ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
-- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
ধারাবাহিক রচনা
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
==============পর্ব-১৫===============
মহাপ্রভু এবার চললেন
মহারাষ্ট্র দেশ ছেড়ে সৌরাষ্ট্রের দিকে। সুপ্রসিদ্ধ সোমনাথ মন্দির দর্শন করলেন। যার
অতুল ধনরাশি মুসলমান আমলে লুণ্ঠিত হয়েছে। মহাপ্রভু তাই সোমনাথ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ
দেখে খুব দুঃখ পেয়েছিলেন। সমুদ্র উপকুলে একে একে গির্ণার, প্রভাস, সুদামাপুরী বা অধুনা
পোরবন্দর ও দ্বারকা দর্শন করলেন। গির্ণারের রাস্তা খুব দুর্গম। অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে
মা কালীর মন্দির, দত্তাত্রেয়ের চরণপাদুকা ও গোরক্ষনাথের সাধনস্থান প্রভৃতি দর্শন করতে
হয়। দুর্গম রাস্তায় এক রুগ্ন সাধুকে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে নিজের সেবককে দিয়ে
ওই সাধুর সেবা শুশ্রুষা করিয়েছিলেন। সাধু একটু
সুস্থ হয়ে কিছু দূর চৈতন্যদেবের সঙ্গে তীর্থভ্রমণও করেন।
দ্বারকাতে এসে তাঁর
আনন্দের সীমা পরিসীমা রইল না। গোমতী নদীতে স্নান করে ও শ্রীভগবানের দর্শন করে তিনি
ভজন কীর্তনে মেতে উঠলেন। তাঁর অপূর্ব রূপ লাবণ্য ও ভাব-ভক্তি দেখে বহু মানুষ আকৃষ্ট
ও ভক্ত হয়ে উঠল। তিনি সকলের সঙ্গে মিশে মানুষের মধ্যে ধর্মভাব ও ভক্তি প্রচার করতে লাগলেন।
একদিন দ্বারকাতে মন্দিরে
অনেকে প্রসাদ গ্রহণ করছেন দেখে কিছু গরিব, অন্ধ, কাণা খোঁড়া প্রসাদের আশায় একপাশে এসে
দাঁড়ায়। মহাপ্রভুর দৃষ্টি এড়িয়ে যায়নি। তিনি ছুটে গিয়ে গরিব মানুষদের সযত্নে বসালেন
এবং নিজ হাতে ভাল ভাল প্রসাদ পরিবেশন করলেন। খুব তৃপ্তি করে তারা প্রসাদ গ্রহণ করল। এই দেখে মহাপ্রভু
খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন।
এরপর তিনি এলেন পম্পা
সরোবরে (কিষ্কিন্ধ্যা )। সরোবরে স্নান করে তীর্থ দর্শন করেন। এরপর অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের
ভেতর দিয়ে স্থানীয় মন্দির ইত্যাদি দর্শন করতে করতে এলেন বিদ্যানগর বা রাজমুন্দ্রীতে।
এখানে রামানন্দ রায়ের সঙ্গে আবার দেখা হয়। এই রাস্তা ছিল খুব দুর্গম ও বিপজ্জনক। বিভিন্ন স্থানে
ডাকাত ও অসভ্য ভীল-দস্যুদের কবলে পড়েছিলেন। মহাপ্রভুর ভক্তিভাব দেখে ভীলরাও মোহিত হয়েছিলেন। তারাও ভগবানের নাম করতে শুরু করেছিলেন।
জঙ্গলের পথে কোন লোকালয়
না থাকায় ভিক্ষা পাওয়াতে খুব অসুবিধা হত। একবার দু দিন উপবাসের পর সেবক কিছু আটা জোগাড়
করলেন। ঐ আটা দিয়ে রুটি তৈরি করে গ্রহণ করতে যাবেন এমন সময় এক দরিদ্র মহিলা
