ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
© --- স্বামী হরিময়ানন্দ
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
==================পর্ব-১৭==============
ঈশ্বরপুরীজীর দেহত্যাগ
শ্রীচৈতন্যদেবের দীক্ষাগুরু
ছিলেন শ্রীমদ্ ঈশ্বরপুরী মহারাজ। তাঁর কাশীশ্বর ও গোবিন্দ নামে দু-জন খুব বিশ্বস্ত
সেবক ছিল। পুরীজী দুই সেবককে বলে দিয়েছিলেন যে তাঁর দেহত্যাগের পর তারা দু-জনে যেন চৈতন্যদেবের
সেবা করেন। চৈতন্যদেবের তীর্থ ভ্রমণ থেকে ফেরার কিছু কাল পর গোবিন্দ পুরীতে আসেন। তিনি পুরীজীর দেহত্যাগের খবর মহাপ্রভুকে জানান। এবং আরও জানান, কাশীশ্বর তীর্থ দর্শনে গিয়েছে, সে ফিরে এলে দু-জনেই তাঁর সেবায় রত হবেন। মহাপ্রভু
পুরীজীর দেহত্যাগের সংবাদ শুনে খুবই দুঃখ পেলেন। এবং চোখের জলে গোবিন্দকে আলিঙ্গন করে
বললেন তাঁর প্রতি গুরুর অসীম কৃপার কথা। আর বললেন, 'আপনি আমার
গুরুদেবের সেবক, অতএব আমার পরম-পূজ্য, আপনাকেই আমার সেবা করা কর্তব্য। আপনার সেবা আমি
কিভাবে গ্রহণ করব?'
গোবিন্দ ব্যাকুল ভাবে
অনুরোধ করে বলতে লাগল এবং এটি যে পুরীজীর আদেশ
তা পালন করা তার কর্তব্য সে কথাও জানাল। ফলে তাকে তা পালন করতেই হবে। অবশেষে মহাপ্রভু
নিরুপায় হয়ে এক দিকে গুরুর আদেশ ও অন্যদিকে
ভক্তদের অনুরোধ বিবেচনা করে, গোবিন্দের অনুরোধ রক্ষা করতে সম্মত হলেন। সেই থেকে
গোবিন্দ ছায়ার মতো সব সময় মহাপ্রভুর সঙ্গে থাকতেন ও প্রাণ দিয়ে তাঁর সেবা করতেন।
এদিকে গোঁড়া ব্রাহ্মণ
সার্বভৌম পণ্ডিত অব্রাহ্মণ গোবিন্দকে দিয়ে মহাপ্রভুর সেবা করাতে ঠিক পছন্দ করতেন না। চৈতন্য মহাপ্রভুর কাছে জাতি-ভেদ, উচ্চ-নীচ ইত্যাদি
সামাজিক বৈষম্যের কোন মূল্য ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন ঈশ্বর-লাভের পথে যে সব বাধা - লোভ, মোহ, ক্রোধ -অহংকার ইত্যাদি, ত্যাগই সন্ন্যাসীর পরম গৌরব। বাহ্যিক আড়ম্বর
বা লোক দেখানো ভাব তিনি একদম পছন্দ করতেন না। অন্তরের নিষ্ঠা ও অনাসক্তিকে খুব প্রশংসা
করতেন।
ব্রহ্মানন্দ ভারতী
ওই সময়ে পুরীতে এক প্রবীণ সন্ন্যাসী থাকতেন, নাম ব্রহ্মানন্দ ভারতী
। তিনি লোকমুখে চৈতন্যদেবের মহত্ত্বের কথা শুনেছেন। একদিন দেখা করতে এলেন। তিনি মৃগচর্মের
বসন পরেছিলেন। মহাপ্রভু একবার তাকিয়ে দেখলেন কিন্তু পোশাক দেখে সন্তুষ্ট হলেন না। ত্যাগ
বৈরাগ্যের গুরুত্ব না দিয়ে ত্যাগের আড়ম্বরে বেশি গুরুত্ব দেওয়াতে তাঁর মনে কষ্ট হয়েছে।
এদিকে ব্রহ্মানন্দ ভারতী চৈতন্যদেবের মনের ভাব বুঝতে পারলেন যে, এই মৃগচর্মের পোশাক পরা তিনি পছন্দ করছেন না। মনের
