কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো

© -- স্বামী হরিময়ানন্দ দুর্গা পুজোর ঢাকের
বাজনার ঢ্যাং কুরাকুর, ঢ্যাং কুরাকুর এর রেশ এখনও কাটেনি। কোথাও কোথাও হয়তো প্রতিমা
নিরঞ্জন এখনও বাকি। এর মধ্যে আবার এসে গেল লক্ষ্মী পুজো। আশ্বিনের পূর্ণিমা হল কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা।
দেবী দুর্গা
হলেন জগন্মাতা। বাংলার আবেগ ও ভক্তি মিশে দেবী
দুর্গা হয়ে উঠেছেন আমাদের ঘরের মা। আবার মেয়েও। স-পরিবারে মা যখন আসেন – সঙ্গে আসেন লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক,
গণেশ। কিন্তু তখন মাকে নিয়ে সবাই খুব ব্যস্ত। ছেলেমেয়েদের বিশেষ যত্ন করার সময় কোথায়? এখন তাই পৃথক অভ্যর্থনা যত্ন ইত্যাদি। তাত্ত্বিকরা বলেন - আসলে দেবী দুর্গা
যেখানে প্রসন্না হন সেখানে শ্রী, বিদ্যা, সামর্থ্য ও সিদ্ধি ও এসে উপস্থিত হন।
লক্ষ্মীপুজো সারা বছর
ধরে হয়। বিশেষ করে বৃহস্পতিবারকে তো লক্ষ্মীবারই বলে। লক্ষ্মী্কে বাদ দিয়ে কি কিছু হয়? পরমহংসও লক্ষ্মীকে সমঝে চলেন। 'মাটি টাকা টাকা মাটি' বলে গঙ্গায় ফেলে দিতে গিয়েও থমকে যান। মা যদি রুষ্ট হন, যদি খ্যাট বন্ধ করে দেন। মা সারদা তো টাকা পয়সা দেওয়ার সময় কপালে ঠেকাতেন।
তা সে যাই হোক, আশ্বিনের কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো একটু পৃথক। মর্যাদা ও গৌরবের দিক থেকে তো বটেই। গৃহস্থের বাড়িতে যেমন করে হোক মায়ের আরাধনা হবেই। এখন অবশ্য সার্বজনীন পুজোও হয়। তবে সেখানে লক্ষ্যের থেকে উপ-লক্ষ্যই বেশি।
লক্ষ্মী খুবই চঞ্চল। পণ্ডিতদের মতো কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর সঙ্গে
জড়িয়ে রয়েছে বাংলার কৃষি সমাজের গভীর প্রভাব। পুজোর আয়োজন ও উপকরণে তার ছাপ খুবই স্পষ্ট।
লক্ষ্মীপুজোর অন্যতম আয়োজন হল দৃষ্টি-নন্দন আলপনা। নানা বৈচিত্রে নানা আঙ্গিকে অত্যন্ত নান্দনিক হয়ে ওঠে। এখনও বাংলার গ্রামগুলোতে দেখা যাবে ছোট ছোট পায়ের
ছাপ আলপনাতে ফুটিয়ে তুলতে। যা মা লক্ষ্মীর শুভ আগমনকে সূচিত করে। শুধু গ্রামই বা বলি কেন, নগর জীবনেও এর প্রভাব বড় কম নয়।
ধান হল লক্ষ্মীর প্রতীক। চাল , অন্ন , খাদ্যশস্যও হল লক্ষ্মীর প্রতীক। তাই যারা খাদ্য অপচয় করেন , তাদের ওপর দেবী লক্ষ্মী কখনোই তুষ্ট হন না। ধানক্ষেতের আশেপাশে ইঁদুর বা মূষিকের বাস এবং এরা ধানের ক্ষতি করে থাকে। পেঁচক বা পেঁচার আহার হল এই ইঁদুর। গোলাঘর হল ধন সম্পদের প্রতীক। গোলাঘরের আশেপাশে ইঁদুরের বসবাস। পেঁচা এই ইঁদুরকে খেয়ে খাদ্যশস্য রক্ষা করে।
কোজাগরী মানে কী?