এসে হাত বাড়ালেন। মহাপ্রভু খুব আনন্দের সঙ্গে ঐ খাবার তাকে দিয়ে নিজে কিছু না খেয়ে
থাকলেন। পথে এক জায়গায় তাঁর সেবার জন্য মানুষ
প্রচুর জিনিসপত্র নিয়ে আসেন। তিনি দেখলেন সামনে গাছের নিচে একটি অসহায় বৃদ্ধা। সব জিনিস
পত্র ওই বৃদ্ধাকে দিয়ে দিতে আদেশ করেছিলেন।
রাজমুন্দ্রীতে রামানন্দ
রায়ের সংগে মিলিত হয়ে আগেই মতোই ঈশ্বরীয় প্রসঙ্গ চলতে লাগল। দক্ষিণ দেশ ঘুরে আসতে চৈতন্যদেবের
প্রায় দু বছর লাগে। এর মধ্যে রামানন্দ রাজকর্ম থেকে অবসর নিয়েছেন। রাজা প্রতাপরুদ্রের
কাছ থেকে অনুমতি পেয়েছেন যে তিনি পুরীতে বাস করবেন। চৈতন্যদেব এই সংবাদে খুবই আনন্দিত
হলেন। এবং দু জনে একসাথে পুরী যাওয়ার কথা জানালেন। এই প্রস্তাবে রামানন্দ সবিনয় জানালেন
যে, তিনি সন্ন্যাসী তাই তাঁর এই সব লোকজন, আড়ম্বর, কোলাহল ভালো লাগবে না। তাই তিনি
অনুরোধ করলেন মহাপ্রভু যেন আগে পুরীতে চলে যান। রামানন্দ রায় কাজ মিটিয়ে দিন দশেকের মধ্যে
পুরীতে এসে থাকবেন।

সেই মত মহাপ্রভু রাজমুন্ড্রী
থেকে আলারনাথে আসেন। এই খবর পুরীতে এসে পৌছলে ভক্তরা খুবই আনন্দিত হন। নিত্যানন্দ,
সার্বভৌব, মুকুন্দ, জগদানন্দ ও দামোদর প্রভৃতি
ভক্তগণ দ্রুত শ্রীজগন্নাথের প্রসাদী মালা, মহাপ্রসাদ প্রভৃতি নিয়ে আলারনাথে হাজির হন।
বহুদিন পর আবার অন্তরঙ্গদের পেয়ে পরস্পর প্রেমালিঙ্গন করলেন। শ্রীজগন্নাথের প্রসাদী
মালা ও মহাপ্রসাদ সানন্দে গ্রহণ করলেন। শ্রীজগন্নাথের কৃপাতেই এই কঠিন তীর্থ যাত্রা সুসম্পন্ন হয়েছে।
সকলে নাম গুণ কীর্তন
করতে করতে পুরীর পথে আসতে থাকেন। পুরীতে এসে শ্রীজগন্নাথকে দর্শন ও বারবার ভূলুণ্ঠিত
হয়ে প্রণাম করলেন। দু বছর পর দর্শন করে অন্তর প্রেমে পূর্ণ হয়ে উঠল।
দীর্ঘ পরিক্রমায় মহাপ্রভু দেশ ও সমাজের দুরবস্থা এবং
তৎকালীন অবস্থা সম্বন্ধে অনেক অভিজ্ঞতা লাভ করেন। সব জায়গায় দেখলেন, মানুষ শ্রুতি -স্মৃতি ভুলে
আচার অনুষ্ঠানে বেশি মন দিয়েছে। আবার নির্গুণ ব্রহ্মবাদীরা ব্রহ্মবাদের দোহাই দিয়ে
ঘোর নাস্তিকে পরিণত হয়েছে। ভক্তিপথ অবলম্বন করতে গিয়ে ঘোর পৌত্তলিক হয়ে পড়েছে। লোকে
মানব জন্মের চরম সার্থকতা নিয়ে ভাবে না। নিজ স্বার্থসিদ্ধি ও সম্প্রদায় নিয়ে ব্যস্ত।
অসংখ্য মন্দিরে কেবল প্রাণহীন আচার অনুষ্ঠান। আসল জিনিস বাদ দিয়ে কেবল খোসা নিয়ে টানাটানি।
ধর্মের এই গ্লানি নিজের চোখে দেখে তিনি সহজ সরল উপাসনা, ত্যাগ, বৈরাগ্য ও ভগবানের নাম-মাহাত্ম্য
প্রচার করলেন। তাঁর সান্নিধ্যে যারা এসেছে তাদেরকে তিনি ধর্মের মূল লক্ষ্য যে ভগবান লাভ এ কথা বুঝিয়েছেন। অনেকেই তাঁর পবিত্র সঙ্গলাভে ধন্য হয়েছেন। ©
ক্রমশ......।
======================পর্ব-১৬ ================
পুরীতে ফিরে এলেন
তীর্থ যাত্রার আগে মহাপ্রভু
