শংকরাচার্য ।। পর্ব - ৯ ।। স্বামী হরিময়ানন্দ

                          ।।  শংকরাচার্য ।।                                                                                                 ---- স্বামী হরিময়ানন্দ © ধারাবাহিক রচনা "এই ষোড়শবর্ষীয় বালকের রচনা আধুনিক সভ্য জগতের এক বিস্ময়" - স্বামী বিবেকানন্দ শ্রুতিস্মৃতি পুরাণানাম্‌ আলয়ং করুণালয়ম্‌। নমামি ভগবদপাদং শংকরম্‌ লোকশংকরম্‌। =============পর্ব-৯============= মণ্ডণ পত্নী উভয় ভারতী দেবী সরস্বতীর সমতুল্য ছিলেন মণ্ডনের পত্নী। যিনি এই   বিতর্ক সভার মধ্যস্থতা করেছিলেন। তিনি এখন বললেন, হে যতীশ্বর, আপনি আমার স্বামীকে পরাজিত করেছেন - এ কথা সত্য। কিন্তু   আমাকে পরাজিত না করলে আপনার পূর্ণ বিজয় হতে পারে না। আমি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী, কাজেই আপনার অর্ধেক বিজয় হয়েছে, সম্পূর্ণ নয়। আচার্...

ঈশ্বর আছে কি? ।।DOES GOD EXIST?।। Swami Harimayananda

 

                          ঈশ্বর আছে কি?

                                    --- স্বামী হরিময়ানন্দ


©  এবারে একটু অন্য বিষয়  নিয়ে আলোচনা করা যাক। অনেক সময় ঘুরে ফিরে অনেকের মনে যে প্রশ্ন বার বার উঠতে পারে বা উঠে থাকে আজ সেই রকম একটি জিজ্ঞাসা নিয়ে 'আত্মজ্যোতি' লেখা শুরু করলাম।

ঈশ্বর আছে কী?

    পৃথিবীর সভ্য মানুষের কাছে এটি একটি অতি পুরাতন জিজ্ঞাসা, ঈশ্বর বলে কিছু আছে কি? এ প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন অনেকেই, তবুও সেই একই প্রশ্ন আজও আমাদের মনে ফিরে ফিরে আসে সংশয়ের নিরসন কিন্তু হচ্ছে নাযারা ঈশ্বর উপলব্ধি করেছেন, তাদের কাছে কোন সংশয় নেই। তারা আনন্দ উপলদ্ধিতে পূর্ণ হয়ে থাকেন। কিন্তু যাদের সেই দুর্লভ অনুভূতি নেই, তাদের কাছে ঈশ্বরের অস্তিত্ব, স্বাভাবিকভাবে কাল্পনিক ও ভ্রান্ত বলে মনে হয়। ঈশ্বরলাভের যে আনন্দ উপলব্ধির কথা শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সে-সব নিছক মন গড়া বলে বোধ হয়। এই সব সন্দেহ ও সংশয় যুগে যুগে চলে আসছে

  কীভাবে প্রমাণ করা যাবে?

    আমাদের প্রথমেই মনে রাখা দরকার, এই দৃশ্য জগতের কোন বস্তু বা পদার্থের মতো, ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দর্শনে বিচার ও বিশ্লেষণ দ্বারা তাত্ত্বিক প্রমাণ করবার অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের যুক্তি, বুদ্ধি ও বিচার দৃশ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ শ্রুতি ও তত্ত্বদর্শীর বাক্যই এক্ষেত্রে একমাত্র শব্দ প্রমাণ শাস্ত্রকারেরা বলেন ঋষিবাক্যে আস্থা স্থাপন করে ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে হয়, এবং নির্দিষ্ট পথে সাধনা করলে ঈশ্বরের জ্ঞানলাভ হয় বিচার বিশ্লেষণের দ্বারা এই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় সাধন-লব্ধ এই জ্ঞানকে বলে অপরোক্ষ জ্ঞান বা অনুভূতি

শাস্ত্র কাকে বলে?

   যাঁরা ঈশ্বর দর্শন করেছেন, তাঁদের অনুভব নিয়ে রচিত হয়েছে শাস্ত্র।  শাস্ত্র বলছে তর্ক বা বিচারের দ্বারা ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না যাকে তর্কের দ্বারা প্রমাণ করা যায় না, সেই রকম তর্কাতীত জিনিসকে আমরা তাহলে জানব কিভাবে? অনুমান, প্রমাণাদি যে সব  জ্ঞানলাভের উপায় রয়েছে, সে সব দ্বারা পরোক্ষ জ্ঞান হয় কিন্তু ঈশ্বর কোন জ্ঞানের বিষয় নয় চোখ দিয়ে আমরা সব কিছু দেখি, কিন্তু চোখ নিজেকে দেখতে পারে না আয়নাতে প্রতিবিম্ব দেখি। জাগতিক বস্তুর মত করে ইন্দ্রিয় দিয়ে আমরা ঈশ্বরকে দেখতে পাই না বলে, তাঁর অস্তিত্ব নিয়ে নানা সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে


    দিনের বেলায় চাঁদ দেখা যায় না বলে, চাঁদ নেই এ কথা নিশ্চয় বলা যায় না। যে বস্তুর উপলব্ধি নেই, তার অস্তিত্ব নেই বলা কি ঠিক হবে?  যিনি ঈশ্বরের অস্তিত্ব অন্তরে উপলব্ধি করেছেন, তিনি অন্তরে যে আনন্দ অনুভব করেন, যারা তা করেননি তাদের কাছে নিছক কল্পনা বলে মনে হবেই। সঙ্গীতের রস মাধুর্য, একজন শ্রবণ শক্তিহীনের কাছে অর্থহীন বলে মনে হয়। শুধু তাই নয়, মার্গসঙ্গীতের রস আস্বাদন করতে না পেরে অনেকে নিম্ন শ্রেণির চটুল গান ভালবাসেন পাশ্চাত্য সঙ্গীতে অনভিজ্ঞ এমন শ্রোতার  কাছে তা বিকট জিনিস বলে মনে হবে অথচ দীর্ঘদিন মনস্থির করে শুনলে ওই সঙ্গীতের সূক্ষ্ম ও গভীরভাব উপলব্ধি করা সম্ভবআনন্দের কতকগুলি স্তর রয়েছে, নিম্ন স্তরের আনন্দ খুব সহজেই  বোঝা যায় কিন্তু আনন্দের এমন অনেক স্তর রয়েছে যা উপলব্ধি করতে গেলে দীর্ঘ দিনের অভ্যাসও নিরন্তর সাধনার প্রয়োজন চিত্রকলা, সাহিত্য, সঙ্গীত  প্রভৃতির ক্ষেত্রেও রস উপলব্ধি করতে হলে, সাধনার প্রয়োজন

