নিবেদিতার 'খোকা' বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র
-- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
স্বামী বিবেকানন্দ যাঁকে আশীর্বাদ করেছিলেন এই বলে, - ‘ভবিষ্যৎ ভারতের
সন্তানের তরে / সেবিকা, বান্ধবী, মাতা, তুমি একাধারে’। সেই মহীয়সী নারী মননে চিন্তায়
হয়ে উঠেছিলেন সম্পূর্ণ ভারতীয়, ভারত-ভগিনী নিবেদিতা। নিজের জীবনের
সমস্ত কিছুর সঙ্গে ভারতীয় সমাজের আচার অনুষ্ঠান রীতি নীতি সব মিলিয়ে দিয়েছিলেন। ভারতের সর্বাঙ্গীন
উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্পকলা প্রভৃতি
ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের সীমা নেই। ওই একই সময়ে আর এক ব্যক্তিত্ব – যিনি ভারতবর্ষের বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রকে কেবল প্রসারিত করেছিলেন তাই নয়। তিনি প্রাণপণ
চেষ্টা করেছিলেন ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসাতে। তিনি ভারতের
অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু।
আপাতভাবে এই দুই বিরাট ব্যক্তিত্ব
দুই ভিন্ন মেরুর বলে মনে হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত দুটি সাধারণ ক্ষেত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। এক, উভয়ের মধ্যে ছিল সুগভীর ভারতপ্রেম এবং দু্ই, ভারতই ছিল তাদের মূল কর্মভূমি। এই দুটি সূত্রই
দুই বিশাল ব্যক্তিত্বকে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তুলেছিল। তাছাড়া নিবেদিতার
আশৈশব ছিল বিজ্ঞান মনস্ক যুক্তিবাদী মন। তিনি বাইবেলের কথাগুলোও বিজ্ঞানমনস্কতায় বিচার করে গ্রহণ করতেন।
১৮৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ অক্টোবর
আয়ারল্যাণ্ডে মার্গারেট নোবেলের জন্ম। তাঁর জন্মের পূর্বে
বিপদের আশঙ্কা করে মা মেরি ইসাবেল হ্যামিলটন মনে মনে তাঁকে ঈশ্বরের চরণে নিবেদন করে
দিয়েছিলেন। শৈশবে পিতার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে ধর্মযাজক পিতা তাঁর
স্ত্রীকে বলে গিয়েছিলেন, “ভগবান যেদিন ওকে ডাক দেবেন, সেদিন বাধা দিও না যেন, ও পাখা
মেলবে দূরের আকাশে। আমি জানি, ও এসেছে একটা বড় কিছু করার জন্য’’। পিতা জানতেন তার মেয়ে সাধারণ মেয়ে নয়। জীবনের প্রয়োজনে তাকে যে সুদূরে পাড়ি দিতে হবে, সেই শৈশবে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।
সত্যি একদিন দূর আকাশে ডানা মেলার দিন এসে গেল। আইরিশ তরুনী মিস মার্গারেট নোবেল হয়ে উঠলেন ভারতকন্যা ভগিনী নিবেদিতা। এই হয়ে ওঠা ছিল এক বিস্ময়কর পরিণতি। বিস্ময়করই বা কেন বলি। যা ছিল তাঁর সত্তায় নিহিত, তাই একদিন প্রকাশিত হল নতুন প্রেক্ষাপটে। তাঁর
তেজোদৃপ্ত জীবনের গভীরে যে সুপ্তকোমল মাধুর্য ছিল, তার বিকাশ হল স্বামী বিবেকানন্দের পবিত্র সান্নিধ্যে। তাইতো তিনিই ইউরোপীয় শিক্ষা দীক্ষা, ধর্মচর্চা, ঐশ্বর্য সব পেছনে ফেলে চলে
এসেছিলেন ভারতবর্ষে। ভারতের শিক্ষা, সমাজ ব্যবস্থার উন্নতিতে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। এ কেবল নিজ গুরুর
আদর্শ অনুসরণ নয়, ভারতের প্রতি তাঁর ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও প্রাচ্যের অধ্যাত্ম দর্শনের প্রতি একাত্মতা
অনুভব।
স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে
মার্গারেটের পরিচয় হয় ১৮৯৫ সালে লণ্ডনে। অভাবনীয় তেজোদ্দীপ্ত ভারতীয় সন্ন্যাসীর
বক্তৃতা তাঁকে বিস্মিত করেছিল। স্বামীজীর আদর্শ বিশেষত ভারতের প্রতি গভীর প্রেম
তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। তবুও বিনা প্রশ্নে কিছু মেনে নেওয়ার মত দুর্বল ছিলেন না তিনি।
স্বামীজীর প্রতিটি কথা যাচাই করে নিতেন । একদিন এক বক্তৃতায় স্বামীজী বললেন,
আজ জগতে কিসের অভাব জানো? জগৎ চায় এমন বিশজন নরনারী যারা সদর্পে বলতে পারেন, ‘ঈশ্বর ছাড়া আপনার
বলতে আমাদের আর কিছুই নেই’। কে যেতে প্রস্তুত?’
