শ্রীমা সারদাদেবীঃ ‘আমিই রাধা’
---- স্বামী হরিময়ানন্দ
শ্রীমা সারদাদেবীর মায়ের বাড়ীতে শুভ পদার্পণ উপলক্ষে
বিশেষ রচনা
শ্রীমা নিজের সম্পর্কে প্রায়ই নীরব থাকতেন। কখনও
অসতর্ক ভাবে হয়ত কিছু বলে ফেলতেন। বা কখনও খুব সামান্য কিছু কথা একান্তে কখনও
বলেছেন। তাঁর আধ্যাত্মিক ভাব বা বিভূতি যথাসাধ্য গোপন রাখতেন।
সাধারণ নারীরূপে
সংসারের নানা কাজে নিযুক্ত থাকতেন। স্নেহময়ী জননী রূপে অগণিত সন্তানের উপর
স্নেহাশিষ বিতরণ করেছেন। আবার
গুরুরূপে অধ্যাত্ম পথের দিশা দেখাচ্ছেন, কিন্তু এ সবের আড়ালে ছিল তাঁর প্রকৃত
স্বরূপ। কদাচিৎ তাঁর মুখ দিয়ে কিছু কথা বেরিয়ে পড়ত, যা অত্যন্ত গভীর ভাব ব্যঞ্জক।
এরকমই একটি কথা - ‘আমিই রাধা’।
ব্রজধাম বৃন্দাবনে জনৈক ভক্তের কৌতুহল নিবৃত্তির
উত্তর এটি। আসলে এই উত্তরের ভেতর রয়েছে আত্মপ্রকাশের স্পষ্ট ইঙ্গিত। আমরা মায়ের এই কথাটিকে তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার ভেতর দিয়ে অনুচিন্তন করবার চেষ্টা করব।
শাস্ত্রকারেরা
বলেন ভগবান যখন মানব শরীরে আসেন, তখন তাঁর কাজ কর্ম ব্যবহার সবই মানুষের মত হয়।
ভগবানের যিনি লীলাসঙ্গিনী তিনি হলেন ভগবতী। ভগবতীও যখন মানবীরূপে পৃথিবীতে আসেন,
তিনিও মনুষ্য জীবনের সমস্ত সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করেই আসেন। অনন্ত অসীম স্বরূপকে
ঢেকে রাখেন যথাসম্ভব। তবুও কখনও কখনও ওই ‘ছদ্মবেশ’ –এর আড়াল
থেকে বিদ্যুৎ প্রভার মত আত্মস্বরূপ প্রকাশিত হয়ে পড়ে। সেই চকিত প্রকাশের চমৎকারিত্বে আমরা বিস্মিত হই এই ভেবে যে কে ছিলেন এই মা সারদা – তিনি কি দেবীরূপে মানবী, না-কি মানবীরূপে দেবী। ব্রজেশ্বরী
শ্রীরাধা যে বর্তমানকালে শ্রীমা সারদার
জীবনে প্রকট হয়ে উঠেছিল। সেই কাহিনিতে আসছি।
শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর সহধর্মিণীকে সীতা, সরস্বতী, আদ্যাশক্তি, মা ভবতারিনী
প্রভৃতি রূপে যেমন চিনেছিলেন,তেমনি উপলব্ধি করেছিলেন ‘রাধা’ রূপে। অত্যন্ত স্পষ্টভাবে
দক্ষিণেশ্বরে একদিন বলেন – ‘অনন্তরাধার
মায়া কহনে না যায়।/কোটি কৃষ্ণ কোটি রাম হয় যায় রয়’। এর দ্বারা তিনি মা সারদাকে কেবল রাধারূপে
নির্দেশ করেছেন, তাই নয় বলেছেন তিনি অবতারাদিরও কারণ, অনন্তগুণময়ী মায়া, যাঁর
ইচ্ছায় কোটি কৃষ্ণ,কোটি রামের সৃষ্টি, স্থিতি ও লয় হচ্ছে। একদিন দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণ মায়ের সামনেই গৌরী মাকে মজা করে জিজ্ঞাসা করেন "বল তো গৌর-দাসী, তুই কাকে বেশী ভালবাসিস?' এর উওরে তিনি গান গেয়ে জানিয়ে দিয়ে ছিলেন - রাই হতে তুমি বড় নও বাঁকা বংশীধারী!
লোকের বিপদ হলে ডাকে মধুসূদন বলে,
তোমার বিপদ হলে পরে বাঁশীতে বল, 'রাই কিশীরী'
কে এই শ্রীরাধিকা? ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে বলা হয়েছে ‘মমার্ধাংশস্বরূপা ত্বং মূলপ্রকৃতিরীশ্বরী’ অর্থাৎ শ্রীরাধা হলেন আমার (শ্রীকৃষ্ণের)
অর্ধাংশস্বরূপ এবং তিনি মূল প্রকৃতি ঈশ্বরী। স্বরূপত যিনি এক ও অদ্বিতীয় নরলীলা
আস্বাদনের জন্য তিনি দ্বৈতরূপ ধারণ করেন। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতেও পাই ‘রাধাকৃষ্ণ ঐছে সদা একই স্বরূপ ।
লীলারস আস্বাদিতে ধরে দুই রূপ’।।
শ্রীকৃষ্ণ স্বরূপত স্বয়ং ঈশ্বর। শ্রীরাধা তাঁর
শক্তি, মূর্তিমতী হ্লাদিনী শক্তি। রাধা শব্দের তাৎপর্য পুরাণে বলা হয়েছে, ‘র’ – বর্ণে কোটি জন্মের পাপ, ‘আ’ –বর্ণে গর্ভবাস, মৃত্যু ও রোগ, ‘ধ’- বর্ণে আয়ুর ক্ষয় এবং ‘আ’- এর দ্বারা সংসার বন্ধন বোঝায়। অর্থাৎ যাঁর নাম শ্রবণ, স্মরণ ও কীর্তন দ্বারা
এই সব দুঃখ বিনষ্ট হয় তিনি রাধা।
গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতে ভগবানের হ্লাদিনী শক্তি শ্রীরাধা নিত্যবৃন্দাবনে লীলা করে চলেছেন। অবতার ও অবতার শক্তির লীলাও চিরকালের নিত্যলীলা। কেবল নাম ভিন্ন, রূপ ভিন্ন ও অবস্থা ভিন্ন। কোন কোন ভাগ্যবান তা ধারণা করতে পারেন।
শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর শ্রীমা সারদা অত্যন্ত কাতর হয়ে
পড়েছিলেন। জীবন তাঁর কাছে তখন অর্থহীন বলে মনে হয়েছিল। একদিকে স্বামীর বিয়োগ ব্যথা
অন্যদিকে সহায় সম্বলহীন অবস্থা। এই সময়
কিছু ভক্তের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তীর্থ ভ্রমনের ব্যবস্থা করা হয়। যাতে
কিছুটা হলেও শোক ও অন্তরের ব্যথা কমবে। সেই উদ্দেশে কাশী, অযোধ্যা প্রভৃতি দর্শন