ভাব বুঝতে পেরে প্রবীণ সন্ন্যাসী সঙ্গে সঙ্গে চর্মের পোশাক ছেড়ে গেরুয়া কাপড় পরেন।
এর পর দু জনে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়। চৈতন্যদেবের
উদার ও মহান হৃদয়ের পরিচয় পেয়ে ব্রহ্মানন্দজীর চিত্ত মুগ্ধ হয়।
স্নানযাত্রা
দেখতে দেখতে শ্রীজগন্নাথের
স্নানযাত্রা এসে গেল। মহাপ্রভু ও অন্যান্য ভক্তরা স্নানযাত্রা উৎসবে যোগ দিলেন। ১০৮ ঘট জল দিয়ে শ্রীজগন্নাথের স্নান হয়।
স্নানযাত্রার পর শ্রীজগন্নাথের দর্শন বন্ধ থাকে। এই সময় শ্রীজগন্নাথের জ্বর হয়। প্রায় দু সপ্তাহ দর্শন বন্ধ থাকে। নব কলেবরের সময় ৪৫ দিন দর্শন হয় না। মহাপ্রভু ঐ সময় তাই আলারনাথে# গেলেন কিছু দিন থাকবেন বলে। আলারনাথে দর্শন করলে শ্রীজগন্নাথের
দর্শনের ফল হয়। এখনও ভক্তরা তাই স্নান-যাত্রার পর যখন ‘অনবসর’ কাল চলতে
থাকে তখন আলারনাথে দর্শন করেন।নিত্য দর্শনের জন্য মহাপ্রভু আলারনাথে রয়েছেন, কিন্তু
এর কিছুদিনের মধ্যেই খরব এলো যে, নবদ্বীপ থেকে
বেশ কিছু ভক্ত পুরীর অভিমুখে আসছে। উদ্দেশ্য চৈতন্যদেবকে দর্শন করবে। এই সংবাদ পেয়ে মহাপ্রভু তাড়াতাড়ি পুরীতে ফিরে আসেন।
গৌড়ীয় ভক্তদের পুরী যাত্রা
নবদ্বীপ থেকে বহু ভক্ত,
আচার্য অদ্বৈত, শ্রীবাস প্রমুখ সকলে করতাল, শিঙ্গা, ইত্যাদি সহযোগে সংকীর্তন করতে করতে
দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে পুরীর কাছাকাছি 'আঠারো নালার' কাছে এসে পৌঁছেছেন। এই খবর পেয়ে তিনি
মহা-প্রসাদ ও মালাচন্দন সঙ্গে নিয়ে দামোদর স্বরূপ ও গোবিন্দকে পাঠালেন, ভক্তদের সাদরে
নিয়ে আসতে। নিত্যানন্দ প্রভুও তাঁদের সঙ্গে
গেলেন।
ঐ সময় রাজা প্রতাপরুদ্র পুরীতে ছিলেন। গৌড়দেশ থেকে প্রায় দুশ ভক্ত রথের
সময় আসবেন – এই খবর পেয়ে রাজা খুবই আনন্দিত হলেন।
ভক্তদের যাতে পুরীতে থাকা খাওয়ার কোন অসুবিধা না হয় তার ব্যবস্থাও পরম সৌভাগ্য বোধে
করলেন।
মহা সংকীর্তনে আকাশ বাতাস যেন কেঁপে উঠতে লাগল। যখন
সংকীর্তন ক্রমে পুরীতে প্রবেশ করল, চারিদিক থেকে লোক ছুটে এলো। সে এক দিব্য পরিবেশ রচিত হল। সকলে আনন্দিত হৃদয়ে
ঘন ঘন জয়ধ্বনি করতে লাগল। মহারাজ প্রতাপরুদ্র সেই অদ্ভুত কীর্তন প্রাসাদের উপর থেকে
দেখতে লাগলেন। রাজা মন্তব্য করেছেন –
'কোটি সূর্যসম সবার উজ্জ্বল
বরণ।
কভু নাহি শুনি এই মধুর
কীর্তন।।'
স্বয়ং মহাপ্রভু এগিয়ে
এলেন ভক্তদের অভ্যর্থনা করতে। পুরনো অন্তরঙ্গদের সংগে মিলিত হয়ে অন্তরে অতুল আনন্দের