সেই আহ্বান মার্গারেটের মনে গভীর রেখাপাত করেছিল। তিনিও যেন এই ডাকের জন্য অন্তরে অপেক্ষা করেছিলেন। যে ধর্মজীবনের
সন্ধানে একদিন দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, আজ তার সন্ধান দিতে পারে এমন এক সন্ন্যাসীর
দেখা তিনি পেয়েছেন। ‘মানবসেবা’কেই তাঁর ধর্মের প্রধান মন্ত্র হিসাবে গ্রহণ করলেন।
স্বামীজীর সংকল্প ছিল দেশের মেয়েদের সার্বিক
উন্নয়ন। শিক্ষার মাধ্যমে নারীজাতি এবং জনসাধারণের উন্নতি ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
স্বামীজী মার্গারেটকে লিখলেন, “ভারতের কাজে তোমার এক বিরাট ভবিষ্যৎ রয়েছে। তোমার
শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা, অসীম ভালবাসা, দৃঢ়তা, সর্বোপরি তোমার ধমনীতে
প্রবাহিত কেল্টিক রক্তের জন্য তুমি ঠিক সেরূপ নারী যাকে আজ প্রয়োজন। ভারতের নারী
সমাজের জন্য পুরুষ অপেক্ষা নারীর – একজন প্রকৃত সিংহিনীর প্রয়োজন। তোমার শিক্ষা, সাহস এবং
উদ্যম তোমাকে সেই উপযুক্ত নারীরূপে বিধাতা গঠন করেছেন”।
স্বামিজীর আহ্বানে ১৮৯৮ এর ২৮
জানুয়ারি মার্গারেট এলেন কলকাতায়। শুরু হল জীবনের এক নতুন অধ্যায়। নিজেকে প্রস্তুত করতে
থাকলেন সম্পূর্ণ সেবিকা হয়ে উঠতে। বাংলা ভাষা শিখতে শুরু করলেন। পরিচিত হলেন ভারতীয়
জীবনধারা, ইতিহাস,সংস্কৃতি,
সাহিত্য, হিন্দুধর্মের আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে। ভালবাসতে শুরু করলেন
ভারতবর্ষকে। ক্রমশ ভারতবর্ষ ও তিনি মিলেমিশে একাকার
হয়ে গেলেন। স্বামীজী তাঁকে ব্রহ্মচর্য মন্ত্রে দীক্ষিত করলেন। নাম দিলেন ‘নিবেদিতা’।
ভারতের জন্য নিবেদিতার অনুভব ছিল অত্যন্ত গভীর। ভারতীয় নারীর
জীবনযাত্রা প্রসঙ্গে লিখছেন, ‘of all the beautiful things of the world, there is probably nothing so
beautiful as the life of Hindu
household. The great ideal of Indian womenhood is not romance, but renunciation’.
– জগতের সুন্দর জিনিসগুলির
মধ্যে হিন্দু পরিবার জীবনের মত এমন সুন্দর আর কিছুই নাই। ভোগ নয়, ত্যাগই ভারতীয় নারীত্বের মহান আদর্শ। তিনি চাইতেন
ভবিষ্যতের নারীরা হবে স্বাধীন ও আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। ভবিষ্যৎ নারীর
মধ্যে বিজ্ঞান বোধের সঙ্গে যুক্ত হবে প্রাচীন আধ্যাত্মিকতা। মাতৃত্বের কোমল
মাধুর্যের স্পর্শ যেমন থাকবে তার সঙ্গে মিশ্রিত হবে নির্ভীক সাহসিকতা। ভারতবর্ষের ভবিষ্যৎ
নারীদের মধ্যে তিনি নিশ্চয় আদর্শ নারী সীতা, সাবিত্রী ও দময়ন্তীর পুনরাবির্ভাব আশা করতেন।
সেবাব্রতে নিবেদিত-প্রাণ নিবেদিতা
এগিয়ে এলেন অশিক্ষা, কুসংস্কারের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা
করতে। রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের বিরোধিতার মধ্যেও নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য বিদ্যালয়
স্থাপন করলেন বাগবাজারে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করলেন। ঝাঁপিয়ে পড়লেন
অক্লান্ত দৃঢ়তা নিয়ে। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “নিজেকে এমন করিয়া
সম্পূর্ণ নিবেদন করিবার আশ্চর্য শক্তি আর কোন মানুষে প্রত্যক্ষ করি নাই। কলকাতায় ভয়াবহ
প্লেগ আক্রান্ত মানুষের প্রতি অক্লান্ত সেবার কথা অবিস্মরণীয়”।

এবার আসি 'খোকা'র কথায়। বিজ্ঞানী
জগদীশচন্দ্রের জন্ম ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর অবিভক্ত বাংলার ময়মনসিংহে। পিতা
ভগবানচন্দ্র বসু ও মা ছিলেন বামাসুন্দরী দেবী। পিতা ছিলেন সেখানকার ডেপুটি
ম্যাজিস্ট্রেট। আদর্শবাদী ও দেশপ্রেমিক পিতা
ছেলেকে ইংরেজী স্কুলে না পড়িয়ে বাংলা স্কুলে ভর্তি করিয়ে ছিলেন। ফলে ছাত্র
অবস্থা থেকে জগদীশচন্দ্রের মনে স্বদেশ ও মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জন্মায়। স্বদেশের
সংস্কৃতি ও ইতিহাসের প্রতি তাঁর বিশেষ প্রীতি গড়ে ওঠে। পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতায়
আসেন। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করেন সেণ্ট জেভিয়ার্স কলেজে। বি এ পাশ করার পর তাঁর ইচ্ছা ছিল বিদেশে গিয়ে আই সি এস এর জন্য পড়াশুনা করা।
পিতার ইচ্ছা ছিল না ছেলেকে প্রশাসক তৈরি করার। তিনি ইংলণ্ডে পাঠালেন
বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চশিক্ষার
জন্য। এই প্রসঙ্গে জগদীশচন্দ্রের নিজের কথা –‘আমি জানলাম, আমি অপরের শাসক হব না, আমি শাসন করব
শুধু নিজেকে, বিদ্বান হতে হবে আমাকে, প্রশাসক নয়'।
কেমব্রিজ
ও লণ্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে উচ্চ
ডিগ্রী নিয়ে ফিরে এলেন দেশে। এরপর শুরু হল সংগ্রামের জীবন। তিনি লক্ষ্য করলেন