করে শ্রীমাকে বৃন্দাবনে নিয়ে আসা হয়। কলকাতার বলরামবাবুদের ঠাকুর বাড়ি বংশীবটে ‘কালাবাবুর কুঞ্জে’ এসে উঠলেন। দ্বাপর যুগে শ্রীকৃষ্ণের বিরহে কাতর
শ্রীরাধার চোখের জলে ব্রজভূমি অভিষিক্ত করেছিলেন। সেই বিরহ অশ্রুর প্রতি বিন্দু দিব্যপ্রেমের পুণ্য জ্যোতিতে আজও সমান ভাবে
উজ্জ্বল। এতকাল পর শ্রীরামকৃষ্ণের বিয়োগ
ব্যথায় কাতর শ্রীসারদারূপিণী শ্রীরাধা উপযুক্ত স্থানেই এসেছেন।
শ্রীবৃন্দাবনে কিছুদিন থাকবার পর ধীরে ধীরে অন্তরের
ব্যথা একটু কমতে থাকে। মায়ের সঙ্গীরাও নিজ নিজ কাজে ফিরে যান। শ্রীমা বিভিন্ন
মন্দির দর্শন ও ধ্যান জপ করেই বেশ আনন্দে ছিলেন। এই সময় শ্রীমা বৃন্দাবন পরিক্রমা করেছিলেন। এই সময়ের অপরূপ প্রাকৃতিক শোভা শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা
সরাসরি উদ্ধৃত করছি। “বৃক্ষে
বৃক্ষে শ্যামল শোভা, সমস্ত ভূমি নবোদ্গত তৃণাদিতে আচ্ছাদিত, বাতাসে বিবিধ কুসুমের
মনোহর সুবাস, দিকে দিকে ময়ূরের কেকা ও গাভীর হাম্বারব, নিঃশঙ্ক মৃগসমূহ পথপার্শ্বে
শষ্পাহার করিতে করিতে অকস্মাৎ মনুষ্য-পদশব্দে উৎকর্ণ হইয়া দ্রুত পলাইতেছে, আর
পুণ্য সলিলা কালিন্দী কল্কল-নিনাদে চঞ্চল গতিতে আপন মনে চলিয়াছে।সে বৃন্দাবনের
শোভা, সেই নিকুঞ্জকানন, সেই শ্রীরাধিকার বিরহাশ্রুসিক্ত ধূলিকণা সেই ব্রজ-গোপীর
সতৃষ্ণ-দৃষ্টি নিষ্ণাত ব্রজভূমি’’।
এই সব মনোরম দৃশ্য মায়ের মনে সততই ব্রজরাজ
শ্রীকৃষ্ণের দর্শন আকাঙ্খাকে জাগিয়ে তুলে ছিল। কৃষ্ণ-বিরহে রাধার হৃদয়ের আর্তি,
কুঞ্জে কুঞ্জে তাঁর প্রাণনাথের অন্বেষণ – এমনি কত কথাই হয়ত তাঁর মানস পটে উদ্ভাসিত হয়েছিল। পথ চলতে চলতে রাস্তাঘাট,
গাছপালা গভীরভাবে নিরিক্ষণ করছেন। যেন তিনি পথ
খুঁজছেন, যে –পথ তাঁর বহু
পরিচিত। আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই বিরহ ব্যথায় স্তব্ধ, মৌন ও তন্ময় ব্রজগোপীদের
প্রাণনাথের অন্বেষণের মধুর দিব্য প্রেমকাহিনি। গোপবালারা জিজ্ঞাসা করছে, হে
অশ্বত্থ, অশোক, তুলসী, চম্পকাদিকে যদি তারা প্রাণকান্ত নন্দনন্দনের সংবাদ দিতে
পারে।ব্রজভূমিকে জিজ্ঞাসা করছে, শ্রীগোবিন্দের পাদস্পর্শে তোমার দেহে কী সুন্দর
আনন্দ শিহরণের চিহ্ন।তুমি নিশ্চয় জানো আমাদের প্রাণবল্লভ শ্রীকৃষ্ণের সন্ধান।এই সব
চিন্তা ও দৃশ্যাবলির স্মৃতি মা সারদার মানস পটে নিশ্চয় প্রস্ফুটিত হয়ে থাকবে। তিনি
পথ চলতে চলতে মাঝে মাঝে ভাবাবিষ্ট হয়ে কোথাও দাঁড়িয়ে পড়ছেন। সঙ্গীরা মায়ের
এমন ভাব তন্ময়তার কারণ জানতে চাইলে শ্রীমা সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলছেন ‘না, চল’।
এখানে মনে করতে পারি, এই ঘটনার প্রায় আঠার বছর
আগে শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের অভিজ্ঞতা। তিনি তীর্থ দর্শনে এসেছিলেন শ্রীবৃন্দাবনে। বৃন্দাবন দর্শনের কথা তিনি নিজ মুখে
বলেছেন, ‘কালীয় দমনের ঘাট দেখামাত্রই উদ্দীপন হত – আমি বিহ্বল হয়ে যেতাম। হৃদে আমায় যমুনায় সেই ঘাটে ছেলেটির
মতন নাওয়াত। যমুনার তীরে সন্ধায় সময় বেড়াতে যেতাম। যমুনার চড়া দিয়ে
সেই সময় গোষ্ঠ থেকে গরু সব ফিরে আসত। দেখবামাত্র আমার কৃষ্ণের উদ্দীপন
হল। উন্মত্তের ন্যায় আমি দৌড়তে লাগলাম – কৃষ্ণ কই, কৃষ্ণ কই এই বলতে বলতে। পালকি করে শ্যামকুণ্ড
রাধাকুণ্ডের পথে যাচ্ছি, গোবর্ধন দেখতে লাগলাম। গোবর্ধন দেখবামাত্রই
একেবারে বিহ্বল, দৌড়ে গিয়ে গোবর্ধনের উপরে দাঁড়িয়ে পড়লুম –আর বাহ্যশূন্য হয়ে গেলাম। তখন ব্রজবাসীরা
গিয়ে আমায় নামিয়ে আনে। শ্যামকুণ্ড রাধাকুণ্ড পথে সেই মাঠ, আর গাছপালা, পাখি হরিণ – এই সব দেখে বিহ্বল হয়ে গেলাম।চক্ষের জলে কাপড়
ভিজে যেতে লাগল। মনে হতে লাগল, কৃষ্ণরে সবই রয়েছে, কেবল তোকে দেখতে পাচ্ছি না’।

শ্রীমা এখানে শ্রীরাধার ভাবে আবিষ্ট হয়ে সকলের অলক্ষ্যে যমুনায় চলে যেতেন। নিধুবনের কাছে
রাধারমণের মন্দিরে শ্রীবিগ্রহ দর্শন করতেন। বৃন্দাবনের দেব বিগ্রহের মধ্যে গোবিন্দ, গোপীনাথ, বাঁকে বিহারী
এবং মদনমোহনজীর প্রতি মায়ের আকর্ষণ ছিল সব থেকে বেশি। কখনও কখনও নৌকা
করে যমুনাতে শ্রীমাকে নিয়ে যাওয়া হত। একদিন অপলক দৃষ্টিতে মা যমুনার জলে কী যেন দেখচ্ছেন। শ্রীকৃষ্ণের
অঙ্গ স্পর্শে যমুনার জলও নীল বর্ণ ধারণ করেছে। মা যেন কাউকে ধরবার
জন্য দু হাত বাড়ালেন। প্রায় পড়ে যাবেন এমন সময় মায়ের সঙ্গে এক মহিলা তাড়াতাড়ি ধরে
ফেলেন। অনেক ক্ষণ ভাবাবিষ্ট ছিলেন। পরে
রাধাকুণ্ড, শ্যামকুণ্ড, গিরি গোবর্ধন ইত্যাদি অন্য সব স্থান গুলি দর্শন করেন।