 

বিজ্ঞানী ও সন্ন্যাসী

  প্রসঙ্গত মনে পড়ছে স্বামী নির্বেদানন্দ মহারাজের জীবনের একটি ঘটনা তাঁর সহপাঠী ছিলেন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ডঃ মেঘনাদ সাহা। একবার এসেছেন আশ্রমে পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। দেখা সাক্ষাতের পর ধর্ম ও বিজ্ঞানের কথা প্রসঙ্গে তিনি সন্ন্যাসী বন্ধুকে বললেন, কিন্তু স্বামীজী, আমাদের বৈজ্ঞানিকদের কথা যদি কেউ না মানে আমরা তাহলে তাকে ল্যাবরেটরিতে নিয়ে গিয়ে হাতে-নাতে তার সত্যতা দেখিয়ে দিই তোমরা কিন্তু তা পার না তখন মহারাজ বাইরে মাঠে এক চাষীকে দেখিয়ে বললেন, একে আজ ল্যাবরেটরিতে নিয়ে গিয়ে তোমার এস্ট্রোফিজিক্স-এর লেটেস্ট থিওরিটা বুঝিয়ে দিতে পার? তখন ডঃ সাহা বললেন, না, প্রস্তুতি দরকার।  তখন মহারাজ বললেন, এক্ষেত্রেও তাই ডঃ সাহা মেনে নিলেন কথাটা যে কোন বিষয় আয়ত্ত্ব করতে হলে পূর্ব প্রস্তুতি চাই সাধনা ছাড়া কোন কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয় সাধনারূপ পরশমণির স্পর্শে আমাদের অভিজ্ঞতার রূপ ধীরে ধীরে বদলে যায় যা শুরুতে অর্থহীন বলে মনে হয়, ক্রমশঃ তাই হতে দাঁড়ায় অনির্বচনীয় আনন্দের উৎসআমাদের জ্ঞান নির্ভর করে মানসিক স্তর, শিক্ষা, সংস্কৃতি, রুচিবোধ প্রভৃতির ওপর।মানসিক স্তরের উন্নতির সাথে সাথে অনুভূতিরও স্তর বদলে যায়

   বিজ্ঞানের যুগে আমরা সব কিছু বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে দেখতে চাইবৈজ্ঞানিক দৃষ্টি বলতে কী বোঝায়? বিজ্ঞানী  ঘটনাগুলিকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিশ্লেষণ করে তাদের মধ্য থেকে কতক গুলো নিয়ম আবিষ্কার করেন। বিজ্ঞানের ঘটনা মানে বাহ্য ঘটনা এবং অবশ্যই তা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য। কিন্তু অধ্যাত্ম সাধকের কাছে ঘটনা বাহ্য নয়, অতীন্দ্রিয়। অতীন্দ্রিয় অনুভূতি হলেও সেটি কিন্তু কেবল ব্যক্তিগত নয়। অন্য যে কেউ তা লাভ করতে পারে। অন্যেরা প্রয়োজনে তার সত্যতা যাচাই করতেও পারেন। এই দিক থেকে এটিকে বলা যায় অধ্যাত্ম-বিজ্ঞান


ইন্দ্রিয়ের ক্ষমতা সীমিত

  বহির্বিজ্ঞান যেহেতু কেবল ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, সেই কারণে তার দৃষ্টিও সীমিত। বিজ্ঞান তাই প্রমাণ করতে পারছে না, ঈশ্বর আছে কি নেই। এটি বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। সীমিত বুদ্ধি দিয়ে অসীম ঈশ্বরকে জানা যায় না। আমরা যে কোন বিষয় জানি বললে বোঝায় সেটি আমাদের জানার বিষয় হয়। কিন্তু অনন্তকে সীমিত বুদ্ধি দিয়ে জানা সম্ভব নয় যুক্তি দিয়েও তাকে জানা বা তার অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না? একমাত্র প্রমাণ হল প্রত্যক্ষ উপলব্দি। প্রশ্ন হতে পারি, তবে তো এটি ব্যক্তি নির্ভর। কী করে বুঝব যে তিনি সত্য উপলব্ধি করেছেন? সত্য যিনি উপলব্ধি করেছেন তাঁর জীবন এবং আচরণে তা প্রকাশিত হবে। এ রকম ব্যক্তিকে বলে আপ্তপুরুষ।  এঁদের বাক্যই হল শাস্ত্রবাক্য।

  অর্থাৎ ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্বন্ধে নিঃশন্দেহ হতে গেলে সাধনার প্রয়োজন প্রবল যুক্তিবাদী তরুণ নরেন্দ্রনাথের মনেও এই জিজ্ঞাসা এসেছিল।  সেই তীব্র জিজ্ঞাসা একদিন তাঁকে শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে নিয়ে এসেছিল মহাশয়,আপনি কি ঈশ্বরদর্শন করেছেন? একেবারে সরাসরি প্রশ্ন শ্রীরামকৃষ্ণও যথার্থ জিজ্ঞাসুকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছিলেন, হাঁ, আমি ঈশ্বর দর্শন করেছি, ঠিক যেমন তোমাদের দেখছি; তবে এর চেয়েও আরও ঘনিষ্ঠরূপে ঈশ্বর দর্শন হয়,তাঁকে দেখা যায়, তাঁর সঙ্গে কথা বলা চলে, ঠিক যেমন আমি তোমাদের সঙ্গে কথা বলছি

    তিনি একথাও বললেন, কিন্তু কে তা চায়? লোকে মাগ ছেলের শোকে, বিষয়-আশয়ের দুঃখে ঘটি-ঘটি কাঁদে, কিন্তু ভগবানের জন্য কে তা করে? সরলভাবে ভগবানের জন্য কাঁদলে তিনি নিশ্চয়ই দেখা দেন[যুগনায়ক বিবেকানন্দ,/৮৩]

