শ্রীরামকৃষ্ণের মৌলিক অবদান
--- স্বামী হরিময়ানন্দ
©
এই নিবন্ধে আমরা দেখতে চেষ্টা করব শ্রীরামকৃষ্ণের ধর্ম তথা মানব জীবনের অবদান নিয়ে। শুরু করা যাক স্বামীজীর একটি কথা দিয়ে। আমেরিকা থেকে স্বামী বিবেকানন্দ একটি চিঠিতে লিখছেন – তিনি (শ্রীরামকৃষ্ণ) যেদিন জন্মেছেন, সেদিন থেকে সত্যযুগ এসেছে। এখন সব ভেদাভেদ উঠে গেল। আচণ্ডাল প্রেম পাবে। মেয়ে-পুরুষ ভেদ, ধনী-নির্ধনের
ভেদ, পণ্ডিত মূর্খ ভেদ, ব্রাহ্মণ
চণ্ডাল ভেদ সব তিনি দূর করে দিয়ে গেলেন।“
শ্রীরামকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছেন ১৮৩৬ খ্রীষ্টাব্দে। তখন থেকে সত্য যুগ শুরু হয়েছে স্বামীজী
বললেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থার নিরিখে চারিদিকে যে অস্থিরতা, ধর্মের নামে হানাহানি এই সব বিরুদ্ধ চিত্র
দেখা যাচ্ছে তাতে স্বামীজীর এই কথা কী করে ব্যাখ্যা করা যাবে।
স্বামীজী কোন আবেগ তাড়িত হয়ে বা গুরুর প্রতি একটু অতিশয়োক্তি করেছেন বলে নিশ্চয়
মনে হবে না। কারণ স্বামীজী তেমন মানুষ মোটেই ছিলেন
না। যার প্রখর ব্যক্তিত্ব গুরুকেও পরীক্ষা করতে ছাড়েনি। কাজেই প্রশ্ন ওঠা খুব
স্বাভাবিক – কেন এমন অসম্ভব কথা স্বামীজী বললেন।
পুরাণে আমরা কালচক্রকে মোট চার
ভাগে ভাগ করতে দেখি। সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি। সত্য যুগ হল ঋষিদের
যুগ – জ্ঞান প্রধান
যুগ। ত্রেতা যুগ ক্ষাত্রধর্মের যুগ। এই যুগ কর্ম প্রধান, যাগ যজ্ঞাদি ও বাহুশক্তির দ্বারা কর্ম সম্পাদনের যুগ এটি। দ্বাপর হল বৈশ্য শক্তির যুগ। আর কলি হল শুদ্র যুগ
যে যুগ সমাজের নিচু তলার মানুষ মাথা তুলে দাঁড়াবে। সাধারণ মানুষের অধিকার
স্বীকৃত হবে।
কলিযুগের বৈশিষ্ট্য শ্রীরামকৃষ্ণ বললেন – কলিতে অন্নগত প্রাণ মানুষ অন্নের সংস্থান করতেই সর্বদা ব্যস্ত। জীবন ও জীবিকার সন্ধানে
মানুষকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। কিন্তু এই যুগে মানুষ ভক্তি প্রবণ। তাই কলিতে ভক্তিপথ হল
সহজ পথ।
অন্নগত প্রাণ হওয়ার ফলে মানুষের মন অন্নময় কোষেই মগ্ন। চেতনার স্তর তাই অন্নময়
কোষ ছাড়িয়ে প্রাণময়, মনোময়, বিজ্ঞানময় ও আনন্দময় কোষের দিকে যাত্রা করতে পারে না। সারাদিন রাত শরীর ধারণ ও পোষনের জন্যই মানুষ ব্যস্ত। চেতনার উন্নততর স্তরে আমাদের বোধকে উদ্বোধিত করতে শ্রীরামকৃষ্ণ বললেন 'তোমাদের চৈতন্য হোক'। আমাদের চেতনার স্তরকে ঊর্দ্ধমুখী করতে
আশীর্বাদ করলেন। কিন্তু এখানে সত্য যুগ শুরু হল কী করে? এ কথা বিশ্লেষণ করতে হলে আমাদের ফিরে দেখতে হবে শ্রীরামকৃষ্ণের
আবির্ভাবের কাল ও ওই সময়ের অবস্থার উপর।
শ্রীরামকৃষ্ণ যখন আবির্ভূত হন তখন ভারতে বিদেশী শাসন চলছে। দারিদ্র্য, দুর্নীতি, অজ্ঞতা, নৈতিক অধঃপতন, কুসংস্কার ইত্যাদি সব দিক থেকে অন্ধকারাচ্ছন্ন
পরিবেশ। অন্যদিকে ঐ সময় পাশ্চাত্য সভ্যতাতে শুরু
হয়েছে যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তার ধারা। ভারতে ইংরেজ শাসনের ফলে সমাজে ও ব্যক্তি
জীবন ধারাতে এক নতুন
প্রাণ স্পর্শ দেখা দিয়েছিল। এই সময়ে সাহিত্য, ধর্ম, সমাজ ও রাজনীতিতে এক নব জাগরণ শুরু হল। তখন বাংলায়
আবির্ভূত হন কয়েকজন মহাপুরুষ যাদের হাত ধরে আধুনিক ভারত জেগে উঠছে। এলেন রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র প্রমুখ।
এই সময় এলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। তিনি মূলত ধর্মগুরু
হলেও তাঁর জীবন ও বাণী ভারতবর্ষের তমসাবৃত ঘন অন্ধকার ভেদ করে ধীরে ধীরে অরুণ রেখা ফুটে উঠতে শুরু করল। শৈশবকাল থেকেই শ্রীরামকৃষ্ণ ঈশ্বরলাভের জন্য ব্যাকুল ছিলেন। ঈশ্বরের অস্তিত্ব
তাঁর কাছে নিছক কোন ধারণা (concept) ছিল না
– ছিল পারমার্থিক সার্বিক সত্তা (Reality)। তাঁর কাছে ঈশ্বর
