পিতৃপক্ষের শেষ ও দেবীপক্ষের শুরু
© লেখক --- স্বামী হরিময়ানন্দ
২০২২
১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ----পিতৃপক্ষ
২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়া
২৬ সেপ্টেম্বর দেবীপক্ষ
আকাশে মেঘের ঘনঘটা ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। বৃষ্টি-ধোয়া গাছের পাতায় রোদের
ঝিকিমিকি। প্রভাতে ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দুতে রামধনুর বিচিত্র শোভা। চারিদিক যেন পরিপূর্ণ। বাতাসে ভেসে আসছে শিউলির গন্ধ। ঢেউয়ের মত বাতাসে দুলছে পুকুরের পদ্মফুল। কাশফুলেদের মাঝেও সাজসাজ রব। স্বর্গীয়
সুষমায় সেজে ওঠা প্রকৃতিও যেন নন্দিত দৃষ্টিতে অপেক্ষা করছে তাঁর আগমনের । মর্ত্যলোক ও দেবলোকে চলছে আনন্দ
উৎসবের আয়োজন। পিতৃপক্ষ ও দেবীপক্ষের সন্ধিক্ষণ এসে উপস্থিত।
পিতৃপক্ষ কী ?
ভাদ্রমাসের
কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ থেকে শুরু করে একপক্ষ কালকে বলে পিতৃপক্ষ। দক্ষিণায়নের
শেষপক্ষ এটি। স্মৃতিকারদের মতে এই সময় পূর্ব পুরুষদের তৃপ্তি বা
শান্তি কামনার জন্য তিল
দিয়ে তর্পণ করতে হয়। প্রতিপদ থেকে পঞ্চমীর মধ্যে শ্রাদ্ধ করার উপযুক্ত সময়। আরও
ভাল সময় ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত। একাদশী থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত সব থেকে উপযুক্ত
সময়। পিতৃপক্ষের শেষ অমাবস্যাকে বলে
মহালয়া। মহান আলয় বা আশ্রয়।
মহালয়াতেই পক্ষকাল ব্যাপী তিল তর্পণের সমাপ্তি। ওই দিন
পার্বণ শ্রাদ্ধ করতে হয়। পর্ব বা বিশেষ উৎসবের দিনে যে শ্রাদ্ধ করা হয় তাকে বলে
পার্বণ শ্রাদ্ধ। হিন্দুদের বিশ্বাস আত্মা তিন পুরুষ বাস করেন পিতৃলোকে। সেই কারণে শাস্ত্রে তিন পুরুষের শ্রাদ্ধের বিধান রয়েছে। পিতৃলোক হল মর্ত্য ও স্বর্গের মধ্যবর্তী লোক। পিতৃলোকের অধিপতি
হলেন যমরাজ। । ভাদ্র মাসের অমাবস্যা হল পিতৃপক্ষের সময়। পিতৃপক্ষের শুরুতে
সূর্য তুলা রাশিতে প্রবেশ করে। এর এক মাস পর সূর্য বৃশ্চিক রাশিতে
প্রবেশ করা পর্যন্ত সমস্ত আত্মা পিতৃলোকে বাস করেন।
পিতৃলোক হল মৃত পূর্ব পুরুষদের বাসভূমি । আর একটি রয়েছে
দেবলোক। বহু প্রাচীন এই বিশ্বাস, শুধু হিন্দুদের
মধ্যে নয়, প্রায় সব মতের মধ্যে দেখা যায়। এর মূলে কিছু
সত্য অবশ্যই রয়েছে। বিষয়টিকে আমরা বেদান্তের
দৃষ্টিতেও দেখতে পারি। বিভিন্ন স্বর্গ বা লোক আর কিছুই নয়, আমাদের নিজস্ব চিন্তা ও মনের বিভিন্ন স্তর। আমরা যে স্থানে
প্রবেশ করার উপযুক্ত অধিকার লাভ করি সেগুলিই এক একটি লোক।
সেই লোক গুলিতেই
আমাদের ইচ্ছার পূরণ হয়। স্থূল থেকে সূক্ষ্ম নানা প্রকার অপূর্ণ বাসনা আমাদের মধ্যে রয়েছে। আমরা সেই ইচ্ছার
দ্বারা চালিত হই। মৃত্যুর পরও সুখ-কামনার নিবৃত্তি
হয় না। সেই কামনাগুলো যেখানে পূরণ হতে পারে সেই অনুকূল স্থানে আমাদের গতি হয় । যদি সেই কামনা
পার্থিব বা স্থূল জগতের বা ইন্দ্রিয় সুখের জন্য হয় তবে তা মৃত আত্মাকে আবার মর জগতে, এই পৃথিবীতে নিয়ে আসে। যদি সেই বাসনা সূক্ষ্মতর হয় তা পূরণের জন্য অনুকূল লোকে যেতে হয়।
মৃত্যুর পর কী থাকে?
মৃত্যুর পর কি আমাদের কোন অস্তিত্ব থাকে, যার উদ্দেশে শ্রাদ্ধ বা তর্পণাদি করা
হয়। হাজার হাজার বছর ধরে এই প্রশ্ন চলে আসছে মানুষের
মনে। মৃত্যুর পরের অস্তিত্বের ধারণা কেবল
হিন্দুদের নয়, অন্যান্য ধর্মের মধ্যেও দেখা যায়। উপনিষদের ঋষিরাও
এই সব নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করেছেন। চেষ্টা করেছেন এর যুক্তি সম্মত সমাধানের। আবার অনেক
মানুষ আছেন যারা এই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। ভারতে প্রাচীন কাল থেকে জড়বাদী বা
চার্বাকদের ধারণা আত্মা বলে কিছু নেই। দেহ ছাড়া আর কিছু নেই। দেহত্যাগ হওয়ার
সাথে সাথে সব শেষ। ফলে ওই সব অবাস্তব চিন্তা না করে ‘বাস্তব চিন্তা’ করাই উচিত। ‘খাও, পান কর আর মজা কর’। অবশ্য এখন আধুনিক
চার্বাকদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
মৃত্যু কী?