সঞ্চার হল। ভক্তদের থাকার ব্যবস্থা করাই ছিল। যে যার স্থানে চলে গেল। মহাপ্রভুও নিজ
কুটীরে ফিরে এলেন।
ভক্ত হরিদাসের কথা আমরা
আগেই বলেছি। সকলকে দেখতে পে্লেও হরিদাসকে মহাপ্রভু দেখতে পেলেন না সমবেত ভক্তদের মধ্যে।
পরে সন্ধান নিয়ে জানতে পারলেন হরিদাস পুরীতে এসেছেন কিন্তু দূরে বড় রাস্তার ধারে বসে
হরিনাম করছেন। চৈতন্যদেব তাড়াতাড়ি লোক পাঠালেন তাকে নিয়ে আসবার জন্য। কিন্তু হরিদাস
নিজেকে খুব হীন মানুষ বলে মনে করেন। কী করে তিনি মন্দিরে যাবেন? তিনি যে অতি নীচ জাতি। মহাপ্রভুর আদেশ নিয়ে ভক্তেরা
বার বার অনুরোধ করলেন যাতে তিনি মহাপ্রভুর কাছে আসেন। ভক্তের
আবার উচ্চ-নীচ কী?
অনুরোধ করা সত্ত্বেও
হরিদাস রাজি হলেন না। বরং বললেন টোটার ( বাগান) কাছে থাকবেন। সেই মতো কাশী মিশ্রকে
বলে মহাপ্রভুর কুটিরের কাছে অতি নির্জন একটি কুটির তৈরি করা হল। এখন যেখানে সিদ্ধবকুল
বলে, এইটি সেই স্থান। মহাপ্রভু নিজে গিয়ে হরিদাসকে কুটিরে নিয়ে এলেন। বহু কাল পর অন্তরঙ্গকে
দেখতে পেয়ে দু জনে গভীর প্রেম আলিঙ্গনে আবদ্ধ হলেন। হরিদাসের থাকার ও খাওয়ার সুব্যবস্থা
হয়েছে জেনে মহাপ্রভু আনন্দিত হলেন।
সকল ভক্তেরা
মিলে সমুদ্রে স্নান করলেন। সমুদ্র স্নানের পর শ্রীজগন্নাথ দর্শন করবেন ঠিক করলেন। কিন্তু
এই সময় অর্থাৎ স্নান যাত্রার পর শ্রীজগন্নাথ দেবের দর্শন বন্ধ থাকে, তাই শ্রীমন্দিরের
চূড়া দর্শন করে প্রণাম করলেই শ্রীজগন্নাথদেবকে প্রণাম করা হয়। সকলে তাই মন্দিরের চূড়া
দেখে দূর থেকে প্রণাম করে এলেন। প্রসাদের জন্য পাতা দেওয়া হয়েছে। ভক্তেরা সকলে বসলে
মহাপ্রভু নিজ হাতে পরিবেশন করলেন।ভক্তদের পাতে প্রসাদ দেওয়া হলেও কেউ কিন্তু খেলেন
না। চুপ করে বসে থাকলেন। ভক্তদের ইচ্ছা যে মহাপ্রভুও একই সংগে প্রসাদ গ্রহণ করেন। তিনি
না বসলে কেউ খাবেন না।
বৈষ্ণব ভক্ত ছাড়াও সাধু
মহাত্মাদের প্রসাদেও ব্যবস্থা হয়েছে।ভক্তদের মনের ভাব বুঝতে
পেরে হরিদাসের কুটিয়াতে প্রসাদ পাঠিয়ে দিলেন। নিত্যানন্দ প্রভু, ব্রহ্মানন্দ ভারতী
প্রভৃতি সন্ন্যাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহাপ্রভু প্রসাদ গ্রহণে বসলেন। আচার্য গোপীনাথ সানন্দে
পরিবেশন করলেন। ভক্তদের পরিবেশন করলেন স্বরূপ দামোদর ও জগদানন্দ।
জয়ধ্বনি দিতে দিতে সকলে
মহানন্দে প্রসাদ গ্রহণ করলেন। ©
-------------------------------------
#বর্তমানে আলারনাথ নামে অধিক পরিচিত। কিন্তু পুরনো
