রথের রশি টানলেন শ্রীমা সারদা
-- -- -- স্বামী হরিময়ানন্দ
বিশেষ নিবন্ধ
এবারের শিরোনাম থেকে খুবই স্পষ্ট যে, শ্রীমা সারদাদেবী রথের উৎসবে দড়ি ধরে রথ টেনে ছিলেন। এ কথা হয়তো অনেকেই জানেন। তবুও রথযাত্রা এলে সেই কথা স্মরণ করতে ইচ্ছে করে। ভগবান বা তাঁর লীলাসঙ্গিনী এঁরা কখনও কিছু ভাঙ্গতে আসেন না। বরং যা রীতি তা মেনে রীতির গভীরে নীতিটিকে শিখিয়ে দেন। আমরা এই নিবন্ধে দুটি বিষয়ে দৃষ্টি পাত করব। প্রথমে রথযাত্রা বিষয়ে এরপর আসবে মায়ের রথ টানার কথা। আর ভূমিকা নয়, এবার শুরু করা যাক।
এখন রথযাত্রা বলতে সাধারণত বোঝায় শ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা। অবশ্য প্রাচীন ভারতবর্ষে অন্যান্য দেবদেবীর উৎসবের সঙ্গ রথযাত্রা যুক্ত
ছিল। কূর্ম, ভবিষ্যৎ, বরাহ প্রভৃতি পুরাণে বিভিন্ন দেবতার রথযাত্রার উল্লেখ রয়েছে। এমনকি
বৌদ্ধ ও জৈন সম্প্রদায়ের মধ্যে রথযাত্রার প্রচলন ছিল বলে জানা যায়। মহাভারতের যুগে যাতায়াতও যুদ্ধে রথের ব্যবহার দেখা যায়। ঠিক কবে এই রথযাত্রার
সূচনা হয়েছিল বলা মুশকিল। এ নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। কেউ কেউ মনে
করেন জগন্নাথকে কেন্দ্র করে এই রথের সূচনা।আবার কারও কারও
ধারণা বুদ্ধদেবকে কেন্দ্র করে এই রথযাত্রার শুরু। সূচনা যে ভাবেই হোক, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগেও জগন্নাথের আকর্ষণে আষাঢ় শুক্লা দ্বিতীয়াতে রথযাত্রায় সামিল হন, মেতে ওঠেন আনন্দ উৎসবে।
চীন দেশের পরিব্রাজক ফা-হিয়েনের ভ্রমণ কাহিনিতে বুদ্ধদেবের জন্মোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত রথের
বর্ণনা পাওয়া যায়। এর থেকে অনেকের ধারণা
হয় যে, বুদ্ধদেবের রথযাত্রাই
পরবর্তীকালে জগন্নাথের রথে রূপান্তরিত হয়েছে। অনেক গবেষকদের ধারণা পুরীর জগন্নাথ
মন্দিরটিও আগে বুদ্ধ মন্দির ছিল। জগন্নাথ, সুভদ্রা, বলরাম আসলে বৌদ্ধ ধর্মের
ত্রিরত্ন – বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ। ঠিক কোন সময়ে এটি পরিবর্তিত হয়েছিল পণ্ডিতেরা
স্থির সিদ্ধান্ত করতে না পারলেও, এটি যে বৌদ্ধ
ধর্মের ওপর হিন্দুধর্ম তথা বৈষ্ণব ধর্মের আধিপত্য স্থাপনের একটি নিদর্শন, তা বলা যায়।
পুরীর রথের
মত এত সমারোহ না হলেও বাংলার নানা স্থানে ছোট বড় বিভিন্ন রথের মেলা হয়ে থাকে। এদের মধ্যে প্রাচীনতম
ও সর্ববৃহৎ হল হুগলির মাহেশের রথের মেলা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ হাজির হন পারস্পরিক
মিলন উৎসবে। একটু ইতিহাসের দিকে চোখ ফেরানো যাক। সুধীর কুমার মিত্রের ‘হুগলি জেলার দেব-দেউল’ গ্রন্থে দেখি মাহেশের রথের কিছু ইতিবৃত্ত।
সেটি চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ ভাগ(১৩৯৬ খৃ)। ব্রহ্মচারী ধ্রুবানন্দ নামে এক ভক্ত-সাধক ছিলেন। তিনি একবার জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে আসেন পুরীতে। দর্শনের পর, তাঁর অন্তরের ইচ্ছা হয় নিজ হাতে মহাপ্রভুকে ভোগ নিবেদন
করেন। কিন্তু মন্দির কর্তৃপক্ষ এ-কথার কোন গুরুত্ব না দিয়ে বরং বাধা দিলেন। তখন মনের দুঃখে কাতর ধ্রুবানন্দ ঠিক করলেন প্রায়োপবেশনে শরীর ত্যাগ করবেন। এই শরীর তিনি
আর রাখবেন না। দু’দিন পর তিনি
স্বপ্নাদেশ পান, ‘তুমি বাংলায় ফিরে যাও। ভাগীরথী তীরে
মাহেশ নামে একটি স্থান আছে। সেখানে আমি দারূব্রহ্ম পাঠাবো। সেই দিয়ে কৃষ্ণ, বলরাম, ও সুভদ্রার মূর্তি
নির্মাণ কর। সেখানে তোমার হাতে ভোগ গ্রহণ করব।’ এই ভাবে দৈব প্রেরণায় তিনি ফিরে এলেন মাহেশে। সত্যি সত্যি এক বর্ষার রাতে স্বপ্নাদিষ্ট সেই কাঠ ভেসে আসে। তিনি তা দিয়ে
জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামের দারূমূর্তি নির্মাণ
করান। বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন মন্দিরে। নিজ হাতে নিত্যসেবার অধিকার
পেয়ে তিনি ধন্য। নিয়মিত
ভোগরাগ সহ চলতে থাকে নিত্য আরাধনা।

এর বহু বছর পর ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম ভাগে শ্রীচৈতন্য
মহাপ্রভু(জন্ম১৪৮৬) সন্ন্যাস গ্রহণের পর পুরীধামে যাত্রার সময় পথে মাহেশে আসেন জগন্নাথদেবকে দর্শন
করতে। বিগ্রহ দর্শন করে তিনি বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ও গভীর সমাধি মগ্ন হন। নবীন
সন্ন্যাসী তখন নিখিল মানবের ভক্তি ও প্রেমের মূর্তবিগ্রহ জগন্নাথকে দর্শন করে
বিমোহিত ও ভাবাবিষ্ট হয়েছিলেন কিনা কে বলতে পারে। সে যাইহোক, প্রতিষ্ঠাতা পূজারী
ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী তখন শারীরিক ভাবে অক্ষম। তাঁর পক্ষে আর
মন্দিরের সেবা পূজা করা অত্যন্ত কষ্ট সাধ্য
ছিল। কোন রকমে
নিত্য সেবা করতেন। এমন সময় মহাপ্রভুর আকস্মিক আগমনে তিনি আশার আলো দেখতে পেলেন। তিনি তাঁকে অনুরোধ করলেন জগন্নাথদেবের
সেবার ভার গ্রহণ করতে। কিন্তু মহাপ্রভুর
পক্ষে এ কাজ গ্রহণ করা সম্ভব ছিল না। তিনি শ্রীক্ষেত্রের উদ্দেশে যাত্রার মনস্থির
করে ফেলেছেন। কাজেই চৈতন্যদেব তাঁর অন্তরঙ্গ ভক্ত ‘দ্বাদশ গোপাল’-এর
অন্যতম কমলাকর পিপলাইকে সেবায়েত হিসাবে কাজ করতে অনুরোধ করে বললেন, তোমাকে
আর পুরী যেতে হবে না, তুমি এই মাহেশেই থাক এবং এখানে থেকে জগন্নাথের সেবা কর। আজ