রাধাকুণ্ড
শ্যামকুণ্ডে মা স্নান করেছিলেন, কিন্তু
রাধাকুণ্ডের জলে মা নামলেন না। মাথায় একটু জল স্পর্শ করলেন মাত্র। কেন তিনি
রাধাকুণ্ডের জলে নামলেন না, কোন বাধা আছে ? এর উত্তরে বলেছিলেন “শ্রীরাধা চিন্ময়ী, রাধাকুণ্ডে আমি নাবতে পারব না।
কিছু একটা বাধা আছে, রাধাকুণ্ডে আমি নাববো না”।
এই বৃন্দাবন যে কত জাগ্রত, রাধারানি যে এযুগেও
ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন তাঁর একটি ঘটনা বোধহয় খুব অপ্রাসঙ্গিক হবে না। একবার স্বামীজীর এক গুরু ভাই স্বামী তুরীয়ানন্দ
মহারাজ বৃন্দাবনে তীর্থ দর্শনে গিয়েছিলেন। কুঠিয়াতে মাধুকরী করেই থাকতেন। একদিন মনে মনে স্থির করলেন সেদিন আর ভিক্ষায় যাবেন
না। রাধারানি যদি সত্যি থাকেন তিনি নিশ্চয় তাকে অভুক্ত রাখবেন না। এই স্থির
বিশ্বাসে ক্ষুধাতৃষ্ণা অগ্রাহ্য করে সারা দিন-রাত জপধ্যানে কাটালেন। পরদিন বেলা ন’টার সময় জনৈক ভক্ত অযাচিত ভাবে প্রচুর খাবার দাবার
নিয়ে হাজির। রাধারানির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সানন্দে তা গ্রহণ করলেন।

পরিব্রাজক অবস্থায় স্বামী বিবেকানন্দও এসেছিলেন এই
রাধাকুণ্ডে। রাধাকুণ্ডে স্নান করে উঠে দেখেন যে, কৌপিনটি পাড়ে
রেখে স্নান করতে নেমে ছিলেন সেটি নেই। একটি বানর সেটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে
দেখতে পেলেন। স্বামীজী পেছনে পেছনে গিয়ে কৌপিনটি পেলেন কিন্তু সেটির যা অবস্থা ব্যবহারের
অযোগ্য। দ্বিতীয় কোন বস্ত্র ছিল না স্বামীজীর কাছে। নিরুপায় হয়ে
লজ্জানিবারণের আর কোন উপায় না পেয়ে রাধারানির উপর অভিমানে ঠিক করলেন, তিনি আর লোকালয়ে ফিরে যাবেন না। দেখা যাক রাধারানি
কোন ব্যবস্থা করেন কিনা।
এই ভেবে তিনি বনের মধ্যে প্রবেশ করলেন। অবাক কাণ্ড! স্বামীজী দেখলেন
একটি লোক তাকে পেছন থেকে ডাকতে ডাকতে ছুটে আসছে। স্বামীজীর কাছে
এসে লোকটি বলল সে এখানেই থাকে। কিছু খাবার জিনিস আর একটি নতুন কাপড়
নিয়ে এসে বলল আপনাকে এগুলি নিতে হবে, তবে আমি ধন্য হব। শ্রীরাধার কৃপাজ্ঞানে স্বামীজী আনন্দের সঙ্গে তা গ্রহণ করেন।
শ্রীমা নিজে যেমন তাঁর আত্মস্বরূপ প্রকাশ করেছেন, তেমনি অনেক ভাগ্যবানও তাঁর ঐরূপ দর্শন করবার দুর্লভ সৌভাগ্য লাভ করেছে। এখানে কয়েকটি
ঘটনা আমরা উল্লেখ করছি। মায়ের
অন্যতম জীবনী লেখিকা শ্রীদুর্গাপুরী দেবী লিখছেন।
কলকাতার গড়পার
অঞ্চলে শীতলা মায়ের মন্দিরের এক পূজারী ব্রাহ্মণ গৌরীমাকে একবার অনুরোধ করেন যে
তাকে বৃন্দাবনে ব্রজেশ্বরী রাধারানিকে দর্শন করাতে হবে।গৌরীমা মাঝে মাঝে বৃন্দাবন
ধামে যান তাই ব্রাহ্মণ প্রস্তাব করেছেন বৃন্দাবন যাত্রার। আর এই ব্রাহ্মণ মা
শীতলার পূজারী হলে কী হবে ভেতরে খুব বিষ্ণু ভক্ত। গৌরীমা শুনে বললেন – তা আর এমন কি? আচ্ছা, তোমায় একদিন ‘জ্যান্ত রাধারানি’ দেখিয়ে আনব। এর কিছু দিন পর গৌরীমা ওই শীতলা
মায়ের মন্দিরে পুজো দিতে গেলে ব্রাহ্মণ আবার সেই পুরনো অনুরোধ করে বসেন। গৌরীমা তখন ওই ব্রাহ্মণকে শ্রীশ্রীমায়ের কাছে নিয়ে
আসেন। শ্রীমাকে দেখিয়ে বলেন ‘এঁকে ভাল করে দেখ, স্বাভীষ্ট দেখতে পাবে’। ব্রাহ্মণ বলেন ইনি তো মানুষ! এই সংশয় নিয়ে ব্রাহ্মণ শ্রীমাকে প্রণাম করলেন। প্রণাম শেষে মুখ তুলে যখন
দেখেন বিস্ময় বিহ্বল দৃষ্টিতে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টি ফেরাতে পারছেন
না। দর্শন যেন আর শেষ হয় না। আনন্দ গদ্গদ চিত্তে ব্রাহ্মণ হাত জোড় করে বলতে লাগলেন
‘বন্দে রাধাং আনন্দরূপিণীং,
বন্দে রাধাং আনন্দরূপিণীং বন্দে রাধাং আনন্দরূপিণীং’। রাহ্মণের জ্যান্ত-রাধা
দর্শন হল।
শ্রীমায়ের জীবনী লেখক ব্রহ্মচারী অক্ষয়চৈতন্য একটি ঘটনা জানিয়েছেন। শৈশবে মা হারা এক বালক একবার শ্রীমায়ের কাছে আসে। মায়ের শরীর তখন খুব অসুস্থ ছিল। মায়ের পাদস্পর্শ করে ছেলেটির আবেশের মতো অবস্থা
হয়। ওই অবস্থায় তার মনে পর পর চারটি চিন্তার উদয় হয়। ১।‘গুরু ও ইষ্ট অভেদ’ ২। ঠাকুর ও মা অভেদ’, ঠাকুর মাকে জগদম্বারূপে পুজো করে ছিলেন। অতএব ইনিই ৩। মা-কালী, ৪।যিনি রাধা তিনিই সারদা – এই চারটি চিন্তা পর পর তার মনে দেখা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে সেই বালক মায়ের মূর্তির জায়গায় শ্রীরাধাকৃষ্ণের যুগলমূর্তি,
ঠাকুর মা-কালী এবং শ্রীরাধা মূর্তি দর্শন করে। কালীরূপ দর্শন করে সে অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়ে। তখন মা শ্রীহস্ত স্পর্শ দ্বারা তাকে