গ্রন্থে আলালনাথ নামের উল্লেখ রয়েছে। এই শব্দটি এসেছে আলওয়ার (Alvar) শব্দ থেকে। আলওয়ার থেকে পরিবর্তন হয়ে 'আলার' বা 'আল্বার' (Alvar) হয়েছে।
ব্রহ্মগিরিতে আলালানাথ নামে তখন একটি গ্রামও ছিল। বিষ্ণ মন্দিরে শঙ্গখ,চক্র, গদা,
পদ্ম চারহাতের মূর্তি রয়েছে এখানে। আলালনাথ নামে একটি শিব মন্দিরও রয়েছে এখানে। মহাপ্রভুর সময়ে আলালোণাথ নামটি প্রচলিত ছিল। পাঠকের বোঝার সুবিধার জন্য আমরা 'আলারনাথ' ব্যবহার করলাম।]

অনন্ত শ্রদ্ধায় অসংখ্য প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteঅপূর্ব " ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য "
লেখাটি 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
Pranam Prabhuji, khubi bhalo lagche, Bhaktir Abatar Sri Chaitanya Maha Prabhur jiban barnana (17). Adhay ti pare mugdha halam, Sri Jagannath khetre tnar sradhya o bhakti, bhakta seba amader mugdha kare, anek na jana tathya apnar sundar lekhati pare amra jante parchi, bhalo lagche.
DeleteAmader antorik sradhya o kritagyata janai.
🌺🍀🌺🙏🙏🙏🌺🍀🌺
জয় চৈতন্য মহাপ্রভুর জয় 🙏সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ 🙏।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে নমস্কার অতি বিনয়ের সাথে বলছি অতি দূর্লভ এ সকল তথ্য। ঠাকুর মন্গল করুন।
DeleteAsadharan....mahaprabhurjibani
ReplyDelete17 tam adhya....bhison bhalo laglo.....anek kichu ajana chilo...
Jante pere bhison bhalo lagche..parabarti angsher janya
Apekhay railam...joy mahaprabhur🙏pranam maharajji...🙏🙏jaya choudhury...
অপুর্ব ব্যাখ্যান খব ভালো লাগলো এই সব জানতে পেরে, এটা ভেবে আশ্চর্য লাগে যে আমাদের জ্ঞান কত পরিসিমিত, আমরা এত দিন শুধু সময়ের অপব্যবহার করেছি, আপনাকে অসংখ্য প্রনাম।
ReplyDeleteখুব সুন্দর সহজ সরল করে লেখা, পড়তে খুব ভালো লাগছে, অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পাচ্ছি।
ReplyDeleteজয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর 🌷💥🙏
সশ্রদ্ধ প্রণাম গুরু আচার্যদেব মহারাজজীর শ্রীচরণ পাদপদ্মে 🌷💥🙏
Voktir Abotar Shree Chaitanya Dever jeeboni pore darun Ananda pachhi etto sundor laglo Apnar lekha pore
ReplyDeleteRena Banerjee
ReplyDeleteখুবই ভাল লাগছে একের পর এক অজানা তথ্য পড়ে মহাপ্রভুর সম্পর্কে
ReplyDeleteপ্রনাম চৈতন্য দেব
সুব্রত ঘোষাল মুম্বাই
Khub valo laglo pore. Pronam neben, maharaj.