কোজাগরী শব্দটি এসেছে 'কো জাগর্তি' এই সংস্কৃত কথা থেকে। যার অর্থ হল , 'কে জেগে আছো'?
লোকো কথায় পাওয়া যায়, মা লক্ষ্মী এই পূর্ণিমার রাতে জগত পরিক্রমায় বের হন। তিনি
দেখেন কে জেগে আছে? যে ব্যক্তি জেগে
থেকে মায়ের আরাধনা করেন , মা লক্ষ্মী তাকে ধন সম্পদ দান করেন। তাই ভক্তেরা সারারাত জেগে
থেকে মায়ের পুজো করেন। সন্ধ্যা থেকে
প্রতিটি গৃহ শাঁখের ধ্বনিতে ও ধূপ ধুনোর
গন্ধে মেতে ওঠে। সারারাত জেগে মায়ের আরাধনা ও প্রদীপ জ্বালিয়ে মায়ের আগমন প্রতীক্ষা করে।
জেগে থাকার অর্থ কী?
এই জাগরণ কেবল শারীরিক নিদ্রা- জাগরণ নয়। অনেকে 'জেগে থাকা' আক্ষরিক অর্থে গ্রহণ করে সারারাত খেলা নিয়ে বা অন্য কিছু নিয়ে মেতে থাকা নয়। এটি জেগে থাকার সঠিক অর্থ নয়। এই জেগে থাকার অর্থ স-চেতন
থাকা। শ্রীরামকৃষ্ণ তাই বললেন 'তোমাদের চৈতন্য হোক'। আমরা তো জেগে রয়েছি – মেতে রয়েছি জাগতিক আনন্দে, জেগে রয়েছি বাসনাতে, জেগে রয়েছি অহংকারে। শ্রীরামকৃষ্ণ যে জাগরণের কথা বললেন সেই জাগরণ হল – আধ্যাত্মিক
জাগরণ। সু-প্রবৃত্তির জাগরণ, মনুষ্যত্বের জাগরণ, বিবেকের জাগরণ।
গীতাতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কত যুগ আগে বলেছেন একই কথা। -
যা নিশা সর্বভূতানাং তস্যাং জাগর্তি সংযমী।
যস্যাং জাগ্রতি ভূতানি সা নিশা পশ্যতো মুনেঃ ।।
অর্থাৎ সমস্ত জীবের পক্ষে যা রাত, জ্ঞানীর কাছে তা দিনের মতো জাগরিত
অবস্থা। আর যখন সমস্ত জীব জেগে থাকে তখন তত্ত্বদর্শী মুনির কাছে তা রাত্রির মতো।
এই জগতে দু ধরণের বুদ্ধিমান লোক আছে। এক ধরণের বুদ্ধিমান লোক বৈষয়িক
ব্যাপারে, ভোগতৃপ্তির ব্যাপারে খুব উন্নতি করেন। আর অন্য ধরণের বুদ্ধিমানেরা আত্মজ্ঞান
লাভের চেষ্টায় সদা জাগ্রত। আত্মানুসন্ধানী সাধু মহাত্মাদের কাজকর্ম জড় জাগতিক ভাবে
আচ্ছন্ন মানুষের কাছে যেন রাতের অন্ধকার বলে মনে হয়। আত্ম উপলব্ধি সম্বন্ধে অজ্ঞ উদাসীন ব্যক্তি যেন রাতের অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকে।
জ্ঞানলাভের জন্য অনুসন্ধানী সর্বদা সজাগ থাকেন।
ওই তো সেদিন শ্রীরামকৃষ্ণ বললেন - তিন জন রাতে জেগে থাকে - যোগী, ভোগী আর রোগী।
মা দেখেন যে জেগে রয়েছে, লক্ষ্মী দেবী তাঁর গৃহে প্রবেশ করেন। লক্ষ্মী
হলেন সম্পদের দেবী, জাগতিক সম্পদ লাভের জন্য
প্রয়াসী হলেও তাকে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। আলস্য দূর করে জেগে থাকতে হবে। হয়ে উঠতে হবে সম্পদ লাভের উপযুক্ত।
লক্ষ্মী পুজো যেমন প্রতিমাতে হয়, এর পাশাপাশি, বিশেষ করে পারিবারিক
পুজোতে সরা, ঝাঁপি প্রভৃতিতে পুজো হয়। লালা কাপড় দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হয়।
গ্রাম বাংলায় এই কোজাগরী
পূর্ণিমার রাতে চুরি করার প্রথা কোথাও কোথাও