পুরীতেই থাকতেন। কিন্তু ঐ সময় মহারাজ প্রতাপরুদ্র বিজয় নগরে থাকতেন । যুদ্ধ বিগ্রহ
নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকতে হত। এখন তিনি পুরীতে ফিরে এসেছেন। সন্ন্যাসীর কথা, বিশেষ করে
তাঁর ঈশ্বরীয় ভাবের কথা তিনি শুনেছেন। এমন
অদ্ভুত সন্ন্যাসীর সঙ্গে দেখা করার জন্য রাজা খুবই আগ্রহী। রাজসভার পণ্ডিত বাসুদেব
সার্বভৌমকে রাজা জানালেন যে, এই সন্ন্যাসীকে
যে ভাবে হোক পুরীতে রাখাই উচিত ছিল। আদর যত্ন ও সেবার দ্বারা তাকে এখানে রাখতে হবে।
কিন্তু রাজা জানবেন কী করে যে, এই সন্ন্যাসী
কোনও সাধারণ সন্ন্যাসী নন। তিনি এক স্বতন্ত্র
পুরুষ, কঠোর ত্যাগী, বাহ্য সুখ সুবিধার অপেক্ষা রাখেন না। কোন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে
আটকে রাখা অসম্ভব।
শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের
কাছে কাশী মিশ্র নামে এক ভক্তের বাড়ির কাছে একটি মনোরম বাগানের মধ্যে পৃথক একটি কুটীর নির্দিষ্ট করা হল
মহাপ্রভুর থাকার জন্য।
প্রায় দু বছর দক্ষিণ
ভারতের বিভিন্ন তীর্থ ভ্রমণ করে কুটিরেই স্থির
হলেন ও সাধন ভজন নাম সংকীর্তনে মন দিলেন। কাশী মিশ্র মহাসৌভাগ্যবান ও ধন্য, যে এই সেবা
তিনি করতে পেরে ছিলেন। সার্বভৌমও যথাসাধ্য নজর রাখতেন মহাপ্রভুর সেবার যাতে কোন অসুবিধা
না হয়।
এ দিকে নবদ্বীপে মা
শচীদেবী , অদ্বৈতাচার্য সহ অন্যান্য সকলেই মহাপ্রভুর তীর্থ ভ্রমণের পরে ফিরে আসার সংবাদ পেলেন।
মহাপ্রভুর ইচ্ছা এ বছর রথের সময় সকলে যেন নবদ্বীপ থেকে পুরীতে আসেন, তবে সকলের সঙ্গে
তাঁর দীর্ঘ দিনের পর দেখা সাক্ষাৎও হবে।
সার্বভৌম পুরীর বিশিষ্ট মানুষ যারা ছিলেন একে একে
সকলের সঙ্গে মহাপ্রভুর পরিচয় করিয়ে দিতে লাগলেন। সকলেই সরল ও ভক্তি ভাবে পূর্ণ ও পরম
জ্ঞানী সন্ন্যাসীর সান্নিধ্যে খুবই আকৃষ্ট হলেন। এই ভাবে শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে জনার্দন,
কৃষ্ণদাস, শিখি মাইতি ও তার ভাই মুরারি মাইতি, প্রদ্যুম্ন মিশ্র ও প্রধান পূজারী প্রহরাজ
মহাপাত্র সকলেই মহাপ্রভুর ভক্ত হয়ে উঠলেন।
রাম রামানন্দের কথা আগেই বলা হয়েছে। তাঁর পিতা ভবানন্দ
রায় পট্টনায়ক তখন পুরীতে বাস করতেন। তিনি একদিন মহাপ্রভুর কাছে এসে তাঁর চরণ বন্দনা
করেন ও সেবার অধিকার প্রার্থনা করেন । ভবানন্দ রায়ের বিশেষ আগ্রহে তাঁর ছোট ছেলে বাণীনাথকে
মহাপ্রভুর কাছে থেকে সেবার জন্য ঠিক করেন। বাণীনাথ চৈতন্যদেবের কাছে থেকে প্রয়োজন মত
সেবা করত।
নবদ্বীপে ও শান্তিপুরে
সকলের মনে বেশ আনন্দ। রথের আমন্ত্রণ পেয়ে ভক্তরাও খুব খুশী। শচী মাকে প্রণাম করে তাঁর
আশীর্বাদ নিয়ে শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্য ও অন্যান্য ভক্তেরা পুরী যাত্রা করলেন। খোল
