শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

# ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য ।। ধারাবাহিক ।। পর্ব - ১১ (নতুন)



                    ভক্তির অবতার শ্রীচৈতন্য

                    --   স্বামী হরিময়ানন্দ



ধারাবাহিক রচনা

              ©                চৈতন্যদেব ভক্তির অবতার; জীবকে ভক্তি শিখাতে এসেছিলেন। - শ্রীরামকৃষ্ণ



           ============পর্ব-১১===========

রাজমহেন্দ্রীতে 

    চৈতন্য মহাপ্রভু বিদ্যানগর বা অধুনা রাজমহেন্দ্রীতে এলেন। গোদাবরী নদীতে স্নান করলেন । গোদাবরীর তীরে শান্ত নির্জন স্থানে ভগবানের চিন্তায় মগ্ন হলেন। এমন সময় রামানন্দ পালকিতে চড়ে স্নানের জন্য গোদাবরীর ঘাটে এসে উপস্থিত হন। পালকির সামনে ব্রাহ্মণরা বেদপাঠ করতে করতে চলেছেন আর পেছনে নানা রকম বাজনা বাজিয়ে চলেছেন বহুলোক। অনেক লোক জন, সৈন্যদল ও দেহরক্ষী সহ  রামানন্দ ঘাটে এলেন রাজার মত আড়ম্বরে। ঘাটে নেমে খুব নিষ্ঠার সঙ্গে শাস্ত্র বিধি মেনে স্নান করলেন। 



     এত লোক সমাগম ও আড়ম্বর দেখে মহাপ্রভু বুঝতে পারলেন যে ইনি এখানকার শাসনকর্তা রায় রামানন্দ। স্নান শেষ করে ঘাটে দাঁড়িয়ে এদিকে ওদিকে তাকাতেই দৃষ্টি পড়ল অদূরে বসে থাকা বিদ্যকান্তি সন্ন্যাসীর প্রতি। রায় দ্রুতপদে সন্ন্যাসীর কাছে এলেন। খুব ভক্তি সহকারে সন্ন্যাসীকে অভিবাদন করলেন। সন্ন্যাসীও যথাযোগ্য সম্মান দেখিয়ে তাকে সমাদরে অভ্যর্থনা করলেন। পরিচয় জানার পর মহাপ্রভু রায়কে প্রেমালিঙ্গন করেন ও বলেন তার নাম তিনি পুরীতে বাসুদেব সার্বভৌমের কাছে শুনেছেন। উভয়ে উভয়ের পরিচয় পেয়ে খুব আনন্দিত হলেন ও ভাবে বিভোর হয়ে উঠলেন। উপস্থিত লোকজন অবাক হয়ে সেই মনোহর দৃশ্য দেখতে লাগলেন।

রায় রামানন্দ

    রায় রামানন্দ সব কিছু জানতে পেরে মহাপ্রভুকে অনুরোধ করলেন রাজমহেন্দ্রীতে কিছুদিন থেকে যেতে। মহাপ্রভু রাজী হলেন। তাঁর থাকার জন্য মনোরম একটি জায়গা ঠিক করা হল। রায় মহাপ্রভুর থাকার ব্যবস্থা করে ও তাঁকে প্রণাম করে বিদায় নিলেন।

   রাজকর্মচারী হওয়াতে রায়ের অবসর খুব কম ছিল। সারাদিন নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। সন্ধ্যার সময় কাজ থেকে খানিকটা বিরতি হলে রায় হাজির হতেন মহাপ্রভুর কাছে। রামানন্দের উচ্চ প্রশংসা শুনেছেন সার্বভৌম পণ্ডিতের কাছে। তাই মহাপ্রভুর ইচ্ছা ছিল এই সুযোগে তিনি ভক্তির উচ্চ তত্ত্ব ও ভজন প্রনালী রায়ের থেকে জেনে নিতে পারেন। এখন রায়কে একান্তে পেয়ে মহাপ্রভু সেই ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। রায় এই কথায় বিব্রত বোধ করলেন।

     তিনি বললেন আপনি সন্ন্যাসী জগদ্‌ গুরু, আমি গৃহস্থাধম বিষয়ী, আমিই আপনার থেকে ভগবানের কথা শুনতে চাই। কৃপা করে আমাকে ভবসাগর পারের রাস্তা দেখান। চৈতন্যদেব বার বার অনুরোধ করতে লাগলেন। শেষে রাজী হলেন। চৈতন্যদেব এক একটি প্রশ্ন করতে লাগলেন ও রায় তার উত্তর দিলেন শাস্ত্র প্রমাণ সহ। চৈতন্যচরিতামৃতে এই বিষয়ে খুব সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। এর থেকে মহাপ্রভুর প্রচারিত ভক্তি পথের সিদ্ধান্ত বিশেষ ভাবে জানা যায়।