হলেন সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মূলতত্ত্ব। তাই তিনি বুঝলেন ঈশ্বরকে না বুঝলে মানুষের জীবনের কোন সার্থকতা নেই। সমগ্র প্রচেষ্টা নিয়োগ করলেন ঈশ্বরের সাধনায়। তীব্র ব্যাকুলতায় সম্পূর্ণ ঈশ্বর নির্ভর জীবনের সাধনায় লাভ করলেন অপরোক্ষ পরম
সত্য। মা ভবতারিনীর দর্শন লাভ করে জীবন সার্থক করলেন। শ্রীরামকৃষ্ণের
প্রত্যক্ষ অনুভূতির গভীরতা অনুধাবন করা যায়, যখন তিনি বলেন, 'এই যেমন তোকে দেখছি,
ঠিক তেমনি ভাবে তাঁকে দেখেছি’। শ্রীরামকৃষ্ণ সাধনা
করলেন তন্ত্রমত, বৈষ্ণবমত, রামাইত শৈবমত ও শেষে অদ্বৈত সাধনায় সিদ্ধ হলেন। এমনকি খ্রীষ্টধর্ম ও ইসলাম ধর্মের চরম উপলব্ধি তিনি
লাভ করলেন। দেখলেন সব পথ দিয়েই সত্য লাভ করা যায়। 'যো কুছ হ্যায় সব তুঁহি হ্যায়'। ঘোষণা করলেন সকল মত ও পথের সমন্বয় সাধন করে ‘যত মত তত পথ'।

ঈশ্বর হলেন সত্য স্বরূপ। শ্রীরামকৃষ্ণের সব তত্ত্বদর্শনের মূলে ছিল সত্য।
মায়ের কাছে সব কিছু নিবেদন করে দিলেও সত্যকে নিবেদন করতে পারেননি। 'এই নাও তোমার
জ্ঞান, এই নাও তোমার অজ্ঞান আমায় শুদ্ধা বুদ্ধি দাও। এই নাও তোমার শুচি, এই নাও
তোমার অশুচি, আমায় শুদ্ধাবুদ্ধি দাও। এই নাও তোমার পুণ্য, এই নাও তোমার পাপ। আমায়
শুদ্ধা বুদ্ধি দাও'। কিন্তু বলতে পারলাম না এই নাও তোমার সত্য, কারণ সত্য দিলে তো
সবই মিথ্যা হয়ে যায়।
শ্রীরামকৃষ্ণ যে নব জাগরণের যুগে আবির্ভূত হলেন এ যুগে মানুষ অলৌকিকতায়
বিশ্বাস করে না। ধর্ম মানে কিছু আশ্চর্য অলৌকিকতা নয়, এ কথা যুক্তি ও বিচারশীল মানুষ বিশ্বাস করে। তাই বৈজ্ঞানিক যুক্তি বিচারের ওপর শ্রীরামকৃষ্ণের অধ্যাত্ম তত্ত্ব
প্রতিষ্ঠিত। প্রাচীন ধর্মে বিশ্বাসের উপর খুব বড় স্থান দেখা যায় সত্য, কিন্তু
বিশ্বাসেরও ভিত্তি হল পরীক্ষা নিরীক্ষা। শ্রীরামকৃষ্ণ তাই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব
অন্বেষণ পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রত্যক্ষ বা সত্যের সন্ধান পেয়েছেন। বিজ্ঞান চর্চাতেও
বিশ্বাসের স্থান রয়েছে। শ্রীরামকৃষ্ণ হলেন সত্য পথের মহা অভিযাত্রী ও সত্যজ্ঞানী।
তিনি কেবল জ্ঞান সমুদ্রের একটি আবিষ্কারে ক্ষান্ত হননি। বহু অভিযান বহু পরীক্ষা
নিরীক্ষা করে সত্যকে সর্ব সাধারণের কাছে প্রকাশ করেছেন। যে কোন একটি পথ অবলম্বন
করে সিদ্ধ হতে সাধকের যেখানে জন্ম জন্ম কেটে যায় সেখানে দক্ষিণেশ্বরের পূজারী ব্রাহ্মণ দীর্ঘ বারো বছরের সাধনায় সব কিছু মত ও পথকে সত্য বলে ঘোষণা করলেন। তাই
শ্রীরামকৃষ্ণের ধর্ম বা ঈশ্বর, কোন নিছক তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত ও কেবল বিশ্বাস অবলম্বন
করে অনন্তকালের সীমাহীন যাত্রা নয়। এ
যাত্রা নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে নিয়ে যায়, কারণ তা সত্যে প্রতিষ্ঠিত।

পঞ্চবটী
শ্রীরামকৃষ্ণের বাণী নতুন জীবনের প্রতি এক প্রেরণা। তাঁর ‘যত মত তত পথ’ সমন্বয় বাণী ও মানুষ
গড়ার বার্তা প্রতিটি মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। প্রথিতযশা সমাজ বিজ্ঞানী অধ্যাপক
বিনয়কুমার সরকার বলছেন- প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সর্বত্র বিভিন্ন সামাজিক স্তরের প্রতিটি
মানুষ কয়েকটি সহজাত ভীরুতায় ভোগে – রামকৃষ্ণের বাণী উচ্চ-নীচ সকলকেই ভীরুতা জয় করতে
সাহায্য করে। তাদের আত্মবিশ্বাস উদ্বুদ্ধ করে”।
সত্যের পূজারী শ্রীরামকৃষ্ণ সকল ধর্ম মত ও পথের সমন্বয় করে একদিকে যেমন
সকল শাস্ত্রকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করলেন, তেমনি তাঁর আবির্ভাবের মৌলিক অবদান ও রেখে
গেলেন।
কী এমন মৌলিক অবদান যা বর্তমান সমাজ বা জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে।
১) হিন্দুধর্মের মধ্যে যে বিভিন্ন দার্শনিক চিন্তা যথা দ্বৈত, অদ্বৈত ও
বিশিষ্টাদ্বৈতের মধ্যে সমন্বয়।
২) ঈশ্বরের সাকার ও নিরাকার সাধনের সমন্বয়।
৩) কর্ম, জ্ঞান, ভক্তি ও যোগের মধ্যে সমন্বয়।
৪) সনাতন ধর্ম ছাড়াও বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, ইসলাম প্রভৃতি ধর্মের সমন্বয়।