      এর পূর্বে অনেকের কাছেই একই প্রশ্ন নিয়ে গিয়েছেন নরেন্দ্রনাথ কোথাও  এত স্পষ্ট উত্তর পাননি দৃঢ বিশ্বাস নিয়ে তিনি ডুবে গেলেন কঠোর সাধনায়, লাভ করলেন নির্বিকল্প সমাধি, দূর হল সমস্ত সংশয়পরবর্তীকালে ঈশ্বর প্রসঙ্গে স্বামীজী বলছেন , ঈশ্বর এই বিশ্বের সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের কারণ; কার্য সংঘটনের জন্য কারণকে অবশ্যই উপস্থিত থাকিতে   শুধু তাহাই নয়, কারণই কার্যরূপে দেখা দেয় নির্মাণকারী কর্তৃক ব্যবহৃত কিছু উপাদান ও কিছু শক্তির সাহায্যেই গ্লাস নির্মিত হয় গ্লাসে আছে ঐ উপাদান এবং ঐ শক্তিব্যবহৃত শক্তিই সংলগ্ন থাকিবার সংহতি-শক্তিতে পরিণত হইয়াছে এই শক্তির অভাব ঘটিলেই গ্লাসটি খন্ড খন্ড হইয়া ভাঙিয়া যাইবে উপাদানসমূহও নিঃসন্দেহে গ্লাসের মধ্যেই আছে কেবল মাত্র তাহাদের আকারের পরিবর্তন হইয়াছে কারণই কার্যরূপে পরিণত হইয়াছেযেখানে  কার্য দেখিতে পাওয়া যায়, সেখানেই বিশ্লেষণ করিলে কারণ পাওয়া যায়, কারণই নিজেকে কার্যরূপে প্রকাশ করে[বা/র ২/২৬৬]

   পরীক্ষা পাশের জন্য অথবা ভালো রেজাল্ট করবার জন্য রাত জেগে কত পড়াশোনা করতে হয়, তবে সফলতা আসে। ভালো খেলোয়াড় বা শিল্পী যে কোন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে, দরকার দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। এ সব কথা আমরা বুঝি ও স্বীকার করি। কিন্তু সর্বোচ্চ জ্ঞানলাভের জন্যও যে পরিশ্রম ও অধ্যবসায় প্রয়োজন এ কথা আমাদের মনে হয় না। ভগবান লাভ করতে হলে, যে কঠোর তপস্যা ও সংযমের প্রয়োজন তার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। তাই সহজ সিদ্ধান্ত করে বসি, ও সব কিছু নেই, ভ্রান্ত ধারণা ইত্যাদি।

ধর্ম-হীনতা ও ধর্ম-নিরপেক্ষ এক কী?

   আর এক শ্রেণির মানুষ  আছেন, তারা ঠিক চার্বাক পন্থী নন, কিন্তু তারা এ সব ভাবনাকে যেন এড়িয়ে চলেন। খুব গর্ব অনুভব করেন নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ বলে ভাবতে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রীষ্টান,বৌদ্ধ প্রভৃতি কোন  বিশেষ মতের অনুসারী তারা  নন। মনে রাখতে হবে 'ধর্মনিরপেক্ষতা'  ও 'ধর্মহীনতা' কিন্তু এক কথা নয়যে কোন ধর্ম নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেও যে সমন্বয় করা সম্ভব, বিশ্বের কাছে স্বামী বিবেকানন্দ সেই বাণী  শুনিয়েছিলেন, ভগবানের নামে এত গন্ডগোল, যুদ্ধ ও বাদানুবাদ কেন?  ভগবানের নামে যত রক্তপাত হইয়াছে, অন্য কোন বিষয়ের জন্য এত রক্তপাত হয় নাই, কারণ সাধারণ মানুষ ধর্মের মূল উৎসে যায় নাই। সকলেই পূর্বপুরুষগণের কতকগুলি আচার অনুমোদন করিয়াই সন্তুষ্ট ছিল। তাহারা চাহিত অপরেও তাই করুক।আত্মা অনুভূতি না করিয়া অথবা আত্মা বা ঈশ্বর দর্শন না করিয়া ঈশ্বর আছেন বলিবার কি অধিকার মানুষের আছে? যদি ঈশ্বর থাকেন, তাঁহাকে দর্শন করিতে হইবে; যদি আত্মা বলিয়া কিছু থাকে, উহা উপলদ্ধি করিতে হইবে।[বা/ব ১/২১৩]

কার্য-কারণ সম্বন্ধ

  বেদান্ত দর্শনে এই দৃশ্যমান জগতের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে জগতকে একান্তভাবে মিথ্যা বলা হয়নি ব্যবহারিক দৃষ্টিতে জগৎ সত্য জ্ঞানলাভের পূর্ব পর্যন্ত জগৎ সত্য সৃষ্টি থাকলে স্রষ্টাকেও থাকে হয় জগৎ স্রষ্টারূপ ঈশ্বরের অস্তিত্ব তাই স্বীকার করতে হয় বৈচিত্রময় এই জগতে নানা জিনিস এলো কীভাবে? কোন কারণ ছাড়া কোন কার্য সম্ভব নয়। তাই এই জগৎরূপ কার্যের, এই প্রকাশেরও নিশ্চয় কোন কারণ রয়েছ।শূণ্য থেকে জগৎ সৃষ্টি হয়নি। এবং যেকোন কার্য হল কারণের পুনঃপ্রকাশশূন্য থেকে কোন কিছু সৃষ্টি করা যায় না। আবার কোন কিছুকে শূন্যে মিলিয়ে দেওয়াও যায় না। সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর হতে পারে বা স্থূল থেকে স্থূলতর হতে পারে। যে শক্তি এই মহাবিশ্বে লীলা করছে তার মোট পরিমাণও সব সময় অপরিবর্তনীয়। কোন ভাবেই পদার্থের এক কণাও কমানো সম্ভব নয়।পদার্থ বিজ্ঞানের দ্বারা আমরা সকলেই একথা জানি।

ঈশ্বর কী বা কে?

