পূজার আসনে শ্রীশ্রীমা
স্বামী হরিময়ানন্দ
©
শ্রীমা সারদাদেবী আজ লক্ষ লক্ষ ভক্তের
কাছে দেবীরূপে পূজিতা। স্বয়ং যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণই
তাঁকে অভিষিক্ত করেছেন জগন্মাতা রূপে। সমর্পণ করেছেন
সমস্ত সাধনার ফল দেবী-মানবী মা সারদার পাদপদ্মে। ধূলিধূসর পৃথিবীতে, আমাদের আরও আপন করবেন বলে, স্বয়ং মহামায়া ঢেকে এসেছেন
দিব্য বিভূতির ঐশ্বর্য। অবতার যেমন আসেন জীবকে অজ্ঞানের অন্ধকার থেকে আলোর রাজ্যে
নিয়ে যেতে অবতার সঙ্গিনী শ্রীমাও তেমনি এসেছিলেন পরম করুণায় জীবদুঃখে কাতর হয়ে অতলান্ত
মাতৃপ্রেম বিতরণ করতে।
বহুজনপূজিতা শ্রীমাকেও দেখি পূজার আসনে বসে নিজে পুজো
করছেন। আমাদের বর্তমান নিবন্ধে আলোচনার
বিষয় একটু অন্য রকম। আমরা দেখতে চেষ্টা করব মায়ের পূজারিণী
রূপটি। ফুল, বেলপাতা, চন্দনহাতে পূজার অর্ঘ্য নিয়ে, ঠাকুর ঘরের পবিত্র পরিবেশে স্বয়ং পবিত্রতা
স্বরূপিণী কী ভাবে তন্ময় হয়ে যেতেন, কীভাবে মন প্রাণ সমর্পণ করে দিতেন সেটি আমরা একবার
ফিরে দেখব। বাগবাজারে ‘মায়েরবাড়ি’র ঠাকুর ঘরে মায়ের পূজার আসনে বসা একটি চিত্র পাওয়া
যায়। সেই চিত্রটি আজ আমাদের অনুধ্যানের বিষয় –পূজারিণী মা সারদা।
পূজা কথার ব্যাখ্যা পণ্ডিতরা নানা
ভাবে দিয়েছেন। পূজা ও উপাসনা সম পর্যায় শব্দ।
উপাসনা শব্দ উপ (নিকট) পূর্বক আস্ ধাতু (উপবেশন করা) নিষ্পন্ন। ধাতুগত অর্থই হল
ভগবানের সান্নিধ্য বোধ। তাই পূজার মূলকথা হল ভগবানের কাছে আত্মসমর্পন।পরম প্রেম ময়ের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দেওয়াই হল পূজার উদ্দেশ্য। আমাদের যে স্বাভাবিক
বিষয়-প্রীতি বা আসক্তি রয়েছে সেই প্রীতি নশ্বর বস্তু বা ব্যাক্তি থেকে সরিয়ে এনে
ঈশ্বরে অর্পণ করাই পূজার মূল লক্ষ্য। এটি মানব হৃদয়ের অতি স্বাভাবিক ও স্বতোৎসারিত একটি ভাব। এই আত্মসমর্পণের দ্বারা পূজকের আত্মলয়
হয়। মহানির্বাণ তন্ত্রে সেবক এবং ঈশ্বরের ঐক্যকে বলা হয়েছে
পূজা। অর্থাৎ দ্বৈত থেকে অদ্বৈত ভূমিতে আরোহণ। ব্রহ্ম এক এবং অদ্বিতীয় হলেও সাধকের হিতের জন্য নিরাকার ব্রহ্মে রূপ কল্পনা করা
হয়। ব্রহ্মজ্ঞানীর কাছে উপাস্য, উপাসক ও উপাসনা অভিন্ন হলেও চঞ্চল চিত্ত সাধকের কাছে সেবা পূজা সোপান স্বরূপ। সেবা পূজারদ্বারাও যে ভগবান লাভ সম্ভব, বিভিন্ন সাধক জীবনে এটি সত্য হয়ে উঠেছে। বর্তমান যুগে শ্রীরামকৃষ্ণ জীবনে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
শ্রীমায়ের জীবনেও এই সত্য রূপায়িত
হয়েছে সম্পূর্ণ রূপে। মনে রাখতে হবে মায়ের সমগ্র জীবন
ছিল এক নীরব সাধনা। তাঁর জীবন চর্যা এমন এক উচ্চগ্রামে
নিবদ্ধ থাকত যে সেখানে অধ্যাত্মজীবন (spiritual life) ও লৌকিকজীবন (secular
life) বলে পৃথক করা
যেত না। আমরা যে জীবনকে সাধারণত লৌকিক বা জাগতিক জীবন বলি, মায়ের কাছে তাও ছিল ঐশ্বরিক সুষমা মণ্ডিত। সব কিছুর মধ্যেই ঈশ্বরের দীপ্ত প্রকাশ উপলব্ধি করতেন। নিরাসক্ত দেবী নিঃশব্দে পালন করতেন এক অনলস কর্মময় জীবন। যখন ঠাকুর ঘরে পুজো
করতেন তখনও যে নিষ্ঠা, যখন ঘর ঝাঁট দিচ্ছেন, বাসন মাজছেন বা বিধর্মী সন্তানের এঁটো তুলছেন তখনও
একই নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা। এসব কথা বলার কারণ হল, এর দ্বারা আমরা কিছুটা হলেও বুঝতে পারব কীভাব নিয়ে
তিনি দেবার্চনাদি কাজে প্রবৃত্ত হতেন। শাস্ত্রকারেরা
বলেন, দেবো ভূত্বা দেবং যজেৎ - নিজেকে দেবস্বরূপ
ভাবতে ভাবতে দেবতা হয়ে দেবতার অর্চনা করবে।
শ্রীরামকৃষ্ণ পূজা প্রসঙ্গে বলছেন,“যার যেমন ভাব, ঈশ্বরকে সে তেমনই দেখে। তমোগুণী ভক্ত দেখে, মা পাঁঠা খায়, আর
বলিদান দেয়। রজোগুণী ভক্ত নানা ব্যঞ্জন ভাত করে দেয়। সত্ত্ব গুণী ভক্তের পূজা লোকে টের পায় না। তার পূজার আড়ম্বর নাই। ফুল নাই তো বিল্বপত্র
গঙ্গা জল দিয়ে পূজা করে। দু’টি মুড়কি কি বাতাসা দিয়ে শীতল দেয়। কখন বা ঠাকুরকে একটু পায়েস রেঁধে দেয়। আর আছে ত্রিগুণাতীত ভক্ত, তার বালকের স্বভাব। ঈশ্বরের নাম করাই তাঁর পূজা।”(কথামৃত)
দক্ষিণেশ্বরে থাকার সময় থেকেই
শ্রীমা রাত তিনটে বাজলে ঘুম থেকে উঠতেন। শৌচ স্নানাদি সেরে নিতেন এরপর। সারা জীবন এই অভ্যাস ছিল তাঁর । ঘুম থেকে উঠে ঠাকুরকে শয়ন থেকে তুলে
ধ্যানে বসতেন। নহবতের পশ্চিমের বারান্দায় দক্ষিণমুখে বসে মা ধ্যান করতেন। ঠাকুরের
ফটোতে নিত্য পুজো করা মা শুরু করেন নহবতে থাকতেই।
সকাল আটটা ন’টার মধ্যে পুজোয় বসতেন। নিজ হাতে ফুল, বেলপাতা, তুলসী, দূর্বা
প্রভৃতি দিয়ে পঞ্চপাত্র সাজিয়ে নৈবেদ্যের থালা তৈরি করে নিতেন। দেবদেবীর মূর্তি ও পট
সুন্দর করে মুছে ফুল চন্দন দিয়ে সাজিয়ে দিতেন। ঠাকুর ঘরের যে ছবিটি পাওয়া যায় তাতে পুষ্পপাত্র ছাড়া জলশঙ্খ, ঘন্টা, তাম্রপাত্র
প্রভৃতি দেখা যায়। পুজোর বেদিতে অনেক দেবদেবী- রাধাকৃষ্ণ, গোপাল, বাণেশ্বর,
গোবর্ধন শিলা, মা কালীর সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণের পটও ছিল। ঠাকুর স্বয়ং এই পটটিতে নিজ
হাতে ফুল বেলপাতা দিয়ে পুজো করেছিলেন।
ঠাকুর যখন দক্ষিণেশ্বরে থাকতেন
তখন ধ্যান অবস্থার কয়েকটি ফটো তোলা হয়েছিল। তার একটি