মৃত্যু আসলে কী? মৃত্যু সম্পর্কে
আমাদের নানা বিচিত্র ধারণা রয়েছে। অনেকে আবার এসব নিয়ে ভাবতেই চায়
না। জীবন নিয়ে এত গভীর আকর্ষণ যে, মৃত্যুরূপ সত্যকে ভাবতেই চায় না। এটি মানুষের পুরাতন একটি দুর্বলতা। মৃত্যু আমাদের
জীবনে এমন এক সত্য যার থেকে দূরে সরে যেতে পারি না। একে অস্বীকার
করা মূর্খতা। এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব। সশরীরে অমরত্ব
লাভ ভ্রান্ত ধারণা। মৃত্যু জীবনের একটি অঙ্গ। মৃত্যু ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ। যে মুহূর্তে
আমরা জন্মেছি, মৃত্যু সেই মুহূর্তেই শুরু হয়েছে। মৃত্যুহীন জীবন, ব্যথাহীন সুখ, অন্ধকারহীন আলো, অশুভহীন শুভ
– কখনওই সম্ভব নয়। হয় আমাদের জন্ম-মৃত্যু দুটোকে গ্রহণ করতে হবে অথবা এ দুটোর ঊর্ধ্বে উঠতে
হবে। মৃত্যু হল পরিবর্তন। অস্তিত্বের বিনাশ নয়। এই
স্থানে, এই রূপে, এই সময়ে নেই। এর অর্থ
অন্য স্থানে, অন্য রূপে, অন্য সময়ে
নিশ্চয়ই বর্তমান। এতে ভয় পাওয়ার
কিছু নেই।
মৃত্যুকে জয়
মৃত্যুকে জয় করার ক্ষমতা আসে আমাদের যথার্থ স্বরূপকে
জানতে পারলে। আমরা যে জন্মমৃত্যু রহিত,শাশ্বত,
চৈতন্যস্বরূপ - এই বোধ যখন জন্মায় তখন আমরা মৃত্যুকে অতিক্রম করে যাই। তিনটি অবস্থা
জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি। এই তিন অবস্থার উর্ধ্বে রয়েছে আর একটি
অবস্থা যার নাম তুরীয়। সেই অবস্থার জ্ঞান হয় তখন। ব্রহ্মের প্রতীক ওঁ-কার সাধনার দ্বারা আত্মজ্ঞান লাভ করা যায়। একটি উপমার দ্বারা বললে হয়ত সহজ হবে।
একদিন একবিন্দু
জল মহাসাগরের বুকে এসে পড়ল। নিজেকে সে আর তখন পৃথক করে ভাবতে
পারছে না। নিজেকে ওই অবস্থায় দেখে সে কাঁদতে শুরু করল। মহাসাগর বিদ্রুপ
করতে লাগল। কেন তুমি কাঁদছ? আমি জানি না, কখন তুমি আমার সঙ্গে যুক্ত হলে, তুমি তোমার সমস্ত
ভাইবোনের সঙ্গে যুক্ত হলে। সকল জলবিন্দু নিয়েই তো আমি। তুমিও এখন সেই
সমুদ্র। তুমি যদি আমায় ত্যাগ করতে চাও তোমাকে মেঘের মধ্যে সূর্যকিরণ
পর্যন্ত উঠতে হবে। সেখান থেকে তুমি একবিন্দু জল হয়ে তৃষিত পৃথিবীর বুকে আশীর্বাদ স্বরূপ নেমে আসবে।
শ্রাদ্ধ, তর্পণ কী যুক্তিসংগত
বর্তমান বিজ্ঞানের যুগে মানুষের
কাছে শ্রাদ্ধ ও তর্পণ এই সব ধারণা অমূলক ও অর্থহীন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু একটু
ভেবে দেখলেই বুঝতে পারব, যে-সামাজিক পরিবেশের মধ্যে আমরা রয়েছি সেখানে ক্রমশ আত্মকেন্দ্রিক ও বস্তুনির্ভর জীবন যাত্রায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি ও পড়ছি। আমার চারিদিকে
এক দুর্ভেদ্য অহংকারের প্রাচীর তুলে দিয়েছি। বৃহৎ জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বড় একা
হয়ে গিয়েছি। এই আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের তাকাতে হবে অতীতের দিকে। ইতিহাস কেবল
মৃত কাহিনি মাত্র নয়। আমাদের অতীতকে আমরা অস্বীকার
করতে পারি না। বহুকাল ধরে চলে আসছে ভারতীয় ভাবনায় - “পিতা স্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতা হি পরমন্তপঃ। পিতরি
প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতাঃ”। এই কথাগুলো ভুলে গিয়েছি বলে
আজ আমাদের সমাজে পিতামাতা ও পুত্রকন্যা পরস্পরের প্রতি ভক্তিশ্রদ্ধা ও
ভালবাসার দৃঢ় বন্ধন শিথিল হয়ে যাচ্ছে।
শ্রাদ্ধ কী ও কেন?
শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে মৃতদের উদ্দেশ্যে নানা জিনিস, খাদ্য দ্রব্যাদি নিবেদন করার নিয়ম। মনে হতে পারে
কী প্রয়োজন তাদের ওই সব জিনিসের? মৃতদের তো
আর দেহ-ইন্দ্রিয় নেই যে তার দ্বারা এসব বিষয় ভোগ করবে। মৃতদের প্রয়োজনের থেকে অনেক বেশি প্রয়োজন আমাদের। ‘শ্রদ্ধা’ থেকে এসেছে ‘শ্রাদ্ধ’। শ্রাদ্ধ
অনুষ্ঠানে সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করা হয় মৃত আত্মাদের। তাছাড়া শ্রাদ্ধের সময় যে-সব জিনিস দান করা হয়, তা গ্রহণ করেন কোন না কোন দরিদ্র মানুষ। আমরা যেন অতীতকে
কখনও অস্বীকার না করি। অতীতের ভিত্তিতে বর্তমান এবং বর্তমানের
ভিত্তির উপর গড়ে উঠে ভবিষ্যৎ। আমরা রাজা, বাদশা নবাবদের বংশ তালিকা
পাঠ করি। অথচ আমরা অনেকেই আমাদের নিজ বংশের গৌরব গাথা বা বংশ তালিকা নিয়ে মাথা ঘামাই
না। নিজের বংশের তিন পুরুষের নাম অনেকের কাছেই অজানা। পারলৌকিক ক্রিয়ার দ্বারা কেবল মৃতদের
প্রতি যে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হয় তা নয়, এর ফলে গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি ভাব সঞ্চারিত হয়। পূর্বপুরুষদের মহান কীর্তির স্মৃতি, আমাদের ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল করে।
এ কথা নিশ্চয়ই অস্বীকার করতে পারি না, আমরা
সকলেই আজ যে-যেখানে রয়েছি আমাদের পূর্বপুরুষ, সমাজ দেশ ও জাতির কাছে নানা ভাবে ঋণী।
সারা জীবন ধরে চেষ্টা করতে হয় তা পরিশোধ করতে।
তর্পণ কেন?