  কাজেই ব্যবহারিক দৃষ্টিতে জগৎকে যেমন সত্য বলে গ্রহণ করা হয়, তেমনই এই জগতের স্রষ্টা, পালক ও সংহারকর্তা রূপে ঈশ্বরের অস্তিত্বও স্বীকার করা হয় পারমার্থিক দৃষ্টিতে জগৎ নেই, ঈশ্বরও নেইকিন্তু যতক্ষণ মায়া বা অবিদ্যা রয়েছে, ততক্ষণ জগৎ ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিদ্যমান তাহলে আমরা দেখলাম এই বিশ্বের সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের কারণ হলেন ঈশ্বর কার্যের পেছনে যেমন কারণ অবশ্যই থাকে, তেমনি এই জগৎরূপ কার্যের পেছনে ঈশ্বর অবশ্যই রয়েছেন।

  বর্তমান যুগে বিশ্বের মানুষের কাছে বেদান্তকে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী করে উপস্থাপন করেছেন স্বামী বিবেকানন্দবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গীতে তিনি ধর্মের ব্যাখ্যা করছেন স্বামীজীর মতে ধর্মের মূল হল অনুভূতি(Realisation) সকল ধর্মেই কিছু কিছু বাহ্যিক আচার অনুষ্ঠান রয়েছে কিন্তু এগুলি ধর্মের প্রধান জিনিস নয়

   ঈশ্বর দর্শন, ব্রহ্মানুভূতি, মুক্তিলাভ বা আত্মজ্ঞান লাভ যে শব্দেই অভিহিত করা হোক না কেন তা কিন্তু প্রাপ্ত বস্তুর পুনঃপ্রাপ্তি ভগবান লাভ কথার অর্থ, নতুন কিছু বাইরে থেকে অর্জন করা নয় জীব স্বরূপতঃই ব্রহ্ম অজ্ঞান বা মায়া চলে গেলে জীবের স্বরূপ প্রকাশিত হয় এই জগৎ সম্পর্কে স্বামীজী বলছেন, এই জগৎ সর্বব্যাপী এক অখন্ড সত্তারই প্রকাশ,ইন্দ্রিয়গুলির মধ্য দিয়া দৃষ্ট সেই সত্তা এই জগৎ ইহাই মায়া অতএব জগৎ একটি ভ্রম অর্থাৎ সত্যবস্তুর অসম্পূর্ণ দর্শন, আংশিক প্রকাশ প্রভাতে যেমন সূর্যকে একটা লাল বলের মতো দেখায় এই ভাবে যা কিছু অশুভ বা মন্দ, তা প্রকৃতপক্ষে দুর্বলতা মাত্র, ভালোরই অসম্পূর্ণ প্রকাশ[বা/র ১/১৩০]

 অমৃতত্ব্ব কী?

 এই সব তাত্ত্বিক আলোচনার পরেও সেই প্রশ্ন ও সন্দেহ কিন্তু থাকবে সমস্ত শংসয় চলে যাবে একমাত্র তস্মিন্‌ দৃষ্টে পরাবরে-অর্থাৎ সেই সর্বাত্মক ব্রহ্মকে জানলে। কী হয় তাকে জানলে?  শ্রুতি বলছেন, ভিদ্যতে হৃদয়গ্রন্থিঃ ছিদ্যন্তে সর্বসংশয়াঃ  তখন  অজ্ঞান নাশ হয়ে সমস্ত সংশয় চলে যায়। একমাত্র সেই সত্যকে প্রত্যক্ষ করলে  সর্ব সংশয়ের পারে যাওয়া যায় এবং অমৃতত্ব লাভ করা যায়।©


                  

Comments

  1. প্রনাম মহারাজ🙏🙏🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. Pranam maharaj Khub bhalo laglo

      Delete
    2. প্রণাম মহারাজ। এত সুন্দর করে লিখেছেন বুঝতে কোনো অসুবিধা হল না। খুব ভালো লাগলো। 🙏

      Delete
    3. প্রণাম মহারাজ I লেখাটা খুব ভালো লাগলো I
      শুক্লা ভট্টাচার্য, গুয়াহাটি

      Delete
    4. PRONAM MOHARAJ. 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

      Delete
  2. "সীমিত বুদ্ধি দিয়ে ঈশ্বরকে ' জানা ' যায় না, অনন্তকে সীমিত বুদ্ধি দিয়ে ঈশ্বরকে জানা সম্ভব নয়"
    খুব সুন্দর একটি বিষয়ের আলোচনা মহারাজ 🙏🏻
    আন্তরিক সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
    কৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া

    ReplyDelete
    Replies
    1. Maharajji Khub sundor laglo apnar lekha pore. Apnake
      Sashrodhho pronam janai.

      Delete
    2. খুব চমৎকার আলোচনা করেছেন শ্রদ্ধেয় মহারাজজী ঈশ্বর আছে কি নেই এই সম্বদ্ধে ! এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে আমরা দাবি করলেও -আমাদের অন্তরদৃষ্টির অজ্ঞানতা ও মায়ায় আবদ্ধ রয়েছি বলেই এবং ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ প্রমাণ এর মধ্যে সীমিত জ্ঞান। যা বহিঃবিজ্ঞানেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সীমিত বুদ্ধি দিয়ে , যুক্তি-তর্ক দিয়ে অনন্তকে ঈশ্বরের অস্থিত্বকে প্রমাণ করা বা জানা যায়না। একমাত্র প্রমাণ হল প্রত্যক্ষ উপলদ্ধি যাকে বলে সত্য উপলদ্ধি । নিঃসন্দেহ হতে হলে, ঈশ্বর আছে কি নেই তা কঠোর সাধনা, তপস্যা ও সংযমের প্রয়োজন । আমরা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হয়েও সৃষ্টিতে ঈশ্বরের অস্থিত্ব অনুভব করিনা- তাতে সৃষ্টির শ্রষ্ঠা কে অস্বীকার করার মত। খুব ভাল লাগল আপনার এই ব্লগ পড়ে। স্বভক্তি ও শ্রদ্ধাযু্ক্ত প্রণাম গুরু মহারাজজী।

      Delete
    3. Khub valo laglo pore

      Delete
  3. খুব ভালো লাগলো

    ReplyDelete
  4. Prabhuji, sundar pratibedaner jannya sasradhya pranam janai, Sundar o Satya upasthapana, "Iswar ache ki ?" Lekhati khubi bhalo laglo ja upalabhdhir bisay. Iswar darshan, Brahmanubhuti, mukti labh ba Atma gyan labh, sabi prapta bastur punah prapti, byakha. Jib swarupatai Brahma, agyanata ba maya anabrita hole anubhab kara jay, ja bahu sadhanay labdha hoy. Bhalo laglo, Jagat samparke, Swamijir tatparjya purna katha - Jagat angshik satya holeo, Jagat ekti bhram.
    Iswar ke dekha jay na, antorik hole anubhab o upalabhdhi kara jay amra mani. Bhalo laglo, Jini Iswar ke uplabhdhi korechen sei Apta-purusher kathai Sashtra-bakya, bala hoy.
    Parisese boli jehetu amra Iswar ke dekhte pai na, samaye / asamaye ei prashna amader mon ke dodulyaman kare, ta ajker lekhati pare, prasamita holo, asangkhya dhanyabad o kritagyata janai.
    Apnar anugata sishya.🙏🏻

    ReplyDelete
  5. অপূর্ব সুন্দর ।

    ReplyDelete
  6. Satty ridha holam. Kintu kothai jeno akta khudrata pichu tana.