৫) বেদ, পুরান ও তন্ত্রের মধ্যে সমন্বয়।
৬) দেখালেন, মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য ঈশ্বরলাভ
তিনি কেবল পর ধর্ম সহিষ্ণুতার কথা বললেন তা নয়, সকল ধর্ম
সত্য বলে বললেন। তিনি ছিলেন হিন্দুর কাছে হিন্দু, মুসলমানের
কাছে মুসলমান, খ্রীষ্টানের কাছে খ্রীষ্টান, দ্বৈতবাদীর কাছে দ্বৈতবাদী,
অদ্বৈতবাদীর কাছে অদ্বৈতবাদী, শাক্তের কাছে শাক্ত, বৈষ্ণবের কাছে বৈষ্ণব, ভক্তের কাছে
পরম ভক্ত ও জ্ঞানমার্গীর কাছে পরম জ্ঞানী।
শ্রীরামকৃষ্ণ ব্যবহারিক ও
পারমার্থিকের বিবাদ দূর করলেন। ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’ এই বেদান্ত বাণীর ইতিবাচক
দিক জগৎ ব্রহ্মময় এর ওপর জোর দিলেন। তাঁর জীবন দর্শনের মূল লক্ষ্য হল মানব জীবন, পরলোক,
স্ব্বর্গসুখ ইত্যাদি নিয়ে বেশি মাথা ঘামাননি তিনি। তিনি জোর দিলেন এখনই যে যেখানে আছে,
সেখান থেকে অগ্রসর সত্যের দিকে, অমৃতময়
মহা জীবনের দিকে। এগিয়ে চল – কথামৃতের সার কথা। তিনি ব্রহ্মচারী ও কাঠুরের গল্পের
ভেতর দিয়ে সকলকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দান করলেন।
এ থেকে প্রেরণা পেল সব পিছিয়ে পড়া মানুষ, সব পিছিয়ে পড়া দেশ। ধর্মকে তিনি
রক্ষা করলেন পরলোকের কবল থেকে। এই জীবনেই পূর্ণত্ব প্রাপ্তি, পূর্ণশক্তি ও
মনুষ্যত্বের উন্মোচন – ধর্মের এই মহান লক্ষ্যের দিকে শ্রীরামকৃষ্ণ আমাদের
দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়েছেন।
ধর্মকে তিনি অর্থহীন আচার ,নিয়ম, কুসংস্কার ও পুরোহিতের কবল থেকে রক্ষা
করেছেন। তাঁর বাণী ও জীবনের ভিত্তিতে স্বামীজী দেখিয়েছেন প্রতিটি কর্মই পূজা,
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই ঈশ্বরসাধনার ক্ষেত্র। মানুষের সংসার, সমাজ, কর্মক্ষেত্র
সব কিছুই তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে।।
ব্রহ্ম যেমন সত্য এই জগৎও একই ভাবে সত্য, অন্ততঃ ব্যবহারিক দিক দিয়ে। তাই
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেন চোখ বন্ধ করে ধ্যান করছিলাম ভালো লাগল না। চোখ বন্ধ করে যে
ঈশ্বরের ধ্যান করছেন চোখ খুলে যে জগৎ তিনি দেখছেন , তা যে ঈশ্বর থেকে ভিন্ন নয় এটি
ছিল শ্রীরামকৃষ্ণের প্রত্যক্ষ অনুভব। তাই তিনি মানুষের দুঃখে বিচলিত হয়ে বলেন – খালি পেটে ধর্ম হয়
না। মানুষের মৌলিক চাহিদা তার ক্ষুধার অন্ন এবং একই সঙ্গে উচ্চতর আধ্যাত্মিক
জীবনের গুরুত্ব তিনি অনুভব করেছেন।
ব্যবহারিক ও পারমার্থিক দুই জগতের মিলনে মানব সভ্যতার পূর্ণ বিকাশ।
শ্রীরামকৃষ্ণের ‘জীবই শিব’ এই বাণীর তাৎপর্য বলতে গিয়ে রোমাঁ রোলাঁ বলেছেন – যদি তিনি অন্যান্য
মিস্টিক সাধকের মতো দুঃখ থেকে পরিত্রাণের জন্য জীবন থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন না করে নিয়ে থাকেন, তবে তার কারণ
তাঁর বিশ্বজনীন মানবপ্রেম – মানবপ্রেম তাঁর তৃতীয় নয়ন উন্মিলীত করে দিয়েছিল, যার
ফলে মুহূর্তের মধ্যে তিনি দেখেছিলেন, ‘জীবই শিব’ প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীই ঈশ্বর। সুতরাং ঈশ্বরকে ভালবাসতে চাইলে দুঃখের মধ্যে, যন্ত্রণার মধ্যে, পীড়িতের মধ্যে
আর্তের মধ্যে ,সুখে - দুঃখে ,ভালো-মন্দে আলো-অন্ধকারে সৎ অসতে, সাধু-অসাধু প্রভৃতি
নানা বৈচিত্রের মধ্যেও ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করতে হবে।
সত্যযুগ বলতে তাই সেই যুগকে বোঝায় যে যুগে মানুষের
মনুষ্যত্ব পূর্ণ বিকশিত হয়েছে। প্রকৃত ধর্ম জীবন লোক
চক্ষুর অন্তরালে গড়ে ওঠে। তাই বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে যদি
মনে করি সব কিছু
ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, এ সিদ্ধান্ত সঠিক হবে না। কারণ, কোন যুগেই সকল মানুষই সৎ
উন্নত চরিত্রের হবে এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। কাজেই কিছু মানুষ সব কালেই সৎ ও উন্নত ও থাকবে
