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি এত কিছু জানতে পারছি খুব ভালো লাগছে আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে এত আধ্যাত্মিক বিষয় জানতে পারছি আপনার মতন গুরু পাওয়া দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজ বজ

    ReplyDelete
  4. মহাপ্রভুর জীবনের অপূর্ব কাহিনী পড়ে অদ্ভুত আনন্দে মন প্রাণ ভরে উঠলো।খুব সুন্দর ভাবে আপনার লেখা থেকে বিশদ ভাবে সব
    জানতে পারছি।
    বিনম্র শ্রদ্ধায় প্রণাম মহারাজ।
    রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর।

    ReplyDelete
  5. Apurbo.....ajker sree Mahaprabhur katha,anek kichu jante parlam....ato sunder kore barnana....sattyi majarajji mon bhore gelo....joy Mahaprabhur joy...🙏🙏pranam maharajji...🌷🙏🌷

    ReplyDelete
  6. 🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ। অদ্ভুত ভাবোময় মহাপ্রভুর জীবনী আপনার কাছে নতুন ভাবে জানছি।🙏

    ReplyDelete
  7. অপূর্ব সুন্দর!!!
    🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  8. খুব ভাল লাগল। মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। আরো অনেক কিছু জানতে ইচ্ছে করছে ।আশাকরি আরো অনেক কিছু জানতে পারবো। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
    মীনা সিনহা রাজারহাট

    ReplyDelete
  9. শুভ সকাল
    নতুন করে বলার মত ভাষা খুজে পাই না
    আপনি আমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।

    ReplyDelete
  10. প্রণাম মহারাজ🙏🙏।শ্রীচৈতন‍্য মহাপ্রভূর সম্বন্ধে এত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানতাম না।আরও জানতে পারব।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জ্জী।দক্ষিনেশ্বর।

    ReplyDelete
  11. এত সুন্দর মহাপ্রভুর ভাবময় লীলা যেন সচোখে উপভোগ করলাম।এত সব আপনার জন‍্য ই পাওয়া মহারাজ।ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏🌟🌷🍀🌷

    ReplyDelete
  12. Mahaprabhu r Shree padopodmey vaktivora pranam nibedon kori🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🍀🙏🏻. Maharajji, Mahaprabhu r 18 No. Porbo paath porey mugdho holam. Ki sohoj vabey Mahaprabhu ke amra jantey parchi ekmatro Aponer sannidhyan e esey🙏🏻. Opurbo vaktivaab Shree Chaitanyo Mahaprabhu r. Sotokoti naman, Achariyo Maharajji 🌻🌹🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  13. পড়ছি ,ভালো লাগছে,মহাপ্রভুর ভাবাবেগ দেখে সবাই আনন্দে ভাসছে🙏আহা এমন ভাবাবেগে ভাসতে কার না
    ইI

    ReplyDelete
  14. যত পড়ছি তত ভালো লাগছে, মহাপ্রভুর ভাবাবেগে ভাসতে ইচ্ছে করে,আহা কি প্রেমময় ভাব🙏 প্রণাম প্রভু🙏প্রনাম মহারাজ জী🙏
    সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

    ReplyDelete
  15. সত‍্যই যথারীতি খুবই সুন্দর ব‍্যাখা, এত বিষদ ভাবে সবিকছু জানাবার জন‍্য অসংখ্য প্রনাম আপনাকে, ঠাকুর আপনাকে সুস্থ রাখুন।

    ReplyDelete
  16. প্রণাম মহারাজ।
    পড়তে পড়তে যেন মানস চক্ষে মহাপ্রভুর লীলা দেখতে পাচ্ছি। আপনার অসাধারণ উপস্থাপনার জন্যই এটা সম্ভব হলো। মন ভরে গেলো আনন্দে।

    ReplyDelete
  17. Kata apurba shab katha jante parchi Maharaj apnar ayee amritamaya lekha theke joy pravu Jagannath joy Mahapravu joy amader parama kripamaya parama snehamaya Maharaj🙏🙏 Shampa Dhar

    ReplyDelete
  18. আহা কি অপূর্ব! চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা! আর মহারাজ আপনার লেখনী তে এতো সুন্দর ভাবে বর্ণিত হয়েছে মুগ্ধের মত এক নিঃশ্বাসে পড়ে গেলাম 🙏🌷🙏 মন প্রান ভরিয়ে দিয়েছেন মহারাজ 🙏🌷🙏 পরবর্তী লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🌷🙏
    জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
    শুভ রাত্রি 🙏
    দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏🌷🙏

    ReplyDelete
  19. শুভ সকাল মহারাজ জী 🙏 অপূর্ব আপনার লেখনী 🙏 আপনার সাধিন্য না পেলে জীবনে অনেক কিছুই না জানা থেকে যেত, চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে জেনে সমৃদ্ধ হলাম, আগামী পর্বে র অপেক্ষায় থাকলাম 🙏
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  20. 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  21. শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত যথাযথ নব কলেবরে উপস্থাপিত। এই লেখার দ্বারা আট থেকে আশি সবাই উপকৃত হবে।
    Manoranjan Ghoshal Jhargram.