    ReplyDelete
  7. আবার খুব সুন্দর বিষয় নিয়ে আলোচনা।আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের দরুণ আমরা নানা বিষয়ে জানতে পারছি।খুব ভাল লাগছে।জানার আগ্রহ আরও বাড়ছে।ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন।ভাল থাকবেন।🙏🙏

    ReplyDelete
  8. Suprovat pronam neben moharaji, apnar lekha pore khub valo laglo, aneak gayan archon korchi,agami dine aro apnar lekha porar iccha thaklo,sadhana Sharma, jowrah panchala.

    ReplyDelete
  9. খুব সুন্দর একটা আলোচনা , খুব ভালো লাগলো। প্রণাম জানাই 🙏🙏

    ReplyDelete
  10. খুব সুন্দর খুব সুন্দর বিষয় আমরা তো শুধু ঠাকুর কে পূজা করতাম কিন্তূ আপনি আপনার কাছে এসে আমরা জানতে পারলাম ঠাকুর কোথায় আছে ঠাকুর হৃদয় মন্দিরে আছে যদি না আপনার কাছে আসতাম এত কিছু জানতে পারতাম না এই জন্যে ঠাকুর বলেছে সাধু সঙ্গ করতে আপনার মত গুরু পেয়ে আমরা ধন্য প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব শিখা মন্ডল ব জ ব জ

    ReplyDelete
  11. 🙏প্রণাম মহারাজ ঈশ্বর অসীম,অনন্ত সর্ব ব্যাপি। তাঁকে বুদ্ধি দিয়ে ব্যখ্যা করা যায় না। তাঁকে জানার জন্য নিরন্তর সাধনার প্রয়োজন। রীতা নাগ, দক্ষিনেশ্বর

    ReplyDelete
  12. খুব ভালো লাগলো পড়তে অনেক নতুন নতুন বিষয় জানছি . প্রনাম নেবেন মহারাজ জী. . রুনা পালিত .

    ReplyDelete
  13. আপনার লেখা গুলি আমাদের কে খুব অনুপ্রেরিত করে। আশীর্বাদ করুন যেন সেই প্রেরণা চিরস্থায়ী হয়। ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ জী 🙏🙏

    ReplyDelete
  14. Apurba lekha pare anudhaban karlam Iswarke janr janya chhai spiritual knowledge o khathor sadhna

    ReplyDelete
  15. অপূর্ব সুন্দর মহারাজ ।প্রণাম জানাই আপনাকে🍁🍁🍁🍂🍂🍂🪴🪴🪴🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  16. খুব ভালো লাগলো পড়ে।

    ReplyDelete
  17. লেখা টি ভালো লাগলো।এরকম আরো লেখা পড়তে চাই। ভতিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ। শ্রাবণী ঘোষ।

    ReplyDelete
  18. সকল উপনিষদের বক্তব্য এটাই। মহা চৈতন্য সর্ব বিষয়ের,সকল কাজের বা সৃষ্টির আড়ালে সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ও নির্লিপ্ত অবস্হায় রয়েছেন।জন্ম জন্ম সঞ্চিত দেহবোধ , উপাধি ও অহঙ্কার দিয়ে তৈরি এই অবরোধ আমরা ভেদ করতে পারছিনা । তাঁর কৃপা আর নিজের অব্যাহত প্রচেষ্টা যত দিন না সফল হয় তত দিন ধৈর্য্য ধারণ করে থাকতে হবে। খুব ভালো লাগলো লেখাটা। প্রণাম জানাই।

    ReplyDelete
  19. অপুর্ব ব্যাখ্যান সত্যিই তর্কের দ্বারা ঈশ্বরের অনুভতি উপলব্ধি করা যায় চাই অনন্য ভক্তি আর ব্যাকুলতা, তাইতো মহারাজ জী আপনি নানাভাবে আমাদের সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করছেন আমাদের ঈশ্বর অভিমুখী করার, সত্যিই আমরা ধন্য আপনার মত একজন আচার্য পেয়ে। আপনাকে আমার ভুলুন্ঠিত প্রনাম জানাই। তপন সিংহ ধানবাদ।

    ReplyDelete
  20. Khub sundar alochana. 🙏🙏

    ReplyDelete
  21. 🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
  22. মহারাজ, খুব সুন্দর ও সহজ সরল ভাবে ঈশ্বর আছেন কিনা ব্যাখ্যা করেছেন!আপনার ক্লাস করে এখন বিষয় টা বোধগম্য হয়েছে! খুবই ভালো লাগছে ব্লগ গুলো পড়তে! আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দিন দিন উন্নত ও সমৃদ্ধ হচ্ছি মহারাজ! আপনার রাতুল চরণে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি মহারাজ! 🙏🍁🙏

    ReplyDelete
  23. খুব সুন্দর লেখা, সমৃদ্ধ হচ্ছি।

    ReplyDelete
  24. 🙏🌹Pronam maharaj Apurba khub bhalo laglo. Ki sundar kore bakhya korlen mon vore gelo. 🙏

    ReplyDelete
  25. , 🙏🌹Pronam maharaj Apurba khub bhalo laglo apnar bakhya. Ki sundar kore bakhya korlen mon vore gelo. 🙏

    ReplyDelete
  26. Ei bishai nea apni class e anekbar alochona korechen bujhiechen,abar porlam khub bhalo laglo,amar shasradha pronam neben Maharaj

    ReplyDelete
  27. ঈশ্বর কি? জ্ঞান যতক্ষণ না হবে ততক্ষণ এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন।তা চাই বিশ্বাস বিশ্বাস বিশ্বাস।ঠ ঠাকুরের কৃপায় আমরা যেন এই জ্ঞান লাভ করতে পারি। প্রণাম মহারাজ 🙏 আপনার লেখা বলগ নিয়মিত পড়ছি।এব এ সমৃদ্ধ হচছহ।
    নামহীন ভক্ত।