যাদেরকে লক্ষ্য করেই শ্রীরামকৃষ্ণ সত্য যুগের সূচনার কথা বলেছেন।
স্বামীজীর সত্য দৃষ্টি কখনো ভ্রান্ত হতে পারে না,
ভবিষ্যতের ভারত এত উন্নত হবে যে তার অতীতের সব গৌবব ও যশগাথা ম্লান হয়ে যাবে। যিনি একটি
নতুন যুগের অগ্রদূত, যাঁর মধ্যে যুগের দার্শনিক চিন্তা পরিপূর্ণ রূপ পেয়েছে তাঁর
আবির্ভাবের কাল থেকে যে সত্যযুগ এর শুরু হয়েছে সে কথাতে কোন সন্দেহ থাকার কথা নয়।
এ জগতে দু প্রকার শক্তি রয়েছে। একটি জড় শক্তি অন্যটি চেতন শক্তি। এই জ়ড়
শক্তিকে চোখ দিয়ে দেখা যায়, ইন্দ্রিয় দিয়ে বোঝা যায় তাই অধিকাংশ মানুষ এটি বিশ্বাস
করে। অন্য যে শক্তি তা হল চেতন শক্তি বা আধ্যাত্মিক শক্তি। যা চোখে দেখা যায় না,
ইন্দ্রিয় দিয়ে বোঝা যায় না। তাই অধিকাংশ মানুষ এটি নেই বলে মনে করেন।।
বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যার যুগ, জড় বাদের যুগ। এখন মনে হতে পারে
এখানে শ্রীরামকৃষ্ণ যে আধ্যাত্মিক শক্তির কথা বললেন তার স্থান কোথায়। কিন্তু আমরা
যদি একটু তলিয়ে দেখি দেখব যে বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতায় বিরো্ধ নেই।
কারণ, বিজ্ঞান মানুষের ব্যবহারিক ও জাগতিক চাহিদা মেটায়। অন্য দিকে
আধ্যাত্মিকতা মানুষের মানসিক উন্নতি ঘটায়। তাই এই বিজ্ঞানের যুগে প্রাণ সঞ্চার
করতে শ্রীরামকৃষ্ণের প্রয়োজন।
আমরা এখন বিশ্বায়নের(Globalization) যুগে বাস করছি। শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনে ও সাধনায় বিশ্বায়নের
অপূর্ব প্রতিফলন ঘটেছে। তাঁর প্রচারিত ধর্ম বিশ্বজনীন, তাঁর মানববোধে দেশকালের
পার্থক্য থাকে না, তাঁর সাধনা কোন বিশেষ শ্রেণির মানুষের জন্য নয়, সমগ্র মানব
জাতির জন্য। শ্রীরামকৃষ্ণের অদ্বৈত সাধন ও 'যত মত তত পথ' রূপ সিদ্ধি সমগ্র বিশ্বকে
এক সূত্রে বেঁধেছেন – এর চাইতে বড় বিশ্বায়নের
উদাহরণ আর কি হতে পারে!
বিজ্ঞানের কল্যাণে আমাদের ব্যবহারিক জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য এসেছে ভাল,
কিন্তু অভাব বোধ যায়নি। এই অপূর্ণতাকে দূর
করতে হলে যে পথ অবলম্বন করতে হবে, যে হারিয়ে যাওয়া আত্নসম্বিত ও মনুষ্যত্ব অর্জন
করতে হবে – এই দিক নির্দেশ
শ্রীরামকৃষ্ণ দিয়েছেন। জীবনের অপূর্ণতা চিরকালের জন্য দূর করতে হলে আধ্যাত্মিত
চেতনার উন্মেষ ঘটাতে হবে। যাকে শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন – মানব জীবনের উদ্দেশ্য ঈশ্বরলাভ, ঈশ্বরই বস্তু আর সব
অবস্তু। এই সত্য লাভ করতে হলে প্রথমে আমাদের মনুষ্যত্বের অধিকারী হতে হবে। এই
জ্ঞানই সমাজ শ্রীরামকৃষ্ণের সমাজ চেতনার মূলকথা। যে কথা স্বামীজী মনুষ্যত্বের
বিকাশের জন্য আহ্বান করেছেন – ‘এস মানুষ হও। তোমরা কি মানুষকে ভালবাসো? তা হলে এস,
আমরা ভাল হবার জন্য – উন্নত হবার জন্য প্রাণ পণে
চেষ্টা করি।‘ এই মনুষ্যত্ব বিকাশ হলে
ধর্ম, সমাজ, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্ল প্রভৃতি সমস্ত ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন আমরা
দেখতে পাই। শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনে এই সমস্ত ভাবের বিকাশ ঘটেছিল। তিনি ছিলেন এক
পূর্ণাঙ্গ দেবমানব।
এই সব ভাব সমগ্র জগতে জাগরিত করতে ও জীবনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ এসেছিলেন। আমরা এখন তাঁর খুব সামান্যই দেখতে পাচ্ছি। এমন একদিন আসবে যেদিন সমগ্র বিশ্ব রামকৃষ্ণময় হয়ে উঠবে। ©
***************************************************************************************
Khub valo laglo
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো। মহারাজ, এভাবে আপনি আমাদেরকে সমৃদ্ধ করুন। প্রনাম নেবেন। 🙏
DeleteKhub bhalo laglo. Pronam Maharaj. Joy Thakur 🙏🙏🙏
Deleteখুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteঅবশ্যই একদিন বিশ্ব রামকৃষ্ণ ভয় হয়ে উঠবে। অসাধারণ একটি লেখা পড়লাম মন্ত্র মুগ্ধের মত। একথা সত্য যে স্বামীজি বলে গেছেন যেদিন শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের জন্ম হয়েছে , সেদিন থেকেই সত্য যুগের শুরু হয়েছে। এই প্রশ্ন অনেকের কাছেই। আমারও।কিন্তু আপনার লেখা পড়ে সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম।
ReplyDeleteজয় রামকৃষ্ণ 🙏🙏🙏 জয় মা জয় স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🌺 আপনার কাছে চীরকৃতজ্ঞ থাকবো। ভালো থাকবেন মহারাজ 🙏🙏
দেবশ্রী বিশ্বাস বহরমপুর থেকে
অপূর্ব ব্যাখ্যার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা তবু একটু বলতে ইচ্ছে করছে এই অধমের যে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে এইপ্রবাদ বাক্যটি একেবারে চির সত্য যার একমাত্র চৈতন্য হোয়েছে সেই বুঝতে পেরেছে । আমাদের ঠাকুর তো চৈতন্যের হওয়া বইয়ে দিয়ে গিয়ে ছেন
ReplyDeleteApurbo. এই পুরো লেখাটা আত্মস্থ করতে সময় লাগবে। অনেক কথাই , অনেকবার শুনেছি,আপনারই কাছে তবুও হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনি একাগ্রতার অভাবে। প্রণাম আচার্য দেব 🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ ভীষণ ভালো লাগলো পড়ে ! ঠাকুরের কথা বার বার পড়তে ও শুনতে ইচ্ছে করে! জয়তু শ্রী রামকৃষ্ণ! 🙏🌷🙏প্রণাম মহারাজ!🙏🌻🙏
ReplyDeleteKhub valo laglo Maharaj. Jibaner moulik chahida r sathe sathe. Amader jibaner ashol uddesya. Ki. Seta khub sundarvabe byakhya karehen. 🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏🏻কি অপূর্ব লিখেছেন,এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম 🙏🏻
ReplyDeleteঅনেক শ্রদ্ধা ও সশ্রদ্ধ প্রণাম 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
কৃষ্ণা মুখার্জী হাওড়া
অপুর্ব বার্ বার্ পরতে মন্ চায়
ReplyDeleteঅনবদ্য, অসাধারণ রচনা, শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের উপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ লেখা,যেটী একটি ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি, প্রনাম জানাই মহারাজ 🙏🙏🌹🌹 জী কে, প্রতি দিন সমৃদ্ধ হচ্ছি আপনার আলোকস্পর্শে।
ReplyDeleteঅসাধারণ ঠাকুরের কথা যত শুনবো তত আরো বেশি করে জানতে ইচ্ছা হয় ঠাকুর ই সত্য ঠাকুরের অমৃত বানী আপনাদের চলতে শেখায় এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে আপনার জন্য আপনার শ্রী চরণে এসে আমরা নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করবো আপনার কাছে এসে আমরা নিজেকে ধন্য মনে করি প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব শিখা মন্ডল ব জ ব জ
ReplyDeleteজয়তু রামকৃষ্ণ।🙏🙏🙏।আপনার কাছে শেখার শেষ নেই মহারাজ জী। জবা সিন্হা।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম করে লেখা,ঠাকুরের কথা পড়লাম। খুব ভাল লাগল। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করি আবার সত্য যুগের সূচনা হোক।ঠাকুর এই জগতে অবতীর্ণ হোন।সকল মানুষকে চৈতন্য করে দিন।জয় ঠাকুর।
ReplyDeleteAsadharon lekhoneer madhyme vedmurti thakurer jhoveevuto dhormojogoter jot sompad apurba bakybinyase somridh khub khub sundar pronam maharajji
ReplyDeleteঅসাধারন লেখা খুব ভাল লাগলো মহারাজ
ReplyDeleteসুব্রত ঘোষাল
মুম্বাই
শ্রী রামকৃষ্ণ এর মৌলিক অবদান এক কথাই অসাধারণ। যুগে যুগে যা প্রতিফলিত হয়ে মানুষ কে নিত্যমুক্তির পথ দেখাবে।
ReplyDeleteএই লেখনী তে অপূর্ব সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে সেই রূপ টি।
সশ্রদ্ধ প্রনাম মহারাজ 🙏🏻🙏🏻
এক কথায় অনবদ্য
ReplyDeleteঅপুর্ব জয়তু শ্রী রামকৃষ্ণ দেব
ReplyDeleteKhub sundor bekhay khub bhalo laglo. Pronam neben Maharaj.