চাকরির ক্ষেত্রে ভারতীয় ও ইংরেজদের মধ্যে বেতনের বিশাল পার্থক্য। এই অন্যায় কিছুতেই মেনে নিতে পারলেন না। নিজের আর্থিক সংকটের মধ্যেও এর
প্রতিবাদে তিন বছর কোন বেতন গ্রহণ করেননি। তাছাড়া ভারতীয়রাও যে শুধু বিজ্ঞান চর্চা নয়, বৈজ্ঞানিক হতে পারে সেই
লক্ষ্যে চলল তাঁর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ও প্রস্তুতি।
শুরু করলেন মৌলিক গবেষণা। তাঁর প্রথম গবেষণা হল ‘হর্টিজান ওয়েভ’–এর ওপর। আলোক তরঙ্গের ওপর এই গবেষণার ফলে পদার্থ
বিজ্ঞানে এক নব দিগন্ত উন্মোচিত হল। তিনি বেতারে বার্তা প্রেরণের পরীক্ষা সাফল্যের
সঙ্গে দেখালেন। দেশে ও বিদেশে বিজ্ঞানী মহলে তাঁর
গবেষণার খুব প্রসংশা হল। এত প্রসংশা সত্ত্বেও পরাধীন দেশের নাগরিক হওয়ার
জন্য, এবং কিছু ইংরেজ আমলা ও বৈজ্ঞানিকের ঈর্ষার ফলে উপযুক্ত সম্মান ও স্বীকৃতি
থেকে তিনি বঞ্চিত হলেন। এই সময়টি জগদীশচন্দ্রের
জীবনে সত্যি অত্যন্ত বেদনার।
এই রকম
এক কঠিন মুহূর্তে নিবেদিতার সঙ্গে পরিচয় হয় জগদীশচন্দ্রের। তিনি তাঁর অসাধারণ বৈজ্ঞানিক
প্রতিভা দর্শনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল এই গবেষণা জড় প্রকৃতির গবেষণা নয়।
এই গবেষণার উৎস প্রত্যক্ষ অনুভূতি, যা ভারতীয় অধ্যাত্মতত্ত্বের মূল কথা। এমন
প্রতিভাধর বিজ্ঞানী সরকারের কাছে উৎসাহের পরিবর্তে পেয়েছেন একান্ত উদাসীনতা। প্রয়োজনীয়
আর্থিক সাহায্যও পাননি। উপরন্তু তাঁর আবিষ্কারগুলোকে চাপা দেওয়ার সব রকম চেষ্টা
করা হয়েছিল। সরকার ও বিদেশী বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে ডঃ বসুর সংগ্রামকে নিবেদিতা ‘বোস ওয়ার’ (Bose
war) বলে অভিহিত করেছেন। নিবেদিতা বিশ্বাস করতেন শ্রীবসুর
বৈজ্ঞানিক সাধনা জয়যুক্ত হলে এক দিকে যেমন বিজ্ঞান জগতে বিরাট পরিবর্তন আসবে, তেমনি বিশ্বের দরবারে ভারতের গভীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞানের অগ্রগতি ছাড়া ব্যবহারিক জীবনের উন্নতি অসম্ভব। এই কারণে বিজ্ঞান গবেষণার কাজে নিবেদিতার এত আগ্রহ ও সাহায্য।
১৯০০ সালে প্যারিস প্রদর্শনী ও একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব ফিজিক্স’ এর অয়োজন হয়েছিল। সেখানে ডঃ বসু তাঁর নতুন আবিষ্কার ‘Response of inorganic and
Living matter’ বিষয়ে আলোচনা
করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ ও ভগিনী নিবেদিতা। বিজ্ঞানী বসুর
কৃতিত্বে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্ববোধ করেছিলেন।
১৯০১ সালে নিবেদিতা তখন ইংল্যান্ডে। ওই সময় থেকেই
জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণার কাজে তিনি প্রত্যক্ষ সাহায্য করতে থাকেন। এই সময় বিখ্যাত
তিনটি বই প্রকাশিত হয় – Response in the Living and Non-Living, Plant Response, এবং Comparative Electro-physiology। এরপর তিনি রচনা করেন 'Philosophical Transactions' নামে আর একটি বই এবং অন্যান্য বহু প্রবন্ধ যা পরে ধারাবাহিক ভাবে রয়্যাল সোসাইটি
পরিচালিত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ভাষার উপর নিবেদিতার অসাধারণ দখল
থাকায় সম্পাদনার কাজ ও পুস্তক রচনাতে যথেষ্ট সাহায্য করতেন নিবেদিতা। কঠোর পরিশ্রম
করতে পারতেন তিনি।

শ্রীবসুর সঙ্গে ও পরে তাঁর পত্নী
অবলা বসুর সঙ্গে নিবেদিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়। প্রতি বছর পুজোর
ছুটিতে বসু-দম্পতির সঙ্গে নিবেদিতা দার্জিলিং
ও গরমের ছুটিতে মায়াবতী, মুসৌরী প্রভৃতি
জায়গায় বেড়াতে যেতেন। শ্রীমতী বসুকে তিনি ‘Bo’ অর্থাৎ ‘বউ’ বলে সম্বোধন করতেন। নিবেদিতার থেকে বয়সে বড় ছিলেন জগদীশচন্দ্র। তিনি তাঁকে খুব
শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখতেন, বলতেন ‘Man of Science’ । বাস্তবিক নিবেদিতা
শ্রীবসুকে ভারতের জাতীয় সম্পদ বলে মনে করতেন। তাই কেবল সাহায্য নয় তাঁকে রক্ষা করা তাঁর দায়িত্ব বলে মনে করতেন। ডাইরিতে ও চিঠিপত্রে
তিনি তাঁর সম্পর্কে ‘Bairn’ শব্দ ব্যবহার করতেন। তখনকার দিনে আইরিশরা ছোট শিশুদের ঐভাবে ডাকতেন। যার অর্থ হল ‘খোকা’। এর দ্বারা বোঝা যায় মাতৃস্নেহে নিবেদিতা
সব সময় জগদীশচন্দ্রকে উৎসাহ ও প্রেরণা দিয়ে এসেছেন। শ্রীবসুও
সেকথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করেছেন, ‘হতাশ ও অবসন্ন
বোধ করিলে আমি নিবেদিতার নিকট আশ্রয় লইতাম’।
এক জন্মদিনের শুভেচ্ছা পত্রে নিবেদিতা শ্রীবসুকে লিখছেন, ‘চির বিজয় লাভ করুন। জাতির সম্মুখে
আপনার জীবন আলোক বর্তিকার মত পথ দেখাক, তাদের কল্যাণে
প্রদীপের মত নিবেদিত হোক। আপনার অন্তর শান্তিতে পরিপূর্ণ হোক। আপনিই আধ্যাত্মিক জগতের শ্রেষ্ঠ
নাবিক – আবিষ্কার করে চলেছেন নব নব জগৎ’।
নিবেদিতা সম্বন্ধে শ্রীবসুর বিশেষ
