ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য
-- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
ধারাবাহিক রচনা
“চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন।” - শ্রীরামকৃষ্ণ
===================পর্ব-১৩ ও পর্ব-১৪ =================
শ্রীরঙ্গমে
শ্রীরঙ্গমে
ভেঙ্কটভট্টের গৃহে চাতুর্মাস্য কাটিয়ে মহাপ্রভু বেরিয়ে পড়লেন তীর্থ দর্শনে। ভট্টের
একটি পুত্র ছিল, নাম তার গোপাল। বেশ বিদ্বান বুদ্ধিমান ছেলেটি। মহাপ্রভুর
সান্নিধ্যে এসে তার মধ্যে বিরাট পরিবর্তন দেখা দিল। সে চৈতন্যদেবের প্রতি এত
আকৃষ্ট হয়ে পড়ল যে ছায়ার মতো তাঁকে অনুসরণ করতে লাগল। প্রাণপণে তাঁর সেবাও করত। উচ্চ
অধিকারী ভেবে মহাপ্রভুও গোপালকে অনেক কৃপা করেন। গোপাল ধীরে ধীরে প্রেমভক্তির উচ্চ
উচ্চ সাধন প্রণালীও জানতে পারে।
মহাপ্রভু যখন শ্রীরঙ্গম ছেড়ে চলে আসবেন, কাঁদতে
কাঁদতে গোপাল পেছনে পেছনে আসতে থাকে। সেও তাঁর সঙ্গে যেতে চায়। মহাপ্রভু অনেক বোঝালেন যে, এখন গৃহত্যাগ করার
দরকার নেই। যতদিন পিতা-মাতা জীবিত আছেন তাঁদের সেবা করা দরকার। এখন সাধন ভজন ও
পিতামাতার সেবা নিয়ে থাক, যখন পিতামাতা আর থাকবেন না তখন গৃহ ত্যাগ করবে। গোপাল
তাই করেছিল। তাঁর পিতামাতার দেহত্যাগের পর বৃন্দাবনে শ্রীরূপ ও সনাতনের সঙ্গে
একসঙ্গে থাকতেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রধান ছজন আচার্যের মধ্যে শ্রীগোপাল ভট্ট
অন্যতম ছিলেন। শ্রীবৃন্দাবনে রাধারমণের সেবক গোস্বামীরা গোপালভট্টের বংশধর।
মনের
আনন্দে চাতুর্মাস্য কাটিয়ে মহাপ্রভু চললেন অন্যান্য তীর্থস্থান দর্শনের উদ্দেশ্যে।
ক্রমে এসে হাজির হলেন ঋষভ পর্বতে।
পরমানন্দ মহারাজের সাক্ষাৎ
জানতে
পারলেন শ্রীমৎ পরমানন্দ পুরী মহারাজ সেখানে এক ব্রাহ্মণের গৃহে চাতুর্মাস্যের জন্য
রয়েছেন। শ্রীমৎ পরমানন্দ পুরী হলেন শ্রীমৎ মাধবেন্দ্র পুরীর শিষ্য এবং শ্রীমৎ
ঈশ্বর পুরীর গুরুভাই। পরমানন্দ মহারাজের দিব্য চরিত্র ও ত্যাগ-তপস্যার কথা চৈতন্যদেব আগেই
শুনেছিলেন। সন্ধান করে ওই ব্রাহ্মণের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলেন ও পরমানন্দ
স্বামীজীকে দর্শন করলেন। পরমানন্দজীও খুব আনন্দিত হলেন মহাপ্রভুকে সাক্ষাৎ করে।
মহাপ্রভুর ভাব ভক্তির পরিচয় পেয়ে পরমানন্দ মহারাজ ও খুবই আকৃষ্ট হলেন। পরমানন্দও
ছিলেন উচ্চ কোটীর মহাত্মা। তাঁর সঙ্গলাভের জন্য মহাপ্রভু অনুরোধ করলেন, যাতে তীর্থ
দর্শনের পর তিনি শ্রীক্ষেত্রে একসঙ্গে থাকেন। পরমানন্দজীও সম্মত হলেন তিনি বঙ্গ
দেশে গঙ্গাস্নান করে ফিরে এসে পুরীতে এক সঙ্গে থাকবেন।
মীনাক্ষী
এর
পর মহাপ্রভু আসেন শ্রী-শৈলে। সেখানে শিব-দুর্গা দর্শন করেন। এরপর কামাক্ষী-দেবীকে
দর্শন করে আসেন মাদুরাতে। মীনাক্ষী দেবীর মন্দিরে দর্শন করেন। অত্যন্ত সমৃদ্ধি