পিতৃপক্ষের একান্ত কর্তব্য হল তর্পণ। তর্পণ কথার অর্থ হল তৃপ্তি বিধান করা। পরলোকগত পিতা মাতা, পিতামহ, মাতামহ
প্রভৃতি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে অঞ্জলি ভরে জল দিয়ে তাঁদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করা হয়। শুধু
তাই নয় পরিচিত অপরিচিত প্রিয় অপ্রিয় সকলের, এমনকি গাছপালা পশুপাখি, কীটপতঙ্গ
প্রভৃতি সকলের তৃপ্তি বিধানের জন্য অঞ্জলি দেওয়া হয়। ‘সকলেতে আমি, আমাতে সকল’ - এই সর্বব্যাপী ভাব প্রকাশ পেয়েছে তর্পণের ভেতর
দিয়ে। সমস্ত জগৎব্যাপী জীবের সঙ্গে একাত্ম বোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার প্রেরণা দেয় তর্পণ।
তিল ও জল দিয়ে সাধারণত তর্পণ করতে হয়। তিলে থাকে স্নেহ পদার্থ তেল, যা মাতৃস্নেহের
প্রতীক। আর জল হল প্রাণের মূল উপাদান। সেদিক থেকে দেখলে তর্পণ হল সর্বব্যাপী প্রাণশক্তির
সঙ্গে মাতৃস্নেহের মহামিলনের শুভ মুহূর্ত।
পিতৃপক্ষ ও দেবীপক্ষের মাঝখানে রয়েছে ‘মহালয়া’। এ যেন আমাদের জন্ম ও
মৃত্যুর মাঝখানে
দাঁড়িয়ে থাকা বর্তমান জীবন। দুটি অব্যক্ত ও
অপ্রকাশের মাঝখানে একমাত্র প্রকাশ। ভালভাবে বাঁচতে জানা আর ভালভাবে মরতে জানা
– একই কথা।
দেবীপক্ষ
দেবী
দুর্গার আগমন শরৎকালে। শরৎকাল দক্ষিণায়ণের মধ্যে পড়ে। এ সময় দেবলোক থাকে নিদ্রিত।
তাই দেবীর মহাপূজার আগে বোধন বা জাগরণ করতে হয়। শরৎকালের বোধন তাই অকাল বোধন। মনে
হতে পারে মহামায়াও তা হলে কখনও জেগে থাকেন আবার কখনও ঘুমিয়ে থাকেন। আসলে এই ঘুমিয়ে
থাকা মায়ের নিদ্রা নয়। এই নিদ্রা আমাদের। আমরা
আত্ম চেতনায় নিদ্রিত। আমরা জেগে রয়েছি কামে, ক্রোধে, লোভে। মোহনিদ্রা ছেড়ে আত্মশক্তিতে জেগে ওঠার
নামই বোধন।
দেবীপক্ষের তাৎপর্য হল মনের প্রস্তুতি। যে মন নিয়ে সংসারের নানা কাজে ব্যস্ত রয়েছি, সেই সংসার মলিন মন নিয়ে মাতৃ আরাধনা করা যায় না।
সেই মনের প্রস্তুতি হয় দেবী পক্ষে। অহং সর্বস্ব মনকে মার্জনা করতে হয় যাতে করে
পরিণামে তা সমর্পণের যোগ্য হয়ে ওঠে।
দেবী দুর্গা
দেবী
দুর্গার আরাধনা হয় ঘটে, নবপত্রিকাতে ও প্রতিমাতে। বিভিন্ন পুরাণে পাওয়া যায় দেবীর
রূপের বর্ণনা। দেবতারা নিজেদের তেজ দান করে
সর্বময়ী দেবীর রূপ দিলেন।
দেবীমাহাত্ম্যে সেই রূপগ্রহণের বর্ণনা অপূর্ব ও অদ্ভূত। সে বর্ণনায় দেবীর তেজোময়ী
রূপের ভাবনা। সমস্ত দেবতার তেজ একত্র হয়ে আদি অন্ত পর্বতের মতো বহ্নিমান হয়ে উঠল।
সে তেজ যে কী আকার নেবে সে বিষয়ে দেবতারা তখনও জানতেন না। আকাশ জোড়া সে এক
জ্যোতির্ময়ী নারীমূর্তি। তিনি দুর্গা, তিনি অম্বা। তাঁর মাথার মুকুট আকাশ পর্যন্ত
বিস্তৃত। পৃথিবী কাঁপছে তাঁর পদভরে। অট্টহাসির শব্দে দিগন্ত প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।
তুমুল অট্টহাসিতে চমকে উঠলেন মহিষাসুর।
সর্বব্যাপী মাকে যিনি অন্তরে ও বাহিরে উপলব্ধি করেন তিনিই শ্রেষ্ঠ মাতৃসাধক। মা, তুমিই পৃথিবী, জল, অগ্নি, বায়ু আকাশ। তুমি মন, অহংকার, মহৎ ও প্রকৃতি। আবার তুমিই সেই
আত্মা ও পরম তত্ত্ব। মাগো, তোমার পরে আর কী বা আছে? কিন্তু সেই দুর্লভ উপলদ্ধি সকলের হয় না। জ্ঞান-ভক্তি-বিবেক আমরা সকলে
চাইতে পারি না। আমরা চাই ‘রূপং দেহি,জয়ং দেহি,যশো দেহি,দ্বিষো জহি’। এই সকাম প্রার্থনার
দ্বারা যেমন জাগতিক বস্তু লাভের আকাঙ্খা রয়েছে। নিস্কাম সাধকের
এই প্রার্থনা আর এক ভিন্ন অর্থ নিয়ে আসে। মা, আমায় আধ্যাত্মিক রূপ দাও, আধ্যাত্মিক জয়
ও যশ দাও। কী সেই আধ্যাত্মিক রূপ, জয় ও যশলাভ? মহাময়া জগজ্জননীর চিন্তা যেন ঘনীভূত হয়ে সাকার হয়ে
ওঠে আমার মধ্যে।আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে যে সব শত্রু
– কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য এই সব শত্রুদের উপর যেন বিজয় লাভ করতে
পারি। আর আধ্যাত্মিক অনুভূতি লাভে যেন শ্রেষ্ঠ স্থান লাভ করি।
ভগবতী
দুর্গার দশ হাত দশ দিকের প্রতীক। দশ হাতে দশ প্রকার অস্ত্র ধারণ করে সমস্ত দিক
দিগন্ত সমাচ্ছন্ন করে রেখেছেন। আসুরিক শক্তির বিনাশ করছেন। সেই মহাশক্তি কখনও মাতারূপে আবার কখনও কন্যারূপে
পূজিতা হন। তিনি বিরাজ করেন সকল নারীর মধ্যে। তাই তো কুমারী পুজোর আয়োজন। সুপ্ত ও
বিক্ষিপ্ত মাতৃশক্তিকে কেন্দ্রীভূত করে জগৎ কল্যাণের কাজে লাগানোর নামই বোধন বা
জাগরণ। কোন ভেদাভেদ নেই, কোন জাতিবিচার নেই – সকলেই একাকার মহামিলনের উৎসবে।
সেই মহামায়া
মা মহামায়া, জগজ্জননী আদ্যাশক্তি যে নামেই ডাকি না কেন, তিনি আছেন চিরকাল এই জগৎ জুড়ে। সৃষ্টির আদি থেকেই সেই মাতৃশক্তি সঙ্গে
আছেন। আমরা সকলেই সেই সৃষ্টির মধ্যে, কেউ সৃষ্টিছাড়া নই। মহাকালের চক্রে ঘুরতে
ঘুরতে আমরা এগিয়ে চলেছি। চলেছি কোন অসীম অনন্তের সন্ধানে। ধনী নির্ধন পণ্ডিত মূর্খ
সকলেই চলেছে জীবনের লক্ষ্যে। কোথা থেকে এলাম এ রহস্য অজ্ঞাত। কিন্তু আমাদের
অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে পারি না। আমি আছি, আমি আছি। এই ‘কাঁচা আমি’টার গণ্ডি পেরিয়ে মাতৃসাধক বলতে চায় ‘আমি ও আমার’-
এর পরিবর্তে ‘মা ও মায়ের’। যা কিছু আছে সবই মা, মা ছাড়া আর কিছু নেই। ‘সর্বরূপময়ী দেবী সর্বং দেবীময়ং জগৎ’। তখন সন্তান অবাক বিস্ময়ে দেখে বিশ্ব চরাচর জুড়ে একই সত্তা – মাতৃসত্তা।
বিশ্বজননী
ভক্তি
অর্ঘ্য সাজিয়ে মাটির মাকে সাধক পরিণত করে
চিন্ময়ী বিশ্ব জননীতে। বিশ্ব জননী হলেন সমস্ত শক্তির আধার। তিনি অরূপ হয়েও মাটির
পৃথিবীতে রূপ ধারণ করে আসেন। সেই মায়ের পায়ে শ্রীরামকৃষ্ণ সমস্ত সাধনার ফল সমর্পণ