থেকে তুমি এই অধিকার পেলে। প্রভুর আদেশ শীরোধার্য করে তিনি সেই কাজে ব্রতী
হলেন। তাঁরই সময়ে রথযাত্রারও প্রচলন হয়। তাঁদেরই বংশধরগণ আজও এই মন্দিরের সেবা কাজ
করে আসছেন।

মাহেশের রথ
শ্রীজগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার নিত্য পুজো হলেও রথযাত্রা, ঠিক কবে শুরু হয়েছিল জানা যায় না। তবে এটি জানা যায়, বৈদ্যবাটির মোদক পরিবারেরে কোন এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি প্রথম রথটি দান করেন। পরে ১৭৯৭ খ্রীষ্টাব্দের কোন এক সময়, শ্রীরামকৃষ্ণের অন্যতম লীলাপার্ষদ বলরাম বসুর পিতামহ স্বনামধন্য
কৃষ্ণরাম বসু মহাশয় বহু অর্থ ব্যয় করে একটি রথ তৈরি করিয়ে দেন ও সেই সঙ্গে রথ
টানার রাস্তার জন্যও অর্থ দান করেন। কৃষ্ণরাম বসুর পুত্র দানশীল পরম বৈষ্ণব গুরুপ্রসাদ বসু এটিকে মেরামত
করান। এবং পরবর্তীতে এই বসু পরিবারই মাঝে মাঝে অর্থানুকুল্যে রথটিকে মেরামত বা
পুনর্নির্মাণ করতেন। পরে অবশ্য বারে
বারে নষ্ট হয়ে যায় দেখে একটি লোহার রথ
তৈরি করা হয়। দেওয়ান কৃষ্ণচন্দ্র বসু ১৮৮৫ সালে লোহার রথ তৈরিতে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা ব্যয় করেছিলেন।
শ্রীরামকৃষ্ণের
লীলাপার্ষদ বলরাম বসুর বাড়িতে জগন্নাথের নিত্যসেবা হত। রথযাত্রায় শ্রীরামকৃষ্ণ
আসতেন দক্ষিণেশ্বর থেকে বাগবাজারে বলরাম ভবনে। শ্রীরামকৃষ্ণের স্পর্শপূত রথযাত্রা আজও অনুষ্ঠিত হয় ‘বলরাম মন্দিরে’। মাহেশে রথযাত্রাতে শ্রীরামকৃষ্ণ অনেক বার এসেছেন। বলরামবাবুদের রথের সময় তিনি
বাগবাজারে বলরামের ভবনে আসতেন।
ভক্ত বলরামবাবুদের ব্যবস্থায় শ্রীরামকৃষ্ণ এসেছিলেন মাহেশের রথে। তখন গলার অসুখটা বেড়েছে। ডাক্তার ও ভক্তরা বারণ করলেও তিনি আগ্রহ করে
গিয়েছিলেন। ভক্তদের সঙ্গে নৌকো করে মাহেশে এসেছিলেন। রথ টানা তখনও শুরু হতে একটু দেরি
আছে দেখে তিনি অপেক্ষা করছিলেন। অল্পক্ষণ পরে পূজারী ব্রাহ্মণ দারূমূর্তি রথে
সাজিয়ে তুলে দিলেন। দেখতে দেখতে লোকে
লোকারণ্য হয়ে গেল । ঠাকুরকে রথ টানা শুরু হবে জানাতে তিনি নিজে এগিয়ে চললেন রথের কাছে।
রথের রশিতে টান দেওয়ার জন্য সঙ্গে ভক্তরাও এগিয়ে এলেন।
পুঁথিকার অক্ষয় কুমার সেন লিখছেন –
প্রভুরও হইল মন রথ টানিবার।
দ্রুতপদে প্রবেশিলা জনতা ভিতর।।
রথের রশিতে হাত দিয়ে ঠাকুর ভাবস্থ হয়ে পড়েন। মুখে ফুটে ওঠে লাবণ্য কান্তি
। জগত স্বামীকে মনে করে তিনি তাঁর স্বরূপে পৌঁছে গিয়েছেন কিনা কে বলতে পারে? কারণ তিনি নিজ মুখে বলেছেন আমিই পুরীর জগন্নাথ। এবং সেই কারণেই সশরীরে পুরী জাননি। তাই শ্রীমা তাঁর পট নিয়ে গিয়েছিলেন। যা হোক, এত লোকের ভীড়ের মধ্যে ভাবস্থ হয়ে যাওয়ায়
লোকের ঠেলাঠেলিতে খুব অসুবিধা হচ্ছিল। কিছু ভক্ত ঠাকুরকে চিনতে পেরে বাইরে নিয়ে
এসে বসিয়ে ছিলেন।
পুঁথিকার লিখছেন –
আজিকার মহাভাবে প্রভু পরমেশ।
জগন্নাথ জগবন্ধু তাঁহার আবেশ।।
এমন আবেশ যেবা দরশন পায়।
তার নাহি রহে জন্ম মরণের দায়।।
এবার আসি শ্রীমা সারদার প্রসঙ্গে। বলরামবাবুদের
আগ্রহে ও ব্যবস্থায় শ্রীমা সারদাদেবী মাহেশে রথের মেলায় এসেছিলেন। মা তখন থাকতেন
বাগবাজারে ‘মায়ের বাড়ি’তে। মায়ের এক স্নেহধন্যা ‘কন্যা’ শ্রীদুর্গাপুরী দেবীর বর্ণনার অনুসরণ করছি আমরা।
শ্রীমা আসবেন বলে
একটি মোটর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। মায়ের সঙ্গে যারা থাকতেন তখন বাগবাজারে
সেই রকম কিছু স্ত্রীভক্ত ও ছিলেন সঙ্গে। মায়ের আদরের ভাইঝি রাধুও ছিল। মা মেলাতে আসছেন
শুনে বেশ কিছু পুরুষ মহিলা ভক্ত নৌকো করে কেউ বা ঘোড়ার গাড়িতে মাহেশের উদ্দেশে রওনা
হন। মায়ের গাড়ি এসে পৌঁছোল মাহেশে। জগন্নাথ মন্দিরের সামনে বসুদের বাড়ির
বারান্দায় বসবার ব্যবস্থা হয়। সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম করেন।
রথ টানার আয়োজন
চলছে। সুসজ্জিত রথটিকে ঘিরে বিপুল জনস্রোত। এদিকে মায়ের রওনা হওয়ার পর বাগবাজার থেকে মায়ের
সন্ন্যাসী সেবক স্বামী সারদানন্দজী মহারাজ, সাধু-ব্রহ্মচারী সহ যোগীন-মা,গোলাপ-মা প্রভৃতি
স্ত্রীভক্তগণ নৌকো করে এসে উপস্থিত হন।শ্রীমা যাতে ভালভাবে রথের রজ্জুতে টান দিতে
পারেন, যাতে তাঁর কোন কষ্ট না হয়, কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে খুবই সতর্ক ছিলেন। মায়ের
নির্দেশে সঙ্গী মহিলা ভক্তেরা জগন্নাথদেবের
স্তব পাঠ করতে লাগলেন।
কদাচিৎ কালিন্দী-তট-বিপিন-সঙ্গীতক-রবো মুদাভীরী-নারী-বদন-কমলাস্বাদ-মধুপঃ। রমাশম্ভুব্রহ্মাসুরপতিগণেশার্চিতপদো। জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী
ভবতু মে।।
- যিনি কখনও লীলাচ্ছলে সানন্দে যমুনা পুলিনের বনরাজিকে সঙ্গীত
দ্বারা মুখরিত করেন, যিনি গোপনারীর মুখপদ্মের মধু আস্বাদনকারী
ভ্রমর, যাঁর চরণ লক্ষ্মী, শিব,ব্রহ্মা, ইন্দ্র ও গণেশের দ্বারা পূজিত, সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টি গোচর হোক।
একটু পরেই রথ টানার শুভ সূচনা হল। রথে জগন্নাথ,সুভদ্রা
ও বলরাম –এর
উদ্দেশ্যে প্রণাম জানিয়ে ফলমিষ্টান্নাদি নিবেদন করলেন। মা রথের রশি স্পর্শ করে টান
দিতেই সমবেত সকলে “জগন্নাথ মহাপ্রভুকী জয়” বলে জয়ধ্বনি দিতে লাগল। “জগন্নাথকে দেখলুম যেন পুরুষসিংহ – রত্নবেদীতে বসে রয়েছেন, আর আমি দাসী হয়ে তাঁর