ReplyDeleteAshadharon lekha ,jato pori bhalo lage
ReplyDeleteএতো সুন্দর ব্যাখ্যা ও শ্রীশ্রীঠাকুরের অমৃতময় কথার বিশ্লেষণ পড়ে সমৃদ্ধ হলাম এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
জয় ঠাকুর
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ 🙏
খুব সুন্দর একটি উপহার পেলাম , শ্রীশ্রীঠাকুরের কথা যতই পড়ি মনটা শান্ত স্নিগ্ধ , সুন্দর ও পবিত্র হয়ে যায় ।
আপনি হোলেন মনোমুগ্ধকর উদ্যান যা আমাদের প্রানকে প্রস্ফুটিত করে । একটি শান্ত আনন্দ প্রদান করে । 🍀🙏🍀
Asadharan lekha maharaj amra samridha hocchi pranam maharaj 🙏apnake
ReplyDeleteখুব ভালো লাগে পড়তে . শত কোটি প্রনাম .
ReplyDeleteঅপূর্ব ,খুব ভালো লাগলো মহারাজ।ঠাকুর সম্বন্ধে অনেক তথ্য জানতে পারলাম। প্রতি রোববার আপনার তথ্য সমৃদ্ধ লেখা পড়ে অনেক নতুন কথা জানতে পারি।এত সুন্দর লেখা পড়ে মনে আলাদা অনুভূতি হয়।আপনার মত গুরু পেয়েছি বলেই আমরা ধন্য,আমাদের জীবনে আমাদের পরম পাওয়া।ভক্তি পূর্ণ প্রনাম নেবেন আমার মহারাজ।
ReplyDeleteএত অল্প পরিসরে, ঠাকুরের
ReplyDeleteমৌলিক অবদানের এত সুন্দর পরিবেশন অসাধারণ লাগল মহারাজ, সকলকে শেয়ার করে জানাতে ইচ্ছা করছে।
ঠাকুরের চরণে আমার ভূলুণ্ঠিত প্রণাম জানাই 🙏🌷🙏
আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করুন মহারাজ 🙏🙏🙏 সুমিত্রা সরকার, লেকটাউন 🙏
অপূর্ব লাগলো।পড়বার সময় নিজেকে ভুলে গিয়েছিলাম। ইন্দিরা ভট্টাচার্য বিষ্ণুপুর
ReplyDeleteখুব প্রাসঙ্গিক।
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা, অপূর্ব ব্যাখ্যা।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDelete🙏🙏জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ 🙏🙏
ReplyDeleteপরম পূজ্য সপ্রতিভ শ্রীগুরুজী মহারাজ আমাদের পবিত্র আধ্যাত্মিক সূর্য। -কি সুন্দর ভাবে সবসময় পবিত্র আলোক প্রদান করে চলেছেন!! প্রাণের ঠাকুরের এত মধুর সুন্দর জীবন দর্শন!! -কি যে মহিমাময় সুন্দর!! অনেক বার পড়লাম, মনটা বেশ সুন্দর রামকৃষ্ণ-ময়!! সত্যি মহারাজ,-আপনার আন্তরিক শুভ প্রচেষ্টায় আমরা মুগ্ধ -ধন্য -কৃতার্থ। খুব ভালো থাকবেন আপনি। ভক্তিভরে নত শিরে অসংখ্য প্রণাম ওই পবিত্র শ্রীচরণ যুগলে।
বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা নিরন্তর-
*******************************
মহারাজ ভীষণ ভালো লাগলো পড়ে। ঠাকুরের কথা যতই পড়ি বা শুনি মন প্রান শুদ্ধ হয়ে যায়।প্রনাম মহারাজ 🙏🙏🙏 ভালো ও সুস্থ থাকুন ।
ReplyDeleteKi vlo laglo ta boghate parbo na. Maharajer chorone soto koti pranam
ReplyDeleteসত্য ই কলির তপ্যসা।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo
ReplyDeleteঠাকুরের আশীর্বাদে আপনাকে পেয়েছি , আপনার কাছে শেখার শেষ নেই মহারাজ জি 🙏আপনি আমাদের কাছে ঈশ্বরের উপহার ।। জয় মা 🙏জয় ঠাকুর 🙏 জয় স্বামীজি 🙏💐💐💐
ReplyDeleteKhub bhalo laglo
ReplyDeleteThakurer maulik abadan er samparke pore khub e bhalo laglo. Tini e akmatra bolechhen jata mat tata path. Tato tini sadhnar madhya diye bujhiye diyechhen. Pronam maharaj. Krishnadey.
ReplyDeleteঅসাধারণ সুন্দর একটি লেখা, গভীরতায় অনন্য। সমন্বয়ের বার্তা যা শ্রীরামকৃষ্ণদেব দিয়েছেন তা এত সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে যে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সম্পূর্ণ লেখাটাই অসাধারণ। সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏 প্রণাম ঠাকুর-মা-স্বামীজি 🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ
ReplyDeleteApurbo...bhison bhalo laglo
ReplyDeletemaharajji..pranam 🙏
প্রণাম মহারাজ । অনেক সমৃদ্ধ হচ্ছি।
ReplyDeleteমন্তব্যসমূহ
ReplyDeleteঅসাধারণ। পড়ে খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteপ্রণাম নেবেন।
.... শুচিস্মিতা কর,
পানিহাটি।
খুব ভালো লাগলো ।প্রণাম জয় ঠাকুর । প্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো, মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল 🙏🏻
Deleteজয় ঠাকুর
ReplyDeleteKhub bhalo laglo 🙏🙏🙏 pronam
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ।অপূর্ব ব্যাখ্যা। 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteApurba ai lekha pare nije anek samriddha halam pranam maharaj
ReplyDeleteআহা অপূর্ব 🙏🙏🙏🙏🙏, তাঁকে এইভাবে তারা ধরে আছেন আর প্রচারে র মাধ্যমে মানুষ কে শান্তি এনে দিচ্ছেন তাঁদের ও প্রনাম 🙏🙏
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah
ReplyDeletePronam Maharaj 🙏
Apurbo sundor bakhya pore jibon samridhya holo..nijeke vagyoban mone hoi ai rokom guru mararaj ke peye..