 

রামানন্দের কাছে তিনি যে সব শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত শুনতেন তার সঙ্গে তাঁর নিজ জীবনের অনুভব মিলিয়ে দেখতেন। নিজ অনুভবের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত  মিলে যেত বলে এই সবের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ছিল। এবং পরবর্তী সময়ে তিনি যখন শ্রীরূপ ও শ্রীসনাতনকে শিক্ষা দিতেন তখন ঐ সব প্রসঙ্গ করতেন।

ইহার মধ্যে রাধার প্রেম সাধ্য শিরোমণি।

যাহার মহিমা সর্ব শাস্ত্রেতে বাখানি।।

 

     রায় রামানন্দের সঙ্গে মহাপ্রভুর যে কথোপকথন তাতে ভক্তি মার্গের শুরু থেকে সর্বোচ্চ সাধনার কথা রয়েছে। প্রথমে নিজ বর্ণ ও আশ্রম বিহিত কর্তব্য ও ধর্ম আচরণ শাস্ত্র বিধি অনুসারে করলে ভগবানের প্রতি ভক্তি জন্মায়। এর পর সমস্ত কর্মের ফল ভগবানে অর্পণ করলে চিত্ত শুদ্ধ হয়ে ঈশ্বরের প্রতি অনুরাগ বাড়ে। ঈশ্বরে অনুরাগ হলে একমাত্র তাঁর প্রতি মন ধাবিত হয়। এর পর সাধক বিধি মেনে ভগবানের ভজনে মন দেয়। এই হল জ্ঞানমিশ্রা ভক্তি। আরও এগিয়ে গেলে ঈশ্বরের প্রতি অনুরাগ বাড়তে থাকে। তখন বিচার বিধি কমে যায়। তখন হয় শুদ্ধাভক্তি। এরপর ভক্তের অন্তরে ভগবানের প্রতি মমত্ববোধ জন্মায়। তখন তিনি ভগবানকে আপনার বলে বোধ করেন। এর নাম শান্ত প্রেমাভক্তি। ভক্তের অন্তরের ভাব অনুসারে প্রেমাভক্তিকে শান্ত, দাস্য, সখ্য , বাৎসল্য ও মধুর এই পাঁচ প্রকার রসের বিকাশ হয়। ভাবের আর গভীরতায় রস-মাধুর্যের বিকাশ হয়। প্রেমের সর্বোচ্চ প্রকাশ গোপীপ্রেমে কান্তাভাবে। এর মধ্যে আবার রাধা-প্রেমই সর্বোৎকৃষ্ট।

    এই সব কথা রামানন্দ চৈতন্যদেবকে বলেন। বর্ণাশ্রম ও নিজ ধর্ম আচরণ থেকে জ্ঞানমিশ্রা ভক্তি এ সব হল বিধিবাদীয়  উপাসনা। এ হল ভক্তির বহিরঙ্গ সাধন।

এ সব অতিক্রম করে গেলে প্রেমাভক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। শুদ্ধ ভক্তির ফলে ঐশ্বর্যবোধ কমে যায় এবং তখন ভগবানের স্বরূপ মাধুর্যের অনুভব হয়।




মহাপ্রভু ও রামানন্দের 

কথোপকথন

এরপর মহাপ্রভু জানতে চান শ্রীরাধাকৃষ্ণতত্ত্ব। রামানন্দ শাস্ত্র অনুসারে তা বলতে থাকেন।

মহাপ্রভু শ্রীকৃষ্ণ কে? স্বরূপ কি?

রায়-           ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহঃ।

             অনাদিরাদির্গোবিন্দঃ সর্বকারণকারণঃ।। (ব্রহ্মসংহিতা)

--- এর অর্থ হল  সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয় কর্তা,  সকল জগতের যিনি আশ্রয় বা মূলসত্তা পরমাত্মা পরব্রহ্ম যিনি সৎ-চিৎ ও আনন্দ মূর্তি। যিনি সকলের আদি, কিন্তু যার আদি অন্য কিছু নেই। সব প্রপঞ্চের কারণ মায়ার কারণও যিনি সেই গোবিন্দই শ্রীকৃষ্ণ।

মহাপ্রভু শ্রীরাধার স্বরূপ কি?