ছিল। এখনও কোথাও কোথাও থাকতে পারে। পূর্ণিমায় চাঁদের আলোয় চারিদিক যখন ঝলমল করতে থাকে, তবুও এর মধ্যে গৃহস্থের দৃষ্টি
এড়িয়ে চুরি করতে পারা একটা বাহাদুরী মনে করা হত। তবে এর দ্বারা চুরি প্রথাকে সমর্থন
বা প্রমোট করছি ভাববেন না। অবশ্য এরা যে কেউ 'প্রফেশনাল' তা নয়। নিছক একটা মজার ব্যাপার হিসাবে
ধরা হত।
পুজোর বিধি
[ধ্যান মন্ত্র]
ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ
শৃণিভির্যাম্যসৌম্যয়োঃ।
পদ্মাসনস্থাং ধ্যায়েচ্চ শ্রিয়ং ত্রৈলোক্য-মাতরম্।।
গোরবর্ণাং সুরূপাঞ্চ
সর্বালঙ্কার ভূষিতাম্।
রৌক্মপদ্মব্যগ্রকরাং
বরদাং দক্ষিণেন তু।।
-- দেবীর উপরের ডান হাতে
পাশ ও অক্ষমালা। বাম হাতে পদ্ম ও অঙ্গুশ শোভা পাচ্ছে। নিচের বাম হাতে কনক পদ্ম ও ডান
হাতে বরদান করছেন। দেবী পদ্মাসনে বসে রয়েছেন। গৌরবর্ণ ও নানা অলং কারে ভূষিতা। দেবী
লক্ষ্মী হলেন ত্রিভুবনের মাতা। এই হল লক্ষ্মীর প্রচলিত ধ্যান মন্ত্র।
বাংলাতে অবশ্য দ্বিভূজা
মূর্তির প্রচলন বেশি। চার হাতের মূর্তি প্রায়
নেই বললেই চলে। দেবীর দুহাতের এক হাতে থাকে ধানের
ঝাঁপি বা সিন্দুরের কৌটো আর অন্য হাতে বরমুদ্রা বা পদ্মফুল।
নমস্তে সর্বদেবানং বরদাসি
হরিপ্রিয়ে।
যা গতিস্তং প্রপন্নানং স্বা
মে ভূয়াত্বদর্চবাৎ
ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি
পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী
মহালক্ষ্মী নমোহস্তুতে।
ওঁ মহালক্ষ্ম্যৈ বিদ্মহে মহাশ্রীয়ৈ ধীমহি তন্নোঃ শ্রী প্রচোদয়াৎ।
উপচার
নানা উপচারে দেবীকে আরাধনা করা হয়। ফল মিষ্টি ছাড়াও দেওয়া হয় নারকেল, চিঁড়ে, খই, তিল, নাড়ু , মোয়া ইত্যাদি। লক্ষ্মী পুজোতে সংকল্প করে হব্যবাহন, রুদ্র, বরুণ, বিণায়ক, প্রভৃতি
দেবগণের পুজো করতে হয়। এর পর যথাসাধ্য মা লক্ষ্মীর
পুজো করে নারায়ণ, কুবের ও ইন্দ্রের পুজো করতে
হয়। পরে স্তব-স্তুতি পাঠ করে পুজো সমাপ্ত হয়। গৃহবধুরা সারারাত ঘি-এর দীপ জ্বেলে রাখেন।
পুরাণ কাহিনী
কোন কোন পুরাণ মতে লক্ষ্মী হলেন কার্তিকের পত্নী। কিছু পুরাণে আবার
তিনি গণেশের পত্নী। সরস্বতী ছিলেন আদিতে শস্যদাত্রী দেবী। সরস্বতী ছিলেন নদীরূপী। পরে
লক্ষ্মী-সরস্বতী একই রূপে গণ্য হয়ে শস্য ও সম্পদের দেবী হিসাবে পূজিতা হন।
শস্যের দেবী হিসাবে লক্ষ্মীকে ধরিত্রীও বসুমতীও ভাবা হত। বৈদিক যুগে শস্য ও সম্পদের দেবী ছিলেন নদীরূপী সরস্বতী। নদীর সঙ্গে শস্য ও
সম্পদের সরাসরি যোগ রয়েছে। নৃ-তত্ত্বের দিক থেকেও এটি স্বাভাবিক ও যুক্তি সংগত। এরপর
দেখি সমুদ্র মন্থনে লক্ষ্মী দেবীর উত্থান। অবশ্য এই দেবী ছিলেন শ্রী। লক্ষ্মী ও শ্রী
পৃথক হলেও পরে কিন্তু এক হয়ে যায়। বিষ্ণূর পত্নীরূপে পূজিতা হন।
বাহন - পেঁচা
শ্রী,সৌন্দর্য