করে দিয়েছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ সেই মহামায়া ভগবতীকে ‘জ্যান্তদুর্গা’ বলে প্রণাম
করেছেন। আজ দেবীপূজার পুণ্যলগ্নে সেই অসুরবিমর্দিনী মহামায়াকে আবাহন করি। হে দেবি,
কেবল প্রতিমাতে নয় তুমি এস আমার নিভৃত হৃদয় কন্দরে। প্রার্থনা করি ‘প্রসীদ ত্বং মাতঃ’ – মা, তুমি প্রসন্ন হও। ©
লেখকের অনুমতি ছাড়া
কপি করা বা প্রকাশ অপরাধ
অপূর্ব অনেক অজানা কথা জানতে পারলাম
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
Pranam Prabhuji, sundar, atolunio, anabadya lekha "Pitri Paksha Devi Paksha", pare, ei paksha kal sambandhe amra anek amulya tathya susangbadha bhabe jante parlam, ei samay pitri purusher uddeshye tarpanadir karan jana gelo, ja amader ei bhabe janar sujog hoy ni. Amader Matri Pujar artha o uddeshy ki howa uchit, sei bhab ke aro samridha korlo, kritagyata janai. Ma Durga, dasha bhuja, juge juge abirbhuta hoye, amader rakkha kore chalechen. " Rupang Dehi, Jayang Dehi, Jasho Dekhi ....." Ma Durgar kache amader prarthana tnar sakti o kripay amra jeno kam, krodh, lobh, moha, mad o matsarjya ke jay kore, adhyatmik pathe agrashar hote pari o adhyatmik anubhuti labh korte pari.
DeletePrabhuji apni bhalo thakun anande thakun, ei bhabe amader gyan dan kore bibhinna bisaye samridha karun, ei prarthana kori. Antorik priti, sradhya o kritagyata janai.
Jay Ma, Jay Ma.🙏🏻🙏🏻🙏🏻
জয় মা দূর্গা 🙏🙏
Deleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ আমার অনেক আজনা তথ্য জানতে পারলাম অনেক সমৃদ্ধ হলাম
Pronam nio Ma 🙏
DeleteKhub সুন্দর তথ্যপূর্ণ লেখাটি পড়ে আনন্দ পেলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ !
Delete🙏🙏🙏
Deleteঅনেক না জানা তথ্য জানলাম। প্রণাম মহারাজ 🙏🏻
Deleteখুব ভালো লাগলো আপনার কাছ থেকে অনেক অজানা কথা জানতে পারি এইজন্যে সাধুসঙ্গের দরকার আপনার কাছে এসে আমরা অনেক অজানা কথা জানতে পারছি ধন্য আমরা আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম শিখা মন্ডল বজবজ
ReplyDelete🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅমৃত তথ্য।প্রাণমন ভরে গেল এক অনাবিল আনন্দ- স্রোতে।
ReplyDeleteঅজস্র ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ
আর অন্তরের কৃতজ্ঞতা এই রচনাটির জন্য।
কাজল লাহিড়ী।
নিউ আলিপুর।
Proñam neben Maharaj 🙏 khub valo laglo. Anek kichu jante pari apnar lekhar madhyame.
ReplyDelete🙏🙏প্রণাম মহারাজ। অসাধারণ।আত্মজ্যোতি র লেখা গুলো যত পড়ছি ততো সমৃদ্ধ হচ্ছি। আমরা ধন্য।। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর।
ReplyDeleteKhuba vàlo hoyeche
Deleteপ্রনাম মহারাজ , নিত্য অজানা তথ্য জানতে পারছি , উপকৃৃৃত হচ্ছি আপনার লেখনীর মাধ্যমে ! শ্রীশ্রী ঠাকুরের আশীর্বাদে আপনার মত সান্নিধ্য পেয়ে আমরা ধন্য ৷
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো। আপনার জন্য আমরা অনেক কথা জানতে পারি। ভালো থাকবেন মহারাজজী সভক্তি প্রণাম নেবেন।🙏
ReplyDelete'আত্মজ্যোতি'র পারিজাত কাননে আজ কি অপরূপ পুষ্প ফুটেছে ..! যেমন সুন্দর ছবি -তেমনি মাধুর্যে ভরা অসাধারণ লেখা, অথচ কত সুন্দর শিক্ষণীয়!! -সুবাসে হৃদয় প্রাঙ্গণ মুখরিত!! সত্যিই অপূর্ব!! আপনার কাছে অনেক কিছু শেখার আছে মহারাজ। সবসময় খুব ভালো ভালো থাকবেন মহারাজ। এক আঁচল ভক্তি-শিউলী দিয়ে অঞ্জলী প্রণাম আপনার পবিত্র শ্রী চরণ যুগলে।
ReplyDelete🙏🌹🙏🌹🙏🌹🙏🌹🙏
-------------------------------------
অপূর্ব লাগলো মহারাজ জী। মৃত্যুর পরের ঘটনার ব্যাপারে অনেক বারই আপনার কাছে বিভিন্ন ভাবে বুঝেছি তবুও বারবার মননের সময়গুলিয়ে ফেলি। আবার প্রশ্নবানে আপনাকে বিদ্ধ করি, কিন্তু সব সময় আপনি আমাদের বোঝান। আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই। আপনার সুস্থ শরীরের কামনা করি।
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী। জামশেদপুর।
ReplyDeleteআপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারছি, খুব ভালো লাগলো। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম🙏🌹🙏
মহারাজ কি সুন্দর লেখা এবারের আত্মজ্যোতিতে...কি সুন্দর ভাষাবিন্যাস আপনার লেখনীতে।এবারের বিষয়ে অনেক দিনের মনের মধ্যে জমে থাকা প্রশ্নের উত্তর পেলাম...এত ভালো লাগলো পড়ে... আবার পড়বো।আপনি আমার ভক্তি পূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ আর খুব ভালো থাকবেন।এবারের পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই।
ReplyDeleteরীতা দত্ত, খড়গপুর।
মহারাজের চরণে প্রনাম জানিয়ে বলি খুব ভালো লাগল প্রনাম ঠাকুর মা স্বামীজীর রাতুল চরণে
ReplyDeleteশুক্লা সুর বেলুড়
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা। অতীব সুন্দর মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteমহারাজ কি শোনালেন, কি জানলাম আমার মুখ বনব হয়ে গেছে। আবার পড়তে হবে। আমার প্রণাম নেবেন আর খুব ভালো থাকবেন ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteRamesh Mondal, Tegharia, Kol - 157
Apurbo laglo... Ato sunder bhasha o sunder Chabi te
ReplyDeleteajker atmojoyti prakashit... Anek ajana tathya jante parlam.... Asadhran... Sasradha Pranam maharajji... 🌹🙏🌹.