সেবা করছি” একবার পুরীর জগন্নাথকে দর্শন করে মা একথা বলেছিলেন। এই রথযাত্রা প্রসঙ্গে অন্যত্র বলেছিলেন, “সকলে তো জগন্নাথ[পুরী] যেতে
পারে না, যারা এখানে দর্শন করলে তাদেরও হবে।”
শ্রীমাও রথের সঙ্গে কিছুটা হেঁটে এলেন। এরপর রথ
ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল, মা পুনরায় বসুদের বাড়িতে এসে একটু বিশ্রাম করেন। সেখানে
কিছুক্ষণ ভজন গান হয়। সেবায়েতদের আন্তরিক আদর আপ্যায়নে সকলেই খুব সন্তুষ্ট
হয়েছিলেন। প্রসাদ গ্রহণের পর সকলে বাগবাজারে ফিরে আসেন।
পুরীর জগন্নাথদেব দর্শন
করেছেন শ্রীমা সারদা একাধিকবার। রথের সময়ও উপস্থিত থেকে রথের রশিতেও
টান দিয়েছেন বলে জানা যায়। পুরীতে জগন্নাথ মহাপ্রভু দর্শন করে
তিনি বলেছিলেন, “ যখন পুরীতে জগন্নাথ দর্শন করি, এত লোকে জগন্নাথ দর্শন করছে দেখে আনন্দে কাঁদলুম, ভাবলুম – আহা, বেশ, এত লোক মুক্ত হবে। শেষে দেখি যে
না, যারা বাসনাশূন্য সেই এক আধটি মুক্ত
হবে।’’
রথযাত্রা
শুধু একটি উৎসব নয়, এর পেছনে রয়েছে একটি
নিগূঢ় তত্ত্ব। একটি সুগভীর দার্শনিক ও ধর্মীয় ভাবনা, যা কিনা ভারতীয় দর্শন ও ধর্মের গভীর মর্মকথা। উপনিষদের ঋষিরা উচ্চারণ
করেছিলেন ‘চরৈবেতি’- এগিয়ে চলো।থেমে থেকো না। এই যে আবহমান কাল ধরে
জীবনের প্রবাহ চলে আসছে, রথের রশি টানা হল সেই চরম লক্ষ্যের দিকে যাত্রার প্রতীক। শাস্ত্রবাক্য হল ‘রথে তু বামনং
দৃষ্ট্বা পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে’ - রথস্থিত বামন অর্থাৎ বিষ্ণুকে দর্শন করলে আর পুনর্জন্ম হয় না। ‘রথ’ শব্দটির মূলে রয়েছে সংস্কৃত ‘রম্’ ধাতু ,যার
অর্থ আনন্দ করা। যার দ্বারা আনন্দ করা হয় তা হল রথ। আনন্দের জন্য,খেলার জন্য এটি
ব্যবহৃত হত। অবশ্য যুদ্ধেও রথের ব্যবহার ছিল।

কঠোপনিষদে
রথকে মানব দেহের প্রতীক রূপে বলা হয়েছে।‘আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু’ অর্থাৎ জীবাত্মাকে রথস্বামী ও শরীরকে রথ বলে
জানবে। আমাদের শরীর একটি রথ – দেহরথ। বুদ্ধিরূপ সারথির হাতে রয়েছে মনের লাগাম। আর ইন্দ্রিয়গুলো যেন
সবেগে ছুটে চলা বহির্মুখী ঘোড়া। রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ ও স্পর্শ –এই সব বিষয়ের দিকে ছুটে চলেছে। অসংযত লাগামহীন মন দেহরথকে
নিয়ে যায় বিপদের দিকে।
এই রথে চড়েই সংসার-সমরে মানুষের প্রবেশ। পুরো
জীবনটাই একটা সংগ্রাম। দেহরথের মধ্যে বামনরূপী ভগবান নিত্য অধিষ্ঠিত হয়ে আছেন।
তাঁকে দেখতে হয় অন্তরে। আবার জগন্নাথ হলেন জগতের নাথ, তিনি এই বিশ্বরথের রথী। এই
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডটি হল তাঁর রথ। ভাল-মন্দ, পাপ-পুণ্য, শুভ-অশুভ,
জীবন-মরণ, সুখ-দুঃখ সবই তাঁরই রশির টানে চলছে। সেই কারণে রথে অবস্থিত জগন্নাথের
বিগ্রহকে দেখার প্রতিকী তাৎপর্য হল হৃদয়ে সেই পরমাত্মাকে উপলব্ধি করা। হৃদয়ের
অজ্ঞান অন্ধকার চলে গেলে যথার্থ ‘বামন’ দর্শনের
আনন্দ লাভ হয়। আর তা যদি না হয়, ‘পথ ভাবে আমি দেব, রথ ভাবে আমি’ – অন্তর্যামী
আড়ালেই থেকে যাবেন।
এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডই যে মহারথ। জগজ্জননী মহামায়া মা সারদার হাতে তাই রথের রশি। তিনি এই রথকে দেব দেউল থেকে গুণ্ডিচা হয়ে আবার মন্দিরে নিয়ে যান। জীবের ভুক্তি, মুক্তি আনন্দ যাত্রার পথে মায়ের এই রশির টানের তাই বিরাম নেই, অনন্তকাল ধরে চলবে।
========()=======
Joy Jagannath
ReplyDeleteমহারাজ 🙏অসম্ভব ভালো এই লেখা। আর👏 ঠাকুর মা👏র মতো জগৎপিতা-মাতা যখন জীবন রথ চালাচ্ছেন সেখানে আপনার এই বর্ণণা কী যে উচ্চমাত্রা পেলো তা প্রকাশ করতে অক্ষম। আজকের এই দিনে-- আপনার লেখা পাঠ করে মন পুণ্যতা লাভ করল।
Deleteদিব্যত্রয়ীর কৃপা সবার জীবনে বর্ষিত হোক। এরকম অসামান্য ব্লগ-পোস্টের জন্য অসীম অপেক্ষায় থাকব। আপনাকে অন্তরের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা নিবেদন করছি।
নন্দিতা ব্যানাজী। যাদবপুর।
লেখাটি পড়ে অনেক অজানা জিনিস জানতে পারলাম মন ভরে গেল মায়ের সম্বন্ধেও কিছু জানতে পারলাম সমৃদ্ধ হলাম। প্রণাম জানাই ঠাকুরমা স্বামীজিকে প্রণাম জানাই। গুরুদেব মহারাজকে।
Deleteজয় জগন্নাথ 🙏জয় বলরামজী 🙏জয় সুভদ্রামাতা 🙏, শ্রী শ্রী ঠাকুর শ্রী শ্রী মা স্বামীজী মহারাজের রাতুল শ্রী চরণে ভুলুন্ঠিত প্রণাম জানাই 🙏মহারাজ এত সুগভীর সুন্দর তত্ত্ব কথা পড়ে মন ভোরে গেলো। যত বার পড়ছি তত বারই ভালো লাগছে।
Deleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন আচার্য্যদেব 🙏
মৌসুমী রায় কোচবিহার।
DeletePronam Maharaj 🙏. Khub bhalo lagche porte .anek kichu jante parchi 🙏
Deleteখুব সুন্দর লেখাটি 🙏
DeletePranam Prabhuji, apurba lekhati, Rather Dari dhare tanar mahatta jana thakleo, sampurna bibaran ti path kore mugdha halam. Antore Banan rupi, jagannath (Sri Ramakrishna) ke jeno anubhab korlam, prarthana kori, amader hridayer agyanata dur hok, jiban pobitra o ananda may hok, janma-mrityur pare, jeno jete pari. Sundar lekhatir janya kritagyata janai. ( abar parba).