ও সৌভাগ্যের এমনকি পরাবিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মীর বাহন পেচক বা পেঁচা। আপাতদৃষ্টিতে
মনে হয় এমন কদাকার, কর্কশকণ্ঠ, দিনের বেলায় দেখতে পায় না যে পেচক কী করে মা
লক্ষ্মীর বাহন হয়। আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে এর খুব সুন্দর ব্যাখ্যা আছে।অন্যপ্রাণীরা
রাত্রে ঘুমোয়,পেঁচা রাত্রে জেগে থাকে। ধার্মিক অধার্মিক, সংযমী অসংযমীর চরিত্রগত ও
বিচারগত পার্থক্য স্বীকার করতেই হয়। অন্য সকলের কাছে যা রাত্রি, সংযমীর কাছে তা
দিন। আবার অন্যদের কাছে যা দিন, সংযমীর কাছে তা রাত্রি। পরমার্থ বিষয়ে অন্য সকলে
যখন নিদ্রিত, সংযমী পুরুষ তখন জাগ্রত।
দেবী লক্ষ্মীর মোট প্রধান আটটি রূপ।
১) মহালক্ষ্মী ২)ধনলক্ষ্মী ৩) ধান্যলক্ষ্মী ৪)গজলক্ষ্মী ৫) সন্তানলক্ষ্মী ৬) বীরলক্ষ্মী ৭) বিজয়লক্ষ্মী ৮) বিদ্যালক্ষ্মী
জয়রামবাটীতে বৈকুণ্ঠের লক্ষ্মী
শ্রীশ্রী চণ্ডীতে বলা হয়েছে লক্ষ্মীরূপেন সংস্থিতা। সেই আদ্যাশক্তি তিনিই লক্ষ্মী রূপে বিরাজ করেন।
সেই বৈকুণ্ঠের লক্ষ্মী কিছু দিন আগে এসেছিলেন এই মাটির পৃথিবীতে।
জয়রামবাটীতে। মা সারদা রূপে। তিনি নিজ মুখে
এ কথা স্পষ্ট জানিয়েছেন । সাধারণ নারীর মতো রুটি বেলতে দেখে এক ভক্ত জিজ্ঞাসা করে
ছিলেন - এ সব মায়া নাকি? শ্রীমা উত্তরে বলেছিলেন - "মায়া বই কি! মায়া না হলে
আমার এ দশা কেন? আমি বৈকুণ্ঠে নারায়ণের পাশে লক্ষ্মী হয়ে থাকতুম।"
একবার জনৈক সতীশ বিশ্বাসের বাড়ীতে
মা নিয়ে গিয়েছিলেন। গ্রামের মাটির ঘর। গোবর দিয়ে লেপা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। উঁচু
বারান্দা। মা পূর্ব দিকে মুখ করে বসলেন। নিচে পা
দুখানি ঝুলছে। কোলের উপর দুটি হাত। পরনে লালা পাড় সাদা শাড়ি। মাথায় একটু ঘোমটা। শ্রীমুখে প্রসন্নতা। ঈষৎ
কোঁকড়ানো চুল ডান দিক
দিয়ে ঝুলছে।
এই যে মায়ের এমনি করে অযাচিত ভাবে ভাগ্যবান সতীশ বিশ্বাসের বাড়ি যাওয়া, ও
তাদের বারান্দায় বসা। আমাদের মনে করিয়ে দেয় মা লক্ষ্মীর রূপ। আমাদের বিশ্বাস আজও মা এমনি
ভাগ্যবানদের গৃহে অযাচিত ভাবে হাজির হন। হাজির হন তাঁর আশীর্বাদ নিয়ে। ধর্ম,অর্থ, কাম, মোক্ষ - নিয়ে। তিনি কেবল জানতে চান --- কো জাগর্তি
- কে জেগে আছো? ©
খুবই সুন্দর ব্যাখ্যা, আবার কিছু নুতন একটা জানতে পেরে খুবই সমৃদ্ধ হলাম। মহারাজ জী প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteKhub sundar. Pranum Ma Sarada rupi Ma MahaLakshmi🙏🙏🙏
DeletePranam Prabhuji, Kojagari Laxmi Puja, lekhati pare mugdha holam. Kojagari sabder artha o tar bhab khubi sundar, sachetan bhabe jaga. Pujar sampurna bibaran pare khubi bhalo. Sradhya o kritagyata janai. Khub bhalo thakun, ei bhabe amader bibhinna bisaye samridha karun, prarthana janai.