যুক্ত ও কারুকার্যে পূর্ণ এই মন্দির দর্শন করেন। দেবীকে দর্শন, প্রণাম ও প্রদক্ষিণ
করেন। মন্দিরে এক রামভক্ত ব্রাহ্মণের সঙ্গে দেখা হয়। ব্রাহ্মণ খুব ভক্তি
শ্রদ্ধা করে মহাপ্রভুকে নিজের গৃহে নিয়ে যান। বাড়িতে নিয়ে তো গেলেন, কিন্তু বেলা দুপুর হয়ে গেলেও ব্রাহ্মণের বাড়িতে কোন রান্নাবান্নার উদ্যোগ নেই দেখে
তিনি খানিকটা অবাকই হলেন। মহাপ্রভু এর কারণ জিজ্ঞাসা করাতে ব্রাহ্মণ উত্তর দিলেন –
"বিপ্র
কহে, প্রভু মোর অরণ্যে বসতি
পাকের
সামগ্রী বনে না মিলে সম্প্রতি।।"
শ্রীরামচন্দ্রের
ভাবে এমন ভাবুক যে তিনি নিজেকে শ্রীরামচন্দ্রের মতো বনবাসী বলে মনে করেন। তাই
সেখানে রান্নার জিনিস কিভাবে থাকবে? এই উত্তর শুনে অবাক হলেন চৈতন্যদেব। কিছুক্ষণ পরে
ব্রাহ্মণ রান্না করে খুব যত্ন করে মহাপ্রভুকে খাওয়ালেন। তখন বিকেল হয়ে গেছে। ব্রাহ্মণ কিন্তু নিজে কিছু খেলেন
না। আবার বিষণ্ণ মনে বসে থাকলেন। ব্রাহ্মণ বললেন , রাবণ জগন্মাতা
সীতা দেবীকে হরণ করে নিয়ে গেলেন। সেই দুঃখে তার আর জীবন ধারণের ইচ্ছা নেই।
অনাহারে দেহ ত্যাগ করবেন ঠিক করেছেন।
চৈতন্যদেব তাকে নানা ভাবে বোঝালেন। তিনি বললেন যে জগন্মাতা সীতাদেবী স্বয়ং ভগবতী, তিনি চিদানন্দ
মূর্তি। তাঁকে এই ইন্দ্রিয় দিয়ে দেখা যায় না। রাবণ স্পর্শ করতে পারেন কি করে? আর
রাবণ যা হরণ করেছে তা হল সীতা দেবীর মায়া মূর্তি। এই ভাবে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে পরে
ব্রাহ্মণ আশ্বস্ত হলেন ও খেলেন।
ধনুষ্কোটীতে
চৈতন্য মহাপ্রভু এগিয়ে চললেন আরও দক্ষিণে। এলেন ভারতের শেষ সীমা ধনুষ্কোটীতে। রামেশ্বর থেকে পনেরো ষোল মাইল দূরে সমুদ্রের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে ঢুকে গেছে। ভূগোলের ভাষায় যাকে বলে যোজক।
অপূর্ব দৃশ্য এখানে। এক দিকে বঙ্গোপসাগরের গেরুয়া জল আর অন্যদিকে ভারত মহাসাগরের
নীল জল। ভীষণ গর্জনে ও প্রবল উচ্ছ্বাসে ঢেউ এর পর ঢেউ আছড়ে পড়ছে। কিন্তু আশ্চর্য যেখানে মিলেছে দুই
স্রোতধারা সেখানে কিন্তু শান্ত ও স্থির। এই অপূর্ব দৃশ্য দেখলে অতি অবিশ্বাসীর মনও
বিধাতার সৃষ্টির চমৎকারিত্বে বিমোহিত হবে। কতকাল আগে শ্রীরামচন্দ্র যে সেতু
নির্মাণ করে ভারতের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার সংযোগ করেছিলেন এই সেতুবন্ধ তার সাক্ষ্য বহন
করে আসছে।
...... ক্রমশ
==================পর্ব -১৪ ====================
ধনুষ্কোটি দর্শনের পরে
চৈতন্যদেব কয়েক দিন রামেশ্বর তীর্থে বিশ্রাম করেন। কিন্তু সাধন ভজনের বিরতি নেই। সমুদ্রে স্নান করে
মহাদেব দর্শন, পূজা পাঠ, স্তব-স্তুতি, প্রদক্ষিণ চলতেই থাকল। আর সারারাত কেটে যেত ধ্যান-ধারণাতে। পরমানন্দে বাস করেন রামেশ্বরে। এখানে বহু ভক্ত ও সাধারণ মানুষের