DeleteThanks with heartiest regards.
Apnar sishya.
🌹🍀🌹🍀🙏🙏🙏🌹🍀🌹🍀
অসম্ভব একটা ভালো লেখা পড়লাম,যেন আত্ম সুদ্ধি হলো, এরকম সুন্দর সুন্দর লেখা দিয়ে আমাদের চেতনা জাগ্রত করুন মহারাজ । ঠাকুর মা স্বামীজীর আশীর্বাদে সবার মঙ্গল হোক
Deleteঅসাধারণ অনেক অজানা কথা জানতে পারছি খুব ভালো লাগলো এই জন্য ঠাকুর বলে ছিল সাধু সঙ্গ করতে আমরা আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারছি আমরা নিজেকে ধন্য মনে করি আপনার শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম জয় শিক্ষা গুরুর জয় শিখা মন্ডল ব জ ব জ
ReplyDeleteLekhata pore kichhu natun tathya janlam. Thakur o mayer padarpan hoyechhilo aimahesher rathe jene ananda pelam. Balaram basur kayek generation ager poribar o ai rather sange jukta chhilen jene bhalo laglo. Pronam neben maharaj. Krishnadey
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। প্রতিদিন প্রতিক্ষণ আপনি আমাদের ঋদ্ধ করে চলেছেন🙏🙏🙏🙏
Deleteপ্রণাম মহারাজ অপূর্ব ।অনেক কিছু জানলাম।আপনার কাছে আমাদের কৃতজ্ঞ তার শেষ নাই
ReplyDeleteTathya samriddha lekha. Khub valo laglo.
ReplyDeleteExcellent post. So many new things introduced.
ReplyDeleteরত সমন্ধে রথযাত্রা সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম এই প্রতিবেদনটি পড়ে আচার্য দেব। খুব ভালো লাগলো আপনার অনবদ্য পরিশ্রম এর জন্য আমরা সকলে কৃতজ্ঞ আপনার কাছে।
DeleteKhub valo laglo.Anek Kichu janlam
ReplyDeleteঅনবদ্য অসাধারণ সব অজানা তথ্য জানতে পারলাম।বিশেষ করে মাহেশের রথ সম্বন্ধে।মহারাজ জী আপনার সান্যিধে দিনদিন উপকৃত হচ্ছি কোন জন্মের পুন্যের ফল।জয় জগন্নাথ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah shibpur
ReplyDeleteRoth er mahatyo pore samridhyo holam..khub sundor lekha..roth e manob sorirer protik & Bamon dorshone mukti..pronam Maharaj..
অপূর্ব লেখা,জয় জগন্নাথ,জয় ঠাকুর,জয় মা
ReplyDeleteঅত্যন্ত মনোগ্রাহী নিবন্ধটি পড়ে সমৃদ্ধ হলাম।আমার আন্তরিক সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন।
ReplyDeletePronum Maharaj ,ae lekhar madhhe Thakurer katha Mayer katha jana chhilo sudhu Upanisader slokti chharra arkichhu jatumna aj sabta eksange porre khub bhalo laglo .
ReplyDeleteSubhrasree Daw , Rishra
নামহীন -- শতকোটি প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏
Deleteঅসাধারণ ছবিসমেত ব্লগ পড়ে আত্মহারা হয়ে পড়লাম🙏
মা আপনার সহায়,আপনি সমাজশিক্ষক👌🙏 আপনার সান্নিধ্যে আমরা নতুন জীবন লাভ করেছি।জয় ঠাকুর🙏
🙏🙏
ReplyDeleteঅনেক অজানা কথা জেনে সমৃদ্ধ হচ্ছি। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteধন্য আমরা আপনার পদপ্রান্তে এসে কত কিছু জানতে পারছি।। আশীর্ব্বাদ করুন যেন সেই পরমাত্মা কে দেখতে পাই।
ReplyDeleteজয় মা। জয় ঠাকুর। জয় স্বামীজী। জয় জগ্ন্নাথ। ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ জী।🌼🌼🙏🙏🌼🌼
' রথ যাত্রা ' বিষয়ে এক অপূর্ব লেখা পড়লাম মহারাজ 🙏🏻 যেখানে দেখলাম ঠাকুর মায়ের এক অনন্য রূপ 🙏🏻আবার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম 🙏🏻
ReplyDeleteকৃষ্ণা মুখার্জী, হাওড়া
Khub bhalo laglo Moharaj...pronam roilo...
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম। প্রনাম মহারাজ👏
ReplyDelete"রথের রশি টানলেন শ্রীমাসারদা" ---- আমাদের পূজ্য মহারাজের জন্য আমরা কত অজানাকে জানতে পারছি। 🙏। "জয় জয় গুরুমাতা জগৎ-জননী। রামকৃষ্ণ ভক্তিদাত্রী চৈতন্যদায়িনী ।।"🙏 জয় ঠাকুর 🙏। জয় শ্রী মা সারদা🙏।
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteরথের রশি টানলেন শ্রী মা সারদা 🙏খুব ভালো লাগলো মহারাজ আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারি। আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
Asadharan..ajkker lekhani..maharajji...ato sunder
ReplyDeletekore ....lekha bhison bhal laglo...anek ajana tathya jante parlam...namasya amader
maharajji....🙏🙏🙏jaya choudhury
আমার কেবলই মনে হচ্ছিল "রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে আপনি কিছু যদি আলোচনা করতেন"। মনের ইচ্ছে পূর্ণ হলো।কতো অজানা বিষয় এই আলোচনাতে জানতে পারলাম। মহারাজ নিজেকে আজ ধন্য মনে হচ্ছে। আপনি আমার সশ্রদ্ধ আন্তরিক ভক্তিপুর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteAi asadharon lekha kivabe bondhu der sathe share korbo aktu bolben pronam moharaj ,pronam ma thakur ,swamiji asima batabyal howrah shibpur
ReplyDeleteKhub valo laglo. Maharaj ..apnar ayee sakal lekha theke anek ajana jinish. Ar. Sei sakal bisoy er gurutwapurna antar nihita arthaguli jante pere satyee dhanya hoyee apnar Sri charane sata sata vakti shuva kamana nibedan kari 🙏🌹
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা। রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি... মূর্তি ভাবে আমি দেব, হাসে অন্তর্যামী... অনেক কিছু জানা গেল। চরৈবেতি, এগিয়ে চলো। মায়ের কৃপা অঝোরধারায় বর্ষিত হোক । প্রণাম মহারাজ🙏🌺🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর বিশ্লেষন ।অনেক অজানা বিষয় জানতে পড়ে মনটা আনন্দে ভড়ে গেল ঠাকুর মায়ের কৃপায় আপনার মাধ্যমে।ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteতথ্য সমৃদ্ধ লেখাটি পড়ে আপ্লুত হলাম।🙏🙏গ্ৰহণ করুন আচার্য দেব।
ReplyDeleteঅসাধারণ সুন্দর লেখা পড়লাম।না জানা অনেক তথ্য জানলাম। আপনার লেখার প্রসাদ গুণে মন একনিষ্ঠ ছিল। আমার প্রণাম নেবেন🙏
Deleteঅপূর্ব পড়লাম অনেক কিছু অজানা জানতে পারলাম। জয় জগন্নাথ
Deleteপ্রণাম মহারাজ জী।
রেণুকা আদিত্য
Deleteজয় জগন্নাথ আপনার লেখা থেকে আমরা অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি। প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ,
ReplyDeleteঅসাধারণ সুন্দর ব্লগটি পড়ে খুব আনন্দ পেলাম।
শ্রী শ্রী ঠাকুর ও মা সারদা সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারলাম ।
প্রণমন্তে ,
সুমন দাশ গুপ্ত
Khub valo laglo.anek kichu janlam.arokm aro lekha porte chai.apni voktiputno pronam neben Moharaj.srabani ghosh. Uttorpara.