করতাল নিয়ে সংকীর্তন করতে করতে চললেন। পথে আরও কিছু ভক্ত সঙ্গে যোগ দিলেন। এর সংগে যোগ দিয়ে ছিলেন ধ্যান সিদ্ধ সন্ন্যাসী পরমানন্দজী
ও দামোদর স্বরূপ। দামোদর স্বরূপ ছিলেন দশনামী সম্প্রদায়ের ব্রহ্মচারী। অনেক কাল কাশীতে
বৈদান্তিক সন্ন্যাসীর কাছে শাস্ত্র পাঠ করেছিলেন। জন্মস্থান ছিল নবদ্বীপে। চৈতন্যদেবের
থেকে ইনি বয়সে একটু বেশি হলেও ছোট বেলায় উভয়ের বন্ধুত্ব ছিল। শাস্ত্রজ্ঞান তো ছিলই
তা ছাড়া অন্তরে ছিল চৈতন্য দেবের পবিত্র সঙ্গের প্রতি আকর্ষণ। পুরীতে মহাপ্রভু রয়েছেন জেনে তিনিও সেখানে
আসেন।সকলকে এক সঙ্গে পেয়ে
মহাপ্রভুও খুবই আনন্দিত।
রামানন্দ রায় এখন রাজকার্য
থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। এবং রাজা প্রতাপরূদ্র এখন নবীন সন্ন্যাসীর পবিত্র সঙ্গ লাভের
অনুমতি দিয়েছেন রামানন্দকে। সকলের সঙ্গে রায়কে মহাপ্রভু পরিচয় করিয়ে দেন। রায় ও দামোদর
স্বরূপ এই দুজন মহাপ্রভুর বিশেষ অন্তরঙ্গ ছিলেন।
মহারাজ উড়িষ্যার রাজধানী
কটকেই বেশির ভাগ সময় থাকতেন। রথের সময় বা কখনও
অন্য সময়ে সপরিবারে পুরীতে এসে থাকতেন। চৈতন্যদেব ফিরেছেন জেনে তিনিও দর্শন করবার জন্য
সার্বভৌমকে চিঠি দিয়ে জানালেন। অনুমতি নেওয়ার জন্য সার্বভৌম হাজির হলেন মহাপ্রভুর কাছে।
কিন্তু তিনি রাজদর্শনে অনিচ্ছুক জানালেন। সার্বভৌম মহাপ্রভুর অনিচ্ছার কথা মহারাজকে
জানালেন। এই সংবাদ রাজাকে খুবই ব্যথিত করেছিল। পুনরায় অনুরোধ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন
সার্বভৌমকে। কিন্তু কোন ভাবেই মহাপ্রভু রাজি হলেন না বরং বার বার একই অনুরোধ করাতে
তিনি খানিকটা বিরক্ত হয়েছিলেন।
অবশেষে নিত্যানন্দ এক
পরামর্শ দেন। চৈতন্যদেবের ব্যবহৃত গেরুয়া বস্ত্র সেবকের কাছ থেকে চেয়ে তা রাজার কাছে
পাঠানো হয়। প্রসাদী বস্ত্র পেয়ে রাজা খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন। রাজার অন্তরে যে কেবল
শাসন ক্ষমতা বিদ্যমান তা নয়, তাঁর অন্তরে ভক্তি, শ্রদ্ধা বিশ্বাস ,সেবা, পরোপকার
ইত্যাদি সৎগুণের অভাব নেই এ কথা রামানন্দ মহাপ্রভুকে জানলেন।
একদিন রামানন্দ যুবরাজকে
সঙ্গে নিয়ে চৈতন্যদেবের দর্শনে আসেন। কিশোর রাজপুত্রের সঙ্গে আলাপ পরিচয়ও হয়। চৈতন্যদেব
রাজকুমারের শ্রদ্ধা ভক্তিতে খুব আনন্দিত হয়েছিলেন। এবং তাঁর মধুর উপদেশ বালকের মনকে
মুগ্ধ করেছিল।
পুত্রের মুখে দিব্যকান্তি
ও স্নেহ পূর্ণ সন্ন্যাসীর কথা শুনে রাজার দর্শনের ইচ্ছা আরও প্রবল হল। কিন্তু সন্ন্যাসী
যদি ‘রাজা’ বলে দর্শনের অনুমতি না দেন , তিনি
সিংহাসন ত্যাগ করে পুত্রের হাতে রাজ্যভার দিয়ে দর্শনে আসতে চান। রাজার মনের অবস্থা