কালো হয়ে গিয়েছিল বলে এক ব্রাহ্মণ নিজের জন্য চেয়ে নিয়ে ছিলেন। তিনি দক্ষিণেশ্বর
থেকে চলে যাওয়ার সময় সেটি মায়ের কাছে দিয়ে যান। মা সেই ছবি অন্যান্য ঠাকুর-দেবতার সঙ্গে
রেখে নহবতে পুজো করতেন। একদিন নহবতে গিয়ে
ওই ছবিটি দেখে ঠাকুর বিস্মিত হন। পাশেই পুজোর জন্য ফুল বেলপাতা ইত্যাদি রাখা ছিল।
তার থেকে কিছু ফুল-বেলপাতা নিয়ে তিনি নিজের ছবিতে দিয়ে ছিলেন। আক্ষরিক অর্থে সেদিন ‘আপনি করিলে আপনার পূজা’ সত্য হয়েছিল। সেই বাঁধানো ঠাকুরের ফটোটি শ্রীমায়ের
চিরসাথী ছিল। তীর্থাদিতে গেলেও সঙ্গে নিয়ে যেতেন। কারণ মায়ের কাছে ছায়া-কায়া ছিল সমান।
সিংহাসনে অনেক দেবদেবীর মূর্তি
থাকলেও শ্রীমা জানতেন ঠাকুর হলেন ‘সর্বদেবদেবীস্বরূপ’। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস “ঠাকুরের ভিতর সব দেবদেবী আছেন – এমনকি শীতলা, মনসা পর্যন্ত। ইনিই সব – পুরুষ প্রকৃতি; এঁকে ভাবলেই সব হবে।” [শ্রীমা সারদা দেবী, ৩৪৪]
মায়ের পুজোর বিশেষ দেখার বিষয়
হল এতে কোন বৈধী আড়ম্বর নেই। কেবল ভক্তি, আন্তরিকতা ও আত্মীয়তা বোধ হল প্রধান উপচার। বলা হয় ‘আত্মবদ্ দেবসেবনম্’- নিজের মতো করে দেবসেবা করা উচিত। আমরা নিজেরা যে জিনিস পেলে খুব প্রীত হই
কিংবা প্রিয়জনের প্রতি যেরূপ ব্যবহার করি, ঈশ্বরের প্রতি তা-ই নিবেদন করে থাকি। মা যখন পুজো করতেন তখন প্রকাশ পেত ঠাকুরের সাক্ষাৎ উপস্থিতিও সান্নিধ্যবোধ।
পুজোতে মা যে ফুল ব্যবহার করতেন
তা ঋতু কিংবা দেবদেবী ভেদে পরির্বতন হত। যেমন কার্তিক
মাসে শিউলিফুল, শিবের জন্য ধুতরা ফুল। সাদা ফুল দেবীপুজোতে দিতেন না। ঠাকুরের
প্রিয় ছিল সাদা ফুল। মায়ের সঙ্গে যাঁরা থাকতেন তাঁরা নিত্যসেবার এই দুর্লভদৃশ্য দেখে
ধন্য হয়েছেন। এরমক একজন প্রত্যক্ষদর্শী ভবতারিণী
দেবীর কথায়, “বেলপাতা সবগুলি এক মাপের হবে, ছেঁড়াফাটা চলবে না। মার গোছানো ছিল দেখার মত, যেন সব মিলিয়ে
একটি কারুকার্য করা পঞ্চপাত্র। চন্দনবাটা, ফুল এক একটি করে গুছিয়ে রাখার মধ্যে যে কী অপূর্ব কারুকার্য ছিল, বলে বোঝাতে পারব না। কত দ্রুত কাজ করতেন ভাবা যায় না। ফল কাটা, পান সাজা ছিল তাঁর এক শিল্প। যে দেখত অবাক হয়ে চেয়ে থাকত।”[শ্রীশ্রীমায়ের
পদপ্রান্তে,৪/৯১০]
স্বামী শান্তানন্দ মহারাজ
স্মৃতিচারণ করেছেন,‘‘মায়ের পূজার
বেশ একটু বিশেষত্ব ছিল। তিনি আসনে বসিয়া আচমন সারিবার পর শ্রীশ্রীঠাকুরের ফটোটি
কুশী হইতে গঙ্গা জল দিয়া স্নান করাইতেন এবং সযত্নে মুছাইয়া দিয়া কপালে চন্দনের টিপ
পরাইবার পর ধীরে ধীরে সিংহাসনে বসাইয়া দিতেন। ইহার পর গোপাল প্রভৃতি দেবতাদের বিগ্রহগুলি
তাম্রকুণ্ডে রাখিয়া একযোগে স্নানান্তে ভাল করিয়া মুছিয়া রাখিতেন। ক্রমে ঠাকুরকে
অর্ঘ্য ও পুষ্পাদিতে সাজাইবার পর নৈবেদ্য নিবেদন করিয়া মাও ধ্যানস্থা হইতেন।’[মাতৃদর্শন, পৃঃ৩৪]
বাহ্যপূজার থেকে আরও গভীর ভাব
ব্যঞ্জক হল মানস পূজা। মনে মনে সমস্ত উপচার তাঁকে নিবেদন করা। মা তাঁর এক সন্তানকে সাধন সম্পর্কে বলেছিলেন, “মনে মনে ঠাকুরকে স্নান করাচ্ছ, খাওয়াচ্ছ, পূজা
কচ্ছ, হাওয়া কচ্ছ, এইরূপ চিন্তা করবে।” [মাতৃদর্শন, ৪৬] মায়ের এই সংক্ষিপ্ত উপদেশের
ভাবটি বিস্তৃতরূপে পাই মহানির্বাণ তন্ত্রে। সেখানে আন্তর
বা মানস পূজার একটি অপূর্ব বিধান রয়েছে, “দেবীর অধিষ্ঠানের
জন্য আসন দেবে হৃৎপদ্ম, পাদ্য দেবে সহস্রারচ্যুত
অমৃত, এবং মনকে অর্ঘ্যরূপে নিবেদন করবে। আচমনও স্নানের জন্য দেবে সেই সহস্রারচ্যুত অমৃত। আকাশতত্ত্ব হবে বস্ত্রও গন্ধতত্ত্ব হবে গন্ধ। চিত্তকে পুষ্প, প্রাণকে ধূপ, তেজ তত্ত্বকে দীপ এবং অমৃত সমুদ্রকে নৈবেদ্য কল্পনা
করে নিবেদন করতে হবে। অনাহত ধ্বনি ঘন্টারূপে, বায়ুতত্ত্ব চামররূপে, সহস্রদল পদ্ম সহস্রার ছত্ররূপে, শব্দতত্ত্ব সঙ্গীতরূপে
ও সমস্ত ইন্দ্রিয়কর্ম ও মনের চাঞ্চল্য নৃত্যরূপে নিবেদন করবে। নিজের অভিপ্রেত ভাবসিদ্ধির জন্য নানা প্রকার ভাব পুষ্পদিতে হয়। অমায়া,অনহঙ্কার, অরাগ অর্থাৎ অনাসক্তি, অমদ, অমোহ,অদম্ভ, অদ্বেষ,অক্ষোভ, অমাৎসর্য্য, অলোভ–এই দশটি ভাবপুষ্প।এছাড়া আছে অহিংসা, ইন্দ্রিয় নিগ্রহ, দয়া, ক্ষমাও জ্ঞান–এই পাঁচটি পুষ্প। এই পঞ্চদশভাব পুষ্পেরদ্বারা মেখলা রচনা করে ভক্তি সহকারে দেবীরপূজাও অর্চনা
করবে।”[মহানির্বাণ তন্ত্র, ৫।১৪৩-৪৯]

দূর্বা চয়ন ব্যাপারেও মা যথেষ্ট
যত্নশীলা ছিলেন। ঠাকুরের জন্য দূর্বার মাঝের শিষটা
ফেলে দিয়ে তিনটি দল রাখতেন। শিবপুজোতেও এই
রকম দূর্বাই লাগে। যেখানে পুজোর জন্য ফুল পাওয়া যেত
না, মা শুধু তুলসী আর জল দিয়ে পুজো করতেন। কারণ তিনি বলতেন তুলসী অতি পবিত্র, তুলসী থাকলে সব শুদ্ধ হয়। মায়ের পুজোর ফুল বেলপাতা তুলসী তুলে দিতেন এক সেবকের কথাতে পাই “মায়ের প্রতিদিনের ঠাকুর পূজার জন্য আমি (স্বামী সারদেশানন্দ )ফুল, বেলপাতাদি চয়ন করে আনতাম। একদিন তুলসী পাতা আনতে ভুল হওয়ায় মা অতিশয় দুঃখিত হন এবং বলেন ‘তুলসী আন নি! তুলসী কত পবিত্র যাতে দাও শুদ্ধ করে’। আমি ব্যস্ত ও দুঃখিত হয়ে তৎক্ষণাৎ তুলসী পাতা এনেদি এবং তখন থেকে সারাজীবন তুলসীর
বিশেষ অনুরাগী হয়ে পড়ি। প্রতিদিনের পূজা শেষে মা মাটিতে
মাথা স্পর্শ করে প্রণাম করতেন। তার পর চরণামৃত