    ReplyDelete
  22. প্রণাম আচার্য মহারাজ। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।

    ReplyDelete
  23. খুব সুন্দর 🙏🙏 প্রনাম মহারাজ ❤️ খুব ভালো থাকুন ।

    ReplyDelete
  24. Pronam Maharaj ,opur lila sunlam Mahaprobhur. 🙏🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  25. প্রণাম মহারাজ 🙏🙏

    ReplyDelete
  26. Maharajji Apurbo Mahaprobhu r
    Jeebon er katha jante pere ridhho
    holam. Apni amar sasrodhho pronam neben.🙏

    ReplyDelete
  27. প্রতি পর্বের মতই অপূর্ব লাগল এই পর্ব মহারাজ। মহাপ্রভুর জগন্নাথ দেব দর্শন, ও ওই দিনের সমস্ত লীলা আপনার বর্ণনায় যেন চাক্ষুষ করলাম মহারাজ। আমরা ধন্য মহারাজ। আপনাকে আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই ।🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏

    ReplyDelete
  28. pronam Maharaj khub valo lagchhe anek kichhu jante parchhi.

    ReplyDelete
  29. Pronam neben maharaj ji 🙏 Mahaprabhu samondhe jato parchi tato I mugdha hoye jacchi. Apni amader jiboner adhyatmik jagoter patheya. Thakur bolechilen Sadhu Sangha korle tini I Iswarer sathe alap koriye den. Amrao apeksha te achi ei jibon e na hole agla jibone abosoyi pabo. Tobe apner moto kono dhrubo Tara r proyojon thakbe. 🙏🙏🙏🙏
    Ranjita Mazumder, New Delhi

    .

    ReplyDelete
  30. খুব ভালো লাগছে পড়ে।প্রণাম মহারাজ।

    ReplyDelete
  31. Maharajji Mahaprobhur onek katha jante pere ridhho holam . Apnake Sashrodhho pronam janai.🙏

    ReplyDelete
  32. Mahapravura apurbo jibon sambandhe jene khoob samridhyo lagche. Respected Maharaj ji apni amar pranam neben

    ReplyDelete
  33. জয় মহাপ্রভুর জয় ৷ প্রনাম মহারাজ জী ৷ . রুনা পালিত .

    ReplyDelete
  34. খুব সুন্দর মহারাজ।প্রনাম নেবেন মহারাজ

    ReplyDelete
  35. জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য।কি অসাধারণ কীর্তনের ও রথ যাত্রার বর্ননা করেছেন লেখক পরম পূজনীয় আচার্যদেব,একজন শ্রেষ্ঠ দাতা আপনিও,চির কৃতজ্ঞ থাকবো অনেক কিছু জানতে পারছি, ফলে উপকৃত হচ্ছি।আন্তরিক ধন্যবাদ ও প্রণাম জানাই।নাম বিনু চক্রবর্তী, বাড়ি মালদা।জয় ঠাকুর

    ReplyDelete
  36. Pronam Maharaj 🙏 🙏....asadharon bornona...jeno samne...🙏🙏🙏 dekhte pachi

    ReplyDelete
  37. খুব ভাল লাগল। আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
    লিলি রায়, পর্ণশ্রী

    ReplyDelete
  38. খুব ভালো লাগলো প্রণাম মহারাজ।কত কিছু জানতে পারছি পড়ে । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন মহারাজ ।

    ReplyDelete
  39. রথযাত্রার ব্লগ টি অপূর্ব লাগলো।শতকোটি প্রণাম নেবেন মহারাজ

    ReplyDelete
  40. অসাধারণ লাগলো অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পাচ্ছি আপনার ধারাবাহিক রচনা থেকে। জয় মহাপ্রভু। 🙏🙏🙏আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।

    ReplyDelete
  41. অপূর্ব সুন্দর লেখা।পড়ে মন ভরে যায়।প্রভুর কৃপা।

    ReplyDelete
  42. প্রণাম নেবেন আচার্য দেব মহারাজ আপনার মতো আচার্য পেয়ে আমরা ধন্য।কত কিছু জানছি।এও বোধহয় তাঁর ই ইচ্ছা।

    ReplyDelete
  43. প্রনিম নেবেন মহারাজ। খুব সুন্দর লাগছে।

    ReplyDelete
  44. মেরেছো কলসীর কানা, তাই বলে কি প্রেম দেবোনা....
    🙏🙏🙏প্রাণাম গুরুজী🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  45. Khub sundor laglo moharaji apnar lekhoni,Joy mohaprovu, Joy takur Joy maa Joy swamiji Joy moharaji sabaike Amat antorik shrodda o pronam janai,sadhana Sharma from raghudevpur panchala

    ReplyDelete

Post a Comment