সহজেই অনুমেয়। রামানন্দ ও সার্বভৌম দুজনেই এই অবস্থায় খুব চিন্তায় পড়লেন। তা ছাড়া দেশের
তখন যা অবস্থা যে কোন সময় বহিঃশ্ত্রুর আক্রমণ হতে পারে। গৌড়ের মুসলমান রাজা হুশেনশাহ
তখন দিল্লীর বাদশাহের সাহায্য নিয়ে উড়িষ্যা দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মহাপ্রতাপ রাজা
প্রতাপরূদ্রের সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না।
ফলে
এই সময় রাজ-সিংহাসন ত্যাগ করা দেশের পক্ষে বিপজ্জনক হবে। তীক্ষবুদ্ধি রামানন্দ তাই
ভেবে চিন্তে ঠিক করলেন যেভাবেই হোক রথের সময়
রাজার সঙ্গে চৈতন্য দেবের মিলন ঘটাবেন। সেই মত রাজাকে জানালো হল ও ধৈর্য ধরতে অনুরোধ
করা হল।
--- ক্রমশ
প্রণাম মহারাজ। আপনার লেখার মধ্যে দিয়ে আমরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছি।🙏🙏
ReplyDeletePranam Prabhuji, khub sundar bistarita barnana Chaitannya Mahaprabhu, parba (15). Sakal puja pat, tirtha darshan, sab kichur uddesya ja ekmatra Iswar labh, ta Bhaktir Abatar, Sri Chaitannya Mahaprabhu bujhiyechen. Sundar apnar lekha, mon bhare gelo, antorik sradhya o kritagyata janai. 🌺🙏🌺
Deleteজয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏
Deleteসশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে 🙏।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের বিষয়ে আপনার লেখা গুলো পড়তে প্রণাম মহাপ্রভু শ্রী চরণে প্রণাম মহারাজ 🙏🙏
Deleteদীপা সরকার হাওড়া
Delete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteকৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
মহারাজ আপনার লেখা পড়ে মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভাল লাগল। আরো অনেক কিছু জানতে পারবো আশাকরি ।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
জয় চৈতণ্য মহা প্রভুর জয় 🙏
Deleteসশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ 🙏।
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
Joy Gourango Mohaprovur joi khub valo lage Acharya Guru Moharaj apnar sannidhyo lav kore onek kichu jante parchi apni amar voktipurna sostango pronam neben
Deleteজয় মহা প্রভুর জয়। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏
Deleteখুব সুন্দর লাগলো মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeletePronum janai Thakur Ma Swamijike pronum janai Maharaj apnake , Sree Chaitannadeb samparke 15 tama parber apnar lekhani thheke anek ajajna tathha jantepere khubi anandita , parabarti parber apekshay railum .