প্রকৃতিস্থ করেন। রাধারূপ দর্শনের পর শ্রীমা ঐ বালককে বলেছিলেন, ‘তুমি বৈষ্ণব বংশে জন্মেছ, সেই সুকৃতির
ফলে এই দর্শন পেলে, যদি আর কখনও এঁকে দর্শন কর, মা বলে ডেকো না’।
শ্রীমতী ক্ষীরোদবালা রায়ের স্মৃতিকথা থেকে জানা
যায় প্রমদা দত্ত নামে এক মহিলা পেশায় ডাক্তার একবার শ্রীমাকে দর্শন করতে আসেন।
তিনি ব্রাহ্মমতে বিশ্বাসী ছিলেন। মায়ের বাড়িতে ঢুকে
সিঁড়ির পাশের ঘরটিতে মায়ের একটি ফটো টাঙ্গান ছিল। সেটি দেখে তিনি জানতে চান কার ছবি এটি। অনেকক্ষণ ছবিটির দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন ‘ইনিই স্বয়ং রাধা’। সেদিন বেশ কিছু সময় মায়ের
কাছে থেকে তিনি প্রসাদ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়ি ফিরে ওই দিনের অভিজ্ঞতা তিনি
তাঁর স্বামীকে জানিয়েছিলেন এই বলে ‘দেখ, আজ আমি যেখানে গিয়েছিলাম তা স্বর্গ, যাঁকে দর্শন ও স্পর্শ করে এসেছি
তিনি স্বয়ং রাধা। ... আজ বৃন্দাবনে গিয়ে রাধারানির পাদপদ্ম দর্শন করে এসেছি, ধন্য
হয়ে এসেছি’।

সেদিন ছিল দোল পূর্ণিমা। দুটি অল্প বয়স্ক ছেলে
মাকে প্রণাম করতে আসে। তাদের সঙ্গে আবীর ছিল। প্রণাম করে তারা মাকে বলল “আমরা আবীর দেব’’। এই কথা শোনা মাত্র মায়ের মনে এক অদ্ভূত ভাবান্তর উপস্থিত হয়। তিনি ‘আবীর দেবে’ এই কথা বলে ছেলেদের আবীর দিতে না দিতে নিজেই ওই
আবীর নিয়ে চপলা বালিকার মতো তাদের গায়ে ছুঁড়তে লাগলেন। সেই মুহূর্তে মায়ের মনে বৃন্দাবন লীলার কোন দোল পূর্ণিমার কথা মনে পড়ায়
সহসা মাতৃমূর্তিতে চপলা বালিকার ভাব হয়েছিল কিনা কে বলতে পারে। শ্রীমায়ের জীবনে
রাধারূপের আত্মস্বীকৃতি আমরা প্রথমেই আলোচনা করেছি।
আর একটি ঘটনা। জনৈক ভক্ত মাকে একবার জিজ্ঞাসা
করেছিলেন, মা, ঠাকুরের জপ তো আমাকে বলে দিয়েছেন। আপনার জপ কীকরে করব? শ্রীমা অকপটে সেই ভক্তকে বলেছিলেন, রাধা বলে পার, কি
অন্য কিছু বলে পার, যা তোমার সুবিধে হয় তা-ই করবে। অনেক সময় আধুনিক যুক্তিবাদী মন
সব কিছুতে সন্দেহ করে বসে। মনে হয় এ-সব কি সত্যি ‘ শ্রীরাধা’ বলে কি কেউ কোন কালে ছিলেন। কালের প্রবাহ আমাদের
সব কিছু ভুলিয়ে দেয়, মনে নানা সন্দেহ দানা বাঁধতে থাকে। ইতিহাস নিয়ে ভক্তরা মাথা
ঘামান না। কারণ তাদের কাছে মূল বিষয়ের রসাস্বাদনে এটি কোন অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় না।
স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন প্রবল যুক্তিবাদী। তিনি
শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে রাধাকৃষ্ণের ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাতে তিনি
বলেছিলেন, “আচ্ছা,
ধরিলাম যেন শ্রীমতী রাধা বলিয়া কেহ কখন ছিলেন না – কোন প্রেমিক সাধক রাধাচরিত্র কল্পনা করিয়াছেন।
কিন্তু উক্ত চরিত্র কল্পনাকালেও ঐ সাধককে শ্রীরাধা ভাবে এককালে তন্ময় হইতে
হইয়াছিল, এ কথা তো মানিস? তাহা হইলে উক্ত সাধকই যে ঐকালে আপনাকে ভুলিয়া রাধা
হইয়াছিল এবং বৃন্দাবন লীলার অভিনয় যে ঐরূপে স্থূল ভাবেও হইয়াছিল, এ কথা প্রমাণিত
হয়।[লীলাপ্রসঙ্গ ১/২৫৩] তিনি আরও বলেন “তোরা ঐ লীলার ভিতর শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রীমতীর মনের টানটাই শুধু দেখ না, ধর
না – ঈশ্বরে মনের ঐরূপ টান হইলে তবে
তাঁহাকে পাওয়া যায়”
শ্রুতি বলছেন ‘রসো বৈ সঃ’- তিনি রসস্বরূপ আনন্দস্বরূপ। ভগবানের ভগবতার
নির্যাস হল তার মাধুর্য। এই মাধুর্য আস্বাদনের জন্য ভগবান যখন ধরাধামে আসেন তখন
সশক্তিক আসেন। শাস্ত্রমতে শিব ও শক্তি,কৃষ্ণ ও রাধা অভিন্ন। ব্রহ্মস্বরূপ শ্রীকৃষ্ণ প্রকৃতিকে অতিক্রম করে
রয়েছেন তেমনি রয়েছেন ব্রহ্মস্বরূপা শ্রীরাধা। দুধ ও তার ধলবত্বের মধ্যে যেমন কোন
ভেদ নেই তেমনি রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে কোন ভেদ নেই। রাধা যেমন কৃষ্ণময়ী, মা সারদাও
তেমনি রামকৃষ্ণময়ী। সারদাদেবীর রাধা-সত্তার পূর্ণ প্রকাশ হল যে তিনি ‘রামকৃষ্ণগতপ্রাণা’।কৃষ্ণ অবতারে যিনি রাধা, রাম- অবতারে যিনি সীতা, শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে যিনি বিষ্ণুপ্রিয়া, তিনিই
শ্রীরামকৃষ্ণের লীলাসঙ্গিনী সারদাদেবী। তাঁর রাধাভাব স্বরূপের একটি দিক মাত্র।যুগ
প্রয়োজনে মাতৃভাবের প্রাধান্য দেখা গেলেও অনন্তভাবময়ীর একটি নিঃসন্দেহে রাধাভাব।
এখনি আপনার লেখা টাপেলাম। অবশ্যই পড়বো।
ReplyDeleteআপনার উপস্থাপনা সবসময়ই ভালো লাগে।।
মা,, আপনার মঙ্গল করুন এই প্রার্থনাই করি,
Dipannita das.