সঙ্গে পরিচয় হয়। যারাই তাঁর দেব-দুর্লভ সান্নিধ্যে এসেছে তারাই তাঁর ভাব ও ভক্তির দ্বারা
প্রভাবিত হয়ে তাঁর অনুগত ভক্তে পরিণত হয়েছেন।
মহাপ্রভু এসেছেন ভারতের
সর্ব দক্ষিণে। ভারতের দক্ষিণ ভাগ মালাবার ও পাণ্ড্যদেশ নামে খ্যাত। মলয় হাওয়া বয়ে যায়
বলে মালাবার নাম হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই অঞ্চল। ভারতের প্রান্ত-ভূমি যেন সমুদ্রের
বুক থেকে উঠে আসছে ধীরে ধীরে। ভারত জননী যেন
সমুদ্র থেকে উত্তরে কৈলাসে মহাদেবের পাদস্পর্শ করার জন্য এগিয়ে চলেছেন।
কন্যাকুমারী
জননী্র প্রথম
আবির্ভাব বলেই তিনি কুমারী। এই পবিত্র স্থানটির নামও কুমারিকা অন্তরীপ। স্থানের যেমন রূপ, মায়ের পাঁচ বছরের বালিকার রূপও
ভুবনমোহন ও পরম সুন্দর। মা এখানে বালিকা-রূপে নৃত্য করে চলেছেন। মন্দিরের পাদদেশে যে বিশাল শিলাখণ্ড, মা যেন নৃত্যের
বিভঙ্গে সেখানে এসে দাঁড়ান। আবার তরঙ্গে তরঙ্গে চারিদিকে মনের আনন্দে ছড়িয়ে পড়েন। দেখলে
মনে হয় যেন দেবী কুমারিকা কল-কলহাস্যে রাত দিন মুখরিত করে রেখেছেন। সমুদ্র গর্ভ থেকে সূর্যের কিরণমালা মায়ের মন্দিরে এসে মঙ্গল-দীপ
জ্বালিয়ে যায়। আবার দিনের শেষে অস্তগামী সূর্যের লাল আভায় যেন মায়ের আরতি হয়। অপূর্ব
এই স্বর্গীয় শোভা দর্শন করে মহাপ্রভু খুবই
আনন্দিত হলেন।
পুরী থেকে সমুদ্র উপকূল
ধরে তিনি দক্ষিণে একেবারে শেষ প্রান্ত কন্যাকুমারী দর্শন করেন। এর পর তিনি ভারতের পশ্চিম
উপকূল ধরে উত্তর দিকে এগোতে থাকেন।
শৃঙ্গেরী মঠ
চৈতন্যদেব এলেন শৃঙ্গেরী
মঠে। আচার্য শংকরের দ্বারা স্থাপিত এই পীঠ। অবশ্য এর বহু বহুকাল পূর্বে এটি ছিল ঋষ্যশৃঙ্গ
মুনির তপস্যার স্থান। এখানে মুনিবরের প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ এখনও রয়েছে। স্থানটির নামও
মুনির নামে।
পরবর্তী সময়ে আচার্য
শঙ্করের কালে বেদান্তধর্ম প্রচারের ও চর্চার পুণ্যস্থানে পরিণত হয়। তুঙ্গভদ্রার তীরে দেবী সরস্বতীর
মন্দির। সন্ন্যাসীদের কাছে এই স্থান খুবই পবিত্র। সেই স্থানে মহাপ্রভু যে অত্যন্ত আনন্দিত
হয়ে ছিলেন তা বলা বাহুল্য। আচার্য শঙ্করের অনুগামী সন্ন্যাসীরা মহাপ্রভুকে যে বিশেষ
আদর অভ্যর্থনা করেছিলেন, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু চৈতন্যচরিতামৃতে এর উল্লেখ
পাওয়া যায় না। সম্প্রদায়গত সংকীর্নতা হয়তো এর কারণ হতে পারে।
উড়ুপী
সে যাই হোক, আমরা প্রসঙ্গে
ফিরে যাই। অদ্বৈতবাদীদের পীঠস্থান থেকে মহাপ্রভু চললেন দ্বৈতবাদীদের প্রধান তীর্থ উড়ুপীতে।
শৃঙ্গেরী থেকে উড়ুপী খুব দূর নয়। পাঁচ সাত দিনের মধ্যে কর্ণাটক রাজ্যের উড়ুপীতে হাজির
হলেন। মধ্বাচার্যের জন্মস্থান এই উড়ুপী। মধ্বাচার্য শংকরের সম্প্রদায় ভুক্ত সন্ন্যাসী
ছিলেন। কিন্তু অদ্বৈতবাদে বিশ্বাস না হওয়ায় তিনি দ্বৈতভাব প্রচার করেন ও শাস্ত্র ব্যাখ্যা