ReplyDeleteSanchita Banerjee
খুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি সেটা সম্ভব হয়েছে আপনার শ্রী চরণে এসেছি বলে। আপনার মতন সাধু পাওয়া দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteকি ভালো লাগছে মহারাজ যত পড়ছি ততই আরও মহাপ্রভুর সম্বন্ধে জানার আগ্রহ বাড়ছে ll
পূর্ণিমা মুখার্জী / পাইকপাড়া l
Apurba vakti vab niye sri Chaitanya Mahapravu r jiban katha nibedan karechen Maharaj anek amulya bisoy jante pere nijeke dhanya mane kari apni sabaike valo thakben Maharaj amar antarik vakti nibedan kari🙏🌷
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগলো প্রনাম জানাই মহারাজ জী কে। 🌺🙏🏼🙏🏼🙏🏼🌺
ReplyDeleteJoy Shree Shree Chaitanyo Mahaprabhu 🌻🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌷 🙏. Swang Mahaprabhu r 17th porbo porey mugdho holam, Maharajji 🌷🙏. Maharajji, amra o ei lekhoni r madhyomey Mahaprabhu r prashad darshan korey grohon korey dhonyo holam. Jotoi porchi totoi anondey mon pran vorey utchey, Maharajji 🙏🙏. Abhumi naman,Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ জয় মহাপ্রভুর জয় প্রনাম । প্রনাম মহারাজ জী ৷ রুনা পালিত '
ReplyDeleteমহারাজ,এই সমস্ত দুষ্প্রাপ্য ঘটনাগুলোর সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে যাচ্ছেন তা এককথায় অপূর্ব।
ReplyDeleteশ্রদ্ধাসহ ভক্তিপূর্ন প্রণাম নেবেন।
রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য। ইছাপুর।
"ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য " লেখাটি পড়ে আরও অজানা তথ্য জানতে পারলাম মহারাজ,, এ যেন এক দূর্লভ ধন!, শুধু আধ্যাত্মিকতাই নয়, ভারতের ইতিহাসের নিরিখেও এই তথ্য সমৃদ্ধ লেখা অত্যন্ত মুল্যবান, এই লেখাটি বই আকারে প্রকাশিত হলে খুব ভালো হয়। 🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏🏼
লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারছি। খুব ভালো লাগছে । আরো অনেক কিছু জানতে পারবো অপেক্ষা করে থাকবো। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
প্রণাম মহারাজ জী 🙏 প্রত্যেকটি পর্ব ই অপূর্ব , অনেক নতুন নতুন তথ্য যা আগে পড়নি সেই সব জানতে পারছি, মনে মনে সেই সময়ে র ছবি আঁকার চেষ্টা করি, নিত্যানন্দ সম্বন্ধে আর কিছু জানতে ইচ্ছা করে, আগামী পর্বে র অপেক্ষায় থাকলাম 🙏
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
মহাপ্রভুর কথা যতই জানতে পারছি ততোই আনন্দ হচ্ছে ৷ প্রণাম মহারাজ ৷
ReplyDeleteসীমা আচার্য বারাণসী ৷
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের সম্বন্ধে যত জানতে পারছি তত ভালো লাগছে ।তার সাথে আপনি আমাদের বোঝাবার জন্য যে ছবিগুলো ব্যবহার করেছেন ,যিনি এই অঙ্কনগুলি করেছেন ,অপূর্ব ।আপনি ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন ।
ReplyDeleteঅজানা তথ্য সমৃদ্ধ মহাপ্রভুর জীবনী লেখাটি পড়তে খুবই ভালো লাগছে মহারাজ🙏🌼ভক্তিপূর্ণ প্রনাম🙏🌼
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ , খুব সমৃদ্ধ হলাম , কত কি যে জানতে পারছি আপনার কৃপায় , আশীর্বাদ করুন যেন আপনার দেখানো পথে চলতে পারি ।।।।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ🙏🙏।আপনার সান্নিধ্যে এসে অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পারছি।জানার আগ্রহ আরও বাড়ছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখাজ্জী।দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteরীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর।
🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগছে,কত জানতে পারছি আমরা,আপনার মত আচার্য পেয়ে আমরা ধন্য।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDelete🙏 সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ। এত সাবলীল বর্ননা পড়তে পড়তে মুহূর্তে সেই জগন্নাথ পুরী ধামে পৌঁছে যাই, সেই সময় যখন মহাপ্রভু বিরাজমান। অনেক না জানা তথ্য উদ্ভাসিত হল।🙏
ReplyDeleteজয় শ্রী মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের।রাজা প্রতাপের কীর্তনের বর্ননা ভীষণ ভালো লাগলো।আহা, সেই অপূর্ব দৃশ্য আপনার লেখার মাধ্যমে জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো।পরম পূজনীয় লেখক আচার্য দেবকে ধন্যবাদ ও প্রণাম জানাই। কৃতজ্ঞতা জানাই।নাম বিনু চক্রবর্তী বাড়ি মালদা ।জয় মা
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো নতুন ভাবে কত কিছু জানতে পারছি। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।।
ReplyDeleteজানার মাঝেও যে কত অজানা থেকে যায় আপনার এই লেখাটিই তার প্রমাণ।আমাদের জনাটা জ্ঞান,আর আপনি যা দিচ্ছেন তা হল বিজ্ঞান।
ReplyDeleteপ্রণাম জানাই
Manoranjan Ghoshal Jhargram
প্রণাম নেবেন মহারাজ।মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের 17 তম পর্ব পড়লাম। মহাপ্রভু সম্বন্ধে কত জানছি,আপনার সুন্দর লেখায়। প্রতিটি ঘটনা,জায়গা কোন বাদ দেন নি। খুব খুব ভালো লাগছে মহারাজ 🙏🌺🙏🌺🙏
ReplyDeleteLekhata pore khub bhalo laglo. Chaitanya de ver ai dirgha jiban sampurnabhabe ishware nibedita chhilo. Emon bhav durlav. Anande matwara hoye thakten. Pronam neben maharaj. Krishnadey, jamshedpur.
ReplyDeleteচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী ধারাবাহিক ভাবে পড়ে কত কিছু জানতে পারছি। এক নিঃশ্বাসে সম্পূর্ণ পর্ব গুলো পড়া হয়ে যায়। এত সহজ সরল করে সাধারণের বোঝার উপযুক্ত করে লেখেন বলেই এত ভালো লাগে আমাদের মহারাজ। আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ। 🙏
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন
🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷
Khub valo laglo pronam maharaj ji Aparna Roy chowdury
DeleteMaharajji apni amar Bhaktipurno pronam neben. Mahaprobhu r jeebon er
ReplyDeleteOnek katha Jene ridhho holam . 🙏
Bhoktir Abotar SreeChaitanyodeb lekhati porlam apurbo laglo
DeleteBhokti purno ananto koti abhumi lunthito pronam grohan korben Maharj 🙏🙏🙏🙏🙏
Iti Sardar
pronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল মহারাজ আপনি আমার প্রণাম গ্রহন করবেন। 🙏🙏🙏🙏🙏 মুকুলিকা মণ্ডল , তেঘরিয়া
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব। আপনার কৃপায় শ্রীচৈতন্যদেব সমন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি।আশায় রইলাম আরো জানার।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Pranam Maharaj
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.