Khub sundor 🙏🌹🙏🌹
ReplyDeleteজয় মা সারদা।মহারাজ জী আপনার দৌলতে কত কি জানতে পারছি।🙏🙏🙏
ReplyDeleteBinu Chakraborty
Deleteআচার্যদেবকে সভক্তি প্রণাম , শ্রী রাধিকার মতো শ্রী ভগবান কে ভাল বাসতে চাই! ইচ্ছা করে ,,আহা, কতো দিনে হবে সে প্রেম সঞ্চার ! অসাধারন লেখা! ছবি দেওয়াতে ভাল লাগছে, নীচে কতো টা আছে না দেখে পড়লে পড়ার আগ্রহ থাকে বেশ জয় ঠাকুর।
Deleteপ্রণাম মহারাজ জী 🙏 মা এর জীবনের কথা পড়ে সমৃদ্ধ হলাম, খুব ভালো লাগলো, আপনার সঙ্গে যুক্ত না হলে এত সহজে মা র জীবনের এতকিছু জানতে পারতাম না
Deleteরূপা চক্রবর্তী বিশাখাপত্তনম
মহারাজ মায়ের কথা পড়ে খুব আনন্দ লাভ করছি এবং ঋদ্ধ হচ্ছি l মা যে আমাদের জগজ্জননী রাধা সীতা একই অঙ্গে বহুরূপে আবির্ভূতা সংঘ জননী 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব অপূর্ব মা এর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারছি আপনার কাছে না আসলে অনেক কিছু অজানা থাকতো প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব শিখা মন্ডল ব জ ব জ
ReplyDeleteএত সুন্দর করে লিখতে বলতে পারেন আপনার পক্ষে সম্ভব আপনি সবার উদ্ধে আপনার ঠাকুর মা স্বামীজি আপনাকে জ্ঞান উজার করে দিয়েছে আপনার কাছে এসে আমরা ধন্য প্রণাম শিক্ষা গুরু দেব শিখা মন্ডল ব জ ব j
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হলাম গুরুদেব।আমি কিছুই জানতাম না,আপনার শুভ প্রচেষ্টায় আমি এত সব জানতে পারছি।প্রণাম গুরুদেব।জয় মা,জয় শ্রীরাধা স্বরপিণী মা সারদা🙏🙏🌷🌺
ReplyDeleteশ্রী মা সারদা দেবী ' আমিই রাধা' এই লেখাটি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম আমি মাএ কথা পড়তে বা শুনতে খুব ভালো বাসি তারপর আমাদের মহারাজের লেখা মায়ের কথা। অসাধারণ লেখা এই মাএর কথা থেকে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব খুশী হলাম। এমন সুন্দর সুন্দর আরো লেখা পড়বার আশারাখি।প্রনাম গ্রহন করুন আচার্য দেব। অপর্না দেওয়ানজী, সুভাষ গ্রাম।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo,Maharaj.Anantarupini Mayer kato PROKASH.Ma go,charan e sharan nite chai.🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteএগুলি পড়ে এগুলি পড়ে আমার খুব ভালো লাগছে এবং আমি আরো পাবার আশা করছে
ReplyDeleteআমার শতশত প্রনাম গ্ৰহন করুন মহারাজ 🙏 আমি বুঝতে পারছি আমার উপর ঠাকুর ও মায়ের অশেষ কৃপা হয়েছে তাই এই আত্ম জ্যোতি প্রকাশ হচ্ছে , অনেক কিছু জানতে পারছি , খুব খুব ভালো লাগলো মহারাজ আমার অসংখ্য অসংখ্য প্রণাম গ্রহন করবেন ।
ReplyDeleteপ্রণাম মা।তুমি।দেখো।সব।সন্তান। দের।নমিতা।গিরি।প্রণাম। মাগো।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ শ্রীমা সারদা দেবী : " আমিই রাধা " । মায়ের রাধা রূপটি খুব সুন্দর ফুটে উঠেছে লেখাটির মধ্য দিয়ে 🙏🏻 ' মা ' কে এক নতুন রূপে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন মহারাজ🙏🏻 আন্তরিক শ্রদ্ধায় প্রণাম জানালাম🙏🏻
ReplyDeleteকৃষ্ণা মুখার্জী , হাওড়া
মা--ই রাধা এই আলোচনা,ব্যাখ্য ও প্রমান সহ বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে এত সুন্দর লিখেছেন মহারাজ পড়ে খুব সমৃদ্ধ হলাম। আপনার নিকট থেকে কতকিছু জানতে পারছি।ভক্ত ও অনুরাগীদের আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য আপনি কত রকমের পথ অবলম্বন করছেন। আপনার কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ। আমাদের পরম সৌভাগ্য আপনার মতো আচার্যদেবের সঙ্গ করতে পারছি। ঠাকুর মা স্বামীজীর অসীম কৃপায় আপনাকে পেয়েছি।আমার আন্তরিক ভক্তি পূর্ণ প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteচন্দনা বিশ্বাস মালদা
Darun lagchhe moharaj aigulo porte, aro lekha porte chai, asima batabyal
ReplyDeleteজয় মা ❤️🙏 আজ জামাইষষ্ঠীর এই পূর্ণলগ্নে অসাধারণ একটি লেখা পড়ে অনেক কিছু শিখলাম এবং জানলাম। মহারাজ আপনাকেও প্রণাম জানাই 🙏
ReplyDeleteএই লেখা এত সমৃদ্ধ, এত নিখুঁত ভাবে আমাদের কাছে তুলে ধরার জন্য যে শব্দই ব্যবহার করি না কেন,তা নিতান্ত ই কম হয়ে যাবে।অপূর্ব...... অপূর্ব... …অপূর্ব 💐🙏🏻💐
ReplyDeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDeleteমা ই রাধা এই তথ্যটি পড়ে অনেক কিছু জানলাম। খুব ই ভালো লাগছে।মহারাজ আপনার লেখা মনপ্রাণ দিয়ে আস্বাদন করছি।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল মহারাজ।সমৃদ্ধ হলাম।
ReplyDeleteজয় মা রামকৃষ্ণময়ী।
প্রণাম নিও মাগো।🙏🌼🙏
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteমায়ের চরণে প্রণাম জানাই 🙏🙏🙏
ReplyDeleteশতকোটি প্রনাম নেবেন মহারাজ।আত্মজ্যোতি পত্রিকার মাধ্যমে আমরা অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি।শ্রী শ্রী মা ই যে রাধা সেই সম্পর্কে অনেক অনেক অজানা তথ্য আপনার কৃপায় জানতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।দিব্যত্রয়ীর অসীম কৃপায় আপনার মত একজন দেবতুল্য মহারাজের সান্নিধ্য লাভ করে আমরা ধন্য আমরা গর্বিত।আপনার আরো লেখা পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকলাম।প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeletePronam Maharaj...pore bhsri samriddho holam. 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅপূর্ব লাগলো পড়তে।মায়ের কথা আরও বিস্তারিত ভাবে জানতে পারলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏
ReplyDeleteমহারাজ অপূর্ব কথা সব জানলাম ও সমৃদ্ধ হলাম। আপনার কৃপায় মানসিক উন্নতি অবশ্যই হয়েছে।আপনার চরণে কৃতজ্ঞ চিত্তে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই।
ReplyDeleteBoro afsosh hoi jodi mar kale janmate patam pronam maharaj 🌺🍁🌺
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।অনেক কিছু জানতে পারলাম। 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteশর্মিষ্ঠা ঘোষাল। জয় ঠাকুর জয় মা। প্রণাম নেবেন আচার্য্য দেব। এই পোস্ট গুলির মধ্যে দিয়ে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি।
ReplyDeleteমহারাজ অপূর্ব সুন্দর সব লেখা পড়ে মন ভরে যাচ্ছে। আপনি কত রকম ভাবে আমাদের সমৃদ্ধ করছেন! সারাদিন কত পরিশ্রম করে চলেছেন মহারাজ! আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা খুঁজে পাই না! আপনার চরণে শতকোটি প্রণাম নিবেদন করি মহারাজ! আপনি খুব ভালো থাকুন ঠাকুর মায়ের কৃপায়!🙏🌷🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ সুন্দর অনুভূতি হলো গুরু মহারাজ, আপনার ব্লগে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করছি। কি অপূর্ব সুন্দর করে মায়ের রাধা রূপ প্রকাশ করেছেন , অনেক অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমে। আপনার রাতুল চরণে আমার আন্তরিক আভূমি শ্রদ্ধা ভক্তি পূর্ণ শতকোটি প্রণাম জানাই। আপনি খুব ভালো থাকবেন।
ReplyDeleteRadha radha
ReplyDeleteVoktipurno pronam maharaj
মহারাজ আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা অনেক না জানা তথ্য জানতে পেরে সমৃদ্ধ হচ্ছি। আপনি আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteশ্রীশ্রী মা ই 'রাধা 'লেখা পড়লাম ,খুব খুব খুব আনন্দ পেলাম মহারাজ ।সভক্তি প্রণাম গ্রহন করবেন
ReplyDeleteবন্দনা বিশ্বাস পুনে
খুব ভাল লাগল
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল
ReplyDeleteজয় মা🙏🙏🙏 প্রণাম মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ আপনার কৃপায় অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনি আমার প্রনাম নেবেন মহারাজ জী ।🙏🙏🙏
ReplyDeleteপড়ে মায়ের রাধারানী রূপ সম্বন্ধে অবগত হলাম। ভালো লাগলো। প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো 👌👌
ReplyDeleteলেখক কে প্রণতি সহ প্রনাম করলাম 🙏🌹🙏
জয় মা,, 🙏🏻🙏🏻🌺🌺 ঠাকুর আপনার মঙ্গল করুন। ভালো থাকবেন 🙏 সুস্থ থাকবেন 🙏🏻🙏🏻
প্রণাম মহারাজ মার কথা পড়ে খুব ভালো লাগল ।আপনার প্রতিটি অনু লিখন আমি মনযোগ সহকারে পড়ি ।ভালো থাকবেন ।প্রণাম নেবেন । বর্ণা প্রধান ।কলকাতা ।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ। অনেক কিছু জানলাম ও শিখলাম 👏
ReplyDeleteআমরা ধন্য যে আপনার মত এক আচার্যের সানিগ্ধ পেয়েছি। আমার বিনম্র প্রনাম রইল আপনার রাতুল চরনে।
ReplyDeleteআমাদের মন্তব্য প্রকাশ হচ্ছে না কেন বুঝতে পারছি না।
ReplyDeleteজ্ঞান সাগরের জহুরী-ডুবুরী আচার্য মহারাজ কত যে অচেনা মণি-মুক্ত উত্তোলন করে আমাদের মধ্যে নানাভাবে ছড়িয়ে নিয়ে শাশ্বত জীবনের দিগদর্শনে ও উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়েছেন
ReplyDeleteমন্তব্য প্রকাশের অনুমতি পাচ্ছি কিনা বুঝতে পারছি না।
ReplyDeleteKhub bhalo laglo .Pronam. Maa. Bula Basu
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মা ভগবতী রূপে অবতীর্ণ হয়েছেন কখনো মা সীতা কখনো শ্রীমতী রাধিকা আবার এখন মা সারদা রূপে ও। জয় মা🙏🙏 🌺🌺
ReplyDeletekhub bhalo laglo pore krishna samanta
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ । অজানা অনেক তথ্য পেয়ে সমৃদ্ধ হলাম শ্রীমতী রাধিকা স্বরূপ মায়ের চরণে প্রণাম জানাই ।
ReplyDeleteমহারাজ সশ্রদ্ধ প্রনাম জানাই 🙏🙏
ReplyDeleteখুব সুন্দর আর গুছিয়ে লেখা হয়েছে।মা সারদা স্বরস্বতী রুপে আপনার লেখনীর মাধ্যমে আমাদের মায়ের রাধা রুপের বর্ননা অতি সুন্দর ভাবে বর্ণীত হয়েছে। বৃন্দাবনেই মা রাধা রূপে বেশি প্রকটিত হয়েছেন। জয় মা সারদা। রাধে রাধে ❤️❤️
জয় ঠাকুর মা স্বামীজি জয় মহারাজ 🙏🙏🙏🙏
Chaitali Das , Joy thakur moharaj , apurbo 🙏🙏🙏
ReplyDeleteপ্রণাম মা। জয় মা। 🌺🌺🌺
ReplyDeleteঅপূর্ব ,অসাধারণ লাগল মহারাজ।সমৃদ্ধ হলাম ।সভক্তি প্রণাম গ্রহন করবেন
ReplyDeleteঅন্তরিক বিনন্ম্র ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ। এত সুন্দর পোষ্ঠটা পড়ে মায়ের জীবনের এক একটা দিক খুব সুন্দর ,সহজ সরল ভাবে তুলে ধরেছেন,তাতে আমরাখুব ই সমৃদ্ধ হচ্ছি তাআপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য।অনেক কিছু জানতে পরে মন আনন্দে ভরে গেল ।জয় ঠাকুর জয় মা🙏🌷🙏🌷🙏🌷
ReplyDeleteKhub bhalo laglo...pronam roilo Moharaj...