Delete🌷🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌷
জয় মা সারদা। তুমিই আমাদের লক্ষী সরস্বতী মঙ্গলকারিনি।
Deleteমহারাজ,
খুব আনন্দ পেলাম। মাকে পড়তে পড়তে মনে খুব শান্তি পাই। জয় মা লক্ষী-সারদা। প্রণাম।
মহারাজ, সশ্রদ্ধ প্রণাম নিবেদন করছি। ভালো থাকবেন।🌹🙏
জি মহারাজ আপনি আপনার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন।লেখাটি পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম কোজাগরী লক্ষী পূজা সম্বধে। খুবভালো লাগলো
DeleteKojagori Lakshmi puja apurbo bhyakhya
DeletePore somriddho holam
Aponer kache amra chiro krithogho
Maa Saroda rupee Maha Lakshmi r ratul chorone shoto koti pronam
Maharaj Aponer ratul chorone shoto koti abhumi lunthito pronam janalam grohan korben 🙏🌺🌺🙏
Maharaj amar Pronam grahan korben 🙏
Deleteখুব ভালো লাগলো এইভাবে আমাদের জয় মা লক্ষ্মীর কথা বিস্তারিত ভাবে বলেছেন আমরা আপনার কাছ থেকে অনেক বিষয় জানতে পারছি বলে খুব ভালো লাগছে আপনার মত গুরু পেয়েছি তাই এত কিছু জানতে পারছি আপনার মত গুরু যেন জনম জনম ম পায় আপনার শ্রী চরণে শতকোটি প্রণাম। শিখা মন্ডল বজবজ।
ReplyDeleteসকাল থেকে মনে হয়েছে আজ একটা লেখা নিশ্চয়ই পড়তে পারব। খুব ভালো লাগলো। বিশেষত মা লক্ষীর বাহন অংশ টি , যা আগে জানতাম না।
ReplyDeleteমাগো তুমি সবার ঘড়ে বিরাজিত হও।
🌺🌺🙏🙏🌺🌺
খুব সুন্দর ব্যাখ্যা মা লক্ষ্মী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। মা আমাদের সহায় থাকুন প্রণাম নেবেন মহারাজ ভালো থাকবেন।
Deleteমীনা সিনহা রাজারহাট
Moharaj apnar lekha porar apekhai thake lakhsme pujar je tothyo tule dhorlen ,khub valo laglo, akhono amra ghumeya achhe jagrete kobe hobe jane na,pronam neben moharaj ,asima batabyal
ReplyDeleteআমাদের বাঁকুড়ায় ইন্দ পুজো,বা চোখ চাঁদা বলে একটা পূর্ণিমা হয়,সেদিন রাতে সবার বাগানের ফল চুরি করে ছোটরা,খুব মজা করে রাত জাগে ।হাসি🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteজয় মা তুমি কৃপা কর 🙏🙏🙏🌹🌹🌹
ReplyDeleteজয় মা লক্ষ্মী।
ReplyDeleteজয় মা লক্ষ্মী প্রণাম নিয়ো মা গো 🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ ব্যাখ্যা খুব ভালো লাগলো ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
এত প্রাঞ্জল এত সুন্দর ব্যাখ্যা এটা পাঠ করেই ভক্তি তে প্রাণ উথলিয়া যায়। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteখুব সুন্দর মা লক্ষীর কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে কথা পড়লাম. অনেক কিছু নতুন করে জানলাম . প্রনাম মা প্রনাম ঠাকুর . রুনা পালিত . কেঁচুয়াডাঙ্গা নদীয়া. প্রনাম নেবেন মহারাজ জী .