করেন। তখন পৃথক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়।
উড়ুপীতে মধ্বসম্প্রদায়ের লোকেদের
সঙ্গে চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্তি পথ ও সাধন নিয়ে আলোচনা ও বিচার হয়েছিল। ভক্তিমার্গে সাধন
ও সাধ্যের বিষয়ে মহাপ্রভুর কথা শুনে সকলে নতুনভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছিলেন।
বিঠঠলজী
কর্ণাটক মহারাষ্ট্র
হয়ে চৈতন্যদেব এলেন পাণ্ডুপুর বা পাণ্ডারপুরে। এখানে ভগবান বিঠঠলজীর মূর্তি রয়েছে।
শোনা যায়, এক ভক্ত তাঁর পিতার সেবার দ্বারা ভগবানের কৃপা লাভ করেছিলেন। যখন একদিন তিনি
পিতার সেবা করছিলেন তখন ভগবান তাঁকে দর্শন দেন। কিন্তু পিতার সেবাতে নিযুক্ত থাকার
ফলে তিনি উঠে এসে ভগবানের অভ্যর্থনা করতে পারছিলেন না। তাই হাতের কাছে এক খানা ইট দেখতে
পেয়ে সেটাই এগিয়ে দিয়ে সপ্রেমে বলেছিলেন ‘বৈঠো’, মানে একটু অপেক্ষা কর। আমি আসছি।
ভগবানও ভক্তের ভালোবাসায়
প্রীত হয়ে ত্রিভঙ্গ মূর্তিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন। পিতার সেবা হয়ে গেলে ভক্ত
এসে প্রভুর পাদপদ্মে লুটিয়ে পড়েন। চোখের জলে, নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পিতৃসেবার প্রশংসা করে ভগবান বর প্রার্থনা করতে বলেন। তখন ভক্ত বলেন , "দাসের প্রতি
অনুকম্পা করে চিরকাল এই স্থানে বিরাজিত থাকো এই প্রার্থনা করি।" ভক্তের বাঞ্ছা পূর্ণ
হল। ইটের উপর দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে প্রভুর নাম হল বিঠঠল দেব।
ভীমা নদীতে স্নান করে চৈতন্যদেব
বিঠঠলজীকে দর্শন করেন। এখানে প্রায় চার দিন ছিলেন। রোজ সকালে নদীতে স্নান করে বিঠঠলজীকে
দর্শন করতেন। স্তব পাঠ ও প্রার্থনাতে অন্তরে পরম আনন্দ লাভ করতেন। কখনও বা ভাবস্থ হয়ে
পড়তেন, দেহে সাত্ত্বিক বিকার দেখা দিত। এই সব দেখে স্থানীয় মানুষ বিস্মিত হতেন। পরবর্তীকালে
মহারাষ্ট্রে যে সব সাধু মহাত্মা ভক্তিভাব ও নাম মাহাত্ম্য প্রচার করে ছিলেন, তাঁদের অন্যতম
হলেন তুকারাম ও নামদেব। তাঁরা অনেকেই চৈতন্যদেবের ভাবের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন
মনে করা হয়।
এই পাণ্ডারপুরে শ্রাবণ
মাসের পূর্ণিমাতে প্রতি বছর বিরাট মেলা বসে। পুরীর রথযাত্রার থেকেও বেশি লোক সমাগম
হয় এই মেলাতে। দলে দলে হাজার হাজার লোক কীর্তন
ও গীত বাদ্য করে মেলাকে মুখরিত করে তোলে। সেই দৃশ্য দেখে মহাপ্রভুর নিশ্চয় নবদ্বীপ
ধামের নাম কীর্তনের স্মৃতি মনে পড়েছিল।
... ক্রমশ
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর লেখা।কত কিছুই যে জানতে পারছি।সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
DeletePronam Maharaj
Deleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ অনেক কিছু জানতে পারলাম প্রণাম জানাই 🙏