লিখিত বিবরণ পাওয়া যায় না। রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেখায় পাওয়া
যায়, ‘তাঁহার বিষয়ে আচার্য বসু মহাশয়ের নিকট অনেক কথা শুনিয়াছি, তাহা অধিকতর শিক্ষাপ্রদ ও মনোহর’। জগদীশ চন্দ্র
বসু বলছেন, “আমার বৈজ্ঞানিক গবেষণার পিছনে এ মহিয়সী নারীর প্রেরণা
ও আন্তরিক সহযোগিতা আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি”। অধ্যাপক গেডিজ
শ্রীবসুর জীবনীতে লিখেছেন ‘ডক্টর বসুর নতুন আবিষ্কারগুলি সম্বন্ধে অপরের প্রত্যয় জন্মাইবার পক্ষে বহু বাধা
ছিল, ঐ সকল বাধা দূর করিবার জন্য ব্যক্তিগতভাবে
নিবেদিতা সর্বপ্রকার সাহায্য করিয়াছিলেন’।
১৩ অক্টোকর ১৯১১ শুক্রবার সকাল সাতটা। নিবেদিতা
তখন অসুস্থ শরীরে দার্জিলিং-এ বসু পরিবারের সঙ্গে। নিজে স্পষ্ট অনুভব করছেন আর
বেশি দিন বাকি নেই। অস্ফুটে মৃদুস্বরে উচ্চারণ করলেন, “The boat is sinking. But I shall see the sunrise.” – নৌকো ডুবছে, আমি কিন্তু সূর্যোদয় দেখব। ‘আমরা আশা করব না, নিরাশও হব না, আমরা দৃঢ়নিশ্চয় – আমরা অগ্রগামী মরিয়া দল(Band of despair)। আমরা নিজেদের শরীর দিয়ে সেতু প্রস্তুত
করব, পরবর্তী সৈন্যদল সেই সেতুর ওপর দিয়ে
পার হয়ে যাবে’। বিদায় নিলেন জগদীশচন্দ্রের “Lady with the lamp” রবীন্দ্রনাথের “লোকমাতা” এবং স্বামীজীর “নিবেদিতা”।

শ্রীবসু নিবেদিতার অবদান চিরদিন
কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেছেন। নিবেদিতার ইচ্ছা ছিল ভারতীয় অর্থে
একটি বিজ্ঞান গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা হয়। ভারতীয় ছাত্রছাত্রী বিজ্ঞান চর্চার
অবাধ সুযোগ লাভ করবে। সেই উদ্দেশে ১৯১৭ সালে স্থাপিত হয়
বর্তমানের ‘বসু বিজ্ঞান
মন্দির’। ভগিনী নিবেদিতার পুণ্য স্মৃতির প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞার নিদর্শন স্বরূপ দ্বারদেশে
স্থাপন করলেন ‘প্রদীপ-হস্তে নারীমূর্তি’ এবং শীর্ষে স্থাপন করলেন নিবেদিতার তৈরি বজ্র-চিহ্নের প্রতীক। বিজ্ঞান মন্দিরের উদ্বোধন ভাষণে নিবেদিতাকে স্মরণ করে শ্রীবসু বলেন, ‘সর্বপ্রকার সংগ্রামের উদ্যমে আমি একেবারে একাকী ছিলাম
না। জগৎ যখন সন্দেহ প্রকাশ করিয়াছিল, তখন এমন কয়েকজন
ছিলেন, যাঁহাদের আমার প্রতি বিশ্বাস মুহূর্তের
জন্যও শিথিল হয় নাই; আজ তাঁহারা পরপারে’।
নিবেদিতার আকস্মিক প্রয়াণে জগদীশচন্দ্রের
জীবনে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল। নিদারুণ মানসিক অবসন্নতা ও শোকে
অধীর হন তিনি। বোঝা যায়, নিবেদিতার প্রভাব কত গভীর ছিল তাঁর জীবনে! আমৃত্যু এই দুঃখ তিনি বহন করেছেন। মৃত্যুর পূর্বে
নিবেদিতার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশে তিনি এক লক্ষ টাকা উইল করে যান। সেই টাকা দিয়ে
পরে শ্রীমতী বসু ‘নিবেদিতা হল’ তৈরি করেন।
এই নির্ভীক
নিঃস্বার্থ মানবদরদী কর্মব্রতী একাধারে যিনি জননী, সেবিকা ও বান্ধবী সেই মহীয়সী নারীর প্রতি আমাদের বিনম্র প্রণতি। জগদীশচন্দ্রের
প্রতি ভগিনী নিবেদিতার অনলস ও অযাচিত সহায়তা
এক উজ্জ্বল ইতিহাস হয়ে থাকবে। যেমন চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন বিজ্ঞানের
জগতে জগদীশচন্দ্র। ভারতের বিজ্ঞান জগতে তথা জগদীশচন্দ্রের
জীবনে তাঁর সুমহান অবদান মহিমান্বিত ভারত-প্রেমেরই নিদর্শন। ©
খুব ভালো লাগলো মহারাজ নিবেদিতার বিষয় এবং জগদীশ চন্দ্র বসুর বিষয় অনেক কিছু জানতে পারলাম l
ReplyDeleteজয় ঠাকুর, অসাধারণ লেখাটি ভীষণ ভালো লাগলো, পরম শ্রদ্ধেয় , জগদীশ চন্দ্র ও পরম পূজনীয়া নিবেদিতা সমন্ধে অনেক কিছু জানতে পেরে ভীষণ ভাল লাগছে,বিজয় হোক আচার্যদেবের, আপনার লেখা বলে পরলাম আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই, শ্রদ্ধা যুক্ত প্রণাম জানাই, জয় ঠাকুর।
Deleteখুব ভালো লাগলো বই পড়া বিদ্যা নেই আপনার কাছে আমার শিক্ষা আপনি আমার বই আপনার কাছে এসে আমরা ধন্য প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব,,shikha শিখা মন্ডল ব জ ব জ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏
ReplyDeleteএক মহিয়সী নারী র জীবনের মহা মূল্যবান কথা পড়লাম যিনি এই ভারত ভূমির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ।সকল বিষয়ে তার আগ্রহ আর তাকে এগিয়ে নিয়ে সফলতা দেওয়া তার এই ঐকান্তিক চেষ্টা বিশেষ করে নারী জাতির কল্যাণ তাদের অন্ধকার থেকে শিক্ষার আলোক পথে আনা সত্যি অভিভূত করে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয় তাঁর বিষয়ে গভীর ভাবে জানতে পেরে ধন্য মনে করছি।তাঁর আদর্শকে মনে করে আমরা যদি চলতে পারি আমাদের জীবন সুন্দর হয়ে উঠবে
ReplyDelete।।
Khub bhalo laglo Moharaj....