DeleteSubhrasree Daw Rishra
27.2.2023
প্রণাম ঠাকুর মা স্বামীজী।প্রণাম মহারাজ। আপনার সান্নিধ্য লাভ করে আজ আমরা ঘরে বসে নানা মহাপুরুষ দের জীবন কাহিনী জানতে পেরে খুব উপকৃত এবং সমৃদ্ধ হচ্ছি। মহা প্রভুর কত লীলা জানতে পারছি। হে প্রভু আমাদের সকলকে আপনার করে নিন।কৃপা করুন প্রভু।নিজেকে যেন উচ্চ স্তরে উন্নীত করতে পারি। শতকোটি প্রণাম জানাই আপনার শ্রী চরনে।
ReplyDeleteJato parchi mon jeno bhorche na. Apurbo byakha. Maharaj ji apni Debdut hoye esechen amader mongoler jonno. Thakur er kache prarthana Kori apni sustho thakun ebong amader ke adhyatmik marge egiye niye chalun.🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteRanjita Mazumder, New Delhi
Jato janchi tatoi samriddha hochhi
ReplyDeletePronam Acharya Deb 🙏🌹
প্রণাম মহারাজ।🙏🙏।খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি আপনার সঙ্গ লাভ করেছি বলে আপনার মত সাধু সঙ্গ দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর জীবনী জেনে।ভালো থাকুন মহারাজ। 🙏
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী🙏🙏🙏
সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
Khub bhalo lahche....Maprabhu sree chaitnya deb er jibani....ato sunder bhabe barnana diyechen.....punkha nupunkha bhabe...jante parchi...amra kritagya.....pranam maharajji🙏..
ReplyDeleteJayavchoudhury....
Khub sundor 💖 pronam maharaj, khub bhalo thakben .
ReplyDeleteপ্রনাম মহাপ্রভুর শ্রীচরণে ৷ প্রনাম মহারজ জী ৷ আবাও অপেক্ষায় থাকলাম . রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻 Achariyo Maharajji, Shree Chaitanyo Maha Prabhu r 15th Porbo er lekhoni porey khubei valo legechey. Swang Maha Prabhu r jibonchoritamrita amader dristipolokey tuley dorechen, opurbo, amra dhonyo Maharajji 👏🙏🏻. Next, aro janer opekhya te acchi Maharajji 👏. Sotokoti Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌻🌿🙏🏻🙏🏻
ReplyDelete🙏🌺🙏
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻খুব সুন্দর।
ReplyDeletePronam maharaj.pore khoob bhalo lagche.🙏
Deleteজয় মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
জয়শ্রী চন্দ ব্যারাকপুর।
Sri Chaitanya Charitamrita kakhano dekhi ni Maharaj shudhu baiee to r name shunechi aj Mahapravu sambandhe apnar sahaj sundar lekha gulo pare satyee anek anek smriddha hayechi Thakur Ma Swamiji r ashim kripay apnar ayee parama sannidhya peye antarik vabe dhanyavaad hayechi joy Thakur joy Ma joy Swamiji joy Guru joy Maharaj 🙏🙏🍂🍂Shampa Dhar Dum Dum Cantonment🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। 🙏🙏🙏
রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর
প্রণাম নেবেন মহারাজ।আপনার প্রতিটি লেখায় মহাপ্রভু সম্বন্ধে খুব সুন্দর বর্ণনা। প্রতিটি স্থানের ওখুব সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। আমরা সবই জানতে পারছি ,খুবই সমৃদ্ধ হচ্ছি উপযুক্ত শিক্ষা গুরু পেয়ে। স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর 🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam neben Maharaj. Lekha pore khub bhalo lagche.
ReplyDeletepronam neben Maharaj🙏🙏
ReplyDeleteশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জয়।মানব জন্মের চরম সার্থকতা ভগবান লাভ সেটা নিয়ে ভাবি না!আসল জিনিস বাদ দিয়ে খোসা নিয়ে টানা - টানি করে মোলাম।হে প্রভু।পরম পূজনীয় লেখক,আচার্য দেবকে প্রণাম জানাই। আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই।আপনার জন্য মহামূল্য বান কথা গুলো জানতে পেরে ভাল লাগে।১১ ও ১৪ পড়ে পড়বো করে,পড়তে পারিনি বের করতে পারছি না। খারাপ লাগছে।নাম - বিনু চক্রবর্তী। বাড়ি- মালদা।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জয় 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteKhub Sundar. 15th parba pare bhalo
ReplyDeleteLaglo. Pranam Maharaj Ji 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
Aponer lekhar madhome Mahaprobhu sombondhye anek ajana thothyo jante parchi bhishon bhalo lagche
ReplyDeleteSampurnotai janar aphekshay roilam
bhokti purno pronam grohan koben Maharaj 🙏🙏
Iti Sardar
প্রণাম মহারাজ,খুব ভালো লাগলো পড়ে,পরের টা পড়বার জন্য অধীর আগ্রহে রইলাম।
ReplyDeleteখুব উৎসাহ নিয়ে পড়ে চলেছি আপনার অপূর্ব উপস্থাপনা