DeletePranam Prabhuji, apurba lekhani. Maha prabhu Sri Chaitannya er bibhinna sthane paribhraman, madhur prakritik
Deleteparibesh, Kanyakumari Magar abirbhab o kallol dhanir banana, sabi atyanta sundar bhaiya, mon bhare gelo, kritagyata janai.
জয় চৈতণ্য মহাপ্রভুর জয় 🙏খুব ভালো লাগছে পড়তে, মহারাজ কতো কিছু জানতে পারছি, সভক্তি প্রণাম নিবেদন করি মহারাজের শ্রী চরণে।
Deleteমৌসুমী রায় কোচবিহার।
অনন্ত শ্রদ্ধায় অসংখ্য প্রণাম মহারাজ
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
সুন্দর লেখার সঙ্গে ছবি গুলো অপূর্ব
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
খুব ভালো লাগছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি আপনার মতন গুরু পেয়েছি বলে আমরা আপনার কাছে এসেছি বলে এত অজানা কথা জানতে পারছি আপনার মতন সাধু সঙ্গ অতি দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বাজপজ
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানতে পারছি মহারাজ। খুব ভালো লাগছে।
DeleteAnek kichu jante parlam Maharaj. Khub bhalo laglo 🙏
DeletePranam Prabhuji, khub sundar, bhalo laglo. Bhaktir avatar Mahaprabhu katha ebhabe sonar soubhagya hoy ni, thanks with regards.
Deleteচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো। অনেক নতুন তথ্য জানলাম। প্রণাম মহারাজ 🙏
ReplyDeleteভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
প্রণাম মহারাজ। মহাপভুর জীবন কাহিনী জানতে পেরে খুব ভাল লাগছে।অনেক কিছুই আমাদের অজানা ছিল। এমন সাধু সঙ্গ লাভ করে আমরা ভীষন ভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছি। কত কিছু জানতে পারছি।ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমরা সকলে যেন আধ্যাত্মিক উন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে পারি।সত্য পথে যেন চলতে পারি।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ 🙏🙏।মহাপ্রভূ শ্রীচৈন্যদেব সম্বন্ধে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে।ভাল থাকবেন। দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে খুব ভাল লাগল। অপেক্ষা করে থাকবো আরো অনেক কিছু জানার জন্য। মহারাজ আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteমীনা সিনহা রাজারহাট
খুব সুন্দর মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteজয় ঠাকুর 🙏 আজকের অপূর্ব লেখার সাথে অসাধারন সব ছবি দেখে মন ভরে গেল ।ধারাবাহিক ভাবে চৈতনামৃত পড়ে মনে বেশ শান্তি আসে ।ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏
ReplyDeleteKhub bhalo lagche . Amar pronam neben Maharaj .