    ReplyDelete
  28. আজকের আত্মজ্যোতির নিবেদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উপস্থাপনা ।অধ্যাত্ম বিষয়ে শাস্ত্রাদি পাঠ,আপ্তবাক্যে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস ও ঐকান্তিক সাধনার দ্বারা আমাদের ঐশীশক্তির প্রতি এক টান বোধ
    হয়। নিরন্তর সাধনা আর সরল ব্যাকুলতা দিয়ে এই পরম শক্তির অনুভব অন্তরে অনুভব হতে থাকে। এই অনুভব একান্তই
    আপনার। যুক্তি,প্রমাণ দিয়ে এই শক্তির
    অস্তিত্ব বোঝানো যাবে না। বিশ্বাসে মিলায় কৃষ্ণ,তর্কে বহুদূর। মানসিক স্তরের উন্নতির সাথে সাথে অনুভূতির স্তর ও বদলে যায়-এই কথাটি প্রকৃতই সত্য। এ এক গভীর অনুভব,আর এর আনন্দ দেহে-মনেএক প্রশান্তি দেয়,আর সেই প্রশান্তি ঈশ্বরের প্রতি
    পরম নির্ভরতা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে। তখন সবসময়ই ঈশ্বর সম্বন্ধীয় আলোচনা করতে ও শুনতে ভালো লাগে। জগৎরূপ কার্যের পিছনে কারণরূপ ঈশ্বরের
    অস্তিত্ব নিয়ে মনে আর কোনো দোলাচল থাকে না। ঠাকুর,মা,স্বামীজীর অমূল্য বাণী
    এই ব্যাপারে সর্বদাই আমাদের বিশ্বাসের জায়গা সুদৃঢ় করে।
    "সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর,আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর॥
    কত বর্ণে কত গন্ধে, কত গানে কত ছন্দে,
    অরূপ তোমার রূপের লীলায় জাগে হৃদয়পুর।আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর।
    তোমায় আমায় মিলন হলে সকলি যায় খুলে-বিশ্বসাগর ঢেউ খেলায়ে উঠে তখন দুলে।
    তোমার আলোয় নাই তো ছায়া, আমার মাঝে পায় সে কায়া,হয় সে আমার অশ্রুজলে সুন্দরবিধুর।আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর॥"
    ঋষিকবির এই ঐশীউপলব্ধি এক পরম
    সত্যের বহির্প্রকাশ।
    আজকের এই সুন্দর উপস্থাপনার জন্য
    মহারাজকে সকৃতজ্ঞ প্রণাম জানাই।
    মালবিকা সেনগুপ্ত। বাঘাযতীন,কলকাতা।






















    ReplyDelete
  29. খুব সুন্দর একটা আলোচনা, ঈশ্বরলাভের জন্য চাই ভক্তি ও আত্মজ্ঞান,জয় ঠাকুর, প্রনাম নেবেন মহারাজ🙏
    সুমিতা চক্রবর্তী, রামপুরহাট

    ReplyDelete
  30. আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ জী , আপনার লেখা পড়ে এক অপুর্ব অনুভূতি অনুভব করলাম।
    বিজ্ঞান ও আধ্যাত্ম দুই টিকেই সম্যক রূপে জানতে গেলে প্রয়োজন ব্যকুলতা ও সাধনা।

    এই ব্লগ পড়ে মন জ্ঞানের আলোকে আলোকিত হয় মহারাজ।
    জয় তু শ্রীরামকৃষ্ণ ।🙏🙏

    ReplyDelete
  31. খুব ভালো লাগলো।অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং প্রণাম।সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন ঈশ্ব
    র মঙ্গলময় মঙ্গল করূন।

    ReplyDelete
  32. অসাধারন ব্যাখ্যা।অপূর্ব লাগলো মহারাজ।ব্লগ নিয়মিত পড়ছি।
    প্রনাম মহারাজ।💐🙏

    ReplyDelete
  33. ব্লগে লেখা প্রত্যেক বিষয় অসাধারণ। আমাদের নানাভাবে আপনি আধ্মাত্মিক পথে অগ্রসর করাচ্ছেন। আমরা চির ঋণী। ভক্তিপূর্ণ শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি পূজনীয় আচার্যদেবের রাতুল শ্রী চরণে।

    ReplyDelete
  34. গুরু মহারাজজীর শ্রী চরনে ভক্তিপূর্ণ শতকোটি শতকোটি শতকোটি শতকোটি শতকোটি শতকোটি প্রনাম 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏

    ReplyDelete
  35. জয় ঠাকুর, মা, স্বামীজি 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌹🌹🌹,প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🌹🌹 জী। সেই চিরন্তন একটা প্রশ্ন আপনার অসাধারণ লেখনী র গুনে অনন্যসাধারণ হয়ে উঠেছে। সত্যি বলতে কি, একমাত্র যারা ঈশ্বরের কৃপাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁরাই এর সত্যতা উপলব্ধি করতে পেরেছেন।আর যারা তাঁর বিষয়ে জানতে চান, তাঁকে লাভ করতে চান, সেটা ও ঈশ্বরের কৃপাধন্য হলে, তবে ই সম্ভব। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গেলে যেমন প্রস্তুতি র প্রয়োজন, এবিষয়ে ও তাই। মহারাজ 🙏🙏🌹🌹 জী, আপনি আমাদের সেই প্রস্তুতি র প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু করেছেন। আমরা সামিল হয়েছি সেই কর্মযজ্ঞে।আত্মজ্যোতি'র আলোকে নিজেদের উদ্ভাসিত করে উঠতে পারি কিনা, সেটা ই দেখার------। ঠাকুরের কৃপায় সুস্থ থাকুন, প্রনাম জানাই 🙏🙏🌹🌹। শান্তা বিশ্বাস সাহা, দুর্গাপুর।

    ReplyDelete
  36. ঈশ্বর আছে কি? এই আত্মজ্যোতি পড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ। ঈশ্বর ইন্দ্রিয় গ্ৰাহ্য নয়।বহু সাধনার উপলব্ধির ফল।স্বামি নির্বেদানন্দ ও ডঃ মেঘনার সাহার কথপোকথনে স্পটতই প্রমান হয় ঈশ্বর দর্শনের জন্য সাধন করে তার যোগ্য হয়ে উঠতে হয়।
    জয় ঠাকুর মা জয় মহারাজ 🙏🙏🙏
    আপনার লেখা ব্লগ গুলো পেয়ে আমরা অভিভূত।
    আপনি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রর্থনা করি ঈশ্বরের কাছে 🙏🙏 জয় ঠাকুর 🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷


    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রণাম মহারাজ। লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো আরও এরকম লেখা পেতে চাই । আপনি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

      Delete
    2. Iswar j amader ato kacher ta jantai partam na.jodi apni amader ai nuton pother disa dekhaten..apni valo thakun Achargyo.... supriya Majumdar