ReplyDeletePronam Maharaj ji 🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteApnar ai osadharon blog t pore onek ojana thatha jante parlam.
Excellent Excellent moharaji, pronam neben amar,sadhana Sharma, panchala howrah
ReplyDeleteমহারাজ অনেক অজানা তত্ত্ব আপনার কৃপায় জানার সৌভাগ্য হয়েছে! এটাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই মহারাজ! প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন নানা বিষয়ে জ্ঞান দান করে চলেছেন মহারাজ! আপনার চরণে শতকোটি প্রণাম নিবেদন করছি মহারাজ!
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো অনেক কিছু নতুন করে জানা হচ্ছে . আবার অপেক্ষায় থাকব পড়ের টা পড়ার জন্য .রুনা পালিত বোড়াল.
ReplyDeleteভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteএই লেখাটি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। অনেক অজানা ত্তথ্য আপনার লেখনীর মাধ্যমে পরিবেশিত হয়ে ধন্য হলাম।প্রনাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteইস্ কি অপূর্ব!- "রথের রশি টানলেন আমার মা সারদা।"--
ReplyDeleteপ্রাণভরা বিনম্র শ্রদ্ধা মহারাজ--
আমার পরম পূজনীয় শ্রীগুরুজীর পবিত্র অন্তর খানি কি যে ঐশ্বরিক জ্ঞান গরিমায় পূর্ন!! বেশ অসাধারণ সুন্দর ঐতিহাসিক- পৌরাণিক- ধর্মীয়- তথ্য প্রাচুর্যে ভরা,-- শ্রীমা ও আমাদের দয়াল ঠাকুরের -রথ টানার পূণ্য কাহিনী বর্ণনা --কি অপার্থিব সুন্দর!! সত্যি মহারাজ, আপনার আত্ম-জ্যোতির আলোয় আমদের অন্তর-মন সুন্দর জ্যোর্তিময়! বড় ভালো লাগলো মহারাজ। জগতের নাথ সকলের মঙ্গল করুন। খুব ভালো থাকবেন আপনি। পবিত্র পূজ্য শ্রীচরণ যুগলে আমার অন্তরের ভক্তি অঞ্জলী ভরা বিনম্র প্রণাম।
'জয় ভক্তজনাশ্রয় নিত্যসুখালয় -
অন্তিমবান্ধব দেহি পদম্।।'
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
-----------------------------------------
খুব ভালো লাগলো। অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রনাম মা ঠাকুর স্বামীজি প্রনাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteরথযাত্রা নিয়ে কিছু আলোচনা আপনার কাছ থেকে শুনতে চেয়েছিলাম, সেটাও মহারাজ আপনি খুব সুন্দর ভাবে পূর্ণ করে দিয়েছেন। অনেক নতুন তথ্য জানতে পারলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteKhub valo luglo. Anek kichu Jante Parlum. Mon vore gelo
ReplyDeleteমহারাজ, অনেক অজানা কথা জানিয়েছেন। ভাল লাগল
Delete।জয় জগন্নাথ ৪ঠা জুলাই ২০২২
Khub valo luglo. Anek kichu Jante pere samriddho holum
ReplyDeleteIra banerjee airport
প্রনাম মহারাজ অনেক নতুন ঘটনা জানতে পেরে খুব ভাল লাগছে আপনার গভীর জ্ঞান আমাদের জীবনের পাথেয় নামহীন
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ🙏🏻। অসাধারণ লাগলো "মায়ের হাতে রথের দড়ি টান" লেখনী পড়ে। জগজ্জননী মায়ের হাতেই তো থাকবে এই রথের দড়ীর চাবিকাঠি, শক্তিরূপিনী মা সারদা সরস্বতী 🌹🙏🏻🙏🏻। মহারাজ, আপনি আমাদেরকে মায়ের জ্ঞানের আলোতে নিয়ে যাওয়ার সারথীসস্বরূপ🙏🏻। পথ চেয়ে আছি আরো নতুন কিছু পাওয়ার আশায়। প্রনাম মহারাজ🌹🌹🙏🏻🙏🏻।
ReplyDeleteশর্মিষ্ঠা ঘোষাল। আপনার জন্য আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি। ভীষণ ভালো লাগলো। আরো জানার অপে ক্ষা য় থাকলাম। প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteপ্রনাম ঠাকুর মা স্বামীজী🙏প্রনাম আচার্য মহারাজ🙏আপনার সাথে যুক্ত হয়ে আমরা ধন্য।প্রতি নিয়ত নুতন নুতন তথ্যের সন্ধান পাচ্ছি।খুবই ভালো লাগছে মহারাজ, আবারো প্রনাম জানাই।
ReplyDeleteসুমিতা চক্রবর্তী
অপূর্ব লাগলো। কতো অজানা তথ্য জানলাম।মন আনন্দে ভরে গেল। ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহন করবেন মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeletePranam Maharaj. Khub khub bhalo. Apnar sannidhya aro age pele aro samridhya hotam.Apni amar jibanjatra palte diyechen.Apnar sustha sabal sharir kamana kori. Ashis Kumar Dutta Rupnarayapur Asansol
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখনী মহারাজ। আমার প্রণাম নেবেন। অনেক অজানা তথ্য জানার সৌভাগ্য হল।আপনি আমাদের জ্ঞান
ReplyDeleteলোকের সারথী। আমরা নিশ্চিন্ত যে আপনি আমাদের সঠিক জায়গায় নিয়ে চলেছেন। ঠাকুর মায়ের আশীর্বাদে আপনাকে পেয়েছি মহারাজ। আমারা ধন্য । ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
"রথের রসি টানলেন শ্রীমাসারদা " লেখাটি পড়ে অসাধারণ লাগল। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ঠাকুর মায়ের কথা যত শুনছি ততই শোনার জন্য মন উদগ্রীব হয়ে থাকে। মহারাজের প্রচেষ্টা আমাদের খুব ই সমৃদ্ধ করছে।প্রতি রবিবার আমরা অপেক্ষায় থাকি এমনই সব মূল্যবান সম্পদ পাব বলে।ধন্য ঠাকুর মা স্বামীজী ।ধন্য মহারাজ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ
ReplyDelete"রথের রশি টানলেন শ্রীমা সারদা" এই কাহিনী নিয়ে আজ আত্মজ্যোতি ব্লগ অসাধারণ লেখা আমার আচার্য দেবের। রথের আদি কাহিনী থেকে বর্তমান পর্যন্ত সব কাহিনী পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা পড়ে আপ্লুত হলাম। ঠাকুরের ও মা এর হাতে টানা মাহেশের রথের কথা পড়ে মন আনন্দে পূর্ণ হয়ে গেল এবং মা পুরীর জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় ও অংশ নিয়েছিলেন, এখন ও বিশ্বজগৎ রূপ রথের রশি তাঁর হাতে ধরা আছে তা জানলাম। তাছাড়া অনেক নতুন নতুন তথ্য ও জানলাম এই লেখাটি থেকে।প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব। অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানতে পারলাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো। 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhub Sundar lekha Maharaj, pore khub Anando pelam, anek nutun katha jante perlam. Joi Jagonnath. Jagonnath swami, Nayan o Patho Gami, Bhabotu me.