পান করার সময় নির্মাল্য থেকে একটা প্রসাদী তুলসীও এক টুকরো বেলপাতা মুখে দিতেন।” [শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে, ১/১০]এছাড়া
মায়ের বিশেষ গঙ্গা প্রীতির কথা তো আমরা জানি।

পুজোর সময় কী ভাবে সতর্ক থাকা উচিত
সে কথা মা বলছেন, “সেবাপরাধ না
হয়, সে-দিকে লক্ষ্য রাখা চাই। ...চন্দনে যেন খিঁচ না থাকে, পুজো বা পুজোর কাজের
সময় যেন নিজের কোন অঙ্গে, চুলে বা কাপড়ে, হাত না লাগে। একান্ত যত্নের সঙ্গে ঐ সব
করা চাই। আর ভোগরাগ সব ঠিক ঠিক সময় দিতে হয়।”[ শ্রীমা সারদা দেবী,৩৪৮]
সুসজ্জিত পটের সামনে মা নৈবেদ্য
ফল, মিষ্টি, শরবত, হালুয়া প্রভৃতি নিবেদন
করে দুহাত কোলের উপর রেখে স্থির হয়ে কিছুক্ষণ বসে ধ্যান করতেন। এর পর মাটিতে মাথা স্পর্শ করে প্রণাম করে ঠাকুরকে যথাস্থানে তুলে রাখতেন। সকালের এই পুজো প্রায় এক দেড় ঘন্টা লাগত।
মা নিজে নিরলস ভাবে সব কাজ
যথাসময়ে করতেন। এবং চাইতেন সকলে যেন সময়ের ব্যাপারে নিষ্ঠাবান হয়। এই ব্যাপারে মা
কতটা দৃঢ় ছিলেন একটি ঘটনাতে বেশ বোঝা যায়। শিবুদা একবার কামাপুকুর থেকে জয়রামবাটী এসেছেন মায়ের
সঙ্গে দেখা করতে। বেলা তখন প্রায় এগারটা। মাকে প্রণাম করে শিবুদাদা বললেন রাতে
মায়ের কাছেই থাকবেন। কামার পুকুরে ফিরে যাওয়ার বিশেষ দরকার নেই। কারণ সেদিনের মত
রঘুবীরের পূজা, ভোগ, শীতল, সন্ধ্যারতি এমনকি শয়নাদিও সব সেরে এসেছেন। শ্রীমা সব
শুনে খুব অসন্তুষ্ট হলেন ও সেদিনই ফিরে গিয়ে বিকেলের পুজো যথা নিয়ম করতে বললেন।
বলা বাহুল্য শিবুদাদা তাই করে ছিলেন।
কেউ দীক্ষার জন্য এলে নিত্য
পুজোর পর দীক্ষা দিতেন। তারপর একটু
চরণামৃত, তুলসী ও বিল্বপত্র সামান্য মুখে দিয়ে শালপাতাতে সাজিয়ে প্রসাদ বিতরণ
করতেন। সব সময় চাইতেন নিজের হাতে পুজো
করতে, কিন্তু শেষের দিকে দুর্বল শরীরে যখন নিজে আর করতে পারতেন না, তখন অন্যেরা তা করতেন। পুজোর
সময় কেউ কেউ স্তবাদি পাঠ করতেন। কিন্তু এতে পুজোর খুব দেরি হলে মা অসন্তুষ্ট হতেন।
বলতেন, “আগে পুজো ও
ভোগ সেরে নিয়ে যত পারে স্তব পাঠ করুক না। এ কি! লোকে সব জল খেতে পায় না, বেলা হয়ে
যায়’’।[শ্রীমা
সারদাদেবী, পৃ ৩৭৭]
শ্রীমা পুজো করতে করতে কেমন ভাব
তন্ময় হয়ে যেতেন, মায়ের লীলাসঙ্গিনী যোগীন-মা এক বার প্রত্যক্ষ করে ছিলেন। জীবনীকার লিখছেন, “শ্রীমা পূজা করিতেছেন – দরজা ঈষৎ উন্মুক্ত। ঐ ফাঁক দিয়া তিনি দেখিলেন, মা
খুব হাসিতেছেন – এই
হাসিতেছেন, আবার একটু পরেই কাঁদিতেছেন। দুই চক্ষে ধারার বিরাম নেই। কতক্ষণ এইভাবে
থাকিয়া ক্রমে স্থির হইয়া গেলেন – একেবারে সমাধিস্থ।”[ শ্রীমাসারদাদেবী, ৯০]
দুপুরে রান্নাঘরে ভাত, ডাল,মাছ
ও তরকারি ঠাকুরের উদ্দেশে নিবেদন করা হত। খাওয়ার সময় হলে মা ঠাকুর ঘর থেকে সব
দেবদেবীকে আহ্বান করে নিয়ে যেতেন। সরযূবালা দেবী মায়ের স্মৃতিচারণ করে লিখছেন,“মা সলজ্জ বধূটির মতো ঠাকুরকে বলছেন, ‘এস, খেতে এস’। আবার গোপাল বিগ্রহের কাছে বলছেন, ‘এস গোপাল,
খেতে এস।’ আমি তখন
তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ আমার দিকে দৃষ্টি পড়তেই হেসে বললেন, ‘সকলকে খেতে ডেকে নিয়ে যাচ্ছি’। এই কথা বলে মা ভোগের ঘরের দিকে চললেন। তাঁর তখনকার ভাব দেখে মনে হলো যেন সব ঠাকুররা
তাঁর পিছনে চলেছেন। দেখে খাণিক ক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম।”[শ্রীশ্রীমায়ের কথা,৩৪]
মায়ের কাছে ঠাকুরের ফটো ছিল
একেবারে জীবন্ত। একদিন জয়রামবাটীতে দুপুরের আহারের পর মা বিশ্রাম করছেন।
তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় দেখছেন ঠাকুর মেঝেতে রয়েছেন। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাড়াতাড়ি
ঠাকুর ঘরে গিয়ে দেখেন সিংহাসনে ঠাকুরের ছবি থেকে সেদিন ফুলগুলি সরানো হয়নি আর তাতে
পিঁপড়ে লেগে রয়েছে। মা তাড়াতাড়ি ফুল সরিয়ে দিলেন এবং সেদিনের পূজককে ভবিষ্যতের
জন্য সাবধান করে দিলেন। মায়ের দৃষ্টিতে ছবি কেবল ‘ছায়া’ মাত্র ছিল না। তিনি ‘কায়া’-র সাক্ষাৎ
উপস্থিতি অনুভব করতেন ও সেইভাবে ব্যবহারাদি করতেন।
দেবতার উদ্দেশে ভোগ নিবেদন করা
হলেও তিনি তা গ্রহণ করেন কিনা এ প্রশ্ন আমাদের মনে আসে। শ্রীমা এর উত্তরে খুব জোর
দিয়ে বলছেন, “খান বই কি
বাবা, প্রাণের ভিতর থেকে নিবেদন করলে নিশ্চয় খান।”[ শ্রীমা সারদা দেবী,৩৪৭ ] আর ঠাকুর আছেন কিনা
তাঁকে দেখতে পাওয়া যায় কিনা? “হ্যাঁ, আজকাল মাঝে মাঝে এসে খিঁচুড়ি আর ছানা খেতে চান”।[ঐ,৪৩৭ ] মানুষ খেলে যেমন আমরা বুঝতে পারি, ঠাকুর গ্রহণ করলে তেমন কোন
চিহ্ন থাকে না কেন? মা বলছেন, “তাঁর চোখ থেকে একটি জ্যোতিঃ বার হয়ে সব জিনিস চুষে দেখে। তাঁর অমৃত স্পর্শে
সেটি আবার পরিপূর্ণ হয়, তাই কমে না।” [শ্রীশ্রীমায়ের কথা, ১৯৫] ঠাকুরকে
নিবেদন করলেও তিনি তা গ্রহণ করেন কিনা মা তা দেখতে পেতেন। যে নৈবেদ্য কোনও কারণে ঠাকুর গ্রহণ করতেন না দেখতেন, তা তিনি নিজেও খেতেন না।
শীতল দেওয়ার ব্যাপারে তেমন কোন
বাঁধা ধরা নিয়ম ছিল না। বিকেল চারটে নাগাদ বিশেষ কিছু থাকলে তা নিবেদন করতেন। আর সন্ধ্যায়
লুচি,রুটি, তরকারি, দুধ, গুড় ইত্যাদি ঠাকুরকে ভোগ দেওয়া হত। এ ভাবেই মায়ের
নিত্যপুজো সমাধা হত।
দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটী, কামারপুকুর,
শ্যামপুকুর, কাশীপুর, বেলুড়, বাগবাজার ইত্যাদি যেখানেই থাকতেন এই নিয়মের খুব একটা
ব্যতিক্রম হত না। এমনকি যখন তীর্থ দর্শনে যেতেন তখনও ঠাকুরের ছবি সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। মায়ের তীর্থ সঙ্গী
লাটু মহারাজের কথায় “বৃন্দাবনে
ঠাকুরের ছবিতে ফুল দিয়ে মা রোজ পূজা করতেন আর একটা (অস্থির) কৌটা নিজের মাথায়
ছুঁইয়ে রেখে দিতেন।’’[শতরূপে সারদা, ৪৮]
শ্রীমায়ের পুজোর মধ্যে যে নিবিড়
আত্মীয়তা বোধ প্রকাশ পেত, সেখানে নিছক বিধি অত্যন্ত তুচ্ছ বলে মনে হয়। একটি ঘটনা, শেষ
বারের মত মা জয়রামবাটী থেকে কলকাতা আসছেন। পথে কোয়ালপাড়াতে রাত্রি বাস করতে হয়। পরদিন সকালে বেরোতে হবে তাই ভোর ভোর ফল মিষ্টি দিয়ে মা ঠাকুরের পুজো সেরে নিলেন। ঠাকুরের ফটোটি
সযত্নে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে বাক্সে রেখে দিলেন। আর ঠাকুরের উদ্দেশ্যে বললেন ‘ওঠ, যাত্রার সময় হল’। ঘটনাটি সামান্য হলেও একদিকে যেমন সরল আন্তরিক আচরণের, অন্য দিকে ‘যখন যেমন, তখন তেমন’-রূপ সময় উপযোগী বাস্তব সিদ্ধান্ত গ্রহণের অসাধারণ
ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায়।
আর একবার জয়রামবাটী
যাওয়ার পথে বিষ্ণুপুরের কাছে এক চটিতে আহার ও বিশ্রামের জন্য থামেন। পাচক ভাতের
ফেন গালতে গিয়ে অসাবধানে মাটির হাঁড়িটি ভেঙ্গে ফেলে। সব ভাত মাটিতে পড়ে যায়। সবাই
খুব বিব্রত, এখন আবার রান্না করতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। মা কিন্তু একটুও
বিচলিত না হয়ে তাড়াতাড়ি উপর উপর কিছু ভাত তুলে নিয়ে ঠাকুরের ছবির সামনে রেখে
বললেন, “আজ এই রকমই
মেপেছ - শীগগির শীগগির গরম গরম দুটি খেয়ে নাও।”[শ্রীমা সারদা দেবী, ২৩০]
একবার জয়রামবাটীতে জগদ্ধাত্রীর পুজোর দিন সকাল
সকাল মা নিত্যপুজোর সময় ভোগনিবেদন করে ঠাকুরকে বলছেন, “দেখ, আজ
মার পূজা, শিগগির করে খেয়ে নাও, আমার সেখানে যেতে হবে।”[শ্রীমা সারদা দেবী ৩৪৬]
তন্ত্রে তিন প্রকার পুজোর কথা
বলা হয়েছে - নিত্য, নৈমিত্তিক ও কাম্য। নিত্য পুজো রোজ করতে হয়, না করলে অপরাধ হয়।
নৈমিত্তিক পুজো নির্দিষ্ট তিথি বা মাসে করণীয়। আর কাম্য পুজোতে থাকে বিশেষ ফল লাভের
কামনা। এছাড়া গুণভেদে সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক এই প্রকারভেদও রয়েছে। শ্রীমায়ের পুজো হল সাত্ত্বিক রাগভক্তির পুজো, যেখানে প্রধান আঙ্গিক জপ,
ধ্যান ও আত্মসমর্পন।
নিত্য দিনের পুজোর যে-কথা বলা হল, এছাড়া কখনও কখনও বিশেষ নৈমিত্তিক পুজোও মা করেছেন।
আমরা স্মরণ করতে পারি, কোয়ালপাড়া আশ্রেমের কথা। মা নিজে এখানে ঠাকুরের পট
প্রতিষ্ঠা করেন। শ্রীমা যথা সময়ে ঠাকুর ঘরে পুজোর আসনে বসলেন। ছোট্ট বেদীতে ঠাকুরের
ছবি এবং বাম দিকে নিজের ফটো স্থাপন করে তিনি পুজো করেন। মায়ের আদেশে হোম করেন কিশোরী মহারাজ। মা বললেন, “আমি দাঁড়িয়ে আছি ঠাকুরের নাম করে ঘি দাও, হোম কর।” [মাতৃদর্শন, ১১২] এভাবে হোম হয়ে গেলে মা হোমের ফোঁটা কপালে ধারণ করেন।

আর একবার, মঠ তখন আলমবাজার থাকে
বেলুড়ে নীলাম্বরবাবুর বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়েছে। বেলুড়ে স্থায়ী মঠ স্থাপনের জন্য নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। নীলাম্বরবাবুর বাগান
বাড়িতে থাকা কালীন মা ঠাকুরের নিত্যপুজো তো করতেনই। বেলুড়ে নতুন মঠ বাড়ি তৈরি হলে
মা নিজ হাতে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে ঠাকুরের পুজো করেন। এই দিনের বিবরণ
শ্রীমায়ের কৃপাধন্য সেবক আশুতোষ মিত্র অতি সুন্দর ভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি
লিখছেন, “শ্রীমা নৌকা
হইতে অবতরণ করিয়া সকলের প্রণাম গ্রহণ পূর্বক হস্তপদাদি ধৌত করিয়া সোজা ঠাকুর ঘরে
প্রবেশ করিলেন এবং আত্মারামের পূজায় বসিয়া গেলেন।” পুজোর বর্ণনা দিয়ে তিনি আরও লিখছেন“ শ্রীমা সেই প্রকোষ্ঠাভ্যন্তর হইতে আত্মারামকে
স্বহস্তে বাহির করিয়া প্রাণ ভরিয়া পূজা করিতে বসিয়া গেলেন। তাঁহার দুইটি হইতে দর বিগলিত
ধারায় প্রেমাশ্রু নির্গত হইতে থাকিল। হস্তদ্বয় কম্পিত
হইতে লাগিল। বহুক্ষণ আত্মারামকে হৃদয়ে ধারণ করিয়া
রহিলেন…প্রায় দেড় ঘন্টাকাল
পূজার পর শ্রীমা বস্ত্রাঞ্চল গলদেশে জড়াইয়া ভূমিতে মস্তক ঠেকাইয়া প্রণাম করিলেন আর
সেই কম্পিত হস্তে আত্মারামকে প্রকোষ্ঠে রাখিয়া দিলেন।”[শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে, ২/২৮১]

এর ঠিক পরের দিন শ্রীমা ঠাকুরের
পুজো করে, নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের শুভ সূচনা করেন। আর একবার যোগোদ্যানে নতুন নাটমন্দির তৈরির পর, উৎসবের সময় শ্রীমা বেদির সামনে বসে ঠাকুরের পুজো করেন। ঠাকুরের ভক্ত মনোমোহন মিত্রের বিবরণ, “শ্রীশ্রীমায়ের পূজা দেখিয়া অনুভব করিয়াছিলাম- শ্রীমা কৈলাসের ভগবতীরূপে সাক্ষাৎ
মহাদেবের পূজা করিতেছেন, আর আমরা ভাবেপ্রেমে
আত্মহারা হইয়া সেই পূজা দেখিতেছি। শ্রীশ্রীমায়ের
নিবেদন কালীন আর্তির কথা কি আর বলিব! আমরা সকলে অভিভূত