Asadharon lekhoni Maharaj.Apner lekha pore anek kichu shikte r jante parchi.🙏
ReplyDeleteজয়তু ভগবানপুরুষোত্তম শ্রীরামকৃষ্ণায়ঃতে নমো।অসংখ্য প্রনাম নেবেন মহারাজ।খুব সুন্দর পোষ্ট ।অসাধারন তাঁর বিশ্লেষন এত অল্প কথার মধ্যে ঠাকুর জানা বা মনে রাখা আমাদের পক্ষে সহজ করে দিয়েছেন তা আপনার পক্ষে ই সম্ভাব।খুব আনন্দ পেলাম পড়ে।
ReplyDeleteজয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি।
Bulu Mukherjee 🙏
ReplyDeleteঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের মৌলিক অবদানের বিষয়ে এত বিস্তৃত আলোচনা অত্যন্ত সহজভাবে উপস্হাপন করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই মহারাজ।প্রতিটি বিষয় নূতন ভাবে আমরা অবগত হচ্ছি। সশ্রদ্ধ প্রণাম
জানাই আপনাকে।,
খুব ভালো লাগলো মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। অনেক অনেক কিছু লেখার মাধ্যমে জানতে পারছি।
ReplyDeleteজয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজি জয় গুরুদেব। 🌹🌹🌹
প্রণাম মহারাজ। 👏
Opurbo lekhoni...Thakur apnake pathiachen .amader udhr korar jono...porte porte sudhu apner mukhtai vese uthchillo...Thakur r ki osim kripa j amra apnake peyechi .sotojuk na ale ki amra apnake petam..valo thakben Maharaj.... Bangalore theka supriya Majumdar
ReplyDeleteAsadharon lekhoni Maharaj. Apner chorone Sotokoti pronam janai.
ReplyDeleteSujata Dutta .Kolkata.
প্রনাম মহারাজ। খুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteApurbo laglo Maharaj. Ebhabei apni amader samriddhi karun
ReplyDeleteMaharaj thakur apnake bhalo rakhun. Amra roj somridho hochi. Anyek na jana kotha apner lekha pore jante pari. Ei prithibi ekdin ramkrishna moy hoye uthebe jene nijer jonno bhalo laglo. Pranam neben. Kabita roy behala
ReplyDeleteMaharaj ji pranam neben. Thakur maa, swamiji charana sotokoti pranam. Apnake thakur aro sakti din.
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ জী
ReplyDeleteখুব ভাল লাগছে।পড়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি।
অপূর্ব লাগলো "শ্রী রামকৃষ্ণের মৌলিক অবদান"
ReplyDeleteঅসাধারণ লাগলো আপনার লেখা "শ্রী রামকৃষ্ণের মৌলিক অবদান" আচার্য দেব এতো ভালো লাগলো যেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। যে ব্লগ টাইপড়ি মনে হয় সেটাই সবথেকে ভালো। পড়ে আপ্লুত হয়ে যাই।প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব।। অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।।
ReplyDeleteOsadharan kotha aj janlam.... Pronam moharajji
ReplyDeleteKhub valo laglo .pronam maharaj..🙏apnake pechi....eta ishwarer anek ashirbad...amra ektu ektu kore samridho hochi.Jay Thakur,Jay Maa Jay Swamiji.....supriya Saha...club town paradise
ReplyDeleteKhub valo laglo ...pronam maharaj 🙏🙏lekha pore ektu ektu kore samridho hochi
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। আমার শতকোটি প্রনাম নেবেন।
ReplyDeleteঅপূর্ব, খুব ভাল লাগল
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। এই রকম আরও অনেক ইষ্টপ্রসঙ্গ কথা জানতে পারলে খুব ভালো লাগবে। অপেক্ষা করে থাকবো। মহারাজ আপনি আমাদের প্রেরণা, প্রনাম নেবেন আমার 🙏🏻
ReplyDeleteApurbo, anobodyo ato sundor sundor lekha porar soubhagyo hobe vabte pare ne, pronam neben I moharaj ,
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো। প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteKrishna Biswas- Hyderabad
ReplyDeleteঅপূর্ব আপনার লেখার আকর্ষণ চুম্বক ছাড়া কিছু ভাষা পাচ্ছিনা ব্যক্ত করার যতো পড়ছি তত টানছে আবার পড়ছি.....
প্রণাম নিবেদন করছি. ঠাকুর আপনাকে খুব ভালো রাখুন এই প্রার্থনা
Khub khub bhalo laglo
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হলাম
মহারাজের চরণে জানাই অসংখ্য সশ্রদ্ধ প্রনাম🙏
আচার্যদেব আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন ।খুব ভালো লাগলো পড়ে, তবে বার বার পড়ে বোঝার চেস্টা করতে হবে অনেক কঠিন কঠিন কথা আছে ।
ReplyDeletelc
ReplyDeleteমহারাজ অনেক অজানাকে জানতে পারছি, ধন্যবাদ মহারাজ, ভাল থাকুন মহারাজ সুস্থ থাকুন মহারাজ।
ReplyDeleteএ এমন লেখা য়া বারবার পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে । প্রনাম মহারাজ
ReplyDeleteSasradhya Pranam janai Prabhuji, apurba/satya upasthapana o byakha Swamijir kathar 'Jedin Sri Ramakrishna janmechen (1836), sei din theke Satya Jug eseche o sakal bhedabhed jemon 'meye-purush, dhani-nirdhan, pandit-murkha, brahman-chandal' sab tini dur kore diye gechen. Ei sambandhe amra Kalchakrer char juger mahatya jante pari, Kali juge manush annagata pran,manush annagata kosh chariye Pranammoy, Manomoy, Bigyanmoy o Anandamoy kosher dike jatra korte pare na tai, Sri Ramakrishna manush er madhye chetanar star udhodita korte, Ashirbad kore bollen 'Tomader Chaitannya Hok' . Swamijir kathay - tnar abirbhabe Satya Jug kibhabe suru holo - tar bistarita byakha path kore amra nana tathya jene samridha hoyechi, takhan Bharate bideshi sasan, nana bhabe andhakarachhanna abastha, , annyadijke paschatya sabhyatar suru o Bharate tar prabha, kichu Mahapurusher abirbhabe Bharat jege utheche, Rammohan, Bihyasagar, Bamkim Chandra pramukh, sab bibhinnaya samaye apnar classe amra jenechi, abar ta susangbadha bhabe jenete pere amra kritagya.