ReplyDeleteআপনার সমস্ত লেখার মতই
ReplyDeleteআরো একটি অসাধারণ লেখা পড়লাম মহারাজ। রথের রশি স্পর্শ করে ঠাকুরের ভাবস্থ হওয়া, মায়ের রথের দড়ি টানা যেন সমস্ত কিছুই চোখের সামনে ঘটছে, খুব ভাল লাগল মহারাজ। আমাদের দেহ রথের ঘোড়া, সারথি কে কেমন করে চালিত করতে হবে ও বামনরূপী ভগবানের কাছে নিজেকে কেমন করে সমর্পণ করতে হবে, তাতো প্রতি মুহূর্তেই আপনি আমাদের শিক্ষা দিচ্ছেন । জানি না নিজেদের কতটা উত্তরণ হয়েছে, তবে যদি কিছুমাত্র হয়ে থাকে, সবই আপনার দান মহারাজ। পরম মঙ্গলময়ী মায়ের আশীর্বাদে আপনি খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন । আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ ।🙏
সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏🌷🙏🌷🙏🌷
প্রণাম আচার্য দেব রথ সম্বন্ধে অনেক কিছু জানলাম আপনার লেখা পড়ে আমাদের জন্য আপনার এই ্য্য প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবি রাখে। আপনি খুব ভালো থাকবেন আর এভাবে ই আমাদের সমৃদ্ধ করবেন এই আশা রাখি
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল। অনেক তত্ত্ব জানতে পারলাম। অনেক সুন্দর লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকি। মহারাজের চরণে আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteঅসাধারণ অপূর্ব একটি দুর্লভ তথ্য জানতে পারলাম ।। জয় আপনার জয় । জয় মায়ের জয় । জয় শ্রী প্রভুর জয় । প্রণাম ঠাকুর মা ও স্বামীজি ।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌷🕉️🍁🌻
ReplyDeleteঅসাধারণ অপূর্ব একটি দুর্লভ তথ্য জানতে পারলাম ।। জয় আপনার জয় । জয় মায়ের জয় । জয় শ্রী প্রভুর জয় । প্রণাম ঠাকুর মা ও স্বামীজি ।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌷🕉️🍁🌻
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। আজ প্রথম বারই এটা পড়লাম ও অনেক কিছু জানতে পারলাম।
Deleteখুবই ভাল লাগল মহারাজ। ভগবানের কথা ঠাকুরের কথা ও মায়ের কথা অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। রথ নিয়েও জানতে পারলাম। প্রনাম নেবেন মহারাজ। manjushri Bhattacharya.bardhaman.
ReplyDeleteমহারাজের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য প্রতি সপ্তাহে নিত্য নতুন অজানা তথ্য জানতে পারছি।
ReplyDeleteভালো থাকুন মহারাজ।
জয় জগন্নাথ , জয় ঠাকুর ,জয় মা।
প্রনাম মহারাজ।👏
Khoob bhalo lagchay anek kichu jabe parchi. Asadharon prochesta. Pronam Maharaj
ReplyDeleteEi probandha pore jiban rather upalabdhi korte parlam,apnar lekani ek sundar jiboner chhabi dekhalo,upni prokritai ekjon shikshak, Jagnnath ji k pronam,upnak pronam.
ReplyDeleteকী সুন্দর লেখা । প্রতি নিয়ত আপনার সাহচর্যে কত অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি। আগামী দিনের জন্য উদগ্রীব হয়ে রইলাম। আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteঅনবদ্য। আগের জন্ম কোনো সুকর্মের জন্য আপনার মত আচার্যের সান্নিধ্যে আসতে পেরে ধন্য হয়েছি।অনেক কিছু জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি।প্রণাম নেবেন মহারাজ।ভাল থাকবেন।🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteSotokoti pronam janai Maharaj ke🙏.Apner lekha pore koto ajana tatha jante o shikte parchi.Apni. Apni amader jyono aklanta parisrom koren Maharaj. Apner gyaner aloy ai bhabei amader alokito korben Maharaj 🙏Sujata Dutta. Kolkata.
ReplyDeleteRathojatra samondhaykoto kichu janlam....Thakur r koto krip ja amra apnake peyechi...apner dekhano pathe jano amra cholte pari
ReplyDeleteজগন্নাথ স্বামী নয়ন পথগামী ভবতুমে।। জীবাত্মাকে রথস্বামী ও শরীরকে রথ বলা হয়েছে কঠপনিষদে,অপূর্ব! অসংযত লাগাম হীন মন দেহ রথকে নিয়ে যায় বিপদের দিকে!দেহরথে বামন রূপী ভগবান রয়েছেন, তাকে অন্তরে দেখলে অজ্ঞান অন্ধকার চলে যায়,বামন দর্শনের আনন্দ লাভ হয়, অসাধারণত্ব ফুটে উঠেছে আচার্য দেব আপনার লেখায়!অনেক না জানা গুরুত্বপূর্ণ কথা জানতে পেরে উপকৃত হলাম,পরম শ্রদ্ধেয় লেখক আচার্য দেবকে অবনত মস্তকে প্রণাম জানাই। জয় ঠাকুর।
ReplyDeleteজগন্নাথ স্বামি নয়নপথগামী ভবতু মে.....
ReplyDeleteপথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি মূর্তি ভাবে আমি দেব হাসেন অন্তরযামী। কি অপূর্ব লেখনী আপনার শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায়। এতো সুন্দর ভাবে রথের বর্ননা আগে কখনও পায় নি। খুব ভালো লাগলো মাহেশের রথের আর পূরীর রথের বর্ননা ও মায়ের কথা গুলি।
জয় ঠাকুর মা স্বামীজি 🙏🙏🙏 ওনারাই ব্রহ্মা,বিষ্ণু ,মহেশ্বর।রাম সীতা লক্ষন আবার জগন্নাথ মাতা সুভদ্রা বলরাম।
ঠাকুর কখনও পূরীর জগন্নাথ মন্দিরে রান নি , বলতেন ওখানে গেলে আমার দেহ থাকবে না।
জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🙏🙏🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে 🙏
Bulu Mukherjee 🙏🙏🙏
ReplyDeleteকি অপূর্ব ভাবসমৃদ্ধ তথ্য সমৃদ্ধ রথযাত্রার কাহিনী,যার অনেকটাই আমাদের অজানা মন ভরে যাচ্ছে এক আধ্যাত্মিক অনুভবে।শ্রী শ্রী মায়ের রথের রশি টানার কাহিনী আমি নতুন করে জানলাম। জগন্নাথ রূপী ঠাকুর কে ও জগজ্জননী জগদ্ধাত্রী শ্রী শ্রী মা কে জানাই ভক্তি পূর্ণ প্রণাম।🙏🙏🙏 কৃতজ্ঞচিত্তে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই মহারাজ।🙏🙏🙏 পরবর্তী ব্লগের অপেক্ষা য় রইলাম।
রথযাত্রা সমপসম্প অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। খুব ভালো লাগলো।জয় ঠাকুর মা য়ের জয় শ্রী চরণে শত কোটি প্রণাম জানাই। আচার্য্য দেব আপনি আমার প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteরেখা ভৌমিক
গড়িয়া।
অনেক অনেক নূতন তথ্য বহুল আলোচিত কথা খুব খুব সুন্দর ও ভালো লাগলো ভগবান মঙ্গল করুন।
ReplyDeleteঅসাধারণ লিখেছেন মহারাজ জী। অনেক
ReplyDeleteনূতন তথ্য জানতে পারলাম । অনবদ্য একটি লেখা । ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন।
🙏🙏
ReplyDeleteআপনার লেখা পড়ে সেই সময়ে চলে গেছিলাম।কি অপূর্ব অনুভূতি হল ভাষায় বোঝাতে পারবো না।
ReplyDeleteআপনাকে শতকোটি প্রণাম।
আরতী রায়।তিনসুকীয়া।
প্রণাম আচার্য্য দেব 🙏🙏🙏। জীবন চলার পথ তো আপনি ই দেখাচ্ছেন। শাস্ত্রীয় পুস্তক পড়ে আর কীই বা বুঝতাম বা জানতাম। আপণার কাছ থেকে বেরিয়ে আসে অনেক অজানা কে জানার পথ। রথযাত্রার সমন্ধে অনেক কিছু জানতেই পারলম। তাপস কুমার দেব। আমেদাবাদ।
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর লেখা।কত অজানা কথা জানা হোলো। জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি মহারাজ জী।মহারাজ জী আপনি আমার প্রনাম নেবেন। ।
ReplyDeleteKi bolbo moharaoj apnar pribasonnaysomosto mon pran vora galo. Soba sranyhtary gura asa ai lakayay aro somirdho holam sotokoti pronamjogonath soho apnaka joy jjogonath
ReplyDeletePronam
Apurbo lekha....khub valo laglo....pronam maharaj
ReplyDeleteBlog pore onek kichu jante parchi.Khub bhalo lagche.Pronam neben Maharaj 🙏🙏🙏
ReplyDeleteBlog pore onek kichu jante parchi .Khub bhalo lagche.Pronam neben Maharaj🌺🙏🌺
ReplyDeleteগভীর বিশ্লেষণ সহ ঘটনার বর্ণনা একমাত্র আপনার মতো সাধু মহাত্মার পক্ষেই সম্ভব। শতকোটি প্রণাম জানাই গুরুদেব।
ReplyDeleteজয়িতা