হইয়া পড়িলাম।” [শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে,২।২২৩]
এ ছাড়া স্থানীয় গ্রাম্য বা
লৌকিক দেবদেবী যেমন শীতলা, ষষ্ঠী, মনসা, সিংহবাহিনী প্রভৃতির প্রতিও মায়ের গভীর
ভক্তি-শ্রদ্ধা ছিল। কোথাও যাওয়ার সময় বা বাইরে থেকে এলে সিংহবাহিনী, শীতলা ইত্যাদি
মন্দিরে প্রণাম করতেন। কোথাও যেতে হলে হেঁটে মন্দিরে প্রণাম করে তারপর পাল্কিতে
উঠতেন। একবার বাগবাজারে সরস্বতী পুজো মা নিজ হাতে করে ছিলেন বলে জানা যায়।‘মায়ের বাড়ি’র ঠাকুর ঘরে
পুজোর আয়োজন হয়েছিল। প্রতিমা আনা হয়েছিল কুমোরটুলি থেকে।

পুজোর আর একটি বিশেষ
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মন্ত্র। পুজোর বিধি অনুসারে ভিন্ন দেবদেবীর পূজাপদ্ধতি ও
মন্ত্র ভিন্ন প্রকার। সেই মন্ত্রগুলি এক একটি বিশেষ ভাবের প্রকাশক। কিন্তু এ-সব
বিধি কেবল দেবতার সঙ্গে আত্নীয়তাবোধ জাগ্রত করার জন্য। সেখানে যে বোধের জাগরণ
হয়েছে সেখানে অন্তরের স্ফুট বা অস্ফুট চিন্তাই হল মন্ত্র। শ্রীমা বলছেন, “দেখ, ঠাকুরকে আপনার ভেবে বলবে, ‘এস বস, নাও খাও’। আর ভাববে তিনি এসেছেন, বসেছেন,খাচ্ছেন। আপনার লোকের কাছে কী মন্ত্র তন্ত্র
লাগে? ও-সব হচ্ছে যেমন কুটুম এলে তাদের আদর যত্ন করতে হয় সেরকম। আপনার লোকের কাছে
ওসব লাগে না। তাঁকে যেমন ভাবে দেবে, তেমন ভাবেই নেবেন।”[ শ্রীমা সারদা দেবী,,৩৪৭ ] অবশ্য ক্ষেত্র বিশেষে তিনি পুজোর মন্ত্র ও নিয়মাদি শিখিয়ে দিতেন।
শুদ্ধ ও পবিত্রতার প্রতিমূর্তি মা যে-মন নিয়ে পূজার্চনাদি করতেন, আমাদের সাধারণের
সেই শুদ্ধতা বা আত্মীয়তা বোধ কোথায়? স্নেহময়ী মা তাই আশ্বাস দিয়ে বলছেন, “তবে কি জান? মানুষ অজ্ঞ জেনে তিনি ক্ষমা করেন’’।[ শ্রীমা সারদা দেবী,,৩৪৮ ]

জগজ্জননীর কেন এত পুজোর আয়োজন?
তাঁর নিজের তো কোন প্রয়োজন ছিল না। যুগাবতার যেমন আসেন লোকহিতের জন্য, তাঁর লীলাসঙ্গীনী ভগবতীও জগতের হিতের ও
লোকশিক্ষার জন্য এই সব কর্মের অনুষ্ঠান করেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর দীর্ঘ সাধনার শেষে নিজের সাধনফল, জপের মালা নিবেদন
করেছেন জগন্মাতা সারদার শ্রীচরণে। শ্রীমাকেও দেখি প্রতিটি কর্মে, প্রতিটি ভাবনায়
এমনকি বাহ্যিক আচরণেও শ্রীরামকৃষ্ণময় হয়ে উঠতে। তাই তো তিনি যথার্থ রূপে ‘রামকৃষ্ণগতপ্রাণা’। ঠাকুর যেমন আমাদের ‘মা’ ডাকতে
শেখালেন, শ্রীমাও শেখালেন ‘ঠাকুর’ বলে ডাকতে।
শ্রীচৈতন্য অবতারে লীলাসঙ্গিনী বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীই প্রথম মহাপ্রভুর পুজোর প্রবর্তন
করেন বলে জানা যায়। শ্রীরামকৃষ্ণ অবতারেও শ্রীমা ঠাকুরের পুজো নিজে করে জগতকে
শেখালেন। ©
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা,
' আত্মজ্যোতি' ব্লগ নিয়মিত ভাবে প্রকাশিত হবে। এখানে ঠাকুর-মা-স্বামীজী ও বিভিন্ন মহাপুরুষদের নিয়ে লেখা থাকবে। আপনাদের মতামত ও পরামর্শ াজানাবেন এবং পরিচিতদের মধ্যে শেয়ার করে সঙ্গে থাকবেন। জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ।
*****************************************************************
Pronam Sikshaguru dev 🙏❤️❤️🙏
ReplyDeleteঅসাধারণ। প্রণাম মহারাজ
Deleteমা এর মেয়ে হয়ে আমরা যেন একটু হলেও মায়ের মত হই
ReplyDeleteপ্রণাম শিক্ষা গুরু দেব
ReplyDeleteএমন শিক্ষা গুরু দেব পেয়েছি বলে আমাদের জীবন ধন্য জনম জনম যেন এমন শিক্ষা গুরু দেব পাই
ReplyDeleteলেখা টা আমাদের জীবনের চলার পথ
ReplyDeleteজয় শিক্ষা গুরু দেব এর জয়
ReplyDeleteঅপূর্ব।
ReplyDeleteজয় মা।🌼🙏🌼
Asadharon valo laglo 🙏♥🙏
ReplyDeleteমা কিভাবে পুজো করতেন, মহারাজ আপনি এত সুন্দর করে লিখেছেন সত্যি অপূর্ব। অনেক কিছু জানলাম ও শিখলাম। 🙏🙏🙏🙏জয় মাগো।
ReplyDeleteমহারাজ, আজ ই প্রথম পড়লাম আপনার লেখা ব্লগ। খুব ভালো লাগলো । আমার প্রণাম নেবেন।মিত্রা প্রামানিক।
ReplyDeleteমায়ের অনেক বই আছে পড়ি কিন্তু আজকের এই লেখাটা পড়ে ভাল লাগল মন ভরে গেল। স্বামীজীর ওপর লেখা পেলে ভাল লাগবে।
ReplyDeleteKhoob bhalolaglo probate Monta voregalo maharaj apnak pronam janai
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো অপূর্ব লেখা আমরা সব বই সব সময় পড়ে উঠতে পারি না আপনার এই লেখা থেকে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবো প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteBlog pore somriddho holam Maharaj
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ আরও আশায় রইলাম 🙏🙏🙏
ReplyDelete" পূজার আসনে শ্রীশ্রীমা " এই লেখাটির মধ্য দিয়ে মায়ের 'পূজারিনী' রূপটি খুব সুন্দর ফুটে উঠল মহারাজ 🙏🏻সুন্দর অনুধ্যান হলো মায়ের পূজারিনী রূপের🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উপযোগী একটি ব্লগ। সমৃদ্ধ হলাম।
ReplyDeleteপ্রণাম গুরুদেব।আপনার কৃপায় আমরা ঠাকুর মা ও স্বামীজি সম্বন্ধে জানতে পারছি।নিজেররা উপকৃত হচ্ছি।
ReplyDeleteঅতিশয় সমৃদ্ধ হলাম। জয় দিব্য ত্রয়ী।
ReplyDeleteApurbo sundor mayer kotha pore mon vore gelo. Pronam Maharaj 🙏
ReplyDeleteBasanti Chatterjee Howrah.