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো,অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম,প্রণাম নেবেন মহারাজ জী🙏
ReplyDeleteরমা হাজারী ,আনন্দপুর ।
খুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏🌷🙏মা লক্ষী সম্বন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানলাম সমৃদ্ধ হলাম ঋদ্ধ হলাম তৃপ্ত হলাম 🙏🌷🙏 জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ জয় মা লক্ষী ।
ReplyDelete🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
আজকের এই পুন্যদিনে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজা সম্বন্ধে কত কিছু জানতে পারলাম, কিছু তথ্য জানা ছিল , কিন্তু বেশীরভাগই নুতন তথ্য, যেমন গ্রাম বাংলার পুজার কথা, আর লক্ষ্মীর বাহন পেচক পক্ষী কেন, তার এমন সুন্দর ব্যাখ্যা।
ReplyDeleteআর আমাদের লক্ষীরূপী মা জননী র কথা য় মন ভরে গেল।
জয় মা লক্ষ্মী সকলের মঙ্গল কর মা
🙏🙏
আমার প্রনাম নেবেন মহারাজ জী
অর্পিতা বসু বাগবাজার 🙏
Apurbo🙏 moharaj mon pran vore gelo joy ma🙏 joy ma🙏 joy ma🙏 joy ma🙏 joy ma🙏Dipa Choudhury Andul Mouri Howrah🙏 porom pujjyapad moharajer sripadpodme bhumisto voktipurno pronam janai🙏 joy thakur joy ma joy swamiji🙏🙏🙏
ReplyDeleteআজ কোজাগরী লক্ষী পুজোর দিনে লক্ষ্মী দেবী ও তাঁর পুজো এবং বাহন প্যেচা সম্পর্কে বিষদ ভাবে জেনে খুব ভালো লাগলো মহারাজ।মা লক্ষ্মীর ধ্যান মন্ত্র, গায়ত্রী মন্ত্র ও অঞ্জলি মন্ত্র আমার খুব প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে এবং খুব ভালো লেগেছে।আমার ভক্তি পূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteরীতা দত্ত, খড়গপুর।
🙏মন আনন্দিত হল আজ আপনার লেখা পড়ে মহারাজ। সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন।🙏
ReplyDelete🙏🙏 জয় মা লক্ষ্মী সকলের মঙ্গল কর মা। রীতা নাগ ৃৃ
ReplyDeleteপ্রনাম জানাই মালক্ষীর চরণে
ReplyDeleteঅসাধারণ ব্যাখ্যা খুব ভালো লাগল আমার প্রনাম নেবেন মহারাজ সোনালী ভট্টাচার্য্য হাওড়া
খুব সুন্দর ব্যাখ্যা
ReplyDeleteSovakti pranam Achariyo Maharajji 🌺🌺🙏🏻🙏🏻. Aaj Laxmi pujo r diney Laxmi Rupini Ma Sarada Devi r opurbo Aponer ei lekhoni peyey khubei dhonyo🙏🏻. Ki opurbo Ma Laxmi r Adi kotha porey gyano prapti holo. Aajker diney sei Maer gaan mone aslo--- Baikuntho thekey Laxmi alo amader ei Mati te Joyrambati te- Abhumi naman, Achariyo Maharajji 🌺🌺🌻🌻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteজয় মা মহালক্ষ্মী তব শ্রীচরণ পাদপদ্মে আমার আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 কৃপা করো মা সকলের মঙ্গল করো মা 🙏🌷🌷🌷🙏🙏
ReplyDeleteপরম পুজনীয় গুরু আচার্যদেব মহারাজজীর শ্রীচরণ পাদপদ্মে আমার আন্তরিক ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🙏🌷🌷🌷🌷