ReplyDeleteভারতবর্ষে র দুই কৃতি সন্তান।ওনাদের বিষয় এতনতূন তথ্য জানতে পেরে আমি অভিভূভ।মহারাজ জী আপনাকে প্রণাম ওধন্যবাদ জানাই আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনার জন্য।🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব খুব ভালো লাগলো। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।
ReplyDeleteশতকোটি প্রণাম জানাই। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
অসাধারণ । মন্তব্য করার কিছু নেই সশ্রদ্ধ চিত্তে প্রণাম নিবেদন করি উনাদের শ্রীচরণে ।👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌹🌺🕉️
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻Swamiji r Bani--"Ishor chara apner boltey r kichui nei.. Ke jetey prostut" ebong Jagadish Chander "Lady with the lamp", Rabindranath er "Lokomata" o Swamiji r "Nibedita" --- Achariyo Maharajji🙏🏻🙏🏻 Apner ei write-ups porey ek opurbo Nari somajer unniyoner pratik Swarup onubhob hochhey Swang "Nibedita" ke, pranami Tobo Sree Choroney Ma🌹🌹🙏🏻🙏🏻. Osadharon Gyanodarshan prapti r onubhob holo ei lekha pothon er madhyomey🙏🏻🙏🏻. Maharajji, Apni amader "Lead kindly Light" 🙏🏻🙏🏻. Apner haat dhorey amra sokoley sothik Adhyatmik darshan pothey egiyey jabo, Maharajji🌺🙏🏻. Osadharon ek 'AlombonSwarup' nidorshon pelam Apner ei sundor ek pranobonto chitrolipi ratno khochito lekher madhyomey🙏🏻🙏🏻. Khubei prerona dayok. Pranami Tobo Shree Choroney, Maharajji 🌻🌻🍀🍀🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteঅসাধারণ।এই ভাবে কোনদিন পড়িনি। কতকিছু জান্তে পারছি আপনার কাছে এসে। প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteAsadharan...nibeditar
ReplyDeletebaigyanik pratibha r dik ti
ajker lekhay jante pere bhison bhalo laglo..anek ajana tathya jante parlam...sasradha pranam onader..🙏jaya
লেখাটি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম সমৃদ্ধ হলাম খুব ভালো লাগলো প্রণাম মহারাজ
Deleteলেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো মহারাজ. সবাইকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম. 🙏🙏🙏
ReplyDeleteKhub valo laglo Maharaj. Mahiyoshi nari Nibedita. Jini amader Bharatbatsher janya nibedita pran. Unar sambandhe. Anek na jana. Sandesh peye satyee dhanya holum Maharaj. Joy Swamiji joy Nibedita joy amader parama priya Acharya. Deva 🙏🙏🌿🌿
ReplyDeleteKhub bhalo laglo em
Deleteকি সুন্দর চমৎকার লেখা।সহজ,সাবলীল ভাষায় আবেগের অতিরঞ্জন নেই অথচ তার যে ছটা আছে তাতে অশ্রুসিক্ত হয়।এককথায় অনবদ্য। আমার প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteKhub valo
Deleteকি অসাধারণ তথ্য-সমৃদ্ধ সুন্দর একটি অমূল্য উপহার!! মুগ্ধ-বিস্ময়ে কয়েক বার পড়লাম! নিবেদিতার-"খোকা"-"Bairn" -আর জগদীশচন্দ্রের "Lady with the lamp" -অপুর্ব আবেগ মাখানো অনুভূতি!! বড়-সুন্দর লাগলো। বহু-গুণে গুণান্বিত পরম-পূজ্য শ্রীগুরুজীর অন্তর-মথিত দিব্য-সুন্দর নিবেদন!! অনেক-অনেক শ্রদ্ধা ভক্তি সহকারে বারে বারে বিনম্র প্রণাম।
ReplyDelete-----"Best wishes"-----
**********************
Khub valo laglo lekhati pore..Pronam Maharaj..Basanti Chatterjee Howrah.
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ও সিস্টার নিবেদিতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ইন্দিরা ভট্টাচার্য
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগল। অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ReplyDeleteঅপূর্ব,অসাধারণ।
ReplyDeleteKhub Bhalo laglo pore Maharaj
ReplyDeleteKoto kichu jante parlam.