খুব ভালো লাগলো শ্রী শ্রী মায়ের কথা।
ReplyDeleteমহারাজ মায়ের বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন কথা জেনে খুব ভাল লাগল। আরও তথ্য জানার জন্য অপেক্ষা করে থাকলাম। আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম ও ধন্যবাদ জানাই মহারাজ।
ReplyDeleteএতো যেন মায়ের সাথে একান্তে সময় কাটালাম। জয় মা জয় মা জয় মা 🙏🌺🌿🙏🌺🌿🙏🌺🌿
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ,মা এর সম্বন্ধে অনেক কথা জানতে পারলাম। আপনি ক্লাসে ও অনেক বার মা এর সম্বন্ধে অনেক কথা আলোচনা করেছেন। কিন্তু এই ভাবে একসঙ্গে লিখে পাঠানোর ফলে খুব ভালো হলো
ReplyDeleteঅপূর্ব তুলনা হিন ভিসন শান্তিতে মন ভরে গেলো মায়ের কথা জেনে প্রনাম আচার্য্য দেব ( নামহীন )
ReplyDeleteখুব সুন্দর , প্রণাম মহারাজ জি🙏❤🙏
ReplyDelete"পূজার আসনে শ্রীশ্রীমা " এই উপস্থাপনা টি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। মায়ের বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রণাম নেবেন মহারাজ। এই রকম অধ্যাত্ম বিষয়ক আলোচনা আরো জানতে চাই।
ReplyDeleteমহারাজ, পূজার আসনে শ্রী শ্রীমা লেখাটি অভূতপূর্ব হয়েছে, আমি তো বার বার পড়ছি, এতো সুন্দর লেখা ছোটো বই হলেও খুব ভালো হতো, জয় মা 🙏🙏 প্রণাম নেবেন মহারাজ 🙏🙏Anita Pai
ReplyDeleteমা ভালোবাসার আশ্রয়, জাগতিক সব কিছুই আমার মা, কাউকে বোঝাতে পারবো না মায়ের ভালোবাসা। শুধু অনুভব করা যায়। প্রণাম নিও মা 🌿🌺🌺🌿🙏🙏♥️♥️♥️♥️
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগল
ReplyDeleteআমি সম্মতি জানাচ্ছি
সোনালী ভট্টাচার্য্য
অপূর্ব।
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগল।জয় মা।
প্রণাম জানাই মহারাজকে।
জয় মা।মাগোআমার প্রণাম নিবেদন করি তোমার দুটি রাঙা চরণ কমলে।কৃপা করো মা,যেন ভক্তি জ্ঞানোদয় হয়।
ReplyDelete🙏♥️🙏♥️🙏 আপনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক আলোচনা শুনতে পেলাম 🙏 ঠাকুর মা ও স্বামীজি মহারাজ জী 🙏 সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও অংশ গ্রহণ করতে পেরেছি। আপনি আমাদের পথপ্রদর্শক friends philosopher's and guide.শ্রীভগবান আপনাকে ভালো রাখুন সুস্থ থাকুন 🙏♥️🙏♥️🙏♥️🙏
ReplyDeleteGita r 1 to 5 adhay r aponader anubad kothay pabo?
ReplyDeleteKhub valo laglo ,Ami to roj porbo
ReplyDeleteApurba Maharaj. Khub bhalo laglo. Pranam neben Maharaj. Joy Thakur Joy Ma Joy Swamiji Maharaj.🙏🌺
ReplyDeleteApurba Maharaj. Khub bhalo laglo. Pranam neben Maharaj. Joy Thakur Joy Ma Joy Swamiji Maharaj.🙏🌺
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ মহারাজ। আমরা ধন্য আপনাকে পেয়ে। ক্লাসে দেখিয়ে দিচ্ছেন, আবার এই লেখা পড়ে আমরা মার থেকে জানতে পারলাম পূজা করার নিয়ম। আরো কতো কি। এগুলো একবার পড়লে মনে ছাপ ফেলবে না। বারবার পড়লে তবে অনুসরন করতে পারবো। ধন্যবাদ মহারাজ। শুভ রাত্রি।
ReplyDeleteAmar lekhati porre bhisan bhisan bhalo legechhe eto sundor kore par par aksathe porre.
ReplyDeleteআমি ইলা দত্ত বদরপুর আসাম থেকে বলছি খুবই ভালো লাগলো অনেক পুরনো মায়ের কথা জানিয়েছেন আর ও মায়ের কথা জানতে চাই আমার প্রনাম নেবেন ভালো থাকবেন সবসময়
ReplyDeleteJoy Maa kripa karo Maa khoob valo laglo
ReplyDeleteজীবন পদ্মে স্পন্দিত হোক রামকৃষ্ণ সারদা নাম🙏🙏
ReplyDeletekhub sundor laglo Maharaj.onak kichhu jante parlam.
ReplyDelete🙏💐
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।আত্মজ্যোতি পড়লাম। খুব ভাল লাগলো। এক সম্পূর্ণ ছবির মতন।
ReplyDeleteপ্রণাম ঠাকুর প্রণাম মহারাজখুবভালো।লাগলো।
ReplyDeleteThakur maa oSwamijiir charane aavumi lunthito pronam. Maharaj ji apnake vaktipurno pronam. Khub khuuub anando pelam. Anek kichu jante parlam.. Maa er kripate aapni sustho thakun ai parthona kori. Pronam
ReplyDeleteভালো লাগলো,প্রনাম মহারাজ।
ReplyDeletekhub valo maharaj....amra khub khusi 👌👍🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো মহারাজ মনটা ভরে গেলো, মায়ের জীবনের ঘটনা গুলো পড়ে।
ReplyDeleteGood
ReplyDeleteখুব ভাল
Deleteঅপূর্ব। খুবই সুন্দর মহারাজ।
Deleteঅসাধারণ
Deleteমহারাজ, সারদা, মায়ের পূজা পদ্ধতি র, কথা জানতে পেরে , আপ্লুত হয়ে ছি
DeletePronam Maharaj. Asadharon post. Khub bhalo laglo.
Deleteনমিতাগিরিএক।জুন।26।2o22।1o।pm।
Deleteখুব ভালো লাগছে। নাম হীন।
ReplyDeleteExcellent 🙏🏻
ReplyDeleteখুব ভাল
ReplyDeleteমায়ের কথা একসঙ্গে লিপিবদ্ধ হওয়ায়, পড়তে খুব ভালো লাগছে। নিয়মিত পাঠ করার একটা সুবিধা হল। খুবই উল্লখযোগ্য এই পোস্ট। ধন্যবাদ। শ্রীশ্রীমায়ের পাদপদ্মে সভক্তি প্রণাম। আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রণাম নেবেন।
ReplyDeleteমহারাজ মায়ের বিষয়ে পড়ে খুব ভালো লাগল প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteঅপূর্ব সুন্দর। আমাদের সমৃদ্ধ করলো মহারাজ 🙏🏻🌺🙏🏻
ReplyDeleteপ্রণাম মা।মায়ের জীবনী আর মায়ের কথা যত শুনছি আর পড়ছি ততই চিত্ত শুদ্ধ এবং পবিত্র হচ্ছে। মায়ের দৈনন্দিন জীবনের কথা পড়ে নিজের অনেক দোষ ক্রটি সংশোধন করার চেষ্টা করছি।অনেক অজানা জিনিস জানতে পারছি।মায়ের কাছে প্রার্থনা করি সত্যকে যেন শক্ত করে ধরে থাকতে পারি।ভাল থেকো মা।কৃপা করো তোমার সকল সন্তানদের।
ReplyDelete🙏🙏💐💐💐💐👍👍👍
ReplyDeleteমা আমরা জানো তোমার মেয়ে হয়ে একটু হলেও তোমার মত হই মাগো তোমাকে জানতে শি খেছে আমাদের শিক্ষাগুরু দেব
ReplyDeleteমন ভরে গেলো মায়ের পুজোর কথা পড়ে
ReplyDeleteআমরা ধন্য , প্রণাম মহারাজ
ReplyDeleteঅসাধারণ লাগলো এই ব্লগের লেখলে পড়ে।ঠাকুর মা স্বামীজী শ্রীচরণে প্রণাম।এইরূপ লেখলে পড়ে সমৃদ্ধ ও ধন
ReplyDeleteশ্রীশ্রী মায়ের পূজার বর্নণা খুবই ভালো লেগেছে।মাকে অন্তরের প্রনাম জানাই।
ReplyDeleteপ্রনাম মহারাজ।
Very Very helpful for us. These will help during mediation. Pranam.