খুব ভালো লাগলো মহারাজ কত অজানা তথ্য জানতে পারলাম আপনি আমার সস্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারজ।🙏🌷🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব অপুর্ব
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হলাম
আপনার মত শিক্ষাগুরু পেয়ে আমি ধন্য মহারাজ
অসংখ্য প্রনাম আপনার চরণে নিবেদন করি🙏
Joy jagonnath
ReplyDeleteKhub valo laglo maharaj,voktipurno pronam neben
Apurbo maharaj apni amar pranam neben
ReplyDeleteকি সুন্দর তথ্যবহুল ও ভাব সমৃদ্ধ রথযাত্রার বিবরণ। অনেক সমৃদ্ধ হচ্ছি মহারাজ আপনার ব্লগ পড়ে। আমি শ্রীরামপুর মাহেশে জগন্নাথ মন্দিরের নিকটেই বাস করি । তাই মাহেশের রথ সম্বন্ধে কিছু টা জানা। চৈতন্য দেব ও ঠাকুর মাহেশে এসেছিলেন জানি। কিন্তু মায়ের রথের রশি টান এই কাহিনী জানতাম না।।পরের বলগ এর জন্য অপেক্ষায় রইলাম। প্রণাম মহারাজ 🙏🙏🙏 শ্রীরামপুর থেকে জ্যোতি গাঙ্গুলি।
ReplyDeleteআহা খুব ভালো লাগলো পড়ে,অজানারে জানাইলে তুমি মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল মহারাজ,প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteআচার্যদেব, প্রথমে আপনার চরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই ।আপনার লেখা পাঠ করে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি ।আপনি অপূর্ব লিখেছেন ।আপনি প্রচন্ড জ্ঞানী ।আপনি আমাদের ঠিক পথ দেখিয়ে নিয়ে চলুন ।।
ReplyDeleteVi
ReplyDeleteVison valo laglo Maharaj 🙏🏻 janai apnar chorone koto ajana tothyo jante parchhi apnar moto Shiksha guru peye .valo thakben sushtho thakben Maharaj 🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম জানাই মহারাজ। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। 🙏
ReplyDeleteApurbo lekhoni.pore mon vore galo. Amar pronam grohon korben Maharaj 🙏🙏
ReplyDeleteKhub khub valo lagchhe.pronam Maharaj .🙏🙏
ReplyDeleteরথযাত্রা সম্বন্ধে অনেক তথ্য জানতে পারলাম ।মাহেশের রথ অনেক বার দেখেছি ।তার পশ্চাতে যে সব তথ্য সমূহ জানতাম না, মহারাজের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমরা কতো অজানা তথ্য জানতে পেরে ধন্য ও সমৃদ্ধ হচ্ছি ।মহারাজের চরণা সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই ।আরো অনেক জানার অপেক্ষায় রইলাম ।
ReplyDeleteKhoob bhalo laglo. Anek ajana tothyo jante parlam. Pronam neben moharaj. 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅনেক তথ্য জানতে পারলাম । এরকম অনেক অজানা তথ্য আপনার থেকে জানতে পাই মহারাজ খুব ভালো লাগে ।
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ 🙏সুভদ্রা🙏 বলরাম 🙏
আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ🙏
খুব ভালো লাগল আরও একবার অনুধ্যান করে, অসীম শান্তির অনুভুতি হলো। প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।
ReplyDeleteExcellent Sarada Mayer Rather. Rashmi tenechilen Jene prochondo anondito
ReplyDeleteholam. Reba Banerjee
অসাধারণ লেখা মন ছুঁয়ে গেলো, কতো কিছু শিখতে ও জানতে পারছি,এমন শিক্ষা গুরু পাওয়া খুবই দূর্লভ, গুরুদেব ঠাকুর মা স্বামিজীর শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম কৃতজ্ঞতা ও অফুরন্ত ভালোবাসা নিবেদন করি 🌷💥🙏 তাঁদের আশীর্বাদে আমরা এমন শিক্ষা গুরুর সান্নিধ্যে আসতে পেরে🌷💥🙏 পুজনীয় গুরু আচার্যদেবের শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 জয় ঠাকুর প্রভু জগন্নাথ তব শ্রীচরণ পাদপদ্মে অন্তরের অন্তঃস্থলের ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি 🌷💥🙏 কৃপা করো সকলের মঙ্গল করো 🙏🌷🌷🌷🙏🙏
ReplyDeleteজয় মা 🌷💥🙏 শরণাগত শরণাগত শরণাগত 🙏🌷🌷🌷🙏🙏জয়শ্রী চন্দ
ভীষন ভীষন ভালো লাগলো মহারাজ।রথের আগেরদিন কতো অজানা তথ্য জানতে পেরে ভীষন ভালো লাগলো মহারাজ।জয় মহাপ্রভু🙏🙏প্রনাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteসুজাতা দাস হাওড়া
সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই মহারাজ, ভগবানের অশেষ কৃপায় কত অজানা কথা কত বিশদ বিবরণ এই রথ যাত্রার পূন্যলগ্নে জানতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে।প্রণাম,প্রণাম। গায়ত্রী চৌধুরী, শিলচর।
ReplyDeleteআলো ব্যনার্জী।
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ🙏 জয় বলরাম 🙏জয় সুভদ্রা 🙏খুব ভালো লাগলো মহারাজ। যতবারই পড়ি মন ভরে যায়। প্রণাম মহারাজ🙏🙏🙏
প্রণাম মহারাজ🙏🙏।খুব ভাল লাগল।প্রতিনিয়তিই আপনার কাছ থেকে অনেক নতুন তথ্য জানতে পারছি।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteরথযাত্রা, লোকারণ্য, মহাধুমধাম
ReplyDeleteভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম।
রথ ভাবে, আমি দেব, পথ ভাবে আমি,
মূর্তি ভাবে, আমি দেব, হাসে অন্তর্যামী।।
ছোটবেলায় পড়া ছোট একটি শিক্ষা খুব দাগ কেটেছিল মনে।
অসাধারণ সুন্দর, তথ্য- সমৃদ্ধ সাবলীল লেখা পড়ে জুড়িয়ে গেল হৃদয়। ভগবানের অসীম কৃপায় এত কিছু জানতে পারছি ব্লগ পোস্টগুলো থেকে। সশ্রদ্ধ ও ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ..🙏
"মা রশি টানলেন রথের " সেই পুরান, বুদ্ধ, উপনিষদ, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু, আমাদের ঠাকুর ও মা পর্যন্ত যুগের রথযাত্রা সম্পর্কে যে পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা পড়লাম ও জানলাম সত্যিই আপ্লুত হলাম
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ🙏🌹🌹
আমার সভক্তি প্রনাম গ্রহণ করুন আচার্য দেব🙏🙏 🥀🥀
অপর্না দেওয়ানজী ,সুভাষ গ্রাম।
প্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো আপনার লিখা আত্ম জ্যোতি পড়ে । জয় মা যেনো আপনাকে ভালো রাখেন । জয় মা প্রণাম নিও । শতকোটি বার আমার বাবাকে প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteপুরীতে গিয়ে রথের রশি নাইবা টানলাম ঠাকুর ও মা আমাদের ঠিক নিয়ে যাবেন এই বিশ্বাস আমাদের আছে। তাছাড়া মা তো আশ্বাস দিয়েছেন। আপনি আমাদের এই সমস্ত তথ্য জানিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করছেন। তাই ভূলুণ্ঠিত প্রণাম আপনার চরণে আচার্যদেব শিউলি রায়। রানীগঞ্জ।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো।অন্তর ছুঁয়ে যায়। রীতা নাগ দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ 🙏🏻🙏🏻🌹🌹🙏🏻🙏🏻
ReplyDelete"Jagannath Mahaprabhu ki Joy" Joy Thakur Joy Ma Joy Swamiji 🌻🌻🌻🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻. Sovakti pranam Achariyo Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Osadharon laglo porey ei lekhoni aber, Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Purno Tattyogyan e vora, onek Gyansikhya prapti holo, Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻
ReplyDelete"Rather rashi tanlen sree Maa....apurbo barna abar theke porlam ar anek ajana tathya jante pere bhisonlaglo.....jibaner Rath ...eibhabei cholbe ananta kal dhore...sudhu thakur Ma er kripa jenh
ReplyDeleteAsadharan ...Rather rshi tanlen
ReplyDeleteSree Maa....abar theke porlam ...bhison bhalo laglo...anata kal dhore jibaner Rath ei bhabei cholbe....Joy jagannath...🙏🙏pranam maharajji....jaya choudhury..