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻 Shree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r Shree Padopodmey vaktipurno pranam nibedon kori🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻. Aaj 13th porbo porey mughdho holam, Maharaiji🌻🍀🙏🏻. Aponer ei lekhonir madhyomey aaj grihey thekei sei ShreeRangom, Minakshi Temple o Dhanuskoti Tirtho darshan korey nilam, Maharajji 🙏🏻. Satti, Aponer ei lekhonir dwara Swang Prabhu Lila jantey parchi, amra othibo dhonyo Aponer sannidhyan prapti korey👏👏. Apni amader haat dhorey Prabhu r kachhey niyey cholechen, ki opurbo onubhob. Sotokoti vaktipurno pranam grohon korun, Achariyo Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteআজকের এই লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম মনটা ভরে গেল আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ🙏🙏🙏 ঠাকুর মার স্বামীজীর চরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম 🙏🙏রইল।
ReplyDeleteআহা 🙏🙏 অপূর্ব অপূর্ব,কত অজানারে জানাইলে 🙏🙏
ReplyDeletepronam Maharaj🙏 aro anek kichhu jante parlam ananda pelam.
ReplyDeleteApurbo Mahaprabhu Sree Chaitanya deber jibani.... Chabi Saha.... Khub bhalo laglo Maharajji.... Pranam Maharajji 🌹🌺🙏🙏🌹🌺
ReplyDeleteApurbo khub valo laglo maharaj ji apnaka Soto koti pranam
ReplyDeleteKhub bhalo lugche Maharaj pore.pronam neben.
ReplyDeleteদারুণ লাগলো পড়ে । এমন সাবলীল লেখা যা মনকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে এরপর কী আছে জানার জন্য । এতোকিছু জানতামই না ।.আপনার এই নিরলস অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য আমরা ঋদ্ধ হচ্ছি । আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহন করবেন অপেঋক্ষায় রইলা.ম ।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজজী খুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু সম্বন্ধে পড়তে, অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পারছি।
ReplyDeleteমহারাজ,অজানাকে জানার সাথে ছবিগুলো দেখে মন ভরে উঠলো।আপনার সান্নিধ্যে এসে অনেক অনেক তথ্য প্রতিনিয়ত জানতে পারছি।ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।
ReplyDeleteরুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
Khub khub bhalo lekha .
ReplyDeleteMaharaj k amar pranam .
🙏 মহাপ্রভুর পরিব্রাজক জীবন সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য অবগত হলাম খুব ভালো লাগছে।🙏
ReplyDeleteShree chaitanya de ver jibaner nana kahi ni jante pere ananda hochchhe. Pronam neben maharaj, krishnadey, jamshedpur.
ReplyDeleteপ্রণাম আচার্যদের। সীতার মায়া মূর্তি রাবণ হরণ করেছিলেন সেটা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। খুব সমৃদ্ধ লেখা । শিউলি রায় রানীগঞ্জ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু রং কথা জানতে পারছি । প্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteআপনার লেখা পড়ে অনেক নূতন কিছু জানতে পারলাম, প্রনাম নেবেন মহারাজ জী ।🌺🌺🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌺🌺🌻🌻
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে। ঈশ্বরের অশেষ কৃপা। ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম। মহারাজ। দারুণ। লাগল। পড়ে।প্রণাম। মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ৷ ৷মহাপ্রভু লীলা জানতে পেরে খুবই ভালো লাগছে, আরোও জানতে আগ্রহী ৷
ReplyDeleteসীমা আচার্য বারাণসী
প্রণাম মহারাজ ।কত কিছু জানতে পারছি পড়ে খুব ভালো লাগলো ।
ReplyDeleteApurba. Khub Sundar Laglo
ReplyDeletePranam Maharaj 🙏🙏
Pulakesh Sinha Roy.