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল
জয় প্রভূ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু 🙏🌷🙏 জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏
ReplyDeleteআপনার সুন্দর লেখনীর মাধ্যমে মহাপ্রভূর জীবনের অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম যে গুলো আপনার লেখা না পড়লে জানতেই পারতাম না। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সহ সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই 🙏🌷🙏 শুভ রাত্রি 🙏🙏 ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🌷🙏 পরবর্তী লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🌷🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏
Khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 এবার একটু দেরি হয়ে গেল লেখাটি পড়তে কিন্তু আজকে র অনুধ্যানে যে অপূর্ব সাবলীল ছন্দে আপনি মহাপ্রভুর জীবন ও কর্ম বর্ননা করেছেন সেটি অনবদ্য, ঠাকুরের অশেষ কৃপা র ফলে আপনার সাধিন্য পেয়েছি।
Deleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
অসাধারণ বর্ণনা। প্রনাম মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ , খুব ভালো লাগলো , এমন করেই যেনো জ্ঞান এর পথে এগিয়ে যেতে পারি।
ReplyDeleteস🙏🙏🙏
ReplyDeleteপড়ে খুব ভালো লাগলো প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteMaharaj apnar sahaj sabalil vasay sri chaitanya Mahapravu r jiban kahini jante prer satyee Adhyatmik pathe anek anek smriddha hote parchi apnar sri charane sata sata vakti nibedan kari joy Thakur joy Ma joy Swamiji 🙏🌷🍀🍀
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteআপনার লেখাতে চৈতন্য দেব সম্পর্কে অনেক কথা জানতে পেরে খূব ভালো লাগছে ।
অনেক কিছুই জানতে পারছি বই পড়ে যা জানতে পারিনি, প্রনাম জানাই মহারাজ জী কে। 🙏🏼🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteখুব সুন্দর আর খুবই ভালো লাগছে। অপেক্ষায় থাকলাম। আমার প্রনাম নেবেন মহারাজ। ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো, আপনার লেখা আমাদের খুব অনুপ্রাণিত করে, রাজার সাথে মহাপ্রভু র মিলন ঘটলো কিনা জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম, প্রণাম নেবেন, অসীমা বোটব্যাল শিবপুর হাওড়া
ReplyDeleteJoy Shree Chaitanyo Mahaprabhu r joy🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Vaktivora pranam grohon korun Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Maharajii aajker 16th porbo paath porey mone hochhey aaj Aponer sannidhyo peyey eto sohoj upay e Mahaprabhu ke jantey parchi👏. Sotokoti naman, Maharajii 🙏🏻. Mone hoi aro aro jani Mahaprabhu sombondhey🙏🏻. Opurbo lekhoni🌹🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহাপ্রভুর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরে। আরও অনেক কিছু জানার জন্য অপেক্ষা করে থাকবো। প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteমীনা সিনহা । রাজারহাট
Asadharan ...ajker 16tama parba....bhison bhalo lagche...pranam Mahaprabu🙏pranam maharajji..🙏jaya choudhury....
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভুর জীবনী,পরেরটা পড়ার জন্য ধৈ্র্য ধরে থাকলাম সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে পড়তে ।
ReplyDeleteপরেরটার জন্য অপেক্ষায় রইলাম । আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম গ্রহন করবেন । আপনি ভালো থাকবেন , সুস্হ থাকবেন ।
প্রনত
লিলি সাহা ।
প্রত্যেকটি পর্ব খুব সুন্দর করে লিখেছেন। আপনার লেখনী,আপনার বোঝানোর মত ই
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের জয়। 🙏🙏
ReplyDeleteআপনি আমার অন্তরের সভক্তি🙏🙏 গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।
প্রণাম আচার্যদেব। জয় মহা প্রভু চৈতন্য দেবের জয়।ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ
ReplyDeleteJoy Mahapravur joy Respected Maharaj apni amar sashadhra pranam neben
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 আপনার লেখা প্রতিটি পর্ব অনবদ্য খুব ভালো লাগছে পড়তে, পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
Pronam neben maharaj ji. Eto sundor byakha khub bhalo laglo. Parobarti parber jonno apeksha korchi. Mahaprabhu r jiboni samporke eto abogoto chillum na. Jato parchi aro onek jante iccha korche.