রায়     দেবী কৃষ্ণময়ী প্রোক্তা রাধিকা পরদেবতা।

সর্বলক্ষ্মীময়ী সর্বকান্তিঃ সম্মোহিনী পরা।। ( বৃহৎ গৌতমীয় তন্ত্র)

 যার অর্থ হল নিখিল সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যের আধারভূতা, ত্রৈলোক্য বিমোহিনী, সর্বাতীতা, সর্বপালিকা যিনি পরমাত্মা শ্রীকৃষ্ণের থেকে অভিন্ন, তাঁর  স্বরূপ শক্তিই দেবী রাধিকা।

'প্রমের পরম সার মহাভাব জানি।

সেই মহাভাবরূপা রাধা-ঠাকুরাণী।।

 রাধা পূর্ণ শক্তি, কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান।

দুই বস্তু ভেদ নাই শাস্ত্র পরমাণ।।'

মহাপ্রভু কোন ভাবে সব থেকে বেশি মাধুর্যের আস্বাদ করা যায়?

রায় কান্তাভাব বা মধুর ভাবের ভজনাতে মাধুর্য সব থেকে বেশি।

মহাপ্রভু - মধুরভাবে উপাসনার পদ্ধতি কি?

রায়- শ্রীমতী রাধিকার কোন সখীর ভাব আশ্রয় করে সাধনা করলে ওই তত্ত্বের বিকাশ হয়।

মহাপ্রভু- রাধাভাব না গ্রহণ করে তার সখীর ভাব কেন?

রায় প্রমিক ভক্ত নিজের সুখের জন্য প্রেমময় ভগবানের ভজনা করেন না। কেবলমাত্র প্রেমাস্পদ ভগবানের সুখের ইচ্ছাই নিষ্কাম প্রেমের পরিচয়। গোপী-প্রেমে কামের কোন স্থান নেই। কাম বর্জিত প্রেম।

মহাপ্রভু কাম ও প্রেমে কি তফাৎ ?  গোপী প্রেমকে কেন কামগন্ধ হীন বলা হয়?

রায়  -         আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা তারে বলি কাম।

       কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম।। ( শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত

প্রেম ভক্তির সাধনায় সিদ্ধ সাধকের এই দেহেতে আর আত্মবুদ্ধি থাকে না, চিন্ময় দেহে ভগবানের আনন্দ লাভ করে। দেহ স্মৃতি নাহি যাঁর, কাম কূপ কাহা তাঁর?


   সাধারণ মানুষ এই দেহাত্ম বোধ-হীন এর ধারণা না করতে পেরে এই প্রেমকে নানা কদর্য অর্থ করে ফেলে। স্বামী বিবেকানন্দ তাই মন সম্পূর্ণ শুদ্ধ না হলে গোপীপ্রেম বোঝা যায় না বলেছেন।

    ভক্তিচিত্তে রায় রাধাকৃষ্ণের তত্ত্ব ও উপলব্ধির কথা বলছিলেন ও মহাপ্রভু তা একমনে শুনছিলেন। শুনতে শুনতে মহাপ্রভুর অন্তর ভাবে পূর্ণ হয়ে উঠল। দেহে নানা প্রকার সাত্ত্বিক বিকার  প্রকাশ পেতে লাগল। মহাপ্রভুর শরীরে সাত্ত্বিক বিকার থেকে রায় রামানন্দ খুবই অবাক হলেন। কিছুক্ষণ পর নিজেকে একটু সামলে নিয়ে তিনি বললেন। এহো হয়, আগে কহ আর’’। এর পরের অবস্থা শুনতে তিনি আগ্রহী। রায় এমন অধিকারী আগে পান নি। ফলে তিনি এই জিজ্ঞাসায় চমৎকৃত হলেন।

'রায় কহে আর বুদ্ধি গতি নাহিক আমার।

যেবা প্রেম-বিলাস-বিবর্ত এক হয়।

তাহা জানি তোমার সুখ হয় নাকি হয়।।'

এই কথা বলার পর রায় প্রেম-বিলাস-বিবর্ত কি তা বলতে লাগলেন। এরপর রামানন্দ তাঁর নিজের রচিত পদ শোনালেন মহাপ্রভুকে

ন সো রমণ, ন হাম রমণী।

দুহো মন মনোভব পেষল জানি।।'