      Delete
    3. আপনার পাঠান ব্লগগুলো পড়ি খুব ভালো লাগে। আপনার লেখাগুলো পেয়ে আমরা অত‍্যন্ত উপকৃত। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন মহারাজ।🙏

      Delete
  37. Pranam maharaj khub bhalo laglo

    ReplyDelete
  38. খুব সুন্দর বিষয়, খুব ভালো লাগলো মহারাজ। ঠাকুর সাধু সঙ্গের কথা বলেছেন। ঠাকুরের জন্যে আমরা আপনাকে পেয়েছি। নিত্য দিনের অন লাইন ক্লাস ও ব্লগে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি, ও ক্রমশ সমৃদ্ধ হচ্ছি। পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকবেন। প্রণাম নেবেন। শর্মিষ্ঠা ঘোষাল।

    ReplyDelete
  39. অপূর্ব লাগল মহারাজ, আমার মতে আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটাই। ঈশ্বর আছেন কি?? Does God exist? এই প্রশ্নের কৌতুহল নিরসনে অসাধারণ এক লেখা পেলাম , প্রতিটি লেখার মতই আবারও। যাঁরা ঈশ্বর কে বুঝেছেন সকলেই কি যে এক অদ্ভুত পরম আনন্দ দায়ক অনুভূতি ও উপলব্ধির সন্ধান পেয়েছেন, তা কাউকে বোঝানো তো সম্ভব নয়। একমাত্র যে বা যিনি উপলব্ধি করেছেন তিনিই বুঝবেন ঈশ্বর আছেন কি নেই।
    অদ্ভুত এক আনন্দে মন ভরে গেল মহারাজ। আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন, পরম মঙ্গলময়ী মায়ের আশীর্বাদে খুব ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন মহারাজ।

    সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন।
    🙏🌷🙏🌷🙏🌷🙏🌷

    ReplyDelete
  40. 🙏🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  41. লেখক কে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।
    সত্যি অপূর্ব করে বুঝিয়েছেন। লেখাটি পরে‌‌ সমৃদ্ধ‌ হলাম,, অনেক অনেক শুভকামনা রইল,, আগামী লেখার জন্য।
    অপেক্ষায় থাকলাম।
    প্রনাম জানাই আপনাকে 🌷🙏🌷।

    ReplyDelete
  42. খুবই সুন্দর 🌷🙏🌷 লেখা।
    অনুপ্রানিত হলাম। আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ আপনাকে।

    ReplyDelete
  43. অসাধারণ।খুব ভালো লাগলো। মহারাজ আমার ভক্তিপূর্ন প্রনাম জানাই 🙏🙏🙏💐💐💐💐 আপনি সুস্হ থাকুন ও আমাদের জীবনে আলোর প্রকাশ আনুন।🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  44. খুব ভালো লাগলো মহারাজ। মন ভরে গেল। প্রণাম নেবেন। 🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  45. ভালো লাগলো।

    ReplyDelete
  46. ঈশ্বর আছে কি? আপনার এই লেখাটি পড়ে খুব ভাল লাগল। সত্যিই ঈশ্বর কে উপলব্ধি করা অত সহজ নয়।ঈশ্বর কে আমরা সর্বদা পাওয়ার জন্য খুজে বেড়াচ্ছি, অথচ ঈশ্বর আমাদের সকলের হদয়ে আছে, ,এটা উপলব্ধি করতে হবে।ধীরে ধীরে বার বার অভ্যাসের দ্বারা সাধন করতে হবে। আপনার সান্নিধ্য এসে আমারাঅনেক কিছুই জানতে পারছি।ঈশ্বরের আনন্দ যে কি তা বাক্য দিয়ে প্রকাশ করা যায় না।আপনার কন্ঠে পরমার্থ কথা শুনে মনটা সর্বদাই আনন্দে বিরাজ করে।সাংসারিক কোন কথাই ভাল লাগে না।ঈশ্বর কে জানাই সকল বন্ধন থেকে মুক্ত করে দাও।তুমি কৃপা কর ঠাকুর। আপনার প্রচেষ্টা যেন সার্থক করতে পারি।আপনি আমাদের ভগবান। প্রণাম মহারাজ।ভাল থাকবেন।

    ReplyDelete
  47. খুব ভাল লাগলো।

    ReplyDelete
  48. Pranam maharaj.

    ReplyDelete
  49. অপূর্ব লেখা,এর জন্য কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। জটিল জিনিষকে এতো সহজ করে বলা মোটেও সহজ নয়।এটি একটি ব্যতিক্রমী গুন যা খুবই অল্প লোকের মধ্যে থাকে,তা ছাড়া চাই সংশলিষ্ট বিষয়ে অগাধ যা আপনার আছে,আর তাই এই সব লেখা বেরোচ্ছে এবং আমরা পরে ধন্য হচ্ছি।আপনাকে অসংখ্য প্রণাম।

    ReplyDelete
  50. Krishna Biswas, Hyderabad
    আজকের বিষয় পড়ে যেমন অভিভূত তেমনি যুগের উপযোগী, আমরা এই প্রশ্নের সম্মুখীন প্রতিনিয়ত হচ্ছি আজ মনে হয় অনেক তথ্য শৃঙ্খলা বদ্ধ ভাবে পেলাম যা খুব সাহায্য করবে I ঈশ্বর সম্পর্কে কিছু আলোচনায়. প্রণাম জানাচ্ছি আপনার চরণে আপনি ভালো থাকবেন

    ReplyDelete
  51. 🙏🏻🙏🏻শতকোটি ভক্তিভরা প্রনাম তব শ্রীপাদপদ্মে আচার্য গুরুদেব🌻🌻🙏🏻🙏🏻।ঈশ্বরেই যে একমাত্র সর্বত্র বিরাজমান আছেন তার এক অপূর্ব নিদর্শন হলো আপনার এই লেখনী 🌹🌹🙏🏻🙏🏻। কি সুন্দর সুন্দর আধ্যাত্মিক জ্ঞান তত্ত্বের অর্থ সম্বন্ধে অবগত হলাম (সাধনলব্ধ অপরোক্ষ জ্ঞান, অধ্যাত্মবিজ্ঞান, আপ্তপুরুষ এই হলো শাস্ত্রবাক্য, নির্বিকল্প সমাধি, কারনেই কার্যরূপে প্রকাশ, সত্যস্বরূপ অমৃতের অনুভব ইত্যাদি)। প্রতিদিন আপনার আশ্রয়ে থেকে আমাদের কাছে এর অর্থ সহজ হয়ে গেছে, আমরা অতীব ধন্য 👏👏🙏🏻🙏🏻। সত্যি আপনি হচ্ছেন দিব্যত্রয়ীর অমৃতস্য পুত্র🙏🏻🙏🏻। আগামীদিনে আরো কিছু পাওয়ার আশায় আছি
    🙏🏻🙏🏻।