ReplyDeleteKhub sundar
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মায়ের কথা যতবার পড়ি ততবারই ভালো লাগে আপনার এই মহান প্রয়াসের জন্য ধন্যবাদ ভগবান আপনাকে অনেক অনেক আশীর্বাদ করুন
ReplyDeleteJay Thakur Jay Maa Jay Swamiji Pranam neo.kripa hi kebalam
ReplyDeleteBhison bhalo laglo
ReplyDeleteভীষন ভালো লাগল।
ReplyDeleteশ্রী শ্রী মায়ের কথা খুবই সুন্দর অ সুসাংবদ্ধ
ReplyDeleteশ্রী শ্রী মায়ের ক্থা এখানে সুন্দর ও সুস্ংব্দ্ধ ভাবে প্রকাশিত করা হয়েছে যা পাঠক/ভক্ত কে মা সম্বন্ধে / মায়ের শিক্ষা দেওয়ার রীতি/নীতি জানতে সাহায্য করে ও আনন্দ দিয়ে দেয়।। শ্রী শ্রী মায়ের চরনে
ReplyDeleteশ্রী শ্রী মায়ের ক্থা এখানে সুন্দর ও সুস্ংব্দ্ধ ভাবে প্রকাশিত করা হয়েছে যা পাঠক/ভক্ত কে মা সম্বন্ধে / মায়ের শিক্ষা দেওয়ার রীতি/নীতি জানতে সাহায্য করে ও আনন্দ দিয়ে দেয়।। শ্রী শ্রী মায়ের চরনে
ReplyDeleteখুবই ভাল ।
ReplyDeleteখুবই সুন্দর ব্যবস্থা, থঙ্কস।।
ReplyDeleteসমৃদ্ধ হই , প্রতিটি লেখা অসাধারণ
ReplyDeleteখুব খুব ই ভালো লাগলো মহারাজ খুব সুন্দর, আমাদের মন চঞ্চল হলে মায়ের কথা পড়লেই মনটা ভালো হয়ে যাবে ,এটা হলো আমাদের মনের ওষুধ , ভালো লাগছে যেনে যে আরো অনেক কিছু জানতে পারবো , আমার অসংখ্য অসংখ্য প্রণাম গ্রহন করবেন মহারাজ 🙏🙏🙏
ReplyDeleteমা,,এর লেখাটাওঅপূব হয়েছে। আপনার উপস্থাপনা জন্য, আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব,,, ভালো থাকবেন 🙏🙏 প্রনাম নেবেন 🙏🙏
ReplyDeleteএই লেখাগুলি পাঠাভ্যাসে মনের গ্লানি দূর হয়।প্রণাম মহারাজ।🌿🌺🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🌿🌺
ReplyDelete🙏🌹🌷🙏জয় মা 🙏🌷🌷
ReplyDeleteআচার্য্য শিক্ষা গুরু দেবের পাদ পদ্মে কোটি কোটি প্রণাম, মায়ের কৃপায় আমরা আপনাকে পেয়ে ধন্য হয়েছি আচার্য্য গুরুদেব , কত কিছু সঠিক জানতে পারছি,"ঠাকুর,মা,স্বামীজির "সম্পর্কে। আধ্যাত্মিক পথে আপনি আমাদের আলো দেখাচ্ছেন।
Khub sundor lagche ata khub valo prostab ',keka Dutta Bankura
ReplyDelete🙏🙏🙏🌺🌺🌺🙏🙏🏼
ReplyDeleteMaharaj aj Mayer katha pore khub khub bhalo laglo.Amar mone hoy ei nature proyas sakoler bhalo lagbe.
Maharaj amar shradhapurna pronam neben.
ReplyDeleteAmar ei blog e prokasita Mayer khata pore khub bhalo laglo. Asha kari saber khub bhalo lagbe.
স্বশ্রদ্ধ প্রনাম নেবেন মহারাজ, আত্মজ্যোতি বিবেক জ্যোতি ,এর থেকে আমরা অনেক কিছু জানতে পারব।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগল।অনেক সমৃদ্ধ হলাম।ধন্যবাদ।
ReplyDeleteঅসাধারণ
ReplyDeleteKhub bhalo.laglo
ReplyDeleteমায়ের কৃপা ছাড়া এইরকম অসাধারণ একটা দেখবার সুযোগ পেতাম না।
ReplyDeleteAi lekha ti pore।khub valo laglo nuton anek kichu jante parlam sikha Bal Burdwan
ReplyDeleteএটা ভক্তদের জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
ReplyDeleteঅসিতকুমার মুখার্জী " পুজার আসনে মা " এই লেখাটি পড়িয়া মুগ্ধ হয়েগিয়ে ছিলাম।ভ
ReplyDeleteমায়ের এই লেখাটি অতিরম সুন্দর একবার পড়িয়া মন ভরেনা বারবার পড়তে ইচ্ছা করে। শীশী মায়ের শীচরণে ভক্তিপুণ প্রনাম নিবেদন করিলাম।
ReplyDeleteMaharaj pronam neben
ReplyDeleteKhub bhalo lagche Maharaj
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে। অনেক কিছু জানতে পারলাম। এটা একটা ভালো প্রচেষ্টা। ঠাকুর মা স্বামীজি সবাই কে কৃপা করুন।
ReplyDeleteশ্রী মায়ের শ্রীচরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই। শ্রীমৎ স্বামী হরিময়ানন্দ মহারাজ জী র গ্রথিত "পূজার আসনে মা" --পড়ে খুব অনুপ্রানিত হলাম। শ্রীশ্রী মা আমাদের কে শেখাচ্ছেন --পূজার সময় শান্তভাবে , নির্দিষ্ট সময়ে , নিয়মনিষ্ঠা সহকারে , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি করে পূজার সামগ্রী, নৈবেদ্য ইত্যাদি সাজাতে হবে। দৃষ্টি নন্দন যোগ্য করে তুলতে হবে পূজার স্হানটি। সেবা অপরাধ যেন না হয়, তারজন্য প্রতিটি কাজ নিখুঁত হতে হবে। কোনো আড়ম্বর নয়, আন্তরিক হতে হবে, যেন বাবা, মা, সন্তানের সেবা করছি। ছায়া,কায়া সমান ।বৈধী ভক্তির পর ই আসবে রাগভক্তি। পূজার শ্রেষ্ঠ অঙ্গ--আত্ম সমর্পণ । সাধনা হবে নীরব।অধ্যত্মজীবন ও লৌকিক জীবন কে উচ্চগ্রামে বাঁধতে হবে। তাহলেই আমরা শ্রী শ্রী মায়ের উপযুক্ত সন্তান হতে পারব। ।।।।।।।সশ্রদ্ধ প্রণাম শ্রী মা।।।। সশ্রদ্ধ প্রণাম মহারাজ জী।।।।।। অলকানন্দা মিত্র। বাগবাজার।
ReplyDeleteঅপূর্ব
ReplyDeleteKhub valo laglo , anek ojanar sondhan pelam
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো লাগলো। মা এর কথা পড়তে বা শুনতে খুব খুব আনন্দ পাই ,তারপর আপনার লেখা, কোনো কথা হবে না। অসাধারণ এইরূপ মাএর কথা আরও পড়তে চাই।প্রনাম নেবেন আচার্য দেব।।