Khub sundor 🙏eilekha theke anek kichu jante parlam . Pronam neben Maharaj . amra koto bishoye jante parchi 🙏🙏
ReplyDeleteমা তোমাকে প্রনাম। সুন্দর বার্তা দিয়েছেন মহারাজ 🙏
ReplyDeleteমহারাজ প্রণাম নেবেন,লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানলাম,খুব সুন্দর লেখা।
ReplyDelete🙏🙏🙏মহারাজ আমার প্রনাম নেবেন। আপনার লেখা থেকে অনেক অজানাকে জানতে পারি। খুব ভালোলাগে।
ReplyDeleteKhub Sundar laglo
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর বর্ণনা করেছেন মা লক্ষীর! লেখা গুলো পড়ে মন ভরে যায়! ভীষণ ভালো লাগে! কোন লেখা বাদ দিই না! পরে হলেও পড়ি। কোন কোন লেখা তো দুবার ও পড়ি। আপনার কৃপায় কত কিছু বিস্তারিত জানতে পারছি। আপনি খুব ভালো থাকুন ঠাকুর মা স্বামীজির কৃপায়! আপনার রাতুল চরণে আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করছি মহারাজ! 🙏🌹🙏
ReplyDeleteউমা ব্যানার্জী জামশেদপুর।
ReplyDelete🌺🙏🏻🌺🙏🏻🌺
ReplyDeleteজয় মা লক্ষ্মী । আপনার কৃপায় মায়ের কৃপায় আমাদের সবাইকে ভালো থাকতে হবে। পড়ে খুব ভালো লাগলো । আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন প্রণাম মহারাজ ।।
ReplyDeleteপ্রনাম মা লক্ষী।অনেক কিছুই জানলাম। ভীষণ ভাল লাগল। প্রনাম নেবেন মহারাজ। মঞ্জুর ভট্টাচার্য। পঃ বধ'মান।billagram.
ReplyDeleteশ্রী মা লক্ষীদেবীর চরণতলে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম। মহারাজের এই সুন্দর অথচ সহজ করে লক্ষীদেবীর সব মাহাত্ম্য তথ্য পাঠ করে ধন্ হলাম।আমাদের মহারাজ সব বিষয়টি এতো ভালো ভাবে ব।ঝিয়ে দেন।সবকিছু বিস্তারিত করে বোঝান।তাই খুবই ভালো লাগে।যেমন লক্ষীদেবীর বীষঋ অনেক কিছু জানতে পারলাম।ভালো থাকবে ন মহারাজ।
ReplyDeleteজয় মা লক্ষ্মী,ভীষণ ভাল লাগলো লেখাটি পড়ে,অনেক না জানা বিষয়ে জানতে পেরে,উপকৃত হলাম।আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই পরম পূজনীয় লেখক আচার্য দেবকে।নাম বিনু চক্রবর্তী,বাড়ি মালদা। জয় ঠাকুর
ReplyDeleteপ্ননাম নেবেন মহারাজ।মায়ের লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম
ReplyDeleteসবিতা সাহা বারাসাত
Pronam Acharya Deb, Anek kichu jante parlam 🙏🙏🙏🌹🌹
ReplyDeleteবাঁচলাম.. বিনম্র প্রণাম মহারাজ।🙏
ReplyDeleteকোজাগরী লক্ষ্মী পূজা অসাধারণ ব্যাখ্যা পড়লাম মনভরানো লেখা।আরো ভালো লাগলো জয়রাম বাটীর লক্ষ্মী আমাদের মাএর ভক্ত প্রতি কৃপার কথা শুনে অনেক নুতন নুতন তথ্য জানতে পারি আপনার লেখা গুলো থেকে, আপনার সাথে যুক্ত না হলে জীবনে অনেক কিছুই অজানা থেকে যেতো আচার্য দেব। আমার শতকোটি প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য্য দেব। 🙏
ReplyDeleteজয় মা লক্ষ্মী 🙏🌷🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
জয় মা জয় মা জয় মা। অপূর্ব সুন্দর লেখা।প্রনাম জানা ই মহারাজ জী। পড়ে মন ভরে যায়।🙏🙏🏵️🙏🙏🏵️🏵️🏵️🏵️🏵️
ReplyDelete