প্রনাম মহারাজ জী . আবার ও অপেক্ষায় থাকলাম আমার ৷ রুনা পালিত
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহাপ্রভু র বিষয়ে এতো কিছু জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজজী 🙏🙏🙏। কাবেরী ঘোষ, নিউ দিল্লি
Delete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteমহারাজ প্রতিবার নতুন নতুন তথ্য সব জানতে পারছি।আপনার কৃপায় আমরা সবাই আপ্লুত হই।
ReplyDeleteমহাপ্রভুর জীবনের এতো ঘটনা তো কিছুই জানতাম না।খুব কম মানুষই জানেন হয়ত।
আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ।
লেখাগুলি পড়লে মহাপ্রভু সম্পর্কে অনেক জানতে পারি ভালো লাগে। প্রণাম গ্রহণ করবেন মহারাজ।
ReplyDeleteSovakti pranam Achariyo Maharajji 🌻🌺🙏🏻🙏🏻. Shree Shree Chaitanyo Mahaprabhu r 14th No. Porbo porey mugdho holam🙏🏻🙏🏻. Sei Dakhin Bharat thekey PRABHU r Poschim Bharat er bivinyo Tirtho Darshan o ter onubhuti porey khub valo laglo, Maharajji 🙏🏻 . Ar Pandupur e Prabhub Bittkol Dev er abirbhab jantey perey dhonyo holam, Achariyo Maharajji 🙏🏻. Mon pran vorey gelo porey, Achariyo Maharajji 🙏🏻. Protikhyaroto acchi aro janer jonyo, Maharajii 👏🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে। মহাপ্রভুর কতো কথা জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজ। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteSadhana Sharma from panchala, suprovat, apurbo lekhoni apnar ,aneak ajana bisoy jene anandho pelam,antorik vokti purno pronam neben moharaji 🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা এত বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি আপনার কাছে এসেছি বলে এত কিছু জানতে পারছি। আপনার মতন সাধুসঙ্গ অতি দুর্লভ আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeletePronam maharaj
ReplyDeleteBah! Ki apurbo barnana....prakritik drisya saha...chokher samne dekhchi...
ReplyDeleteApurbo laglo..sree chaitnya Mahaprbhur jibani...ato kichu janar chilo.....amra satyyi dhanya...tai....pranam maharajji..
🙏🙏jaya choudhury
খুব ভালো লাগলো পড়ে ।শ্রী চৈতন্য দেবের সম্বন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম । আগামীদিনের অপেক্ষায় রইলাম । আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম গ্রহন করবেন । আপনি ভালো থাকবেন , সুস্হ থাকবেন ।
ReplyDeleteলিলি সাহা ।দমদম ।
সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর লেখা....ছবি হয়ে উঠছে চোখের সামনে মহাপ্রভুর ভ্রমণ বৃত্তান্ত। বেশ কিছু স্থানে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল তাই আরও ভালো লাগলো। কত কিছু জানেন আপনি মহারাজ, ভাবলে অবাক হতে হয়। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 🙏🙏
অপূর্ব বিবরন মুগ্ধ হয়ে গেলাম কতকিছু জানতে পেরে
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল
প্রথমেই মহারাজ কে সহস্ৰ কোটি প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏. অপূর্ব ব্যাখ্যা ।মুগ্ধ আপনার অসাধারণ প্রথিবা। 🙏🙏🙏
ReplyDeleteযতই আপনার লেখা পরছি তত মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আপনার দয়া
Deleteআপনার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগল। আরো অনেক কিছু জানতে চাই। প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
অপূর্ব অনবদ্য
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
মহাপ্রভু সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারছি, খুব ভালো লাগছে। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