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻 'Atmojyoti ' r writeups e Maharajji r udriti kora Ma er jiboner nidorshon swarup bivinnyo spiritual /secular life r Karmokriya khubei antorgrahi ja ki na amader Ma er vaktobrindo ke bisesh vabey onupranito korechey. Ma sikhiyey gachen Swang Thakur holen 'Sarbodebodevi swarup'. Amader Ma nistha, antorikota o biswas er protik swarup. Ar 'Atmobat Debosebonom' o Sattik Raagovakti onubhob niyey Ma Pujo kortey sekhalen. Ar Ma er dristi te 'Chaya-Kaya' soman, tei Thakurer Chobi Ma sorboda Kaya rupey onubhob korten. Ma er kachey amra ei omulyo siksha prapti korechi. Aaj Achariyo Maharajji r sannidhyey esey amra eto eto Gyan siksha prapti korchi🙏🏻🙏🏻. Nijeder rectify korey e jiboney Ma er haat dhorey nijeder samridhyo korey baki jibon ogrosor hobo, Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Ar Apni hoben amader pothoprodarshok. Joy Thakur Joy Ma Joy Swamiji🌻🌻🌻🙏🏻🙏🏻🙏🏻. Sotokoti vaktivora pranam Maharajji 🌻🌻🙏🏻🙏🏻. Khub valo laglo porey r evabey blog post pawer agroho niyey poth cheyey achhi, Maharajji 🙏🏻🙏🏻. Parbati Banerjee, Siliguri
ReplyDeleteHhgf
ReplyDeleteখুউব সুন্দর , খুব ভালো, কত কিছু জানতে পারলাম, শুধু ধন্যবাদ বললে কম বলা হবে, সমৃদ্ধ একটি লেখা, প্রণাম বার বার, মহারাজ জী, মধুশ্রী সরকার, Bowbazar এবং রাজারহাট থেকে
ReplyDeleteমায়ের কথা খুব ভালো লাগলো 🙏
ReplyDeletePronam Ma. Sri Sri Maer Kotha bistrito jante pede dhonyo holam.🙏
ReplyDeleteজয় মা জয় মা জয় মা প্রনাম নাও মাগো।
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে মহারাজ।প্রনাম নেবেন
Khub Bhalo Laglo Maharaj.🙏
ReplyDeleteমায়ের এই লেখাটা পড়ে মুগ্ধ হলাম।অনেক কিছু জন্তে পেলাম মা সম্পর্কে। এরকম লেল্হ বর বর পড়তে চাই। জয় ঠাকুর মা আমার প্রনাম নেবেন🙏🙏
ReplyDeleteমায়ের লেখাটা পড়ে মুগ্ধ হলাম ।জয় ঠাকুর মা আমার প্রনাম নেবেন
ReplyDeleteজয় ঠাকুর, মা, স্বামীজী, গুরুদেব
ReplyDelete🙏🙏🙏🙏
পরম পূজনীয় মহারাজের চরণে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নিবেদন করি।
"পূজার আসনে শ্রীশ্রীমা" লেখাটি পড়ে মন ভরে গেলো মহারাজ।
🙏🙏🌷🌷🙏🙏
খুব সুন্দর লাগলো মহারাজ। পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রনাম মহারাজ 🙏🙏
ReplyDeleteএই লেখা টি পড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক কিছু জানতে পারলাম। মহারাজ আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। মালা সমাজদার,সোদপুর।
ReplyDeleteMayer kotha jotoi pori.porar icha totoi bere jai..koto kichu janlam....🙏🙏🙏
ReplyDeleteDipannita das
ReplyDeleteমা,, নামেই,আনন্দো। আপনি বক্রতা হিসাবেও ভিষন ভালো,, আপনার লেখা,, খুবই সুন্দর 🌷🙏🌷 পরে ভিষন ভালো লাগলো 👌👌❤️🙏
অসাধারন লেখা। মায়ের সম্পর্কে এত সব জানান সত্যিই অসাধারন
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ । সুব্রত ঘোষাল মুম্বাই
মহারাজের এই ব্লগ থেকে আধ্যাত্মিক জীবনের অনেক কিছু জানতে পারছি। মহারাজ এতো আন্তরিকতার সহিত আমাদের উন্নত জীবনের পথ নির্দেশ করে চলেছেন যে তা অকল্পনীয়। মহারাজকে শত শতকোটি সশ্রদ্ধ প্রণাম নিবেদন করি। শ্রীশ্রীমার কাছে মহারাজের সুদীর্ঘ নীঃরোগ জীবন প্রার্থনা করি 🙏🙏
ReplyDeleteজয় ঠাকুর জয় মা জয় স্বামীজী 🙏প্রণাম মহারাজ🙏🙏🙏
ReplyDelete🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeletePorey khub valo laglo🙏🏻.
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা। মায়ের পূজা পড়ে আপ্লুত হলাম।
ReplyDeleteপ্রণাম মহারাজ।
শ্রীশ্রী মায়ের পূজা পদ্ধতির কথা জেনে আমরা (আমি ও স্ত্রী গায়ত্রী)
ReplyDeleteআপ্লুত।আপনার উপস্থাপনাও অতি
চমৎকার। অনেকই হয়ত বহুকিছু
জানেন কিন্তু জানানোর ক্ষমতা
সবার থাকে না,যা আপনার আছে।
আমরা সম্ৃদ্ধ হলাম। প্রণাম।
শর্মিষ্ঠা মুখার্জি
ReplyDeleteখুব ভালো লাগছে আপনার লেখা। অনেক কিছু জানতে পারছি। প্রণাম জানাই মহারাজ 🙏
Khub bhalo laglo Moharaj...
ReplyDeleteমায়ের পুজা র নিয়ম পড়ে খুব ভালো লাগছে, চেষ্টা করবো এভাবে করার. মহারাজ জী আপনাকে প্রণাম, আপনার টি ব্লগ থেকে অনেক কিছু জানতে পারছি 🙏🙏🙏🙏
ReplyDeleteখুব ভালো লাগলো সুন্দর পোষ্টটি পড়ে যেমন আনন্দ পাই ঠাকুরের কথামৃত পড়ে , সেরকম ভাবে সাজানো প্রতিটি লাইন।ঘড়ে বসে ইশ্বরের প্রমে আন্দিত হতে পাচ্ছি মহারাজ আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য। জয়ঠাকুর জয় মা ।বিনন্ম্র ভক্তিপূর্ণ প্রনাম নেবেন মহারাজ।
ReplyDeleteখুব সুন্দর মহারাজ। প্রণাম নেবেন। ইতিদাস।
ReplyDeleteমহারাজ আপনাকে প্রনাম জানাই।
Deleteএত সুন্দর পুজো পদ্ধতি যেভাবে শ্রী শ্রী মা আমাদের কাছে প্রকাশ করেছেন তা আপনার লেখার মাধ্যমে জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো।বিশেষ করে মহানির্বান তন্ত্রে যে পুজো পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন তা জানতে পেরে আরও ভালো লেগেছে। 🙏🙏🙏
প্রণাম মহারাজ।মায়ের পূজার নিয়ম পড়ে খুব ভাল লাগল।অনেক কিছু জানতে পারছি। আরও জানতে চাই।ভাল থাকবেন।মধুমিতা মুখার্জী।দক্ষিনেশ্বর
ReplyDeleteমায়ের কথা পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রণাম মহারাজ। শিখা, হালদার
ReplyDeleteজয় মা জয় মা। খুব সুন্দর। পড়ে খুব ভালো লাগলো।প্রনাম ।
ReplyDeleteপ্রনাম নেবেন মহারাজ
ReplyDeleteKhoob bhalo laglo maharaj pronam janaj
ReplyDeleteমা,,যে কি__তা ঠিক বলে বোঝাতে পারবো না।মাআমার চলার পথের একমাএ সাথি।মা, এর বানি আমার পথপ্রদর্শক।
ReplyDeleteআপনার লেখার মধ্যে একটা আলাদা অনুভুতি আছে।
আর ও অনেক অনেক লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।থাকি তো অনেক দুরে। কিন্তু মন পরে থাকে ,, জয়রাম বাটিতে,, কলকাতা তে। ভালো থাকবেন।
Dipannita.