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
ReplyDeleteএক অসাধারণ উপস্থাপনা!
শ্রী শ্রী মায়ের সম্বন্ধে অনেক বইতে অনেক কিছুই পড়েছি। কিন্তু আজ একটি জায়গায় মায়ের জীবনের এতসব ঘটনা একসঙ্গে পড়তে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
আপনার আন্তরিক প্রয়াসের জন্য আজ আমরাও সমৃদ্ধ ও উদ্বুদ্ধ হচ্ছি।
মহারাজ আমার প্রণাম নেবেন আপনার জন্য অনেক কিছু জানতে পারছি 🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।শ্রীশ্রীমায়ের মধ্যে শ্রীমতিরাধারাণীকে দর্শন করলাম আপনার লেখনী তে।
ReplyDeleteঅপূর্ব লেখা মহারাজ, বার বার পড়েও আশা মিটছে না , কতো কিছু যে জানা যাচ্ছে এই লেখাগুলো থেকে ,আমার ভীষন ভালো লাগছে। ঠাকুর,মা,স্বামীজি র চরণে ভক্তিপূর্ন প্রণাম 🙏🙏আপনাকে আমার শতকোটি প্রণাম মহারাজ🙏🙏অনিতা পাই।
ReplyDeleteঅপূর্ব
ReplyDeleteমা অনন্তরুপিনি সারদা
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো। মায়ের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteশ্রী মা সারদা দেবী: "আমি ই রাধা" -- পড়ে ঋদ্ধ হলাম। স্বামী হরিময়ানন্দ মহারাজ জী র শ্রীচরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই 🙏।।।। "ত্রেতাযুগে তুমি সাজিয়াছ সীতা , দ্বাপরে আবার সেজেছ মা রাধা। এবারে সবার স্নেহময়ী মাতা সারদেশ্বরী -রূপিনী।।" --স্বামী চন্ডিকানন্দ মহারাজ জী।।।প্রণাম মহারাজ জী 🙏🙏
ReplyDeleteঅনন্ত ভাবময়ী মা আমার...
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ জী। খুব ভালো লাগলো।জয় মা।
ReplyDeleteমায়ের কথা পড়তে বা মাযের রাধা রুপের কথা পড়ে খুব ভালো লাগলো . কত জানতে পারছি মায়ের কথা . মা গো তুমি অনন্তু রুপিনী . মা তোমার শ্রী চরণে যেন মন রাখতে পারি এই কৃপা করো মা খুব ভালো লাগলো মহারাজ জী প্রনাম নেবেন. আরো পড়ার আশায় থাকব. রুনা পালিত
ReplyDeleteOnek kichu janlam ,pronam ma🙏🏻 Pronam Radharani, pronam maharaj 🙏🏻 Ushashi Mojumdar
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ। মায়ের ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পারলাম খুব ভাল লাগল।
ReplyDeleteঅপূর্ব
ReplyDeleteমহারাজ আপনার কাছ থেকে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম । দিব্যত্রয়ীর চরণে শত কোটি প্রনাম।
ReplyDeleteKhub valo lagche .keka Dutta
ReplyDeleteKhub valo. So many informations are together.
ReplyDeleteঅসাধারণ লাগলো লেখাটি !! মা এর রাধাভাব কি অপূর্ব!! মন ভরে গেল., জয় মা জয় রাধে রাধে!! গড়িয়া থেকে সীমা ঘোষ দস্তিদার।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো।
ReplyDeleteঅনেক অজানা তথ্য জানতে পরলপার।
প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏
অপূর্ব লাগলো শ্রী শ্রী মায়ের সম্বন্ধে অনেক নতুন তথ্য জানলাম ইন্দিরা ভট্টাচার্য
ReplyDeleteKhub valo laglo Maharaj. 🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ,আপনার অপূর্ব লেখার মধ্যে মায়ের রাধারানী রূপটি খুব সুন্দর ভাবে প্রকাশ পেয়েছে।খুব ভালো লাগলো।অনেক তথ্য জানতে পারলাম।
ReplyDeleteভক্তিসহ প্রণাম নেবেন 🙏
Joy Maa jogotjononi voktipurna Sostango pronam Nao Maa voktipurna Sostango pronam neben Acharya guru Moharaj khub sundor kothar bondhoni apurba khub sohojvabe likhechen Moharaj
ReplyDeleteKhubbhalo laglo....Radha rupe
ReplyDeleteMa er katha pore....joy Ma sarada....pranam maharajji
jaya choudhury....
Apurba ma er anke tattha jante parlam. Khub valo lagche. . Maharaj apner kripa.
ReplyDeleteখুব ভাল লাগলো মহারাজ। সুজাতা ভাদুড়ী কোচবিহার
ReplyDeleteMoharaj mar somondha ato sundar byakha janlam .mon akdom vora galo
ReplyDeleteঅপূর্ব। মা সারদা দেবী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম।খুব ভাল লাগছে। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন মহারাজ।🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ । কত কথা জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম
ReplyDeleteপ্রথমে প্রণাম জানাচ্ছি মহারাজ আপনাকে। কী অসাধারণ লিখেছেন মহারাজ। মন তো শ্রীমারাধাতেই মুগ্ধ হয়ে গেল। এ-যাবত এতো সুন্দর মারাধাময় লেখা পড়ার সৌভাগ্য হয় নি। বারবার পড়েও আশ মিটছে না। কী ভালো।কী ভালো। আপনার লেখনি একইসঙ্গে অসাধারণ ও চমৎকার। আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। খুব ভালো থাকবেন। আন্তরিক শ্রদ্ধা। 🌹🙏 নন্দিতা ব্যানার্জী। যাদবপুর।।
ReplyDeleteWe r so lucky that u r our acharya dev. Pranam neben maharaj ki kabita roy ( behala)
ReplyDeleteখুবই ভালো লাগলো।অনেক নূতন
ReplyDeletePronam Maharaj jii. Apnar lekha pore anek anek kichu jante parlam. Joto porchhi toto maa er upor bhakti saddha besi hochhe. Maa je ananto rupini bujhte parchhi.. Pronam neben. Archana Sural Bangalore
ReplyDeleteঅপূর্ব।মহারাজ
ReplyDeleteমহারাজ আপনার অগাধ পান্ডিত্য পূর্ণ জ্ঞান ভান্ডার থেকে যে মনিমানিক্য গুলো আমাদের জন্য পরিবেশন করছেন তাতে আমরা যেমন সমৃদ্ধ হচ্ছি তেমনই ধন্য হচ্ছি। মায়ের কথায় অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। ঠাকুর মায়ের অশেষ কৃপায় এই সৌভাগ্য হয়েছে।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ। প্রনাম নেবেন🙏🙏
ReplyDeleteSarodeshsori sree radha chorene pronam janai,r moharaji keo Amar antorik shrodda vokti purno pronam janai,apurbo lekhoni apnar,pore somriddho holam,sadhana Sharma,panchala howrah.