অর্থাৎ  প্রেমের চরম অবস্থায় স্ত্রী-পুরুষ এই দেহ-বোধ আর থাকে না। ভেদ বুদ্ধি চলে যায়। এই অদ্বয় অনুভবই ভক্তি পথের চরম অবস্থা। দুঃখের বিষয় কোন কোন তথা কথিত বৈষ্ণব ভক্ত এই অদ্বয় ভাবটি গ্রহণ করতে পারেন না। এটি সম্পূর্ণ তাদের সীমাবদ্ধতা। মহাপ্রভুর মত কিন্তু খুবই স্পষ্ট , তিনি বার বার বলেছেন  অদ্বয় জ্ঞানতত্ত্ববস্তু কৃষ্ণের স্বরূপ।



     এই ভাবে শাস্ত্র আলোচনায় বেশ ভালোই দিন কাটছিল। রায় রামানন্দ অনুরোধ করেন রাজমহেন্দ্রীতে কিছু দিন থেকে যেতে যাতে তিনি সাধুসঙ্গ করতে পারেন। প্রায় দশ দিন তিনি এখানে ছিলেন। প্রতিদিন নিজের রাজকর্ম শেষ করে রায় সন্ধায় আসতেন মহাপ্রভুর কাছে। সাধন ভজন ও সংকীর্তনে রাত কেটে যেত।

    দশ দিন দেখতে দেখতে কেটে গেল। মহাপ্রভু এবার বিদায় চাইলেন। রায়ের প্রাণ কিছুতেই তাঁকে ছাড়তে চায় না।মহাপ্রভু অনেক করে রামানন্দকে বুঝিয়ে বললেন যে তিনি রামেশ্বর প্রভৃতি দক্ষিণ ভারতের তীর্থ দর্শনে বেরিয়েছেন। এই তীর্থ যাত্রা শেষ করে তিনি নীলাচলে বাস করবেন। এবং রামানন্দকে আরও বললেন যদি ওই সময় তিনি পুরীরে আসেন তাহলে এক সঙ্গে বাস করা যাবে। এই কথা শুনে রায়ের চোখে জল এল। লুটিয়ে পড়লেন মহাপ্রভুর শ্রীচরণে। প্রেমালিঙ্গনে জড়িয়ে ধরলেন প্রিয় ভক্তকে।  বিদায় নিলেন মহাপ্রভু। এগিয়ে চললেন তীর্থ পথে।

                                                           ক্রমশ......

Comments

  1. খুব ভালো লাগলো শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা যতই শুনছি মন প্রাণ ভরে যাচ্ছে। এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে পারছি সেটা আপনার জন্য। সাধু সঙ্গ অতি দুর্লভ আপনার কাছে এসেছি বলে, এত আধ্যাত্মিক বিষয় জানতে পারছি। আপনার মতন গুরু যেন জনম জনম পাই আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।

    ReplyDelete
    Replies
    1. Khub valo laglo.anek kichu jante parchi.

      Delete
    2. খুব ভালো লাগছে মহারাজ মহাপ্রভুর সম্মন্ধে নুতন নুতন তথ্য জানতে পেরে, আরো জানার অধীর অপেক্ষায় রইলাম🙏প্রনাম🙏
      সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

      Delete
    3. খুব ভালো লাগলো পড়ে প্রনাম মহারাজ জী 🙏🙏

      Delete
    4. কি যে ভালো লাগছে পড়ে, অপূর্ব!

      Delete
    5. অনেক কিছুই জানতে পারলাম মহারাজ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্বন্ধে। এই ধারাবাহিকটি খুব ভালো লাগছে। যত শুনছি আরো শোনার ইচ্ছা হয়েছে। প্রণাম মহারাজ। আপনার সঙ্গে যোগাযোগ এটি একটি ভগবানের আশীর্বাদ তা না হলে তা না হলে এমন সুন্দর যোগাযোগ কি করে হবে অনেক অনেক অসংখ্য প্রণাম মহারাজ।মহাপ্রভু

      Delete
  2. খুব সুন্দর মহারাজ 🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  3. Joy Shree Krishna 🌻🍀🙏🏻. Vaktivora pranam nibedon kori Shree Chaitanyo Mahaprabhu Shree Padopodmey 🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Ki opurbo Premavakti r Gyan siksha prapti holo, Maharajii 🙏🏻. Boroi moodhur pranobonto ei lekhoni. Maharajii, poth cheyey achhi agami Gyano darshan prapti r asha te, Maharajji 👏🙏🏻