Jaya choudhury...
Pronam moharaj , atmojyote pore anek kichhu jante pare, akta o miss kore na, iswar apnake sushtho rakhun , apnar jonyo anek kichhu jante pare
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব 🙏🙏 প্রনাম মহারাজ খুব ভালো থাকবেন।❤️
ReplyDeleteতথ্য বহুল রচনা।সমৃদ্ধ হলাম ।শঙ্করী চক্রবর্তী।আগরতলা।প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteSovakti pranam Achariyo Maharajji 🙏🏻🙏🏻. 'Pitripokshyo-Devipokshyo' er sombondhey janer khubei icchha chilo, ta aaj Aponer lekhoni r madhyomey gyato hoyey dhonnyo, Maharajji 🌺🌺🙏🏻🙏🏻. Ar Onudhyan e Mrityu bisoyey Apner bekhya amra sunechi o aaj aro jeney valo legechey. Atma ek o Obinosyor, sudhu amader sthulosarir sesh hoyey jei. Tei voy ektu hoyey o komechey amader, Achariyo Maharajji 🌺🌺🙏🏻🙏🏻. Ar, Swang Vidhyarupini Ma Sarada jento Durga r protikswarup, Saranagotohom Ma🌺🌺🙏🏻, , Ma er kachhey ei prarthana rakhi, Ma amader moner molinota muchey dao o amra jeno Adhyatmik Gyan e samridhyo hoyey nijeder sothik pothey chalito kortey pari , ei prarthana rakhi Tobo Shree Choroney, Ma🌺🌺🌻🌻💓💓🙏🏻🙏🏻. Aaj ei agoto subho Durga pujor prakkyaley Achariyo Maharajji, ei opurbo sikshamulok lekhoni peyey khubei anondito o dhonnyo🙏🏻🙏🏻. Maer kachhey Aponer sorbomongol prarthana kori🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Sotokoti vaktivora naman, Maharajji 🌻🌻🌺🌺🍀🍀🙏🏻🙏🏻🌹🌹🙏🏻🙏🏻🌹🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteKhub sundor. Valo laglo pore. Mpn vore galo.
ReplyDeleteগুরু মহারাজ আত্মজ্যোতি , আমাদের মনের অন্ধকার থেকে আলোতে পৌঁছে দিতে অতুলনীয়। প্রতি মূহুর্তে আমরা সমৃদ্ধি হচ্ছি । আপনার তুলনা আপনি। আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকি। আপনি ভালো থাকবেন। আর এই ভাবে আমাদের জীবনের অন্ধকার দূর করে মনে প্রাণে ও আত্মার সমৃদ্ধি কামনা করি। কলকাতা থেকে জ্যোতিরময়ী অরুন্ধতী।
ReplyDeleteঅপূর্ব।খুব ভাল লাগল। আপনার সান্নিধ্য এসে অনেক কিছু জানতে পারছি।সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏 আপনার সংস্পর্শে এসে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ভালো ও সুস্থ থাকুন ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা।
ReplyDeleteরেখা সামন্ত, কাটোয়া।
ভীষন ভালো লাগলো মহারাজ। প্রকৃতির বর্ননা,মায়ের বর্ননা,পিতৃলোক,মাতৃলোক কতো কিছু আছেএই লেখার মধ্যে।পরিপ্রশ্নে অনেক কিছুই জানতে পারি আপনার কাছে।এখানে আরো অনেক কিছু জানলাম। খুব ভালো লাগছে মহারাজ।আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। খুব ভালো থাকুন মহারাজ
ReplyDeleteসুজাতা দাস।হাওড়া
মহারাজ, আপনার কৃপায় ধন্য! বিশদ ভাবে অনেক কিছু জানতে পারছি! ভীষণ ভালো লাগছে ! বার বার পড়তে ইচ্ছে করে! আপনার চরণে ভক্তি শ্রদ্ধা পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করছি মহারাজ!🙏🌷🙏
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏 অজানা অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনার হৃদয়গ্ৰাহী, সাবলীল,ছন্দোময় লেখা বিষয়বস্তু থেকে ক্ষণেকের তরেও সরে যেতে দেয় না। চমৎকার। খুব ভালো লাগল। স্বস্তিকা ভট্টখচার্য।
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব পিতৃপক্ষ্ম, দেবীপক্ষ্ম ও বোধনের ব্যাখ্যা, তার সঙ্গে মৃত্যুর পরবর্তী অবস্থার কথা, অনুধ্যান ক্লাশে আপনার কাছে মৃত্যুর পরবর্তী অবস্থা নিয়ে মনন করলেও বিবেক জ্যোতির লেখা পড়ে এক স্বতন্ত্রনুভুতি লাভ হয়,
ReplyDeleteভালো থাকবেন, জয় মা আদ্যাশক্তি মহামায়া মা সারদা মনির জয়।
🙏🙏
অর্পিতা বসু বাগবাজার। 🙏🙏।
🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🙏🙏গ্রহণ করুন আচার্য দেব।
ReplyDeleteজয় মা ।প্রনাম নেবেন মহারাজ। ভীষণ ভাল লাগল। শেষের দিকটা আমার ভীষণ ভাল লেগেছে।manjushri Bhattacharya. Purba bardhaman. Billagram
ReplyDeleteJoy maa,khub valo laglo jante parlam onek kichhu, voktipurno pronam maharaj 🙏🙏🙏
ReplyDeletePronam mahara pronam maharaj khub valo laglo anek kichu jantepari apner lekhar madhyamE
ReplyDeleteঅসাধারণ বললেও বোধহয় কম বলা হবে। আপনার ভেতরে তো জ্ঞানের ভান্ডার। আর সেই জ্ঞান বিলিয়ে দিচ্ছেন সবার মাঝে ।।সবাই উপকৃত হচ্ছে। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি। ধন্যবাদ আপনাকে। অশেষ ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা সহ প্রণাম জানাই।।
ReplyDeleteআত্ম জ্যোতির লেখাগুলো নিয়ে বই প্রকাশ করুন, মহারাজ জী ।।
দেবীকে ও পিতৃপক্ষ পড়লাম মহারাজ অনেক অজানাকে জানতে পারলাম খুবই সমৃদ্ধ হচ্ছি সশ্রদ্ধ প্রনামজানাই আচার্য মহারাজ
ReplyDeleteসুতপা দাশগুপ্ত গড়িয়া।
Lily Dutta Pune Debi pokso Priti Pokso onenek ojanake janlam ami Donno holam Pronam Moharaj🙏
ReplyDeleteKhub bhalo laglo kato janar ache anek kichu jante o bujhte parlam, bar bar porle tabei kichu ta egono sambhab. Pronam neben Maharaj.