ReplyDeleteMaharaj khub valo laglo 🙏🙏🙏
ReplyDeleteমহারাজ আপনার লেখা পড়ে যেমন সমৃদ্ধ হই তেমনই অবিভুত হলাম।
ReplyDeleteমায়ের চরণে শত কোটি প্রণাম 🙏🏻🙏🙏🏼
ReplyDeleteধন্যবাদ মহারাজ,blog আত্ম জ্যোতি পড়তে খুব ভাল লাগছে। সমৃদ্ধ হই আমি।
অপূর্ব পরিবেশন এবং উপস্থাপন।
ReplyDeleteঠাকুর মা স্বামীজি সব সময় সঙ্গে আছেন ।খুব সুন্দর পরিকল্পনা।
আমাদের জন্য মা ,ঠাকুর স্বামীজি
এই ব্যবস্থা করলেন। অমূল্য সম্পদ ।আপনি খুব ভালো থাকবেন। সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন
জয় মা
রাধা রূপে মা এর অনেক অজানা তথ্য জানতে পেলাম খুব ভালো লাগলো মহারাজের কাছে অনেক শিক্ষা পাচ্ছি প্রণাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো
ReplyDeleteমহারাজ আপনি পঞ্চব্যাঞ্জনে রান্না করে আমাদের পরিবেশন করছেন আমরা দিনে দিনে সমৃদ্ধ হচ্ছি
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ।🙏🌺🌸🌷🙏
Asadharon....apni amader kache ai juger pathopradorshok....vison vabe upokrito hochi ...jiboner sash din porjonto apni amader sathe thakben
ReplyDeleteমহারাজের লেখনীতে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম আগামীতে আরো জানার আশায় র ইলাম। প্রনাম মহারাজ। শতকটি প্রনাম মা 🌺🙏
ReplyDeleteমহারাজ পড়ার সময় কোনো দিকে খেয়াল থাকে না। ভেতরে এতো আনন্দ অনুভব করি সেটা মুখে বলা সম্ভব হয় না। আপনি প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteAshadharon ...!!! Thank you Maharaj. Pronam neben. Aaro likhben please🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ।আপনি আমার প্রনাম গ্রহন করুন।
ReplyDeleteএত সুন্দর ভাবব্যঞ্জনা-পূর্ন মায়ের আমার শ্রীরাধিকা রূপের অপরূপ বর্ণনা! -পড়তে পড়তে মনের আকাশ মায়ের-শ্রীরাধা ভাবে রাঙা হয়ে উঠলো। কি যে অপূর্ব সুন্দর লাগলো। পরম শ্রদ্ধেয় -পূজনীয় শ্রীগুরুজীর মহার্ঘ্য অন্তর থেকে নিবেদন!!
ReplyDelete"বন্দে শ্রীরাধাং আনন্দ রুপিনীং"
*****-প্রণাম মাগো-*****
খুব ভালো লাগল মহারাজ।অনেক না জানা কথা জানতে পারলাম।প্রনাম দিব্যত্রয়ী,প্রনাম মহারাজ ।
ReplyDeleteমার সমন্ধে অনেক না জানা তথ্য জানলাম, পরের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। প্রনাম নেবেন মহারাজ জী।
ReplyDeletePranam maharaj aurbaa khoob bhalo lagloo
ReplyDeleteKhub sundor
ReplyDeleteKhoob sunderMaharajji,apner lekha pore anek kichu jante parlam,apni amar pronam neben
ReplyDeleteShikha Dey,Durgapur,city centre
🙏 মহারাজ কে অশেষ প্রনাম! অনেক তথ্য একত্রিত করে আমাদের একটি সুন্দর উপহার দিয়েছেন।
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল প্রনাম মহারাজ
ReplyDeleteখুব ভাল লাগল প্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteKhub bhalo laglo. Joy thakur joy maa kripa koro.
ReplyDeleteSree Sree Maa E 'Radha' lekha ti porlam ,ashambhob sundor ami porte bhalobashi
ReplyDeleteMaharaj Aponi aro anek anek likhun aphuronto koti pronam janalam Aponake grohan korben.bhalo thakben🙏🙏
অপূর্ব মহারাজ। কতো কি জানলাম। ধন্যবাদ মহারাজ। বন্দে রাধা আননদরূপিনী। জয় মা জয় মা জয়।
ReplyDeleteজয় মা
ReplyDeleteমন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম। অতি সুন্দর তথ্যসমৃদ্ধ লেখা যিনিই পড়ুন না কেন অবশ্যই সমৃদ্ধ হবেন।আপনার এই প্রচেষ্টার জন্য কোন প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। আশা রাখি লেখা গুলি ভবিষ্যতে বই আকারে প্রকাশ পাবে।প্রণাম।
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah
ReplyDeleteMaa sarodar Radha ruper apnar apurbo lekha path kore trpto holam..pronam Maharaj..
মুগ্ধ ..…প্রণাম মহারাজ 🌹🙏🌹
ReplyDeleteমা ও শ্রীরাধা দুটি দেহে এক ই রূপ .. অপুর্ব .. উপলব্ধি করতে পারলাম আপনার লেখা থেকে .. প্রণাম মহারাজ .. 🙏🙏🙏 , জয়ীতা সরকার, সোদপুর
ReplyDeleteRadha rupini maa saradamoyee ke jene khub e valo laglo..pronam Maharaj..Basanti Chatterjee Howrah
ReplyDeleteAsadharan laglo lekhati pore. Anek kichu jante parlam Maharaj. Emon aro jante chai. Pronam Maharaj shuvo sakal Bhalo Thakben. 🙏🌷
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।অপূর্ব লাগলো ,মন ভরে গেল।কত কিছু জানা হলো।
ReplyDeleteআচার্যদেব আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নেবেন ।আপনার অসাধারন লেখনীর মাধ্যমে শ্রীমা সারদা দেবীর সম্বন্ধে অনেক কথা জানতে পারলাম ,খুব ভালো লাগলো । শ্রী শ্রী মায়ের শ্রীচরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই ।
ReplyDeleteমহারাজ প্রনাম 🙏মা-ই রাধা এই লেখাটি পড়ে সমৃদ্ধ হলাম। আপনার সংস্পর্শে এসে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ReplyDelete