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব ভালো লাগছে মহাপ্রুভর জীবনী পড়তে ভাগ্য করে আপনার মতো আচার্য্য পেয়েছি তাই এত কিছু জানতে পারছি সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজের শ্রী চরণে।
      মৌসুমী রায় কোচবিহার

      Delete
  4. Asdharan..... 11tama parbo... Maprabhu Sree Chaitanya deber
    Adhyatik jibani... Ato sunder Chabi Saha barnana...ak kathay. anabadya...kato kichu ajana chilo..bhison bhalo laglo... Maharajji... Amar sradhapurno Pranam Janai... 🍀🥀🙏🥀Jaya Choudhury....

    ReplyDelete
  5. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু প্রনাম . - . রুনা পালিত

    ReplyDelete
  6. অপূর্ব লাগলো

    ReplyDelete
  7. Pronam neben Acharya guru Moharaj apurba Lekha khup mon die pori khub valo lage jano amio sob dekhte pachhi share kori

    ReplyDelete
  8. খুব ভাল লাগল। মহাপ্রভুর অনেক কথা জানতে পেরে। অপেক্ষা করে থাকবো অনেক কিছু জানতে প্রণাম নেবেন মহারাজ ।ভালো থাকবেন ।
    মীনা সিনহা রাজারহাট

    ReplyDelete
  9. পড়ে খুব ভালো লাগলো প্রণাম নেবেন মহারাজ ।পরের টা পড়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকবো ।

    ReplyDelete
  10. প্রণাম মহারাজ জী 🙏 শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু র সম্বন্ধে এত বিস্তারিত জানতে পারবো সেটা কোনদিন ভাবিনি আরও ভালো লাগছে কারন এই সব জায়গাগুলো খুব ই পরিচিত ও এখানে মহাপ্রভু এসেছেন ও রায় রামানন্দ মতন জ্ঞানি মানুষ এখানে ছিলেন জেনে খুব ভালো লাগছে। আপনার অসীম জ্ঞান ও অপূর্ব লেখনী দ্ধারা আমাদের মত মানুষরা উপকৃত হয়ে চলেছি। ঠাকুর মা স্বামী জী আপনাকে ভালো রাখুন এই প্রার্থনা করি।
    রূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম

    ReplyDelete
  11. খুব ভালো লাগলো ।পরের পর্ব জানার অপেক্ষায় রইলাম। 🙏
    রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর

    ReplyDelete
  12. ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ। ঠাকুর চৈতন‍্যদেবের সন্বন্ধে সব জানতে পরে মন প্রান জুড়িয়ে যচ্ছে।অসাধারন লাগছে।আরো জানার অপেক্ষাই র ইলাম।

    ReplyDelete
  13. প্রণাম মহারাজ,খুব ভাল লাগছে পড়তে,আবার নতুন লেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকবো।

    ReplyDelete
  14. Khub valo laglo pora pranam maharaj ji

    ReplyDelete
  15. Maharaj apurbo bornana🙏🌹

    ReplyDelete
  16. খুব ভালো লাগল মহাপ্রভুর কথা পড়তে, যত পড়ছি, পড়ার আকাঙ্খা ততো বেড়ে চলেছে, আপনি সুস্থ থাকুন, আর
    আমাদের ভালো ভালো এইরকম উপহার দিয়ে যান,

    ReplyDelete
  17. Apurba khub sundar.
    Pranam Maharaj 🙏🙏
    Pulakesh Sinha Roy.

    ReplyDelete
  18. অপূর্ব !! আগের পর্বের লেখাগুলো কি ভাবে পড়ার জন্য link পাব ?

    ReplyDelete
  19. খুব ভাল লাগল ।
    আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ
    অর্চনা ঠাকুর ।

    ReplyDelete
  20. খুব ভালো লাগলো মহারাজ মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম চৈতন্য দেব সম্বন্ধে এত কিছু জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে। মহারাজ আপনি আমাদের শিক্ষাগু গুরু

    ReplyDelete
  21. Maharaj SreeChaitanya Maha Probhur kotha jato jante parchi totoi bhalo lagche ,apurbo apurbo
    bolar bhasha nei,amader soubhagyo Aponer moto Guru peye amra koto kichu jante o shikhte parchi
    janmo janmantore Aponer moto Guru jeno pai ,sahasro koti pronam nibedon janai grohan korben 🙏🌺🌹🙏
    Iti Sardar