ReplyDeleteMahapravu r amrita sama maha mulyaban ayee sakal jibani kathagulo apnar apurba sundar lekhani theke jante pere satyee khub upakrita hoyechi Maharaj alada vabe Chaitanya Chirtamrita konodin o dekhai hoy ni tai apnar ayee maja mulyaban lakhagulo peye satyee dhanya hacchi adhyatmik vabe amra smriddha hacchi joy Thakur joy Ma joy Swamiji joy Guru joy Maharaj🙏🌹🍂🍂
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ🙏🙏।প্রত্যেক পর্বে মহাপ্রভূ চৈতন্য দেব সম্বন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি।অনবদ্য। ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখার সাথে দারুণ ছবিগুলো খুব ভালো লাগলো।মহাপ্রভুর লীলাক্ষেত্রে বিচরন। নিত্যনতুন তথ্য লেখা থেকেই জানতে পারছি।শ্রদ্ধাসহ প্রণাম গ্রহন করুন।
ReplyDeleteরুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর
প্রণাম মহারাজ জী 🙏 প্রতিটি পর্বে মহাপ্রভুর জীবনের নতুন নতুন তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হচ্ছি খুব ভালো লাগছে।
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
অপূর্ব লাগল এইসব অজানা তথ্য। প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ মহাপ্রভু জীবন কাহিনী পড়ে আমার জীবন যেন ধন্য হচ্ছে ,অনেক নাজানা বিষয় জেনে মন তৃপ্তে ভরে যাচ্ছে।তার সঙ্গে সুন্দর সুন্দর ছবি।দারুন লাগছে।আরো অপেক্ষাই থাকলাম।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ জী🙏পরের লেখার অপেক্ষায় রইলাম🙏
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট
খুব ভালো ও তথ্য পূর্ন লেখা ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ ।
পরের লেখার অপেক্ষায় রইলাম ।
যত পড়ছি ততই ভালো লাগছে পরের লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম, প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।🙏🏼🙏🏼🙏🏼
ReplyDeleteমহাপ্রভু সম্বন্ধে সুন্দর সুন্দর বহু উপযোগী তথ্য পাওয়া র সৌভাগ্য
ReplyDeleteহচ্ছে আমাদের আপনার লেখনী র মাধ্যমে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসাধারণ সব ছবি। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন এই প্রার্থনা জানাই মায়ের কাছে। আন্তরিক শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা ও প্রণাম জানাই মহারাজ।🙏🏻🙏🏻🙏🏻Bulu Mukherjee Alipore 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
অজানা জিনিস ,জেনে খুব ভাল লাগছে,অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি পরের পর্বের জন্য।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteKhub Sundar laglo mahapravur jibonkatha, parer parber Janna apekhai thaklam
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।কন্যাকুমারীনাম করণের ইতিহাস এছাড়া বহু জায়গার সম্বন্ধে বিস্তারিতভাবে জানতে পারছি। মহাপ্রভু সম্বন্ধেওঅনেক কিছু জানতে পারছি। প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏 স্বপ্না পান্ডা নরেন্দ্রপুর
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ তথ্যগুলো পড়ে নুতন করে সব আবার জানতে পারছি
ReplyDeleteজয় বিঠঠলজী।অপূর্ব সব বিষয়ে জানতে পেরে ভাল লাগছে।মা কন্যা কুমারী কে বিনম্র শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই।খুব ভাল লাগলো। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই প্রণাম জানাই আচার্য দেবকে।বিনু চক্রবর্তী।বাড়ি - মালদা।জয় ঠাকুর
ReplyDeleteApurbo lekha
ReplyDeletePronam neben Maharaj 🙏🌷🌷🙏
প্রনাম নেবেন মহারাজ, এইভাবেই এগিয়ে যেতে পারি যেন আপনার কৃপায়, প্রনাম।
ReplyDeleteঅপূর্ব , অসাধারণ।
ReplyDeletePujanio Maharajji onek ajana katha jante parlam .Apnake Sashrodhho pronam janai.🙏
ReplyDelete