প্রনাম মহারাজ আপনার শ্রীচরণে।এই কৃতী মানুষ দের প্রসঙ্গে অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম।
ReplyDeleteAbhibhuto holam Acharyya Jagodish chandra Bosu o
ReplyDeleteBhogini Nibedita sombondhe ajana thothyo jante pere Aphuranto abhumi lunthito pronam janai srddheo Maharaj Aponeke .ItiSardar
পড়ে খুব ভালো লাগল ।সিস্টার নিবেদিতার সন্মন্ধে অজানা অনেক কিছু জানতে পারলাম ।প্রণাম নেবেন মহারাজ । বর্না প্রধান ।কলকাতা ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা মহারাজ। কত অজানাকে জানি ।আপনার মতো শিক্ষাগুরুর সান্নিধ্যে এসে জীবন ধন্য। সর্বদা কত বিষয়ে জ্ঞান দান করছেন। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteAcharya Gagodish chandra Bosu o Bhogini Nibedita sombondha anek ajana thothyo jante pere abhibhuto holam
ReplyDeleteAmar aphuronto abhumi lunthito pronam janalam grohan korben🙏🙏Iti Sardar
Bulu Mukherjee
ReplyDeleteএক নিঃশ্বাসে দুইজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন দেশপ্রেমিক ও মানবপ্রেমিকের অবদান পড়লাম। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর lady with the lamp এবং ভারতবর্ষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ নিবেদিতার খোকা বিজ্ঞানীর প্রতি জানাই অসীম শ্রদ্ধা ও প্রণাম।শত ব্যস্ততার মধ্যে ও আপনার এই blog প্রকাশ আমাদের সমৃদ্ধ করছে। অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধা প্রণাম ও কৃতজ্ঞতা জানাই মহারাজ 🙏🙏🙏।
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্যে সমৃদ্ধ হলাম মহারাজ। 🙏🙏🙏🙏
অপূর্ব সুন্দর গুরু মহারাজ অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে, আপনি আমাদের পথপ্রদর্শক , আমাদের অন্ধকার থেকে আলোতে পৌঁছে দিতে অতুলনীয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে আপনার। আমরা প্রতিমুহূর্তে সমৃদ্ধি হচ্ছি এবং আপনার মতো গুরু পেয়ে নিজেকে কৃতার্থ মনে করছি।
ReplyDeleteঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি করি আপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন। এই ভাবে আমাদের জীবনের অন্ধকার দূর করুন
ঠাকুর মা স্বামীজীর আর্শীবাদ বর্ষিত হোক আপনার উপর এই প্রার্থনা করি।
খুব ভাল লাগল মহারাজ কে অন
DeleteBhogini nivedita o acharjya jagadish chandra boser emon shraddha o bhalobar samporka dekhe mon anande bhore gelo. Apnar ai lekha amader samriddha korchhe. Pronam maharaj. Krishna dey.
ReplyDeleteKhub bhalo laglo anek kichu janlam.
Deleteমহারাজ,খুব ভালো লাগলো।কতো অজানা তথ্য আপনার লেখার মাধ্যমে মনের সাথে পড়ছি আর দারুণভাবে উপভোগ করছি।আপনার নিরলস পরিশ্রমে নিজে সমৃদ্ধ হচ্ছি।
ReplyDeleteস্বামীজি ভগিনী নিবেদিতা জগদীশ চন্দ্র বসুকে আমার আন্তরিক ভক্তিপূর্ন প্রণাম জানাই। প্রণাম নেবেন। 🙏
খুব ভাল লাগল। এই মহীয়সী নারীরপ্রতি সহস্র প্রণাম, বিজ্ঞানীর প্রতি জানাই অন্তরের শ্রদ্ধা।
ReplyDeleteঅসিত চট্টোপাধ্যায়, দুর্গাপুর
খুব ভাল লাগল দুজনের সম্বন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteApurba pratibedan, Bhagni Nibedita o Bigyani Jagadish Ch Bose. Pranamya Swami Vivekanander sishya jini Bharat barsha ke Bishwer Bigyan darbareo tule dharar
ReplyDeleteanalash prachesta korechilen, Bigyani Jagadish Ch Basu (tnar Khoka) ke parichiti o sanman pete sarbota bhabe prachesta o prerana jugiye chilen, tnar mahan brata o Bharat barsher prati prem amader mugdha kare. Swami Vivekanander sishya, sarthak tar Guru pradatta nam Nibedita, Rabindra Nath er Lokomata, ar Jagadish Ch Basu r jini prerana o manasik sakti, Lady with the Lamp. Sradheya Bhagni Nibeditar prati janai amader sasradhya pranam, jini Bharatiyo narir prati sradhyashil chilen o tnader sikkha/sabalamby howar prerana diyechien, sab tnar Bharat barsher prati premi praman kare. Ei blog pare amra anek ajana tathya peyechi, amra dhannya, amader antorik kritagyata o pranam janai. 🙏🇮🇳🙏
প্রনাম মহারাজ। অপূর্ব লেখা।অনেক তথ্য জানা গেল।।বিনীত নিতাই হালদার। দুর্গাপুর।।
ReplyDeleteঅনবদ্য হয়েছে মহারাজ। আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দরভাবে প্রকাশ করবার জন্য। ভগিনী নিবেদিতাকে খুব অল্প বয়স থেকে জানার আনন্দ পাইয়ে দিয়ে ছিলেন আমার মা। দার্জিলিং গেলে আশ্রমে নিবেদিতার ঘরের সামনে অনেক সময় বসে থাকায় শান্তি পাই। নিচে গ্রামের নিবেদিতার সমাধিস্হলে গিয়ে প্রণাম নিবেদন করি। নিবেদিতা আমাদের আদর্শ। জয় স্বামীজী।জয় ভগিনী নিবেদিতা। জয় জগদীশচন্দ্র বসু। সশ্রদ্ধ প্রণাম। নন্দিত ব্যানার্জী। 🙏
ReplyDeleteAadharon Maharaj...Apni Baader kache ak omulo sampat .