ReplyDeleteRanjita Mazumder, New Delhi
🙏🌺🙏🌺🙏🌺🙏
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগল। অনেক নুতন তথ্য জানতে পারলাম। আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteআমার সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ, আপনার লেখা পড়ে মহাপ্রভুর কত কথা জানতে পারছি নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে।🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏🏼🙏🏼
এত ভাল লাগছে আপনার বর্ননা যে বারবার পড়তে ইচ্ছা জাগে
ReplyDeleteপরের ঘটনা জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম প্রনাম নেবেন মহারাজ
সুব্রত ঘোষাল
pronam Maharan.
ReplyDeletePronam maharaj onek agraho niye Bose thaki ei blogger jannyo valo Lage jante 🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী . খুব ভালো লাগলো পড়তে দেরী করে হলেও পড়ি পড়তে খুব ভালো লাগে মহাপ্রভুর কত না জানা কথা জানতে পারছি ৷ আভুমি প্রনাম নেবেন ৷ রুনা পালিত কেঁচুয়াডাঙা নদীয়া
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ মহাপ্রভুর কথা যতই পড়ছিততই ভালো লাগছে ,আরও জানার জন্য আগ্রহী রইলাম৷
ReplyDeleteসীমা আচার্য্য .বারাণসী ৷
প্রণাম নেবেন মহারাজ।মহাপ্রভু সম্বন্ধে যতই পড়ছি অবাক হচ্ছি। খুব সুন্দর সরল ভাষায় বহু তথ্য দিয়ে বর্ণনা করেছেন। পড়ে খুবই ভালো লাগছে। রাজার সঙ্গে মহাপ্রভুর দেখা কিভাবে হয় সেটা জানার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।। পান্ডা নরেন্দ্রপুর 🙏🙏🙏
ReplyDeleteস্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏🙏. এত সুন্দর ভাবে মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের ভক্তি মার্গ আপনার মাধ্যমে জানতে পারছি
ReplyDelete। খুব ই সুন্দর ।🙏🙏🙏
সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজজী 🌷💥🙏 খুব ভালো লাগছে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সম্বন্ধে পড়তে। অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পারছি।জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু 🌷💥🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব সুন্দর। মহাপ্রভুর জীবনী জেনে ধন্য হচ্ছি।প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম জানাই মহারাজ জয় মহাপ্রভুর জয়।
ReplyDeleteচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী খুব ভালো লাগছে.…ওনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরে আরও ভালো লাগছে। আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteKhoob bhalo laglo pore maharaj.🙏
ReplyDeleteজয় মহাপ্রভু।শ্রী চৈতন্য দেবের এই ছবি খুব ভাল লাগে l তার কথা জানতে পেরে ভীষণ ভালো লাগে। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই পরম পূজনীয় লেখক আচার্যদেবকে।নাম বিনু চক্রবর্তী বাড়ি মালদা।জয়রামকৃষ্ণ
ReplyDeleteঅপূর্ব। প্রনাম নেবেন আচার্য্য মহারাজ জী। 🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteঅর্পিতা বসু বাগবাজার ।🙏🏼
🙏🙏🙏 মহারাজ। আপনি ভালো থাকুন ও সুস্হ থাকুন। আমরা ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করি।
ReplyDeleteঠ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগে মহাপ্রভুর এই ধারাবাহিক জীবন কাহিনীট পড়তে।
ভক্তির অবতার শ্রী চৈতন্য পড়ে খুব ভালো লাগলো...আপনার সুন্দর স্বচ্ছ সাবলীল লেখনী তে সব লেখা খুবই মনোগ্রাহী হয়ে ওঠে। শ্রী মহাপ্রভু সম্বন্ধে ও তৎকালীন বহু গুণী ভক্ত ব্যাক্তি দের সম্পর্কে জানতে পেরে ভালো লাগছে। ছবি গুলি খুব সুন্দর তবে ছবি কোন জায়গার লেখা থাকলে ভালো হতো।
ReplyDeleteমহারাজ আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন..খুব ভালো থাকবেন।
রীতা দত্ত, খড়গপুর।
সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ।বারে বারে পড়ে ও সাধ মিটছে না
ReplyDelete