    ReplyDelete
  22. মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে মহারাজ।প্রণাম নেবেন।

    ReplyDelete
  23. খুব ভালো লাগছে আত্মjyotiপড়ে৷মহাপ্রভুর সম্বন্ধেখুব কমই জানতাম৷
    মহারাজ লিখতে অসুবিধা হওয়ায় দুটো ভাষা মিশিয়ে লিখলাম৷ক্ষমা করবেন৷

    ReplyDelete
  24. প্রনাম আচার্য দেব।শ্রী চৈতন্য দেবের লীলাকথা এত জানাছিল না।এত জানতে পেরে খুব আনন্দিত হচ্ছি।সবই আপনার কৃপায়।আরো জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম ।অনেক অনেক প্রনাম নেবেন।

    ReplyDelete
  25. জয় মহাপ্রলয় ।
    প্রনাম মহারাজ ।।

    ReplyDelete
  26. প্রথমে শিক্ষাগুরুর শ্রীচরণকমলে নতমস্তকে ভুলুন্ঠিত আভুমি চরণস্পর্শ প্রনাম জানাই 🙏🌷🙏 এতো সুন্দর করে সাজিয়ে লেখা পড়ে অভিভূত।আর অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম 🙏 ভক্তির এতো সুন্দর ব্যাখ্যা শোনার পর মনে এই লেখা শেষ যেন না হয়। সত্যি অপূর্ব আপনার লেখনী জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌷🙏 পরবর্তী লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🌷🙏 ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🌷🙏
    দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏

    ReplyDelete
  27. আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন গুরু আচার্যদেব মহারাজজী 🌷💥🙏
    পড়ে খুব ভালো ভালো লাগছে, অনেক কিছু জানতে পারছি 🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  28. আমার প্ননাম নেবেন মহারাজ ।পড়ে অনেক কিছু জানতে পারছি

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব ভালো লাগলো প্রণাম মহারাজ

      Delete
  29. মহাপ্রভুর লীলা কাহিনী এত সুন্দর ভাবে লিখেছেন মহারাজ আরো জানার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে।রামানন্দ রায়ের সঙ্গে বিভিন্ন ভক্তি নিয়ে,রাধা কৃষ্ণের স্বরূপ,প্রেম নিয়ে কথোপকথন এসব পড়েঅনেক কিছুই জানতে পারছি। বুঝতেও পারছি আপনার জন্য অনেক কিছুই আমরা জানতে পারছি প্রণাম নেবেন মহারাজ

    ReplyDelete
  30. মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের সন্মন্ধে পড়ে
    ভীষণ ভালো লাগলো। এতো
    সুন্দর, সহজ,সরল, সাবলীল
    লেখা.......
    ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
    অনেক, অনেক প্রণাম।

    ReplyDelete
  31. খুবই সুন্দর। খুব ভালো লাগছে। আপনি সুস্থ থাকুন আর আমাদের এই ভাবে লেখা পাঠাবেন। অপেক্ষায় থাকলাম।প্রনাম নেবেন আমার।

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রণাম জানাই মহারাজ ভীষণ ভাল লাগল মহাপ্রভুর জীবনের অজানা কথা জেনে।

      Delete
    2. মণিমালা ভট্টাচার্য।
      কি অসাধারণ সুন্দর ভাবে শ্রী চৈতন্য দেবের জীবনবৃত্তান্ত আপনি সমুপস্থিত করেছেন ভারত ও পাঠককুল সমৃদ্ধ।।মা ঠাকুর স্বামীজির জয়। আপনাকে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই।

      Delete
    3. খুব ভালো লাগছে।প্রনাম মহারাজ 🙏🙏

      Delete
  32. প্রনাম ঠাকুর মা স্বামীজি।প্রনাম নেবেন মহারাজ। ভগবান শ্রীচৈতন্য দেবের অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। খুব ভাল লাগল। manjushri Bhattacharya. Billagram. Purba bardhaman.

    ReplyDelete

  33. কি অপুর্ব ভক্তি প্রেম কথা! মন শুদ্ধ হল তৃপ্ত হল, আরও পড়তে চাই, জানতে চাই মহারাজ জী।🙏🏼🙏🏼
    অর্পিতা বসু বাগবাজার।

    ReplyDelete
  34. রামানন্দ কাহিনী পাঠ করে আমি ধন্য।প্রণাম জানাই মহারাজ।

    ReplyDelete

Post a Comment