ReplyDeleteকী অপূর্ব লেখা ! প্রতিদিন আমরা কত কত অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি ।আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। ভালো থাকবেন ।আগামী দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDeleteঅসাধারণ সুন্দর লেখা। বার বার পড়ার মত লেখা থাকে আত্মজ্যোতিতে। অজানা জগৎ খুলে যাচ্ছে লেখাগুলো পড়ে। বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ। জয় মা 🙏🌺🙏
ReplyDeleteআত্মজ্যোতির এবারের নিবেদন অনেক জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়েছে। এতো সুন্দর ব্যাখ্যা পড়তে পড়তে মন নিবিষ্ট হয় এক অধ্যাত্ম ভাবনায়। পিতৃপক্ষ দেবীপক্ষ আর মহালয়ার প্রাঞ্জল বিশ্লেষণ আমাদের চিন্তার সমৃদ্ধি ঘটায়। জগৎজননীর অন্তরআবাস থেকে এই কয়দিন বহির্জগতে আগমন আমাদের সার্বজনীন চেতনাকে আনন্দে পূর্ণ করে রাখে।
ReplyDelete"এসো আমার ঘরে এসো আমার ঘরে,
বাহির হয়ে এসো তুমি যে আছ অন্তরে"
জগৎজননীর এই সার্বজনীন আরাধনা আমাদের অন্তরসত্বাকে আধ্যাত্মিক আনন্দে পরিপূর্ণ করুক,সবার মঙ্গল হোক-এই প্রার্থনা করি। মায়ের আগমনের এই পুণ্য লগ্নে আমাদের পূজনীয় আচার্য্যদেবকে বিনম্র প্রণাম জানাই।
মালবিকা সেনগুপ্ত। বাঘাযতীন,কলকাতা।
কমেন্টস আমরা দেখতে পাচ্ছি
ReplyDeleteএত সুন্দর তথ্য সমৃদ্ধ -সময়োপযোগী
ReplyDeleteএবং প্রয়োজনীয় লেখা --এ শুধু আমার পরম গুণী শ্রীগুরুজীর পক্ষেই সম্ভব। বার বার পড়েও আশা মেটেনা!! কত ভাবে যে আপনি আমাদের অজ্ঞানতা দূর করে -আধ্যাত্মিক আলোকিত পবিত্র জীবন দান করেছেন!! আপনার মতো মহা-মানবের মহৎ সান্নিধ্যে আমাদের জীবন ধন্য। আপনিই আমাদের পিতা -মাতা -বন্ধু -সখা -বাঁচার এক অপূর্ব প্রেরণা!! আপনার এই নিরন্তর শুভ প্রচেষ্টাকে অন্তর থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও salute জানাই। ঠাকুর -মা -স্বামীজীর কৃপায় সবসময় সুস্থ -সুন্দর -স্বানন্দে থাকুন আপনি। সশ্রদ্ধ ভক্তি চিত্তে কোটি কোটি প্রণাম আপনার শ্রীচরণ যুগলে। এবার আমদের পবিত্র ক্লাসে..
🙏🙏🙏জয় মা🙏🙏🙏
🙏🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🙏
Bulu Mukherjee Alipore 🙏🏻🙏🏻।
ReplyDeleteকি অপূর্ব বর্ণনা পড়লাম মহারাজ, দেবীপক্ষ,পিতৃপক্ষর সময়কাল, শ্রাদ্ধ,তর্পণের মাহাত্ম্য মহামায়া ভগবতী দূর্গা র বিভিন্ন শক্তির প্রকাশ
যা মানবকল্যাণে র ই সহায়ক । অদ্ভূত সুন্দর লিখন, বারবার পড়তে ইচ্ছা হয়। অনেক ধন্যবাদ, আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম ও অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মহারাজ।আমরা যতদিন থাকব আপনার মত গুরু মহারাজের সঙ্গ যেন লাভ করতে পারি এইটুকু কৃপা লাভ করবেন আমাদের।🙏🏻🙏🏻🙏🏻
মায়ের কৃপা সতত উপলব্ধি করি।
ReplyDeleteঅপূর্ব অসাধারন লেখা পড়ে নিজেকে ঠাকুর মায়ের কৃপাধন্যা মনে করছি।মহারাজ আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ আধ্মাতিক দান করে আমাদের সমৃদ্ধ করে চলেছেন।
ReplyDeleteশ্রদ্ধাপূর্ন প্রনাম জানাই।
রুবী গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য ইছাপুর।
আচার্যদেব , আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন ।আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জানার সুযোগ পাচ্ছি ।ঠাকুর ,মা আপনাকে আমাদের কাছে পাঠিয়েছে ন জ্ঞানের আলো জ্বালাবার জন্য ।আমরা ধন্য যে আপনার মত একজন আচার্যদেব আমরা পেয়েছি।
ReplyDeleteআমার প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ। আপনার এই 'আত্মজ্যোতি'র পরিকল্পনা টা অত্যন্ত সুন্দর!! প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে একটি বার আপনার লেখা পড়ার সুঅভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। খুব ভালো লাগে মহারাজ। ভালো থাকবেন আপনি। আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভ-কামনায় ভরা শুভরাত্রি।
ReplyDelete🙏🙏🙏🕉️শান্তি:🕉️🙏🙏🙏
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
অপূর্ব, কি অপূর্ব অনুভূতি হচ্ছে, এই লেখা পড়ে। এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক অনুভূতিতে মন ভরে যাচ্ছে মহারাজ। পিতৃপক্ষ, দেবীপক্ষ, মহালয়া, তর্পণ, শ্রাদ্ধাদি কর্মের কারণ, ফল , দেবী দুর্গা, আমাদের মা, মহামায়া , এত অসাধারণ লাগল এই লেখা , বলার ভাষা নেই মহারাজ। আমাদের অনেক পুণ্যের ফলে , আপনার মত এমন শিক্ষাগুরুর আশীর্বাদ আমরা প্রতিক্ষণে লাভ করছি। পরম মঙ্গলময়ী মায়ের কাছে আপনার সুস্থ জীবন কামনা করি। খুব সুস্থ থাকুন মহারাজ, খুবভালথাকুন। আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ ।
ReplyDeleteসুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷
অপূর্ব!!! অসাধারণ লেখা। মনভরে উঠে, আবার নতুন কিছু পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। মহারাজ জী শতশত প্রনাম জানা ই ।।
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhuv sundor laglo,nuton onek kichu janlam,valo thakben pranam janalam Snigdha Ghosh, Tarakeswar
ReplyDeleteমহারাজ, কি সুন্দর লেখেন আপনি! শেষ অংশটা কি যে অপূর্ব!! - 'হে দেবী, কেবল প্রতিমাতে নয়, -তুমি এসো আমার নিভৃত হৃদয় কন্দরে।' প্রার্থনা করি- "প্রসীদ ত্বং মাত:" -মা তুমি প্রসন্ন হও। -মাকে ভালবেসে ভক্তি-অর্ঘ্য-অঞ্জলী দিয়ে আকুল হৃদয়ের কাতর প্রার্থনা..বড়ই সুন্দর! মহারাজ আপনি সত্যিই কত ভালো! আমদের ভূলত্রুটি নিজ গুণে ক্ষমা করবেন বেশ! পরম শ্রদ্ধায় সবসময় সাথে আছি মহারাজ। খুব ভালো থাকবেন আপনি। আন্তরিক ভক্তিপূর্ন অসংখ্য প্রণাম মহারাজ।
ReplyDelete🙏🙏🙏🕉️🪔🕉️🙏🙏🙏
*************************
Krishna Biswas Hyderabad.