    ReplyDelete
  52. আপনার ব্লগের লেখা গুলো পড়ে অনেক কিছু নতুন বিষয় জানতে পারছি। আপনি আমাদের উত্তম শিক্ষা গুরু।প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏 ভালো ও সুস্থ থাকুন।
    রেখা সামন্ত , কাটোয়া।

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রণাম মহারাজ। আপনার লেখা পড়লে এই কথাই বলতে ইচ্ছা করে অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকায়া।চক্ষুরুণ্মীলিতং যেন তষ্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।অসাধারণ লেখা।আপনার ভাবনা চিন্তন মনন আমাদের চলার পথের দিক দর্শন করায়।ভাল থাকবেন মহারাজ। এভাবেই আমাদের পথ দেখান।

      Delete
  53. কঠিন বিষয় কে সুন্দর , সহজ করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ মহারাজ। প্রনাম নেবেন।

    ReplyDelete
  54. জয় শ্রীগুরু, আচার্য দেবকে প্রণাম জানাই,আপনার অপূর্ব লেখা পড়ে উপকৃত হলাম,সমস্ত সংশয় চলে যাবে একমাত্র,' তস্মিন দৃষ্টে পরাবরে,ঈশ্বর আছে কি নেই? এই সংশয় চলে যাবে।অসাধারণ লেখা খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ জানাই, আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করি আপনার প্রতি আচার্য দেব।

    ReplyDelete
    Replies
    1. খুব ভালো লাগল
      সমৃদ্ধ হচ্ছি মহারাজ
      আপনি আমার অসংখ্য ভক্তিপূর্ণ প্রনাম গ্রহন করবেন🙏🙏🙏

      Delete
  55. খুব ভালো লাগলো৷ মহারাজ

    ReplyDelete
  56. বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর.... ঈশ্বর আছেন, প্রমাণ হয় অনুভবে... প্রায় প্রত্যেকের জীবনেই কোন না কোন সময়ে। এক মহা শক্তি দ্বারা আমরা পরিচালিত হই।
    অসাধারণ সুন্দর লেখা, ধন্য আমরা। প্রণাম মহারাজ 🙏🌺🙏

    ReplyDelete
  57. Bhalo laglo apnar lekha pore Ishwar darshan ak aparoksha onubhutir bypar. Jakhan e param biswase Ishwar nirbhar hoyechhi takhan e tnar upasthiti onubhab korechhi. I Mone gabhir biswas theke o tanke onubhab kara jay. Takhan e param ananda labh kara jay. Apnar lekha pore avashyi bojha jay Ishwar ke pete hole tnar upasthiti onubhab korte hole gabhir biswas o khoj darkar. Pronam neben maharaj.

    ReplyDelete
  58. Krishnadey, jamshedpur.

    ReplyDelete
  59. আহা খুব সুন্দর। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।🙏🙏 প্রনাম মহারাজ। খুব ভালো থাকবেন ❤️❤️

    ReplyDelete
  60. অপূর্ব আপনার ব্যাখ্যা ভাবা যায় না‌।আপনাকে চরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই ।

    ReplyDelete
  61. বুঝতে পারলাম,সাধনাই একমাত্র পথ। খুব ভাল লাগল। মহারাজ প্রনাম নেবেন।
    🙏🙏🙏

    ReplyDelete
  62. প্রনাম মহারাজ অপূর্ব, ইলা ঘোষ আসানসোল,

    ReplyDelete
  63. অনিবর্চনীয় অনিন্দ্য সুন্দর । মহারাজের শ্রীচরণে সশ্রদ্ধ‌প্রনতি জানাই । ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব মা ও স্বামীজির শ্রীচরণ পাদপদ্মে সশ্রদ্ধ চিত্তে প্রনতি জানাই ।🙏🙏🙏🌱🌿🌿🌹🍁

    ReplyDelete
  64. অনিবর্চনীয় অনিন্দ্য সুন্দর । মহারাজের শ্রীচরণে সশ্রদ্ধ‌প্রনতি জানাই । ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব মা ও স্বামীজির শ্রীচরণ পাদপদ্মে সশ্রদ্ধ চিত্তে প্রনতি জানাই ।🙏🙏🙏🌱🌿🌿🌹🍁

    ReplyDelete
  65. অসাধারণ । খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ জানাই আচার্য দেব ‌🙏🌺🎀🌺🙏🎀🕉️🕉️ প্রণাম মহারাজজি।🙏🙏🙏🎀🕉️🎀🌺🌹🌺

    ReplyDelete
  66. Excellent! (Pulakesh)

    ReplyDelete
  67. প্রণাম মহারাজ। লেখাটি পড়ে খুব ভাল লাগল, অনেক কিছু জানলাম। আরো অনেক অজানা তথ্য জানতে পারব এই আশায় র ই লাম।

    ReplyDelete
  68. খুব সুন্দর যুক্তি দিয়ে" ঈশ্বর আছে কি?" বুঝিয়ে দিলেন আচার্য দেব। তবে আরো কয়েকবার পড়লে আরো ভালো করে বুঝতে পারবো বলে আশা রাখি। আপনার লেখা থেকে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব।। অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।।

    ReplyDelete
  69. ব্লগ পড়ে খুব ভালো লাগলো ঈশ্বর দর্শনের জন্য ‌‌‌চাই অনেক ‌‌‌সাধনা। আমার আন্তরিক সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন আচার্য্য দেব।🙏🙏

    ReplyDelete
  70. খুব ভালো লাগলো মহারাজ প্রণাম নেবেন

    ReplyDelete
  71. অপূর্ব।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

    ReplyDelete
    Replies
    1. অপূর্ব মহারাজ

      Delete
  72. প্রনাম নেবেন মহারাজ খুব ভালো লাগলো।

    ReplyDelete
  73. শুভ বিজয়ার প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏🙏🙏. খুব ভালো লাগলো পড়ে। আনন্দের ধারায় ডুবে যাই আপণার লেখা পড়ে। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏.

    ReplyDelete

Post a Comment