ReplyDeleteSri Ramakrishner moulik abadan, path kore bujhlam keno tar abirbhab kal theke Satya Juger suru bala hoyeche, Manusher madhy Chetana jagano, Iswar ke jana, Iswar labh e ekmatra mnushya janmer uddeshya o ekdin satyai jagat sangsar Sri Ramakrishna moy hoy uthbe tate kono sandeha nei. Ei pratibedan path kore amra mugdha o atmik bhabe samridha holam. Antorik sradhya o pranam janai Prabhuji, apni amader je Gyan Dan kore chalechen, ta praman kare amra Satya Jugei achi.
Apnar sishya.
অত্যন্ত সুন্দর ও তত্ত্বাবধায়ক উপস্থাপনা। অনেক সমৃদ্ধ হলাম। প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏
ReplyDeleteএক কথায় অ-সা-ধা-র-ণ। সমৃদ্ধ হলাম
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ।
অসম্ভব সুন্দর ও জ্ঞান গর্ভ একটি নিবন্ধ।যেটা পড়ে আমাদের জ্ঞান লাভ ও ভক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে। আমাদের প্রানের ঠাকুর পরম মমতায় ও কৃপায় সহজ উপায়ে ঈশ্বর লাভ জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য, এরজন্য ভক্তি একমাত্র পথ তা বারবার বলে সকলের আধ্যাত্মিক চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছেন।
ReplyDeleteমহারাজ আপনার সহায়তায় আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি, কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
প্রণাম মহারাজ । কি অপূর্ব ব্যাখ্যা,, মনে হয় বার বার শুনি । শিখা হালদার
ReplyDelete🙏🙏-সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্ -🙏🙏
ReplyDeleteযাহা সত্য -তাহা সুন্দর -তাহাই ঈশ্বর!! সত্যি মহারাজ, আপনার তুলনা নেই, সত্য-সুন্দর-ঈশ্বরময় অমৃত জীবন গড়ার -মহান কারিগর আপনি!! পবিত্র পাঠ -ধ্যান - অপূর্ব প্রেরণায় ভরা শিক্ষনীয় গল্পচ্ছলে - ব্লক উদ্যানে নিপুণ সুন্দর লেখনীর মাধ্যমে -মনকে ঈশ্বর মুখী করে -কত সুন্দর ভাবে -আধ্যাত্মিক জগতে -পবিত্র লক্ষের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন!! বিনম্র চিত্তে পরম শ্রদ্ধা নিবেদন করি। খুব ভালো থাকবেন আপনি। ভক্তিপূর্ন অসংখ্য প্রণাম মহারাজ।
🙏-------------------------------🙏
Pronam Maharaj.🙏. Apurba lekhoni pore koto kichu shikte r jante parchi.Apni amader gyaner path e niye jachchen.Sotokoti pronam janai thakur ma r swamijir chorone🙏.. Sujata Dutta.Kolkata.
ReplyDeleteKhub Sundar, khub bhalo laglo Maharaj. Rina Pal, Newtown.
ReplyDeleteপ্রতিটি ব্লগ পড়ে মহারাজ খুব ভালো লাগছে, অনেক কিছু জানতে
ReplyDeleteপারছি, আপনি আমার ভক্তিপূর্ন প্রণাম গ্রহণ করুন, 🙏🙏🙏🙏
khub
ReplyDeletekhub bhalo laglo
ReplyDeleteখুব।ভাল লাগলো মহারাজ অসাধারন লেখা আমাদের দান করছেন।আমি এর ব্যাখা ভাষায় বোঝা্নো যায় না ।অনেক কিছুই
ReplyDeleteযানতে পারছি।
নাম হীন
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।ঠাকুরের কথা সব সময় জানতে চাই মহারাজ।প্রণাম মহারাজ।
জয়তু শ্রী রাম কৃষ্ণ। খুব ভালো লাগলো মহারাজ। এই রকম আরো লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম। ঠাকুরকে জানাই আপনি সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। শর্মিষ্ঠা ঘোষাল।
ReplyDeleteসশ্রদ্ধ চিত্তে সুন্দর আগামীর প্রতিক্ষায়----!! স্বভক্তি শ্রদ্ধা সহকারে বিনম্র প্রণাম মহারাজ।
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
-----------------------------------------
মহারাজ অপূর্ব লাগলো পড়ে,এত সুন্দর করে সবটা বুঝিয়ে দেন যে মনে গেথে যায়।
ReplyDeleteBlog ti pore khub valo laglo. Sarvopari apner bojanor aklanto chesta amader adyatik pothe egiye jaber janno prerona jogay. Pronam neben Maharaj ji🙏🙏🙏🙏. Ranjita mazumder. New Delhi
ReplyDeleteঅসাধারণ 🙏🏻
ReplyDeleteঅসাধারণ
ReplyDelete