ReplyDeleteAtma Jyoti ami mone kori amader niye cholechhe andhokar theke alor pothe.Pitri paksho, Debi pakho abahoman kaal theke sune ashchhi kintu aaj Acharyodeber eto sundar byakhyar dwara sob khub spasto holo.
Maharaj kritogyota janabar bhasha khuje pachhina. Sudhu ektai prarthona, apni khub bhalo thakben
অপূর্ব উপস্থাপনা মহারাজ আপনার জন্য আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি
ReplyDeleteখুব ভাল থাকুন মহারাজ
সুব্রত ঘোষাল
মুম্বাই
23 September 2022 at13.10
ReplyDeleteমহারাজজির অপরূপ সুন্দর লিখনশৈলির মাধ্যমে পিতৃপক্ষ দেবীপক্ষ এবং সেই সম্পর্কিত খুঁটিনাটি তথ্য পড়ে নিজেকে যেন ভক্তির আলোকে, জ্ঞানের আলোকে আলোকিত মনে হচ্ছে । কৃতজ্ঞচিত্তে ভক্তি এবং শ্রদ্ধাবনত হয়ে বিদগ্ধ মহারাজজিকে অসংখ্য প্রণাম জানাই।
অসাধারণ লেখা! পিতৃপক্ষ মাতৃপক্ষ বিশেষ করে জানা হলো.. মহারাজের বিশদ আলোচনা পড়ে খুব ভালো লাগলো.. পিতৃপক্ষ শেষ হতে চলেছে.. এসময়ে এ প্রতিবেদন খুবই প্রাসঙ্গিক.. প্রণাম জানাই মহারাজ! 🙏🙏🙏
ReplyDeleteনীলিমা সিংহ রায় চৌধুরী
ঢাকা
অপূর্ব অপূর্ব অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম!আপনার শিক্ষায় সমৃদ্ধ হচ্ছি মহারাজ!আপনার চরণে নিবেদন করি অনেক অনেক সশ্রদ্ধ প্রনাম🙏
ReplyDeleteApurbo Apurbo lekhoni moharaji apnar,priti paksha Debi paksha somondhey aneak kichu abogato holam,valo lage apnar ae addhatik alochona gulo,moner bikash hoy ,Santi o lage,valo thakben moharaji pronam neben amar 🙏 ♥ sadhana Sharma from panchala howrah.
ReplyDeleteআমার শ্রদ্ধা ভক্তিপূর্ন প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ।
ReplyDelete🙏🌼🙏
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম গ্ৰহণ করুন মহারাজ।
সম্বৃদ্ধ হলাম। বাড়িতে যদি নিজে নিজে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পন করতে চাই, কোন মন্ত্র উচ্চারণ করলে ভালো হয়, একটু যদি এই বিষয়ে ক্লাসে আলোচনা করেন, উপকৃত হই । অত্যন্ত সরল ও সাবলীলভাবে ভাবে আপনার উপস্থাপনা খুব ভালো লাগে।
🙏🌼🙏
খুব সুন্দর একটা লেখা পড়লাম আমার খুব ভালো লাগলো আপনার এই লেখাটা পড়ে ৷ অনেক কিছু নতুন জানলাম ৷ সভক্তি প্রনাম নেবেন ৷ রুনা পালিত . কেঁচুয়া.ডাঙ্গা নদীয়া.
ReplyDeleteজয় মহারাজ আপনার লেখা গুলো পড়লে মনটা খুব ভালো লাগে সুন্দর করে আপনি লেখেন ও বেলন পড়ার আগ্রহ টা বেড় যায় 🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল পিতৃপক্ষে ও মাত্রি পক্ষ পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম আপনার সব লেখা গুলো পড়তে আমাদের খুব ভালো লাগে আপনার মতো মহারাজ পেয়ে আমরাধন্য মহারাজ প্রণাম জানাই দীপা সরকার হাওড়া কদমতলা
DeleteApurbo lekha maharaj.apnar Sree charone satokoti pranam.
Deleteপ্রণাম মহারাজ । অপূর্ব লাগল অসাধারণ । আপনার ভাষাবিন্যাশ খুব ভালো অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম ।তিল আর জলের অর্থ জানতাম না ।তাও জানলাম । আপনি ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন মা দুর্গার কাছে এই প্রার্থনা করি ।।
ReplyDeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDeleteDurga rupini Ma Sarada 🙏🙏🙏
DeleteDurga rupini Ma Sarada 🙏
ReplyDeleteAi lekha mone sombridho korlo.
ReplyDeleteJoy joyMa Durda.
রবিবার পড়া হয়ে ওঠেনি । আজ এইমাত্র পড়ার সুযোগ পেলাম । অনেক কথা অনুধ্যানের সময় মাননীয় মহারাজের মুখে শুনেছি । আজ একসাথে অনেক অনেক কিছু অনেকটা সময় নিয়ে পড়তে পেরে খুব ভাল লাগল🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। আপণার মাধ্যমে আমরা নিজেদের মণ কে আলোর জগতে প্রবেশ করতে পারি। আগে অল্প কিছু জানতাম বা নাম শুনেছি পিতৃপক্ষ আর মাতৃপ। আজ আপণার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারলাম বা মনের অন্ধকার দুর হলো। আপণি সর্বদা ভালো থাকবেন এটাই ভগবাণের কাছে পার্থনা করি। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏। তাপস কুমার দেব। আমেদাবাদ।
ReplyDeletePronam grohon korun moharaj .Apnar lekha pore anek kichu jante parlam.amra dhonyo holam Moharaj..sikha Bal.Burdwan .