ReplyDeleteSankhepe eto sundar kore Lokomata,Bharat bhagini Mahiasi Nivedita ebong akranto Bignan sadhak Acharjya Jagadish Ch. Basur katha likhechhen,bhalo kahlo khub.🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah
ReplyDeleteApurbo protibedon Maharaj apnar lekha ami abivuto apluto..pronam Maharaj.
Jogodish chondro bosur jebone nebeditar abodan somporke ,khub valo laglo pronam Acharya, pronam nebeditar chorone
ReplyDeleteমহারাজ.... আন্তরিক সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই 🙏🏻 খুব সুন্দর একটি বিষয় ফুটে উঠল আপনার লেখনীর মধ্য দিয়ে 🙏🏻কত অজানা বিষয় জানতে পারছি মহারাজ 🙏🏻 অনেক অনেক প্রণাম 🙏🏻
ReplyDeleteকৃষ্ণা মুখার্জী , হাওড়া
Khub b valo laglo Maharaj koto ajana chhilo ta jante parlam
ReplyDeleteখু
ReplyDeleteঅসাধারণ আজ আরও নতুন তথ্য জানতে পেরে খুব আনন্দ পেলাম1 প্রণাম মহারাজ ধন্যবাদ আপনাকে1
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা, কি অগাধ জ্ঞান!!
ReplyDeleteমন ভরে গেল এত ভালো লেখা পড়ে।
সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏🙏
খুব ভালো লাগলো মহারাজ। প্রণাম নিবেদিতা প্রণাম বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু মহাশয়।
ReplyDeleteমহারাজ প্রতিটি লেখার মতো এই লেখাটিও আমাদের সমৃদ্ধ করলো। আরও জানার আগ্রহ তৈরি করলো।
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
Khub Sundar,nutun katha jante perlam. Pronam janai Mahan Pran apnader.
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য জেনে খুব ভালো লাগলো। প্রনাম নেবেন মহারাজ 👏
ReplyDeleteKhub valo laglo. Pronam maharaj.
ReplyDeleteঅনবদ্য একটি লেখা, অনেক কিছু জানতে পারলাম, খুব ভালো লাগলো, শ্রদ্ধাপূর্ণ প্রনাম মহারাজ🙏
ReplyDeleteব্লগ গুলি পড়ে মন যেমন ভরে ওঠে আবার চোখের জল ও বাধা মানে না pronam Maharaj
ReplyDeleteঅসাধারন উপস্থাপনা অনেক কিছু জানতে পারলাম
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল মুম্বাই
খুব সুন্দর লাগলো মহারাজ। ভগিনী নিবেদিতা আর J C Bose এর সম্বন্ধে অনেক নতুন তথ্য জানতে পারলাম
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো মহারাজ ভগিনী নিবেদিতা আর JC Bose সম্বন্ধে অনেক নতুন তথ্য জানতে পারলাম 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteপ্রতিটি লেখা খুব সুন্দর , পড়ি য়খন তখন মনটা ভালো হয়ে য়ায় ।
অসাধারণ লেখা নিবেদিতার 'খোকা' বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র।মুগ্ধ হয়ে পড়লাম তিন দিন ধরে তোবুওপড়ার তৃষ্ণা মিটছে না অসাধারণ লেখা এই লেখায় ভগিনী নিবেদিতা র ও জগদীশচন্দ্র বসু র জীবনের অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব।।
ReplyDeleteখুবই সুন্দর, অনেক নতুন তথ্য জানলাম, প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteঅসাধারণ একটি লেখা ।এমন সুবিন্যস্ত ভাবে লেখা যা মনের মণিকোঠায় সঞ্চিত হয়ে থাকবে । কত অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি ।আরো নতুন নতুন তথ্য জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে রইলাম। মহারাজ আমার প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteএকটা অসাধারণ লেখা পড়ে মুগ্ধ হলাম ঋদ্ধ হলাম তৃপ্ত হলাম 🙏🙏🙏 স্বামীজির নিবেদিতা মায়ের খুকি ভারতের জন্য আত্মনিবেদিত মহান প্রানের কথা তার সঙ্গে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর কথা। দুই মহাপ্রাণ ভারতের জন্য আত্মনিবেদিত। অনেক কিছু জানলাম সমৃদ্ধ হলাম।
ReplyDeleteএই রকম আরো লেখা
পাওয়ার ইচ্ছে রইল।
ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর
সভক্তি প্রনাম নেবেন মহারাজ।খুব সুন্দর সহজ সরল ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন মহিয়সীদের জীবনী ।অনেক না জানা জিনিস পারলাম খুব ভালো লাগলো।খুব ভালো।থাকবেন। জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি🙏🙏🙏
ReplyDeleteলেখাটি পড়ে মনে হল , অজানা তথ্য পাওয়ার এত সুন্দর সুযোগ মহারাজের মাধ্যমে , অনেক প্রশান্তি পাচ্ছি,। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভাল লাগলো । আমার ভক্তি পূর্ণ প্রণাম করুন মহারাজ জি🙏ভগবানের অশেষ কৃপায় অমরা আপনাকে পেয়েছি । ভালো থাকবেন ,🙏🙏🙏 আশীর্বাদ করুন💐💐💐জয় মা 💐জয় ঠাকুর🙏❤🙏
ReplyDeleteমহারাজ এই পড়ে খুব খুব আনন্দ পাচ্ছি অনেক কিছু জানতে পারছি
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ।শ্রদ্ধা পূর্ণ 🙏🙏প্রণাম নেবেন
ReplyDeleteKi bolbo bujhi na.Ma apnar sathe thakun sarboda🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল । blog এর লেখা ।
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য পেলাম মহারাজ আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই আচার্য মহারাজ।
ReplyDelete"the boat is sinking. But I shall see the Sunrise."-- নৌকা ডুবছে,- আমি কিন্তু সূর্যোদয় দেখবো!!-- সত্যিই কি যে মর্মস্পর্শী!!- এ যেন অন্তরের পবিত্র সূর্যোদয়!! বার বার পড়তে ইচ্ছে করে! -সুন্দর এক স্বর্গীয় অনুভুতি!!