Sri Sri Ma er Rath er rashi tana prasanga apnar lekhanite apurba sundar vabe byakta hoyeche Maharaj Tatha yatra r bisesh tatparya ato sundar vasay bislesion karechen je. Nija antare Paramaatma r. Anuvuti kabe habe jani na Maharaj kintu apnar ayee sakal lekha r majhe Iswar ke antare anuvan karte prayash paiee joy Maha pravu Jagannath joy Thakur joy Ma joy amader parama anandamaya Maharaj🙏🌷 ami Shampa Dhar
ReplyDeleteJoy Jagannath 🌷🙏🌷 Pronam Maharaj 🙏 apnar ei lekha theke koto ajana story jante parchi khub bhalo laglo Thakur o Maer Ratha yatra rosi tanar kotha janlam 🙏🙏🙏 joy Ma Joy Thakur 🙏❤️🌺
ReplyDeleteJoy jagonath mohaprovu 🙏🏻❤khub sundor lekha moharaji pore khub valo laglo, valo thakben, agamikal maa ke sari ta paraben🙏🏻❤sadhana Sharma from panchala howrah
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন মহারাজ। আত্ম জ্যোতিতে রথ সম্পর্কে অনেক তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হলাম। রীনা রায় দুর্গাপুর।
ReplyDeleteমহারাজ, অপূর্ব লাগলো রথযাত্রার বর্ননা! আপনার কাছ থেকে এত সুন্দর তথ্য জানতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হয়! সমস্ত উৎসবের বর্ননা, তার মূল তথ্য, স্তব ইত্যাদি নানা বিষয় জানতে পারছি আপনার কৃপা তে ! আপনি নানা ভাবে আমাদের আধ্যাত্মিক জ্ঞান অকাতরে বিলিয়ে যাচ্ছেন মহারাজ! আপনার চরণে আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করি মহারাজ!🙏🏻🙏🏻🙏🏻Uma Banerjee Jamshedpur.
ReplyDeleteApner lekhati pore khub anando peyechi.Apner kache kato kichu shikhchi Acharya dev. Amar pronam neben moharaj. Subhra Lala.dumdum
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা।অ অনেককিছু জানলাম।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteরথযাত্রা'র উৎপত্তি বুদ্ধদেবের জন্ম উসৎব, বুদ্ধমন্দির থেকে পুরীর জগন্নাথ এবং ভাগীরথী'র তীরে মাহেশে কৃষ্ণ বলরাম সুভদ্রার পুজা-ভোগ, তারপর মায়ের রথরশি টান, ঠাকুরের ভাবস্থ হওয়া - দারুণ আনন্দ পেলাম এই নতুন অন্যতম ব্লগ পড়ে! জয় ঠাকুর মা স্বামীজি, জয় গুরু মহারাজ জী অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই শ্রী চরণে 🙏💚🙏🇬🇧।
ReplyDeleteসুজাতা দে। লন্ডন, ইউ.কে।
অপূর্ব অনবদ্য আজকের লেখা পড়লাম ।যে আনন্দটা ভোগ করলাম তা একমাত্র আপনার দান ।যে ভাবে শিখিয়ে পড়িয়ে দিয়েছেন তার জন্য এত আকষন।ধন্য আমাদের জীবন।অসম্ভাব ভালো লাগলো আমাদের প্রানের মা ও ঠাকুরের রথ টানা ঘটনা পরতে পরে।। জয় ঠাকুর জয় মজয় জগন্নাথ জয় সুভদ্রা জয় বলরাম🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 সভক্তি প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা মন ছুঁয়ে গেলো।
ReplyDeleteজয় জগন্নাথ জয় বলরাম জয় সুভদ্রা।জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি।
প্রণাম মহারাজ। 🙏
রুবী ভট্টাচার্য ইছাপুর
Khub bhalo laglo. Pranam Maharaj
ReplyDeletePulakesh Sinha Roy.
Maharaj apurbo sundor ei rachana ar ma to amader boroivalobasar dhan mar bishoye. Jekono lekhai ati priyo pronam neben 🙏
ReplyDeleteকতো কিছু জানতে পারছি আপনার জন্য আচার্য্য গুরুদেব , খুব ভালো লাগলো পড়ে । সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন 👏👏
ReplyDeleteজয় মা 👏🌷জয় ঠাকুর 🌷👏জয় জগন্নাথ 👏🌷। বুবুন মুখার্জী বিরাটি।
Deleteমহারাজ ঠাকুরের কৃপায় আমরা এমন অমৃতময় কথা জানতে পারছি ।প্রণাম মহারাজ। 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 মা এর কথা ও আপনার লেখা সব সময় ই অপূর্ব 🙏 ভাষায় প্রকাশ করতে পারিনা। আপনি সব সময় আমাদের আধ্যাত্মিক উন্নতির চেষ্টা করে চলেছেন। ঠাকুরের কাছে আপনার সবাঙ্গিং মঙ্গল কামনা করি🙏
ReplyDeleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
আলো ব্যনার্জী
ReplyDeleteকি সুন্দর করে রথের বর্ণনা করেছেন মহারাজ। মন ছুঁয়ে গেল🙏 আপনার আশীর্বাদে কতো কিছু জানতে পারছি। মায়ের রথ টানার দৃশ্য চিন্তা করলে মন আনন্দে ভরে ওঠে। খুব ভালো লাগলো মহারাজ🙏 আপনি সুস্থ্য থাকুন মায়ের কাছে এই প্রার্থনা করি🙏 আপনার চরণে শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ🙏🙏🙏
প্রণাম গুরুদেব ☘️☘️🌷🙏🙏খুব সুন্দর 🙏🙏🌷☘️
ReplyDelete