ReplyDeleteপ্রসীদ মাতা,অসাধারণ লেখা, খুব ভাল লাগলো যেনে ,মা সর্বময় ভিতরে বাইরে সব কিছুতে ও সবকিছুই তিনি। বা,অপূর্ব কথা , আচার্য দেব কি সুন্দর লিখেছেন,ভাবিনি এমন লেখা পড়বো।পরম সৌভাগ্য এসব কথা জানতে পারা,আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই,আপনাকে উৎসাহিত করছি আরো লিখুন,আপনি মায়ের সর্ব গুনে গুণান্বিত ছেলে। এতে কোন সন্দেহ নেই। এবার লেখাটি ছোট আছে। বিনু চক্রবর্তী বাড়ি মালদা। জয়ঠাকুর।
ReplyDeleteঅপূর্ব, অপূর্ব, অসাধারণ চমৎকার লেখা "পিতৃপক্ষের শেষ ও দেবীপক্ষের শুরু"।এই লেখাটি পড়ে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব আনন্দে পূর্ণ হয়ে গেল। জয় মা । আমার ভক্তি পূর্ন প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব।
ReplyDeleteজয় মা।প্রণাম আচার্যদেব
ReplyDeleteইতিদাস হাইদ্রাবাদ।
Apnar lekha pore mugdha hoya jai , lekha gulo dhore dhore chhele ka porai, meya ka lekha gulo patha bar, chesta kore, meya r khub valo lage, pronam moharaj asima batabyal howrah
ReplyDeleteঅনেক আজনা তথ্য জানতে পারলাম অনেক সমৃদ্ধ হলাম। ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে সম্বৃদ্ধ হলাম , প্রণাম আপনার শ্রী চরণে
ReplyDeleteরীতা ভৌমিক ভিলায় থেকে
ReplyDeleteকি অপূর্ব লিখেছেন আচার্যদেব!মুগ্ধতায় মাখানো। একনিমিষে পড়ে ফেললাম!আজ তর্পন করে দারুণ লেগেছে! পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন যারা তাদের সম্মান আর শ্রদ্ধা জানাতে পেরে খুব যেমন ভালো লাগলো, তেমন যেন পৃথিবীতে যারা রয়েছেন তাদের ভালোবাসতে ও সম্মান জানাতে পারি চিরদিন। এইতো জীবন! 🙏🙏🙏🙏🌹🌹🌹❤️❤️❤️
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ ।খুব ভালো লাগলো এই সুন্দর রচনা। পূর্ব প্রকাশিত হলেও প্রথম পড়লাম। অনেক সমৃদ্ধ হলাম।,,,,,, মদনমোহন বেজ। ব্যান্ডেল।
ReplyDeleteঅপূর্ব ছন্দের সঙ্গে মনমুগ্ধকর লেখা ,যেন সোনা ঝরে পড়ছে।খুব ই উপকৃত হচ্ছি মহারাজ সব দিক থেকে।আর মায়ের কথা তো বলে শেষ হবে না কারন মা ই তো আমাদের জীবন।খুব ভালো লাগলো এতকিছু জানতে পেরে।প্রনাম নেবেন মহারাজ।খুব ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteসর্ব প্রথমে আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ কে।
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর তথ্য বহুল লেখা পড়ে মুগ্ধ ও সমৃদ্ধ হলাম....বার বার পড়তে. ইচ্ছে করে। মা দুর্গা সমন্ধে লেখা খুব ভালো লেগেছে, পরি প্রশ্ন তে প্রশ্ন রাখতাম কিন্তু এই লেখার মধ্যে ই তার উত্তর পেলাম ।এই লেখা টি আবারও পড়ব। আপনি খুব ভালো থাকবেন মহারাজ...,ঠাকুর ও মায়ের কাছে আপনার দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করি এবং অনুরোধ করি অন্তত তিনটি দিন গলা র rest নিন।
রীতা দত্ত, kharagpur
Joy JagatJanani Saradarupini Ma Durga 🌷🙏. Sober mongol koro Ma 🌷 🙏. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🌷🙏. Aajker ei Mahalaya te Aponer ei osadharon lekhoni porey, agoto Pujor anondo onubhob holo, Maharajji 🌷🙏. Maer Kripa Aponer upor borshito houk ei prarthana kori👏🙏.
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখনি।ভীষণ সুন্দর লাগল। অনেক অজানা তথ্য আপনার সান্নিধ্যে এসে জানতে পারলাম। আপনার শারীরিক সুস্থতা কামনা করি।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteMaharaj apnar ayee apurba sundar lekhati abar peye khub valo laglo sarba byapi Ma er astitwa jani na kobe upalabdhi karte parba kintu apnar kache nana vabe nana prasange ayee kathahulo shunte shunte ato tuku holeo bujhte chesta kari Maharaj valo thalben ayee minati kari joy ma joy ma joya 🙏🌷
ReplyDeleteবীথিকা দাস, আগরতলা।14 th October 2023
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ। "atmojyoti " তে পিতৃপক্ষ ও দেবিপক্ষ বিষয় পড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। আরো অজানা বিষয়জানার আশা রাখি।প্রণাম নেবেন মহারাজ ।
আজকে মহালয়ার শুভ দিনে এই লেখনীটি মন ভরিয়ে দিল। অনুধ্যান এর জন্য মনটা ভীষণ ব্যাকুল হচ্ছিলো ঠিক সেই সময় আপনার এই অসাধারণ লেখাটি পেয়ে মনটা শান্ত হলো। আপনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন। যা যা দরকার তাই করবেন। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ। 🙏🙏🌹❤️🙏🙏
ReplyDeleteশুভ্রা লালা। দমদম
Deleteপ্রতিদিনই অনেক নতুন বিষয়ে জানতে পারছি। দিনে দিনে সমৃদ্ধ হচ্ছি।প্রণাম মহারাজ🙏🙏।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগলো পড়ে ! কত কিছু জানতে পারছি আপনার কৃপাতে ! মনটা আনন্দে ভরে ওঠে নানা বিষয়ে জানতে পেরে! আপনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন ঠাকুর মায়ের কৃপাতে ! 🙏🏻🙏🏻🙏🏻প্রণাম মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteKhub bhalo laglo jai ma Durga🙏🙏🙏🙏🙏🙏💐💐💐💐💐💐💐👌👌👌👌👌
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ।আজ মহালয়ার শুভ দিনে আপনার অপূর্ব লেখায় অনেক বিষয়ে জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগলো।আপনার থেকে কত বিষয়ে ক্লাসে জানতে পারি। আপনার লেখা পড়েও আমরা সমৃদ্ধ জয় মা।🙏🌺🙏🌺🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী🙏 আপনার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে জীবন সত্যি সার্থক ।কত কঠিন কঠিন বিষয় যা আমরা কোন দিন এত সহজ করে সরল ভাষায় পড়তে বা তার দ্বারা উপকৃত হবো বলে ভাবিনি তা সহজেই আপনি আমাদের কাছে তুলে ধরছেন আর আমরা উপকৃত হচ্ছি। ঠাকুর মা স্বামী জী র কৃপায় আপনি সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।🙏
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তীTexas
অপূর্ব লেখা, পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম, খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteপুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 জয় মা 🌷💥🙏