ReplyDeleteএকরাশ শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।
ভক্তিপূর্ন বিনম্র প্রণাম।
**********************
মহারাজ ভগিণী নিবেদিতা ও আচার্য জগদীশ চন্দ্র বোস সম্পর্কে লেখাটি অনবদ্য। পড়তে খুব ভাল লাগল।নতুন তথ্য ও জানলাম।
ReplyDeleteআপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। সকল প্রকার প্রচেষ্টা আপনার সফল হোক।
ঠাকুর মা স্বামীজীর শ্রীচরনে সভক্তি প্রণাম জানাই।
অপূর্ব লাগলো মহারাজ আপনার লেখা পড়ে। অনেক অজানা জানা হলো। এই ভাবেই আপনি আমাদের সমৃদ্ধ করুন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। প্রণাম নেবেন
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল
ReplyDeleteঅনেক নতুন বিষয় জানলাম ও শিখলাম
মহারাজের চরণে নিবেদন করি শতকোটি প্রনাম
প্রণাম মহারাজ। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ইতিদাস। হাইদ্রাবাদ।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। প্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteEk kathay apurbo,ato sundor kore ajana tathya k jante parlam, egulo konodin vulbo na,upnak amar antoric pronam janalam.
ReplyDeleteমহানুভবতায় মন পূর্ণ হল। ত্যাগই জীবনের মূল মন্ত্র। একমাত্র ত্যাগ এই মানুষের পূর্ণতা প্রাপ্ত হয় এবং ব্রহ্মকারা বৃত্তির আস্বাদন হয়। একর্তা হয়ে কর্ম করার যে অমৃতবাণী গীতাতে আমরা পাই, সেই মহিমায় মোহিমান্বিত হয়ে কিভাবে পরোহিতায়ে জীবন উৎস্বর্গ করতে হয় তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এই মহান মনীষীদের জীবন বৃত্যান্ত। স্বর্ণাক্ষর এ নয় এইসব পূজনীয় পুন্যত্মা দের নাম লেখা থাকুক শুদ্ধা ক্ষরে, বুদ্ধা ক্ষরে, এবং ত্যাগাক্ষরে।
ReplyDeleteআভূমি লুন্ঠত প্রণাম নিবেদন করি সেইসব মহান মনীষীদের রাতুল চরণে।
খুব ভালো লাগলো অনেক তথ্য জানলাম। সশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ
ReplyDeleteLotof thanks.swamijee maharaj.
ReplyDeletePranam.
নামহীন ১৮ই জুন, ২০২২
ReplyDeleteমহারাজ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানালাম আমাদের এত সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য প্রণাম নেবেন
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
অপূর্ব লেখা!! মন ভরে গেল!! অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম!! প্রণাম মহারাজ জী 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteনামহীন, ১৮ই জুন
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল।প্রণাম নেবেন
মহারাজ ।
সিস্টার নিবেদিতা ও বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বোস সম্মন্ধে অজানা তথ্য জেনে খুব ভালো লাগলো । আপনার সুন্দর সাবলীল এবং বলিষ্ঠ লেখনী পড়ে শ্রদ্ধায় মন ভরে যায়। স্বামীজীর নিবেদিতা, শ্রী শ্রী মায়ের খুকি র আধ্যাত্মিক দিক , ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলন ও ওনার অবদান নিয়ে যদি লেখেন তো খুব ভালো লাগবে।ওনার সমন্ধে আরো কিছু জানার ইচ্ছে হচ্ছে।
ReplyDeleteরীতা দত্ত।
ঠাকুর অবতার হয়ে এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়ে ছিলেন তাঁর পারিষদবর্গ দের নিয়ে তাঁরা ই এক নক্ষত্র ছিলেন সুদূর আয়ারল্যানডে।এই দুই বিরাট ব্যক্তিত ভিন্ন মেরুর হলেও ঈশ্বরের অভিপ্রায় ছিলো তাদের কর্ম ভূমি হবে এই ভারত বর্ষ মার্গারেট নোবেল কি করে ভগ্নি নিবেদিতা হয়ে উঠলেন জানতাম না মহারাজ আপনার কৃপা র অন্তত নাই ।খুব ভালো লেগেছে ।কতো কিছু জানতে পাচ্ছি ।মহারাজ প্রণাম গ্রহণ করবেন ।ব
ReplyDeleteAcharya j.c.bose sampwrk e khoob Samannya I jantam. Apnaake sabhokti pronipaat janai I
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানলাম , আরও কিছু জানার অপেক্ষায় রইলাম ।
প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏খুব ভালো লাগে। আপনার থেকে অনেক কিছু জানতে পারি।
ReplyDeleteআচার্যদেব আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন ।আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু জানবার সুযোগ হচ্ছে ।অসাধারণ লাগলো ।আপনি ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteসঙ্গমিএামুখাজ্জী শ্যামনগর
ReplyDeleteপরম পূজনীয় মহারাজ আপনার লেখা পড়ে অভিভূত। সম্পূর্ণ বই অনেক সময় করে উঠতে পারি না আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারছি। এতো সুন্দর ভাবে মায়ের কথা নিবেদিতার জীবনের অমূল্য কথা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম জয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজী 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
প্রাণ মন ভরে গেলো।
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব
প্রণাম ঠাকুর মা ও স্বামীজি।
প্রণাম মহারাজ জী।
অপূর্ব সুন্দর লিখেছেন মহারাজ ,খুব ভাল লাগল💐💐💐🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ReplyDelete💐💐💐🙏🙏🙏🙏🙏👍👍👍👍
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা পড়লাম মহারাজ।আপনার এই লেখা পড়ে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি।দিনে দিনে আমরা সমৃদ্ধ হয়ে উঠছি।সশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDelete